Dr.Fazla Alahi Khan

Dr.Fazla Alahi Khan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Fazla Alahi Khan, Popular Diagnostic Limited, Natun Bus-Stand , Maijdee, Noakhali, Chittagong.
(2)

ডাঃ ফজলে এলাহী খাঁন
🌟চেম্বার-১:পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি:,নোয়াখালী।
প্রতি বৃহস্পতি-শুক্রবার
✆০১৬১৭-০০৩ ০০৩
🌟চেম্বার ২:RegenLab BD Ltd,
Navana Barek Carmela,শহীদ তাজউদ্দিন স্মরনী,বড়মগবাজার,ঢাকা,(রবি-বুধবার,
সন্ধ্যা ৬টা-রাত ৯টা)
✆ 01966989898

01/06/2026

📢 পেশাজীবী অঙ্গনে দলীয় দাসত্ব: একটি আত্মোপলব্ধি ও শৃঙ্খল মুক্তির আহ্বান ✊🔥
প্রিয় দেশবাসী,সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী,
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আজ অত্যন্ত ভারী মন নিয়ে, কিন্তু এক গভীর আত্মোপলব্ধি থেকে কিছু কথা বলতে এসেছি। এই কথাগুলো হয়তো আমাদের সবার ভেতরের সুপ্ত বিবেককে কিছুটা হলেও নাড়া দেবে।
স্বাধীনতার পর থেকে ঠিক কবে থেকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছিল, তা আজ সুনির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। কিন্তু একটি সত্য আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট—আমাদের প্রতিটি পেশাজীবী অঙ্গনে এক ভয়াবহ বিষবৃক্ষ ডালপালা মেলেছে।
🩺 ডাক্তার, 🏗️ ইঞ্জিনিয়ার, 🎓 বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ⚖️ আইনজীবী, 📰 সাংবাদিক, 🌾 কৃষিবিদ, 🦷 ডেন্টিস্ট, 🩺 নার্স, 🔬 মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, 💼 ব্যাংকার কিংবা 🏛️ আমলা—কেউই আজ এর করাল গ্রাস থেকে মুক্ত নন। আর সেই বিষবৃক্ষটির নাম হলো: "পেশাজীবী সংগঠনগুলোতে সরাসরি দলীয় রাজনীতির অনুপ্রবেশ ও নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তি।"
🏛️ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব
আমরা অত্যন্ত ক্ষোভ এবং বেদনার সাথে লক্ষ্য করছি যে, স্ব-স্ব পেশার মানোন্নয়ন ও অধিকার আদায়ের জন্য যে জাতীয় সংগঠনগুলো গড়ে উঠেছিল, সেগুলো আজ দলীয় কার্যালয়ের বর্ধিত অংশে পরিণত হয়েছে:
🩺 বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (BMA):যেখানে চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষ আর চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা, সেখানে আজ প্রাধান্য পায় বদলি, পদায়ন আর দলীয় আধিপত্যের রাজনীতি।

