Dr- R. A. Khan

Dr- R. A. Khan জেনারেল ফিজিশিয়ান 🩺
ফিউচার সার্জন 👨‍⚕️ ইন শা আল্লাহ

08/06/2026

কিভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজেদেরকে বাঁচানো যায়!

Dr. R. A. Khan
MBBS

07/06/2026

মাইক্রোপ্লাস্টিক কি? মাইক্রোপ্লাস্টিক কিভাবে আমাদের ক্ষতি করে?

Dr. R. A. Khan
MBBS

শিশুটি শুধু কাঁদছিল...হয়তো ক্ষুধায় বা হয়তো কোলে যেতে চেয়েছিল। বা পেট ব্যথা করছিল।আমরা কেউই আর জানব না কেন! 💔শুধু এটুকু জ...
06/06/2026

শিশুটি শুধু কাঁদছিল...
হয়তো ক্ষুধায় বা হয়তো কোলে যেতে চেয়েছিল। বা পেট ব্যথা করছিল।
আমরা কেউই আর জানব না কেন! 💔
শুধু এটুকু জানা গেছে, কিছুক্ষণ আগেও যে শিশুটি জীবিত ছিল, সে হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে গেল এরপর আর শ্বাস নেয়নি।
প্রথমে মনে হয়েছিল স্বাভাবিক মৃত্যু।
কারণ তার শরীরে বড় কোনো আঘাতের দাগ ছিল না।
হাত-পা ভাঙা ছিল না। মুখে রক্ত ছিল না। বাইরে থেকে দেখে ভয় পাওয়ার মতো কিছুই ছিল না।

কিন্তু মানুষের চোখে যা ধরা পড়ে না, অনেক সময় সত্যটা তার চেয়েও ভয়ংকর হয়।
ময়নাতদন্তে দেখা গেল শিশুটির মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে। মস্তিষ্ক ফুলে গেছে। এমন কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা সাধারণ পড়ে যাওয়ায় হয় না।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর একটি পরিচিত নাম আছে Shaken Baby Syndrome।
অনেক বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি বা অভিভাবক হয়তো বিষয়টি জানেন না।
একটি শিশুকে রাগের মাথায় বা কান্না থামানোর জন্য জোরে ঝাঁকানো অত্যন্ত বিপজ্জনক।
কারণ শিশুর ঘাড় এখনও শক্ত হয় না।
তার ছোট্ট মাথাটা শরীরের তুলনায় অনেক ভারী থাকে।
ফলে জোরে ঝাঁকুনি দিলে মস্তিষ্ক খুলির ভেতরে বারবার আঘাত পায়।
বাইরে থেকে কিছু বোঝা না গেলেও ভেতরে ভেতরে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
কিছু শিশু বেঁচে যায়, কিন্তু সারা জীবনের জন্য দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি বা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ হারিয়ে ফেলে।
আবার কিছু শিশু মারা যায়...
এসব ঘটনা অনেক সময় ইচ্ছাকৃত হত্যার উদ্দেশ্যে ঘটে না।
ঘটে রাগ থেকে। অধৈর্যতা থেকে। "চুপ করানোর" চেষ্টা থেকে।
কিন্তু ফলাফল একই।

তাই আপনার বাসায় যদি ছোট শিশু থাকে, এই বিষয়টি সবাইকে জানান।
মা-বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, কাজের মানুষ, বড় ভাই-বোন—সবার জানা দরকার।
কারণ একটি শিশুর কান্না আপনাকে বিরক্ত করতে পারে, কিন্তু সেই কান্না কখনোই তার জীবন কেড়ে নেওয়ার কারণ হওয়া উচিত নয়।

এই লেখাটি যদি একজন মানুষও পড়ে সচেতন হন, তাহলেও হয়তো কোনো এক শিশুর জীবন বেঁচে যাবে।
শিশুকে কখনো ঝাঁকাবেন না। কখনোই না।

শেয়ার করুন, আপনার শেয়ার কোন পরিবারকে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডি থেকে বাঁচাতে পারে

Dr-Abdur Rahman

মহাশয় "চাইনিজ তেলাপোকা ব্রো" বেচারীর কানের ভিতর ভয়ঙ্কর গ্যাঞ্জাম বাধায় দিসিলো। মহিলা মনে করেছেন তার মনোজগতে কে এমন আলোড়ন...
05/06/2026

