Dr. Ahsan Official

Dr. Ahsan Official ডা. আহসান অফিসিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগতম!

আদ দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে কথা ইসরায়েলি পণ্য Coca-Cola/7 up এর  বিরুদ্ধে একটা ব্যাপক ফাইট দিয়েছে আকিজের MOJO. আবার হাসপাত...
12/06/2026

আদ দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে কথা

ইসরায়েলি পণ্য Coca-Cola/7 up এর বিরুদ্ধে একটা ব্যাপক ফাইট দিয়েছে আকিজের MOJO.
আবার হাসপাতাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে খুবই কম টাকা ৭০% কম খরচে সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে আদ-দ্বীন হাসপাতাল। বিশেষ করে নারীদের চিকিৎসায় আদ-দ্বীন যেভাবে পর্দা মেইনটেইন করে সেবা দিয়ে থাকে, তার নজির অনন্য।
এদিকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এটা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে যে, ইসলামী অর্থনীতি অন্যান্য সুদভিত্তিক অর্থনীতির চেয়ে অনেক ভালো। বর্তমান সময়ে ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা, আদ-দ্বীন এগুলো ব্যবসায়িক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়; এগুলো আদর্শিক লড়াইয়ের সিম্বল।
এ দেশের মানুষের হৃদয় থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে মুছে দিতে পারলেই সুদভিত্তিক আর মাফিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে সহজ হয়।

যে কারণে আর দিনের লাইসেন্স বাতিল করা হলো, এরকম শত শত কারণেও ইতিপূর্বে কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধের নজির নেই। মাইলস্টোন স্কুলে শত শত ছাত্র নিহতের পর না স্কুল বন্ধ হয়েছে না সেই বিমান বাহিনী বন্ধ হয়েছে।
রেল এক্সিডেন্ট করার পরে তো রেলওয়ে বন্ধ হয়নি। মেডিকেল হসপিটালগুলোতেও শত শত এরকম অনিয়ম এর পরেও তো তা বন্ধ করা হয় না। তড়িঘড়ি করে আপিল ইত্যাদির সুযোগ থাকার পরেও হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া ভয়ংকর উদাহরণ।

03/06/2026

রামিসার মা একজন মিথ্যাবাদী 😡 আইনজীবীর বক্তব্যে খোব প্রকাশ করলেন, সাহসি সাংবাদিক আলী আজগর ইমন ভাই। #রামিসা

03/06/2026

‘আনুমানিক ১০টা, আমি তখন রান্না করছিলাম। দুই মেয়ের পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিলো। গিয়েছে কি না আমি বুঝতে পারিনি। এরপর রান্নাঘর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পাই।

আমি মনে করি, পাশের ফ্ল্যাটে (আসামিদের) কোনো বাচ্চা হয়তো চিৎকার দিচ্ছে। এদিকে, আমি অপেক্ষা করছি রামিসা এখনো আসছে না কেন। কখন আসবে। কিছুক্ষণ পর বড় মেয়ে একাই বাসায় ফিরে। আমি ওকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করলে বলে, রামিসা আমার সঙ্গে যায়নি।’

‘আশপাশ খোঁজ করেও পাচ্ছিলাম না রামিসাকে। সবাইকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সবাই বলে, দেখিনি। নিচে একটা অফিসের কাজ চলছিলো। সেখানে ঢুকে দেখি, মেয়ে আছে কি না। এরপর দোতলায় খুঁজি। সেখানেও নেই। আমার পাশের ফ্ল্যাটে দরজায় কড়া নাড়ি। কিন্তু কেউ সাড়া দিচ্ছিল না।

হঠাৎ চোখ পড়ে দরজার সামনে মেয়ের একটা স্যান্ডেল। তখন আমার ভাবনায় আসে, মেয়েকে কি এখানে আটকে রেখেছে। আমার শব্দ শুনে পাঁচতলা থেকে আসমা নামের এক নারী নেমে আসেন। ধীরে ধীরে আশপাশের লোকজনও চলে আসে। তাদেরকে জানাই রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার স্বামীকেও ফোন দেই। অনেকে চেয়ার নিয়ে ওপর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে কিন্তু দেখতে পাচ্ছে না।’

