ডা. আব্দুল মতিন সরকার

ডা. আব্দুল মতিন সরকার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা. আব্দুল মতিন সরকার, Doctor, Sonatala, Bogura.

হোমিও ডা. আব্দুল মতিন সরকার
🎓 ডিএইচএমএস (বিএইচএমইসি-ঢাকা)
🏥 পিজিএইচ (রাজশাহী) | এইচপিটিসি (চট্টগ্রাম)

⚕️ হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট
🏨 হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার
🩺 "সুস্থ থাকুন, হোমিওপ্যাথির সঙ্গে থাকুন।"
📱01863-856888

অসুখ নিরাময়ের নাম করে যখন পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাটাই একটা অসুস্থ ব্যবসায় রূপ নেয়, তখন মানুষ আর রোগী থাকে না—হয়ে ওঠে শুধুই ...
02/09/2026

অসুখ নিরাময়ের নাম করে যখন পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাটাই একটা অসুস্থ ব্যবসায় রূপ নেয়, তখন মানুষ আর রোগী থাকে না—হয়ে ওঠে শুধুই মুনাফার পণ্য!

​সুস্থ মানুষকে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের ফাঁদে ফেলে রোগী বানানোর খেলা এবং জটিল রোগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিলিয়ন ডলারের মুনাফালোভী কর্পোরেট সিন্ডিকেটের নেপথ্য গল্প জানতে সংগ্রহ করলাম এই দুটি বই:

১. দ্য মেডিকেল মাফিয়া (রে ময়নিহান)
২. দ্য ক্যান্সার ইন্ডাস্ট্রি (মার্ক স্লোন)

শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই...
01/09/2026

শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই...

🌿 হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার 🌿যেকোনো জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও স্থায়ী চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্...
20/08/2026

🌿 হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার 🌿
যেকোনো জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও স্থায়ী চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
​আমরা যেসকল রোগের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সাথে

চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকি:
​যৌন রোগ ও বন্ধ্যাত্ব
​ডায়াবেটিস ও জন্ডিস
​গ্যাস্ট্রিক, পেপটিক / আলসার
​শ্বেত প্রদর ও গোনোরিয়া
​চর্মরোগ (দাদ, একজিমা, আঁচিল)
​নাকের পলিপ ও পাইলেস (অর্শ)
​বাত ব্যথা ও মূত্র পাথরী
​মুখের মেছতা, ব্রণ ও কালো দাগ।

এছাড়াও নারী পুরুষ ও শিশুদের জটিল কঠিন সকল রোগীর চিকিৎসা করা হয়

​📍 ঠিকানা:
হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার
সোনাতলা উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন, সোনাতলা, বগুড়া।
​📞 পরামর্শ ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন:
01863-856888
01518-970271

19/08/2026

হয়তো আমাদের কাফনের কাপড় বাজারে চলে এসেছে, আর আমরা ব্যস্ত দুনিয়ার খেল তামাশায়।

একসময় তিনি গাড়ির ইঞ্জিন খুলে দেখতেন—কোন যন্ত্রটা নষ্ট, কোথায় সমস্যা।কেউ হয়তো তখন কল্পনাও করেনি, সেই মানুষটিই একদিন মানুষ...
13/08/2026

একসময় তিনি গাড়ির ইঞ্জিন খুলে দেখতেন—কোন যন্ত্রটা নষ্ট, কোথায় সমস্যা।
কেউ হয়তো তখন কল্পনাও করেনি, সেই মানুষটিই একদিন মানুষের শরীরের ভেতরের জটিল সমস্যার সমাধান করবেন! 😮

আরও অবাক করা বিষয়—তিনি মেডিকেল কলেজে ঢুকেছিলেন এমন বয়সে, যখন অনেকেই নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে ভাবার সাহস হারিয়ে ফেলেন।

👨‍🔧 যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ইস্ট ক্লিভল্যান্ডে বেড়ে ওঠা কার্ল অ্যালাম্বি ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু সীমিত সামর্থ্যের পরিবারে বড় হওয়ায় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নটা তার কাছে অনেকটা দূরের আকাশের মতোই ছিল। ছোট বয়সেই পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে তাকে গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে কাজ শুরু করতে হয়েছিল।

