Dr. Md Muniful Islam Inan

Website

Dr. Md Muniful Islam Inan MBBS

"৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও কি সারাদিন ক্লান্তি লাগে? এটি শুধুই ঘুমের অভাব নয়!"যদি আপনার মাঝে নিচের ৫টি লক্ষণ দেখা যায়, তবে অবহ...
21/08/2026

"৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও কি সারাদিন ক্লান্তি লাগে? এটি শুধুই ঘুমের অভাব নয়!"

যদি আপনার মাঝে নিচের ৫টি লক্ষণ দেখা যায়, তবে অবহেলা না করে সচেতন হওয়া জরুরি:
​১. পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্ত লাগা
​রাতে ৮-৯ ঘণ্টা একটানা ঘুমানোর পরও কি সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হয়? সারাদিন মনে হয় যেন শরীরে কোনো বল নেই?
​কারণ: রক্তে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা কমে গেলে (Hypothyroidism) শরীরের মেটাবলিজম বা শক্তি তৈরির প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। ফলে ঘুম হলেও শরীর রিচার্জ হয় না।
​২. সামান্য পরিশ্রমে দম হাঁপিয়ে যাওয়া ও বুক ধড়ফড় করা
​একতলা সিঁড়ি উঠলেই কি বুক ধড়ফড় করে? বা সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেই ক্লান্ত হয়ে হাঁপাতে থাকেন?
​কারণ: এটি লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের অভাবের (রক্তশূন্যতা) প্রধান লক্ষণ। রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে সারাদেহে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না, ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
​৩. হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া এবং সবসময় শীত শীত লাগা
​ঘরের অন্য সবার স্বাভাবিক লাগলেও আপনার কি হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে থাকে? সবসময় হালকা শীত অনুভূতি হয়?
​কারণ: থাইরয়েড সমস্যা এবং আয়রনের অভাবে রক্তসঞ্চালন ও শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
​৪. পেশিতে বা হাড়ে ঘন ঘন ব্যথা হওয়া
​নির্দিষ্ট কোনো আঘাত ছাড়া সারা শরীরে বা হাড়ে ও পেশিতে সবসময় হালকা ব্যথা অনুভব করা।
​কারণ: ভিটামিন ডি-এর মারাত্মক ঘাটতি থাকলে হাড় ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও হাড়ের ব্যথার সৃষ্টি করে।
​৫. হঠাৎ চুল পড়া বেড়ে যাওয়া ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া
​চুল অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যাওয়া, ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে খসখসে হয়ে যাওয়া বা নখ সহজে ভেঙে যাওয়া।
​কারণ: রক্তশূন্যতা এবং থাইরয়েডের সমস্যা শরীরের পুষ্টি গ্রহণ ও কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে।

আপনার করণীয় কী?
লক্ষণগুলো অবহেলা না করে সঠিক সময়ে রক্ত পরীক্ষা (যেমন: CBC, TSH, Vitamin D level) করিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা নিলে খুব দ্রুতই আগের মতো চাঙ্গা ও কর্মক্ষম হয়ে ওঠা সম্ভব।
🩺 বিনামূল্যে ডাক্তারের পরামর্শ নিন!
আপনার কি এই লক্ষণগুলোর কোনটি দেখা দিচ্ছে? আপনার সমস্যা জানিয়ে আমাদের পেজে মেসেজ (Message) দিন অথবা সরাসরি কল করুন [আপনার ফোন নম্বর] নম্বরে। আমাদের অভিজ্ঞ ডাক্তার আপনাকে একদম ফ্রিতে পরামর্শ দেবেন।

প্রতিদিন "গ্যাসের বড়ি" খাচ্ছেন? জেনে নিন এর মারাত্মক কিছু ক্ষতি!​সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা ওমিপ্রাজল বা এসোমিপ্রাজল মুখে ...
11/08/2026

