ডা. সৌমেন চক্রবর্তী

Website

ডা. সৌমেন চক্রবর্তী MBBS (CMC)
FCPS (Gastro-enterology)- Final Part
FCPS (Medicine)- Final part
MRCP (UK) - part-II
PGT (Medicine)
Chittagong Medical College & Hospital

18/09/2026

লিভার সুরক্ষায় সচেতন হোন।

ডা. সৌমেন চক্রবর্তী

14/09/2026

দীর্ঘদিন ধরে বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর বা গিলতে সমস্যা হলে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

জীবনযাপনের ছোট ছোট পরিবর্তনই হতে পারে এসিডিটির সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

#অ্যাসিডিটি #গ্যাস্ট্রিক #হজমস্বাস্থ্য #গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি #স্বাস্থ্যসচেতনতা

★ জ্বর হয়েছে, কিন্তু NS1/ICT নেগেটিভ — তাহলে কি ডেঙ্গু না?★গত কয়েক সপ্তাহে বেশ কিছু রোগী এসেছেন এই কথা নিয়ে  — "টেস্ট...
10/09/2026

★ জ্বর হয়েছে, কিন্তু NS1/ICT নেগেটিভ — তাহলে কি ডেঙ্গু না?★

গত কয়েক সপ্তাহে বেশ কিছু রোগী এসেছেন এই কথা নিয়ে — "টেস্ট তো নেগেটিভ, তাহলে জ্বরটা কীসের?"

ব্যপারটা হলো, NS1 টেস্ট সবসময় নির্ভুল না। জ্বরের একদম শুরুর দিন বা দুই দিনে (রক্তে ভাইরাসের এন্টিজেন তখনো যথেষ্ট বাড়েনি বলে), অথবা জ্বর শুরুর ৫-৬ দিন পর (এন্টিজেন ততদিনে কমে যায়) — এই দুই সময়ে টেস্ট করালে নেগেটিভ আসার সম্ভাবনা বেশ বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, জ্বরের ৫ম দিনে NS1 পজিটিভ পাওয়ার হার প্রায় অর্ধেকে নেমে আসতে পারে।

তাই একবার নেগেটিভ মানেই ডেঙ্গু বাদ — এই ভাবনাটা বিপজ্জনক হতে পারে। উপসর্গ (জ্বর, গা-হাত-পা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরে র‍্যাশ) মিলে গেলে চিকিৎসক প্রয়োজনে IgM/IgG এন্টিবডি টেস্ট বা পুনরায় NS1 টেস্ট দিতে পারেন, কিংবা ক্লিনিক্যাল বিচারেই চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।

তাই জ্বর হলে টেস্ট রিপোর্টের চেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শকেই বেশি গুরুত্ব দিন।

#ডেঙ্গু #স্বাস্থ্যসচেতনতা

★ এন্ডোস্কপি - পেটের ভেতরের রোগ নির্ণয়ের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য উপায় ★অনেক সময় বুকে জ্বালা পোড়া, পেটে ব্যথা, অস্বস্তি, গ্যাস...
09/09/2026

★ এন্ডোস্কপি - পেটের ভেতরের রোগ নির্ণয়ের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য উপায় ★

অনেক সময় বুকে জ্বালা পোড়া, পেটে ব্যথা, অস্বস্তি, গ্যাস, হজমের সমস্যা তে আমরা ভুগি, কিন্তু বাইরের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আসল কারণ ধরা পড়ে না। এমন পরিস্থিতিতে এন্ডোস্কপি (Endoscopy) একটি অত্যন্ত জরুরি ও জীবন রক্ষাকারী পরীক্ষা হতে পারে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকস্থলী ও অন্ত্রের ভেতরের অবস্থা সরাসরি পর্দায় দেখা যায়, যার ফলে আলসার, ক্যান্সার বা অন্য কোনো জটিল রোগ খুব দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ডায়াগনোসিস করা সম্ভব হয়।

অনেকের মনেই এন্ডোস্কপি নিয়ে অযথা ভয় কাজ করে। তবে মনে রাখবেন, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত হাতে গ্যাস্ট্রো-এন্টেরোলজিস্ট দ্বারা এই পরীক্ষাটি করানো হলে তেমন কোনো ব্যথা বা কষ্ট হয় না। আজকের আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে এটি একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ প্রক্রিয়া।

তাই, আপনার বা আপনার প্রিয়জনের দীর্ঘমেয়াদী পেটের সমস্যা থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনে নির্ভয়ে এন্ডোস্কপি করান।

সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয়ই সুস্থতার প্রথম ধাপ।

#এন্ডোস্কপি #স্বাস্থ্যসেবা

**বাচ্চাকে নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ানো কেন জরুরী?**একটা ঘটনা বলি।কিছুদিন আগে এক বাবা এসেছিলেন তার ৮ বছরের মেয়েকে নিয়ে। ...
17/08/2026

