শুভ ডায়াগনষ্টিক ল্যাব

শুভ ডায়াগনষ্টিক ল্যাব An Exclusive Computerized Diagnostic Complex

30/08/2026
অধ্যাপক ডাঃ ভাস্কর সাহা বরিশাল- এর একজন প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্য...
29/08/2026

অধ্যাপক ডাঃ ভাস্কর সাহা বরিশাল- এর একজন প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ এবং মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক। তিনি নিয়মিত [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]-এ রোগী দেখেন। তাঁর ডিগ্রি এফসিপিএস (মেডিসিন)।

পরিচয় ও পদবিপূর্ণ নাম: অধ্যাপক ডাঃ ভাস্কর সাহা
যোগ্যতা: এফসিপিএস (মেডিসিন)
পদবি: সাবেক অধ্যক্ষ ও অধ্যাপক,
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল
বিশেষজ্ঞতা: মেডিসিন ও জটিল অভ্যন্তরীণ রোগ

চেম্বার ও সিরিয়াল স্থান: [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]
হটলাইন: 01760-324344, 01714-599309

#𝗕𝗮𝗿𝗶𝘀𝗵𝗮𝗹

অধ্যাপক ডা. অজয় কুমার বিশ্বাস বরিশাল জেলার একজন অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ।বিশেষত্ব ও সেবা বিশেষজ্ঞতা: মেডিসি...
27/08/2026

অধ্যাপক ডা. অজয় কুমার বিশ্বাস বরিশাল জেলার একজন অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ।

বিশেষত্ব ও সেবা বিশেষজ্ঞতা: মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও কমিউনিটি মেডিসিন।চিকিৎসা ক্ষেত্র: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, জ্বর, গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসারসহ বিভিন্ন সাধারণ ও জটিল অভ্যন্তরীণ রোগ।

কর্মক্ষেত্র: তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চেম্বার ও সিরিয়াল স্থান: [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]
হটলাইন: 01760-324344

#𝗕𝗮𝗿𝗶𝘀𝗵𝗮𝗹

26/08/2026
26/08/2026

অধ্যাপক ডাঃ বি সি বিশ্বাস বিধান বরিশাল-এর একজন বিশিষ্ট শিশু ও নবজাতক রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, ডিসিএইচ এবং এমডি (নিওনেটোলজি) ডিগ্রিধারী এবং বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এর শিশু বিভাগে অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (নিওনেটোলজি) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি নিয়মিত [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]-এ রোগী দেখেন।

পেশাগত ও চেম্বার তথ্য যোগ্যতা: এমবিবিএস, ডিসিএইচ (শিশু), এমডি (নিওনেটোলজি)
পদবী: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপক
কর্মস্থল: শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

চেম্বার ও সিরিয়াল স্থান: [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]
হটলাইন: 01760-324344

#𝗕𝗮𝗿𝗶𝘀𝗵𝗮𝗹

অধ্যাপক ডাঃ বি সি বিশ্বাস বিধান বরিশাল-এর একজন বিশিষ্ট শিশু ও নবজাতক রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, ডিসিএইচ এবং এমডি (নিওন...
24/08/2026

অধ্যাপক ডাঃ বি সি বিশ্বাস বিধান বরিশাল-এর একজন বিশিষ্ট শিশু ও নবজাতক রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, ডিসিএইচ এবং এমডি (নিওনেটোলজি) ডিগ্রিধারী এবং বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এর শিশু বিভাগে অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (নিওনেটোলজি) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি নিয়মিত [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]-এ রোগী দেখেন।

পেশাগত ও চেম্বার তথ্য যোগ্যতা: এমবিবিএস, ডিসিএইচ (শিশু), এমডি (নিওনেটোলজি)
পদবী: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপক
কর্মস্থল: শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

চেম্বার ও সিরিয়াল স্থান: [শুভ ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হোটেল আলী-এর বিপরীতে, ৪০ সদর রোড, বরিশাল]
হটলাইন: 01760-324344

