Dr. Niloy Hasan

Dr. Niloy Hasan পেজট টা ফলো করে রাখুন। নতুন নতুন অনেক ?

02/09/2022

1 মাসে ৮ কিলো ওজন বাড়ান আর রোগা পাতলা শরীরকে মোটা করার উপায় - how to gain weight fast in Bengali

অল্পবয়সী মেয়েদের নানান মেয়েলি সমস্যাঅল্পবয়সীদের মেয়েদের যে সমস্ত স্ত্রী রোগ বা গাইনোলজিক্যাল সমস্যা দেখা দেয় সেগুলির ...
02/06/2022

অল্পবয়সী মেয়েদের নানান মেয়েলি সমস্যা

অল্পবয়সীদের মেয়েদের যে সমস্ত স্ত্রী রোগ বা গাইনোলজিক্যাল সমস্যা দেখা দেয় সেগুলির মধ্যে একটা কমন সমস্যা হল বেশি ব্লিডিং হওয়া। সাধারণত ১০-১২ বছর বয়স থেকেই পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হয়। প্রত্যেক মেয়ের জীবনে এটা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। পিরিয়ড ঠিক সময়ে না হওয়াটাই বরং সমস্যায় ফেলে দেয়। কিশোরী মেয়েরা সাধারণত যে যে সমস্যায় ভোগে সেগুলোর কয়েকটি হল—

মাসিকের সময় বেশি ব্লিডিং হওয়া

মাসিকের সময় অনেক মেয়েদের বেশি রক্তস্রাব হতে দেখা যায়। বহুক্ষেত্রে এই রক্তস্রাব অনেকদিন ধরে ধাকে এবং ক্লট হয়ে যায়। যাদের স্কুল থাকে তারা বেশি রক্তস্রাব হবার কারণে স্কুল বা কলেজে যেতে পারে না। যা একটা সমস্যা তৈরি করে। মাসিক বেশি হচ্ছে কিনা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে যদি রক্তস্রাবের সাথে ক্লট বেরিয়ে আসে।

আজকাল অল্পবয়সী মেয়েদের মধ্যে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বেশি হতে দেখা যাচ্ছে। তার ফলে সমস্যা যেটা হয় সেটা হল অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা। পলিসিস্টিক ওভারির কারণে কখনো মাসিক হয় দু’এক মাস বাদে বাদে। কখনোও বা তার স্থায়িত্ব থাকে একদিন বা দু’দিন। পলিসিস্টিক ওভারি হওয়ার একটা অন্যতম কারণ হল খুব স্ট্রেস, বেশি মোটা হয়ে যাওয়া, হাত-পা-গায়ে লোম বাড়তে থাকে, অল্প বয়সে ডায়াবেটিস এসে যায়।

খুব বেশি পরিমাণ রক্তস্রাবহলে তার চিকিৎসা করতে হবে। কারণ প্রতি মাসে খুব বেশি পরিমাণে রক্ত শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে রক্তশূণ্যতা তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ আছে যেগুলোর প্রয়োগ সুফল পাওয়া যায়। তাই চিকিৎসা করানো উচিত।

যদি পরীক্ষায় পলিসিস্টিক ওভারির সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে আলট্রাসাউন্ড করে দেখে নিতে হবে সিস্টের উপস্থিতি কোথায়।

খুব বেশি স্ট্রেস, জাষ্ক ফুড খাওয়া, নিয়মিত শরীর চর্চা না করা, ডায়েট কন্ট্রোল ঠিকমতো না হলে পি.সি.ও অর্থাৎ পলিসিস্টিক ওভারি দেখা যায়। এছাড়া দেরি করে, কম পরিমাণে মাসিক হওয়ার সমস্যা থাকলেও ডাক্তার দেখিয়ে নেওয়া উচিত। প্রথমে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। সাফল্য না হলে ল্যাপরোস্কোপির সাহায্যে সিস্টগুলোকে অপারেশন করে বাদ দেওয়া হয়।

প্রস্রাবে সংক্রমণ

অল্পবয়সী মেয়েদের হামেশাই প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে দেখা যায়। যেহেতু মেয়েদের ইউরেথ্রা ছোট হয় সেজন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমণ হতে দেখা যায়। মেয়েদের ইউরেথ্রা ৩.৭ সেমি হয় যা খুবই ছোট। সংক্রমণের জায়গা থেকে সিস্টাইটিস হয়, তার থেকে কিডনি ইনফেকশন। তাই ইউরিন কালচারের প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন অনুসারে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হয় সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করার জন্য।

স্কুল কলেজের মেয়েরা সাধারণত যেটা করে সেটা হল স্কুল কলেজের গিয়ে একদম জল খান না। এটা তাদের বোঝানো উচিত জল খাওয়াটা বেশি পরিমাণেই করতে হবে। না হলে প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে। স্কুল একসাথে অনেক মেয়ে এক জায়গায় টয়লেট করে কিন্তু ওয়াশ করে না ঠিকমতো। অপরিষ্কার টয়লেট থেকেও সংক্রমণ হয়। আবার খুব বেশিক্ষণ প্রস্রাব ধরে রাখাটাও খারাপ। তার থেকেও সংক্রমণ হয়।

