Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

Muaz Mama’s Diaries-Asma popy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muaz Mama’s Diaries-Asma popy, Health & Wellness Website, Halishahr BDR Mat, Chittagong.

One Step Better Every Day
একজন মা যত বেশি শিখবেন, তিনি তত ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, তত সুন্দরভাবে সংসার ম্যানেজ করতে পারবেন,সন্তানকে গাইড করতে পারবেন,নিজের স্বপ্ন গুলো নিয়ে ধাপে ধাপেএগিয়ে যাবেন।

11/07/2026

লাইফে নিজেকে কেমন দেখতে চান?

৯০% '  মা ' নিজের জীবন কে ১টি  ভুলে শেষ করে দেই। যার কারণে সে আর সামনে এগোতে পারে না। আমি অনেক মোটিভেশন  video দেখতাম, স...
10/07/2026

৯০% ' মা ' নিজের জীবন কে ১টি ভুলে শেষ করে দেই। যার কারণে সে আর সামনে এগোতে পারে না।

আমি অনেক মোটিভেশন video দেখতাম, সেভ করে রাখতাম।

মনে হতো এটা তো আমার জন্য, কিছুদিন সে মোটিভেশন অনুযায়ী ১০০% ব্যাটারি চার্জ দিয়ে নামতাম, ১ সপ্তাহ ও এটা মানতে পারতাম না।

সে ঘর গোছানো থেকে- ক্যারিয়ার সব কিছু। আমার কাছে মোটিভেশন ভালো লাগে শুনতে,দেখতে, কিন্তু আমি মানতে পারি না কখনো।

আমি আমার জন্য সহজ, সরল রোডম্যপ বানিয়ে নিই, সেটা দিয়ে ছোট ছোট করে ডিসিপ্লিন ভাবে এগোয়।

এটা তে মানসিক ভাবে শান্তি আসে। আত্নবিশ্বাস বাড়ে। নিজের সাধ্যের বাইরে আর কিছু ছাপিয়ে দিই না।

বিয়ের আগে নিজের অনেক যত্ন নিতাম, কি জামা পরবো, কি ভাবে হেয়ার স্টাইল করবো, কি হিজাব পরবো, কি বোরকা পরবো, স্কিন টা গ্লো আছে কিনা, কি ফেসপ্যাক দিবো, সব কিছু। বাচ্চা হওয়ার আগ পর্যন্ত সব যদিও চলে, এর পরে আমরা বাঙালী মেয়েরা বাচ্চাদের উপর ব্লেইম দিয়ে, নিজের ছোট্ট যে জীবন টা আছে, বয়সের আগে সব শেষ করে দিই। এটাতে বয়সের তুলনায় দ্বিগুণ বয়সী লাগে। কিন্তু এটা আমি মানতে রাজি না, বাচ্চা আমাদের অস্থিত্ব, ওকে নিয়ে সুন্দর করে বাঁচবো, মিনিংফুল করে বাঁচবো, নিজের বাজেটের মধ্য কিছু স্কিন কেয়ার, কিছু ড্রেস, কিছু এক্সেসারিজ রাখি। বাসায় কাজ করলে ও নিজেকে একটা সময় ১০ মিনিট হলে ও নিজের কেয়ার করি।

ভাই আপনি যখন সোন্দর্য, সততা, ব্যাস্ততা, আমলে, আত্নবিশ্বাস হয়ে বেঁচে থাকবেন, তখন পরিবার, সমাজ সবাই মূল্যদিবে।

আপনি আপনাকে ভালোবাসলে, সবাই আপনাকে ভালোবাসবে।

তাই মোটিভেশন নিলেও ডিসিপ্লিন ভাবে ছোট ছোট করে নিজের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন কাজ করেন। নিজেকে ভালোবাসেন, নিজের যত্ন নিন, নিজের আমল ঠিক করুন।

দেখবেন নিজের, পরিবার, সন্তান, সবাইকে পজিটিভ ভাবে আপনি চেন্জ করছেন

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

ঘুম ভাঙার পর  নিজেকে নিয়ে আফসোস করার চেয়ে, সারাদিন পরিশ্রম করে,নিজের ১% ও উন্নতি করে,  ক্লান্ত শরীরে রাতে শান্তিতে ঘুমা...
10/07/2026

