Dr. Pial Paul

Dr. Pial Paul ডা. পিয়াল পাল , এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (শিশু স্বাস্থ্য, দ্বিতীয় পর্ব), ডিসিএইচ( অন কোর্স)

পুরোনো কথা, পুরোনো মতবাদ ছাড়ুন, ওর নানী দাদী বলবে আমাদের বাচ্চাকে তো এসব করাতে হয় নি, এখন কেনো? দেখুন, আপনার বাচ্চা আলফা...
26/06/2026

পুরোনো কথা, পুরোনো মতবাদ ছাড়ুন, ওর নানী দাদী বলবে আমাদের বাচ্চাকে তো এসব করাতে হয় নি, এখন কেনো?
দেখুন, আপনার বাচ্চা আলফা জেনারেশন, আপনার সময় আর তার সময়ের মধ্যে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এসেছে বিপ্লব। আপনার বাচ্চাদের যত্ন নিন আর বড় করুন সায়েন্টিফিক উপায়ে।
কোন বিতর্ক নেই, আপনার শিশুকে টামি টাইম দিন, এতদিন শুরু করেন নি তো কি হয়েছে? আজ শুরু করুন।

আজ টামি টাইম নিয়ে বললাম, এছাড়া ও আছে অনেক বৈজ্ঞানিক উপায় বাচ্চাদের সুন্দর করে বড় করার, আছে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা।

জন্মের শুরু থেকে প্রথম ৩/৪ বছর আপনার শিশুকে দিন সর্বোচ্চ সময়, সর্বোচ্চ যত্ন, প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা তাহলে হয়তো সে বড় হবে বিখ্যাত কেউ। হয়তো বিজ্ঞানী, হয়তো নামকরা চিকিৎসক, কিংবা প্রকৌশলী!
আমরা বাচ্চার প্রয়োজনীয় সকল যত্ন, উদ্দীপনা নিয়ে আলোচনা করবো।পেইজে খেয়াল রাখুন।

আমার কর্মজীবনের শুরু পেকুয়াতেই, প্রথম চেম্বার করাও এই পেকুয়াতেই, প্রায় চারবছর হয়ে গেলো! সময় কত দ্রুত চলে যায়! আমি আর কোথ...
24/06/2026

আমার কর্মজীবনের শুরু পেকুয়াতেই, প্রথম চেম্বার করাও এই পেকুয়াতেই, প্রায় চারবছর হয়ে গেলো! সময় কত দ্রুত চলে যায়! আমি আর কোথাও ই বসি না।চট্টগ্রাম মেডিকেলে কোর্সে আসার পর শুধু একদিন পেকুয়ায় চেম্বার করি, টুকটাক রোগী দেখি।পেকুয়ায় যারা পরামর্শ নিতে চান, উল্লেখিত সময়ে আসার অনুরোধ থাকলো।

বি:দ্র: প্রিয়জন বা বন্ধু যারা পরামর্শ চান তারা ব্যক্তিগতভাবে আমার মূল আইডিতেই যোগাযোগ করবেন।

আমার কোলে আছে জাইমা রহমান।রাউন্ডের সময় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল, হাত বাড়াতেই কোলে এসে গেল কারণ তার দাদীর মতে আমার সাথে তার...
09/06/2026

