Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist

Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist, Obstetrician-gynaecologist, Whats app/01841546117, Cumilla.

03/10/2026

আকলিমা।

তৃতীয়বারের মতো মা হতে চলেছিল।
এর আগে দুটো সন্তানই হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশনে।

২৫ সপ্তাহের আল্ট্রাসনোগ্রামে জানা গেল—প্লাসেন্টা জরায়ুর নিচের দিকে।

৩২ সপ্তাহে, এক রাতে হঠাৎ প্রচণ্ড পেটব্যথা শুরু হলো।
ব্যথা বাড়তে বাড়তে একসময় একলিমা প্রায় অচেতন।

গ্রামের প্রত্যন্ত একটা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলো।

কিন্তু সেখানে একটা অদ্ভুত ব্যাপার—

রক্ত কোথায়?

বাইরে কোনো রক্ত নেই।
এক ফোঁটাও না।

তবু একলিমার মুখ একেবারে সাদা। শরীর নিস্তেজ।
দেখলেই মনে হচ্ছিল, সে ভয়াবহ পরিমাণ রক্ত হারিয়েছে।

রক্তের ব্যবস্থা করতে করতেই অনেকটা সময় চলে গেল। কয়েকজন ডোনারকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় বারো ঘণ্টা পর তাকে আমাদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলো।

আমরা দ্রুত পরীক্ষা শুরু করলাম।

প্যারাসেন্টেসিস করতেই সত্যিটা বেরিয়ে এলো—

রক্ত বাইরে বেরোয়নি। রক্ত জমছিল তার পেটের ভেতরে।

জরুরি অপারেশনে abdomen খুলে আমরা দেখলাম—
placenta percreta।

প্লাসেন্টা জরায়ুর দেয়াল ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে এসে জরায়ু perforate করেছে। আর সেই জায়গা দিয়েই রক্তক্ষরণ হয়ে পুরো abdomen রক্তে ভরে গেছে।

এক মুহূর্তের জন্য ভাবুন—

বাইরে এক ফোঁটা রক্ত নেই, অথচ একজন মা ভেতরে ভেতরে রক্তে ডুবে যাচ্ছেন।

জরুরি অপারেশন, রক্ত ও intensive management-এর পর একলিমাকে ICU-তে নিতে হলো।

একলিমার গল্পটা তাই শুধু একটা emergency-এর গল্প নয়।

এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

আগের একাধিক সিজারিয়ানের সঙ্গে প্লাসেন্টা নিচে থাকলে, সেটাকে কখনোই শুধু একটা আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট ভেবে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

কারণ সময়মতো diagnosis, সঠিক সময়ে referral, প্রস্তুত surgical team আর পর্যাপ্ত রক্ত—

কখনো কখনো এগুলোই একজন মায়ের জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানের শেষ আশ্রয়।

 #গর্ভাবস্থায়_পেটব্যথা: কখন চিন্তার কারণ?গর্ভাবস্থায় পেটে একটু ব্যথা বা টান লাগলেই মনে ভয় আসে—“বাচ্চার কোনো সমস্যা হচ্ছে...
03/10/2026

#গর্ভাবস্থায়_পেটব্যথা: কখন চিন্তার কারণ?

গর্ভাবস্থায় পেটে একটু ব্যথা বা টান লাগলেই মনে ভয় আসে—“বাচ্চার কোনো সমস্যা হচ্ছে না তো?”

হালকা পেটব্যথা বা পেট কামড়ানো অনেকেরই হয়। সব সময় এর পেছনে গুরুতর কোনো কারণ থাকে না। তবে সব ব্যথাকে স্বাভাবিক ভেবে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়। ব্যথা কতটা হচ্ছে, কতক্ষণ থাকছে আর সঙ্গে অন্য কোনো লক্ষণ আছে কি না—এসব খেয়াল করা জরুরি।

🌿 কেন হালকা পেটব্যথা হতে পারে?