ঘুম ভাঙার পর নিজেকে নিয়ে আফসোস করার চেয়ে, সারাদিন পরিশ্রম করে,নিজের ১% ও উন্নতি করে, ক্লান্ত শরীরে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে যাওয়া অনেক উত্তম।কারণ পরিশ্রমের ক্লান্তি সাময়িক, এটা কেটে যায়।কিন্তু আফসোসের ভার অনেক দীর্ঘস্থায়ী এবং এটা সারাজীবন দীর্ঘ শ্বাসের ও কারণ হয়ে যেতে পারে।

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

মা হিসাবে সবচেয়ে কষ্টের মহুর্ত আর এই মহুর্ত টা  তখন আপরাধবোধে ভুগায়।মুয়াজ কে নিয়ে সারাদিন আমি শান্ত থাকি,কিন্তু সে যখন প...
09/07/2026

মা হিসাবে সবচেয়ে কষ্টের মহুর্ত আর এই মহুর্ত টা তখন আপরাধবোধে ভুগায়।

মুয়াজ কে নিয়ে সারাদিন আমি শান্ত থাকি,কিন্তু সে যখন প্রচুর কান্না করে, কিছু নিষেধ করলে, ঐ জিনিসের প্রতি আগ্রহ দেখাতে থাকে, কিছু ফেলে দেয়, তখন নিজে কে কন্টোল করা কঠিন হয়ে যায়। তখন চিল্লায় উঠি, বা ধমক দিয়ে উঠি। যদি ও এটা খুব কম হয়। তারপর ও মাঝে মাঝে হয়ে যায়। তখন খুব কষ্ট হয়,মায়া লাগে, অপরাধবোধ, অসহায়ত্ব, হতাশা লাগে। আসলে এটা স্বাভাবিক, ঐ সময় আমরা মায়েরা Automatic প্রতিক্রিয়ায় চলে যায়। তখন সারাদিনের শিখা সব জ্ঞান, সব তথ্য যেন জানালা দিয়ে বাইরে চলে যায়।
মজার ব্যাপার কি জানেন, চাইলে এটা কে আমরা পরিবর্তন করতে পারি,একটু সচেতন ভাবে এবং সহজে।
চলুন দেখি আমরা ঐসময় কিভাবে সচেতন ভাবে, আমাদের সন্তানদের গাইড করবো-
Parenting Mode ৪ প্রকার
১)Strict Modeআপনি যখন মনে করবেন, আমি কঠোর না হলে আমার বাচ্চা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।এতে আপনার বাচ্চার ভয়, মিথ্যা বলা ও লুকিয়ে চলার অভ্যাস তৈরি হবে।
২)Guilty Parent Mode আপনি যখন আপনার বাচ্চার কান্না বা কষ্ট সহ্য করতে পারেন না, তার সকল আবদার পূরণ করেন।এতে Boundary শেখায় না এবং সন্তানকে অতিরিক্ত আদুরে ও দাবিদার করে তোলে।
৩)Overprotective Parent Mode আপনি যখন মনে করবেন, আমার বাচ্চাকে কোনো কষ্ট দেওয়া যাবে না।এটাতে বাচ্চাকে আত্মবিশ্বাস ও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতাকরেন গড়ে উঠতে দেয় না।
৪)Absent Parent Mode আপনি যখন বাচ্চার সাথে শরীরে থাকবেন,কিন্তু মানসিকভাবে থাকবেন না।এতে বাচ্চার মধ্যে Attention-Seeking আচরণ ও সংযোগের অভাব তৈরি করে।

তো মুয়াজ যখন কান্নাকাটি করে,কোনো আচরণ আমার পছন্দ না হলে, তখন ভাবি, আমি prarenting কোন mode এ আছি।

আমি কখনো Perfect মা হতে চায় না,সচেতন মা হতে চায়।

তাই আমি Balanced Parent Mode এ থাকার চেষ্টা করি।আমি ওকে বুঝায় আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার কাজকে না। আমি তোমার পাশে আছি, কিন্তু তোমাকে নিয়ম ও মানতে হবে। ওর ইমোশন বুঝি,তার কথা শুনি,শুধু তার দাবি মেনে নিয় না।

বাচ্চাকে স্বাধীনতা দিবেন, সাথে দিকনির্দেশনাও থাকবে; কিছু বিষয়ে Boundary ও রাখবেন।কখনো মুয়াজের সান্ত্বনা দরকার হয়,কখনো স্পষ্ট নির্দেশনা,কখনো দৃঢ় হতে হয়,কখনো নমনীয় হতে হয়,কখনো কিছুটা সময় দিতে হয়।এটাই Positive Parenting।

বাচ্চা যখন কথা শুনে না, তখন আপনি কি করেন?