‘পরে দরজা ভেঙে সবাই ভেতরে ঢুকি। তখন রাজু নামের একটি ছেলে ভিডিও করছিলো। স্বপ্না হাঁটাহাঁটি করছিলো। বেডরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে বাথরুমে অসংখ্য র** দেখতেই পাই। এরপর রামিসার বি/ চ্ছি/ ন্ন মা// থাও দেখি। পুলিশ এসে রামিসার জামা ও ম* দে// হ উদ্ধার করে।’

স্বপ্নাকে দেখিয়ে রামিসার মা বলেন, ‘তারে আমি অনেকবার বলেছি, বোন দরজাটা খুইলা দে, খুইলা দে। কিন্তু ও খোলে নাই। আমি ওকে কোনো প্রশ্ন করতে পারিনি। উপস্থিত লোকজনই ওকে প্রশ্ন করেছে। পরে আমি তাদের কাছ থেকে শুনতে পাই, সোহেল রানা গ্রিল কেটে পালাইছে।’

এরপর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সোহেল রানাকে দেখিয়ে পারভিন বেগম বলেন, ‘হ* ** ও করছে, ধ*** ও করছে।’
কপি পোস্ট
[ রামিসার মা'র সাক্ষাৎগ্রহন আদালতে]
#

03/06/2026

বাগেরহাটের সেই কুমিরকে নেয়া হচ্ছে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে

এই শ// য়// তা// ন আজকে যে বয়ান দিলো সেই বয়ানের উপর বিশ্বাস করলে চলবেনা।। আপনারা খেয়াল করছেন এই সোহেল আজকে কিন্তু এক কথা ...
03/06/2026

এই শ// য়// তা// ন আজকে যে বয়ান দিলো সেই বয়ানের উপর বিশ্বাস করলে চলবেনা।। আপনারা খেয়াল করছেন এই সোহেল আজকে কিন্তু এক কথা ৩ / ৪ রকম ভাবে বলছে ।। এক মুখে একই কথা কয় রকম করে বলছে।।

প্রথমে আদালতে তোলার সময় বলছে --- ডলার ধ**-ষ-** করছে, আপনারা ডলার কে ধরেন, সব উত্তর পেয়ে যাবেন।।
তারপর বললো --- আমি ধ**-ষ *** করেছি, খু%%* ন করেছে ডলার।। পরে আবার বললো --- আমি হ** //**ত্যা করতে চায়নি ডলার আমাকে নে**-- শা করিয়ে
হ**--//**-- ত্যা করিয়েছে।।

তারপর আবার চিৎকার করে বললো ---- ধ**-- ষ **-- করছে ডলার, মা// র// ছে ও ডলার, আমি শুধু লা// শটা
গু-- ম করতে চাইছিলাম কিন্তু পারি নাই।। আপনারা ডলাররে ধরেন, ওরে ধরলে আপনারা সব খুঁজে পাবেন।।

সোহেলের ডিএনএ টেস্টে কিন্তু সোহেলের নাম এসেছিলো, এমনটাই আমরা জানতাম কিন্তু এখন এই সোহেল বলছে -- ওর নাকি কোনো ডিএনএ টেস্টই নেওয়া হয়নি।। যখন সোহেল কথা গুলো বলছিলো ওর গলার জোর দেখে মনে হচ্ছিলো ও নিশ্চিত মুক্তি পাবে।।

এলাকাবাসীর কাছে ডলারের বিষয় জিজ্ঞাসা করলে জানা যায় --- রামিসাদের পাশের গলিতে থাকে ডলার, ডলার বিয়ে করেছে, ওর একটা বাচ্চা ও আছে, খুব সুন্দর সংসার ডলারের, তার নামে কোনো খারাপ রেকর্ড নাই, এলাকার মানুষ বিশ্বাসই করেনা ডলার এমন কাজ করতে পারে।।