• জরায়ু বড় হওয়ার কারণে: গর্ভের শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জরায়ুও বড় হয়। জরায়ুকে ধরে রাখা টিস্যুতে টান পড়লে তলপেটে বা কুঁচকির পাশে ব্যথা লাগতে পারে। হঠাৎ ওঠা, পাশ ফেরা বা হাঁচি-কাশির সময় এই টান বেশি বোঝা যায়।

• গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য: গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনে অন্ত্রে খাবার চলাচলের গতি ধীর হয়ে যায়। ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে।

• মাঝেমধ্যে পেট শক্ত হয়ে আসা: গর্ভাবস্থার পরের দিকে পেট কিছুক্ষণের জন্য শক্ত হয়ে আবার স্বাভাবিক হতে পারে। একে ব্র্যাক্সটন হিক্স সংকোচন বলে। এটি সাধারণত অনিয়মিত হয় এবং সময়ের সঙ্গে ক্রমশ বাড়তে থাকে না।

💛 হালকা ব্যথা হলে কী করবেন?

ব্যথা অল্প হলে এবং সঙ্গে কোনো বিপদের লক্ষণ না থাকলে কাজ থামিয়ে একটু বিশ্রাম নিন। ধীরে ধীরে বসা বা শোয়ার ভঙ্গি বদলান। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে খাবারে শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার রাখুন।

বিশ্রাম, পায়খানা বা গ্যাস বের হওয়ার পর ব্যথা কমে গেলে সাধারণত তা কম উদ্বেগের। তবে বারবার হলে বা ব্যথা নিয়ে চিন্তা থাকলে চিকিৎসককে জানান।

🚨 যেসব লক্ষণে দেরি করবেন না

পেটব্যথার সঙ্গে নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নিন—

• যোনিপথে রক্তপাত, অল্প রক্তের দাগ বা পানি বের হওয়া।
• নিয়মিত বিরতিতে পেট শক্ত হওয়া বা ব্যথা আসা—বিশেষ করে ৩৭ সপ্তাহের আগে।
• জ্বর, কাঁপুনি অথবা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা।
• ডান পাশের পাঁজরের নিচে তীব্র ব্যথা, বিশেষ করে সঙ্গে প্রচণ্ড মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা।
• শিশুর নড়াচড়া নিয়মিত বোঝার পর্যায়ে এসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম নড়াচড়া অনুভব করা।
• হালকা ব্যথাও ৩০–৬০ মিনিট বিশ্রামের পর না কমা।

হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, বেশি রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো লাগলে সরাসরি জরুরি বিভাগে যান। গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে এক পাশে ব্যথার সঙ্গে কাঁধের আগায় ব্যথা বা মাথা ঘোরা থাকলেও জরুরি চিকিৎসা দরকার। এসব ক্ষেত্রে ব্যথা কমে কি না দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন না।

কখনো পেটব্যথার কারণ হতে পারে জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ, গর্ভপাত, প্রস্রাবের ইনফেকশন বা গর্ভাবস্থার অন্য কোনো জটিলতা। শুধু লক্ষণ দেখে নিজে থেকে কারণ নিশ্চিত করা যায় না।

নিজে থেকে ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। আবার চিকিৎসকের দেওয়া কোনো ওষুধ নিজে থেকে বন্ধও করবেন না।

*যে কোন পরামর্শের জন্য পেইজের ইনবক্সে মেসেজ করুন *

কৃতজ্ঞতা ------//////--------

#ডাঃ_শাহীনা_ফারজানা
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ডিজিও(ঢাকা মেডিকেল কলেজ),এফসিপিএস(গাইনী এন্ড অবস-ফাইনাল পার্ট),ডিএমইউ(আল্ট্রাসনোগ্রাফি)
গাইনী ও প্রসূতী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

#খিদমাহ_জেনারেল_এন্ড_স্পেশালাইজড_হসপিটাল
ট্রাস্ট সুপার মার্কেট,বাদশা মিয়ার বাজার,শাসনগাছা,কুমিল্লা
#সময়:
প্রতিদিন,শুক্রবারসহ
বিকাল ৪টা - সন্ধ্যা ৬টা
সিরিয়াল: 01841-546117, 01711-781915

ান_হসপিটাল
মহিলা কলেজ হোস্টেল গেট,সদর হাসপাতাল রোড,কুমিল্লা
#সময়:
প্রতিদিন,শুক্রবারসহ
দুপুর ২টা - বিকাল ৪টা
সিরিয়াল: 01841-546117, 01307-832218