#𝗕𝗮𝗿𝗶𝘀𝗵𝗮𝗹 #শিশুবিশেষজ্ঞ #ডাক্তার

23/08/2026

**কাগজের কারসাজিতে ১১০০ কোটি লোপাট**

পিরোজপুরে এলজিইডিতে ভয়াবহ দুর্নীতি

রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্ট কাগজে আছে, কিন্তু বাস্তবে নেই। অথচ নির্মাণকাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারকে বিলও পরিশোধ করা হয়েছে। আবার রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্ট বাস্তবে থাকলেও কাগজে 'নেই'। তাই আবার নতুন করে বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। 'দরপত্র বিজ্ঞপ্তি'র নাটক সাজিয়ে সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে ঠিকাদারের হাতে। এমন ঘটনা একটি-দুটি নয়, কয়েক শ রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে ঘটেছে। এভাবে নানা নাটক সাজিয়ে কারসাজি করে আত্মসাৎ করা হয়েছে হাজার কোটি টাকা।

পিরোজপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন নির্মাণকাজে এসব ঘটনা ঘটে। মাত্র তিন বছরের মধ্যে এই জেলায় এভাবে পুকুর চুরির ঘটনা ঘটেছে। আত্মসাৎ করা হয়েছে এক হাজার ১০০ কোটি টাকা। এলজিইডির তদন্তে এসব অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী।

সচিবালয়ে আগুন লাগার পর পিরোজপুরের...

* কাজ না করেই বিল নিয়ে গেছেন ঠিকাদার
* পোড়ানো হয়েছে নথিপত্র
* মন্ত্রণালয়ের উচ্চস্তরে তদন্ত চলছে

এলজিইডির দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, 'পিরোজপুর জেলায় বিভিন্ন প্রকল্পে যে বরাদ্দ দেওয়া হতো, সেখানে অর্থ লুটপাটের প্রাথমিক প্রমাণ আমরা পেয়েছি। এর সঙ্গে সাবেক মুখ্য সচিবের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তের ফাইলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পিরোজপুর জেলা থেকে আবার ফাইলগুলো রিকভার করতে পারব বলে তিনি জানিয়েছিলেন।'

পিরোজপুরে এলজিইডিতে ভয়াবহ দুর্নীতি-১
**কাগজের কারসাজিতে ১১০০ কোটি লোপাট**

রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্ট কাগজে আছে, কিন্তু বাস্তবে নেই। অথচ নির্মাণকাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারকে বিলও পরিশোধ করা হয়েছে। আবার রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্ট বাস্তবে থাকলেও কাগজে 'নেই'। তাই আবার নতুন করে বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। 'দরপত্র বিজ্ঞপ্তি'র নাটক সাজিয়ে সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে ঠিকাদারের হাতে। এমন ঘটনা একটি-দুটি নয়, কয়েক শ রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে ঘটেছে। এভাবে নানা নাটক সাজিয়ে কারসাজি করে আত্মসাৎ করা হয়েছে হাজার কোটি টাকা।

পিরোজপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন নির্মাণকাজে এসব ঘটনা ঘটে। মাত্র তিন বছরের মধ্যে এই জেলায় এভাবে পুকুর চুরির ঘটনা ঘটেছে। আত্মসাৎ করা হয়েছে এক হাজার ১০০ কোটি টাকা। এলজিইডির তদন্তে এসব অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী।

এলজিইডির দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, 'পিরোজপুর জেলায় বিভিন্ন প্রকল্পে যে বরাদ্দ দেওয়া হতো, সেখানে অর্থ লুটপাটের প্রাথমিক প্রমাণ আমরা পেয়েছি। এর সঙ্গে সাবেক মুখ্য সচিবের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তের ফাইলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পিরোজপুর জেলা থেকে আবার ফাইলগুলো রিকভার করতে পারব বলে তিনি জানিয়েছিলেন।'

এর পরই পিরোজপুর এলজিইডির দুর্নীতি নিয়ে তদন্তে নামে প্রধান দপ্তর।
এলজিইডির নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, পিরোজপুর জেলায় ১১টি প্রকল্পে ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে দুই হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক হাজার ৪৭২ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি এক হাজার ১০১ কোটি টাকার কোনো হদিস নেই। অর্থাৎ এই অর্থ ব্যয় হলেও কোথায় কোন রাস্তা, কালভার্ট, ব্রিজ নির্মাণ, পুকুর খনন বা ঘাটলা নির্মাণ করা হয়েছে, এর কোনো নথি নেই পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর বা প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ে। এলজিইডির কর্মকর্তারা বলছেন, এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকতে নথি পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে টানা দ্বিতীয়বার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মূলত পিরোজপুরের এলজিইডিতে দুর্নীতি শুরু হয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে এই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন পিরোজপুর ও ভাণ্ডারিয়ার মাঠ পর্যায়ের এলজিইডির কর্মকর্তারা। দুর্নীতির মাত্রা বাড়ে, যখন এই দুর্নীতির সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর।

