22/05/2026
হাম — প্রতিদিন শিশু মারা যাচ্ছে বাংলাদেশে!
হাম করোনার চেয়েও ৯ গুণ বেশি ছোঁয়াচে।
একটি অসুস্থ শিশু ১৮ জনকে সংক্রামিত করতে পারে!
লক্ষণ চিনুন:
হঠাৎ তীব্র জ্বর — ১০৪°F পর্যন্ত উঠতে পারে
চোখ লাল, পানি পড়া, আলো সহ্য না হওয়া
তীব্র সর্দি-কাশি ও নাক দিয়ে পানি পড়া
সারা শরীরে লালচে গুটি গুটি র্যাশ
মুখের ভেতরে সাদা দাগ (Koplik's spots)
শিশু অস্বাভাবিক ক্লান্ত ও অস্থির হয়ে পড়া
হাম শুধু জ্বর-র্যাশ না — এটি ভয়ংকর!
হাম থেকে হতে পারে:
❗ নিউমোনিয়া
❗ মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনকেফালাইটিস)
❗ স্থায়ী অন্ধত্ব
❗ এবং মৃত্যু
অপুষ্ট শিশুদের ঝুঁকি ১০ গুণ বেশি।
প্রথম লক্ষণেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান — দেরি করলে বিপদ।
এই ভুল ধারণাগুলো এখনই বাদ দিন:
"ঘরে রাখলেই ভালো হয়" — ভুল
"একবার হলে আর হবে না, তাই টিকা লাগবে না" — ভুল
"টিকা দিলে শিশু অসুস্থ হয়" — ভুল
✅ সত্যটা হচ্ছে হামের পর শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ২–৩ বছরের জন্য নষ্ট হয়ে যায়। টিকাই একমাত্র নিরাপদ সুরক্ষা।
টিকার সঠিক সময়সূচি:
✅ ৯ মাস বয়সে — MR টিকা (১ম ডোজ)
✅ ১৫ মাস বয়সে — MR টিকা (২য় ডোজ)
✅ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে
✅ টিকা মিস হলে — যেকোনো বয়সে নিকটস্থ EPI কেন্দ্রে যান
শিশুর হাম হলে এখনই যা করবেন:
১. সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান
২. অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখুন (৪ দিন পর্যন্ত ছোঁয়াচে)
৩. প্রচুর পানি ও তরল খাওয়ান
৪. ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন A দিন
এই লক্ষণ দেখলে জরুরি বিভাগে যান:
শ্বাসকষ্ট / খিঁচুনি / অজ্ঞান হওয়া / সম্পূর্ণ খাওয়া বন্ধ
আপনার একটি শেয়ারে একটি শিশুর জীবন বাঁচতে পারে।
আপনার পরিচিত সকল মা-বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানিকে এই তথ্য পৌঁছে দিন।
By .Nobel