ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি - Dr. Tanjila Shafi Supty

  • Home
  • Bangladesh
  • Badda
  • ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি - Dr. Tanjila Shafi Supty

ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি - Dr. Tanjila Shafi Supty Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি - Dr. Tanjila Shafi Supty, Doctor, Nabil Pharma, Pa-144, South Badda, Badda.

ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি
এমবিবিএস
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এম আর সি এস (সার্জারি)

🩺 গাইনী ও শিশু রোগে অভিজ্ঞ জেনারেল ফিজিশিয়ান।

📍 চেম্বার: নাবিল ফার্মা ( বাইতুল আবরার মসজিদের সামনে) , দক্ষিণ বাড্ডা, ঢাকা।

📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01786-757005

বর্ষার এই মৌসুমে চারদিকে ডেঙ্গু এবং টাইফয়েডের প্রকোপ আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে এই...
12/07/2026

বর্ষার এই মৌসুমে চারদিকে ডেঙ্গু এবং টাইফয়েডের প্রকোপ আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

​একটু অসচেতনতাও অনেক সময় বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই পরিবারের সুরক্ষায় আজ থেকেই এই ৫টি বিষয়ে নজর দিন:

​🦟 মশার উৎপত্তি রোধ: ঘরের ফুলের টব, বারান্দা বা এয়ার কন্ডিশনারের নিচে যেন কোনোভাবেই ৩ দিনের বেশি পানি জমে না থাকে।
👶 শিশুদের বাড়তি সুরক্ষা: দিনের বেলাতেও শিশুদের হালকা রঙের ফুল-হাতা জামাকাপড় পরিয়ে রাখুন এবং ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।
💧 নিরাপদ পানি ও খাবার: এই সময়ে টাইফয়েড ও পেটের পীড়া থেকে বাঁচতে সবসময় ফুটানো বা ফিল্টার করা পানি পান করুন এবং বাইরের খোলা খাবার পরিহার করুন।
🌡️ জ্বরকে অবহেলা নয়: আপনার বা শিশুর জ্বর হলে নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক খাওয়াচ্ছন না তো? ডেঙ্গুতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভুল ওষুধ সেবন মারাত্মক ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

​যেকোনো ধরণের জ্বর, ঠান্ডা-কাশি বা শারীরিক অসুস্থতায় অবহেলা না করে শুরুতেই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন। 🩺✨

​📍 চেম্বার: নাবিল ফার্মা, প-১৪৪, দক্ষিণ বাড্ডা (বাইতুল আবরার মসজিদের সামনে), ঢাকা।

🩺 আপনার বিশ্বস্ত ও প্রফেশনাল স্বাস্থ্যসেবায় — ডা. তানজিলা সফি সুপ্তি​আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ কি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন...
29/06/2026

🩺 আপনার বিশ্বস্ত ও প্রফেশনাল স্বাস্থ্যসেবায় —
ডা. তানজিলা সফি সুপ্তি

​আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ কি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন? সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন?

​দক্ষিণ বাড্ডা এবং এর আশেপাশের এলাকার সম্মানিত বাসিন্দাদের জন্য এখন সুলভ মূল্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিয়ে পাশে আছেন ডা. তানজিলা সফি সুপ্তি।

​🎓 শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদবি:
​এমবিবিএস (ঢাকা)
​বিসিএস (স্বাস্থ্য) — সহকারি সার্জন, ডিএনসিসি হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।
​এমআরসিএস (সার্জারি, যুক্তরাজ্য)
​পিজিটি (গাইনী অ্যান্ড অবস)

​🏥 আমি যে সকল বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করছি:

​১. গাইনী ও প্রসূতি রোগ (Frailty & Women's Health):

*​গর্ভকালীন ও গর্ভোত্তর জটিলতার নিয়মিত চেকআপ ও পরামর্শ।
*​অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা, অতিরিক্ত রক্তস্রাব বা তলপেটে ব্যথার কার্যকর চিকিৎসা।
*​বন্ধ্যাত্ব (Infertility) বা সন্তান না হওয়ার প্রাথমিক কাউন্সিলিং ও চিকিৎসা।
*​মহিলাদের সাদাস্রাব বা যেকোনো ধরনের ইনফেকশনের সমাধান।

​২. শিশু রোগ (Pediatric Care):
*​নবজাতক ও শিশুদের ঠান্ডা, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা।
*​শিশুদের পুষ্টিহীনতা, কৃমির সমস্যা এবং রুচি বাড়ানোর সঠিক পরামর্শ।
*​শিশুদের পেটের নানাবিধ সমস্যা, ডায়রিয়া বা বমি ভাব দূরীকরণ।