#ডাঃশাহীনাফারজানা
#গাইনীবিশেষজ্ঞ
#খিদমাহহাসপাতাল
#এওয়ানহসপিটাল
#কুমিল্লা

 #গর্ভাবস্থায়_সঠিক_ঘুমের_ভঙ্গি_কোনটি? 🤰💤গর্ভাবস্থায় আরামদায়ক ও নিরাপদ ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভঙ্গিতে শোয়া মা ও শ...
02/10/2026

#গর্ভাবস্থায়_সঠিক_ঘুমের_ভঙ্গি_কোনটি? 🤰💤
গর্ভাবস্থায় আরামদায়ক ও নিরাপদ ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভঙ্গিতে শোয়া মা ও শিশুর রক্তপ্রবাহে প্রভাব ফেলে।

নিচে বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভঙ্গিগুলো দেওয়া হলো 👇

✅ বাম পাশে কাত হয়ে (সবচেয়ে নিরাপদ)
• সবচেয়ে সুপারিশকৃত ভঙ্গি
• প্লাসেন্টায় রক্তপ্রবাহ ভালো রাখে
• কিডনির কাজ সহজ করে, ফোলা কমায়
• লিভারের উপর চাপ কমায়

👉 বিশেষ করে ২য় ও ৩য় ত্রৈমাসিকে বাম পাশে শোয়াই সবচেয়ে ভালো।

🙂 ডান পাশে কাত হয়ে
• সাধারণত নিরাপদ
• মাঝে মাঝে পাশ পরিবর্তন করা স্বাভাবিক
• দীর্ঘ সময় এক ভঙ্গিতে না থাকাই ভালো

👉 বাম পাশ বেশি উপকারী হলেও ডান পাশে শোয়া ক্ষতিকর নয়।

⚠️ উপুড় হয়ে (পেটে ভর দিয়ে)
• গর্ভাবস্থার একদম শুরুর দিকে সম্ভব
• পেট বড় হলে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর
• পরে এই ভঙ্গি এড়িয়ে চলা উচিত

❌ চিৎ হয়ে (পিঠের উপর)
• বড় জরায়ু নিচের প্রধান রক্তনালিতে চাপ দেয়
• এতে মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট হতে পারে
• মা ও শিশুর রক্তপ্রবাহ সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে

👉 ২য় ত্রৈমাসিকের পর দীর্ঘ সময় চিৎ হয়ে শোয়া এড়িয়ে চলুন।

✨ আরামদায়ক ঘুমের টিপস
🛏 হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখুন
🛏 পেটের নিচে সাপোর্ট দিন
🛏 পিঠে ছোট বালিশ ব্যবহার করুন
🛏 নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন

💙 মনে রাখবেন, আপনি ঘুমের মধ্যে অজান্তেই পাশ বদলাতে পারেন—এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভঙ্গি বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

💬 আপনি কোন পাশে শুলে বেশি আরাম পান? কমেন্টে জানাতে পারেন 👇

01/10/2026

রাত তখন প্রায় নয়টা।

হাসপাতালের দরজার সামনে একটা মা দাঁড়িয়ে—সাথে তার পাঁচ বছরের আর তিন বছরের দুটো ছোট বাচ্চা।

মা নিজে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দেখলেই মনে হচ্ছে—যেকোনো মুহূর্তে হয়তো মাটিতে পড়ে যাবে।

ওর নাম রূপা।

রূপা নাম হলেও জানি না, রূপার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম হয়েছিল কি না। ওর বাবা-মা কোথায়, এই মুহূর্তে সেটাও জানি না।

শুধু জানি, রাতে রূপা যখন আমাদের কাছে এলো, ওকে একদম paper white লাগছিল।

পেটে তীব্র ব্যথা।

সাথে একটা আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট।

রিপোর্ট বলছে—বারো সপ্তাহের pregnancy।

আর রূপার স্বামী বলছে—রূপা তিন মাসের গর্ভবতী।

কিন্তু রোগীকে সামনে থেকে দেখে আমাদের সন্দেহ হচ্ছিল অন্য কিছু।

গত তিন দিন ধরে তীব্র পেটব্যথা। আগে দুইটা সিজার হয়েছে। আর clinical appearance-এর সাথে paracentesis-এর findings মিলিয়ে আমাদের মনে হচ্ছিল—এটা ruptured ectopic pregnancy হতে পারে।