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

ঘরে বসে কিভাবে ইনকাম  শুরু করবো? আমি তো বুঝি না।আগে আমি এমন ছিলাম,অনেক কোর্স করেছি,  অনেক বই পরেছি, ভিডিও ব্লক দেখেছি,আম...
08/07/2026

ঘরে বসে কিভাবে ইনকাম শুরু করবো? আমি তো বুঝি না।

আগে আমি এমন ছিলাম,

অনেক কোর্স করেছি, অনেক বই পরেছি, ভিডিও ব্লক দেখেছি,

আমার কাছে মনে হতো, আমি কিছু একটা করতে হবে, তবে পারফেক্ট ভাবে করবো। এজন্য কত যে নোট নিয়েছি, বলার বাইরে।কিছু একটা করার জন্য ছটপট করতাম। কারণ আমি বাবা, মার বড় মেয়ে - আমার কাছে মনে হতো, আমাকে কিছু করতে হবে,বাবা কে হেল্প করতে হবে।আমরা যারা মিডেল ক্লাস ফ্যামিলি তে বড় হয়,তারা জানি আমাদের বাবারা কত কষ্ট করে- পরিবার, পড়ালেখা, আমাদের শখের জিনিস গুলো চোখের সামনে এনে দিতে, কত সেক্রিফাইজ করে। মায়েরা নিজেদের শখ, আহ্লাদ গুলো বাদ দিয়ে- আমাদের কে পরিপাটি রাখে। এগুলো দেখার পর; আরো খুব ইচ্ছা হতো, আম্মুকে শখের জিনিস গুলো কিনে দিবো। ভাই - বোন কে ছোট ছোট গিপ্ট দিবো। সে থেকে টিউশন করা শুরু।

কিন্তু আমি চাইতাম এমন কিছু করি, যা আমাকে আপডেট করবে, বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হেল্প করবে।

তাই কম্পিউটার, বিভিন্ন softskill, hardskill গুলো শিখি।

কিন্তু আমি দেখেছি- আমি শুধু শিখে যাচ্ছি - action তেমন নিতে পারছি না। এটা নিয়ে খুব হতাশ থাকতাম। এতটা আমার খারাপ অবস্থা হয় - আমার মাইগ্রেন, মাথাব্যথা, বমি, কান্না সব শুরু হয়।

ঐ যে নিজের ভিতর মনে হতো আমি এমন কিছু করবো যা পারফেক্ট হবে, যা করবো ভালো হতে হবে। সবথেকে বড় কথা আমাকে financial indifendent হতে হবে, নিজের লাইফে নিজে হিরো হতে হবে, তার পাশাপাশি বাঙালি সমাজের আন্টিদের খুছিয়ে কথা বলা বন্ধ করতে হবে।এগুলোর কারণে এত বেশি স্ট্রেসে থাকতাম। আমি কান্না করি, আর আল্লাহ কে বলতাম আল্লাহ সহজ করে দেন, যা কিছু আমার জন্য ভালো তা দেখিয়ে দেন।