সোহেল এখন ইচ্ছে মতো নাটক সাজাচ্ছে।। ডলাররে ধরলে ডলার কইবো- পাউন্ড রে ধরেন, পাউন্ড কইবো- আমি কি জানি ইউরো ধরেন।। এই ধরাধরিতে আরেক রামিসার পুনরাবৃত্তি হইবো।। আমরা কোনো নাটক দেখতে চাইনা, আগে এই খু--*নি--*র ফাঁ**//**-সি হোক।। ডলার টলার কেউ না সোহেল আর ওর বৌয়ের নতুন নাটক এইটা কে--*স ঢিলা করার জন্য।। আজকে এক এক বার এক এক রকম কথা বলছে সোহেল, এইটা শুনলেই বোঝা যায়।।
সবাই যার যার জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন, আমরা আর কোনো সিনেমা দেখতে চাইনা।। অলরেডি এই ঈদে মুক্তি পাওয়া অনেক সিনেমা দেখে ফেলেছি।। সবাই আওয়াজ তুলুন সোহেলের এই মিথ্যা নাটক আর সহ্য হচ্ছেনা।। লা**-- শ ওর ঘর থেকেই পাওয়া গেছে, ওর বৌ আর ও প্রথমে কিভাবে কি কি করছে সব স্বীকার করছে, আর এখন আবার নাটক করছে।। 😭 😭

মেহেদী হাসান। এই ব্যক্তি বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার দিঘি তে অবস্থান করা কুমিরের খাদ্য বন্টনের দায়িত্বে রয়েছে। যখন কেউ ম...
03/06/2026

মেহেদী হাসান। এই ব্যক্তি বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার দিঘি তে অবস্থান করা কুমিরের খাদ্য বন্টনের দায়িত্বে রয়েছে। যখন কেউ মানতের নামে হাস মুরগী গরু ছাগল দেয়, তখন সে সেইটা জমা রাখার কথা বলে পরবর্তী তে নিজেরাই ভক্ষন করে এবং বিক্রি করে। এই কুমির তার মনের আশা পূর্ণ করবে সেইটা মূর্খ নারী পুরুষ কে অবগত করে। একে আইনের আওতায় আনতে হবে। এবং ঐ পুকুর থেকে কুমির সরিয়ে সুন্দরবন নয়তো কোন চিড়িয়াখানায় পাঠাতে হবে। এই সমাজের মানুষ কে ভয়াবহ শিরক বিদআত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব আপনার আমার। ইনশাআল্লাহ।

সবুজ ওড়না গায়ে সাত বছরের ফাতেমা যখন হাসে, মনে হয় পুরো পৃথিবী আলো হয়ে গেছে। সেই হাসিমুখটা একদিন খান জাহান আলী মাজারের দিঘ...
03/06/2026

সবুজ ওড়না গায়ে সাত বছরের ফাতেমা যখন হাসে, মনে হয় পুরো পৃথিবী আলো হয়ে গেছে। সেই হাসিমুখটা একদিন খান জাহান আলী মাজারের দিঘিতে নেমেছিল গোসল করতে। মা ভেবেছিল পুণ্যের পানি। কিন্তু দিঘির নিচে অপেক্ষা করছিল একটা কুমির। কয়েক সেকেন্ডে সব শেষ। নয় ঘণ্টা পর ভেসে উঠল শুধু একটা নিথর শরীর। ফাতেমার হাসিটা কুমির খেয়ে ফেলেছে। কিন্তু ওকে কবর দিয়েছে আমাদের অন্ধ বিশ্বাস আর কিছু মানুষের লোভ।

এই কুমিরের গল্পটা নতুন না। পনেরো শতকে খান জাহান আলী যখন বাগেরহাটে আসেন, তখন এই অঞ্চল ছিল জঙ্গল আর জলাভূমি। কথিত আছে, তিনি ইরান থেকে দুইটা কুমির আনেন। নাম ছিল কালাপাহাড় আর ধলাপাহাড়। লোককথা বলে, এই কুমির দুইটা তাঁর আদেশ মানত। মানুষের ক্ষতি করত না। সেই থেকে শুরু। শত শত বছর ধরে মানুষ বিশ্বাস করে আসছে, দিঘির কুমির খান জাহান আলীর পালিত। এগুলো কামিল। এগুলোকে খাওয়ালে মনের বাসনা পূর্ণ হয়।

