02/08/2026
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আজ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সামাজিক সংস্থা "এসো" র ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকীতে মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।
আজ কৃতজ্ঞতা জানাই সেই সকল মানুষকে, যাঁরা এই পথচলায় আমাদের সঙ্গে ছিলেন। যাঁরা নীরবে কাজ করেছেন, নিজেদের সময়, শ্রম ও মেধা উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের ত্যাগ ও ভালোবাসা ছাড়া "এসো" আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।
এই দীর্ঘ পথচলায় আমরা শিক্ষা সহায়তা, বিজ্ঞানভিত্তিক সচেতনতা, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগে মানবিক সহায়তা, রক্তদান, সামাজিক সচেতনতা এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছি। প্রতিটি কাজের পেছনে ছিল আমাদের স্বেচ্ছাসেবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা।
প্রিয় স্বেচ্ছাসেবী ও সদস্যবৃন্দ,
আপনারাই "এসো"-এর প্রাণ, শক্তি ও পরিচয়। মানুষের মুখের একটি হাসি, একটি কৃতজ্ঞতা কিংবা একটি আশীর্বাদ—এগুলোই একজন স্বেচ্ছাসেবীর সবচেয়ে বড় অর্জন।
আমাদের পৃথিবী আজ জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ, বৈষম্য, প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই আমাদের কাজ শুধু সাহায্য করা নয়; মানুষকে সচেতন করা, বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলা, পরিবেশ রক্ষা করা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলাও আমাদের দায়িত্ব।
আজ ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমি নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানাই—মোবাইলের পর্দার বাইরে এসে সমাজের জন্য কিছু করুন। একটি গাছ লাগান, একজন শিশুকে পড়ান, একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। কারণ সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতন ও মানবিক তরুণ সমাজ। পরিশেষে, আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই সংগঠনের সকল সদস্য, উপদেষ্টা এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীকে। আপনাদের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আসুন, ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা সবাই একসঙ্গে শপথ করি—আমরা মানবতার সেবায়, পরিবেশ রক্ষা, বৈষম্যহীন, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে একসঙ্গে এগিয়ে যাব। আল্লাহ তাআলা আমাদের এই মহৎ প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং "এসো"-এর আগামী পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ, সফল ও কল্যাণময় করুন।
শুভ হোক "এসো"-এর ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
ধন্যবাদান্তে
কৃষিবিদ মো. মশিউর রহমান রিয়াজ
প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি
"এসো" শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সামাজিক সংস্থা
(ESSO- Educational Scientific and Social Organization)