একদিকে রিপোর্ট এক কথা বলছে, অন্যদিকে রূপার শরীর যেন সম্পূর্ণ অন্য একটা গল্প বলছে।

তখন আর রিপোর্ট নিয়ে বসে থাকার সময় নেই।

আমি ওর স্বামীকে বললাম, দ্রুত রক্তের ব্যবস্থা করতে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রক্ত নিয়ে আসতে হবে।

ওর স্বামী রক্তের জন্য ছুটছে।

আর ঠিক তখনই রূপার gasping শুরু হয়ে গেল।

তীব্র শ্বাসকষ্ট। অবস্থা দ্রুত সংকটজনক হয়ে উঠছে।

অবশেষে রক্ত এলো।

আমরা রূপাকে অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করলাম। General anesthesia দিয়ে অপারেশন শুরু হলো।

পেট খুলতেই আমাদের সন্দেহ সত্যি হলো।

এটা ছিল secondary abdominal pregnancy।

পেটের ভেতর প্রচুর রক্ত। চাকা চাকা রক্ত জমে আছে।

সময় নষ্ট করার কোনো সুযোগ ছিল না।

আমরা অপারেশন শেষ করলাম।

রূপাকে ICU-তে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু অপারেশন শেষ হওয়ার পরও একটা দৃশ্য মাথা থেকে সরছে না—

রূপার সাথে আসা সেই দুটো ছোট বাচ্চা।

একজন পাঁচ বছরের। আরেকজন মাত্র তিন বছরের।

ওরা হয়তো এখনও জানেই না, তাদের মা কোথায়।

জানে না, কেন মা আর তাদের সাথে নেই।

আর আমরাও জানি না—রূপা শেষ পর্যন্ত কেমন থাকবে।

রাতটা আমাদের আবার মনে করিয়ে দিল—

কখনো কখনো একটা রিপোর্ট একটা কথা বলে, কিন্তু রোগীর শরীর আরেকটা গল্প বলে।

আর সেই গল্পটা বুঝতে হয় সময় শেষ হওয়ার আগেই।

30/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️
আজকের দিন শেষ হলো একটি সফল ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি দিয়ে।
প্রসবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে অক্ষুণ্ণ রেখেই মায়ের ব্যথা ও অস্বস্তি অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া—
তারপর মায়ের মুখের প্রশান্তি আর নবজাতকের প্রথম কান্না—
সত্যিই, একজন ObGyn চিকিৎসকের জন্য এর চেয়ে সুন্দর অনুভূতি আর কী হতে পারে! 🌸

30/09/2026

এটি রোগীর ৩য় বাচ্চা। নরমাল ডেলিভারিতে হওয়া সুস্থ-সবল বাচ্চা।

29/09/2026

একবার একটু চোখ বন্ধ করে ভাবুন—
যে মানুষটি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনাকে ডাকে,
যে মা সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিয়ে নিজের ক্ষুধা ভুলে যান,
যে বাবা পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে সারাজীবন পরিশ্রম করে যান,
যে প্রিয় মানুষটি আমাদের জীবনের প্রতিটি সুখ-দুঃখের সঙ্গী—

তাঁর হৃদয়টা যদি হঠাৎ থেমে যায়?

একটি মুহূর্তেই বদলে যেতে পারে একটি পরিবার।
একটি হৃদয়ের স্পন্দন থেমে গেলে থেমে যেতে পারে কারও স্বপ্ন, কারও সংসার, কারও সন্তানের ভবিষ্যৎ।

কিন্তু সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—অনেক হৃদরোগের ঝুঁকি আমরা জেনেও উপেক্ষা করি।
অস্বাস্থ্যকর খাবার খাই, শরীরচর্চা করি না, ধূমপান করি, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি গ্রহণ করি, রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখি না।

