Hakim Mizanur Rahman

Hakim Mizanur Rahman মানুষের সেবায় দৃঢ়সংকল্প। প্রকৃত সেবায় দুনিয়া ও আখেরাত দুটোতেই সফল।
(1)

সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা। আমরা সবার জন্য কাজ করি। তাই যে কোনো যে কোনো রোগের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার থেকে আপনাকে স্বাগতম। যে কোনও রোগের প্রয়োজনে আমার এ নাম্বারে যে কোনও সময় কথা বলতে পারবেন : ০১৭৬২২৪০৬৫০ (ইমো-হোয়াটস অ্যাপ)

শ্বেতী এখন আর সমস্যা নয়, বরং ভয় ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ধারাবাহিক চিকিৎসা নিলে ভালো হয়ে যায়। ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ...
09/08/2026

শ্বেতী এখন আর সমস্যা নয়, বরং ভয় ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ধারাবাহিক চিকিৎসা নিলে ভালো হয়ে যায়। ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে চার হাজার রোগী আমার উসিলায় আল্লাহ শেফা দান করেছেন। একজন ভালো হয়ে দশজনকে নাম্বার দেয় ঠিকানা দেয় ও দোয়া করে।

যে কোনো রোগের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসককে রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হয়। শ্বেতী, স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস, সোরিয়াসিস বা যে কোনো চর্ম রোগের চিকিৎসার জন্য ইনবক্সে বা এই হোয়াটস অ্যাপ নাম্বারে 01762240650 রোগীর রোগ আক্রান্ত জায়গার কয়েকটি ছবি তুলে দিন। তাহলে রোগীর আক্রান্ত স্থানের ছবি দেখে এবং রোগ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিষয় জেনে আপনাকে কি কি ঔষধ দেওয়া হবে সে ব্যাপারে উত্তর দেওয়া হবে।

*এছাড়াও যদি অন্য কোন রোগ বা সমস্যা থাকে তাও বিস্তারিত লিখে জানাতে পারেন*

।বিস্তারিত জানিয়ে চেম্বারে এসে ঔষধ নিতে পারেন।

শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে হলে যে কোনো জেলা বা উপজেলার মধ্যে কুরিয়ার খরচ পাঠিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসেও ঔষধ নিতে পারবেন।

আর দেশের বাইরে হলে বাংলাদেশে আসা যাওয়া করে এমন লোকজনের মাধ্যমে ঔষধ নিতে পারেন। *ধন্যবাদ*

*হাকীম মিজানুর রহমান*
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
রেজি নাম্বার : 3546/A,
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.
*ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার*
সততা প্লাজা, প্লট নং ২৬. গাউছিয়া মডেল টাউন, রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।বাংলাদেশ।
(এ ছাড়া আমাদের অন্য কোথায়ও শাখা নেই।
*সরাসরি চেম্বারে এবং সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ডেলিভারী দেওয়া হয়।*

আমাদের সেবাসমূহ : *ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।*

ইমো-হোয়াটস অ্যাপ : 01762240650
চিকিৎসকের মুঠোফোন : হোয়াটস অ্যাপ : 01742-057854

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

হাজারো মানুষের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা কার্যকর চিকিৎসা ও করণীয়শ্বেতী—একটি অদ্ভুত কিন্তু মোটেও ভয়াবহ নয় এমন রোগ। বাংলাদেশসহ...
09/08/2026

হাজারো মানুষের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা কার্যকর চিকিৎসা ও করণীয়
শ্বেতী—একটি অদ্ভুত কিন্তু মোটেও ভয়াবহ নয় এমন রোগ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু মানুষ এ রোগে ভুগছেন, কেউ কেউ এক বছর, কেউ বা দশ-পনেরো বছর ধরে। অথচ সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার অভাবে অনেকেই মুক্তি পাচ্ছেন না। এই প্রবন্ধে আমরা তুলে ধরছি সেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যা আপনাকে রোগটি সম্পর্কে সঠিকভাবে জানাতে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবে।

শ্বেতী রোগ: ভুল ধারণা ও মানসিক কষ্ট

শ্বেতী রোগ ছোঁয়াচে নয়, কিন্তু অনেকেই রোগীকে দেখে আঁতকে ওঠেন, ভ্রূ কুঁচকে ভাবেন—"নিশ্চয়ই ছোঁয়াচে!" এই ভুল ধারণা রোগীর মনে অপমান, কষ্ট ও একাকীত্বের জন্ম দেয়। তাই প্রথমেই দরকার সচেতনতা ও সহানুভূতি।