সাদ স্রাব

অল্পবয়সী মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার সাথে সাথে অল্প পরিমাণে সাদা স্রাব আসে। এই স্রাব সাধারণত স্বাভাবিক। কোনো কারণে যৌন উত্তেজনা হলেও সাদা স্রাব দেখা যায়। তবে এর পরিমাণ যখন বেড়ে যায় বা চুলকানি থাকে, হলদেটে দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তখন চিকিৎসককে দেখিয়ে নিতে হবে। প্রত্যেকবার টয়লেট করার সময় জল দিয়ে জায়গাটা ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ছোট মেয়দের এ ব্যাপারে প্রথম থেকেই শেখানো উচিত।

খুব বেশি পরিমাণে সাদা স্রাব হলে ব্যাপারটা ফেলে রাখা উচিত নয়। ওখান থেকে সোয়াব নিয়ে কালচার পাঠাতে হয়। কালচারে দেখা হয় কী গ্রোথ হচ্ছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করালে একশোভাগ ভালো হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। নয় থেকে এগারো বছর বয়সে এইচ.পি.ভি ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়া উচিত যা পরবর্তীকালে সারভাইকাল ক্যানসারকে প্রতিরোধ করে।

আই পিল

আজকাল বহু মেয়েই আই পিল ব্যবহার করে। এটা সম্বন্ধে তাদের নিজেদের সাবধান হতে হবে। এতে পিরিয়ড হবার যে স্বাভাবিক নিয়ম সেটা নষ্ট হয়ে যায়। আই পিল খাবার ফলে তার পরের পিরিয়ডগুলো আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে। আই পিল খাওয়াটা কিন্তু সমস্যা নয়। তবে মনে রাখতে হবে এর সাফল্য যে সব সময় ঠিকঠাক হবে তাও নয়। কারণ এর ফেলিওর রেট কম নয়। একশো জনের মধ্যে আশি জনের কাজ করলেও ২০ জনের কাজ করবে না। কেউ হয়তো ভাবল আমি আই পিল খেয়েছি কিছু হবে না। কিন্তু পরে দেখা গেছে এমন একটা স্টেজে প্রেগনেন্সি ধরা পড়ল যে তখন আর কিছু করার নেই। তাই ডাক্তাররা সব সময়ই বলেন যদি আই পিল খাবার পর মাসিক ঠিক সময় না হয় তাহলে দয়া করে ইউরিনটেস্ট করে নেওয়া দরকার।

আই পিল খেলেও ডিম বেরোনা বন্ধ হয় না। এর ফলে বাচ্চাটা অনেক ময় টিউবে বসে যায় এবং টিউবে গর্ভঞ্চার হয়। পরবর্তীকালে টিউব বাদ দিতে হয়। আর দুটো টিউব বাদ গেলে যে ক্ষতিটা হয় তা হল, বিয়েল পর বাচ্চা হবার সম্ভাবনা থাকে না। অনেক মেয়েই আজকাল ওষুধ খেয়ে অ্যাবরশন করাচ্ছে। এটাও খুব খারাপ। গর্ভসঞ্চার দু’জায়গায় গতে পারে—জরায়ুর মধ্যে এবং বাইরে। যদি জরায়ুর মধ্যে গর্ভসঞ্চার হয় তাহলে কোনো অসুবিধা নেই। ওষুধটা খেলে ব্লিডিং হয়ে গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু যদি জরায়ুর বাইরে গর্ভসঞ্চার হয় তাহলে কিন্তু এই ওষুধটা খেলে, এক্টোপিক প্রেসনেন্সি থাকলে তা র‌্যাপচার করতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে বাচ্চা আসার অসুবিধা হবে, টিউব ড্যামেজ হয়। অনেক সময় দেখা যায় পুরোপুরি অ্যাবরশন হল না, কিছুটা রয়ে গিয়ে ইনফেকশন তৈরি হল। আর এসব থেকেই পরবর্তীকালে ইনফার্টিলিটি তৈরি হল। এই কারণে অল্পবয়সী মেয়েদের যারা মা তাদের উচিত মেয়েকে সবরকমভাবে তার সেক্সুয়াল ধারণাকে তৈরি করে দেওয়া এবং যেসব গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা আসবে সেগুলি ঠিক কীভাবে ডাক্তারের কাছে উপস্থিত করা। সব রোগেরই চিকিৎসা আছে। তাই চিকিৎসার সুবিধা নিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখা উচিত।

কতকগুলো নিয়ম যদি মেয়েরা মেনে চলে তবে কোনো সমস্যাই তৈরি হয় না।

জীবনশৈলীর পরিবর্তন।
জাষ্ক ফুড, অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড না খাওয়া।
নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। বিশেষ করে পিরিয়ডের সময়।
নোংরা ন্যাপকিন ব্যবহার না করা। তিন-চার ঘন্টা অন্তর ন্যাপকিন পরিবর্তন করতে হবে।
টয়লেটের জায়গা অর্থাৎ প্রস্রাবের জায়গা পরিষ্কার জলে ধোওয়া।
কোনো নোংরা পাবলিক টয়লেট ব্যবহার না করলে ভালো।
যথেচ্ছ আই পিল ব্যবহার না করা।
অ্যাবরশন করতে হবে, এই সম্ভাবনাকে তৈরি হতে না দেওয়া।

শারীরিক কোনো অসুবিধাকে অবহেলা করা উচিত নয় কখনো।

যে কোন বিষয়ে ফ্রিভাবে বলতে চাইলে ইনবক্স করবেন।

কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ

বিব্রতকর অসুখঃ যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানির কারণ ও প্রতিকারমেয়েদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু...
22/05/2022