🚗 মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিজের অটো রিপেয়ার ব্যবসা শুরু করেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সেই ব্যবসা বড় হয়। প্রায় ২৫ বছর ধরে গাড়ি মেরামতের কাজের পাশাপাশি টোয়িং সার্ভিস এবং ব্যবহৃত গাড়ির ব্যবসাতেও যুক্ত ছিলেন। ব্যবসা, স্ত্রী-সন্তান, সংসার—সব মিলিয়ে জীবন তখন বেশ গুছিয়েই চলছিল।

কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু স্বপ্ন থাকে, যেগুলোকে যতই চাপা দেওয়া হোক, একসময় তারা আবার দরজায় কড়া নাড়ে।

📚 বয়স যখন প্রায় ৩৮, তখন ব্যবসায়িক জ্ঞান বাড়ানোর জন্য উরসুলিন কলেজে ভর্তি হলেন কার্ল। সেখানেই বাধ্যতামূলক একটি জীববিজ্ঞান কোর্স তার বহু বছরের পুরোনো স্বপ্নটাকে আবার জাগিয়ে দিল।

🧬 জীববিজ্ঞানের ক্লাস করতে গিয়ে তিনি বুঝতে শুরু করলেন—ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছাটা আসলে কখনো মরে যায়নি। শুধু জীবনের ব্যস্ততার নিচে চাপা পড়ে ছিল।

আর ঠিক তখনই ঘটল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। একজন কেমিস্ট্রি অধ্যাপক তার বয়স লক্ষ্য করে তাকে প্রশ্ন করেছিলেন—এত কিছু করার পর তার আসল লক্ষ্য কী?

💡 সেই কথোপকথনই যেন কার্লের সামনে নতুন একটা দরজা খুলে দেয়। তিনি ভাবলেন, “আমি যদি চেষ্টা না করি, তাহলে সারাজীবন হয়তো ভাবতেই থাকব—যদি করতাম?”

সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না।

👨‍👩‍👧‍👦 ব্যবসা চালাতে হবে, পরিবারকে সময় দিতে হবে, আবার পূর্ণ সময়ের মতো পড়াশোনাও করতে হবে। প্রি-মেড শিক্ষার চার বছরের পথ তার ক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ বছর লেগেছিল—কারণ তাকে একই সঙ্গে কাজ করে পরিবার চালাতে হচ্ছিল। এই দীর্ঘ যাত্রায় স্ত্রীও তাকে গুরুত্বপূর্ণভাবে সমর্থন করেছিলেন।

🎓 এরপর ক্লিভল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শেষ করে তিনি নর্থইস্ট ওহাইও মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে (NEOMED) মেডিকেল শিক্ষা শুরু করেন। ২০১৯ সালে ৪৭ বছর বয়সে তিনি মেডিকেল ডিগ্রি অর্জন করেন। নিজের ব্যাচে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের একজন।

🔥 ভাবুন তো—যে বয়সে অনেকে মনে করেন জীবনের বড় সিদ্ধান্তগুলো ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়ে গেছে, সেই বয়সে কার্ল নিজের জীবনটাই নতুন করে লিখছিলেন।

এরপর শুরু হয় আরও কঠিন অধ্যায়—রেসিডেন্সি।

🏥 ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক অ্যাক্রন জেনারেলে জরুরি চিকিৎসাবিদ্যায় (Emergency Medicine) রেসিডেন্সি সম্পন্ন করেন তিনি। ২০১৯ সালে NEOMED থেকে তার রেসিডেন্সি নিয়োগও জরুরি চিকিৎসাবিদ্যায় Akron General-এ হয়েছিল।

🩺 অবশেষে ২০২২ সালে ৫১ বছর বয়সে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হিলক্রেস্ট হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন কার্ল অ্যালাম্বি। আজও ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী তার প্রধান কর্মস্থল Hillcrest Hospital এবং তার বিশেষত্ব Emergency Medicine।

আর তার গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিকটা হয়তো এখানেই—

🔧 একসময় তিনি গাড়ির সমস্যার সমাধান করতেন।
🩺 পরে মানুষের শরীরের সংকট সামলাতে শুরু করলেন।
⏳ আর সবচেয়ে বড় কথা—তিনি প্রমাণ করলেন, স্বপ্নেরও কোনো “শেষ তারিখ” থাকে না।