এরপর আমি ঠিক করলাম - আমি যা পারি তা দিয়ে শুরু করি, আমি youtube খুলি - সেখানে ১৫০০ সাবস্কাইব হওয়ার পর, পরীক্ষা আসে। পরে বন্ধ করে দিই। আমার কোলে আসে আমার ছোট্ট মুয়াজ, আলহামদুলিল্লাহ তাকে কোলে নিয়ে, আমার social media manager দিয়ে,যাএা শুরু হয়, পরিচিত কিছু মানুষের কাজ করে দিই, আলহামদুলিল্লাহ ফিডব্যাক ভালো দেই। এরপর ফাইবার যায় - ঐ জায়গায় অনেকদিন ব্যাটে বলে মিলছিলো না, পরে ছোট ছোট কাজ করি, upwork এ কাজ নিই কিন্তু বেবি কে আমার অনেক সময় যেহেতু দিতে হবে, তাই লোকালে কাজ বেশি নিই। এরপর তার পাশাপাশি কনটেন্ট রাইটিং শুরু করি।সেটাতেও অনেক বেশি practice- করেছি। অনেক ভুল হয়েছে, হচ্ছে,শিখছি।তারপর ও ক্লায়েন্ট এর পেজ,চ্যানেলের কাজ করছি। আলহামদুলিল্লাহ আর আমার পেজ তো আছে।

এই জার্নিতে আমি কতগুলো মাইন্ডসেট করেছি-

১) পারফেক্ট হওয়ার চেষ্টা বাদ দিয়ে, কাজ শুরু করে,নিজেকে প্রতিদিন ১% করে উন্নতি করছি।

২) যে কাজ বা মানুষ আমার স্ট্রেস বাড়ায়, সেগুলো কে মাইন্ড থেকে সরিয়ে দিয়েছি।

৩)ফলাফল আল্লাহ দিবেন, চেষ্টা পুরোটা করবো। আল্লাহ বলেছেন চেষ্টা করতে, ফলাফল আমার জন্য যা কল্যাণ কর তা আল্লাহ দিবেন ইনশাআল্লাহ।

৪)প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলতাম - বলি আমি আজকে নিজের সর্বোচ্চ টা দিবো, যাতে আমি নিজের কাছে, নিজেকে বলতে পারি, আমি চেষ্টা করেছি। কারণ নিজের কাছে নিজে সৎ হলে, বাকি কিছু লাগে না।

আগে -জীবন নিয়ে, অনেক হতাশা, কান্না, বিরক্ত, কিছু না পারার আপসোস এখন আর হয় না। আলহামদুলিল্লাহ কারণ আমি নিজের সাথে নিজের চ্যালেঞ্জ নিয়েছি।আমার মাদারহুড কে আমি enjoy করবো, নিজেকে গ্রো করবো, সন্তান কে সচেতন ভাবে গাইড করবো, সংসার কে সুন্দর করে গুছাবো,আর নিজের ছোট্ট ক্যারিয়ার গড়বো ইনশাআল্লাহ।

তাই আপনি ও পারফেক্ট ভাবে করবেন, ভালো রেজাল্ট এর জন্য অপেক্ষা করবেন, অন্যকে খুশি করার জন্য নিজের লাইফে ভিক্টিম হয়ে বসে থাকবেন না। যা জানেন সেটা দিয়ে নিজের লাইফ কে এই অল্প সময়ের দুনিয়ায় আল্লাহ যা নেয়ামত দিয়েছেন। তা দিয়ে নিজের রাজ্য নিজে পরী হয়ে যান।সন্তান কে বুকে জড়িয়ে, উড়তে থাকেন পজিটিভ ভাবে।

আপনি কেন শুরু করতে পারছেন না? কমেন্টে জানতে পারেন।

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

আপনি সারাদিন ঘরের কাজ করলে, নিজের জন্য সময় পাবেন কিভাবে?আমাদের মায়েদের একটা কমন সমস্যা, আমরা  সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেক...
07/07/2026

আপনি সারাদিন ঘরের কাজ করলে, নিজের জন্য সময় পাবেন কিভাবে?

আমাদের মায়েদের একটা কমন সমস্যা, আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে,ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ঘরের কাজ করি, দিন শেষে নিজের উপর নিজে বিরক্ত হয়ে যায়, কারণ সারাক্ষণ ঘরের কাজ করতে করতে নিজের জীবন শেষ, দেখা গেল "মা" তিনি যে একজন মানুষ তার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায় না। না সে নিজের শখ, নিজের স্বপ্ন, নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারলো, না ভালো সচেতন মা হতে পারলো,নিজের বিরক্ত,হতাশা, অঙ্গতা গিয়ে ঝাড়ায় সন্তানের উপর, স্বামির উপর।

