Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(5)

আদরের সোনামণির মিষ্টি হাসির জন্য আমরা কত কিছুই না করি। শখের খেলনা থেকে শুরু করে পছন্দের খাবার শিশু যা চায়, তা মুহূর্তেই ...
27/06/2026

আদরের সোনামণির মিষ্টি হাসির জন্য আমরা কত কিছুই না করি। শখের খেলনা থেকে শুরু করে পছন্দের খাবার শিশু যা চায়, তা মুহূর্তেই হাতে তুলে দিতে আমাদের ভালো লাগে। কিন্তু মা-বাবা হিসেবে আমাদের মনে রাখা জরুরি যে, তাৎক্ষণিক আনন্দ আর দীর্ঘমেয়াদী বিকাশের মধ্যে সূক্ষ্ম একটি পার্থক্য আছে। শিশুর প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ করা কি আসলেই তার জন্য কল্যাণকর? নাকি এতে অজান্তেই আমরা তার ভবিষ্যৎ আচরণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছি? শিশুর প্রতিটি আবদার বিনা বিচারে পূরণ করা দীর্ঘমেয়াদে তার ধৈর্য এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

বিজ্ঞানসম্মতভাবে দেখলে, একটি শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও আবেগীয় বিকাশে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। যখন একটি শিশু যা চায় তা-ই পেয়ে যায়, সে না শুনতে শেখে না। এর ফলে বড় হয়ে তারা কোনো কাজ বা পরিস্থিতিতে বাধা পেলে দ্রুত হতাশ হয়ে পড়ে (Low frustration tolerance)। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়ার অভিজ্ঞতা শিশুকে প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। সব চাহিদা পূরণ করলে এই শেখার সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। কোনো কিছু অর্জনের জন্য যে ধৈর্য ও পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়, সেটি তারা শিখতে পারে না। ফলস্বরূপ, কোনো কিছুর মূল্য বোঝা বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মানসিকতা তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে না। সব সময় সবকিছু হাতের কাছে পেলে শিশু মনে করে পৃথিবীটা তার ইশারায় চলে, যা পরবর্তী জীবনে বাস্তবসম্মত চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে বাধা দেয়।

শিশুর সব ইচ্ছা পূরণ না করাই ভালো, কিন্তু এর মানে এই নয় যে তার ওপর কঠোর হতে হবে। ভারসাম্য বজায় রাখাটাই মূল চাবিকাঠি। সব ইচ্ছায় সায় না দিয়ে যৌক্তিক কারণে বিনয়ের সাথে না বলতে শিখুন। এতে শিশু বুঝতে পারবে সব কিছু পাওয়ার অধিকার তার নেই। শিশুকে বোঝান যে কোনো কিছু পেতে হলে সময়ের অপেক্ষা প্রয়োজন। এটি তাদের ধৈর্যশীল হতে শেখায়। কোনো কিছু না পেলে সেটির বদলে অন্য কোনো আনন্দদায়ক বা সৃজনশীল কাজ করতে উৎসাহিত করুন। শিশু কান্নাকাটি করলেই তার ইচ্ছা পূরণ করবেন না। সে কেন কান্নাকাটি করছে তা শান্তভাবে বোঝার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে তাকে আবেগ সামলানো শেখান। ভালো কাজের জন্য খেলনা না কিনে, শিশুকে মুখে প্রশংসা করুন বা তার সাথে সময় কাটান। এতে বস্তুবাদী চিন্তার চেয়ে মানসিক বন্ধন শক্তিশালী হবে।

একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে আমাদের লক্ষ্য হলো শিশুকে এমনভাবে বড় করা, যেন সে বাস্তব পৃথিবীর চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে। তাকে আদর করুন, ভালোবাসুন, কিন্তু তার ইচ্ছা পূরণ করার ক্ষেত্রে বুদ্ধিদীপ্ত অভিভাবকত্বের পরিচয় দিন। মনে রাখবেন, আজকের এই ছোট না আগামী দিনে আপনার সন্তানকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও ধৈর্যশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

25/06/2026

দিনে ৫ ঘন্টার বেশি মোবাইল ব্যবহার করলে কী হয়?