মহাশয় "চাইনিজ তেলাপোকা ব্রো" বেচারীর কানের ভিতর ভয়ঙ্কর গ্যাঞ্জাম বাধায় দিসিলো। মহিলা মনে করেছেন তার মনোজগতে কে এমন আলোড়ন সৃষ্টি করিলো? কে এই হাতি?আর এতেই উনি ভীতসন্ত্রস্ত হইয়া অশ্রু বিসর্জন দিতে দিতে ইমারজেন্সিতে আসিলো। ক্যামেরা অন কইরা দেখি চাইনিজ ব্রো আমারে দেখিয়া "হাই" দিচ্ছে, তাই কালক্ষেপণ না করিয়া তাহাকে বাস্তুচ্যুত করিলাম। বের করার পর দেখি ব্রো নিতান্তই নাদান শিশু🥴

কিছুই লিখলাম না। যারা বুঝার এমনিতেই বুঝবে। এমন কইরেন না প্লিজ। ঢুকাতে আপনাদের যতটা কষ্ট হয়, বের করতে ডাক্তারদের তার চেয়ে...
03/06/2026

কিছুই লিখলাম না। যারা বুঝার এমনিতেই বুঝবে। এমন কইরেন না প্লিজ। ঢুকাতে আপনাদের যতটা কষ্ট হয়, বের করতে ডাক্তারদের তার চেয়েও বেশি কষ্ট হয়।

*কালেক্টেড*

আলহামদুলিল্লাহ!!!‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় ‘রিং’ আটকে যাওয়া এক রোগীর অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করলাম, ‘পুরু'ষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই...
01/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ!!!

‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় ‘রিং’ আটকে যাওয়া এক রোগীর অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করলাম, ‘পুরু'ষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই। রোগী অপারেশনের পর ভালো আছে, হাসিখুশি আছে।

রোগী কবিরাজের প্ররোচনা বা বাজি ধরে—যে কোনো কারণেই হোক—এমনভাবে ‘রিং’ ‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় প্রবেশ করান, যা পরবর্তীতে বরফ, স্থানীয় হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইমার্জেন্সিতে ইলেকট্রিক স দিয়ে কেটেও বের করা সম্ভব হয়নি। কারণ ‘রিং’টি এতটাই ছোট এবং শক্তিশালী ছিল যে এটি স দিয়ে কাটা যাচ্ছিল না, এমনকি হাতের ছোট আঙুলেও ঢোকানো কষ্টকর।

যাহোক, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল যে রোগী ভেবে নিয়েছিল—‘পুরু'ষাঙ্গ’ গোড়া থেকে কেটে ফেলতে হতে পারে। কারণ গোড়ার তুলনায় অংশটি ৫/৬ গুণ মোটা হয়ে গিয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত পরিকল্পিত সূক্ষ্ম সার্জারির মাধ্যমে ‘পুরু'ষাঙ্গে’ সামান্য ফুটো করে, ‘পুরুষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই যখন ‘রিং’টি বের করা হলো—রোগী তখন অবাক হয়ে বলল—

“স্যার, কি ম্যাজিক করলেন?”

আমি বললাম—না, সার্জারি কোনো ম্যাজিক নয়। সার্জারি হলো পরিকল্পিত কাটাছেঁড়া।

এই ঘটনাটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—

উত্তেজনা, কৌতূহল বা ভুল পরামর্শে শরীরের এমন সংবেদনশীল স্থানে(পুরুষাঙ্গ বা পায়ুপথ) কখনোই কোনো বস্তু প্রবেশ করাবেন না কারন কখন তা গুলিস্তান পার হয়ে পাকিস্তান চলে যাবে তা টের পাবেন না। একবার আটকে গেলে সেটি বের করা অত্যন্ত জটিল হয়ে যায়, অনেক সময় বড় অপারেশন ছাড়া সম্ভব হয় না।এরপর চিকিৎসা নিতে পদে পদে আপনি অসম্মানিত হবেন।যদিও আমরা ঢাকা মেডিকেলে এই রোগিকে যথেষ্ট সম্মান পুর্বক দ্রুত অপারেশন করে দেই।কিন্তু সবসময়ই আমরা থাকবনা।