আমার কোলে আছে জাইমা রহমান।রাউন্ডের সময় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল, হাত বাড়াতেই কোলে এসে গেল কারণ তার দাদীর মতে আমার সাথে তার বাবার মিল আছে। তার বয়স ৫ মাস। তার পিতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ভালবাসা থেকে মেয়ের এমন নাম রেখেছে। জাইমার মা পৃথিবীর মায়া ছেড়েছে তার জন্মের সময়। গর্ভজনিত জটিলতা যাকে ইক্লাম্পসিয়া বলে।আজ ৫ মাস হলো। তার পিতার দ্বিতীয় স্ত্রী কোনদিক থেকেই আদর যত্ন কম করে নি, নিজের মেয়ের মতোই মানুষ করছে তাকে।আমরা জানি, মায়ের ভালোবাসার কোন বিকল্প নেই কিন্তু জাইমা পেয়েছে সেই বিকল্প।তাই জাইমা মিজলস এর মতো কঠিন যুদ্ধে ও প্রায় জয়লাভ করেছে, তার ইনফেকশাস পিরিয়ড গত হয়েছে, সাপোর্টিভ চিকিৎসার এন্টিবায়োটিক এর ডোজ বাকি আছে কিছু, শেষ করেই সে মায়ের কোলে করে ফিরে যাবে নিজ ঘরে। সাবধান থাকবেন, যত্ন নিবেন কথা দিয়েছেন মা ও দাদী। আহা, আমাদের সন্তান রা থাকুক দুধে ভাতে!

বাংলাদেশের শিশুদের প্রধান সমস্যার একটা হলো ডায়রিয়া। দুঃখের বিষয় নব্বই দশক থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এত এত প্রচারণা সত্ত্বেও আমর...
03/06/2026

বাংলাদেশের শিশুদের প্রধান সমস্যার একটা হলো ডায়রিয়া। দুঃখের বিষয় নব্বই দশক থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এত এত প্রচারণা সত্ত্বেও আমরা এখনো ডায়রিয়ার প্রধান চিকিৎসা কি জানি না।

সাধারণত দিনে তিনবার বা তার বেশি পাতলা পায়খানা হলে তাকে ডায়রিয়া বলা হয়। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, দূষিত খাবার ও পানি ডায়রিয়ার প্রধান কারণ। শিশুদের মধ্যে রোটাভাইরাস ডায়রিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ, যা মারাত্মক পানিশূন্যতার সৃষ্টি করতে পারে।

শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান চিকিৎসার মূল সুত্র হলো এমন -
★ বাচ্চার অনগোয়িং লস পূরণ করা ( অর্থাৎ সে যতবার পায়খানা করেছে সেটা পূরণ করা,এইটা আমরা খাদ্য স্যালাইন (ORS) এর মাধ্যমে কর‍তে পারি।
★ সাথে নিয়মিত তার যে শারীরিক চাহিদা সেটাও যেন পূরণ করি, এইটা বাচ্চা তার যে নিয়মিত যা খাবার খায় সেটাই, সেটা বুকের দুধ কিংবা সলিড যা খাবার দেন, অন্য কিছু নয়। মনে রাখবেন , ডায়রিয়া তে কখনোই বুকের দুধ বা অন্য খাবার বন্ধ করা যাবে না।
★ জিংক। জিংক নিয়ে একটু বলতে চাই -

ডায়রিয়ায় জিংক (Zinc) একটি অত্যন্ত কার্যকরি চিকিৎসা। এটি -
✅ ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব কমায়
✅ মলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে
অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে, ফলে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ক্ষতি কম হয়।

✅ পরবর্তী ২–৩ মাসে নতুন করে ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায়
জিংক অন্ত্রের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তাই ভবিষ্যতে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনাও কিছুটা কমে।

✅ অন্ত্রের ক্ষতিগ্রস্ত আবরণ দ্রুত মেরামত করে
কতদিন দিতে হবে?

World Health Organization এবং UNICEF এর সুপারিশ অনুযায়ী:

* ৬ মাসের কম বয়সী শিশু: ১০ মিগ্রা দৈনিক × ১০–১৪ দিন
* ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশু: ২০ মিগ্রা দৈনিক × ১০–১৪ দিন

তবে মনে রাখবেন-
* জিংক ORS-এর বিকল্প নয়।
* ডায়রিয়ায় ORS + Zinc একসঙ্গে দেওয়া উচিত।
* বমি হলে ১০–১৫ মিনিট পরে আবার জিংক খাওয়ানোর চেষ্টা করতে পারেন।