তারা তোমাকে অপছন্দ করে না কারণ তুমি কোনো ভুল করেছো। তারা তোমাকে অপছন্দ করে কারণ তুমি তাদের মুখোশের আড়ালের আসল রূপটা দেখ...
25/06/2026

তারা তোমাকে অপছন্দ করে না কারণ তুমি কোনো ভুল করেছো। তারা তোমাকে অপছন্দ করে কারণ তুমি তাদের মুখোশের আড়ালের আসল রূপটা দেখতে পাও।

তুমি তাদের মিথ্যা দেখেছো, চালাকি বুঝেছো,
সত্যকে কীভাবে নিজের সুবিধামতো বদলে ফেলে, সেটাও দেখেছো।

আর যখন তারা নিজেকে নির্দোষ ভুক্তভোগী সাজিয়ে সবার সহানুভূতি কুড়ায়, তখনও তুমি তাদের আসল চেহারাটা স্পষ্ট দেখতে পাও।

বাস্তবতা হচ্ছে:
যারা মিথ্যার সাথে জড়িয়ে যায়, তাদের অন্তর কঠোর, রোগগ্রস্ত হয়ে যায়, এবং তাদের সহজাত বিচারবুদ্ধি কাজ করে না।

পার্থিব জিনিসের লোভ লালসা এবং আসক্তিই হলো অন্তর কলুষিত হওয়ার জন্য প্রধানত দায়ী।

আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করছেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, কিন্তু তবু পেটে চর্বি কমছে না। দুঃখের বিষয় হলো, পেটের চর্বি সবচেয়ে...
25/06/2026

আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করছেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, কিন্তু তবু পেটে চর্বি কমছে না। দুঃখের বিষয় হলো, পেটের চর্বি সবচেয়ে stubborn বা টিকে থাকা ধরনের। তবে এটা শুধু অ্যান্থ্রোপোলজিক বা জেনেটিক কারণে নয় আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও নিউট্রিশনাল কারণগুলোও এর পেছনে অনেকটা দায়ী। যেমনঃ-

🔸 অপর্যাপ্ত ফাইবার
ডায়েটে ফাইবার কম থাকলে ডাইজেশন ধীর হয় এবং বেলি ফ্যাট কমানো কঠিন হয়। ফাইবার ব্লাড সুগার স্পাইক কমায় এবং গাট হেলথ উন্নত করে, যা বেলি ফ্যাট রিডাকশন এ গুরুত্বপূর্ণ।

🔸 অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ও চিনি
বেশি রিফাইন্ড কার্বস (যেমন সাদা রুটি, চিনি, মিষ্টি, সোডা) খেলে ব্লাড সুগারের লেভেল দ্রুত ওঠানামা করে। এই প্রক্রিয়ায় ইনসুলিন হরমোন বেশি নিঃসৃত হয়, যা ফ্যাট স্টোরেজ বিশেষ করে পেট বৃদ্ধি করে।

🔸 অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ ফ্যাট (যেমন অ্যাভোকাডো, বাদাম, অলিভ অয়েল) কম খেলে মেটাবলিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে না। কিছু ক্ষেত্রে আনহেলথি ট্রান্স ফ্যাট, বেলি ফ্যাট বৃদ্ধি করে।

🔸 ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত কার্বস ও সুগারি ডায়েট খাওয়ার ফলে শরীর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে। এই ক্ষেত্রে পেটের চর্বি stubborn হয়ে যায় এবং ওয়েট লস কঠিন হয়।

🔸 পর্যাপ্ত পানি ও হাইড্রেশন কম থাকা
ডিহাইড্রেশন ডাইজেশন ও মেটাবলিজম ধীর করে এবং বেলি ব্লোটিং বাড়ায়। হাইড্রেটেড থাকলে ফ্যাট মেটাবলিজম ভালো হয়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

24/06/2026

কোমর ব্যথা মানেই কিন্তু সমস্যা কোমরে নয়!

