Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist

Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist, Obstetrician-gynaecologist, Whats app/01841546117, Cumilla.

এই হাসিমাখা মুখটি অনেক কিছু বলে দেয়। 💙ভদ্রমহিলার এটি ছিল ষষ্ঠবারের গর্ভধারণ (৬th gravida), ৩৬ সপ্তাহের একটি জটিল গর্ভাবস...
30/07/2026

এই হাসিমাখা মুখটি অনেক কিছু বলে দেয়। 💙

ভদ্রমহিলার এটি ছিল ষষ্ঠবারের গর্ভধারণ (৬th gravida), ৩৬ সপ্তাহের একটি জটিল গর্ভাবস্থার কেস। অনেক ব্লিডিং নিয়ে এসেছিল।
রোগী লো-লাইং প্লাসেন্টা (Low-lying Placenta)থেকে হওয়া অ্যান্টিপার্টাম হেমোরেজ (APH)--এর কারণে শকে চলে গিয়েছিলেন।

প্রথমে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে স্থিতিশীল (Resuscitation) করা হয়। এরপর জরুরি *সিজারিয়ান অপারেশন (LSCS) সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

বর্তমানে মা সুস্থ আছেন।
নবজাতককে প্রয়োজনীয় নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার জন্য শিশু বিভাগে (Paediatrics) ভর্তি রাখা হয়েছে।যেহেতু বাচ্চা সময়ের আগেই চলে এসেছে।

এমন একটি হাসিই, আমাদের সব পরিশ্রমকে সার্থক করে তোলে।

This happy face means a lot.this was a case of 6th gravida 36 wks pregnancy with APH due to low lying placenta with shock.we resuscitated and then LSCS done..Baby is admitted in paediatrics.
miss case.

28/07/2026
গর্ভাবস্থার ৩টি ধাপ — প্রতিটি ধাপে করণীয় যা প্রত্যেক মায়ের জেনে রাখা উচিত:-১ম ট্রাইমেস্টার (সপ্তাহ ১–১২)🌱 সূচনা পর্ব:✨ ৬...
23/07/2026

গর্ভাবস্থার ৩টি ধাপ — প্রতিটি ধাপে করণীয় যা প্রত্যেক মায়ের জেনে রাখা উচিত:-

১ম ট্রাইমেস্টার (সপ্তাহ ১–১২)
🌱 সূচনা পর্ব:
✨ ৬ সপ্তাহেই শিশুর হৃদস্পন্দন শুরু হয়।
✨ মস্তিষ্ক ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হতে থাকে।
✨ শিশু একটি লেবুর আকৃতি ধারণ করে।
✨ বমি ভাব ও ক্লান্তি হওয়া স্বাভাবিক।

⚠️ করণীয়:
ফলিক এসিড গ্রহণ করুন, ভারী কাজ বর্জন করুন এবং প্রথম আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিন।

২য় ট্রাইমেস্টার (সপ্তাহ ১৩–২৭)
🌿 বিকাশ পর্ব:
✨ মা প্রথমবার শিশুর নড়াচড়া অনুভব করেন।
✨ শিশু শব্দ শুনতে পায়, তাই কোরআন তেলাওয়াত করা উত্তম।
✨ চেহারার অবয়ব স্পষ্ট হয় ও লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়।
✨ মায়ের ওজন ও পেটের আকার বাড়তে থাকে।

⚠️ করণীয়:
আয়রন ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খান, নিয়মিত হাঁটুন এবং রুটিন চেকআপ করান।

৩য় ট্রাইমেস্টার (সপ্তাহ ২৮–৪০)
🌸 প্রস্তুতি পর্ব:
✨ শিশুর ওজন দ্রুত বাড়ে ও ফুসফুস পরিপক্ক হয়।
✨ জন্মের জন্য শিশুর মাথা নিচের দিকে নামতে থাকে।
✨ পিঠব্যথা বা পায়ে পানি আসার মতো সমস্যা হতে পারে।
✨ ৩৭ সপ্তাহের পর যেকোনো সময় প্রসব হতে পারে।