অথচ সংসারের কাজ গুলো স্মাট ভাবে কম সময়ে, গুছিয়ে করলে নিজের জন্য সময় বের করা অনেক সহজ।

আমার এক কাজিন ছিলো,সে ছোট থেকে অনেক গুছানো,তার বয়স যখন ৫-৬ বছর তখন ওকে স্কুলে দেয়। ও স্কুল ব্যাগ কখনো কাউকে ধরতে দিত না,ব্যাগে খুব পরিষ্কার রুমাল,বই,খাতা,এগুলো থাকতো।এমন ভাবে এগুলো রাখতো যাতে বই,খাতা ভাঁজ না পরে, ওর জামা কাপড়, এককথায় তার প্রতিটি জিনিস খুব পরিপাটি, গুছানো,একদম ক্লিন থাকতো।

অন্যদিকে আমার সব কিছু আমার আম্মু করতো।আমার কাজিনের এগুলোর জন্য মাঝে মাঝে সে মাইর ও খেত। কারণ কাউকে কিছু ধরতে দিত না।

এখন ওর বিয়ে হয়ে গেছে,কি সুন্দর করে তার বাসা কে গুছিয়ে রাখে,দেখলে শান্তি লাগে। এবং আমার কাছে মনে হয় আমি ও আমার বাসাকে এভাবে গুছিয়ে রাখবো।ওর কাছ থেকে আমি কিছু জিনিস শিখেছি-

১)কোনো কাজ, করার সাথে সাথে জায়গার জিনিস জায়গা রেখে দেয়।এবং ময়লা হলে ক্লিন করে ফেলে।এর ফলে আমাদের কাজ জমে যাওয়ার,পরে করবো এই মানসিকতা থেকে বের করে আনে।

২) প্রতিটি জিনিসের জন্য অর্গানাইজার ব্যবহার করে, ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা করে, এতে যেখানে, সেখানে জিনিস পএ পরে থাকে না।আর আমাদের মেন্টাল এনার্জি ও নষ্ট হয় না।

৩)বাসার পুরোনো জিনিস, পরে লাগবে বলে জিন্দিগি তে আর ব্যাবহার হয় না। অথচ এগুলো তাকে, তাকে পরে থাকে। খালি জায়গা ব্লক করে রাখে,পুরোনো চার্জার, ঢাকনাহীন প্লাস্টিক বক্স, অপ্রয়োজনীয় গিফট বক্স জমিয়ে ঘরকে ছোটখাটো একটা মিউজিয়াম বানিয়ে ফেলি। ও যে জিনিস লাগবে, সেটার বাইরে কোনো জিনিস রাখে না। যার কারণে ঘর কে দেখতে বড় লাগে,পরিষ্কার,শান্তি লাগে।

৪)ঘরের খালি জায়গা গুলো ভরাট করা- আমাদের বাঙালীদের সমস্যা হলো, বাসার কোনো খালি জায়গা যেমন - বিছানার নিচে, টেবিলের নিচে, সোফায়, খাটে, দেয়ালে,যে জায়গা ফাঁকা আছে, দেখে কোনো না কোনা পুটলা রাখি।এর কারণে ঘর শ্বাস নেওয়ার জায়গা পায় না। এটা ও খুব শক্ত ভাবে হেন্ডেল করে।

এখন আমিও এগুলো মাথায় রেখে, কাজ করি, কারণ একজন মা তখন নিজের গ্রোথ, স্বপ্ন, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে পারবে, যখন তার খুব কম সময়ে সংসারের কাজ শেষ হবে, আর সন্তান কে সচেতন ভাবে গাইড করবে। কারণ এই ২৪ ঘন্টা থেকে সময় গুলো বের করতে হয়।

আপনার কোন হ্যাকস টা তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করতে হেল্প করে? কমেন্টে জানাতে পারেন।

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

একজন সচেতন মা, তিনি কখনো পারফেক্ট রুটিনে চলে না, তিনি এই ৩ টি সিক্রেট সিস্টেমে তার জীবন কে সহজ করে নেই।আমি প্রতিদিন যে এ...
06/07/2026