আমরা অনেকেই লক্ষ্য করেছি যে, জীবনের কোনো কঠিন সময় বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের পুরনো কোনো অসুখ যে...
24/06/2026

আমরা অনেকেই লক্ষ্য করেছি যে, জীবনের কোনো কঠিন সময় বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের পুরনো কোনো অসুখ যেমন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, মাইগ্রেন, বা ত্বকের অ্যালার্জি হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। বিষয়টি কাকতালীয় মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে গভীর বিজ্ঞানসম্মত কারণ। শরীর এবং মন একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো সত্তা নয় বরং এরা প্রতিনিয়ত একে অপরের সাথে কথা বলে। যখন আমাদের মস্তিষ্ক অতিরিক্ত চাপের সংকেত পায়, তখন শরীর নিজেকে রক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ মোডে চলে যায়, যাকে বলা হয় ফাইট অর ফ্লাইট (Fight or Flight) মোড। এই অবস্থায় শরীর তার জরুরি শক্তিগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং দীর্ঘমেয়াদে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শারীরিক ভারসাম্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

আমরা যখন প্রচণ্ড চাপে থাকি, আমাদের শরীর কর্টিসল (Cortisol) ও অ্যাড্রেনালিনের মতো হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এই হরমোনগুলো স্বল্পমেয়াদে আমাদের বিপদের মোকাবিলা করতে সাহায্য করলেও, দীর্ঘসময় রক্তে এদের মাত্রা বেশি থাকলে শরীরে প্রদাহ (Inflammation) তৈরি হয়। এই প্রদাহই পুরনো ক্ষত বা রোগকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেকটা নিষ্ক্রিয় করে দেয়। শরীরের ভেতরে যদি আগে থেকেই কোনো সুপ্ত সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে বা পুরনো কোনো সমস্যা দানা বেঁধে থাকে, তবে ইমিউন সিস্টেম তা আর আগের মতো দক্ষতার সাথে দমন করতে পারে না। ফলে সেই সমস্যাটি আবার প্রকট হয়ে ওঠে। মস্তিষ্ক এবং আমাদের পরিপাকতন্ত্র ও শরীরের অন্যান্য অংশের মধ্যে স্নায়ুর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক থাকে (যাকে'গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস বলা হয়)। মানসিক চাপ স্নায়ুতন্ত্রকে অতি-সংবেদনশীল করে তোলে। ফলে আগে থেকে থাকা কোনো সামান্য শারীরিক অস্বস্তিও চাপের মুখে অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক বা তীব্র অনুভূত হয়। চাপের সময় আমরা সাধারণত নিজের যত্নে অবহেলা করি। অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, ঘুমের অভাব এবং শরীরচর্চা বন্ধ করে দেওয়া এই বিষয়গুলো পুরনো রোগকে বাড়তে সরাসরি সহায়তা করে। যখন শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না, তখন এটি তার নিজস্ব মেরামত প্রক্রিয়া বা হিলিং মোডে যেতে পারে না। চাপ মস্তিষ্কের ব্যথার কেন্দ্রগুলোকে আরও সক্রিয় করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, যাদের আগে থেকেই পিঠে ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথার সমস্যা ছিল, মানসিক চাপের সময় তাদের মস্তিষ্ক সেই ব্যথার সংকেতগুলোকে অনেক বেশি তীব্রভাবে গ্রহণ করে। ফলে মনে হয় ব্যথাটি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

মানসিক চাপ মানেই যে শারীরিক অসুস্থতা অনিবার্য, তা নয়। নিয়মিত মেডিটেশন, পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং গ্রহণের মাধ্যমে এই চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মনে রাখবেন, শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে মনের প্রশান্তি নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি। পুরনো কোনো শারীরিক সমস্যা বারবার ফিরে এলে তাকে শুধুমাত্র সেই রোগের সমস্যা হিসেবে না দেখে, আপনার বর্তমান মানসিক অবস্থার সাথে তার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা, তা নিয়েও ভাবুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ।

23/06/2026

ঘাড় ব্যথার এই কারন টা আপনি জানেন না।

23/06/2026

তুমি যদি মিথ্যা বলে কারো জীবন নষ্ট করো, তাহলে এটা মনে রেখো—
প্রতিটি মিথ্যা কথাই একেকটা ঋণ তৈরি করে। আর সত্য একদিন না একদিন, সেই ঋণ সুদসহ
আদায় করেই নেয়।

আমরা অনেকেই ছোটখাটো শারীরিক সমস্যায় ভুগি কখনো বুক জ্বালাপোড়া, কখনো পেট ফাঁপা, ক্লান্তি, কিংবা বারবার মাথাব্যথা। এই সমস্য...
23/06/2026