আজ রোগী রক্ষা পেলেও, এমন ঘটনা সবসময় এত সহজে সমাধান নাও হতে পারে।

সবাইকে অনুরোধ করছি—সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

পোস্টটি শেয়ার করে সচেতন করুন সবাইকে।

Dr.Aminul Islam

আমাদের মায়েরাও মিথ্যা শিখে যাচ্ছে.. ০১.২ দিনের বাচ্চা। জন্ম থেকে হার্টের অসুখ তথা CHD নিয়ে জন্ম হইসে। । বাচ্চার জীবন মরণ...
24/05/2026

আমাদের মায়েরাও মিথ্যা শিখে যাচ্ছে..

০১.
২ দিনের বাচ্চা। জন্ম থেকে হার্টের অসুখ তথা CHD নিয়ে জন্ম হইসে। । বাচ্চার জীবন মরণ লড়াই। নাইট ডিউটি করতেসি, রাত তিনটার মতো বাজে। বাচ্চা হঠাৎ খারাপ হয়ে গেসে। মা এসে বলতেসে নার্সরা বাচ্চাকে মেরে ফেলসে। ঠিক মতো ঔষধ দেয় নি।

দৌড়ে গেলাম। গিয়ে দেখি নার্সরা আম্বু দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। বাচ্চা বেঁচে আছে। তবে যায় যায় অবস্থা।

বললাম," মা বাচ্চা তো মারা যায় নি। মিথ্যা কথা কেনো বলেছেন।"
বললো— স্যার, মরে গেসিলো, নার্সরা যন্ত্র দিয়ে ফিরায়া আনসে।

আমি বললাম, মা একবার কেউ মারা গেলে তাকে ফিরায়া আনা যায়? আর আপনি অভিযোগ করতেসেন ভুল ঔষধ দিতেসে। এটা কিভাবে বলেন? বাচ্চাটা তো হার্টের রোগী। যেকোন সময়ই খারাপ হতে পারে।

পরে শুনলাম সকালে রোগীর মা'র সাথে নার্সদের একটু কথা কাটাকাটি হইসিলো। সেই থেকে অন্তর্দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য। সেজন্য বাচ্চা খারাপের সুযোগ বুঝে ডাক্তার, নার্স সবার নামে একযোগে আবেগে এবং প্রতিশোধে যা ইচ্ছা বলেতেসে।

আমি শান্ত হয়ে বললাম— মা, আপনি এটা বলেন যে নার্সদের সাথে আপনার একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি তাহলে সেটার মীমাংসা করে দেই। দেখেন এটা সরকারি হসপিটাল, বেডের তুলনায় দ্বিগুন রোগী। নার্স ডাক্তার যত দরকার তার অর্ধেকও পোস্টিং নাই। এই পরিবেশে আপনাদের থাকতে কষ্ট, চিকিৎসা নিতেও কষ্ট হয়। ডাক্তার, নার্সদেরও সেবা দিতে কষ্ট হয়। আমাদের সবারই সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। নাহলে সবার জন্যই কঠিন হয়ে যাবে সেবা দেওয়া, সেবা নেওয়া।

০২.
আজ ইভিনিং ডিউটি করতেসি। একটা বাচ্চা এসেছে, ডায়রিয়ার রোগী। পানিশূন্যতা আছে ভালোই। স্যালাইন অর্ডার দিয়েছি। নার্সরাও বাচ্চাকে ক্যানুলা করে স্যালাইন দিয়েছেন।

বিশ মিনিট পর রোগীর মা হাঁপায়া আসলো, বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। দৌড়ে গেলাম চারতলা থেকে একতলার ডায়রিয়া ওয়ার্ডে। গিয়ে দেখি বাচ্চার আসলেই শ্বাসকষ্ট। রোগীর মা'র দাবি স্যালাইন দেওয়াতে তা হয়েছে। আমি খানিকটা ভয় পেয়ে গেলাম। দেখলাম কাগজে সাইন আমার করা। আমিই স্যালাইন অর্ডার দিয়েছি। ভাবতে লাগলাম নরমাল কলেরা স্যালাইনে কোন ডায়রিয়ার রোগীর এই অবস্থা হওয়ার কথা না, যদি না তার অন্য কোন রোগ না থাকে।

