Dr. Md. Abu Naser

Website

Dr. Md. Abu Naser ডাঃ মোঃ আবু নাছের
চট্টগ্রাম-৮ ( বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, বায়েজিদ ও পাঁচলাইশ আংশিক )আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দনচট্টগ্রামের মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় প্রতিষ্ঠ...
17/08/2026

মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন

চট্টগ্রামের মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মুসলিম সমাজে শিক্ষা বিস্তার, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে এ সোসাইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার প্রসার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির অবদান চট্টগ্রামের শিক্ষা ও সামাজিক ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

শিক্ষার মাধ্যমে একটি আলোকিত, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের যে লক্ষ্য নিয়ে সোসাইটির পথচলা, তা সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার ঐতিহ্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছে। মুসলিম সমাজের শিক্ষা জাগরণে সোসাইটির এই ঐতিহাসিক ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি, চট্টগ্রামের ২০২৬–২০২৯ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সম্মানিত সদস্যকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশেষ করে সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক কাজী শাহাদাৎ হোসাইন ও নাজমুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ উল আলম চৌধুরী (রাসেল), সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সৈয়দ নেছার উদ্দিন (বুলু), সাংস্কৃতিক ও প্রচার সম্পাদক অধ্যক্ষ (অব.) শরীফ এম. মহিসউদ্দৌলা, কোষাধ্যক্ষ জিয়া উদ্দীন খালেদ চৌধুরী এবং নবনির্বাচিত ১৮ জন নির্বাহী সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

আমি নিজেও নবনির্বাচিত নির্বাহী সদস্য হিসেবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য হতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত। এই দায়িত্বকে আমি সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় আমানত হিসেবে বিবেচনা করি।

আমি বিশ্বাস করি, নবনির্বাচিত পরিষদের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ হবে। শিক্ষা বিস্তার, শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সোসাইটি আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এটাই প্রত্যাশা।

নবনির্বাচিত কমিটির সকলের সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করছি। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সোসাইটির ঐতিহ্য ও আদর্শ সমুন্নত রেখে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের তৌফিক দান করুন।

ডা. মো. আবু নাছের
নবনির্বাচিত নির্বাহী সদস্য
মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি, চট্টগ্রাম
(২০২৬–২০২৯)

শোক সংবাদসীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে এলএনজি জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গভী...
14/08/2026

শোক সংবাদ

সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে এলএনজি জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ন্যাশনাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন মতিউর রহমান (১৭) মারা যান।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ডা. মো. আবু নাছের নিহত মতিউর রহমানসহ এ ঘটনায় নিহত সব শ্রমিকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ডা. মো. আবু নাছের বলেন, ‘এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এতগুলো প্রাণহানি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, ন্যাশনাল হসপিটালে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর আহত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সানি জলদাস, পলাশ জলদাস, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ মনসুর, নাসির উদ্দিন, আবদুল আলীম, রানা মিয়া, খোকন মিয়া ও মতিউর রহমান রয়েছেন।

ডা. মো. আবু নাছের নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

14/08/2026

আজ বিশ্বনন্দিত মুফাস্সির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁর তাফসির, বক্তব্য ও দ্বীনি অবদান আজও অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে বাজে।

মানুষ চলে যায়, কিন্তু কিছু কণ্ঠ ও কিছু স্মৃতি মানুষের হৃদয়ে থেকে যায় আজীবন।

আল্লাহ তাঁর জীবনের সব নেক আমল কবুল করুন, ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

11/08/2026
বোয়ালখালীতে সেলিনা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় ডা. নাছেরের শোক, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও বিচার দাবিচট্...
11/08/2026

বোয়ালখালীতে সেলিনা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় ডা. নাছেরের শোক, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও বিচার দাবি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সেলিনা আক্তারের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের।

শোকবার্তায় ডা. আবু নাছের বলেন, একজন নিরীহ নারীকে এভাবে প্রাণ হারাতে হওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও নিন্দনীয়। বিশেষ করে এ ঘটনায় বোয়ালখালী পৌরসভা যুবদলের সদস্যসচিব ইব্রাহিম চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে সেলিনা আক্তারকে মারধর করে পুকুরে ফেলে হত্যার যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, তা কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় কাউকে অপরাধের দায় থেকে রেহাই দেওয়ার ঢাল হতে পারে না। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে ইব্রাহিম চৌধুরী মানিকসহ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব, দলীয় পরিচয় কিংবা কোনো ধরনের চাপের কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন যেন নতিস্বীকার না করে, সে বিষয়েও তিনি জোর দাবি জানান।

ডা. আবু নাছের নিহত সেলিনা আক্তারের জানাজায় উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এসময় তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার দোয়া করেন এবং পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি কামনা করেন।

তিনি বলেন, একজন মায়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার নিরপেক্ষ, দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধী যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