এলজিইডির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, শুধু তিন বছরে এলজিইডির এই ভয়াবহ অবস্থানা। টানা ১০ বছরের হিসাব করলে দুর্নীতির আরো প্রমাণ মিলবে।
তদন্ত কমিটির অগ্রগতি প্রতিবেদনও জমা দিয়ে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'এত ভয়াবহ দুর্নীতির কৌশল জীবনে দেখিনি। প্রতিটি কাগজপত্রের অনুমোদন না নিয়েই মনগড়া বিল তৈরি করা হয়েছে। এমনকি প্রকল্পের ছাড়পত্র, অনুমোদন, পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কারণ বই, বিল রেজিস্টার, চেক রেজিস্টার, অর্থ ছাড়ের পত্র (ডিও) সংরক্ষণ, পরিমাপ বই, ব্যাংকের চালান, ব্যাংকের হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়নি। অথচ গোপন রাখাতে বিল কপিতে অযৌক্তিকভাবে ৫ প্রকল্পের নামও লেখা হয়নি।'
এ ছাড়া মনগড়া বিল, ভাউচার, প্রকল্পের ছাড়পত্র, অডিট রিপোর্ট, নিরীক্ষণ রিপোর্টের রিপোর্ট এসব কোনো কিছুই সংরক্ষণ করা হয়নি। এসব বিল নথিতে কোনো ভাউচার প্রতিবেদন করা হয়নি।
প্রকল্প শেষ হলেও ২২৫টি প্যাকেজের মধ্যে ১২টি প্যাকেজের কাজ শুরুই হয়নি, এ ছাড়া ১২১টি প্যাকেজের কাজ এখনো চলছে। কেবল মাত্র একটির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এসব কাজের অর্থ ঠিকই ছাড় করা হয়েছে।

নিরীক্ষণক শেষে নথিপত্র থেকে জানা গেছে: এলজিইডির দপ্তরগুলোর নথি ঘেঁটে দেখা গেছে, পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলা থেকে আড়াগুলগড় (পূর্ব শিয়ালকাঠী থেকে মলিয়ার হাট ডিস্ট্রি রোড) সড়ক কালভার্টের কাজ শেষ হয়েছে দেখিয়ে বিল তুলে নেন ঠিকাদার। কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যায়ন দেন পিরোজপুরের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার হাওলাদার। অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর সম্প্রতি সরেজমিন এলজিইডির কর্মকর্তারা গিয়ে দেখেন, সেখানে কোনো কাজই হয়নি। অথচ কাজের ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ৮৫ শতাংশ টাকা তুলে নিয়েছেন ঠিকাদার।

আবার ভাণ্ডারিয়া থেকে চরখালী ভাণ্ডারিয়া চরখালী রোড থেকে চরখালী পর্যন্ত মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ৮২ শতাংশ টাকা তুলে নিয়েছেন ঠিকাদার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো কাজই হয়নি। একইভাবে ভাণ্ডারিয়া পূর্ব দাওয়া রোডে ১২ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজের কাজ ১৮ শতাংশ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ৮০ শতাংশ টাকা তুলে নেন ঠিকাদার। কিন্তু এখানে কোনো ব্রিজের কাজই হয়নি। মাটি ভরাট থেকে চরখালী চরখালী ভাণ্ডারিয়া রোড পর্যন্ত দুই কিলোমিটারেরও বেশি (বিটুমিনাস কার্পেটিং) রাস্তা উন্নীতকরণের তিন কোটি ২০ লাখ টাকার বরাদ্দ হয়। কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ৯৫ শতাংশ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। অথচ কোনো কাজই হয়নি। এসব অনিয়ম করে টাকা আত্মসাৎ করেছে কয়েক শ প্রকল্প।