⚖️আইনজীবী সমিতি ও বার কাউন্সিল: আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের যে শেষ আশ্রয়স্থল, সেখানে মেধার চেয়ে বড় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কে কোন প্যানেলের অনুসারী।
🏗️ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (IEB) ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট: দেশের অবকাঠামোগত ও কৃষি বিপ্লবের কারিগরদের এই মেধাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজ দলীয় ঠিকাদারি ও তদবিরের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
📰প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন:
গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় গণমাধ্যমকে। কিন্তু আজ সাংবাদিকদের এই জাতীয় সংগঠনগুলো স্পষ্টত দ্বিধাবিভক্ত, যেখানে সত্য প্রকাশের চেয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নই যেন মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
📌এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পূর্ণভাবে 'দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা' আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এগুলো কোনো দলের অঙ্গসংগঠন নয়, এগুলো পুরো জাতির সম্পদ।>
💨 বিষবাষ্প ও নীরব বিপর্যয়: লেজুড়বৃত্তির নির্মম বাস্তব চিত্র
এই লেজুড়বৃত্তির বিষবাষ্প যখনই কোনো পেশাজীবী সংগঠনে ছড়িয়েছে, তখনই সেখানে শুরু হয়েছে এক নীরব বিপর্যয়। 📉
🔺দৌরাত্ম্য ও আধিপত্য:যখন যে দলের সরকার ক্ষমতায় এসেছে, সেই দলের অনুগত পেশাজীবীদের দৌরাত্ম্য ও আধিপত্য বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে।
🚫পেশাগত নৈতিকতার অবক্ষয়: অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, অনেকেই সেই দলীয় তকমাকে পুঁজি করে নিজেদের মূল দায়িত্ব ও অফিস-কাজকর্ম ঠিকমতো করেননি; বরং পোস্টিং, প্রমোশন, তদবির আর নিয়োগ বাণিজ্যকে পেশার চেয়ে বড় করে দেখেছেন।
💥সেবার মান ধস: এর অবধারিত ফল হিসেবে স্ব-স্ব সেক্টরে সেবার মান আজ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, ব্যাহত হয়েছে চরম পেশাগত মানোন্নয়ন। যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণেরা অবহেলিত হয়েছেন, আর অযোগ্য ব্যক্তিরা দলীয় ছত্রছায়ায় পেয়েছেন অযাচিত সব সুবিধা।
⚔️ সহকর্মী এখন শত্রু: এর চেয়ে বড় সামাজিক বিপর্যয় আর কী হতে পারে যে, আজ এক পেশাজীবী আরেক পেশাজীবীর কাছে পরম শ্রদ্ধেয় সহকর্মী নন, বরং পরিণত হয়েছেন দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী বা পরম শত্রুতে!
👥সাধারণ মানুষের ভোগান্তি: আর এই বিষাক্ত পরিবেশের চূড়ান্ত ভুক্তভোগী হয়েছে সেবাপ্রার্থী সাধারণ মানুষ। দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষকে পদে পদে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে, যার ফলে আমাদের সামগ্রিক পেশাগত মান-সম্মান আজ ধূলিসাৎ।
👤 একটি ব্যক্তিগত স্বীকারোক্তি ও অনুতাপ🙏
আমি কোনো আকাশ থেকে পড়া মানুষ নই। দুর্ভাগ্যবশত, আমিও একসময় চিকিৎসকদের একটি দলীয় সহযোগী সংগঠনের জেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি। কাছ থেকে দেখেছি এই ব্যবস্থার ভেতরের কদর্য রূপ।
আমার বিবেক সাক্ষী, আমি আমার সরকারি দায়িত্ব, শিক্ষকতা বা ব্যক্তিগত চেম্বারে কখনোই কোনো রোগীকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করিনি। কিন্তু আজ পেছনে তাকালে মনে হয়,সেই দলীয় পরিচয়টি কোনো না কোনোভাবে আমার পেশাগত মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছিল।আজ আমি নিজের সেই অতীতের জন্য গভীর অনুতাপ বোধ করি। আর এই অনুতাপ থেকেই আমার আজকের এই উপলব্ধি—আমাদের এই বিষাক্ত বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসতেই হবে। এখনই সময়। ⏳
💔 সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, জাতীয় নির্বাচনের একটু টিকিটের আশায় কিংবা দলীয় শীর্ষ নেতাদের সুনজরে থাকার জন্য, এই পেশাজীবী নেতারা স্বজাতির দাবি ও গোষ্ঠীগত স্বার্থকে অনায়াসে জলাঞ্জলি দেন। দলীয় কর্মসূচিতে এই উচ্চশিক্ষিত মানুষদের যখন সাধারণ লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করা হয়, তখন তা কেবল তাঁদের ব্যক্তিগত পরাজয় নয়,'পুরো জাতির বিবেকের অবমাননা।'
💡 Political Awareness বনাম দলীয় দাসত্ব
🌍 প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা উন্নত বিশ্বের দিকে তাকান—কোথাও পেশাজীবী সংগঠনগুলো এভাবে সরাসরি কোনো political দলের লেজুড়বৃত্তির শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয় না। উন্নত বিশ্বে একে ‘পেশাগত আত্মহত্যা’ ছাড়া আর কিছু ভাবা হয় না।
ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো মানুষ যেকোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করতে পারেন, ভোট দিতে পারেন—সেটি তাঁর নাগরিক অধিকার। কিন্তু 'রাজনৈতিক সচেতনতা আর দলীয় দাসত্ব এক জিনিস নয়।'
🎯 পেশাগত জীবনে প্রবেশ করার পর আমাদের একমাত্র পরিচয় হওয়া উচিত—আমরা জনসেবক, আমরা জাতির মেধাবী সন্তানদের প্রতিনিধি। আমাদের কর্মক্ষেত্র হবে দলমত-নিরপেক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক।
যদি এখনই আমরা এই আত্মঘাতী পথ থেকে ফিরে না আসি, তবে প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে জাতি হিসেবে আমরা ছিটকে পড়ব। আমাদের সন্তানরা এমন এক সমাজ পাবে, যেখানে মেধার কোনো মূল্য থাকবে না, থাকবে শুধু তোষামোদের রাজনীতি।
🙏 শ্রদ্ধাবনত কৃতজ্ঞতা
আমার এই আত্মোপলব্ধির পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, লেখাটি শেষ করার আগে তাঁকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করতে চাই। তিনি নোয়াখালীর বিশিষ্ট সিনিয়র চিকিৎসক ও প্রথিতযশা হার্ট স্পেশালিস্ট ডা. করিমুল হুদা সিরাজী ভাই। 🩺❤️
তাঁর নির্লোভ পেশাদারিত্ব, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মানবসেবার প্রতি অকৃত্রিম নিষ্ঠা এবং আমার সাথে বিভিন্ন আলাপচারিতায় তিনি যে দর্শনের আলো দেখিয়েছেন, সেটাই আমার এই লেখার মূল প্রেরণা।
🔥 আসুন, শপথ নিই
আসুন, আমরা যার যার অবস্থান থেকে পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে দলীয়করণের হাত থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে শামিল হই। পেশায় ফিরিয়ে আনি মর্যাদা, সেবায় ফিরিয়ে আনি মানবিকতা। মেধা আর যোগ্যতার ভিত্তিতে গড়ে তুলি একটি বৈষম্যহীন, আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ। 🇧🇩
✊✊পেশাজীবীদের দলীয় দাসত্ব নিপাত যাক, মেধা ও পেশাদারিত্বের জয় হোক।
✌️✨
বিনীত নিবেদক
ডাঃ ফজলে এলাহী খাঁন
এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এমডি(নেফ্রোলজি)
সহযোগী অধ্যাপক,নেফ্রোলজি।
সংযুক্তঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,মহাখালী,ঢাকা।