চিকিৎসা: ধাপে ধাপে ধৈর্য ও নিয়মিত প্রয়োগে সফলতা

- শ্বেতী রোগের চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ—৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে
- চিকিৎসা শুরু হলে ধীরে ধীরে মেলানিন উৎপাদন শুরু হয়
- লোমশ অংশে চিকিৎসা দ্রুত ফল দেয়, কিন্তু আঙুল, ঠোঁটের মতো অংশে সময় বেশি লাগে
- রোগ নির্ণয়ে সাধারণত লক্ষণ দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
- চিকিৎসা নির্ভর করে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল ও অবস্থান অনুযায়ী

কার্যকর ঔষধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি

প্রাথমিক অবস্থায় নিচের ঔষধগুলো কার্যকর:

| ঔষধের নাম | কার্যকারিতা |
| Recap ক্রিম : প্রাথমিক চিকিৎসায় সফল |
| Vitiligo Natural : মেলানিন উৎপাদনে সহায়ক |
| Vitiligo Remover : দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় কার্যকর |
| Vitiligo Natural Harbs : রোগ প্রতিরোধে সহায়ক |

> সারাদেশে ও বিদেশে ৩,০০০+ রোগী ইতোমধ্যে আরোগ্য লাভ করেছেন।

খাবার ও জীবনযাত্রায় করণীয়

- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে হবে
- দুধ, ছানা, ফলের রস, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
- ডায়াবেটিস বা থাইরয়েড থাকলে সতর্ক থাকুন

চিকিৎসা গ্রহণের উপায়

- সরাসরি গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলে ফল দ্রুত আসে
- না পারলে কুরিয়ার সার্ভিসে ৩ দিনের মধ্যে ঔষধ পাওয়া যায়
- রোগীর সাদা দাগের ছবি পাঠিয়ে WhatsApp/ইমোতে বিস্তারিত জানতে পারেন

যোগাযোগ করুন:
হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
মোবাইল: 01742-057854
ইমো/WhatsApp: 01762-240650
ইমেইল: [email protected]

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

দাদ, একজিমা, এলাজি, রক্ত দূষণ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন এর জন্য কাজ করবে। *চেম্বার ও যোগাযোগ**হাকীম মো. মিজানুর রহমান* (ডিইউএমএস...
09/08/2026

দাদ, একজিমা, এলাজি, রক্ত দূষণ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন এর জন্য কাজ করবে।
*চেম্বার ও যোগাযোগ*
*হাকীম মো. মিজানুর রহমান*
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.
*চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা*
📍 সততা প্লাজা,
🏢 ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
📌 প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
🛣️ রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইমো-হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার : 01762240650

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

আসসালামু আলাইকুম। ইবনে সিনা হেল কেয়ার থেকে আপনাকে স্বাগতম। আপনার কোন রোগের বিশেষ চিকিৎসা নিতে চাইলে বিস্তারিত ইনবক্সে অ...
07/08/2026

আসসালামু আলাইকুম। ইবনে সিনা হেল কেয়ার থেকে আপনাকে স্বাগতম। আপনার কোন রোগের বিশেষ চিকিৎসা নিতে চাইলে বিস্তারিত ইনবক্সে অথবা এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে জানাবেন 01742-057854

@সেরা ফ্যান

শ্বেতী রোগের কারণ ও প্রতিকারশ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। যা ধবল রোগ নামেও পরিচিত। ত্বকের বিভিন্ন স্থান থেক...
07/08/2026

শ্বেতী রোগের কারণ ও প্রতিকার
শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। যা ধবল রোগ নামেও পরিচিত। ত্বকের বিভিন্ন স্থান থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই রোগটি। শ্বেতী বা ত্বকের সাদা ধবধবে দাগ এক ধরনের অটো ইমিউন ডিজিজ। শ্বেতী মূলত মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন শ্বেতী রোগীর মধ্যে ৩০ জনের ক্ষেত্রেই শ্বেতী বংশগত ধারায় হয়ে থাকে। যদিও শ্বেতী ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী রোগ নয়। তবে শ্বেতী কেন হয়?