⚠️ করণীয়:
ডেলিভারি ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং নড়াচড়া কমলে দ্রুত ডাক্তার দেখান।

#গর্ভাবস্থা #মাতৃস্বাস্থ্য #ডাঃশাহীনাফারজানা

22/07/2026

সাদা স্রাবের কারণে কি কি ক্ষতি হয়?
জেনে নিন সমাধান,

🚨 গর্ভাবস্থায় ইউরিন ইনফেকশন (UTI): লক্ষণ ও করণীয়:📍 প্রধান লক্ষণসমূহ:🔥 প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া: প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্...
21/07/2026

🚨 গর্ভাবস্থায় ইউরিন ইনফেকশন (UTI): লক্ষণ ও করণীয়:
📍 প্রধান লক্ষণসমূহ:
🔥 প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া: প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্বালা বা ব্যথা অনুভব করা।
⏰ ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ: বারবার টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়া, কিন্তু প্রস্রাবের পরিমাণ খুব কম হওয়া।
☁️ প্রস্রাবের পরিবর্তন: প্রস্রাব ঘোলাটে হওয়া, কড়া দুর্গন্ধ থাকা অথবা লালচে ভাব (রক্ত) থাকা।
😫 তলপেটে অস্বস্তি: তলপেটে বা পেলভিক এরিয়াতে ভারি ভাব বা চাপ অনুভব করা।

⚠️ বিপদ সংকেত (ইনফেকশন কিডনিতে ছড়িয়ে পড়লে):

যদি ইনফেকশনটি জটিল আকার ধারণ করে তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
🤒 কাঁপুনিসহ উচ্চ জ্বর।
🤢 বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
🩹 পিঠের পেছনের দিকে বা পাঁজরের নিচে একপাশে তীব্র ব্যথা।

✅ প্রতিরোধের কিছু সহজ উপায়:
১. সারাদিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
২. 🚽 প্রস্রাব চেপে রাখবেন না
৩. টয়লেট ব্যবহারের পর সামনে থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার করুন (Front to Back)।
৪. ঢিলা ও সুতি অন্তর্বাস ব্যবহার করুন
৫. গর্ভাবস্থায় লক্ষণ না থাকলেও রুটিন ইউরিন টেস্ট করানো খুব দরজার।
#গাইনী #কুমিল্লা #ডাঃশাহীনাফারজানা

🌸 গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গাইনি বিশেষজ্ঞের চেকআপ কেন জরুরি?মা হওয়া আল্লাহর বড় নেয়ামত ❤️কিন্তু একটু অসতর্ক হলেই মা ও শিশুর জন্...
17/07/2026

🌸 গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গাইনি বিশেষজ্ঞের চেকআপ কেন জরুরি?
মা হওয়া আল্লাহর বড় নেয়ামত ❤️
কিন্তু একটু অসতর্ক হলেই মা ও শিশুর জন্য হতে পারে বড় বিপদ।

❗অনেকে ভাবেন—
“কোন সমস্যা তো নাই, তাহলে ডাক্তার দেখাবো কেন?”
এই ভুল ধারণার কারণেই অনেক সময় হঠাৎ জটিলতা দেখা দেয়।

👩‍⚕️ একজন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তার যেমন—
Obstetrics and Gynecology (গাইনি বিশেষজ্ঞ) নিয়মিত চেকআপ করলে—
✅ বাচ্চার সঠিক বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা জানা যায়
✅ মায়ের রক্তস্বল্পতা, প্রেসার, সুগার আগে থেকেই ধরা পড়ে
✅ বাচ্চার অবস্থান ঠিক আছে কিনা বোঝা যায়
✅ প্রসবের আগেই ঝুঁকি নির্ণয় করা যায়

⚠️ মনে রাখবেন—
অনেক সময় কোনো ব্যথা বা সমস্যা ছাড়াই
মায়ের প্রেসার বেড়ে যায়,
রক্ত কমে যায়,
বাচ্চার নড়াচড়া কমে যায়—
যা হঠাৎ বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

📅 তাই অন্তত মাসে ১ বার (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী) চেকআপ করুন।