স্যালাইন বানানো ও বয়স অনুযায়ী খাওয়ানোর নিয়ম ছবিতে দেয়া আছে , এইটা একটা আনুমানিক হিসাব।ও হ্যাঁ,
বানানো স্যালাইন ৮-১০ ঘন্টা রাখায় ভালো। রোটাভাইরাস টিকা নিয়ে আরেকদিন লিখবো।

আমি বারবার বলে যেতে চাই সিপ্রোফ্লক্সাসিন , মেট্রোনিডানল, নিটাজক্সানাইড এগুলা সাধারণ ডায়রিয়ার ঔষধ নয়। এই ঔষধ কখন প্রয়োজন তা ঠিক করে দিবে আপনার নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র এর চিকিৎসক।

ছবিতে রোদনরত এই আদুরে শিশুর নাম আবদুর রহমান। বয়স ১৭ মাস।আব্দুর রহমান এসেছিলো আমার কাছে ঈদের আগের এক রবিবারে, তার বাসা পে...
01/06/2026

ছবিতে রোদনরত এই আদুরে শিশুর নাম আবদুর রহমান। বয়স ১৭ মাস।আব্দুর রহমান এসেছিলো আমার কাছে ঈদের আগের এক রবিবারে, তার বাসা পেকুয়ার টৈটং ইউনিয়নে। জ্বর, তার ক'দিন পরেই সারা শরীরে র‍্যাশ, কাশি, চোখ লাল, মুখে ঘা হওয়ার পর শেষ দিকে শুরু হয়ে যায় শ্বাসকষ্ট। তীব্র জ্বর আর শ্বাসকষ্ট নিয়ে আব্দুর রহমান আমার কাছে এসেছিল। আমি তাকে ভালভাবে শারীরিক পরীক্ষা করি, ফুসফুসে স্টেথো বসাতেই শুনতে পাই কড়কড়ে শব্দ, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় Crepitation. পালস অক্সিমিটারে দেখলাম তার শরীরের দ্রবীভূত অক্সিজেন উঠা নামা করছে, কোনভাবেই সেটা ৮৫% এর বেশি নয়।বলাবাহুল্য, হাম আবদুর রহমানের শরীরে প্রবেশ করেই থেমে থাকে নি, আক্রান্ত করে ফেলেছে তার ফুসফুস, নিউমোনিয়া হয়েছে তার। প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়ে তাকে আমি পেকুয়া আমাদের মুজিব স্যারের নুর হাসপাতালে পাঠায়, এখানেই সে প্রাথমিক ম্যানেজমেন্ট পেয়েছে, এবং কিছুটা স্থির হয়েছে, স্যারের হাসপাতালে তার চিকিৎসার সলল ব্যবস্থাই ছিল, তবু রোগীর মায়ের শঙ্কা ও আর্থিক দিক বিবেচনা করে পরবর্তীতে তাকে চমেকে পাঠাই, চমেকের আমাদের চিকিৎসকরা তাকে আন্তরিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছেন (রোগীর অভিভাবকের ভাষায়) এবং তার ফুসফুস এখন অনেকটাই পরিষ্কার, সুস্থ হয়ে উঠেছে সে ধীরে ধীরে। গতকাল ফলোয়াপে আসলো, বুঝিয়ে দিলাম আগামীর কি করণীয় , এখনো বিপদ কাটে নি, হাম চলে যাওয়ার সময় রেখে যায় দাগ, হাম পরবর্তী জটিলতার সং্খ্যা নেহায়েত কম নয়, সাবধান থাকতে হবে তাকে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে, খেতে হবে পুষ্টিকর খাদ্য, ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে, কোলাহলযুক্ত স্থান এড়িয়ে চলায় উত্তম, এবং যেকোন উপসর্গ দেখা দিলে নিতে হবে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ।