একজন সচেতন মা, তিনি কখনো পারফেক্ট রুটিনে চলে না, তিনি এই ৩ টি সিক্রেট সিস্টেমে তার জীবন কে সহজ করে নেই।

আমি প্রতিদিন যে একই ভাবে কাজ করতে পারি তা না।
যেমন আজকে মুয়াজ, কোনো ভাবে আমাকে কাজ করতে দিবে না। সে আজকে আমার attention চাই।
সকালে নাস্তা বানাতে গিয়েছি, ও কান্না কোলে নিয়ে হাটতে হবে, তাই আমাকে নাস্তা বানাতে হয়েছে ১০ টায়।
আমার তো ব্লক রুটিন থাকে, সে অনুযায়ী আমার কাজ গুলো ভাগ করা থাকে। যেমন ক্লায়েন্টের কাজ, নিজের কনটেন্ট, বই জার্নাল,মাদারহুড জার্নাল, আমার রান্না, মুয়াজের সময়, পরিবারের সবার সাথে কথা বলা, আমার নামাজের সময় সব কিছু।
মুয়াজ যে দিন কাজ করতে দেই না, সে দিন সব সিডিউল আমার দেরি হয়, কিছু কাজ করতে পারি, কিছু পারি না।
এটাই নরমাল মায়েদের জন্য। এটাতে আমি এখন শান্ত থাকতে পারি।কারণ
১) প্রায়রিটি লিস্ট- আমার কোন কাজ ;গুরুত্বপূর্ণ আজকে দিনের জন্য, যখন প্ল্যান করা থাকে, তখন আমি কাজগুলো টার্চআপ দিতে পারি।তবে আমার প্রায়রিটি আগে মুয়াজ, তারপর সংসারের কাজ, এরপর যে সময় পায় সেটা নিজের।তাই মুয়াজের মুডের উপর নির্ভর করে, সময় এদিক
,ঐদিক হয়।

২) মাইন্ডসেট - আমি মাইন্ডসেট করে নিয়েছি, আমি সব সময় একই রকম কাজ করতে পারবো না। তাই আমি এই সময় হতাশ হয়ে, ওর উপর আর রাগ ঝাড়ি না। আমি যখন আমার হতাশা, রাগ, দ্রুত কাজ করার জন্য, ওর কান্নার উপর, আরো প্রেসার দিবো,এটা তে ওর ক্ষতি হবে। এবং ওর সাথে আমার বন্ডিং এ প্রভাব ফেলবে।

৩)যখন কাজ জমে থাকে,সে কাজ কে ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা করি- ধরুন কিছু কাজ আছে অল্প সময়,কিছু আছে বেশি, আপনার সময়ের হিসাব করে কাজ গুলো করলে, বেশি কাজ জমে থাকে না।

আমরা মায়েরা, সারাদিন অনেক কাজ করি, এমন না শুধু রান্না আর বাচ্চা। খুঁটিনাটি কত কাজ সারাদিন ম্যানেজ করতে হয়, আর পরিবারের বড় সদস্য থাকলে তো আরো তাড়াতাড়ি কাজ করতে হয়। আর এতো পেরেশানি থেকে
,বাচ্চা যখন কান্না করে, আপনি হতাশ, অস্হির সব নেগেটিভ এফেক্ট বাচ্চার উপর পরে, এটাতে বাচ্চার ডেভোলপমেন্ট এ প্রভাব পরে। তাই
আপনি মা, আপনাকে আপনার লাইফ ম্যানেজ করা শিখতে হবে, কারো বকায়, কারো কথায়, রাগে আপনার আর বাচ্চার সুন্দর সময় গুলো নষ্ট করবেন না। নিজের মাইন্ডসেট ঠিক করে, প্রায়রিটি লিস্ট করে ;স্মাট ভাবে সিস্টেমে কাজ করুন।দেখবেন দিনশেষে নিজের লাইফ উপভোগ করতে পারছেন,হতাশা থেকে বের হয়ে স্ট্রং ভাবে বাচ্চা কে বড় করতে পারছেন।

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

সংসার, সন্তান কে ম্যানেজ করে, ঘরে বসে ইনকাম করার সিক্রেট ৩ টি টিপস।আমার আগে এমন হতো, আমি ভাবতাম, মুয়াজ একটু ঘুমালে,তখন ন...
05/07/2026

