05/01/2026
পাইলস বা হেমোরয়েডস খুব সাধারণ একটি সমস্যা। লজ্জা বা ভয় থেকে অনেকেই কথা বলেন না, কিন্তু দেরি করলে সমস্যাটা জটিল হয়ে যায়। সহজ ভাষায় বললে, এটি হলো মলদ্বার ও নিচের রেকটামের শিরা ফুলে যাওয়া।
কোষ্ঠকাঠিন্য, জোর দিয়ে পায়খানা করা, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, গর্ভাবস্থা, অতিরিক্ত ওজন— এগুলোই প্রধান কারণ।
আগে লক্ষণ চিনতে পারলে চিকিৎসা অনেক সহজ হয়।
লজ্জায় চুপ থাকলে যেটা আরও বড় হয়
অনেকেই বলেন,
“ব্যথা নাই, শুধু একটু রক্ত যায়— কিছু না।”
এই কথাটা শুনেই সবচেয়ে বেশি পাইলস জটিল হয়।
পাইলস খুব সাধারণ। কিন্তু অবহেলা করলে জীবন দুর্বিষহ করে তোলে।
যে লক্ষণগুলো
পায়খানার সময় উজ্জ্বল লাল রক্ত
টয়লেট পেপারে বা কমোডে রক্ত দেখা
বেশিরভাগ সময় ব্যথা থাকে না
তাই মানুষ গুরুত্ব দেয় না
এরপর ধীরে ধীরে যা আসে
মলদ্বারের চুলকানি, জ্বালা
বসলে অস্বস্তি
বাইরে ছোট গাঁট বা ফোলা
পায়খানার সময় মাংসের মতো কিছু বের হওয়া
যখন ব্যথা শুরু হয়
বুঝতে হবে সমস্যা আর হালকা নেই
বিশেষ করে বাইরের পাইলসে
ভেতরে রক্ত জমলে তীব্র ব্যথা হয়
সবচেয়ে জরুরি হলো
সব রক্তপাত পাইলস নয়
ফিশার, সংক্রমণ এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে
নিজে নিজে ধরে নেওয়া বিপজ্জনক
পাইলস লজ্জার রোগ না।
আগে দেখালে
ওষুধেই সেরে যায়
অপারেশন লাগে না
স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসে
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারও নীরব কষ্ট থামাতে পারে।
লেখকঃ [ডা.আব্দুর রহমান]