বিব্রতকর অসুখঃ যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানির কারণ ও প্রতিকার

মেয়েদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীর সব দিক থেকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত কিন্তু অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি। এটি খুবই কমন একটি অসুখ। মেয়েরা ৫ থেকে শুরু করে ৬০ বছর বয়সের যে কোন সময় এই সমস্যায় পড়তে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রত্যেক ৪ জন মহিলার মধ্যে ৩ জনেরই জীবনের কোন না কোন সময় একবার হলেও এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই এর গুরুত্বও কম নয়। চলুন আজ এই অসুখটি সম্পর্কে জানি।

কারণঃ
কোন অসুখ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের আগে আমাদের জানতে হবে অসুখটার কারণ কি? কেনোনা কারণ জানলে অসুখ মোকাবেলা সহজ হয়। যোনিতে অনেক কারণে চুলকানি হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কারণসমূহ হলো –

০১. ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমনঃ
এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।

উপসর্গ :
– যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
– চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়।
– যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়।

০২.ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ
এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।

উপসর্গঃ
– গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।
– চুলকানি হয় প্রচুর।
– প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।

০৩.ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।

উপসর্গ :
– হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।
– তলপেটে ব্যথ্যা হয়।
– যোনিতে চুলকানি হয়।

০৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।

০৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে।

০৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে।

০৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় ।

০৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।

০৯. মাসিকের সময় , অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে।

১০.যৌনকর্মীদের এই রোগগুলো বেশি হয়। তাই অবাধ যৌন আচরণের কারণে হয়ে থাকে।

১১.যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।

১২.অপরিষ্কার থাকলে।

প্রতিকার :
০১. ছত্রাকের সংক্রমণ হলে, এন্টিফাংগাল ওষুধ যেমন – ketoconazole, miconazole, clotrimazole, tioconazole, fluconazole ইত্যাদি ওষুধ খেতে হয় ৩ থেকে ৫ দিন। তবে কিছু ওষুধ একদিনেও কাজ করে। তাই ডোজ ও কতদিন খাবেন তা জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া lactobacillus acidophilus ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে এর সাথে।

০২. ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে এন্টিব্যায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। যে এন্টিবায়োটিকই খান না কেন তা কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ দিন খাবেন।

০৩. প্যারাসাইটের সংক্রমণ হলে Metronidazole খেতে পারেন। এছাড়াও vaginal clindamycin cream (clencin) or tinidazole এইগুলো যোনিতে লাগাতে হয়।

০৪. বেশি চুলকানি হলে Lidocaine নামক জেল আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। এতে সাময়িক আরাম হবে। কিন্তু পুরা সেরে যাবেনা। তাই ডাক্তারকে দেখাবেন।

০৫. চুলকানি কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন যেমন – fexofenadine, loratadine খেতে পারেন।

০৬. এছাড়া প্রদাহ কমাতে steroid cream ব্যবহার করা যেতে পারে।
০৭. মেনোপোজের পর চুলকানি হলে ইস্ট্রোজেন সাপোজেটরি যোনিপথে ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রতিরোধঃ
বলা হয়ে থাকে যে কোন অসুখ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই বেশি ভাল। সুতরাং এই রোগটি যাতে আপনার না হয় তাই আগেই সাবধান থাকুন ও নিচের কথাগুলো মেনে চলুন।

০১. রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিশ্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।
০২. ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
০৩. ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও ইচিং হতে পারে , তাই সাবধান হন।
০৪. আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
০৫. দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
০৬. সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। সিনথেটিক পেন্টি পরবেন না।
০৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
০৮. ওজন কমান।
০৯. সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করুন।
১০. যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।
১১. মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।
১২. সহবাসের পর যৌনাঙ্গ ভাল ভাবে পরিষ্কার করুন। ধুয়ে ফেলুন।
১৩. সহবাসের পর প্রসাব করুন।
১৪. একাধিক ব্যক্তির সাথে যৌন সহবাস পরিত্যাগ করুন।
১৫. নিয়মিত গোসল করুন।
১৬। সেভ্লোন বা ডিটল পানিতে মিশিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন।

এই অসুখটি হলে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্ট বা একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। অবহেলা করবেন না বা লজ্জা পাবেন না। কারণ এর ফলে পরবর্তীতে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।

বিঃদ্রঃ যদি বিবাহিত মেয়েদের সেক্স লাইফ হ্যাপি না হয় বা হাসবেন্ড পরিপূর্ণ ভাবে সময় না দিতে পারে সে ক্ষেত্রে এমন সমস্যা বেশি দেখা দেয় বা অবিবাহিত মেয়েদের ও সেক্সুয়াল ফিল টা বেশি হলে এমন হতে পারে। এমন কিছু হলে দয়া করে ইনবক্স করতে পারেন ফ্রি ভাবে।
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,

তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ

মেয়েদের যৌন রোগ এবং এর প্রতিকারবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১২ থেকে ২০ বছরের মেয়েদেরকে যুবতী বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে ...
16/05/2022

মেয়েদের যৌন রোগ এবং এর প্রতিকার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১২ থেকে ২০ বছরের মেয়েদেরকে যুবতী বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে মেয়েরা শারীরিক এবং মানসিক পূর্ণতা লাভ করে থাকে। যুবতী মেয়েদের সাধারণ যৌন রোগ সমস্যাগুলো হলো-