সংসার, সন্তান কে ম্যানেজ করে, ঘরে বসে ইনকাম করার সিক্রেট ৩ টি টিপস।

আমার আগে এমন হতো,

আমি ভাবতাম, মুয়াজ একটু ঘুমালে,তখন নিজের কনটেন্ট, ক্লায়েন্ট এর কাজ, বই পড়া, জার্নাল এগুলো করবো।

বা ওর আব্বু আসলে ওনার কাছে রেখে,তারপর কাজ গুলো করবো।

কিন্তু বাস্তবে করতে পারতাম না, কারণ তখন মাথা আর কাজ করতো না, শরীর ক্লান্ত লাগতো, পরে মোবাইল স্ক্রল করতে করতে দিন শেষ।

এরপর খুব আপসোস হতো, আজকেও আমি নিজের স্বপ্ন, ভালো লাগার, কোনো কিছু করতে পারি নি।

এটা স্বাভাবিক- ছিল কারণ আমি ২৪ ঘন্টা এলোমেলো ছিলাম, রান্না, ঘর গোছানো,বাচ্চাকে খাওয়ানো,কাপড়-ধোয়া, পরিবারের সবার কথা চিন্তা করতে করতে,আর কি করলে, তারা খুশি হবে এটা তে দিন চলে যেত।

পরে আমি দেখলাম - আমি আসলে এমন কিছু করতে চাই,সংসার, কাজ এগুলো ম্যানেজ করবো, মুয়াজ কে আর্লি লার্নিং টা, প্রপার ভাবে করবো, আর বাকি ৩-৪ ঘন্টা ডিপ ওয়ার্ক নিজের জন্য করবো।

যখন আমি ব্লক রুটিন করলাম, তখন দেখলাম যে সময় আমি পাচ্ছি, সে সময়ে আমি এনার্জি পায় না।তখন ব্লক রুটিন এনার্জি টাইমের সাথে মিল রেখে করেছি,

১) High Energy Time-যে সময় আমার এনার্জি ভালো থাকে, ঐ সময়

Content তৈরি• Freelancing• Deep Focus Work• নতুন কিছু শেখা

• Career Building, কে ফোকাস করি।

২)Medium Energy Time-এ সময় বাচ্চার লার্নিং,, ব্রেন ডাম্প,পরের দিনের প্ল্যান, রান্না এ কাজ গুলো রাখি।

৩)Low Energy Time- এটার সময় বাচ্চার সাথে কানেকশন, ওর রুটিন এগুলো রাখি।

এই ভাবে করার কারণে, নিজের সাথে, নিজে আর যুদ্ধ করি না। যতটুকু করি, ১% আগের দিন থেকে ভালো কিছু করলে, আলহামদুলিল্লাহ

কোনোদিন আমি ১০০% এফোর্ট দিই, কোনো দিন ৮০%, কোনোদিন ৬০%, আবার অনেক সময় নিজেকে ফ্রি রাখি।

কারণ আমি আমার লাইফ কে enjoy করতে চাই, মিনিং ফুল করতে চাই, মাতৃত্বকে উপভোগ করতে চাই, আর চাই আল্লাহ যে নিয়ামত সংসার দিয়েছেন, সেটা কে গুছিয়ে, organize করতে চাই,চাই নিজের একটা ছোট্ট ক্যারিয়ার করতে।

আমার কাছে productivity মানে -নিজের সবচেয়ে মূল্যবান এনার্জিটুকু, সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বপ্নের জন্য খরচ করা।

তাই আপনি ও পারবেন, একটু নিজেকে সময় দিন, নিজের strong, week point জানুন, কি করতে ভালোবাসেন দেখুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ সহজ করে দিবেন।

আপনার ও কি এমন করে দিন শেষ হয়ে যায়?

© Muaz Mama Asma Popy
Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

আপনার মাদারহুড কে উপভোগ করে,সংসার, সন্তান, নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে,  লিখে ফেলেন- Top Focus Areasএই মাসে কোন ২–৩টা জিনিসে ...
04/07/2026

আপনার মাদারহুড কে উপভোগ করে,সংসার, সন্তান, নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে, লিখে ফেলেন-

Top Focus Areas
এই মাসে কোন ২–৩টা জিনিসে ফোকাস করবেন?