কার্ল অ্যালাম্বির গল্প তাই শুধু একজন মেকানিক থেকে ডাক্তার হয়ে ওঠার গল্প নয়। এটা দ্বিতীয় সুযোগ (Second Chance), অধ্যবসায় (Perseverance) আর নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার গল্প।

হয়তো আপনারও কোনো স্বপ্ন আছে, যেটাকে আপনি বয়স, অর্থ কিংবা পরিস্থিতির কারণে অনেকদিন ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। কার্লের গল্পটা মনে করিয়ে দেয়—দেরি হওয়া আর শেষ হয়ে যাওয়া এক জিনিস নয়। ❤️

💬 আপনার মতে, জীবনে সফল হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি—বয়সের সীমা ভাঙা, কঠোর পরিশ্রম, নাকি নিজের ওপর বিশ্বাস? কমেন্টে আপনার মতামত লিখুন এবং গল্পটি এমন একজন মানুষের সঙ্গে শেয়ার করুন, যে নিজের স্বপ্নকে এখনও “অসম্ভব” মনে করে।

🙋‍♂️ প্রিয় পাঠক, আমাদের কনটেন্ট সামান্যতম ভাল লেগে থাকলে ❤️ফ-লো❤️ করে সহযোগিতা করুন। আপনার জন্য হয়ত, একদিন আমি বড় সাফল্য পেয়েও যেতে পারি।

সংগৃহীত পোস্ট

#অনুপ্রেরণারগল্প #সফলতারগল্প #জীবনবদলেরগল্প #স্বপ্নপূরণ

"হস্তমৈথুন নিয়ে ভুল ধারণা ভাঙুন - শরীর ও মনের যত্ন নিন"*আমাদের সমাজে এই বিষয়টা নিয়ে খোলাখুলি কথা হয় না। তাই ভুল তথ্যের ক...
13/08/2026

"হস্তমৈথুন নিয়ে ভুল ধারণা ভাঙুন - শরীর ও মনের যত্ন নিন"*

আমাদের সমাজে এই বিষয়টা নিয়ে খোলাখুলি কথা হয় না। তাই ভুল তথ্যের কারণে হাজারো যুবক অযথা হতাশা আর টেনশনে ভোগে।

আসুন সত্যটা জানি:

❌ কয়েকটি কমন ভুল ধারণা:*
১. এতে শরীর একদম শেষ হয়ে যায়
২. চোখের জ্যোতি, স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়
৩. বিয়ের পর বাবা হওয়া যায় না
৪. লিঙ্গ ছোট বা বাঁকা হয়ে যায়

✅ মেডিকেল সাইন্স কি বলে?*
পরিমিত মাত্রায় এটি করলে শারীরিক কোনো স্থায়ী ক্ষতি হয় না।
সমস্যা শুরু হয় যখন এটি "আসক্তি" হয়ে যায় এবং মানসিক শান্তি নষ্ট করে।

⚠️ মানসিকভাবে কখন সতর্ক হবেন?*
- অপরাধবোধ, দুশ্চিন্তা, হতাশা কাজ করে
- পড়াশোনা, চাকরি, ইবাদতে মন বসে না
- একা থাকতে ভালো লাগে, মানুষের সাথে মিশতে ইচ্ছা করে না
- বিয়ের পর দাম্পত্য জীবন নিয়ে ভয় কাজ করে

মনে রাখবেন, শরীরের সাথে মনেরও চিকিৎসা দরকার।

#সমাধান ও করণীয়:*
১. নিজেকে কাজ, ইবাদত ও খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখুন
২. অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকুন
৩. বন্ধু ও পরিবারের সাথে সময় কাটান

#হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার গুরুত্ব:*
দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারণে যাদের মধ্যে দুর্বলতা, অস্থিরতা, ঘুমের সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তাদের জন্য হোমিওপ্যাথি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
হোমিওপ্যাথি শরীরের পাশাপাশি মনের উপরও কাজ করে। এটি ধীরে ধীরে স্নায়ুকে শান্ত করে, টেনশন কমায় এবং আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। তবে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। নিজে নিজে ওষুধ খাবেন না।

সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন। শেয়ার করুন ❤️
#পুরুষ_স্বাস্থ্য #মানসিক_স্বাস্থ্য #হোমিওপ্যাথি

ক্যারিয়ার হিসেবে হোমিওপ্যাথি: বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা, সেবা ও ভবিষ্যৎবর্তমান বিশ্বে বিকল্প ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার প্রতি মানু...
11/08/2026

ক্যারিয়ার হিসেবে হোমিওপ্যাথি: বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা, সেবা ও ভবিষ্যৎ

বর্তমান বিশ্বে বিকল্প ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এলোপ্যাথিক চিকিৎসার নানাবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং ক্রমবর্ধমান খরচ যখন সাধারণ মানুষের চিন্তার কারণ, ঠিক তখনই হোমিওপ্যাথি একটি কার্যকর, নিরাপদ, বিজ্ঞানসম্মত এবং সাশ্রয়ী চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে নিজেকে বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ফলে একজন তরুণ শিক্ষার্থীর জন্য ক্যারিয়ার হিসেবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অনন্য, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
১. বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা ও উন্নত বিশ্বের সফলতা
অনেকেরই ধারণা হোমিওপ্যাথি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশেই সীমাবদ্ধ, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন:
* বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO): ডব্লিউএইচও-এর মতে, বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে হোমিওপ্যাথি অন্যতম শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় এটি গ্রহণ করছেন।
* ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য: ব্রিটেনে রয়্যাল ফ্যামিলি দীর্ঘদিন ধরে হোমিওপ্যাথির অনুরাগী। যুক্তরাজ্যে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS)-এর আওতায় এবং একাধিক নিবেদিত হোমিয়োপ্যাথিক হাসপাতালের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করা হয়। ফ্রান্স, জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়; এমনকি সুইজারল্যান্ডে হোমিওপ্যাথি মূলধারার স্বাস্থ্যবীমার অন্তর্ভুক্ত।
* উত্তর আমেরিকা ও এশিয়া: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রাকৃতিক চিকিৎসার (Naturopathy & Alternative Medicine) অংশ হিসেবে এটি দ্রুত প্রসার পাচ্ছে। অন্যদিকে ভারতে হোমিওপ্যাথি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ‘AYUSH’ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা বিশাল কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
* আন্তর্জাতিক গবেষণা: বিশ্বখ্যাত সাময়িকীগুলোতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও প্রমাণের ভিত্তিতে চিররোগ (Chronic Diseases) ও অটোইমিউন ডিসঅর্ডারে এর সাফল্য ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে, যা তরুণ প্রজন্মকে এ পেশায় আসতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে।
২. সেবা ও পেশার অপূর্ব সমন্বয়
হোমিওপ্যাথি কেবল একটি পেশা নয়, এটি মানবসেবার এক মহৎ মাধ্যম। রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে রোগের মূল কারণ নিরাময় করাই এই চিকিৎসার ভিত্তি। সফল চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর মুখে হাসি ফোটানোর আত্মতৃপ্তি অন্যান্য পেশার তুলনায় অতুলনীয়।
৩. ক্যারিয়ারের বহুমুখী ও স্বাধীন সুযোগ
হোমিওপ্যাথিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ শেষ করে একাধিক ক্ষেত্রে সম্মানজনক ক্যারিয়ার গড়া যায়:
* ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস (চেম্বার): অত্যন্ত কম খরচে নিজস্ব ক্লিনিক শুরু করে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুবিধা।
* হাসপাতাল ও গবেষণা: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক রিসার্চ সেন্টার ও ক্লিনিক।
* ফার্মাসিউটিক্যালস ও ম্যানুফ্যাকচারিং: মানসম্মত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রস্তুত ও আন্তর্জাতিক বিপণন।
* উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষকতা: একাডেমি ও মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষকতা ও গবেষণার সুযোগ।
৪. কম খরচে আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা
বর্তমানে অনেক উচ্চশিক্ষিত তরুণ ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। অথচ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে অল্প পুঁজিতে ও নিজস্ব মেধাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই একজন সফল উদ্যোক্তা ও চিকিৎসক হওয়া সম্ভব। এতে যেমন অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আসে, তেমনই সমাজে তৈরি হয় বিশেষ পরিচিতি।