ঋতু স্রাব সমস্যা
সাদা স্রাব
তলপেট ও কোমরে ব্যথা

ঋতু স্রাব সমস্যাকে নিম্নের কয়েক ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে।

একবারে মাসিক না হওয়া
অনিয়মিত মাসিক হওয়া
অতিরিক্ত রক্তস্রাব হওয়া

যেসব যুবতীর মাসিক নিয়মিত হয় বুঝতে হবে তাদের ডিমগুলো সময়মতো ফুটে থাকে। আমাদের দেশে শতকরা ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলার নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে মাসিক আরম্ভ হয় না। আবার অনেক যুবতীর মাঝে মাঝে অথবা কখনো কখনো একটু আধটু রক্তস্রাবের মতো হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে প্রচুর স্রাব হয়ে থাকে।
এসব যুবতী ও তাদের মা, খালা এবং অন্যান্য মহিলা আত্মীয় অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় থাকেন। চিকিৎসকেরা মনে করেন এর প্রধান কারণ হলো

অসচেতনতা
অজ্ঞতা

মাসিকের স্থায়িত্বকাল এবং পরিমাণ প্রকৃতপক্ষে কত তা জানা নেই বলেই এই চিন্তা আরো বেশি হয়। Physiology কারণ ছাড়া অন্যান্য কারণেও প্রচুর পরিমাণ রক্তস্রাব এবং দীর্ঘস্থায়ী স্রাব হতে পারে।

দীর্ঘস্থায়ী স্রাবের আরো কারণ হলো এর জরায়ুর মুখে মাংস বেড়ে যাওয়া, যোনিপথে প্রদাহ, ডিম্বের থলিতে টিউমার। এ ছাড়া যদি রক্তের মধ্যে কোনো রোগ থাকে যেমন হেমোফাইলিয়া, পারপুরা তাতেও বেশি স্রাব হতে পারে।

শতকরা ৪০ থেকে ৫০ জনের কোনো প্রকার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, কেবল উপদেশের মাধ্যমেই আরোগ্য লাভ করে থাকে। অন্যান্য ক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে এর উপশম করা সম্ভব। কারণ যাই হোক না কেন যুবতী মেয়েদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মাসিকের সময় তলপেট ব্যথা :
শতকরা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যুবতী মাসিক আরম্ভ হওয়ার আগে অথবা মাসিক চলাকালে তলপেট, কোমরে অথবা উরুতে ব্যথা অনুভব করে থাকে। এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে যাদের মাসিক আরম্ভ হওয়ার দু-তিন দিন আগে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে তারা সাধারণত অ্যান্ডোমেট্রিওসিস, পেলভিক অ্যাডিহিসন, জরায়ুতে যক্ষ্মার জন্য হতে পারে। এই ধরনের যুবতীদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ এবং চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।

হরমোনের তারতম্যের কারণে তলপেট ভারী অনুভব করা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, খাদ্যে অরুচি হওয়া, মাথাব্যথা করা, খিটখিটে মেজাজ, শরীর ব্যথা, এমনকি হাত পা ফুলে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। এ জন্য কোনো প্রকার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ এবং উপদেশ গ্রহণের মাধ্যমেই যুবতীরা উপশম থাকতে পারে।

সাদা স্রাব :
সাদা স্রাব যুবতীদের একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এ জন্য মেয়েদের কোনো প্রকার দুশ্চিন্তার কারণ নেই, কোনো প্রকার কারণ ছাড়াই সাদা স্রাব হতে পারে এবং তবে মাসিক আরম্ভ হওয়ার দুচার দিন আগে এর পরিমাণ একটু বেশি হতে পারে। পুষ্টিহীনতা, যৌনাঙ্গে প্রদাহ, বেশি যৌন উত্তেজনা, হস্তমৈথুন, যৌন কার্যে অভ্যস্ত ইত্যাদির কারণে বেশি সাদা স্রাব হতে পারে।

এমনকি জরায়ুর মুখে মাংসপিণ্ড অথবা ঘা হলে সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। কেবল নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সুফল লাভ করা যায়।

মেয়েদের (যুবতী) তলপেট ব্যথা :
বেশি সংখ্যক যুবতী মেয়ে তলপেট ও কোমর ব্যথার কথা বলে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এটা মানসিক অনুভূতি। তবে প্রচণ্ড ও অস্বাভাবিক ব্যথা হলে অবশ্যই এর কারণ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব কারণে মারাত্মক ব্যথা হতে পারে তা হলো

Appendicitis (অ্যাপেন্ডিসাইসাটিস)
Ovarian Cyst (ডিমের ভেতর পানি জমে যাওয়া)
হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে রক্ত জমে যাওয়া
মাসিকের রাস্তা বন্ধ হয়ে রক্ত জমে যাওয়া
ডিম্বনালী অথবা ডিম্বথলির ভেতরে গর্ভ লাভ করা
Cyst যদি হঠাৎ ফেটে যায় অথবা পেঁচিয়ে যায়