Stop Doing List
কোন জিনিসগুলো বন্ধ করা দরকার?

Start Doing List
কোন নতুন habit বা change শুরু করবেন?

Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

৯০% মা এইভাবে  ৩০-৪০ এর মধ্যে নিজের পরিচয়  হারিয়ে ফেলে।মাতৃত্ব একজন নারীকে পূর্ণতা দেয় আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু তার মানে এ...
03/07/2026

৯০% মা এইভাবে ৩০-৪০ এর মধ্যে নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলে।

মাতৃত্ব একজন নারীকে পূর্ণতা দেয় আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু তার মানে এই না যে, একজন মা তা নিজস্ব স্বপ্ন, ক্যারিয়ার বা ইচ্ছে কে শেষ করে দিবে।বরং আমি মনে করি,একজন মা শুধু ত্যাগ করবে তা না, সে একজন self - hero হতে পারে।তিনি সংসার কে সুন্দর করে সাজিয়ে, সন্তান কে আত্ন নির্ভরশীল, কনফিডেন্ড, ক্রিয়েটিভ, যোগ্য করে তুলতে পারেন, সে সাথে বাসায় বসে নিজের একটা ছোট্র ক্যারিয়ার করতে পারেন।

চলুন দেখে নিই কিছু হ্যাবিট -

১)দিনের শুরুতে সবচেয়ে জরুরি কাজ গুলো todolist করা। যে মা একটা নিদিষ্ট পরিকল্পনা করতে পারে, নিজের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারে,সে সফল হয়। তাই নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য কে সামনে রেখে ছোট্ট একটা হ্যান্ডবুকে লিখে রাখুন আজকে কোন ৩ টা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবো। এই ভাবে লিখে রাখলে এবং সে অনুযায়ী কাজ করলে, দেখবেন আপনি কাজ গোছাতে পারছেন।

২)একটা নির্দিষ্ট রুটিন এবং সাপ্তাহিক প্ল্যান রাখবেন- আপনি মা, আপনার সংসার কে গুছিয়ে, সন্তানকে সঠিক ভাবে বড় করতে, নিজের পকেট সময় বের করতে অবশ্যই এটা মানা লাগবে।এতে আপনি ও প্রোডাক্টিভ হবেন, ইনশাআল্লাহ বাচ্চা ও ডিসিপ্লিন থাকবে ছোট থেকে।

৩)নিজের অপরাধবোধ ঝেড়ে ফেলা-আপনার সন্তানের প্রয়োজন সচেতন, আত্নবিশ্বাসি, হাসি খুশি মা।আপনি আপনার সন্তানের জন্য রোল মডেল হতে পারেন।

৪) জীবনে সবকিছু আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হয় না।আমাদের ইচ্ছা, প্ল্যান এগুলোর বাইরে আমাদের রবের পরিকল্পনা শ্রেষ্ঠ। তাই যে দিন, যে কাজ আপনার জন্য important, সে অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজান। তা হলে কোনো নেতিবাচক কিছু তে হতাশ লাগবে না।

মাতৃত্ব কে উপভোগ করার এবং নিজের পরিচয় করার চাবিকাঠি হলো, সাধারন বিষয় মেনে নিয়ে, বর্তমান সময় কে সুন্দর করে, নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়া, বর্তমান সময়ে উপস্হিত থাকা।এটা সুন্দর জীবনের পার্ট। এটাকে শক্তি হিসাবে নিয়ে, নিজের স্বপ্ন পূরণ করুন।নিজের, সন্তানের পরিবারের যত্ন নিন।প্রোডাক্টিভ, সচেতন, স্মাট ভাবে নিজের লাইফের হিরো হউন। সুন্দর জীবনের এই পার্ট, এই সময় কে সবচেয়ে সুন্দরতম উপায়ে উপভোগ করুন।

আপনি কিভাবে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য সময় বের করেন?

© Muaz Mama Asma Popy

Muaz Mama’s Diaries-Asma popy

Address

Halishahr BDR Mat
Chittagong
4100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muaz Mama’s Diaries-Asma popy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share