​৩. চর্ম ও অ্যালার্জি জনিত রোগ (Dermatology):
*​দীর্ঘদিনের চুলকানি, একজিমা, দাদ বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন।
*​এলার্জি, ব্রন (Acne), মেছতা এবং ত্বকের যেকোনো র‍্যাশের আধুনিক চিকিৎসা।
*​চুল পড়ে যাওয়া বা খুশকির স্থায়ী সমাধান।

​৪. সাধারণ ও সংক্রামক ব্যাধি (General & Infectious Diseases):
*​তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদী জ্বর, ডেঙ্গু (Dengue), হাম (Measles) এবং টাইফয়েড (Typhoid) জ্বরের সঠিক ব্যবস্থাপনা।
*​গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া এবং হজমজনিত জটিলতা।
*​উচ্চ রক্তচাপ (High BP) এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পরামর্শ।

​⏰ চেম্বারের সময়সূচি ও অবস্থান:
​সরাসরি চেম্বার: শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার (বিকাল ৫:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা)
​অনলাইন কনসালটেশন: আপনার সুবিধাজনক যেকোনো সময়ে ঘরে বসেই ভিডিও/অডিও কলে পরামর্শ নিতে পারবেন।

​📍 চেম্বারের ঠিকানা: নাবিল ফার্মা, প-১৪২, দক্ষিণ বাড্ডা (বাইতুল আবরার মসজিদের সামনে), ঢাকা।
​💬 অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা সিরিয়ালের জন্য পেজে মেসেজ দিন।

​🌟 আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্থতাই আমাদের মূল লক্ষ্য। যেকোনো জরুরি স্বাস্থ্য পরামর্শে আজই যোগাযোগ করুন।

★★বাংলাদেশের এমআর (MR) টিকাদান কর্মসূচীতে সচেতনতা ও রিমাইন্ডারের অভাব★★​দেশের সবচেয়ে বড় হাম (Measles) ডেডিকেটেড হাসপাতাল...
16/05/2026

★★বাংলাদেশের এমআর (MR) টিকাদান কর্মসূচীতে সচেতনতা ও রিমাইন্ডারের অভাব★★

​দেশের সবচেয়ে বড় হাম (Measles) ডেডিকেটেড হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও ট্রায়াজে এক ব্যস্ত নাইট ডিউটির কথা বলি। সেদিন চিকিৎসা নিতে আসা ৫৩ জন রোগীর মধ্যে মাত্র ২ জন শিশুকে পেয়েছিলাম, যাদের ইপিআই (EPI) সিডিউল অনুযায়ী সঠিকভাবে সব টিকা দেওয়া হয়েছিল!

​শিশুরোগীদের হামের সাথে এই লড়াই একজন সম্মুখসারির চিকিৎসক হিসেবে যেমন কষ্টের, তেমনি একজন মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। টিকাদান নিয়ে অসচেতনতা আর খামখেয়ালি আমাদের সন্তানদের আজ কতটা কষ্টের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, তা প্রতিদিন চোখের সামনে দেখছি।

​আমরা আজ কেন এই পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছি তা নিয়ে যখন ভাবি, তখন বুঝি আসল সমস্যা টিকার অভাব নয়। মূল সমস্যা হলো ইপিআই সিডিউল শেষ করার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের বড় একটা অংশ মাঝপথে ঝরে পড়ছেন । বিশেষ করে ৯ মাস এবং ১৫ মাসের শেষ দুটি ডোজ, যা মূলত হাম ও রুবেলার (MR) টিকা, সেগুলো দেওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে কম।

​অভিভাবকরা কেন ১৫ মাসের টিকা মিস করছেন?

​আমাদের হাম ওয়ার্ডের রোগীদের বিশ্লেষণ করলে পরিষ্কার দেখা যায় যে, অভিভাবকরা আসলে জানেনই না তাদের শিশুকে কোন রোগের বিপরীতে কী টিকা দেওয়া হচ্ছে। জন্মের পর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত তারা নিয়মিত ক্লিনিকে গিয়ে শুরুর দিকের টিকাগুলো ঠিকই খাওয়ান বা দেন। কিন্তু ৯ এবং ১৫ মাসের পরবর্তী ডোজগুলোর ব্যাপারে তারা একই রকম গুরুত্ব দেন না।

​শৈশবের শুরুতে বারবার ক্লিনিকে যাওয়ার কারণে অনেক অভিভাবক মনে করেন তারা অলরেডি "যথেষ্ট" টিকা দিয়ে ফেলেছেন। বাকি শেষ টিকাগুলো দেওয়া এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বলেই তারা ধরে নেন। তারা পুরোপুরি অন্ধকারে থেকে যান যে এ পর্যন্ত শিশুকে কোন কোন টিকা দেওয়া হয়েছে আর কোনগুলো এখনো বাকি আছে।