জরায়ুর ভেতর টিউমার হওয়া

যোনিপথে হারপিচ নামক এক প্রকার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া।
এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে দ্রুত পরামর্শ নিতে হবে। না হলে জীবনের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সেক্সুয়াল সমস্যাঃ বর্তমান সময়ে বেশীর ভাগ মেয়েদের সেক্সুয়াল সমস্যা অনেক বেশী হচ্ছে। যেটার কারণে কারণ অনেক সময় সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। এই যেমন পিরিয়ড নিয়মিত না, অতিরিক্ত মোটা হয়ে যাওয়া আবার অনেক শুকিয়ে যাওয়া, স্তন গুলো বড় হয়ে যাওয়া বা ঝুলে যাওয়া। এটা বিবাহিত অবিবাহিত সব মেয়েদের হতে পারে। আমরা লজ্জার জন্য এটা এড়িয়ে গিয়ে শুধু মেডিসিনের আশায় থাকি কিন্তু আসল সমস্যা সমাধান না করলে মেডিসিনে সব কিছু সমাধান সম্ভব?

যে কোন বিষয় জানতে বা বলতে চাইলে ফ্রি ভাবে ইনবক্স ও করতে পারেন আমাকে। ভালো কিছু জানুন, সুস্থ থাকুন।

কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।

অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা | ৯টি ঘরোয়া সমাধানে সুস্থ থাকুন!অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা যে কোন বয়সের নারীদের মাঝেই দেখা যায়। ...
09/05/2022

অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা | ৯টি ঘরোয়া সমাধানে সুস্থ থাকুন!

অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা যে কোন বয়সের নারীদের মাঝেই দেখা যায়। বিশেষ করে যারা অবিবাহিত তাঁদের মাঝে এই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা বেশি দেখা যায়। সাধারণত অনেক বেশি স্ট্রেস, পরিশ্রম, দুর্বলতা, জীবনযাত্রায় বড় কোন পরিবর্তন… এসব কারণে অনিয়মিত পিরিয়ড হতে পারে। আবার শারীরিক ত্রুটির কারণেও পিরিয়ড ইরেগ্যুলার হতে পারে। পিরিয়ড রেগ্যুলার করতে চিকিৎসকেরা সাধারণত হরমোন থেরাপি দিয়ে থাকেন, যা আমরা খাবার পিল হিসেবে চিনি। কিন্তু এসব পিল-এর অনেক ধরনের সাইড ইফেক্ট থাকে। মোটা হয়ে যাওয়া, খাবারে অরুচি, পিম্পলস, মাথা ব্যথা, পা ব্যথা, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সহ নানান অসুবিধা দেখা যায়। তাই আসুন জেনে নেই ৯টি ঘরোয়া সমাধান সম্পর্কে যার মাধ্যমে ঔষধ না খেয়েও অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা দূর করে পিরিয়ড রেগ্যুলার করার চেষ্টা করতে পারেন।
অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা সমাধানের কিছু টিপস

১) কাঁচা পেপে

কাঁচা পেপে পিরিয়ড রেগুলেশন-এ সাহায্য করে। কাঁচা পেপে জরায়ুর মাসল ফাইবার কন্ট্রাকশন-এ সাহায্য করে। পর পর কয়েক মাস নিয়মিত কাঁচা পেপের রস সেবন পিরিয়ড নিয়মিত হয়, তবে পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে এটি না খাওয়াই ভালো। পিরিয়ড নিয়মিত করা ছাড়াও এর আরো নানান গুণ আছে। কাঁচা পেপে হজমে সাহায্য করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং ত্বক মসৃণ রাখে।

২) কাঁচা হলুদ

হলুদ মসলা জাতীয় দ্রব্য হলেও প্রাচীন কাল থেকেই চিকিৎসা শাস্ত্রে এর ব্যবহার নানামুখী। এটি পিরিয়ড নিয়মিত করতে এবং শরীরে হরমোন ব্যাল্যান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কাঁচা হলুদ জরায়ুর মাংসপেশী সঙ্কোচন-প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ পিরিয়ড-এর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ দুধে চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ কাঁচা হলুদ নিয়ে মধু বা গুঁড় দিয়ে কিছুদিন খেয়ে দেখুন, পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন।

৩) অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর শাঁস রুপচর্চার পাশাপাশি মাসিক নিয়মিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হরমোন রেগুলেশন-এ সাহায্য করে। সবথেকে ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তাজা অ্যালোভেরা পাতার রস সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করুন। তবে পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে না খাওয়াই ভালো।

৪) যোগ ব্যায়াম এবং মেডিটেশন

মাসিক নিয়মিত না হওয়ার প্রাথমিক কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম কারণ হল স্ট্রেস বা মানসিক চাপ। শরীরে যে সমস্ত হরমোন পিরিয়ড নিয়ন্ত্রণ করে স্ট্রেস-এর কারণে সেগুলোর ব্যাল্যান্স নষ্ট হয়। যার ফলে ঠিকমত পিরিয়ড হয় না। যোগ ব্যায়াম এবং মেডিটেশন স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করে। পিরিয়ড রেগ্যুলার করতে সব থেকে উপযোগী পদ্ধতিগুলোর মধ্যে এই দুটি অন্যতম।

৫) আদা

১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ পরিমাণ মিহি আদা কুঁচি নিয়ে ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এখন এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে চিনি বা মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন খাবার খাওয়ার পর এই পানীয়টি তিন বেলা খাবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এই পানীয়টি ভরা পেটে খেতে হবে। কয়েক মাসের মধ্যেই সুফল পাবেন। আদা পিরিয়ড সাইকেল রেগুলেশন-এ সাহায্য করে এবং অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়মিত করে।