প্রতিদিন "গ্যাসের বড়ি" খাচ্ছেন? জেনে নিন এর মারাত্মক কিছু ক্ষতি!
​সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা ওমিপ্রাজল বা এসোমিপ্রাজল মুখে পুরে দেওয়া কি আপনার প্রতিদিনের অভ্যাস? সামান্য গ্যাস্ট্রিক বা বুক জ্বালা করলেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দিনের পর দিন গ্যাসের ওষুধ খেয়ে যাওয়া আমাদের দেশে এক সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​নির্দিষ্ট কিছু আলসার বা সমস্যার জন্য ডাক্তাররা কিছুদিন এই ওষুধ দিয়ে থাকেন, যা পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ বা বছরের পর বছর না বুঝে নিয়মিত এসব ওষুধ খেলে শরীরে নেমে আসতে পারে মারাত্মক কিছু বিপদ:
​১. হাড় দুর্বল হয়ে যায় (হাড় ক্ষয়): পেট অতিরিক্ত এসিড তৈরি বন্ধ করে দিলে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শোষণ হতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে হাড় ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
২. কিশোর থেকে বয়স্ক—সবার কিডনির ক্ষতি: দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টাসিড বা পিপিআই (PPI) জাতীয় ওষুধ খেলে কিডনি বিকল বা ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD)-এর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
৩. ঘন ঘন পেটের ইনফেকশন: আমাদের পেটের স্বাভাবিক এসিড খাবারের সাথে আসা ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে। গ্যাসের ওষুধ সেই এসিড কমিয়ে দেয়, ফলে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া পেটে সংক্রমণ ঘটায় এবং বার বার ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা হয়।
৪. রক্তস্বল্পতা ও ভিটামিনের অভাব: ভিটামিন B12 এবং আয়রন শোষণের জন্য পেটে এসিড থাকা প্রয়োজন। প্রতিদিন গ্যাসের ওষুধ খেলে ভিটামিনের অভাব হয়ে শরীর দুর্বল হয় এবং হাত-পা জাবজাব বা কামড়াতে পারে।
৫. ওষুধ ছাড়তে না পারা (রিবাউন্ড এসিডিটি): হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করে দিলে পেটে দ্বিগুণ এসিড তৈরি হয়। ফলে আপনার মনে হয়, "ওষুধ না খেলে আমি একদম চলতে পারব না"—যা আপনাকে এই ওষুধের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে।
​তাহলে আপনার করণীয় কি?
​তেল-মসলাযুক্ত খাবার কমান, সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না।
​হঠাৎ গ্যাসের ওষুধ বন্ধ না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আস্তে আস্তে এর মাত্রা কমান।
​দীর্ঘদিন পেটের সমস্যা থাকলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
​সচেতনতার স্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিতজনদের জানিয়ে দিন।

02/08/2026

📢 শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় চর্বির দলা বা লাইপোমা নিয়ে চিন্তিত? দেখতে খারাপ লাগা কিংবা অস্বস্তি হওয়া সত্ত্বেও খরচের কথা চিন্তা করে অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না?
​আপনার এই দুশ্চিন্তা দূর করতে আমরা দিচ্ছি একটি বিশেষ সুযোগ!

​🩺 আমাদের বিশেষ অফার:
​এখন অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে, সাশ্রয়ী খরচে (এমনকি নিয়মিত খরচের প্রায় অর্ধেক মূল্যে) আপনি অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে লাইপোমা অপসারণ (Excision) করাতে পারবেন।

​✨ আমাদের সেবাসমূহ:
1. ​সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত উপায়ে (Local Anesthesia) নিখুঁত অপারেশন।
2. ​কসমোটিক সেলাইয়ের (Cosmetic Stitches) সুবিধা, যাতে দাগ থাকবে একদম ন্যূনতম।
3. ​শতভাগ নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত (Sterile) পরিবেশ।
4. ​অপারেশনের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা।
​
​সীমিত সময়ের এই সুযোগটি নিতে আজই যোগাযোগ করুন!
📥 বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে ইনবক্স (DM) করুন অথবা সরাসরি কল করুন:
📞 01628-617785

📢 শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় চর্বির দলা বা লাইপোমা নিয়ে চিন্তিত? দেখতে খারাপ লাগা কিংবা অস্বস্তি হওয়া সত্ত্বেও খরচের ক...
17/07/2026

📢 শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় চর্বির দলা বা লাইপোমা নিয়ে চিন্তিত? দেখতে খারাপ লাগা কিংবা অস্বস্তি হওয়া সত্ত্বেও খরচের কথা চিন্তা করে অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না?
​আপনার এই দুশ্চিন্তা দূর করতে আমরা দিচ্ছি একটি বিশেষ সুযোগ!