💉 ইনসুলিন মানেই কি শুধু “ইনজেকশন”? আর নয় ভয়! ডেলিভারি সিস্টেমে আসছে বড় বৈপ্লবিক পরিবর্তন! 🚀🚨ডায়াবেটিস আজ বিশ্বজুড়ে এক মহ...
30/05/2026

💉 ইনসুলিন মানেই কি শুধু “ইনজেকশন”? আর নয় ভয়! ডেলিভারি সিস্টেমে আসছে বড় বৈপ্লবিক পরিবর্তন! 🚀

🚨ডায়াবেটিস আজ বিশ্বজুড়ে এক মহামারীর নাম। টাইপ–১ ডায়াবেটিসে তো বটেই, টাইপ–২ ডায়াবেটিসের অনেক রোগীরও একটা সময়ে ইনসুলিন প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাস্তব সমস্যা হলো—দিনে ২ থেকে ৪ বার ইনসুলিন ইনজেকশন নেওয়ার নাম শুনলেই অনেকে ভয় পেয়ে যান। সুই ফোটার ব্যথা, সামাজিক অস্বস্তি কিংবা কর্মব্যস্ততায় ডোজ ভুলে যাওয়ার কারণে অনেকেই সঠিক চিকিৎসা মেনে চলতে পারেন না।
কিন্তু ভালো খবর হলো, চিকিৎসাবিজ্ঞান থেমে নেই! এখন ইনসুলিন শুধু সিরিঞ্জেই সীমাবদ্ধ নয়—পেন, পাম্প, প্যাচ, এমনকি ইনহেলারের মাধ্যমেও এটি নেওয়া সম্ভব। ✨
🌐 আধুনিক ইনসুলিন ডেলিভারি সিস্টেম: কী কী উপায় আছে?
১. সিরিঞ্জ (Syringe): এটি ঐতিহ্যবাহী এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। খরচ তুলনামূলক কম হলেও, নিখুঁত ডোজ মাপা এবং বারবার সুই ফোটার ঝামেলা এতে থেকেই যায়। 💉
২. ইনসুলিন পেন (Insulin Pen): ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ ও বহনযোগ্য। নিখুঁত ডোজ সেট করা যায় বলে অনেক রোগীর কাছেই এটি সিরিঞ্জের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। 🖋️
৩. ইনসুলিন পাম্প (Insulin Pump): এটি শরীরে লাগানো একটি ছোট ডিভাইস, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নির্দিষ্ট হারে ইনসুলিন (Basal) সরবরাহ করে। বিশেষ করে টাইপ-১ ডায়াবেটিস, শিশু-কিশোর এবং যাদের রক্তে সুগার খুব বেশি ওঠানামা করে (Glucose variability) তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর।
**ADA Standards of Care অনুযায়ী—বারবার ইনজেকশন নেওয়া এবং ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করা, দুটোই ইনটেনসিভ ইনসুলিন থেরাপির অংশ।

৪. ইনসুলিন প্যাচ (Patch Delivery System): এটি ত্বকে লেগে থাকা ছোট একটি পরিধানযোগ্য ডিভাইস। যেমন **CeQur Simplicity—এটি একটি FDA অনুমোদিত ৪ দিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য মিলটাইম প্যাচ (৩ থেকে ৪ দিন ব্যবহারের ক্লিয়ারেন্স রয়েছে)। এটি প্রতিবেলার খাবারের ইনজেকশনের ঝামেলা অনেক কমিয়ে দেয়। তবে মনে রাখতে হবে, এটি শুধু খাবারের সময়ের (Bolus) ইনসুলিনের জন্য, সব ধরনের দীর্ঘমেয়াদী ইনসুলিনের বিকল্প নয়। 🩹
৫. ইনহেলড ইনসুলিন (Inhaled Insulin):ইনহেলারের মাধ্যমে শ্বাস নিয়ে এই ইনসুলিন নেওয়া যায়। যেমন **Afrezza—যা একটি রেপিড-অ্যাক্টিং ইনসুলিন। অতি সম্প্রতি FDA একে ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য খাবারের সময়ের ইনসুলিন হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।
⚠️ সতর্কতা: এটি দীর্ঘমেয়াদী ইনসুলিনের বিকল্প নয় এবং অ্যাজমা, সিওপিডি (COPD) বা ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে তীব্র শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। 🫁
৬. মুখে খাওয়ার ইনসুলিন (Oral Insulin):এটি নিয়ে অনেক বছর ধরে গবেষণা চললেও সাধারণ চিকিৎসায় এখনও ইনসুলিন ট্যাবলেট প্রচলিত নয়। কারণ ইনসুলিন একটি প্রোটিন হরমোন, যা পেটে গেলে হজম হয়ে কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। একে নিরাপদ ও কার্যকর ট্যাবলেট আকারে তৈরি করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এখনও এক বড় চ্যালেঞ্জ। 💊