৬) জিরা

রান্না করা খাবার সুস্বাদু করতে ব্যবহৃত মশলাগুলোর মধ্যে জিরার জুড়ি মেলা ভার। তবে রান্না ছাড়াও জিরার আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। মাসিক নিয়মিত করতে জিরা অনেক ভালো কাজে দেয়। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এক গ্লাস পানিতে ২ চা চামচ জিরা নিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এই পানি এবং জিরা দুটোই খেয়ে ফেলুন। নিয়মিত সেবন করে দেখুন, সুফল পাবেন।

৭) দারুচিনি

যে সমস্ত খাবার বহুগুণে গুণান্বিত, দারুচিনি তাঁর মধ্যে অন্যতম। অনিয়মিত পিরিয়ড দূর করতে চা বা লেবুর রসের সাথে দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি পিরিয়ড নিয়মিত করার পাশাপাশি পিরিয়ড কালিন ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।

৮) ফল ও সবজির জুস

খাদ্য তালিকায় বেশি বেশি ফল ও সবজির জুস রাখুন। এটি শরীর ঠাণ্ডা রাখে ও হরমোন রেগুলেশন-এ সাহায্য করে। যেমন গাজর, পুদিনা পাতা, করলার রস, ভিটামিন সি জাতিয় ফলের রস ইত্যাদি দিনে দু’বার করে খেতে পারেন। তবে পিরিয়ড রেগ্যুলার করতে গাজর এবং আঙুরের রসই সবথেকে বেশি কার্যকরী।

কিছু গোপন কথাঃ অনিয়মিত প্রিয়ড সাধারণত অবিবাহিত মেয়েদের তুলনা মূলক বেশি হয়ে থাকে। এটার প্রধান কারণ ভালো ভাবে অর্গাজম হয় না অবিবাহিত মেয়েদের। ভালোভাবে অর্গাজম হয় না বলতে, অবিবাহিত মেয়েদের বেশির ভাগ মেয়ের দেখা যায় প্রিয়ড শুরুর আগে বা শেষের দিকে বা একা থাকলে প্রায় সময় সেক্সুয়াল একটা ফিলিং কাজ করে মানে সেক্সুয়াল ফিলিং আপনা আপনি চলে আসে আর এই সময় শরীরে অর্গাজম তেরি হয়। কিন্তু এই সময় বেশির ভাগ মেয়েরা চুপ চাপ থাকে এবং এটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সমস্যা টা এখান থেকে বেশি শুরু হয়। আবার অনেক বিবাহিত মেয়ের এমন হয় তার কারণ তাদের সেক্স লাইফ হ্যাপি না হউয়ার কারণে। বিয়ের পরে হাসবেন্ডের সমস্যার কারণে অনেক মেয়ের অর্গাজম টা হতে পারে না। তখন আবার এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সেক্সুয়াল ফিলিং চেপে যাওয়ার জন্য মাথা ব্যাথা, রাগ বেড়ে যাওয়া, ব্রণ উঠা, ডিপ্রেশনে ভুগা, মোটা হয়ে যাওয়া এই গুলো হতে পারে। এই বিষয়ে কিছু বলতে চায়লে বা আলোচনা করতে চায়লে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।

৯) অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
পিরিয়ড ইরেগ্যুলার হওয়ার অনেক কারণের মধ্যে একটা হল রক্তে ইনসুলিন ও সুগার-এর মাত্রার তারতম্য। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার-এর মাধ্যমে আপনি এর অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হল, এক গ্লাস পানিতে ২ চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার খাওয়ার আগে খেয়ে নিন। আপনার পিরিয়ড সাইকেল নিয়ন্ত্রণে এটি অনেক সাহায্য করবে।
একটা বিষয় মনে রাখা উচিত, শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলেও অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা হতে পারে। এজন্য এই পদ্ধতিগুলোর পাশাপাশি আয়রন বা লৌহসমৃদ্ধ খাবার যেমন- গরু, মুরগীর মাংস, কলিজা, চিংড়ি, ডিম, কচু শাক, লাল শাক, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ফুলকপি, মটরশুঁটি, তরমুজ, খেজুর, গাব, টমেটো, ডাল, ভুট্টা, শস্যদানা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
আর এতেও যদি উপকার না পান তাহলে একজন গাইনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ

বিব্রতকর অসুখঃ যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানির কারণ ও প্রতিকারমেয়েদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু...
09/05/2022

বিব্রতকর অসুখঃ যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানির কারণ ও প্রতিকার

মেয়েদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীর সব দিক থেকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত কিন্তু অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি। এটি খুবই কমন একটি অসুখ। মেয়েরা ৫ থেকে শুরু করে ৬০ বছর বয়সের যে কোন সময় এই সমস্যায় পড়তে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রত্যেক ৪ জন মহিলার মধ্যে ৩ জনেরই জীবনের কোন না কোন সময় একবার হলেও এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই এর গুরুত্বও কম নয়। চলুন আজ এই অসুখটি সম্পর্কে জানি।

কারণঃ
কোন অসুখ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের আগে আমাদের জানতে হবে অসুখটার কারণ কি? কেনোনা কারণ জানলে অসুখ মোকাবেলা সহজ হয়। যোনিতে অনেক কারণে চুলকানি হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কারণসমূহ হলো –