সুপ্রিয় সুধী, একটু অন্য প্রসংগে যাই।
শিশুদের চিকিৎসা করা একটি অত্যন্ত জটিল কাজ, তারা মানুষের মতো নিজের উপসর্গ, নিজের খারাপ লাগা বলতে পারে না, শারিরীক পরীক্ষা আর মায়ের অভিযোগ শুনে আমাদের অনুমান করে নিতে হয়, মাঝে মাঝে হতে হয় রক্ত কিংবা বিভিন্ন যান্ত্রিক পরীক্ষার শরণাপন্ন। আমি নিশ্চিত আমাদের দেশের প্রায় প্রত্যেক চিকিৎসক আপ্রাণ চেষ্টা করে প্রতিটি শিশুকে সুস্থ করে তোলার, কিন্তু হায়! সবকিছু আমরা নির্ধারণ করি না, যেমন আমরা নির্ধারণ করি না জন্ম মৃত্যু, এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সবকিছুই সেই সর্বশক্তিমান নিয়ন্ত্রণ করছেন।
একটা রোগের চিকিৎসা শুধু জ্ঞান আর ম্যানেজমেন্ট কিংবা ঔষধ দিয়ে হয় না, অসংখ্য ঔষধ দিয়েও আমরা ফিরিয়ে আনতে পারে নি অনেক হাম আক্রান্ত শিশুকে।তাহলে কি প্রয়োজন?
প্রয়োজন চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা, শরীর কিভাবে লড়তে পারছে, শরীরের ইম্যুন সিস্টেম, প্রয়োজনীয় রোগ নির্ণয়ের সুবিধা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ঔষধ, সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তার কৃপা, তবেই সম্ভব এই এইসব জটিল রোগের চক্রব্যুহ থেকে বেরিয়ে আসা এবং সুস্থ পৃথিবীর আলো দেখা।

সবার অভিজ্ঞতা সমান না, আমার নিজেরই বা কি এমন? চিকিৎসাপেশা একটি প্রতিনিয়ত চলমান শিক্ষাব্যবস্থা, এখানে শেখার কোন শেষ নেই। প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে প্রতিটি রোগের ব্যবস্থাপনা।
আমরা আপনারা যদি আজ আবেগের বশীভূত হয়ে প্রতিটা মৃত্যু কিংবা জটিলতা নিয়ে এভাবে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি, আহত করি তাদের বারংবার, আমাদের চিকিৎসকরা তখন আর আগ্রহ পাবে না আন্তরিকতা নিয়ে সেবা করার, কারণ এই আঘাত তার মনে জায়গা পেয়েছে, দিনরাত সমান করে যে সাধনা করে সে এই জায়গায় এসেছে তার বিপরীতে সে যা পেয়েছে সেটি কখনোই তার প্রাপ্য ছিল না। এই চিকিৎসক হয়তো আর কখনো ঝুঁকি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে না কোন রোগীর জীবন বাঁচাতে!
আমরা আরো সহনশীল হই, বিচক্ষণতার সাথে কঠিন সময়ের মোকাবেলা করি, এই প্রার্থনায় রইলো।

[উল্লেখ্য, প্রতি রবিবার শহর হতে পেকুয়া ছুটে যাই একদিন সেবা দিতে, অল্প বিস্তর যা রোগী পাই তাদের সুস্থ করার অঙ্গীকার নিয়েই ঘরছাড়ি! পেকুয়ার যারা সেবা নিবেন অনুগ্রহ করে রবিবারেই যোগাযোগ করবেন। ধন্যবাদ। ]

রাজীব।রাজীব এসেছিলো মহেশখালী থেকে।বর্তমানের টক অফ দ্যা টাউন হামের উপসর্গ নিয়ে।চিরায়ত হামের যেসব উপসর্গ আমরা বইপত্রে পড়েছ...
11/04/2026