📊 ইনসুলিনের প্রকারভেদ (CDC নির্দেশিকা অনুযায়ী)
ইনসুলিন কত দ্রুত কাজ শুরু করে (*Onset), কখন সর্বোচ্চ কাজ করে (*Peak) এবং কতক্ষণ শরীরে কার্যকর থাকে (*Duration)—তার ওপর ভিত্তি করে একে প্রধানত ভাগ করা হয়:
⚡Rapid-acting: খাবারের ঠিক আগে বা সময়ে দেওয়া হয়, যা খাওয়ার পর সুগার নিয়ন্ত্রণ করে (যেমন: Lispro, Aspart, Glulisine)।
⏱️Short-acting বা Regular:খাবারের কিছু সময় আগে দিতে হয়, একটু দেরিতে কাজ শুরু করে।
⏳Intermediate-acting: এটি তুলনামূলক দীর্ঘ সময় কাজ করে এবং ব্যাকগ্রাউন্ড বা বেসাল ইনসুলিন হিসেবে ব্যবহৃত হয় (যেমন: NPH)।
📅 Long & Ultra-long acting: এগুলো প্রায় ২৪ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ধরে শরীরে স্থিতিশীলভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড ইনসুলিনের কাজ করে (যেমন: Glargine, Detemir, Degludec)।
🔄 Premixed insulin: দ্রুত ও মাঝারি মেয়াদী ইনসুলিনের মিশ্রণ। যারা দিনে কমবার ইনজেকশন নিতে চান, তাদের জন্য এটি সুবিধাজনক।
🤔 তাহলে আপনার জন্য কোনটি সবচেয়ে ভালো?
সবার জন্য এক পদ্ধতি বা এক ইনসুলিন সেরা নয়। কারও জন্য পেন যথেষ্ট, কারও জন্য পাম্প ভালো, আবার কারও ক্ষেত্রে প্যাচ বা ইনহেলার সুবিধাজনক হতে পারে। রোগীর বয়স, ডায়াবেটিসের ধরন, খাবারের অভ্যাস, রক্তে সুগারের ওঠানামা, খরচ এবং সহজলভ্যতার ওপর ভিত্তি করে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই সঠিক পদ্ধতিটি বেছে দেবেন।
⚠️ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
ইনসুলিন নিজে নিজে শুরু করা, বন্ধ করা কিংবা ডোজ পরিবর্তন করা অত্যন্ত বিপজ্জনক! ভুল ডোজে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ কমে গিয়ে *হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia) হতে পারে, যার ফলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, সিজার (খিঁচুনি) বা এমনকি জীবনঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই যেকোনো পরিবর্তনের আগে অবশ্যই আপনার ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🎯 শেষ কথা:
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জ্ঞানই সবচেয়ে বড় শক্তি। সঠিক ইনসুলিন, সঠিক ডিভাইস এবং নিয়মিত গ্লুকোজ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়েও একটি সম্পূর্ণ সুস্থ, সক্রিয় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। 👍
#ডায়াবেটিস #ইনসুলিন

ত্যাগ, ভালোবাসা আর মানবতার মহিমায় ভরে উঠুক আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবন। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক শ...
27/05/2026

ত্যাগ, ভালোবাসা আর মানবতার মহিমায় ভরে উঠুক আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবন। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক! 🌙✨

​সবাই সুস্থ থাকুন, আনন্দে কাটুক আপনাদের ঈদের দিনগুলো। 🕌❤️

​ #ঈদমোবারক

🌙 পবিত্র ঈদুল আযহা মোবারক! 🩺✨কোরবানির মহান ত্যাগ, ভালোবাসা আর মানবতার মহিমায় ভরে উঠুক আপনার ও আপনার পরিবারের প্রতিটি মুহ...
27/05/2026

🌙 পবিত্র ঈদুল আযহা মোবারক! 🩺✨

কোরবানির মহান ত্যাগ, ভালোবাসা আর মানবতার মহিমায় ভরে উঠুক আপনার ও আপনার পরিবারের প্রতিটি মুহূর্ত। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক! 🕋❤️