ইরান থেকে কুমির আসা প্রাণীবিজ্ঞানের হিসাবে প্রায় অসম্ভব। মরু অঞ্চলে কুমিরের প্রজাতি নেই। আর যদিও পনেরো শতকে দুইটা কুমির আনা হয়, সেই কুমির পাঁচশ বছর বাঁচে না। কুমিরের গড় আয়ু ৭০ থেকে ১০০ বছর। তার মানে দিঘির বর্তমান কুমিরগুলো সেই আমলের না। এগুলো পরে আনা হয়েছে। লোককথাকে ব্যবসা বানানোর জন্য বারবার নতুন কুমির ছাড়া হয়েছে। ইতিহাসের নামে গল্প বিক্রি হচ্ছে, আর গল্পের নামে চলছে মানতের বাণিজ্য।

দ্বিতীয় ছবিটা দেখো। সবুজ প্যান্ট পরা মেহেদী হাসান কুমিরের গায়ে হাত দিয়ে বসে আছে। লোকমুখে শোনা যায়, সে-ই মাজারের কুমিরের খাবারের দেখভাল করে। আমরা হাঁস মুরগি ছাগল মানত করি। চোখের পানি ফেলে বলি, আল্লাহ কবুল করো। ভাবি কুমির খাবে আর আমাদের দুঃখ ঘুচবে। অথচ কুমিরের মুখ পর্যন্ত কয়টা পৌঁছায়। বেশিরভাগ মানত ঘাটেই বিক্রি হয়ে যায়। মেহেদীদের পেটে যায়, পকেটে যায়। কুমিরের নামে ভয় দেখিয়ে আমাদের পকেট কাটাই তাদের ব্যবসা। ইতিহাসের কালাপাহাড় ধলাপাহাড় এখন মেহেদীদের এটিএম মেশিন।

তৃতীয় ছবিতে একজন দাড়িওয়ালা মানুষ (জামাল যথাসম্ভব খাদেম) ছাগল নিয়ে পানিতে দাঁড়ানো। এটা পুণ্যের নাটক। ক্যামেরা অন হবে, ছাগল পানিতে নামবে, ফেসবুকে ভাইরাল হবে। ক্যাপশন থাকবে, দেখুন কামিল কুমির কীভাবে মানত খায়। অথচ ভিডিও শেষ হলেই ঘাটের লোকেরা ছাগলটা টেনে তোলে। পরদিন হাটে আবার বিক্রি হয়। একটা ছাগল দশবার বিক্রি হয়। আর আমরা দশবার ঠকি। বিশ্বাসের দামে কেনা হয় প্রতারণা। খান জাহান আলী যে ইসলাম প্রচার করতে এসেছিলেন, সেই ইসলামে প্রতারণার কোনো জায়গা ছিল না।

চতুর্থ ছবিটা বুকের ভেতর কাঁপুনি ধরায়। দুইটা লোকআনে মেহেদি আরেকটা ছেলেকে জোর করে পানিতে নামাচ্ছে। কুমির ছোঁয়াবে। কারণ তাদের শেখানো হয়েছে এই কুমির সাধারণ না, এই কুমির পবিত্র। মানুষ মা*রলেও পবিত্র। এই বিশ্বাসটা কে ঢুকিয়েছে ওদের মাথায়। যারা বছরের পর বছর ধরে কুমিরকে অলৌকিক বানিয়ে টাকা কামাচ্ছে, তারাই। মৃ*ত্যুকে যারা তামাশা বানায়, তাদের হাতে আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস তুলে দিয়েছি। বিজ্ঞান বলে কুমির একটি শিকারী প্রাণী। তার ধর্ম শিকার করা। পবিত্র বা অপবিত্র বলতে সে কিছু বোঝে না। খিদে পেলে সে মানুষ খাবে। এটাই প্রকৃতি। এই প্রকৃতিকে অস্বীকার করাই হলো সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি।