🚫 গ্রামের দাই বা শুধু আল্ট্রাসাউন্ড করালেই সব ঠিক থাকে না।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ফলোআপ খুব জরুরি।

👉 আজ একটু কষ্ট করে ডাক্তার দেখালে
আগামীকাল বড় বিপদ থেকে বাঁচতে পারবেন।
মা সুস্থ থাকলে তবেই সুস্থ সন্তান জন্ম নেবে 🌿

📞 এখনই সময় নিন, নিয়মিত চেকআপ শুরু করুন।
#কুমিল্লা
#গাইনীবিশেষজ্ঞ
#ডাঃশাহীনাফারজানা

গর্ভাবস্থায় সঠিক ঘুমের ভঙ্গি কোনটি? 🤰💤গর্ভাবস্থায় আরামদায়ক ও নিরাপদ ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভঙ্গিতে শোয়া মা ও শিশ...
16/07/2026

গর্ভাবস্থায় সঠিক ঘুমের ভঙ্গি কোনটি? 🤰💤
গর্ভাবস্থায় আরামদায়ক ও নিরাপদ ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভঙ্গিতে শোয়া মা ও শিশুর রক্তপ্রবাহে প্রভাব ফেলে।

নিচে বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভঙ্গিগুলো দেওয়া হলো 👇

✅ বাম পাশে কাত হয়ে (সবচেয়ে নিরাপদ)
• সবচেয়ে সুপারিশকৃত ভঙ্গি
• প্লাসেন্টায় রক্তপ্রবাহ ভালো রাখে
• কিডনির কাজ সহজ করে, ফোলা কমায়
• লিভারের উপর চাপ কমায়

👉 বিশেষ করে ২য় ও ৩য় ত্রৈমাসিকে বাম পাশে শোয়াই সবচেয়ে ভালো।

🙂 ডান পাশে কাত হয়ে
• সাধারণত নিরাপদ
• মাঝে মাঝে পাশ পরিবর্তন করা স্বাভাবিক
• দীর্ঘ সময় এক ভঙ্গিতে না থাকাই ভালো

👉 বাম পাশ বেশি উপকারী হলেও ডান পাশে শোয়া ক্ষতিকর নয়।

⚠️ উপুড় হয়ে (পেটে ভর দিয়ে)
• গর্ভাবস্থার একদম শুরুর দিকে সম্ভব
• পেট বড় হলে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর
• পরে এই ভঙ্গি এড়িয়ে চলা উচিত

❌ চিৎ হয়ে (পিঠের উপর)
• বড় জরায়ু নিচের প্রধান রক্তনালিতে চাপ দেয়
• এতে মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট হতে পারে
• মা ও শিশুর রক্তপ্রবাহ সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে

👉 ২য় ত্রৈমাসিকের পর দীর্ঘ সময় চিৎ হয়ে শোয়া এড়িয়ে চলুন।

✨ আরামদায়ক ঘুমের টিপস
🛏 হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখুন
🛏 পেটের নিচে সাপোর্ট দিন
🛏 পিঠে ছোট বালিশ ব্যবহার করুন
🛏 নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন

💙 মনে রাখবেন, আপনি ঘুমের মধ্যে অজান্তেই পাশ বদলাতে পারেন—এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভঙ্গি বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

💬 আপনি কোন পাশে শুলে বেশি আরাম পান? কমেন্টে জানাতে পারেন 👇



 #বিয়ের_পর_কতদিন_চেষ্টা_করার_পরে_ডাক্তার_দেখানো_উচিতবিয়ের পর এক বছর চেষ্টা করার পর (যদি মহিলার বয়স ৩৫-এর কম হয়) বা ছয় মা...
15/07/2026

#বিয়ের_পর_কতদিন_চেষ্টা_করার_পরে_ডাক্তার_দেখানো_উচিত

বিয়ের পর এক বছর চেষ্টা করার পর (যদি মহিলার বয়স ৩৫-এর কম হয়) বা ছয় মাস চেষ্টা করার পর (যদি মহিলার বয়স ৩৫ বা তার বেশি হয়) ডাক্তার দেখানো উচিত।