ঈদের এই আনন্দঘন ও উৎসবের দিনগুলোতে আমরা অনেকেই খাবারের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে ফেলি। তবে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস এবং মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের একটু সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে যারা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগে (CKD) ভুগছেন, ঈদের খুশির আমেজেও তাদের স্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। সুস্থ ও নিরাপদ ঈদ কাটাতে পরিমিত আহার করুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য কামনায় আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে। সবাই সুস্থ থাকুন, সুন্দর ও নিরাপদভাবে ঈদ উদযাপন করুন।

👨‍⚕️ ডা. ফজলে এলাহী খাঁন

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)

এফসিপিএস (মেডিসিন-শেষপর্ব), এমডি (নেফ্রোলজি)

সহযোগী অধ্যাপক, কিডনি বিভাগ সংযুক্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা

EidMubarak #ঈদুল_আযহা োবারক #কিডনি_সুরক্ষা #সুস্থ_জীবন

21/05/2026

মানবিকতার এক নীরব গল্প ❤️

জনাব আলী ইমরান সাহেবের একটি হৃদয়স্পর্শী লেখা পড়ে মনটা ভরে গেল। লেখাটি এত মানবিক ও গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে যে, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভাবনাগুলো একটু সংক্ষিপ্ত ও গুছিয়ে শেয়ার করতে ইচ্ছা হলো।

রাতের বেলা পিজি হাসপাতালের ক্যান্সার ভবনের সামনের গলিতে এক ছোট্ট দোকানদারের গল্প। দোকান বন্ধ করার সময় হয়ে গেছে, তবু এক অসহায় মায়ের মনখারাপ দেখে তিনি থেমে গেলেন। মা তাঁর অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন—ডাক্তাররা খুব বেশি আশা দেখাননি, কিন্তু মায়ের বিশ্বাস, তাঁর সন্তান সুস্থ হবেই।

দোকানদার মায়ের কথা শুনলেন, সান্ত্বনা দিলেন। কারণ তাঁর কাছে হাসপাতালে আসা মানুষগুলো শুধু রোগী নন—তাঁরা যেন মেহমান। কেউ আসে এক সপ্তাহের জন্য, কেউ পনের দিন, কেউ বা মাসের পর মাস। দূর-দূরান্ত থেকে আসা এসব মানুষের পাশে পরিচিত কেউ থাকে না; তাই তিনি তাদের গল্প শোনেন, পথ দেখান, সাহস দেন।

তাঁর দোকান খুব সাধারণ—রুটি, কলা, চা, বিস্কুট, মশার কয়েল। তবু সামর্থ্য অনুযায়ী তিনি কারো হাতে কিছু ফ্রি তুলে দেন, কারো থাকার ভাড়া কমানোর চেষ্টা করেন, কারো হাসপাতালের ভবন চিনিয়ে দেন।

একবার শেরপুর থেকে আসা এক অসহায় পরিবারকে তিনি রান্নার স্টোভ কিনে দিয়েছিলেন। মশার কয়েল, সকালের নাস্তা—সব দিয়েছেন। টাকা নেওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু তাদের কষ্ট দেখে আর নেননি। সেই পরিবার আজও তাঁকে আপনজনের মতো খোঁজ নেয়, দাওয়াত করে, ভালোবাসে।

দোকানদারের কথাটা মন ছুঁয়ে যায়—
“ব্যবসার একটু ক্ষতি হলেও, মানুষের কষ্ট যদি একটু কমে—সেটাই আমার শান্তি।”

আসলেই, মানুষকে সাহায্য করতে সবসময় টাকা লাগে না। লাগে একটু সময়, একটু মনোযোগ, একটু মমতা।

🌿 কারো দুঃখের কথা মন দিয়ে শোনা—উপকার।
🌿 বিপদে কাউকে সাহস দেওয়া—উপকার।
🌿 পথ চিনিয়ে দেওয়া—উপকার।
🌿 বাসে সিট ছেড়ে দেওয়া—উপকার।
🌿 ক্লান্ত মানুষকে বসতে দেওয়া—উপকার।
🌿 কারো মুখে সামান্য প্রশংসায় হাসি ফোটানোও উপকার।

আমরা বড় কিছু করতে না পারলেও, ছোট ছোট মানবিকতায় কারো বুকের ভার হালকা করতে পারি। আর সেই শান্তিটা শেষ পর্যন্ত নিজের মনেই ফিরে আসে।

জনাব আলী ইমরান সাহেবকে আন্তরিক ধন্যবাদ—এমন সুন্দর একটি মানবিক গল্প আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। তাঁর লেখাটি মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবী এখনো ভালো মানুষের দরদে টিকে আছে।

আসুন, যতদিন বেঁচে আছি—
মানুষের পাশে দাঁড়াই, দরদ বিলাই, মমতা ছড়াই। 🤍

মানুষের প্রতি মমতাই মানুষের সবচেয়ে সুন্দর পরিচয়।

🚨🚨শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ঘটনা: এটা শুধু একজন ডাক্তারের ওপর হামলা নয়, পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর হামলা!শরীয়তপুর সদর হাস...
16/05/2026

🚨🚨শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ঘটনা: এটা শুধু একজন ডাক্তারের ওপর হামলা নয়, পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর হামলা!