​🩺 আমাদের বিশেষ অফার:
​এখন অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে, সাশ্রয়ী খরচে (এমনকি নিয়মিত খরচের প্রায় অর্ধেক মূল্যে) আপনি অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে লাইপোমা অপসারণ (Excision) করাতে পারবেন।

​✨ আমাদের সেবাসমূহ:
1. ​সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত উপায়ে (Local Anesthesia) নিখুঁত অপারেশন।
2. ​কসমোটিক সেলাইয়ের (Cosmetic Stitches) সুবিধা, যাতে দাগ থাকবে একদম ন্যূনতম।
3. ​শতভাগ নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত (Sterile) পরিবেশ।
4. ​অপারেশনের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা।
​
​সীমিত সময়ের এই সুযোগটি নিতে আজই যোগাযোগ করুন!
📥 বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে ইনবক্স (DM) করুন অথবা সরাসরি কল করুন:
📞 01628-617785

ডার্ময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst) কী? সহজ ভাষায় জেনে নিন​আমাদের শরীরে অনেক সময় এমন কিছু অদ্ভুত টিউমার বা সিস্ট (তরল বা অর্ধ...
17/07/2026

ডার্ময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst) কী? সহজ ভাষায় জেনে নিন
​আমাদের শরীরে অনেক সময় এমন কিছু অদ্ভুত টিউমার বা সিস্ট (তরল বা অর্ধ-তরল পুঁজ-জাতীয় জিনিসে ভরা থলি) তৈরি হয়, যা শুনলে বেশ অবাক হতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ডার্ময়েড সিস্ট।
​খুব সহজ কথায়, এটি হলো এক ধরণের জন্মগত থলি বা সিস্ট, যার ভেতরে আমাদের শরীরের সাধারণ কিছু উপাদান যেমন—চুল, চামড়া, দাঁত, তেল গ্রন্থি এমনকি তরল চর্বি জমা হয়ে থাকে। শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও, এটি কোনো জাদু বা অলৌকিক বিষয় নয়, বরং মানবদেহের গঠনের একটি সাধারণ ত্রুটি।
​ডার্ময়েড সিস্ট কেন হয়?
​এই সিস্টটি কিন্তু হঠাৎ করে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে তৈরি হয় না। এটি মানুষের জন্মের আগেই তৈরি হয়।
​যখন মায়ের গর্ভে একটি শিশু ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, তখন তার ত্বক বা চামড়া গঠনের সময় কিছু কোষ ভুলবশত চামড়ার ভেতরের স্তরে আটকে যায়। শিশুটি যখন জন্ম নেয়, তখন থেকেই এই কোষগুলো তার শরীরের ভেতরে থেকে যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই আটকে পড়া চামড়ার কোষগুলো থেকে চুল গজাত থাকে, তেল বা চর্বি জমতে থাকে এবং থলিটি আস্তে আস্তে আকারে বড় হতে থাকে। তখন এটি আমাদের চোখে পড়ে।
​এটি শরীরের কোথায় কোথায় হতে পারে?
​ডার্ময়েড সিস্ট শরীরের যেকোনো জায়গায় হতে পারে, তবে সাধারণত কয়েকটি জায়গায় বেশি দেখা যায়:
​চোখের ভ্রুর আশেপাশে: শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত চোখের পাতার ওপর বা ভ্রুর কোণায় এটি ছোট একটি মার্বেলের মতো ফুলে থাকতে দেখা যায়।
​ডিম্বাশয় বা ওভারি (Ovarian Dermoid Cyst): নারীদের ডিম্বাশয়ে এটি হওয়া খুব সাধারণ বিষয়। অনেক সময় নারীদের পেটে ব্যথা বা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে এটি ধরা পড়ে। ডিম্বাশয়ের ডার্ময়েড সিস্টের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি দাঁত বা চুল দেখতে পাওয়া যায়।
​ঘাড় ও মাথায়: মাথার পেছনে বা ঘাড়ের ত্বকের নিচে এটি হতে পারে।
​মেরুদণ্ড বা বুকের ভেতরে: এটি কিছুটা বিরল, তবে শরীরের ভেতরের অংশেও এটি হতে পারে।
​এর লক্ষণগুলো কী কী?
​অধিকাংশ সময় ডার্ময়েড সিস্টে কোনো ব্যথা থাকে না। লক্ষণগুলো নির্ভর করে এটি শরীরের কোথায় হয়েছে তার ওপর:
​যদি ত্বকের নিচে হয়, তবে চামড়ার ওপর ছোট, নরম বা একটু শক্ত গোল চাকার মতো দেখা যাবে। চাপ দিলে এটি সামান্য নড়াচড়া করতে পারে।
​ডিম্বাশয়ে হলে অনেক সময় তলপেটে ভারী ভাব বা হালকা ব্যথা হতে পারে।
​যদি সিস্টটি কোনো কারণে ফেটে যায় বা এতে ইনফেকশন (সংক্রমণ) হয়, তখন তীব্র ব্যথা, লাল হয়ে যাওয়া বা পুঁজ বের হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
​এটি কি ক্যান্সার?
​না, ডার্ময়েড সিস্ট কোনো ক্যান্সার নয়। এটি ১০০ ভাগের মধ্যে ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ 'বিনাইন' (Benign) বা ক্ষতিকারক নয় এমন টিউমার। এটি শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে না। তাই এটি নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
​এর চিকিৎসা কী?
​ডার্ময়েড সিস্টের একমাত্র এবং কার্যকরী চিকিৎসা হলো অপারেশন বা সার্জারি।
​যেহেতু এই থলিটি প্রাকৃতিকভাবে গলে যায় না বা ওষুধের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়, তাই চিকিৎসকরা ছোট একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুরো থলিটি অক্ষত অবস্থায় বের করে নিয়ে আসেন।
​ত্বকের ওপর হলে ছোট কাটার মাধ্যমে এটি বের করা হয়, যা খুব দ্রুত সেরে যায়।
​ডিম্বাশয়ে হলে ল্যাপারোস্কোপি (পেটে ছোট ছিদ্র করে) বা ওপেন সার্জারির মাধ্যমে এটি অপসারণ করা হয়।
​একবার সফলভাবে পুরো সিস্টটি বের করে ফেললে এটি সাধারণত আর ফিরে আসে না।
​জরুরি পরামর্শ: আপনার বা আপনার সন্তানের শরীরে যদি এমন কোনো অস্বাভাবিক ফোলা ভাব বা চাকা দেখতে পান, তবে নিজে নিজে চাপাচাপি না করে বা কোনো মলম না লাগিয়ে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সঠিক সময়ে সাধারণ একটি চিকিৎসার মাধ্যমে এটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

