18/01/2026
কেন বুড়ো হোয়াইট বস ইরানের ওপর হামলা করতে পারল না ?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে হামলা করার আগে বুড়ো ইসরায়েলি দাজ্জালি শয়তানদের, আমেরিকান ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকে ইরানি সরকারি ভবন দখলের ইঙ্গিত দিয়েছিল এবং বলেছিল,
“সহায়তা পথে আছে।”
কিন্তু যুদ্ধ ঘোষণা করার ঠিক আগে বুড়ার , তার শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক হয়, আর এখান থেকেই পুরো পরিস্থিতি বদলে যায়।
নিরাপত্তা দল স্পষ্ট ভাষায় বুড়াকে সতর্ক করে দেয় যে ইরানে হামলা কোনো সহজ বিষয় নয়, এবং এর মূল্য আমেরিকার জন্য খুবই চড়া হতে পারে।
তাদের জানানো হয়, রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে ইরান এমন আধুনিক প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়েছে, যা আমেরিকার ইলেকট্রনিক জ্যামিং সিস্টেমকে অকেজো করে দিতে পারে—যে সিস্টেমগুলো দিয়ে ভেনেজুয়েলায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পঙ্গু করা হয়েছিল।
এছাড়া ইরানের কাছে এমন নীরব রাডার রয়েছে, যেগুলো কোনো সিগনাল প্রকাশ না করেই শত্রু জাহাজ, বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গে সেই নির্দেশাঙ্ক অ্যান্টি-এয়ারক্রাফ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানগুলোর কাছে পৌঁছে দেয়।
এর ফল হবে এই যে, হামলাকারী শক্তিগুলো নিজেরাই নির্ভুল ও দূরপাল্লার আঘাতের আওতায় পড়ে যাবে—যেগুলোর আগাম শনাক্তকরণ প্রায় অসম্ভব।
নিরাপত্তা উপদেষ্টারা আরও জানান, ইরানের কাছে এমন যন্ত্রপাতিও আছে যা লেজার অস্ত্রকেও ব্যর্থ করে দিতে পারে—সেই একই লেজার প্রযুক্তি, যা দিয়ে ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর নিরাপত্তা বাহিনীকে অন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভয়াবহ দিক ছিল ইরানের “খোররমশাহর ক্ষেপণাস্ত্র”। এই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে রুশ “ওরেশনিক”-এর চেয়ে কম কার্যকর বলা হয় না। এর পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার এবং গতি প্রায় ১৬ মাখ বলে জানা যায়।
এই ক্ষেপণাস্ত্র কেবল স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভরশীল নয়; এতে অপটিক্যাল গাইডেন্স সিস্টেমও রয়েছে, যার ফলে একে জ্যাম করা প্রায় অসম্ভব। এর সঙ্গে এমন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়ারহেডও থাকতে পারে, যা যে কোনো যুদ্ধজাহাজ, এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার বা সামরিক ঘাঁটির সমস্ত ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে অচল করে দিতে সক্ষম।
এই সব বাস্তবতা শোনার পর বুড়া বুঝতে পারে যে ইরানে হামলা মানে এমন এক যুদ্ধে পা দেওয়া, যার মাশুল অত্যন্ত ভারী হবে।
এই কারণেই সে পিছু হটার সিদ্ধান্ত নেয় এবং মেনে নেয় যে এই দুনিয়ায় সেই শক্তিকেই সম্মান করা হয়, যার পেছনে সত্যিই ক্ষমতা ও বল আছে।
আর তাছাড়া আঞ্চলিক দেশগুলোর ট্রাম্পে পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো। বিশেষ করে সৌদি, কাতার, ইউ এ ই এরা ঘোষণা করেছিল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের এয়ার স্পেস ব্যবহার করতে দেবেনা।
Copied.