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসির-এর ওপর যে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে—তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ডিউটি ডাক্তারকে রুম থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করা হচ্ছে, হাসপাতালের ভেতরে পেটানো হচ্ছে, বাইরে পেটানো হচ্ছে, ইমার্জেন্সি গেটের সামনে পেটানো হচ্ছে। জীবনরক্ষাকারী সেবা দেওয়ার জায়গাটাকেই একদল মানুষ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে।

আরও বেদনাদায়ক বিষয় হলো—ডা. নাসির বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আমরা তাঁর আশু রোগমুক্তি কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাঁকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন, তাঁর পরিবারকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দিন এবং চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা সফল করুন। আমিন।

🩺 একজন রোগী মারা গেলে পরিবারের কষ্ট আমরা বুঝি।
প্রিয়জন হারানোর বেদনা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বেদনার একটি। কিন্তু সেই কষ্টের প্রতিশোধ কি একজন কর্তব্যরত ডাক্তারকে পিটিয়ে নিতে হবে? রোগীকে বাঁচাতে না পারলেই কি ডাক্তার অপরাধী হয়ে যান?

বর্ণনা অনুযায়ী, রোগী ছিলেন MI বা হার্ট অ্যাটাকজনিত জটিল অবস্থায়। ব্লাড প্রেসার ছিল ৬০/৪০, রোগী কার্ডিওজেনিক শকে ছিলেন, এবং বুকে ব্যথা ছিল কয়েকদিনের পুরোনো। এমন অবস্থায় মৃত্যুঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। চিকিৎসক সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পরও সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না—এটাই চিকিৎসাবিজ্ঞানের কঠিন বাস্তবতা।

কিন্তু কেউ যদি মনে করেন চিকিৎসায় অবহেলা হয়েছে, তাহলে তার জন্য আইন আছে, তদন্ত আছে, অভিযোগ করার পথ আছে।ডাক্তার পেটানো কোনো বিচার নয়; এটা সরাসরি সন্ত্রাস।

🏥 আমাদের প্রশ্নগুলো সিস্টেমের দিকে হওয়া উচিত—শুধু একজন ডাক্তারের দিকে নয়।

🔹 কেন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ধারণক্ষমতার ৩/৪ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে?
🔹 কেন জেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত ICU, CCU, cardiac support, cath lab নেই?
🔹 কেন ইমার্জেন্সি বিভাগে একজন ডাক্তারকে শত শত উত্তেজিত মানুষের সামনে অরক্ষিত অবস্থায় থাকতে হয়?
🔹 কেন হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এত দুর্বল?
🔹 কেন রোগী মারা গেলে দ্রুত ও নিরপেক্ষ অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেই?
🔹 কেন চিকিৎসক, নার্স, আনসার, হাসপাতালকর্মী—কেউই কর্মস্থলে নিরাপদ নন?

সমস্যাটা শুধু ডাক্তার বনাম রোগীর স্বজন নয়। সমস্যাটা হলো—আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো নিরাপদ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক কাঠামোতে দাঁড়াতে পারেনি।

⚖️ বছরের পর বছর “স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন” নিয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি।

আগের সরকারগুলো চিকিৎসক ও রোগী সুরক্ষার একটি গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়নে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছে। এখন এই সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা—তারা কি সত্যিকার অর্থে স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারবে?

শুধু বক্তব্য, আশ্বাস বা কমিটি দিয়ে হবে না।এই ধরনের বর্বরতা বন্ধ করতে হলে কার্যকর আইন, দ্রুত বিচার এবং মাঠপর্যায়ে বাস্তব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

📌 আমরা শুধু চিকিৎসকের সুরক্ষা চাই না; আমরা রোগী ও চিকিৎসক—দুই পক্ষের সুরক্ষা চাই।

একটি সভ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থায়—
✅ রোগীর অধিকার থাকবে
✅ চিকিৎসকের নিরাপত্তা থাকবে
✅ চিকিৎসায় অবহেলা হলে তদন্ত হবে
✅ অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে
✅ হাসপাতাল ভাঙচুর ও চিকিৎসক
-স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলার কঠোর শাস্তি হবে
✅ জরুরি চিকিৎসা সেবা বাধাগ্রস্ত করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে

কারণ রোগী নিরাপদ না হলে চিকিৎসার মানবিকতা থাকে না। আর চিকিৎসক নিরাপদ না হলে চিকিৎসাসেবা টিকে থাকে না।