রাজীব।
রাজীব এসেছিলো মহেশখালী থেকে।বর্তমানের টক অফ দ্যা টাউন হামের উপসর্গ নিয়ে।চিরায়ত হামের যেসব উপসর্গ আমরা বইপত্রে পড়েছি, তার সবটাই রাজীবের ছিল, জ্বর, তার সাথে তৃতীয়/চতুর্থ দিনে আসা র‍্যাশ, কাশি, চোখের কংজাংটিভায় প্রদাহ সবই ছিল।অবস্থা বেগতিক হলো তখনই যখন এই ভাইরাস তার ফুসফুসে অবস্থান নিলো। হাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় আমাদের কিছু সৈন্য কোষ ধ্বংসের মাধ্যমে, আর তাছাড়া রাজীবকে বড় হতে হয়েছে মা ছাড়া, তার জন্মের সময়ই গর্ভজনিত জটিলতায় মারা যায় তার মা।মা হারা ছেলেকে তার দেখাশোনা করেছে তার চাচী, আর এই দায়িত্বটা বেশ ভালোভাবেই পালন করেছেন তিনি। কিন্তু শুরু থেকেই মায়ের দুধের অভাব ও বিকল্প খাবার রাজীবের শরীরকে অন্যদের মতো সুরক্ষিত রাখতে পারে নি, বারবার শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা, জ্বর কাশিতে ভুগতো সে, তার ইম্যুনিটি তাই শুরু থেকেই কম, যার ফলে হাম ও বাগে পেলো তাকে।
হামের ভাইরাস ক্ষতবিক্ষত করেছে তার ফুসফুসের অসংখ্য কোষ, জটলা করে দিয়েছে কিছু কোষকে , যার ফলে স্বাভাবিক অক্সিজেন সরবরাহ করা, রক্তে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পৌছে দেয়ার কাজ প্রতিনিয়ত ব্যহত হয়েছে।
যুদ্ধ করেছে তার শরীরের প্রতিটি কোষ।
আমাদের স্যার বলেন, ভাইরাস নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় যে সে কতটা ক্ষতি করবে। আমরা প্রোটোকল অনুযায়ী তাকে সাপোর্টিভ চিকিৎসায় দিয়েছি, চট্টগ্রাম মেডিকেলের শিশু আইসিইউর প্রতিটি চিকিৎসক প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় তার চিকিৎসা চলমান রেখেছি।
সৃষ্টিকর্তা সহায় হয়েছেন। তার প্রদাহ কমেছে, সে এখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন নিতে পারছে পরিবেশ থেকে, আমরা তাকে ওয়ার্ডে শিফট করেছি, এন্টিবায়োটিক কোর্স সম্পূর্ণ হলে, স্বাভাবিক ভাবে খাবার খেতে পারলে সে ঘরে ফিরে যাবে।
তবুও তাকে ফলোআপে থাকতে হবে, হামের কিছু দীর্ঘস্থায়ী মস্তিষ্কের জটিলতা ও রয়েছে।

সকল বাচ্চা ভালো থাকুক এই আমাদের চাওয়া সৃষ্টিকর্তার কাছে। বাচ্চাদের সময়মতো টিকা দিন।যত্ন নিন। ডাক্তারদের ও সন্তান আছে, কেউই চায় না কোন বাচ্চা অকালে ঝড়ে যাক, কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, আছে অমানবিক ওয়ার্কলোড, সব ছাপিয়ে সবার চেষ্টা আপনাদের বাচ্চার মুখের হাসি।

( প্রিয় পাঠক, চিন্তার কারণ নেই, আমরা রাজীবের নাকের নল খুলে দিয়েছি ছবি তোলার পরেই, খুলে দিয়েছি মাইক্রোপোরের সেই আঠালো বাঁধনগুলো।)

Address

Pekua Chowmohani
Cox's Bazar
4000

Opening Hours

Monday 15:00 - 19:00
Tuesday 15:00 - 19:00
Wednesday 15:00 - 19:00
Thursday 15:00 - 19:00
Saturday 15:00 - 19:00
Sunday 15:00 - 19:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Pial Paul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share