21/05/2026
ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারী ঃ
পরিচিতি:
কানের তিনটি প্রধান অংশ।
বহিঃকর্ণ, মধ্য কর্ণ, অন্ত:কর্ণ। অন্ত:কর্ণের অংশ দুটি, একটি ভেস্টিবিউল যা শরীরের ভারসাম্য রক্ষার কাজ করে, অন্যটি ককলিয়া যা শ্রবণের সাথে জড়িত।
কারো ককলিয়া নষ্ট থাকলে সে শুনতে পায় না, তখন তাকে বধির বা দেন্ধা বলে। মানুষের একটি কান ভালো থাকলেও সে ঠিকমতো চলতে পারে কিন্তু যখন দুটি ককলিয়া নষ্ট বা অকেজো থাকে তখন সে আর শুনতে পায় না।
যাদের এই অপারেশন করা হয়ঃ
বাচ্চাদের এই অপারেশন বেশি করা হয়, তবে বড়দেরও করা যায়। সাধারনত বাচ্চার মা বাবা যখন বুজতে পারে তাদের সন্তান শুনতে পায় না তখন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন, সকল পরীক্ষা নীরিক্ষার পর সিউর হোন বাচ্চার ককলিয়া নষ্ট তখন এই অপারেশনের দরকার হয়।
এই অপারেশনর পদ্ধতি ঃ
এটি একটি অত্যন্ত ব্যয় বহুল অপারেশন, পুরো অপারেশনের প্রসিডিওর শেষ করতে ১০-১৫ লক্ষ টাকার দরকার হয়, যা অনেক পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।
কিন্তু এই অপারেশন এখন আমাদের দেশই হচ্ছে।।
এই অপারেশন সিংহ ভাগ খরচ করে সরকার, বাকী অংশ বাচ্চার বাবা মাকে বহন করতে হয়।
এটি যেহেতু অনেক দামী অপারেশন সকলে একটি দীর্ঘ বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়,,এবং শেষ পর্যন্ত যারা টিকবে তারাই কেবল এই অপারেশন এর সুযোগ পাবে।
প্রধান শর্তগুলো হলোঃ
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়স চার বছরের কম হতে হবে,
তাই যতো কম বয়সে রোগ শনাক্ত হবে তার জন্য ততোভালো,
সচেতন মা বাবা হতে হবে,যারা এই ডিভাইসটা মেইনটেইন করতে পারবে।
যেখানে এই অপারেশন হয়ঃ
জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউট, তেজগাঁও ঢাকা,।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল),
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ও অন্যান বিভাগীয় শহরে এই অপারেশন হচ্ছে।
সকলে ধন্যবাদ,
পোস্ট শেয়ার করে অন্যদের জানানোর অনুরোধ করছি।