তড়িঘড়ি করে স্টেথো দিয়ে রোগীর ফুসফুস চেক করলাম। রোগীর জামা কাপড় খুললাম, হেলান দিয়ে বসালাম যেন শ্বাস নিতে সহজ হয়। অক্সিজেন দিলাম, নেবুলাইজ করলাম, আইভি কর্টিসল দিলাম।

এর ফাঁকে বাচ্চার কোন রোগ ছিলো কিনা মাকে জিজ্ঞেস করতে লাগলাম। এক পর্যায়ে কোন কিছু না পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, বাচ্চাকে মাঝে কি খাওয়াইসেন? মা বলে, ডাবের পানি। জিজ্ঞেস করলাম, কিভাবে খাওয়াইসেন? শুইয়ে?

বাচ্চার মা বলে, না স্যার। বসায়া।

বাচ্চার নানি ছিলো পাশে। বললো, শুয়ায়েই খাওয়াইসি স্যার। রোগীর নানী রোগীর মাকে ইঙ্গিত করে বললো, শুয়াইয়েই তো খাইছস।

আমি বললাম, দু'জন দুই কথা বললে কেমনে কি? সত্যটা বলেন।

পরে মা স্বীকার করলো৷

বললাম, মা মিথ্যা কথা বললে কেমনে কি? আপনাদের তো সরল সোজা ভাবি, কিন্তু বিপদে এমনে ফালায়া দিলে মহা মুশকিল।

বাচ্চাকে ডাবের পানি শুয়াইয়ে খাইওয়াইতে গিয়ে ফুসফুস পানি চলে গেসে। তাই বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিলো।

পাঁচ মিনিট পর বাচ্চার শ্বাসকষ্ট কমলো। আমি আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করলাম।

পানি বেশী খাওয়াই নাই, তাই এই যাত্রায় বেঁচে গেসে। নাহলে সোনার চাঁন হারাইত মা আর মরার দায়ভার যাইত ডাক্তারের ওপর দিয়া।

খুবই ডেঞ্জারাস অবস্থায় আছে বাংলাদেশের ডক্টর-প্যাশেন্টস, নার্স-প্যাশেন্টস রিলেশনশিপ ও কমিউনিকেশন। বিশেষ করে ইমার্জেন্সি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার পার্টে ভয়াবহ অবস্থা।

এর কারণ কি, এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা হতে পারে। থিসিস, পিএইচডি পর্যন্ত চালু করা যেতে পারে। শুধু ডাক্তার না মাল্টি সেক্টরাল গবেষকের ইনভলভ প্রয়োজন হবে এতে। যা এইদেশে বিলাসিতা।

তবু স্বপ্ন দেখতে তো সমস্যা নাই..

-Dr. Md Kamrul Islam

বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৫ সালের বেস্ট ইনভেনশনসের তালিকায় স্থান পেয়েছে icddr,b এর তৈরি খাদ্য ফরমুলা।Microbiota-Dir...
24/05/2026

বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৫ সালের বেস্ট ইনভেনশনসের তালিকায় স্থান পেয়েছে icddr,b এর তৈরি খাদ্য ফরমুলা।

Microbiota-Directed Complementary Food বা MDCF-2 নামের স্বল্পমূল্যের এই খাদ্য ফরমুলাটি তৈরি করা হয়েছে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম পুনর্গঠন করে তাদের বৃদ্ধি, ইমিউনিটি ও মস্তিষ্কের বিকাশ বাড়ানোর জন্যে।

icddr,b-এর ড. তাহমিদ আহমেদ এবং ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ড. জেফরি গর্ডন এর যৌথ গবেষণায় তৈরি হয়েছে ফরমুলাটি। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে এটি।

বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, মালি ও তানজানিয়ায় গবেষণা চলছে এই MDCF-2 নিয়ে।

Alhamdulillah Another Wonderful Success For Our Doctors🧡

DNA Medical Mart

যে হারে দেশে ডাক্তারদের ওপর চড়াও হওয়া শুরু হয়েছে, মানুষ মনে হয় ভুলেই গেছে যে জন্ম-মৃত্যুর মালিক একমাত্র আল্লাহ! ডাক্তারর...
18/05/2026