সিবেসিয়াস সিস্ট (Sebaceous Cyst): সহজ ভাষায় ত্বকের নিচের একটি সাধারণ টিউমার​আমাদের ত্বকের নিচে অনেক সময় ছোট, গোল এবং শক...
17/07/2026

সিবেসিয়াস সিস্ট (Sebaceous Cyst): সহজ ভাষায় ত্বকের নিচের একটি সাধারণ টিউমার
​আমাদের ত্বকের নিচে অনেক সময় ছোট, গোল এবং শক্ত গোলার মতো কিছু একটা দেখা যায়। চাপ দিলে এটি চামড়ার নিচে কিছুটা নড়াচড়া করে। একে আমরা সাধারণ ভাষায় "সিবেসিয়াস সিস্ট" বা চামড়ার নিচের পানির ঠোসা/টিউমার বলে থাকি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এর বেশিরভাগই আসলে "এপিডরয়েড সিস্ট"। এটি কোনো ক্যান্সার নয় এবং এটি নিয়ে অতিরিক্ত ভয়ের কিছু নেই।
​নিচে খুব সহজ ভাষায় এই সিস্টের কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
​সিবেসিয়াস সিস্ট দেখতে কেমন হয়?
​এটি চামড়ার ঠিক নিচে একটি গোল গুটি বা নোডুলের মতো থাকে।
​সাধারণত মুখ, ঘাড়, বুক, পিঠ কিংবা মাথায় এটি বেশি দেখা যায়।
​সিস্টের ঠিক মাঝখানে একটা ছোট কালো বা অন্ধকার বিন্দুর মতো (Punctum) থাকতে পারে, যা দেখতে ব্ল্যাকহেডসের মতো লাগে।
​চাপ দিলে এটি চামড়ার নিচে সামান্য নড়ে। সাধারণত এতে কোনো ব্যথা থাকে না।
​এর ভেতরে একধরণের সাদা বা হলদেটে, দুর্গন্ধযুক্ত চিজ বা পনিরের মতো ঘন তরল জমা থাকে।
​এটি কেন হয়?
​আমাদের ত্বকের সুস্থতার জন্য চামড়ার নিচে থাকা কিছু গ্রন্থি থেকে প্রাকৃতিকভাবে তেল বা 'সিবাম' এবং 'কেরাটিন' নামের প্রোটিন তৈরি হয়। কোনো কারণে এই তেল বের হওয়ার রাস্তা বা লোমের গোড়া বন্ধ হয়ে গেলে, সেই তেল ও প্রোটিন চামড়ার নিচেই জমতে শুরু করে। আস্তে আস্তে এটি জমে একটি ছোট থলি বা ক্যাপসুলের রূপ নেয়, যাকে আমরা সিস্ট বলি।
​কখন এটি সমস্যা তৈরি করে?
​এমনিতে এটি ক্ষতিকারক নয়, তবে দুটি পরিস্থিতিতে এটি বেশ কষ্টদায়ক হতে পারে:
১. ফেটে গেলে বা ফুলে গেলে: কোনো কারণে সিস্টটি যদি চামড়ার ভেতরেই ফেটে যায়, তবে ভেতরের তরল ছড়িয়ে পড়ে জায়গাটি লাল হয়ে যায়, ফুলে ওঠে এবং প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
২. ইনফেকশন বা পুঁজ হলে: সিস্টে যদি ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে, তবে সেখানে পুঁজ জমে যায়। তখন এটি একটি বড় ফোড়ার মতো দেখায় এবং তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি করে।
​এর চিকিৎসা কী?
​অনেকেই ভাবেন এটি হাত দিয়ে টিপে বা নখ দিয়ে গলিয়ে দূর করা সম্ভব। কিন্তু ভুলেও এই কাজটি করবেন না! হাত দিয়ে চাপ দিলে সিস্টের ভেতরের থলিটি চামড়ার নিচে ফেটে গিয়ে ইনফেকশন আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

​জরুরি একটি তথ্য: সিস্ট পুরোপুরি ভালো করার একমাত্র উপায় হলো অপারেশনের মাধ্যমে ভেতরের তরলসহ পুরো থলিটি (Capsule) সম্পূর্ণ বের করে আনা। যদি থলির সামান্য অংশও ভেতরে রয়ে যায়, তবে কিছুদিন পর সেখানে আবার নতুন করে সিস্ট হতে পারে।
​তাই আপনার বা পরিচিত কারও শরীরে এমন সিস্ট দেখা দিলে নিজে খোঁচাখুঁচি না করে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এটি খুবই ছোট এবং সহজ একটি চিকিৎসার মাধ্যমে পুরোপুরি দূর করা সম্ভব।

লাইপোমা (Lipoma) খুব সাধারণ একটি শারীরিক সমস্যা, যা মূলত চামড়ার নিচে জমে থাকা এক ধরণের চর্বির দলা। চলুন খুব সহজ ভাষায় জে...
17/07/2026

লাইপোমা (Lipoma) খুব সাধারণ একটি শারীরিক সমস্যা, যা মূলত চামড়ার নিচে জমে থাকা এক ধরণের চর্বির দলা। চলুন খুব সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক এটি আসলে কী, কেন হয় এবং এটা নিয়ে ভয়ের কিছু আছে কি না।

​লাইপোমা (Lipoma) কী?
​সহজ কথায়, আমাদের চামড়ার ঠিক নিচে এবং মাংসপেশির ওপরের অংশে যখন কিছু চর্বি বা ফ্যাট এক জায়গায় দলা পাকিয়ে যায়, তখন সেটাকে লাইপোমা বলে।
​এটি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে নরম লাগে।
​চাপ দিলে এটি চামড়ার নিচে সামান্য নড়াচড়া করে (স্পঞ্জ বা রাবারের মতো ফিল হয়)।
​সাধারণত এতে কোনো ব্যথা থাকে না।
​শরীরের যেকোনো জায়গায় হতে পারে, তবে ঘাড়, কাঁধ, পিঠ, হাত এবং উরুতে এটি বেশি দেখা যায়।