​আমাদের করণীয়: সঠিক কাউন্সিলিং ও অটোমেটিক রিমাইন্ডার

​এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে, আমার বিশ্বাস আমরা দুটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে টিকা দেওয়ার হার ও কার্যকারিতা অনেকখানি বাড়িয়ে দিতে পারি:

১)​প্রথম দিন থেকেই বিস্তারিত কাউন্সিলিং: টিকাদানের একেবারে প্রথম দিনেই যদি অভিভাবকদের ১৫ মাসের এই পুরো টিকাদান যাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত বোঝানো হয়, তবে সফলতার হার অনেক বাড়বে। তাদের স্পষ্টভাবে রোগের নাম, মোট কতটি টিকা দিতে হবে এবং টিকা না দিলে কী কী মারাত্মক জটিলতা হতে পারে তা বুঝিয়ে বলতে হবে।

২)​ডিজিটাল ভ্যাকসিন রিমাইন্ডার: আমাদের টিকাদান কর্মসূচীকে ডিজিটালাইজড করতে হবে, যাতে স্বয়ংক্রিয় রিমাইন্ডারের ব্যবস্থা থাকে। শিশুর জন্মতারিখ ট্র্যাক করে অথবা সবশেষ যে কেন্দ্র থেকে টিকা দেওয়া হয়েছে সেই ডেটা ব্যবহার করে, পরবর্তী টিকার তারিখ কাছাকাছি এলেই সিস্টেম থেকে অভিভাবকদের ফোনে স্বয়ংক্রিয় মেসেজ চলে যাবে। এই ছোট্ট পদক্ষেপটি টিকা দেওয়ার হার নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।

💊 হামে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল: কেন এবং কতটুকু?​ হাম হলে শরীরে ভিটামিন-এ এর মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়, যা থেকে শিশুর অন্ধত...
14/05/2026

💊 হামে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল: কেন এবং কতটুকু?

​ হাম হলে শরীরে ভিটামিন-এ এর মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়, যা থেকে শিশুর অন্ধত্ব, মারাত্মক নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ অনুযায়ী উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ হামে মৃত্যুর হার ৩০-৪০% এবং হামের জটিলতা ৫০-৮০% কমিয়ে দেয়।

​তাই আপনার শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক ডোজটি জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি:

​বয়স অনুযায়ী ভিটামিন-এ এর সঠিক ডোজ:

​সাধারণত হাম আক্রান্ত শিশুকে মোট ২টি ডোজ দেওয়া হয় (প্রথম দিন একটি এবং ২৪ ঘন্টা পরে একটি)। নিচের তালিকাটি অনুসরণ করুন:

★​৬ মাসের কম বয়সী শিশু: ৫০,০০০ IU

★​৬ মাস থেকে ১২ মাস বয়সী শিশু: ১ লক্ষ IU (১টি নীল রঙের ক্যাপসুল)।

★​১২ মাসের উর্ধ্বে : ২ লক্ষ IU (১টি লাল রঙের ক্যাপসুল)।

​বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি শিশুর মধ্যে অন্ধত্ব বা চোখের গুরুতর কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে ২ সপ্তাহ পর তৃতীয় একটি ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

​কেন এটি প্রতিটি মা-বাবার জানা উচিত?
​হাসপাতালে ডিউটি করার সময় আমরা দেখেছি, অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বা অবহেলায় শিশুরা অপুষ্টি ও চোখের সমস্যায় ভোগে। হামের ভাইরাস সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, আর ভিটামিন-এ সেই দেয়াল পুনরায় গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

​তাই আপনার পরিচিত বা আশেপাশে কারো হাম হলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং সঠিক ডোজে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে উৎসাহিত করুন।
​আমাদের সচেতনতাই পারে একটি শিশুকে সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে।

​আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে করতে পারেন। 👇

​ #সচেতনতা #হামেরচিকিৎসা

🚨 জরুরি সতর্কবার্তা: আপনার শিশুর হাম-রুবেলা সুরক্ষা নিশ্চিত করুন 🚨​বর্তমানে দেশে হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায়...
12/05/2026

🚨 জরুরি সতর্কবার্তা: আপনার শিশুর হাম-রুবেলা সুরক্ষা নিশ্চিত করুন 🚨

​বর্তমানে দেশে হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় সরকার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা (MR) টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। আপনার শিশু যদি আগে টিকা পেয়েও থাকে, তবুও এই ক্যাম্পেইনের আওতায় তাকে অতিরিক্ত ১ ডোজ টিকা দেওয়া জীবন রক্ষাকারী পদক্ষেপ হতে পারে।