09/08/2026

কালুরঘাট সেতু নির্মাণে আর আশ্বাস নয়, দ্রুত কাজ শুরুর দাবি ডা. মো. আবু নাছেরের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে চট্টগ্রাম-৮ আসনের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন-বঞ্চনা ও জনদুর্ভোগ নিরসনে সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছেন অত্র আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের।

তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর সফরকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। চট্টগ্রাম-৮ আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও বঞ্চনার বিষয়গুলো সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণ এখন প্রতিশ্রুতি নয়, উন্নয়নের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

ডা. আবু নাছের বলেন, 'কালুরঘাট সেতু নিয়ে বছরের পর বছর মানুষ আশ্বাস শুনেছে। এবার আর আশ্বাস নয়, দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেতুর কাজ কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে এর সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনাও জনগণের সামনে দিতে হবে।'

তিনি বলেন, 'কালুরঘাট সেতু শুধু বোয়ালখালীর যোগাযোগের বিষয় নয়, এটি পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই সেতুটিকে জাতীয় ও আঞ্চলিক উন্নয়নের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

একই সঙ্গে বোয়ালখালী-চট্টগ্রাম নগর রুটে সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পৌরসভার বাইরে পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার দাবিও জানান তিনি। তার মতে, পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বোয়ালখালীর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব।
এ ছাড়া আসনের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে দুটি আধুনিক যাত্রী কমপ্লেক্স নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ডা. আবু নাছের।

তিনি বলেন, 'এই আসনে বিরোধী দলের একজন সাবেক প্রার্থী হিসেবে জনগণের পক্ষে সরকারের কাছে দাবি জানানো আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব। সরকার জনগণের ভোট ও সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে, তাই জনগণের যৌক্তিক দাবির প্রতিও সরকারের জবাবদিহি থাকতে হবে।'

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম-৮ আসনের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে সফরকালে অথবা সফর-পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী শক্তিতে রুখে দিতে গিয়ে জীবন উৎসর্গকারী বোয়ালখালীর গর্বিত সন্তান শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের অসা...
05/08/2026

জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী শক্তিতে রুখে দিতে গিয়ে জীবন উৎসর্গকারী বোয়ালখালীর গর্বিত সন্তান শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের অসামান্য অবদান, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। মেধাবী এই তরুণের আত্মত্যাগ কেবল একটি পরিবারের কিংবা একটি অঞ্চলের নয় বরং ন্যায়, গণতন্ত্র, অধিকার ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তা এক অনন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

এক বার্তায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের বলেন, 'শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের স্মৃতিকে যথাযথ মর্যাদায় সংরক্ষণ করা এবং তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগকে শুধু স্মরণে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁদের আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।'

তিনি বলেন, 'ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর নাম শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের নামে নামকরণের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবি। পাশাপাশি মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে 'শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছার মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশন’ গঠন এবং তাঁর আদর্শ, স্মৃতি ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে একটি স্থায়ী ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।'

ডা. মো. আবু নাছের আরও বলেন, 'শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণ জাতির নৈতিক দায়। বোয়ালখালীবাসীর দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের নামে গৃহীত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে তা একদিকে তাঁর আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সম্মান প্রদর্শন করবে, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণে উদ্বুদ্ধ করবে।'

- এডমিন

৫ আগস্টের চেতনায় ফ্যাসিবাদমুক্ত, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডা. মো. আবু নাছেরেরঐতিহাসিক ৫ আগস্টকে বাংলাদেশের রাজন...
05/08/2026

৫ আগস্টের চেতনায় ফ্যাসিবাদমুক্ত, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডা. মো. আবু নাছেরের

ঐতিহাসিক ৫ আগস্টকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণমানুষের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক স্মরণীয় দিন হিসেবে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ডা. মো. আবু নাছের বলেছেন, 'জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় বরং ছাত্র-জনতা, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, পেশাজীবী, প্রবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ত্যাগ ও সংগ্রামের ফসল।'

ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, '৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই দিন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।'

তিনি বলেন, 'আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি ফ্যাসিবাদ নামক এক ভয়াবহ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিল, যা মেটাস্ট্যাসিস হয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং যার রিকভারির আর কোনো সুযোগ ছিল না। ফ্যাসিবাদি শক্তি জলাতঙ্ক অর্থাৎ রেবিস আক্রান্ত পাগলা কুকুরের রুপ ধারণ করেছিলো। আর ৫ই আগস্ট ফ্যাসিবাদ নামক এই জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত কুকুরকে নিশ্চিহ্ন করেছিলো। তবে এই রোগ থেকে জাতি আপাতত মুক্ত হলেও পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী মুক্তির জন্য আমাদের এখনো অনেক কঠিন ও কণ্টকাকীর্ণ পথ পার হতে হবে।'

তিনি আরো বলেন, এই জলাতঙ্ক আক্রান্ত ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের কারণেই দেশের অর্থনীতি ও সমাজে চরম অবক্ষয় নেমে এসেছে। এই হিংস্র শাসনব্যবস্থার ফলেই গুম, খুন এবং আয়নাঘর এর মতো নির্মম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে।'