০১. ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমনঃ
এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গ :
– যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
– চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়।
– যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়।

০২.ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ
এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ
– গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।
– চুলকানি হয় প্রচুর।
– প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।

০৩.ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।
উপসর্গ :
– হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।
– তলপেটে ব্যথ্যা হয়।
– যোনিতে চুলকানি হয়।

০৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।

০৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে।
০৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে।
০৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় ।
০৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
০৯. মাসিকের সময় , অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে।
১০.যৌনকর্মীদের এই রোগগুলো বেশি হয়। তাই অবাধ যৌন আচরণের কারণে হয়ে থাকে।
১১.যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।
১২.অপরিষ্কার থাকলে।
প্রতিকার :
০১. ছত্রাকের সংক্রমণ হলে, এন্টিফাংগাল ওষুধ যেমন – ketoconazole, miconazole, clotrimazole, tioconazole, fluconazole ইত্যাদি ওষুধ খেতে হয় ৩ থেকে ৫ দিন। তবে কিছু ওষুধ একদিনেও কাজ করে। তাই ডোজ ও কতদিন খাবেন তা জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া lactobacillus acidophilus ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে এর সাথে।

বিঃদ্রঃ যদি বিবাহিত মেয়েদের সেক্স লাইফ হ্যাপি না হয় বা হাসবেন্ড পরিপূর্ণ ভাবে সময় না দিতে পারে সে ক্ষেত্রে এমন সমস্যা বেশি দেখা দেয় বা অবিবাহিত মেয়েদের ও সেক্সুয়াল ফিল টা বেশি হলে, প্রায় সময় যোনাং ভিজা থাকে বা ফিলিং উঠে থাকলে এমন হতে পারে। এমন কিছু হলে দয়া করে ইনবক্স করতে পারেন ফ্রি ভাবে।

০২. ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে এন্টিব্যায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। যে এন্টিবায়োটিকই খান না কেন তা কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ দিন খাবেন।
০৩. প্যারাসাইটের সংক্রমণ হলে Metronidazole খেতে পারেন। এছাড়াও vaginal clindamycin cream (clencin) or tinidazole এইগুলো যোনিতে লাগাতে হয়।
০৪. বেশি চুলকানি হলে Lidocaine নামক জেল আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। এতে সাময়িক আরাম হবে। কিন্তু পুরা সেরে যাবেনা। তাই ডাক্তারকে দেখাবেন।
০৫. চুলকানি কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন যেমন – fexofenadine, loratadine খেতে পারেন।
০৬. এছাড়া প্রদাহ কমাতে steroid cream ব্যবহার করা যেতে পারে।
০৭. মেনোপোজের পর চুলকানি হলে ইস্ট্রোজেন সাপোজেটরি যোনিপথে ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রতিরোধঃ
বলা হয়ে থাকে যে কোন অসুখ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই বেশি ভাল। সুতরাং এই রোগটি যাতে আপনার না হয় তাই আগেই সাবধান থাকুন ও নিচের কথাগুলো মেনে চলুন।
০১. রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিশ্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।
০২. ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
০৩. ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও ইচিং হতে পারে , তাই সাবধান হন।
০৪. আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
০৫. দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
০৬. সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। সিনথেটিক পেন্টি পরবেন না।
০৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
০৮. ওজন কমান।
০৯. সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করুন।
১০. যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।
১১. মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।
১২. সহবাসের পর যৌনাঙ্গ ভাল ভাবে পরিষ্কার করুন। ধুয়ে ফেলুন।
১৩. সহবাসের পর প্রসাব করুন।
১৪. একাধিক ব্যক্তির সাথে যৌন সহবাস পরিত্যাগ করুন।
১৫. নিয়মিত গোসল করুন।
এই অসুখটি হলে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্ট বা একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। অবহেলা করবেন না বা লজ্জা পাবেন না। কারণ এর ফলে পরবর্তীতে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।

কোন কিছু বলতে চায়লে ফ্রি ভাবে ইনবক্স করতে পারবেন 🙂

কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।

স্তন ক্যান্সার হওয়ার ১৪টি কারণ জানা আছে কি?রেস্ট বা স্তন ক্যান্সার নারীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সমগ্র বিশ্বে নারীদের ক্য...
09/05/2022

স্তন ক্যান্সার হওয়ার ১৪টি কারণ জানা আছে কি?

রেস্ট বা স্তন ক্যান্সার নারীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সমগ্র বিশ্বে নারীদের ক্যান্সার জনিত কারণে মৃত্যুবরণের অন্যতম প্রধান কারণ ব্রেস্ট ক্যান্সার। পশ্চিম বিশ্বে এর প্রাদুর্ভাব বেশী থাকলেও এখন সাউথ ইস্ট এশিয়ান দেশে এই রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। স্তন ক্যান্সার বাংলাদেশে আগের চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছে। আগে ৪০-এর কম বয়সী রোগী বিরল ছিল। অথচ আজ ১৭ বছরের বালিকাও এ রোগের করুণ শিকার হচ্ছে।

সারা বিশ্বে ১১ অক্টোবরকে ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা দিবস এবং অক্টোবর মাস ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর প্রায় ১৪,৮৩৬ জন নারী ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৭,১৪২ জন মৃত্যু বরণ করেন। এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতি বছর সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও অক্টোবর মাস স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়।