​📍 ক্যাম্পেইনের মূল তথ্য:
​বয়সসীমা: ৬ মাস থেকে ৫ বছর (৫৯ মাস) বয়সী সকল শিশু।

​কেন দেবেন: হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা থেকে নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বর্তমান সংক্রমণ রোধে এই বিশেষ ডোজ শিশুদের শরীরে দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

​আগের টিকা: আপনার শিশু আগে নিয়মিত রুজিনের MR টিকা বা বুস্টার ডোজ পেয়ে থাকলেও, এই ক্যাম্পেইনে তাকে অবশ্যই আরও এক ডোজ দিতে হবে।

​🏥 কোথায় টিকা পাওয়া যাচ্ছে?
​নিকটস্থ সরকারি ইপিআই (EPI) কেন্দ্র।
​কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল বা নির্ধারিত অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র।
​সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার আওতাধীন টিকাদান বুথ।

​বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ (UNICEF) অনুমোদিত। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ভিড় এড়িয়ে বা নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে আপনার শিশুকে নিয়ে যান।

​✅ অভিভাবকদের জন্য টিপস:
​১. সাথে করে শিশুর ইপিআই কার্ডটি নিয়ে যান।
২. শিশুকে টিকা দেওয়ার আগে পর্যাপ্ত খাবার ও পানি খাওয়ান।
৩. টিকার পর হালকা জ্বর বা শরীর ম্যাজ ম্যাজ করলে ভয় পাবেন না, এটি টিকার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

​আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের শিশুদের এই মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করি। আপনার পাশের অভিভাবকদেরও এই তথ্যটি শেয়ার করে সচেতন করুন।
​ #হামমুক্তবাংলাদেশ

আপনার সোনামণির হাম হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে?★​প্রবল জ্বর এবং সাথে সর্দি-কাশি।★​চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখ দিয়ে পানি পড়া।★...
11/05/2026

আপনার সোনামণির হাম হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে?

★​প্রবল জ্বর এবং সাথে সর্দি-কাশি।

★​চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখ দিয়ে পানি পড়া।

★​মুখের ভেতর সাদাটে ছোট দাগ (Koplik's spots)।

★​জ্বর শুরুর ৩-৪ দিন পর পুরো শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।

​মায়েদের জন্য কিছু পরামর্শ:

১. টিকা নিশ্চিত করুন: ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের (MR) টিকা দেয়া অত্যন্ত জরুরি।

২. ভিটামিন-এ: হাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে ভুলবেন না, এটি বাচ্চার জটিলতা কমায়।

৩. বিশ্রাম ও পুষ্টি: প্রচুর তরল খাবার, বুকের দুধ (ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে) এবং পুষ্টিকর খাবার দিন।

৪. আলাদা রাখা: হাম খুব দ্রুত ছড়ায়, তাই অন্য বাচ্চাদের থেকে আক্রান্ত শিশুকে কয়েকদিন আলাদা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

​স্মৃতি আর পেশার এই দোলাচলে একটাই চাওয়া—প্রতিটি শৈশব হোক সুস্থ এবং রোগমুক্ত।
​আপনার বাচ্চার টিকার ডোজগুলো ঠিকঠাক সম্পন্ন হয়েছে তো? কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। 🌸

হাসপাতালের এই দৃশ্যগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি আমাদের ছোট্ট অবহেলা শিশুদের জন্য কতটা কষ্টদায়ক হতে পারে! বর্তমানে হ...
10/05/2026

হাসপাতালের এই দৃশ্যগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি আমাদের ছোট্ট অবহেলা শিশুদের জন্য কতটা কষ্টদায়ক হতে পারে! বর্তমানে হাম বা Measles এর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ।

​কিছু জরুরি তথ্য যা আমাদের জানা প্রয়োজন:

​লক্ষণ: তীব্র জ্বর, শরীর মেজমজে করা, চোখ লাল হওয়া এবং কয়েকদিন পর কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।

​জটিলতা: সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন এমনকি মস্তিষ্কের ক্ষতিও হতে পারে।

​করণীয়: আপনার শিশুকে ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে হামের টিকা (MR Vaccine) দিন এবং বর্তমানে দেশব্যাপী হামের বুস্টার টিকাটি আজই শিশুকে দেওয়ার জন্য নিকটতম টিকা কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। শিশু অসুস্থ হলে তাকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রচুর তরল খাবার খাওয়ান।

​আসুন, সচেতন হই এবং আমাদের শিশুদের এই কষ্ট থেকে রক্ষা করি।

Address

Nabil Pharma, Pa-144, South Badda
Badda

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ তানজিলা সফি সুপ্তি - Dr. Tanjila Shafi Supty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category