​এটি কি ক্যান্সার? (সবচেয়ে বড় ভয়)
​লাইপোমা দেখার পর অনেকেই আতঙ্কে ভাবেন এটি বুঝি ক্যান্সার বা টিউমার।

​সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো: লাইপোমা কোনো ক্যান্সার নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘বিনাইন টিউমার’ (Benign Tumor), যার অর্থ এটি ক্ষতিকর নয় এবং এটি শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে না। লাইপোমা থেকে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।

​কেন হয়?
​লাইপোমা কেন হয়, তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ডাক্তাররা এখনও নিশ্চিত নন। তবে কিছু বিষয়কে এর জন্য দায়ী করা হয়:
​বংশগত কারণ: আপনার পরিবারে (বাবা-মা বা ভাই-বোনের) যদি লাইপোমা থাকে, তবে আপনার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
​বয়স: সাধারণত ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়, তবে যেকোনো বয়সেই হতে পারে।
​ছোটখাটো আঘাত: কোনো জায়গায় আগে জোরে আঘাত পেয়ে থাকলে, অনেক সময় সেখানে চর্বি জমে এমন হতে পারে।

​লক্ষণগুলো কী কী?
​আপনার শরীরে হওয়া ছোট দলাটি যে লাইপোমা, তা বুঝবেন কীভাবে?
১. আকার: এগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় (১ থেকে ২ ইঞ্চির মতো)। তবে খুব কম ক্ষেত্রে এটি ধীরে ধীরে বড়ও হতে পারে।
২. ব্যথাহীন: সাধারণত এতে কোনো ব্যথা বা অস্বস্তি হয় না। তবে লাইপোমাটি যদি শরীরের এমন কোনো জায়গায় হয় যেখানে কোনো নার্ভ বা স্নায়ুর চাপ পড়ছে, তখন সামান্য ব্যথা হতে পারে।
৩. ধীর গতি: এটি খুব আস্তে আস্তে বড় হয়। রাতারাতি বড় হয়ে যাওয়ার রেকর্ড এর নেই।

​এর চিকিৎসা কী?
​যেহেতু লাইপোমা ক্ষতিকর নয়, তাই বেশিরভাগ সময় এর কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। এটি শরীরে যেভাবে আছে সেভাবেই রেখে দেওয়া যায়। তবে নিচের কারণে মানুষ সাধারণত ডাক্তারের কাছে যান:
​সৌন্দর্যের খাতিরে: যদি এটি মুখে, গলায় বা এমন কোনো জায়গায় হয় যা দেখতে খারাপ লাগে।
​অস্বস্তি হলে: কাপড়ের ঘষা লেগে বা নড়াচড়া করতে গিয়ে যদি ব্যথা বা অসুবিধা হয়।

​চিকিৎসার পদ্ধতি:
ডাক্তাররা খুব সাধারণ একটি ছোট সার্জারি (Minor Surgery) করে জায়গাটি অবশ করে লাইপোমাটি বের করে নেন। এতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে এবং রোগী সেদিনই বাড়ি ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া অপারেশনের দাগ না রাখতে চাইলে 'লাইপোসাকশন' (Liposuction) বা সুইয়ের মাধ্যমে চর্বি টেনে বের করার পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়।

​কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
​শরীরে যেকোনো নতুন চাকা বা দলা দেখলে একবার ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হওয়া ভালো। বিশেষ করে যদি দেখেন:
​দলাটি খুব দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে।
​হাত দিলে শক্ত লাগছে (নড়াচড়া করছে না)।
​প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে।

​মনে রাখবেন: লাইপোমা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি আপনার শরীরে কোনো বড় ক্ষতি করবে না। তবে নিজে নিজে চাপাচাপি না করে কোনো সন্দেহ থাকলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

Address

Eastern Medical College And Hospital
Cumilla
3502

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Muniful Islam Inan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category