'স্বাধীনতা ও অধিকার অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক বেশি কঠিন' এর মর্মার্থ ধারণ করে জাতিকে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে জনগণের অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সতর্ক ভূমিকা পালন করতে হবে।'

ডা. আবু নাছের বলেন, 'এই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে শুধু রাজপথে থাকা মানুষই নয়, বরং নীরবে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগানো মা-বাবা, ভাই-বোন এবং পরিবারের সদস্যদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবী, শিক্ষার্থী, প্রবাসী এবং দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা সকল স্বার্থকে পেছনে ফেলে এই আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন তাঁদের অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে যুগযুগ ধরে স্মরণ করবে।'

জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, 'শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে সব ধরনের বিভাজন ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। বিভ্রান্তি, অপপ্রচার কিংবা জনগণের অর্জনকে ব্যর্থ করে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকতে হবে।'

তিনি বলেন, 'দেশ পুনর্গঠনের এই সময়ে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন, বেকারত্ব নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মানবিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন, জবাবদিহি, সুশাসন ও জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী, সার্বভৌম ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে আগামী দিনের প্রধান অঙ্গীকার।'

ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট উপলক্ষে দেশবাসী এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখি। শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।'

ডা. মো. আবু নাছের
পরিচালক, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতাল
সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (চট্টগ্রাম-৮), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

বাঁশখালীতে ন্যাশনাল হসপিটালের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণচট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক লিমিটেড...
02/08/2026

বাঁশখালীতে ন্যাশনাল হসপিটালের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ

চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক লিমিটেডের সৌজন্যে এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ৭নং সরল ইউনিয়ন শাখা'র ব্যবস্থাপনায় বাঁশখালীতে দিনব্যাপী 'বিনামূল্যে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি' সম্পন্ন হয়েছে।

গত ​৩১ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বাঁশখালীর বৈলছড়ি পয়শামিয়া আদর্শ নূরানী মাদ্রাসা ও হেফজখানা প্রাঙ্গণে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

​উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে নেতৃত্বে ছিলেন চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের। ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল টিম দিনব্যাপী এলাকার প্রায় ৮ শতাধিক সাধারণ ও দুস্থ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ওষুধ প্রদান করেন।

​কর্মসূচি চলাকালে স্থানীয় একটি মসজিদে জুমার খুতবা প্রদান করেন ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের। ​ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের তাঁর বক্তব্যে বলেন, 'মানবসেবাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। বাঁশখালীর পাশাপাশি বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, বায়েজিদ এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে আমাদের এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।'

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে- ডা. মো. আবু নাছেরচক্ষু চিকিৎসা খাতের প্রবাদপ্রতিম...
01/08/2026

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে- ডা. মো. আবু নাছের

চক্ষু চিকিৎসা খাতের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, সমাজসেবক ও দূরদর্শী স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোক্তা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের স্মরণে চট্টগ্রামে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিশিষ্ট সার্জন ও চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আবু নাছের।

শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেল ৩টায় নগরীর টাইগারপাসস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি এবং চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এ নাগরিক শোকসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও প্রয়াত অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

শোকসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. মো. আবু নাছের বলেন, 'অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন কেবল একজন প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা আন্তর্জাতিক মানের সার্জন ছিলেন না, তিনি ছিলেন দেশের চিকিৎসক সমাজের একজন অভিভাবক, অসংখ্য চিকিৎসকের পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এবং চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের অন্যতম পথপ্রদর্শক। তাঁর কর্ম, চিন্তা ও নেতৃত্ব চট্টগ্রামের চিকিৎসা অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছে।'

তিনি বলেন, 'চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের কাছে তিনি ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাঁর হাত ধরেই এ অঞ্চলে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ব্যাপক প্রসার ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়। রোগীর প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, চিকিৎসা পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।'

ডা. আবু নাছের আরও বলেন, 'অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন নিজেকে শুধু রোগী দেখার প্রচলিত দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী উদ্যোক্তা, দক্ষ সংগঠক এবং স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়নের অন্যতম অগ্রদূত। তাঁর উদ্যোগ ও নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিএনএসবি আই হাসপাতাল এবং আন্তর্জাতিক মানের ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।'

তিনি বলেন, 'নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন অসংখ্য মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষকে উন্নত চিকিৎসাসেবার আওতায় এনেছেন। একই সঙ্গে দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে তিনি যে ভূমিকা রেখেছেন, তা দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর হাতে গড়ে ওঠা অসংখ্য চিকিৎসক আজ দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।'

প্রয়াত এই বরেণ্য চিকিৎসকের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি তুলে ধরে ডা. মো. আবু নাছের বলেন, 'যে মানুষটি সারাজীবন দেশের মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন, তাঁর মতো একজন মহান চিকিৎসক জীবদ্দশায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা না পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অসামান্য অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।'

Address

14/15, Dampara Lane, Mehedibag
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Abu Naser posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category