আবার একটি রাস্তায় একাধিক প্রকল্পের কাজ দেখিয়েও টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল বিভাগ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চরখালী ভাণ্ডারিয়া, চরখালী রোড থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত চার কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন। ২০১৯ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০২১ সালে শেষ হয়েছে। অথচ ২০১২-১৩ অর্থবছরের মধ্যে একটি প্রকল্প 'পিরোজপুর জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের' আওতায় একই সড়কে চারটি কালভার্ট করা হয়েছে দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
দেশের প্রকল্পে অনিয়ম: পিরোজপুর জেলায় গত তিন বছরে এলজিইডির ১১টি প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ শেষ বলে টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়। জেলার সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণে।
'দক্ষিণাঞ্চলের জেলার সেতু পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্পে' এই জেলার ব্যয় হয়েছে ৬৫৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কিন্তু ৪০৬ কোটি ১১ লাখ টাকার কাজের হিসাব পাওয়া গেছে। বাকি ২১৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার কাজের কোনো হিসাব নেই। এই কাজ কোথায় হয়েছে বা আদৌ হয়েছে কি না তার কোনো নথিই নেই পিরোজপুর জেলা এলজিইডির কার্যালয়ে।
এলজিইডির কর্মকর্তারা বলছেন, কাজ না করেই টাকা তুলে নেওয়ায় এমনটি হয়েছে।

'পিরোজপুর জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে' তিন বছরে ৬২০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। এর মধ্যে ১১১ কোটি ১৩ লাখ টাকার কোনো হদিস নেই। কাজ না করেই এই অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে ঠিকাদারের হাতে। 'বরিশাল বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে' ৩৬০ কোটি ৭৫ লাখ ব্যয় হয়েছে পিরোজপুর জেলায়। মাত্র ১০১ কোটি ৬০ লাখ টাকার হিসাব মিলেছে। বাকি টাকার হিসাব নেই।

এ বিষয়ে এলজিইডির পরিচালক আহসান হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, 'প্রকল্প পরিচালক শুধু বিলই পরিশোধ করে থাকেন। এই টাকার মালিক জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী। তিনিই টাকা পরিশোধ করে থাকেন। এই অনিয়মের দায়দায়িত্ব কোনো মতেই আমার নয়।'
'সার্বভৌম মূল্যায়ন ও কন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পে' ২৭৭ কোটি ২২ লাখ ব্যয় হলেও মাত্র ৭১ কোটি ১০ লাখ টাকার কাজের হিসাব আছে। বাকি টাকার হিসাব নেই।
'উপজেলা টাউন (নন-পৌরসভা) মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন এবং মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন' নামে ২১ কোটি ২২ লাখ টাকার মধ্যে ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব আছে। বাকি টাকার হিসাব নেই এলজিইডি অফিসে।

'গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে' ৭১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয় হলেও কাগজে কাজ রয়েছে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার। 'উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়কে ১০০ মিটারের কম দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ প্রকল্পে' থেকে ৭২ কোটি ৭১ লাখ টাকা ছাড় হলেও হিসাব মিলেছে ৫৩ কোটি ১১ লাখ টাকার। 'বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পে' ১৮ কোটি ৯১ লাখ ব্যয় হলেও হিসাব আছে ১৩ কোটি ১০ লাখ টাকার। 'দেশব্যাপী পুকুর, খাল উন্নয়ন প্রকল্পে' ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় হলেও হিসাব আছে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকার। এছাড়া বরিশাল বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে (বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা)।

এ বিষয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) গোলাম কৃপা দেওয়ান কাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, 'আমরা তদন্ত রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ের জমা দিয়েছি। মন্ত্রণালয়ও পৃথক তদন্ত করেছে। এলজিইডির তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে।'
দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অনিয়ম চলছে, কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হলো না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'পিরোজপুরে অনিয়ম হয়েছে, সেটা আমরাই আগে জেনেছি। সে আলোকেই তদন্ত করেছি।'

Address

Opposite Hotel Ali, Next To Main Road (2nd Floor), Bir Shrestha Captain Mohiuddin Jahangir Road (Sadar Road)
Barisal
8200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শুভ ডায়াগনষ্টিক ল্যাব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share