**বাচ্চাকে নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ানো কেন জরুরী?**

একটা ঘটনা বলি।

কিছুদিন আগে এক বাবা এসেছিলেন তার ৮ বছরের মেয়েকে নিয়ে।
মেয়েটার পেটে হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়েছে, সাথে বমি। প্রথমে ভেবেছিলেন গ্যাসের সমস্যা, কিন্তু ব্যথা কমছিল না।

Deworming এর বিষয়ে জানতে চাইলে বাবা বললেন, "নিয়মিত ওষুধ খাওয়ানো হতো না, মনে থাকত না।"

পরীক্ষা করে দেখা গেল, অন্ত্রের ভেতর অসংখ্য কৃমি একসাথে জট পাকিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।

এই ঘটনাটা খুবই কমন আমাদের চারপাশে। কৃমির ওষুধ নিয়মিত না খাওয়ালে সমস্যা শুধু পেট ব্যথায় সীমাবদ্ধ থাকে না, অনেক দূর গড়াতে পারে।

★ কি কি জটিলতা হতে পারে?

- অন্ত্রে অনেক কৃমি জমে গেলে জট পাকিয়ে পুরো নালী বন্ধ করে দিতে পারে, যেমনটা হয়েছিল এই মেয়েটার।
- কখনো কখনো কৃমি পিত্তনালীতে ঢুকে জন্ডিস বা পিত্তনালীর প্রদাহ ঘটায়।
- অগ্ন্যাশয়ে ঢুকলে হয় প্যানক্রিয়াটাইটিস।
- অ্যাপেন্ডিক্সে ঢুকে অ্যাপেন্ডিসাইটিসও তৈরি করতে পারে।
- আর বিরল হলেও, অন্ত্রের দেয়াল ফুটো হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও দেখা গেছে।

এসবের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লাগে জরুরি অপারেশন।

আর এসব তো তাৎক্ষণিক বিপদ।
- দীর্ঘদিন কৃমি শরীরে থেকে গেলে খাবারের পুষ্টি ঠিকমতো শোষিত হয় না। ফলে বাচ্চা রোগা হতে থাকে
- রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
- এমনকি শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি পর্যন্ত থমকে যেতে পারে।

★ এই বিপদ আসার আগে শরীর কিন্তু সংকেত দেয়।
- নাভির চারপাশে ব্যথা
- পেট ফাঁপা
- খেতে অনীহা
- বমি বমি ভাব
- অনিয়মিত বা পাতলা পায়খানা
- কখনো পায়খানার সাথে আস্ত কৃমি বের হয়ে আসা।
- কখনো কখনো শুকনো কাশি বা হালকা শ্বাসকষ্টও দেখা যায়, যেটাকে সবাই সাধারণ ঠান্ডা ভেবে এড়িয়ে যান, অথচ এটা কৃমির লার্ভা ফুসফুসে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

তাই "মনে থাকল না" বলে এড়িয়ে যাবেন না। নিয়মিত সময়ে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো, শুধু বাচ্চা না, পরিবারের সবাইকে একসাথে খাওয়ানো, এই সাধারণ অভ্যাসটাই বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে।

✍️ ডা. সৌমেন চক্রবর্তী

#কৃমি #পেটেরসমস্যা #শিশুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যসচেতনতা #গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি

"ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং" বুঝে/ না বুঝে অনেকেই করে থাকেন ওজন কমানোর জন্য, কিন্তু কাঙ্খিত ফলাফল পান না। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্ট...
15/08/2026

"ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং" বুঝে/ না বুঝে অনেকেই করে থাকেন ওজন কমানোর জন্য, কিন্তু কাঙ্খিত ফলাফল পান না।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কিভাবে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে সেটাই আজকের আলোচ্য বিষয় >

প্রথম কাজ হলো—আপনার জন্য কোন সময়টা ফাস্টিং আর কোন সময়টা ইটিং উইন্ডো হবে, সেটা খুঁজে বের করা।

ধরুন, আপনি আজ থেকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করলেন। কিন্তু পরদিন অফিসে/কাজে গিয়ে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন।

এটা কি হতে পারে?
অবশ্যই পারে।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করলে আপনার fasting window এবং eating window আপনাকেই ঠিক করতে হবে। অন্য কেউ আপনার হয়ে এই সময়সূচি ঠিক করে দিতে পারবে না। কারণ আপনার জীবনযাপন, কাজের সময়, ঘুম এবং খাবারের অভ্যাস অন্য কারও মতো নয়।

প্রথমে একটা বিষয় জানা দরকার—ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের একাধিক পদ্ধতি আছে:

14:10 → ১৪ ঘণ্টা fasting + ১০ ঘণ্টা eating
15:9 → ১৫ ঘণ্টা fasting + ৯ ঘণ্টা eating
16:8 → ১৬ ঘণ্টা fasting + ৮ ঘণ্টা eating
18:6 → ১৮ ঘণ্টা fasting + ৬ ঘণ্টা eating

এখন আসি, কীভাবে শুরু করবেন।

♦ Hydration — পানিশূন্য হওয়া যাবে না। ফাস্টিং মানেই পানি বন্ধ করে দেওয়া নয়।

Fasting period-সহ পুরো দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। বিশেষ করে গরম আবহাওয়া, বেশি ঘাম, শারীরিক পরিশ্রম বা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে hydration-এর দিকে বেশি নজর দিতে হবে।

♦ Electrolyte balance
সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামসহ শরীরের electrolyte balance গুরুত্বপূর্ণ।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার—সবার ক্ষেত্রে fasting-এর সময় আলাদা করে বেশি electrolyte বা mineral supplement নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

অতিরিক্ত sodium বা potassium নিজের ইচ্ছায় নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে কিডনি, হার্ট বা রক্তচাপের সমস্যা থাকলে।

তাই প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করবেন।

♦ Macronutrients ও মোট ক্যালরি -
আপনার লক্ষ্য যদি weight loss হয়, তাহলে মোট calorie intake গুরুত্বপূর্ণ। আবার অনেকের ক্ষেত্রে calorie deficit না করেও নির্দিষ্ট eating pattern অনুসরণ করার অন্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

তাই আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী calorie ও protein requirement ঠিক করা উচিত।

♦ Meal distribution
শুধু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেই intermittent fasting সফল হবে না।

Eating window-এর মধ্যে খাবারগুলো এমনভাবে ভাগ করতে হবে, যাতে আপনার দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় energy ও protein পাওয়া যায়।

একসাথে এত বেশি খাবেন না যে fasting ভাঙার পরই পেট ভার, অস্বস্তি বা ঘুমঘুম ভাব শুরু হয়ে যায়।

♦ Fat-এর quality
আপনি কী ধরনের fat খাচ্ছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু fasting করলেই খাবারের quality অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় না। Saturated fat কমিয়ে unsaturated fat—বিশেষ করে mono- ও polyunsaturated fat—এর ভালো উৎস বেছে নেওয়াই সাধারণভাবে বেশি স্বাস্থ্যকর।

যেমন—মাছ, বাদাম, বীজ এবং উদ্ভিজ্জ তেলের পরিমিত ব্যবহার।

তাই শুধু “কত ঘণ্টা না খেয়ে থাকছি” সেটা নয়—“eating window-তে কী খাচ্ছি” সেটাও equally important।

সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা—

Intermittent fasting সবার জন্য এক নিয়মে কাজ করে না।

যাদের insulin বা অন্য glucose-lowering medication লাগে, গর্ভবতী/স্তন্যদানকারী নারী, কিডনি বা হার্টের সমস্যা আছে, eating disorder-এর ইতিহাস আছে, অথবা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন—তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া intermittent fasting শুরু করবেন না।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আপনার জন্য উপকারী হতে পারে—যদি সেটা আপনার জীবনযাপন, পুষ্টির চাহিদা এবং স্বাস্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়।

তাই অন্যের 16:8 দেখে নিজের জন্যও 16:8 শুরু করার আগে একটা প্রশ্ন করুন—

“এই fasting schedule কি সত্যিই আমার জীবনযাপনের সঙ্গে মানানসই হবে?”

সঠিক উত্তরটা সেখান থেকেই শুরু।

✍️ ডা. সৌমেন চক্রবর্তী

#ওজনকমানো #ইন্টারমিটেন্টফাস্টিং

10/08/2026

আইবিএস (IBS বা Irritable Bowel Syndrome) আক্রান্ত রোগীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—কোন খাবারগুলো খেলে পেটে গ্যাস, বদহজম বা পাতলা পায়খানা শুরু হয় তা চিহ্নিত করা। চিকিৎসাবিজ্ঞানে Monash University-এর **Low-FODMAP Diet** হলো আইবিএসের লক্ষণ কমানোর বিশ্বস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক উপায়।

তবে সবচেয়ে বড় কথা—FODMAP কিন্তু চিরদিনের জন্য কোনো খাবার বন্ধের তালিকা নয়! অনেক খাবার অল্প পরিমাণে খেলে সমস্যা হয় না, কিন্তু বেশি পরিমাণে খেলে লক্ষণ দেখা দেয়। তাই এটি ব্যবহার করে আপনার সংবেদনশীল খাবারগুলোকে চিনে নেওয়াটাই মূল উদ্দেশ্য।