🚔 শুধু আনসার নিয়োগ করে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

হাসপাতাল সাধারণ কোনো অফিস নয়। এখানে মৃত্যু, কান্না, উত্তেজনা, ভিড়, জরুরি সিদ্ধান্ত—সব একসাথে থাকে। তাই হাসপাতালের নিরাপত্তাও হতে হবে বিশেষায়িত।
আমাদের প্রয়োজন—
🔸 স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন
🔸 হাসপাতালভিত্তিক বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট
🔸 প্রয়োজনে “স্বাস্থ্য পুলিশ” বা প্রশিক্ষিত মেডিকেল সিকিউরিটি ফোর্স
🔸 ইমার্জেন্সি বিভাগে controlled entry system
🔸 CCTV ও panic button
🔸 visitor limit
🔸 দ্রুত পুলিশি সহায়তার ব্যবস্থা
🔸 রোগী মারা গেলে death counselling team
🔸 অভিযোগের জন্য grievance desk
🔸 চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে নিরপেক্ষ medical board review

শুধু হামলার পর গ্রেপ্তার করলেই হবে না; এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

👨‍⚕️ চিকিৎসকদের প্রতিও কিছু দায়িত্ব আছে।
চিকিৎসক সমাজকেও রোগীর অবস্থা, ঝুঁকি, চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা, রেফারেল প্রয়োজনীয়তা এবং সম্ভাব্য পরিণতি রোগীর পরিবারকে আরও পরিষ্কারভাবে বোঝাতে হবে। ভালো documentation, counselling এবং communication অনেক ভুল বোঝাবুঝি কমাতে পারে।

কিন্তু কোনো ঘাটতি থাকলেও তার বিচার আদালতে হবে, তদন্তে হবে—গণপিটুনিতে নয়।

📢 শরীয়তপুরের ঘটনায় আমাদের স্পষ্ট দাবি:
🔴 ডা. নাসিরের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
🔴 জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
🔴 ডা. নাসিরের সর্বোচ্চ চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
🔴 আহত আনসার সদস্য ও হাসপাতালকর্মীদের যথাযথ চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।
🔴 হাসপাতাল ভাঙচুর ও চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলাকে বিশেষ অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
🔴 বর্তমান সরকারকে দ্রুত কার্যকর স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
🔴 জেলা হাসপাতালগুলোতে জরুরি নিরাপত্তা প্রটোকল চালু করতে হবে।
🔴 রোগী ও চিকিৎসক—দুই পক্ষের অধিকার রক্ষায় স্বচ্ছ অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

আজ ডা. নাসির মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। কাল আরেকজন চিকিৎসক আক্রান্ত হতে পারেন। পরশু হয়তো কোনো নার্স, ইন্টার্ন, টেকনোলজিস্ট বা আনসার সদস্য আক্রান্ত হবেন।

আর একদিন দেখা যাবে—জটিল রোগী এলে কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
কারণ চিকিৎসা করতে গিয়ে যদি মার খেতে হয়, তাহলে নিরাপদ সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে যাবে।

এই বাস্তবতা শুধু ডাক্তারদের জন্য ভয়ংকর নয়; এটা রোগীদের জন্যও ভয়ংকর।

💔 হাসপাতাল যদি নিরাপদ না হয়, চিকিৎসা থেমে যাবে।
💔 চিকিৎসক যদি নিরাপদ না থাকেন, রোগীও নিরাপদ থাকবেন না।
💔 আইন যদি দুর্বল হয়, সন্ত্রাসীরা সাহস পাবে।
তাই সময় এসেছে আবেগ দিয়ে নয়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

🙋‍♂️ডা. নাসিরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। তাঁর আশু রোগমুক্তি কামনা করছি। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
🙋‍♀️রোগী ও চিকিৎসক—দুই পক্ষের সুরক্ষা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন চাই।
🙋‍♀️হাসপাতালে নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই।
🙋‍♀️স্বাস্থ্য পুলিশ বা বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট চাই।

চিকিৎসককে পিটিয়ে রোগী ফিরে আসে না। বরং চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি আস্থা, নিরাপত্তা ও মানবিকতা—সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়।

🏥 হাসপাতাল চিকিৎসার জায়গা, প্রতিশোধের জায়গা নয়।
⚖️ বিচার আদালতে হবে, ইমার্জেন্সি রুমে নয়।
🤲 মহান আল্লাহ ডা. নাসিরকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন। আমিন।

জীবনের সার্থকতা অন্যের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার মাঝে। আসুন, আমরা এমন কিছু কাজ করে যাই যেন মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাক...
16/05/2026

জীবনের সার্থকতা অন্যের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার মাঝে। আসুন, আমরা এমন কিছু কাজ করে যাই যেন মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারি।

​সবাইকে অনেক শুভকামনা।

15/05/2026

সফল ডাক্তার হতে হলে শুধু ডিগ্রি, পরীক্ষা বা যোগ্যতা থাকলেই যথেষ্ট নয়।
এর সাথে দরকার সঠিক মানসিকতা, পরিষ্কার পরিকল্পনা এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। 🌿

অস্ট্রেলিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ শর্মিলা জয়াসিংহ খুব সুন্দরভাবে বলেছেন—
একজন সফল ডাক্তার হওয়ার যাত্রা কোনো শর্টকাটের বিষয় নয়; এটি একটি পরিকল্পিত, সচেতন এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফল।