স্তন ক্যান্সার কী?
স্তনের কিছু কোষ যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে তখন স্তন ক্যান্সার হতে দেখা যায়। তখন এই অনিয়মিত ও অতিরিক্ত কোষগুলো বিভাজনের মাধ্যমে টিউমার বা পিন্ডে পরিনত হয় এবং রক্তনালী লসিকা ও অন্যান্য মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এই ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাই ক্যান্সার রোগের বিষয়ে আতঙ্কের কারণ। কেন? কারণ এমতাবস্থায় বিভিন্ন ধরনের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সাহায্য নিয়েও রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা বা দীর্ঘ জীবনকালের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। আশার বিষয় হচ্ছে, স্তন ক্যান্সার যদি আমরা ‘Early State’ বা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে পারি তবে তা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে প্রায় শতভাগ নিরাময় করা যায়।

কেন বাড়ছে স্তন ক্যান্সার?
স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের মূলত দুই ধরনের কারণ দেখা যায়। প্রথমত, অপরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহ এবং দ্বিতীয়ত, পরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহ। অপরিবর্তনযোগ্য এই কারণে বলা হচ্ছে যে এই ঝুঁকিসমূহ জেনেটিক, বংশ এবং হরমোনের কারণে হয়ে থাকে, যা আমরা পরিবর্তন করতে পারি না। আর পরিবর্তনযোগ্য ঝুঁকিসমূহ পুরোপুরি আমাদের নিজেদের হাতে থাকে, যা ইচ্ছে করলেই আর একটু সাবধান থাকলেই আমরা এড়িয়ে যেতে পারি। চলুন তবে এই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের কারণগুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

স্তন ক্যান্সার এর পরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহ
১) অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত বিয়ে না করা এবং ৩০ বছর বয়সের পর নারীদের প্রথম সন্তানের মা হওয়া কিংবা সন্তান না নেয়া মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।

২) সন্তানকে নিয়মিত বুকের দুধ না খাওয়ানোর অভ্যাসের কারণে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

৩) যারা অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার খান এবং খাদ্যতালিকায় একেবারেই শাক সবজি রাখেন না তাদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। এছাড়াও দীর্ঘসময় টিনজাত খাবার খাওয়া, প্রিজারভড খাবার, কৃত্তিম মিষ্টি ও রঙযুক্ত খাবার খাওয়া নারী ও পুরুষের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার জন্য দায়ী।

৪) অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া এবং শারীরিক পরিশ্রম একেবারেই না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫) দীর্ঘদিন এয়ার ফ্রেশনার, কীটনাশক, অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিকস, ডিওডোরেন্ট এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে থাকলে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

৬) ভুল সাইজের ব্রা ব্যবহার করা। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করুন। কেননা নয়তো এটি আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকখানি। স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের ব্রা স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলো কেটে ফেলতে পারে।

৭) সারাক্ষণ ব্রা বা ব্রেসিয়ার পরে থাকার কারণে ঘাম নির্গত হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। ঘরে থাকার সময়টুকুতে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

৮) লেবেল না দেখে ডিওডোরেন্ট কেনা। আজকাল কর্মজীবী নারী হোক বা শিক্ষার্থী, সারাদিনের বাইরে থাকা আর সেই সাথে ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই। কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। অ্যালুমিনিয়াম বেইজড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই কোন কোম্পানির পণ্যটি ব্যবহার করবেন তা আগে একজন স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিন।

স্তন ক্যান্সার এর অপরিপবর্তনযোগ্য কারণসমূহ
৯) জেনেটিক কিছু কারণে মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। বিআরসিএ১, বিআরসিএ২ নামের জিনের মিউটেশন ৫% থেকে ১০% স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী থাকে।

১০) বংশগত কারণে এই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন অনেকেই। যেমন-মা, খালা, বোন বা মেয়ে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকাংশে।

১১) মহিলাদের মাসিক শুরু এবং বন্ধের বয়সের ওপরেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নির্ভর থাকে। যাদের ১২ বছর বয়সের পূর্বে মাসিক শুরু এবং ৫০ বছর বয়সের পর মাসিক বন্ধ হয় তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

১২) অ্যাস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। যারা দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত অ্যাস্ট্রোজেন হরমোনের সংস্পর্শে থাকেন, মাসিক বন্ধ হওয়ার পর মহিলাদের মধ্যে যারা হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ করেন, তাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১৩) লিঙ্গভেদে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একজন নারী পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন।

১৪) বয়স বাড়ার সাথে স্তন ক্যান্সারের আক্রান্তের সম্ভাবনা বাড়ে বিশেষ করে ৫০ বছর বয়সের পর এই ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যায়, যা পরিবর্তন যোগ্য নয় মোটেও।

স্তব হটাৎ বড় হয়ে যাওয়া বা ঝুলে যাওয়া নিয়ে কিছু বলতে চাইলে ইনবক্স করতে পারেন।

ব্রেস্ট ক্যান্সার বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ আর এতই বিশাল যে এ সম্পর্কে একবারে সব বলা সম্ভব নয়। ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে জরুরী আরো কিছু তথ্য, রোগ নির্ণয় পদ্ধতি ও চিকিৎসা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানাবো পরের আরেকটি লেখায়। সে পর্যন্ত সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..

T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..

আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ

Address

Dhanmondi 15
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Niloy Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category