এছাড়া, যদি মাসিকের কোনো সমস্যা থাকে, যেমন অনিয়মিত মাসিক বা মাসিক অনুপস্থিত থাকে, তাহলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

াক্তার_দেখানো_উচিত

# যদি আপনার বয়স ৩৫ বছরের কম হয়: ------------
যদি আপনি ১ বছর ধরে নিয়মিত চেষ্টা করার পরেও গর্ভধারণ করতে না পারেন, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

# যদি আপনার বয়স ৩৫ বা তার বেশি হয়: ------------
৬ মাস নিয়মিত চেষ্টার পর ডাক্তার দেখানো উচিত, কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে উর্বরতার সম্ভাবনা কমে যায়।

যদি আপনার #অনিয়মিত_বা_অনুপস্থিত_মাসিক_থাকে:-----
যদি আপনার মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়, খুব বেশি যন্ত্রণাদায়ক হয়, বা মাসিক পুরোপুরি না হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যদি আপনার কোনো পরিচিত স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে:-----
যদি আপনি জানেন যে আপনার কোনো প্রজনন সমস্যা থাকতে পারে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
কিছু সাধারণ পরামর্শ------------------

#দুজনেরই_পরীক্ষা_করানো_উচিত:
উর্বরতার সমস্যার কারণ নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই থাকতে পারে, তাই উভয় সঙ্গীরই পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

#সময়মতো_চিকিৎসকের_পরামর্শ_নিন:
কিছু ক্ষেত্রে, যেমন বয়স ৩৫ এর বেশি হলে, চিকিৎসা করলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

#গাইনীবিশেষজ্ঞ
#কুমিল্লা
#ডাঃশাহীনাফারজানা

 #টিটি_টিকা_দেওয়ার_সময়সূচী:------যদি কোনো মায়ের আগে থেকে টিকা নেওয়া না থাকে, তবে গর্ভাবস্থায় মোট ৫টি ডোজের একটি কোর্স শু...
14/07/2026

#টিটি_টিকা_দেওয়ার_সময়সূচী:------
যদি কোনো মায়ের আগে থেকে টিকা নেওয়া না থাকে,
তবে গর্ভাবস্থায় মোট ৫টি ডোজের একটি কোর্স শুরু করতে হয়।

টিটি টিকা এর সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো:-------------------------

▪️১ম ডোজ: গর্ভাবস্থার ৫ মাস (২০ সপ্তাহ) পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময়।

▪️২য় ডোজ: ১ম ডোজ দেওয়ার অন্তত ৪ সপ্তাহ (১ মাস) পর।

▪️৩য় ডোজ: ২য় ডোজ দেওয়ার অন্তত ৬ মাস পর।

▪️৪র্থ ডোজ: ৩য় ডোজ দেওয়ার অন্তত ১ বছর পর।

▪️৫ম ডোজ: ৪র্থ ডোজ দেওয়ার অন্তত ১ বছর পর।

‼️কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

❖ আগে টিকা নেওয়া থাকলে: ৫টি ডোজ আগে থেকেই শেষ করা থাকলে গর্ভাবস্থায় নতুন টিকার প্রয়োজন নেই। তবে সব ডোজ দেয়া হয়ে গেলে, ৫ বছর পর ডাক্তার চাইলে একটি বুস্টার ডোজ নিতে পারেন।

❖ কেন দেবেন:
মা ও নবজাতককে ধনুষ্টঙ্কার রোগ থেকে ১০০% রক্ষা করতে এই টিকা জরুরি।

❖ কোথায় পাবেন:
সরকারি হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র বা পাশের ইপিআই (EPI) কেন্দ্রে বিনামূল্যে পাবেন।

‼️মনে না থাকলে:
আগের টিকার কথা মনে না থাকলে দেরি না করে স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন; তিনি সঠিক সময় ঠিক করে দেবেন।

Address

Whats App/01841546117
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Shahina Farzana -Gynaecologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share