যে হারে দেশে ডাক্তারদের ওপর চড়াও হওয়া শুরু হয়েছে, মানুষ মনে হয় ভুলেই গেছে যে জন্ম-মৃত্যুর মালিক একমাত্র আল্লাহ! ডাক্তাররা উসিলা মাত্র, তারা জীবন দেওয়ার গ্যারান্টি দিতে পারে না।

এই চরম অরাজকতা আর আতঙ্কের কারণে এখনকার তরুণ ডাক্তাররা আর এই পেশায় থাকতে চাচ্ছে না। সরকারি চাকরি পেয়েও অনেকে ভয়ে মফস্বলে বা উপজেলায় পোস্টিং নিতে ভয় পাচ্ছে।
আর কেনই বা যাবে? এত কষ্ট করে, দিন-রাত এক করে পড়াশোনা করে ডাক্তার হওয়ার পর একটা প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে মানুষের হাতের মার খেতে হবে? কোন অপরাধে? নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে রোগী বাঁচানোর চেষ্টা করার অপরাধে?

লিখে রাখুন, এই অবস্থা চলতে থাকলে খুব বেশি দিন দূর না, যখন উপজেলার হাসপাতালগুলোতে একটা ডাক্তারও খুঁজে পাবেন না। সবাই চাকরি ছেড়ে চলে যাবে।

তখন মাঝরাতে নিজের কোনো আপনজন গুরুতর অসুস্থ হলে কার কাছে দৌড়াবেন? রোগীর কিছু হয়ে গেলে তখন কাকে ধরে পিটাবেন? হাসপাতালের খালি চেয়ার-টেবিলগুলোকে?

একটাবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখেছেন কি কোন সর্বনাশের দিকে যাচ্ছি আমরা? ডাক্তারদের পিটিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা ঠিক করা যায় না, উল্টো নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনা হয়। এখনও সময় আছে, একটু সচেতন হোন!

ডাঃ সাদীদ হোসেন।

ঘটনাস্থল:শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল রাত ১ :১০ টাইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর ডা. নাসির (বিসিএস  ৪৮ তম ব্যাচ এটাচমেন্টে সদরে কর্মরত...
16/05/2026

ঘটনাস্থল:শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল
রাত ১ :১০ টা

ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর ডা. নাসির (বিসিএস ৪৮ তম ব্যাচ এটাচমেন্টে সদরে কর্মরত ) ডিউটিরত অবস্থায়। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৩/৪ গুণ বেশি রোগি ভর্তি ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে।।

ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর নাসির যথানিয়মে এ রোগীকে দেখছেন ইমার্জেন্সি তে বসে।

হার্ট এ্যাটাকের রোগী, ব্লাড প্রেশার ৬০/৪০...
দুই দিনের পুরানো বুকে ব্যথা নিয়া ভর্তি হয়েছিল... রিস্ক বন্ড দিয়েছিল... ঢাকা নিতে অপারগ তারা!

রোগি কার্ডিওজেনিক শকে থাকায় অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
৩ তলায় ওয়ার্ডে ভর্তি থাকায় রোগীর লোক ইমার্জেন্সি ডিউটি ডাক্তারের কাছে আসতে বিলম্ব হয় এবং ডিউটি ডাক্তার যেয়ে রোগীকে মৃত পায়।

অত:পর রোগির স্বজন ১৫০/২০০ মানুষ হাসপাতাল ইমার্জেন্সি তে জড়ো করে।

বেধড়ক পেটায় ডা. নাসির কে।

দরজা ভেংগে ভিতরে ঢুকে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ড. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেয়। সেটা ভেংগে ডা. নাসিরকে মারতে মারতে বের করে।
ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল হয়ত।
৩ জন আনসার ও গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা করে ফেলে ডায়ারিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়।
একজন চিকিৎসকের এই বর্ণনা শুনেই বোঝা যাচ্ছে কতটা নির্মমভাবে মেরেছে এই ডাক্তারকে।
ডা. নাসিরকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিনি। অত্যন্ত মেধাবী, মানবিক চিকিৎসক সে। বিয়ে করছেন মাসখানিক আগে।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে দ্রুত এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এ ঢাকায় আনা হচ্ছে।

Dr. Shaklyen Rasel

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr- R. A. Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category