❤️ আজ থেকেই কিছু ছোট সিদ্ধান্ত নিই—

স্বাস্থ্যকর খাবার খাব।
অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ভাজাপোড়া খাবার কমাব।
নিয়মিত হাঁটব ও শরীরচর্চা করব।
ধূমপান ও তামাক থেকে দূরে থাকব।
রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়মিত পরীক্ষা করব।
আর কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেব।

মনে রাখবেন—

**“হৃদস্পন্দন থামার আগে সচেতন হোন,

অসুস্থ হওয়ার আগে যত্ন নিন,
আর ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারানোর আগে তাদের হৃদয়কে ভালো রাখুন।”**
Dr. Shahina Farzana

28/09/2026

অনেক রোগী আমাকে একটা প্রশ্ন করেন—
“আপু, আপনি কি নরমাল ডেলিভারি করান, নাকি সিজার করেন?”

আমি আসলে বিষয়টাকে এভাবে দেখি না।

একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—আমার রোগী এবং তার অনাগত সন্তান দুজনেই যেন নিরাপদে থাকে।

একজন রোগী যদি নরমাল ডেলিভারির উপযুক্ত হন, নিয়মিত আমার চেকআপে থাকেন, মা ও বাচ্চার সবকিছু ঠিকঠাক থাকে—তাহলে অযথা কেন সিজার হবে?
সেক্ষেত্রে আমার চেষ্টা থাকে নিরাপদভাবে নরমাল ডেলিভারি করানোর।

আবার কোনো সময় যদি মা বা বাচ্চার এমন কোনো মেডিকেল কারণ থাকে, যেখানে সিজারিয়ান করাটাই নিরাপদ সিদ্ধান্ত—তাহলে সেই সিদ্ধান্তও নিতে হয়। কারণ ডেলিভারির পদ্ধতি আগে থেকে ঠিক করে রাখা নয়; রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিক করাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

আর একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই—
আমি শুধু কোনো একটি হাসপাতালে গিয়ে শুধু নরমাল ডেলিভারি করাই, বা অন্য কোনো হাসপাতালে শুধু সিজার করি—বিষয়টা একদমই এমন নয়।

আমি এ ওয়ানে যেমন ডেলিভারি করাই, খিদমাহ তে ,রোবাস্ট হাসপাতালেও করি, নিউ ভিশন হাসপাতালেও করি।
হাসপাতাল বদলালেই আমার চিকিৎসার নীতিও বদলে যায় না।

আমার কাছে প্রতিটি রোগী আলাদা। প্রতিটি মায়ের পরিস্থিতি আলাদা। প্রতিটি বাচ্চার প্রয়োজনও আলাদা।

তাই শুধু “নরমাল চাই” বা “সিজার চাই”—এভাবে নয়, আমরা চেষ্টা করি মা ও বাচ্চার জন্য সেই মুহূর্তে যেটা সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযুক্ত, সেটাই করার।

কারণ একজন মা যখন তার সন্তানকে আমার কাছে নিয়ে আসেন, তখন তার বিশ্বাসটা আমার কাছে অনেক বড় দায়িত্ব।
সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রেখে, প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই আমার দায়িত্ব। ❤️

28/09/2026

প্রতিটি নরমাল ডেলিভারি একধরনের মানসিক প্রশান্তি নিয়ে আসে।চেষ্টা থাকে নরমাল ডেলিভারি করার, প্রতিটি পেশেন্টের সম্ভব হয় না।
নরমাল ডেলিভারি জন্য কিছু ফ্যাক্টর থাকে, আবার সিজারের জন্য কিছু ফ্যাক্টর থাকে।

তবে গর্ভবতী মায়ের আত্মবিশ্বাস হলো প্রথম শর্ত।সাথে ডাক্তারের নিয়মিত ফলোআপ ও নিয়ম মেনে চলা।

 #গর্ভধারণ_নিয়ে_যত_ভুল_ধারণা গর্ভধারণ যে কোনো নারীর জন্য সুন্দর একটা সময়। অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য সব ধরনের মনোযোগ দ...
23/09/2026