আমরা অনেকেই ছোটখাটো শারীরিক সমস্যায় ভুগি কখনো বুক জ্বালাপোড়া, কখনো পেট ফাঁপা, ক্লান্তি, কিংবা বারবার মাথাব্যথা। এই সমস্যাগুলোর জন্য আমরা চটজলদি ওষুধের শরণাপন্ন হই, কিন্তু একবারও থামি না এটা ভাবতে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় আমরা শরীরে ঠিক কী জ্বালানি বা ফুয়েল পাঠালাম। আমাদের শরীর মূলত একটি অত্যাধুনিক জৈবিক যন্ত্র, যা আমাদের প্রতিদিনের খাওয়া খাবারের ওপর ভিত্তি করেই তার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করে। খাবার কেবল ক্ষুধা মেটানোর মাধ্যম নয়, এটি আমাদের কোষের গঠনের কাঁচামাল। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, অধিকাংশ মানুষ শরীর খারাপের সাথে খাবারের সরাসরি সম্পর্কটি বুঝতে পারেন না।

আমরা যখন কোনো অনিয়মিত খাবার খাই, শরীর তার প্রতিক্রিয়া দেখাতে সময় নেয়। বিষাক্ত কিছু খেলে যেমন সাথে সাথে বমি হয়, অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কিন্তু সেরকমটা হয় না। অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রভাব শরীরে দীর্ঘমেয়াদে পড়ে। ফলে মানুষ ভাবে, কাল রাতে তো পিৎজা খেয়েছিলাম, কই আমার তো কোনো সমস্যা হয়নি। অথচ এই খাবারের প্রভাব আপনার অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম বা বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় নীরবে ক্ষতি করতে থাকে। আমাদের মস্তিষ্ক সুস্বাদু এবং উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি আসক্ত। যখন আমরা চিনি বা লবণাক্ত ভাজাভুজি খাই, মস্তিষ্ক থেকে ‘ডোপামিন’ নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের সাময়িক সুখ দেয়। এই সাময়িক আনন্দের আড়ালে আমরা ভুলে যাই যে এই খাবারগুলো শরীরের ভেতরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি করছে। খাবার যে আমাদের মেজাজ, মনোযোগ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক, সেই সূক্ষ্ম বিষয়টি বুঝতে অধিকাংশ মানুষই ব্যর্থ হন। খাবার অনেক ক্ষেত্রেই একটি সামাজিক ও আবেগীয় বিষয়। আমাদের খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয় পরিবার ও পরিবেশ থেকে। মা-দাদি যা খাইয়ে বড় করেছেন, সেটাকে আমরা কখনোই ক্ষতিকর বলে মনে করতে চাই না। এছাড়া ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচাতে ফাস্ট ফুড বা প্রসেসড ফুড বেছে নেওয়া এখন একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অভ্যাস ভাঙাটা শারীরিক সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করার চেয়ে বেশি কঠিন মনে হয়।

আপনার শরীর আপনার দেওয়া খাবার দিয়েই গড়ে উঠছে। যদি নিয়মিত পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা বা ক্লান্তি লেগেই থাকে, তবে ওষুধ খাওয়ার আগে একবার আপনার প্লেটের দিকে তাকান। আপনি যা খাচ্ছেন, তা কি শরীরকে সারিয়ে তুলছে, নাকি রোগকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে? একবার ডায়েরি লিখে দেখুন তো, কোন খাবার খাওয়ার পর আপনার শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়। বিজ্ঞান বলে, আপনার সমস্যার সমাধান আপনার প্লেটেই লুকিয়ে আছে। সচেতন হোন, কারণ শরীর আপনার, যত্নটাও আপনারই করতে হবে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Comment of the Day. আমাদের বিভিন্ন লেখায় আপনাদের চমৎকার চমৎকার উপলব্ধি কখনও আমাদের অনুপ্রাণিত করে, কখনও হৃদয় ছুঁয়ে যা...
22/06/2026

Comment of the Day. আমাদের বিভিন্ন লেখায় আপনাদের চমৎকার চমৎকার উপলব্ধি কখনও আমাদের অনুপ্রাণিত করে, কখনও হৃদয় ছুঁয়ে যায়, কখনও আমাদের সবাইকে করে সম্মৃদ্ধ। এই ধরনের কিছু কমেন্ট নিয়েই আমাদের Comment of the Day.

আজকের বিজয়ী: Rupangel Noor
আপনাকে অভিনন্দন।

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share