এই গল্প শুধু বাগেরহাটের না। এটা পুরো বাংলাদেশের ছবি। বায়েজিদ বোস্তামিতে কচ্ছপকে খাওয়ালে মনের আশা পূর্ণ হয়। সিলেটে গজার মাছকে পীরের মাছ বলে মানত চলে। গোলাপ শাহ মাজারে গাঁ'জা'র ধোঁয়ার সাথে উড়ে টাকা। চট্টগ্রামে মোমবাতির আলোয় কোটি টাকার বাণিজ্য। সব জায়গায় একটাই সূত্র। একটা দিঘি বানাও, একটা প্রাণী ছাড়ো, একটা গল্প বানাও। তারপর মানুষের ভয় আর লোভকে পুঁজি করে আজীবন খাও।

চিড়িয়াখানায় বাঘ রাখা হয় বিশ ফুট উঁচু খাঁচায়। কারণ সবাই জানে বাঘের ধর্ম মানুষ খাওয়া। কিন্তু মাজারের দিঘিতে কুমির থাকে একদম খোলা। কারণ এখানে মানুষের জীবনের চেয়ে মানতের টাকার ওজন বেশি। মেহেদী হাসানরা জানে, কুমির থাকলেই ভয় থাকবে। ভয় থাকলেই মানুষ টাকা দেবে। তাই দিঘিতে বেড়া উঠবে না, সিসিটিভি বসবে না। একটা সাইনবোর্ডে লেখা থাকবে সাবধান। ব্যস দায়িত্ব শেষ। আসলে ওটা সাবধানবাণী না, ওটা ব্যবসার লাইসেন্স।

ফাতেমার মা এখন কোন দিঘিতে চোখের পানি ফেলবে। কোন কুমির ফেরত দেবে তার মেয়ের হাসি। আমরা পারব না। কিন্তু আমরা চাইলে পরের ফাতেমাকে বাঁচাতে পারি। তার জন্য চারটা কাজ করতে হবে।

প্রথম, ফাতেমার মৃ*ত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাই। খোলা দিঘিতে কুমির রেখে মানুষ মা*রার দায় যাদের, তাদের শাস্তি চাই। এটা দুর্ঘটনা না, এটা খু*ন।

দ্বিতীয়, মানতের নামে যে কোটি টাকা ওঠে তার হিসাব চাই। মেহেদী হাসানদের মতো যারা খাদ্য বণ্টনের নামে খায় আর বিক্রি করে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। গত বিশ বছরের অডিট চাই।

তৃতীয়, খান জাহান আলীর দিঘি থেকে কুমির এখনই সরাতে হবে। সুন্দরবন বা সরকারি চিড়িয়াখানায় পাঠাও। ধর্মের নামে খোলা জায়গায় কোনো হিংস্র প্রাণী থাকতে পারবে না। মানুষের জীবন পুণ্যের চেয়ে দামি। খান জাহান আলী মানুষ বাঁচাতে এসেছিলেন, মা*রতে না।

চতুর্থ, দেশের সব মাজারে সরকারি নজরদারি চাই। প্রাণী দিয়ে মানত, তাবিজ বাণিজ্য, অলৌকিক গল্প বেচা বন্ধ করতে হবে। ধর্ম থাকবে মানুষের মুক্তির জন্য। প্রতারণার হাতিয়ার হওয়ার জন্য না।

ফাতেমার সবুজ ওড়নাটা এখনো হয়তো কোনো ঘরে ভাঁজ করে রাখা আছে। ওর মা রোজ রাতে ওড়নাটা বুকে চেপে ঘুমায়। আমরা চাইলে এই কান্নাটা শেষ কান্না হতে পারে। আর যদি চুপ থাকি, কাল আমার আপনার ঘরের হাসিটাও চার ভাগ হয়ে ফেসবুকে ঘুরবে। তখন আমরা শুধু কমেন্টে লিখব ইন্নালিল্লাহ।

আহা বলার সময় শেষ। এবার আওয়াজ তোলার সময়। ফাতেমার জন্য না, আগামীকালের সব ফাতেমার জন্য।

রামিসা হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের একজন এসআই ইকবাল হোসেন। 😢😢তিনি নিজ হাতে অবুঝ রামিসার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিলেন,...
03/06/2026

রামিসা হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের একজন এসআই ইকবাল হোসেন। 😢😢