একজন ডাক্তার হিসেবে সফল হতে হলে প্রয়োজন—

✅ সঠিক উদ্দেশ্য
আপনার লক্ষ্য যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে সেই উদ্দেশ্যই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

✅ সঠিক রোডম্যাপ
কোথা থেকে শুরু করবেন, কীভাবে এগোবেন, কোন ধাপে কী করতে হবে—এই পরিষ্কার ধারণা না থাকলে অনেকেই মাঝপথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

✅ সঠিক কৌশল
শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না; সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য দরকার কার্যকর স্ট্র্যাটেজি ও নিয়মিত কাজ।

⚠️ আমরা অনেক সময় দ্রুত সাফল্যের পথ খুঁজি—
শর্টকাট, ম্যাজিক ফর্মুলা বা সহজ সমাধান।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
একটি সফল ক্যারিয়ার এবং পরিপূর্ণ জীবন একদিনে তৈরি হয় না।

✨ এটা তৈরি করতে হয়।
✨ এটা সচেতনভাবে গড়ে তুলতে হয়।
✨ এটা এক ধরনের শিল্প—যেখানে পরিশ্রম, ধৈর্য, পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য একসাথে কাজ করে।

এই কথাগুলো শুধু অস্ট্রেলিয়ায় আসা ডাক্তারদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের যেকোনো দেশের যেকোনো পেশার মানুষের জন্যই প্রযোজ্য।

জীবনে বড় কিছু অর্জন করতে হলে আগে নিজের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করতে হবে, তারপর সঠিক পথ বেছে নিতে হবে, এবং সেই পথে নিয়মিতভাবে এগিয়ে যেতে হবে। 🌏💙

সফলতা কখনোই কাকতালীয় নয়—
সফলতা হলো সঠিক চিন্তা, সঠিক পরিকল্পনা এবং সঠিক কাজের সুন্দর সমন্বয়। ✨

সাফল্য মানেই হার না মানার গল্প।"​মানুষের সেবা আর নিজের লক্ষ্যের প্রতি অবিচল আস্থাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি। আপনার ...
14/05/2026

সাফল্য মানেই হার না মানার গল্প।"

​মানুষের সেবা আর নিজের লক্ষ্যের প্রতি অবিচল আস্থাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি। আপনার সুস্থতাই আমাদের সার্থকতা। ❤️

14/05/2026

⚠️ বাইরের রুটি, বিস্কুট, কেক—কতটা নিরাপদ?

আমরা প্রতিদিন অনেকেই পাউরুটি, কেক, বিস্কুট, বার্গার বান, পিজ্জা, নানসহ নানা বেকারি খাবার খাই। কিন্তু এসব খাবার তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় পটাসিয়াম ব্রোমেট (Potassium Bromate)—একটি কৃত্রিম ফুড অ্যাডিটিভ, যা ডো বা ময়দার টেক্সচার, ভলিউম ও স্পঞ্জিনেস বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

🚨 কেন এটি উদ্বেগের?

🔸 গবেষণায় দেখা গেছে, পটাসিয়াম ব্রোমেট প্রাণীর দেহে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
🔸 IARC এটিকে “Possibly carcinogenic to humans” হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
🔸 নিয়মিত গ্রহণ করলে কিডনি, থাইরয়েড ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে।
🔸 দীর্ঘমেয়াদে কিডনির ক্ষতি ও ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

🌍 বিশ্বের অনেক দেশে নিষিদ্ধ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, ভারতসহ অনেক দেশে পটাসিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভারতেও ২০১৬ সালে খাদ্যে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

🇧🇩 বাংলাদেশে পরিস্থিতি কী?

বাংলাদেশে অনুমোদিত ফুড অ্যাডিটিভসের তালিকায় পটাসিয়াম ব্রোমেট নেই—অর্থাৎ এটি অনুমোদিত নয়। কিন্তু বাস্তবে ছোট-বড় বেকারি, কারখানা ও দোকানে এটি ব্যবহার হচ্ছে কি না—তা নিয়মিত মনিটরিং হচ্ছে কি?

✅ নিজে সচেতন হোন, পরিবারকে নিরাপদ রাখুন

🍞 বাইরের বেকারি খাবার কম খান
🏠 সম্ভব হলে ঘরে তৈরি খাবার খান
👨‍👩‍👧‍👦 শিশু ও পরিবারের খাদ্যাভ্যাসে আরও সতর্ক হোন
🛒 শুধু ব্র্যান্ড দেখে নিরাপদ ভেবে নেওয়া ঠিক নয়

স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই খাবার নির্বাচনে সচেতনতা জরুরি।
নিজে জানুন, অন্যকেও জানান। 🌱
কৃতজ্ঞতাঃ Captain Green

Address

Popular Diagnostic Limited, Natun Bus-Stand , Maijdee, Noakhali
Chittagong
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Fazla Alahi Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Fazla Alahi Khan:

Shortcuts

Share