09/08/2026
সমাজের গরিব অসহায় মানুষ, চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বেশি টাকা নষ্ট করে। অতিরিক্ত টাকা নষ্ট করে, শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা কন্টিনিউ করতে পারে না। তারপর ভোগান্তিতে ধুকে ধুকে মরে।
আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা ভুল চিকিৎসার শিকার হয়।
সমাজের এই মানুষগুলো, যখন কোন সমস্যা হয়,
তারা ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খায়,ভুয়া রেজিস্ট্রেশন বিহীন, ডাক্তার, কবিরাজ এদের দ্বারা চিকিৎসা করে টাকা নষ্ট করে।
তাদের ধারণা, বড় ডাক্তারের কাছে গেলে, টাকা বেশি লাগে। অথচ একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে, ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা লাগে। ৬০০ টাকা দিয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে। ফার্মেসি এবং ভুয়া ডাক্তারের স্বরপণ্য হয়, তারা আবার ফ্রি ডাক্তার রোগী দেখে, মানুষ খুশিতে লাফাতে লাফাতে এদের কাছে যায়, ভিজিট লাগে না এজন্য।
কিন্তু বাস্তবে কি ঘটে, আপনার কাছ থেকে ভিজিট নিচ্ছে না ঠিক আছে, কিন্তু আপনার কাছ থেকে ওষুধ বিক্রি করে, ১০০০-
১৫০০ টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
আবার এইসব কোয়াক, ভিজিট না নিয়ে দুই আড়াই হাজার টাকার টেস্ট দিয়ে দিচ্ছে, তারপর তার পছন্দমত ডায়াগনস্টিক থেকে পরীক্ষা করে ৫০% কমিশন নিচ্ছে। এতে চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি বেড়ে যায়।
আবার এরাই, রোগী যখন বেশি খারাপ হয়ে যায়,অথবা অপারেশনে প্রয়োজন হয় পছন্দ মত হাসপাতাল ভর্তি করিয়ে কমিশন খাবে।
দিনশেষে এরাই আপনাদের মানবতার ফেরিওয়ালা।মানুষের অজ্ঞতার কারণে, এসব দালাল চক্রের কাছে। স্বাস্থ্য সেবা জিম্মি।
এইসব কোয়াক দালালচক্র,ডাক্তারের কাছে রোগী পাঠিয়ে, অতিরিক্ত টেস্ট দেওয়ার জন্য চাপ দেয়, সেখান থেকেও তারা কমিশন খায়।
দিনশেষে মানুষ গালি দেয়, ডাক্তারকে, সরকারকে, ডায়াগনস্টিক,হাসপাতাল কে।
সমাজের সহজ সরল মানুষগুলোকে, সরলতার সুযোগ নিয়ে, এসব দালালচক্র ফুলে ফেঁপে উঠে।
কোন সমস্যা হলে, কারো রেফারেন্স ছাড়া, সোজা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
কারো রেফারেন্স ছাড়া, কারণ আপনি যাকে বিশ্বাস করবেন, যার রেফারেন্সে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাবেন, ওই রেফারেন্সের ব্যক্তি এই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে চাপ দিব অতিরিক্ত টেস্ট দেওয়ার জন্য, সেখান থেকে সে ৫০% কমিশন নিবে।
অথচ নিজে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখালে, এই অতিরিক্ত খরচ বাঁচাতে পারতেন।
মনে রাখবেন, আপনার চিকিৎসার জন্য, মাত্র ৫০% খরচ আপনার জন্য হয়। বাকি ফিফটি পার্সেন্ট দালালের পেটে যায়।
কথাগুলো তিক্ত কিন্তু বাস্তব সত্য।