খাবারের তালিকা কিছুদিন মেনে চলে নিজের জন্য উপযোগী খাবারগুলো চিহ্নিত করুন এবং লক্ষণ জটিল হলে পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞের (Gastroenterologist) পরামর্শ নিন।

08/08/2026
08/08/2026

রক্ত পরীক্ষায় 'HBsAg Positive' বা হেপাটাইটিস বি পজিটিভ আসা মানেই জীবন শেষ—এমন ধারণা একদম ভুল!
এটি একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ।
শুরুতেই প্যানিক বা আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে আপনি সারাজীবন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।

**লিভার নিজেই নিজেকে আক্রমণ করছে — এটা কীভাবে সম্ভব?**আমাদের শরীরে একটা সুরক্ষা ব্যবস্থা আছে — Immune System। এটা বাইরের...
07/08/2026

**লিভার নিজেই নিজেকে আক্রমণ করছে — এটা কীভাবে সম্ভব?**

আমাদের শরীরে একটা সুরক্ষা ব্যবস্থা আছে — Immune System। এটা বাইরের শত্রু যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস — এগুলোকে ধ্বংস করে। কিন্তু কিছু মানুষের শরীরে এই সুরক্ষা ব্যবস্থা হঠাৎ বিভ্রান্ত হয়ে যায়। শত্রু না চিনে নিজের লিভারের কোষগুলোকেই আক্রমণ শুরু করে।

এই রোগের নাম **Autoimmune Hepatitis — AIH।**

★ভেতরে আসলে কী হচ্ছে?★

- আমাদের লিভারে A20 নামের একটি প্রোটিন আছে। এটা অনেকটা লিভারের "রক্ষক" এর মতো কাজ করে — প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে, লিভারের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

Journal of Gastroenterology and Hepatology-তে প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে — Autoimmune Hepatitis-এর রোগীদের লিভারে এই A20 প্রোটিনের পরিমাণ অনেক কমে যায়।

আর A20 কমে গেলে কী হয়?

লিভারের কোষগুলো একটি বিশেষ ধরনের মৃত্যুর শিকার হয় — যাকে বলে **Ferroptosis।** এটা সাধারণ কোষমৃত্যু না। এখানে কোষের ভেতরে আয়রন জমে, অক্সিডেটিভ ক্ষতি হয়, আর কোষ ধীরে ধীরে ভেতর থেকে নষ্ট হয়ে যায়। একটার পর একটা লিভার কোষ এভাবে মরতে থাকলে লিভারে প্রদাহ বাড়ে, fibrosis শুরু হয় — আর দেরিতে ধরা পড়লে সেটা Cirrhosis পর্যন্ত যেতে পারে।

---

★ নতুন গবেষণার তথ্য ★

বিজ্ঞানীরা দেখেছেন A20 আসলে একটি বিশেষ পথে কাজ করে —

" A20 যত বেশি সক্রিয়, লিভার তত বেশি সুরক্ষিত"

আর সবচেয়ে আশার কথা হলো — **AdipoRon** নামের একটি ওষুধ দিয়ে A20-কে কৃত্রিমভাবে বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। এবং সেটা AIH-এর ক্ষতি অনেকটা কমিয়েছে।

---

★ এটা আমাদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? ★

Autoimmune Hepatitis একটি জটিল রোগ। এখন পর্যন্ত চিকিৎসায় মূলত Steroid এবং Immunosuppressant ব্যবহার হয় — যার দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক।

এই গবেষণা একটি সম্পূর্ণ নতুন পথ দেখাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে নতুন ওষুধ তৈরি হতে পারে যেটা লিভারকে ভেতর থেকে রক্ষা করবে, Steroid-এর উপর নির্ভরতা কমাবে।

---

★ কিছু লক্ষণ জেনে রাখুন ★

Autoimmune Hepatitis-এ সাধারণত যা দেখা যায় —

- অকারণে ক্লান্তি লাগা।
- পেটের উপরের ডান দিকে অস্বস্তি।
- জন্ডিস।
- গিঁটে ব্যথা।
- মেয়েদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা যায়।

এই লক্ষণগুলো দেখলে অবহেলা করবেন না। LFT আর ANA test করিয়ে একজন Gastro enterologist বা Hepatologist-এর সাথে কথা বলুন।

---

বিজ্ঞান প্রতিদিন এগিয়ে যাচ্ছে।

যে রোগগুলো একসময় অনিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে হত — সেগুলোরও সমাধান আসছে। একটু সচেতন থাকলে, সঠিক সময়ে ধরা পড়লে — লিভার ভালো রাখা সম্ভব।

✍️ ডা. সৌমেন চক্রবর্তী

*Ref: Journal of Gastroenterology and Hepatology. doi: 10.1111/jgh.70409*



` ` ` #লিভার` ` ` ` ` ` #সচেতনতা`

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. সৌমেন চক্রবর্তী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category