তিনি নিজ হাতে অবুঝ রামিসার নিথর দেহ উদ্ধার করেছিলেন, আলামত জব্দ করেছিলেন। আজ আদালতে সেই ভয়াবহ দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি। সাক্ষ্য দিতে দিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আদালতজুড়ে তখন নেমে আসে এক ভারী নীরবতা। উপস্থিত সবার চোখেই ছিল চাপা কান্না।
সাক্ষ্য শেষে ইকবাল হোসেন বলেন,
“ভাই, রামিসাকে দেখার পর আমি প্রায় ১০ দিন ঠিকমতো ভাত খেতে পারিনি। ওর মতো আমারও একটা মেয়ে আছে। আমিও একজন বাবা। এত নিষ্পাপ একটা শিশুর এমন পরিণতি আমি মেনে নিতে পারিনি। নিজের হাতে রামিসার দেহ নিয়েছি। জীবনে এত কষ্ট কখনো পাইনি।”
রামিসা শুধু একটি নাম নয়।
রামিসা আমাদের বিবেকের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া এক নিষ্ঠুর প্রশ্ন।

একটি নিষ্পাপ শিশুর কান্না থেমে গেছে, কিন্তু তার বিচার চাওয়ার আওয়াজ যেন কোনোদিন থেমে না যায়।
রামিসার জন্য ন্যায়বিচার চাই।
দ্রুত, কঠোর এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

যাত্রীভর্তি ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঢাকাগামী একটি বাস চলন্ত অবস্থায় ব্রেক ফেল করে। চালক যখন কোনোভাবেই বাসটির নিয়ন্ত্রণ...
02/06/2026

যাত্রীভর্তি ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঢাকাগামী একটি বাস চলন্ত অবস্থায় ব্রেক ফেল করে। চালক যখন কোনোভাবেই বাসটির নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিচে নেমে যান হেল্পার দুলাল। চলন্ত বাসের চাকার নিচে কাঠের টুকরো বা ভারী কিছু দিয়ে গাড়িটি থামানোর শেষ চেষ্টা করেন তিনি। দুর্ভাগ্যবশত, সেই চেষ্টার সময়ই বাসের ভারী চাকাটি তাঁর শরীরের ওপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুলাল। কিন্তু তাঁর সেই তাৎক্ষণিক ও অসীম সাহসিকতার কারণেই বাসটি বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়। বাসের একজন যাত্রীর গায়েও আঁচড় লাগেনি।

কুড়িগ্রামের এই যুবক দুলালের কথা আর তেমন কেউ জানবে না, তাকে নিয়ে আর কোথাও তেমন কোনো আলোচনা হবে না। এক বাস ভর্তি যাত্রীর জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন দিয়ে দিলেও তাকে নিয়ে এই দেশে কোনো হৈ চৈ হবে না, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেয়া হবে না। তার আত্মত্যাগ নিয়ে পত্রিকায় বিশাল কোনো হেডলাইন যাবে না। পত্রিকায় হেডলাইন পাবে চাটুকাররা।

অথচ শেষ কবে এই দেশে কেউ কাউকে বাঁচাতে জীবন দিয়েছে? শেষ কবে নি:স্বার্থভাবে এই দেশে কেউ কারো জন্য কিছু করেছে? মানুষ হয়ে মানুষ ও প্রকৃতির অন্যান্য সন্তানদের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব, তা কি দুলালের মত আমরা মনে রেখেছি?

দুলাল যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক, বীরের বেশে থাকুক। Because he died a hero.

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শি'শু রামিসাকে ধ'র্ষ'ণের পর নৃ'শং'স হ'ত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করলেও হ'ত্যার দায় অন্যের ওপর চ...
01/06/2026

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শি'শু রামিসাকে ধ'র্ষ'ণের পর নৃ'শং'স হ'ত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করলেও হ'ত্যার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা।

চার্জগঠন শুনানির দিন আদালতে সাংবাদিকদের সামনে তিনি দাবি করেন, আমি শুধু ধ'র্ষ'ণ করছি, মা'রছে ডলার। একই সঙ্গে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে নির্দো'ষ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

#রামিসা #পল্লবী

Address

Bogura
5801

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ahsan Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category