ত্বকের একটি অদ্ভুত রোগ হলো শ্বেতী। ত্বকের মধ্যে উপস্থিত মেলানোসাইট কোষে থাকা মেলানিন, প্রধানত ত্বকের স্বাভাবিক বর্ণের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই মেলানিনই ফর্সা বা কালো রঙের কারণ।

এই মেলানিনের ভারসাম্য নষ্ট হলে অথবা এর কার্যকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে, শ্বেতীর সমস্যা দেখা দেয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়েই প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগ সাড়িয়ে তোলা সম্ভব। জেনে নিন করণীয়-

>> পেঁপে শ্বেতীর সমস্যা দূর করতে দুর্দান্ত কার্যকরী। ত্বকের সাদা স্থানে পেঁপের টুকরো ঘষুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শ্বেতীর কারণে হারিয়ে যাওয়া মেলানিন কোষগুলিকে পুনর্নির্মাণ করতে নিয়মিত পেঁপের জুস পান করুন।

>> এ ছাড়াও লাল মাটি শ্বেতী চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী। লাল মাটিতে থাকে তামা। এক টেবিল চামচ আদার রসের সাথে, দুই টেবিল চামচ লাল মাটি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে শ্বেতী স্থানে মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন। আদার রস শ্বেতীর জায়গায় রক্ত প্রবাহে সহায়তা করবে।

>> শ্বেতীর সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার অন্যতম উপায় হলো তামার পাত্র থেকে পানি পান করা। তামার পাত্রে রাখা জল পান করলে এটি শরীরে মেলানিন উৎপন্ন করে।

>> তুলসি পাতাতে অ্যান্টি-এজিং এবং অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য থাকে। লেবুর রসের সঙ্গে তুলসি পাতার মিশ্রণ, ত্বকের মেলানিন উৎপাদনে উৎসাহিত করে। তাই ত্বকের শ্বেতী স্থানে তুলসির রস ও লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

>> প্রতিদিন কমপক্ষে ৫টি আখরোট খেলে শ্বেতীর সমস্যা কমতে শুরু করে। এ ছাড়াও শ্বেতী স্থানে আখরোটের গুঁড়োর মিশ্রণ ব্যবহার করুন।

>> অ্যালোভেরাতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। এতে ভিটামিন এ, সি, বি ১২, ফলিক অ্যাসিড, তামা, ক্যালসিয়াম, ক্রোমিয়াম, জিঙ্ক থাকে। যা পুনরায় ত্বকের বর্ণ ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে।

>> আরও এক উপাদান হলো হলুদ। শ্বেতীর সমস্যা নিরাময়ে সরিষার তেলের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ২০ মিনিটের জন্য আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। ভালো ফল পেতে মিশ্রণটি দিনে দুইবার ব্যবহার করুন। সূত্র: বোল্ডস্কাই

তবে উপরোক্ত ঘরোয়া পদ্ধতিতে সবার ক্ষেত্রে শ্বেতী মুক্ত নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিতে পারবেন।

দেশ বিদেশে হাজার হাজার মানুষ এ রোগে ভুগছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ কেউ এক বছর থেকে দশ-পনেরো বছর পর্যন্ত বয়ে চলছেন অসুখটি। কিন্তু অনেক সময় অনেক চিকিৎসা করেও সঠিক চিকিৎসার অভাবে এবং এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
শ্বেতী রোগ আক্রান্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমাদের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আরো কিছু রোগের কারণ ও প্রতিকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসকল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন এবং অপরকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্যের জন্য সংবাদটি শেয়ার করুন-এটাই আমাদের কামনা।
বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!