#গর্ভধারণ_নিয়ে_যত_ভুল_ধারণা

গর্ভধারণ যে কোনো নারীর জন্য সুন্দর একটা সময়। অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য সব ধরনের মনোযোগ দেন একজন গর্ভবতী মা। সেজন্য তারা মেনে চলেন নানা ধরনের নিয়মকানুন।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও বাংলাদেশের সমাজে বহু নারী এমন কিছু রীতিনীতি মেনে চলেন যেগুলো বংশপরম্পরায় কিংবা সামাজিকভাবে যুগ যুগ ধরে প্রচলিত আছে।

একজন নারীর গর্ভকালীন অবস্থার জন্য নানা ধরণের মিথ বা কল্পকথা চালু আছে। গর্ভবতী নারী কী করতে পারবেন বা কী করতে পারবেন না এনিয়ে নানা ধরনের ধারণা বা বিশ্বাস প্রচলিত। এসব ধারণা বা বিশ্বাসের সাথে চিকিৎসা বা বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নেই।

আর এগুলো মেনে চলতেও গর্ভবতী নারীকে বিশেষ চাপ দেয়া হয়। তবে অনেক সময়ই এই নিয়মকানুন যতটা না বিজ্ঞানভিত্তিক হয়, তারচেয়ে বেশি হয় দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকা বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।

#সেই_বিশ্বাসগুলো_কি_কি?

১) সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণের সময় কিছু করা যাবে না।

২) লিঙ্গভেদে সৌন্দর্যের তারতম্য মানে মায়ের চেহারা দেখে, ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে, ধারণা করা।

৩) খাবারে সন্তানের গায়ের রঙ নির্ধারণ

৪) খাবারে গর্ভপাতের শঙ্কা করা

৫) কুকুর-বেড়াল রাখা উচিৎ না

৬) সহবাস করা যাবে না

৭) গর্ভাবস্থায় চুল কাটলে পেটের সন্তান জন্মানোর পর চোখে কম দেখে।

৮)পেটের আকার দেখে ছেলে হবে না মেয়ে- এমনটিও ধারণা করা।

৯) পেটের সন্তান ছেলে হলে বেশি নড়াচড়া করে আর মেয়ে হলে তুলনামূলক কম নড়ে।

১০) অন্তত প্রথম তিন মাস পরিবার বাদে বাইরের কাউকে এই খবর না জানানো।

১১) গর্ভাবস্থায় হাতে মেহেদী লাগালে ,এতে করে সন্তানের শ্বেত রোগী হবার সম্ভাবনা থাকে।

উপরের_সব_গুলোই_ভুল_ধারণা।

#কুসংস্কারের_কারণে_গর্ববতী_মায়ের_ক্ষতি
এতে করে অনাগত সন্তানের মা মানসিক চাপে থাকেন।
এতে তার প্রেশার বেড়ে যেতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মানসিক আশান্তি থেকে মিস্ক্যারেজও হতে পারে।

*যে কোন পরামর্শের জন্য পেইজের ইনবক্সে মেসেজ করুন *

কৃতজ্ঞতা ------//////--------

#ডাঃ_শাহীনা_ফারজানা
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ডিজিও(ঢাকা মেডিকেল কলেজ),এফসিপিএস(গাইনী এন্ড অবস-ফাইনাল পার্ট),ডিএমইউ(আল্ট্রাসনোগ্রাফি)
গাইনী ও প্রসূতী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

#খিদমাহ_জেনারেল_এন্ড_স্পেশালাইজড_হসপিটাল
ট্রাস্ট সুপার মার্কেট,বাদশা মিয়ার বাজার,শাসনগাছা,কুমিল্লা
#সময়:
প্রতিদিন,শুক্রবারসহ
বিকাল ৪টা - সন্ধ্যা ৬টা
সিরিয়াল: 01841-546117, 01711-781915

ান_হসপিটাল
মহিলা কলেজ হোস্টেল গেট,সদর হাসপাতাল রোড,কুমিল্লা
#সময়:
প্রতিদিন,শুক্রবারসহ
দুপুর ২টা - বিকাল ৪টা
সিরিয়াল: 01841-546117, 01307-832218

#ডাঃশাহীনাফারজানা
#গাইনীবিশেষজ্ঞ
#খিদমাহহাসপাতাল
#এওয়ানহসপিটাল
#কুমিল্লা

Address

Whats App/01841546117
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share