বিশ্বজুড়ে যখন প্রাকৃতিক ও নিরাময়মূলক চিকিৎসার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে, তখন ক্যারিয়ার হিসেবে হোমিওপ্যাথির ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। যারা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করতে চান এবং একই সাথে আন্তর্জাতিক মানের এক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মানবতার সেবা করতে চান, তাদের জন্য হোমিওপ্যাথি একটি সেরা পছন্দ।

আব্দুল মতিন সরকার
ডিএইচএমএস, বিএইচএমইসি (ঢাকা)
পিজিএইচ (রাজশাহী), এইচপিটিসি (চট্টগ্রাম)

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে জানালাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা! 🎉🎓তোমাদের এই সফলতা আগামী দিনের সুন্দর ভবি...
10/08/2026

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে জানালাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা! 🎉🎓
তোমাদের এই সফলতা আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার অনুপ্রেরণা যোগাক। আর যাদের ফলাফল প্রত্যাশামতো হয়নি, হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাও—সাফল্য আসবেই।
সকলের জন্য রইল অবিরাম দোয়া ও শুভকামনা! ✨✨

পুরুষদের শারীরিক দুর্বলতা সহ বিনা অপারেশনে জটিল রোগীদের আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবায় বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান , হ্যানিম...
29/07/2026

পুরুষদের শারীরিক দুর্বলতা সহ বিনা অপারেশনে জটিল রোগীদের আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবায় বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান , হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার-Hahnemann Homeo Care - এখানে বিনা অপারেশনে অর্শ, পলিপাস, টিউমার পাথর, হার্নিয়া সহ নারী পুরুষদে বিভিন্ন জটিল রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিয়মিত রোগী দেখছেন
ডা. আব্দুল মতিন সরকার
ডিএইচএমএস(বিএইচএমইসি-ঢাকা)
পিজিএইচ(রাজশাহী) এইচপিটিসি(চট্টগ্রাম)

চেম্বার:- হ্যানিম্যান হোমিও কেয়ার
সোনাতলা উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন, সোনাতলা, বগুড়া
01863-856888 (Whatsapp )

#হোমিওপ্যাথি #সোনাতলা #বগুড়া
#হ্যানিম্যান_হোমিও_কেয়ার #হোমিওচিকিৎসা

চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক: কেন সততা ও নিয়মানুবর্তিতা আবশ্যক?​হোমিওপ্যাথির মূল ভিত্তি 'অর্গানন অব মেডিসিন' (Organon of Medi...
23/07/2026

চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক: কেন সততা ও নিয়মানুবর্তিতা আবশ্যক?

​হোমিওপ্যাথির মূল ভিত্তি 'অর্গানন অব মেডিসিন' (Organon of Medicine)। হ্যানিম্যানিয় দর্শনের বাস্তব শিক্ষা হলো—চিকিৎসায় সফলতার অন্যতম শর্ত রোগীর সততা ও বাধ্যতা।
​চিকিৎসা চলাকালীন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো ঘটলে চিকিৎসা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়:
১. পরামর্শ ও নির্দেশাবলী অবহেলা করা
২. সঠিক খাদ্যবিধি মেনে না চলা
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ পরিবর্তন করা
৪. রোগের লক্ষণ গোপন রাখা
৫. অন্য কোনো পদ্ধতির চিকিৎসায় হস্তক্ষেপ ঘটানো
​আমার স্পষ্ট বার্তা:
যদি আপনি নিয়ম মেনে চিকিৎসা গ্রহণ করতে প্রস্তুত না থাকেন, তবে অযথা সময় ও অর্থের অপচয় না করাই শ্রেয়। এতে ভুল চিকিৎসার ঝুঁকি তৈরি হয়। এমতাবস্থায় চিকিৎসা না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কোনো অহংকার নয়, বরং আপনার প্রতি এবং আমার পেশার প্রতি গভীর দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।
​অবাধ্য রোগীর চিকিৎসায় ব্যর্থতার দায়ভার পরিশেষে চিকিৎসকের ওপর পড়ে এবং হোমিওপ্যাথির সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে পেশাগত সম্মান ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।
​বিনীত,
ডা. মো. আব্দুল মতিন সরকার

Address

Sonatala
Bogura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. আব্দুল মতিন সরকার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category