তাই শ্বেতী রোগীকে অনাদর, অবহেলা-অবজ্ঞা নয়- আমাদের উদ্ভাবিত ভেষজ চিকিৎসায় শ্বেতী রোগ একশতভাগ মুক্ত হয়। তবে এ চিকিৎসা হতে হবে ধাপে ধাপে ধৈর্য সহকারে। কারণ একদিন বা এক মাসেই এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ নয়। এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে ইউনানী ভেষজ চিকিৎসা। ইউনানী ও ভেষজ চিকিৎসায় এ পর্যন্ত পার্শ্বে উল্লেখিত শিশুটি ছাড়াও কয়েক হাজার শ্বেতী রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করছেন।

যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় Recap ক্রিম, Vitiligo Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট। তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য হতে শুরু করে এবং আক্রান্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেই সাথে ভবিষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আক্রান্ত না হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

করণীয় :

কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে।

দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খাবেন।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

চিকিৎসা :
ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। Recap মলম লাগানো বা Vitiligo Natural ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ডাক্তার নির্দেশিত অন্যান্য ঔষধ প্রতিনিয়ত মালিশ করতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর Vitiligo Natural ও Vitiligo Remover ওষুধে কাজ হতে প্রায় ৬ মাস এমনকি দেড় থেকে ২ বছরও লাগতে পারে।

লক্ষ্য করুন :
– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

সুতরাং এ রোগ হবার সাথে সাথেই চিকিৎসা করা উত্তম। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
ঔষধ পেতে নিম্নে বর্ণিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে আপনি সরাসরি অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

যোগাযোগ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)

অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা

সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

মোবাইল: 01762240650 (Imo-whatsup)
হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার : 01742-057854

সেবাসমূহ : শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

শ্বেতী রোগ (Vitiligo) হলো ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে মেলানিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে সাদা দাগ পড়া। এটা ছোঁয়াচে ...
07/08/2026

শ্বেতী রোগ (Vitiligo) হলো ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে মেলানিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে সাদা দাগ পড়া। এটা ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী নয়। বিজ্ঞানীরা এখনও ১০০% নির্দিষ্ট একক কারণ জানতে পারেননি, তবে চিকিৎসকরা নিচের কারণগুলোকে প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন:

শ্বেতী রোগের প্রধান কারণগুলো

১. অটোইমিউন ডিসঅর্ডার : শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে মেলানোসাইট কোষকেই আক্রমণ করে ধ্বংস করে ফেলে। এটাকে সবচেয়ে বড় কারণ ধরা হয়।

২. বংশগত/জেনেটিক কারণ : পরিবারে বাবা-মা বা দাদা-দাদির কারো শ্বেতী থাকলে অন্যদের হওয়ার ঝুঁকি বেশি। প্রায় ৩০% রোগীর ক্ষেত্রে বংশগতভাবে হয়।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি : শরীরে ইমিউনিটি কম থাকলে শ্বেতী হতে পারে।

৪. মানসিক চাপ/স্ট্রেস : দীর্ঘমেয়াদী চরম মানসিক চাপ বা স্ট্রেস থেকে অনেক সময় শ্বেতীর সূত্রপাত হয়।

৫. রাসায়নিক/প্রসাধনীর প্রভাব: প্রসাধনী, সিন্থেটিক জিনিস, কেমিক্যাল থেকে এলার্জিক প্রতিক্রিয়ায় হতে পারে। এমনকি সিন্থেটিক টিপ, টাইট চশমার ফ্রেম থেকেও নাক-কানের পাশে শুরু হতে পারে।

৬. রোদে পুড়ে যাওয়া : তীব্র রোদে ত্বক পুড়ে গেলে শ্বেতী ট্রিগার হতে পারে।

৭. অন্য রোগের সাথে সম্পর্ক : ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের রোগ থাইরোডাইটিস, বিশেষ জাতের রক্তশূন্যতা থাকলে শ্বেতী হওয়ার আশংকা বেশি |

মনে রাখার মতো বিষয়
ছোঁয়াচে নয়: শ্বেতী একজনের থেকে আরেকজনের হয় না।
যেকোনো বয়সে হতে পারে: তবে ১০-৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
মাল্টিফ্যাক্টরাল: সাধারণত একটা না, কয়েকটা কারণ মিলে হয়।

শ্বেতী রোগ কখন বাড়তে থাকে এবং কী কারণে বাড়ে?

শ্বেতী রোগ বাড়ার সময়:
শুরুতে ছোট দাগ থেকে: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছোট সাদা দাগ দিয়ে শুরু হয়। চিকিৎসা না করালে দাগগুলো ধীরে ধীরে বড় হয় এবং শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

মানসিক চাপে: অতিরিক্ত টেনশন, দুশ্চিন্তা, ভয় বা মানসিক আঘাত পেলে রোগ দ্রুত বাড়তে পারে।

আঘাত বা কাটাছেঁড়া হলে: শরীরের যেখানে কেটে যায়, পুড়ে যায় বা ঘষা লাগে, সেখানে নতুন দাগ দেখা দিতে পারে। একে Koebner Phenomenon বলে।

রোদে বেশি থাকলে: সূর্যের আলোতে ত্বক পুড়ে গেলে বা সানবার্ন হলে আক্রান্ত জায়গা ও আশেপাশে দাগ বাড়তে পারে।
ঋতু পরিবর্তনে: অনেকের শীতকালে বা গ্রীষ্মকালে রোগ বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

গর্ভাবস্থায় ও হরমোন পরিবর্তনে: মহিলাদের গর্ভকালীন সময়ে বা হরমোনের ওঠানামায় দাগ বাড়তে দেখা যায়।
অনিয়মিত চিকিৎসায়: ঔষধ মাঝপথে বন্ধ করে দিলে বা অনিয়মিত ব্যবহার করলে রোগ আবার বেড়ে যায়।

শ্বেতী রোগ বাড়ার মূল কারণগুলো:
অটোইমিউন সমস্যা: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেই ত্বকের রঙ তৈরির কোষ মেলানোসাইট নষ্ট করে ফেলে। এটাই প্রধান কারণ।

বংশগত কারণ: পরিবারে কারো শ্বেতী, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস বা অন্য অটোইমিউন রোগ থাকলে ঝুঁকি বেশি থাকে।

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস: শরীরে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল বেড়ে গেলে মেলানোসাইট কোষ মারা যায়।

নিউরাল থিওরি: স্নায়ু থেকে নিঃসৃত কোনো রাসায়নিক পদার্থ মেলানোসাইট ধ্বংস করে বলে ধারণা করা হয়।

থাইরয়েড ও অন্যান্য রোগ: থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস, অ্যালোপেসিয়া, পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়ার সাথে শ্বেতী বাড়ার সম্পর্ক আছে।

কেমিক্যালের সংস্পর্শ: রাবার, হেয়ার ডাই, ডিটারজেন্ট, ফিনাইল ইত্যাদিতে থাকা কিছু কেমিক্যাল ত্বকে লাগলে দাগ বাড়তে পারে।

পুষ্টির অভাব: ভিটামিন বি12, ফলিক অ্যাসিড, কপার, জিংকের ঘাটতি থাকলে সমস্যা বাড়তে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ কথা: শ্বেতী ছোঁয়াচে রোগ নয়। একজনের থেকে আরেকজনের হয় না। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে এবং নিয়ম মেনে চললে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ধীরে ধীরে কমানো সম্ভব।

*চেম্বার ও যোগাযোগ*

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

(ডিইউএমএস, বিএসএস)

চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A

ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন

রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে),

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ: 01762240650

*চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

শ্বেতী রোগ : কারণ, প্রতিকার সম্পকে জেনে নিনশ্বেতী রোগ, যাকে ইংরেজিতে Vitiligo বলা হয়, একটি দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগ যা রোগ...
06/08/2026

শ্বেতী রোগ : কারণ, প্রতিকার সম্পকে জেনে নিন

শ্বেতী রোগ, যাকে ইংরেজিতে Vitiligo বলা হয়, একটি দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগ যা রোগীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক অবস্থান এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। যদিও এটি ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী নয়, তবুও সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও অজ্ঞতার কারণে রোগীরা প্রায়ই অবহেলিত হন। এই প্রেক্ষাপটে হাকীম মিজানুর রহমানের চিকিৎসা-অভিযান একটি আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছে, যিনি শত শত রোগীর জীবনে আশার আলো জ্বালিয়েছেন।

শ্বেতী রোগের কারণ

শ্বেতী রোগের মূল কারণ হলো মেলানোসাইট কোষের ধ্বংস, যা ত্বকে রঙ তৈরি করে। এই কোষগুলো নষ্ট হলে ত্বকে সাদা দাগ দেখা দেয়। নিচে সম্ভাব্য কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

- অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া: শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত মেলানোসাইট কোষকে আক্রমণ করে।
- বংশগত প্রভাব: পরিবারে কারও শ্বেতী থাকলে পরবর্তী প্রজন্মে ঝুঁকি বাড়ে।
- হরমোনের পরিবর্তন: থাইরয়েড, ডায়াবেটিস বা অন্যান্য হরমোনজনিত রোগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে।
- মানসিক চাপ: দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ রোগের বিস্তার ঘটাতে পারে।
- পরিবেশগত কারণ: অতিরিক্ত সূর্যালোক, রাসায়নিক দ্রব্য, দূষণ ইত্যাদি ত্বকের কোষে ক্ষতি করে।
- আঘাত বা সংবেদনশীলতা: চশমার ফ্রেম, প্লাস্টিকের ঘড়ি বা টিপ থেকেও শ্বেতী শুরু হতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গ

- ত্বকে সাদা দাগ (Depigmented patches)
- অকালেই চুল, ভ্রু, দাড়ি সাদা হয়ে যাওয়া
- ঠোঁট, চোখের চারপাশে রঙহীনতা
- সূর্যের আলোতে অতিসংবেদনশীলতা
- মুখ, হাত, পা, যৌনাঙ্গ, কনুই, হাঁটুতে বেশি দেখা যায়

চিকিৎসা ও প্রতিকার

৪. খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন
- নিষিদ্ধ খাবার: আঙুর, কমলালেবু, কাঁচা টমেটো, সামুদ্রিক মাছ, কফি, চকলেট
- পুষ্টিকর খাবার: দুধ, ছানা, ফলের রস, ভিটামিনযুক্ত খাবার
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: ত্বক সংরক্ষণে সহায়ক

হাকীম মিজানুর রহমানের অবদান

বাংলাদেশে শ্বেতী রোগের চিকিৎসায় হাকীম মিজানুর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি ইবনে সিনা হেলথ কেয়ারে কর্মরত এবং দীর্ঘদিন ধরে শ্বেতী রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতি আধুনিক ও প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।

চিকিৎসা পদ্ধতি
- Recap মলম: প্রাথমিক অবস্থায় ব্যবহারে সফলতা পাওয়া গেছে
- Vitiligo Natural ও Vitiligo Harbs: মেলানিন উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর
- দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা পরিকল্পনা: রোগীর বয়স, রোগের বিস্তার অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ

সফলতা
- সারাদেশে হাজারের বেশি রোগী তাঁর চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ করেছেন
- রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়
- কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হয়

দৃষ্টিভঙ্গি ও মানবিকতা
হাকীম মিজানুর রহমান শুধু চিকিৎসক নন, তিনি একজন সচেতনতা সৃষ্টিকারী। তিনি শ্বেতী রোগ নিয়ে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূর করতে কাজ করছেন। তাঁর লেখালেখি, বক্তৃতা ও রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ রোগীদের মানসিকভাবে সাহসী করে তোলে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক সচেতনতা

শ্বেতী রোগীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। অনেকেই বিয়ে, চাকরি বা সামাজিক মেলামেশায় বাধার সম্মুখীন হন। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজন:

- মানসিক সহায়তা
- সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
- স্কুল, কলেজ, কর্মস্থলে তথ্যভিত্তিক প্রচার

শ্বেতী রোগ একটি অটোইমিউন ত্বকের সমস্যা হলেও এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই নিরাময়যোগ্য। হাকীম মিজানুর রহমানের চিকিৎসা পদ্ধতি, রোগীসেবা এবং সচেতনতা কার্যক্রম এই রোগের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তাঁর অবদান শুধু চিকিৎসায় নয়, বরং সমাজে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অনন্য।

যোগাযোগ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)

অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা

সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

মোবাইল: 01762240650 (Imo-whatsapp)
whatsapp : 01742-057854

সেবাসমূহ : শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

06/08/2026

Imo whatsapp 01762240650
Whatsapp 01742057854
#শ্বেতী
হাকিম মিজানুর রহমান।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার।
রামপুর বাজার হাজিগঞ্জ চাঁদপুর।

  karon o protiker@ফলোয়ার@সেরা ফ্যান
05/08/2026

karon o protiker

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

Address

সততা প্লাজা, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন, রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
Chandpur
3600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hakim Mizanur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hakim Mizanur Rahman:

Shortcuts

Share

Category