Health & Harmony With Homeopathy

Health & Harmony With Homeopathy Of India
Saltlake Homeopathy Hospital (NIH)
+8801987367955 Homoeopathic Medical College in Hyderabad.
(1)

Dr. Sumon kr Biswas
M.D.(Hom)(Gold Medalist)
Govt.Homeopathic Medical College Hyderabad
B.H.M.S-National Instiute of Homeopathy;Kolkata
MPH-Epidemiology;TATA,Mumbai
ICCR(AYUSH) scholar, Govt. Dr. Sumon K Biswas is a highly educated and experienced practitioner in the field of Homoeopathic medicine. Holding a Bachelor of Homoeopathic Medicine and Surgery (BHMS) degree from the esteemed National In

stitute of Homoeopathy (NIH) in Kolkata, Dr. Biswas has a robust understanding of the principles and practices of Homoeopathy. His outstanding academic achievements are further augmented by a Master of Public Health (MPH) in Epidemiology from the Tata Institute of Social Sciences in Mumbai, and a Doctor of Medicine (MD) from the JSPS Govt. Dr. Biswas was honored with the AYUSH scholarship awarded by the Government of India through the High Commission of India in Bangladesh. This scholarship allowed him to fulfill his academic aspirations and further develop his expertise in the field. In addition to his academic credentials, Dr. Biswas brings a vast wealth of practical experience to his practice. He served as a District Health Officer for Maternal and Newborn Health with Save the Children International in Bangladesh, giving him a comprehensive understanding of community health needs and the impact of Homoeopathic medicine on public health. With seven years of experience in practicing Homoeopathic medicine, Dr. Biswas is well-equipped to assist patients with a wide range of acute and chronic health conditions, particularly in rural communities. Dr. Biswas's interest in personalized medicine reflects his dedication to providing patient-centered care. He recognizes that each patient is unique and their health needs and goals differ. He strives to create tailored treatment plans that take into account each patient's individual life history. His objective is to ensure that each patient receives the best possible care, tailored to their specific needs. This approach aligns with the principles of Homoeopathic Medicine, which emphasizes individualized treatment and focuses on the whole person, not just their physical symptoms. This allows him to achieve the best possible outcomes for his patients and effectively manage their health conditions. Dr. Sumon K Biswas is making a significant contribution to the advancement of Homoeopathic research and ensuring that this system of medicine continues to play a crucial role in promoting good health and well-being. With his exceptional skills and commitment to the practice of Homoeopathic medicine, he brings a wealth of academic and practical experience to his practice. His dedication to patient-centered care, combined with his expertise in the field, make him an excellent choice for anyone seeking high-quality Homoeopathic care.

😣 মুখের ভেতর ছোট্ট ঘা, কিন্তু ব্যথা যেন অসহ্য! জানুন অ্যাপথাস আলসার কেন হয়, কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে কষ্ট কমানো যায় এবং হোমিওপ...
24/08/2026

😣 মুখের ভেতর ছোট্ট ঘা, কিন্তু ব্যথা যেন অসহ্য! জানুন অ্যাপথাস আলসার কেন হয়, কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে কষ্ট কমানো যায় এবং হোমিওপ্যাথিতে কোন লক্ষণে কোন ওষুধ ব্যবহারের কথা বলা হয়। 🦷✨ সতর্ক থাকুন, সঠিক চিকিৎসার জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 👨‍⚕️

🦷 মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Aphthous Ulcer)

মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Aphthous Ulcer) হলো মুখের ভেতরের নরম অংশে (যেমন- গালের ভেতর, ঠোঁটের ভেতর, মাড়ির নিচে বা জিভে) হওয়া ছোট, অগভীর এবং যন্ত্রণাদায়ক ঘা। 😣 এটি ছোঁয়াচে নয়, তবে খাবার খেতে বা কথা বলতে বেশ কষ্ট হয়। ⚠️

​অ্যাপথাস আলসার কেন হয়? 🤔

​এই ঘা হওয়ার নির্দিষ্ট একটি কারণ নেই, তবে বেশ কিছু কারণে এটি হতে পারে:

​পুষ্টির অভাব: 🥗 শরীরে ভিটামিন বি-১২, আয়রন, জিংক বা ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি থাকলে এটি বেশি হয়।

​আঘাত: 🦷 কথা বলতে বা খেতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত গাল বা ঠোঁট কামড়ে ফেলা, খুব শক্ত টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজা বা মুখের ভেতর কোনো ধারালো দাঁতের ঘষা লাগা।

​পেটের সমস্যা: 🤢 হজমের গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য বা আইবিএস (IBS) জাতীয় পেটের সমস্যা থাকলে।

​মানসিক চাপ ও ঘুম: 😟 অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব।

​খাদ্যাভ্যাস: 🌶️ অতিরিক্ত ঝাল, মশলাযুক্ত খাবার বা অ্যাসিডিক ফল (যেমন- লেবু, কমলালেবু, আনারস) বেশি খাওয়া।

​হরমোনের পরিবর্তন: 🔄 অনেক মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মুখের ঘা হতে পারে।

​এর প্রতিকার কী? 🩺

মুখের ঘা সাধারণত ৭-১৪ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে কষ্ট কমানো ও দ্রুত সারানোর জন্য নিচের নিয়মগুলো মেনে চলতে পারেন:

​লবণ জলের কুলকুচি: 🧂 এক গ্লাস হালকা গরম জলে আধা চামচ লবণ বা বেকিং সোডা মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার কুলকুচি করুন। এতে সংক্রমণ ও ব্যথা দুটোই কমে।

​সঠিক ব্রাশ ব্যবহার: 🪥 নরম ব্রিসল (soft bristles) যুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার করুন এবং খুব আস্তে ব্রাশ করুন।

​খাবারে সতর্কতা: 🌶️ ঘা থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত ঝাল, গরম বা টক জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো ঘায়ে জ্বালা ধরায়।

​জল ও পুষ্টি: 💧 প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান।

​বরফের সেঁক: 🧊 ব্যথা খুব বেশি হলে ঘায়ের ওপর এক টুকরো বরফ চেপে ধরতে পারেন, এটি সাময়িক আরাম দেয়।

​হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও তাদের লক্ষণ 💧

​হোমিওপ্যাথিতে মুখের ঘায়ের জন্য খুব ভালো ওষুধ রয়েছে, যা রোগীর নির্দিষ্ট লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে:

✅ ​Borax (বোরাক্স):

​লক্ষণ: মুখের ঘায়ে প্রচণ্ড জ্বালা ও ব্যথা থাকে। 🔥 একটু স্পর্শ লাগলে বা খাবার খেতে গেলেই রক্ত বের হয়। মুখ ভেতর থেকে খুব গরম মনে হয়। শিশুদের মুখের ঘায়ে এটি খুব কার্যকর।

✅ ​Merc Sol (মার্ক সল):

​লক্ষণ: মুখের ঘায়ের সাথে মুখ থেকে প্রচুর লালা (saliva) ঝরে এবং মুখে খুব দুর্গন্ধ থাকে। 😖 জিভ ফুলে যায় এবং জিভের চারপাশে দাঁতের দাগ বা ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। রাতে ব্যথা বাড়ে।

✅ ​Nitric Acid (নাইট্রিক অ্যাসিড):

​লক্ষণ: ঘায়ে সুঁচ বা কাঁটা ফোটার মতো তীক্ষ্ণ ব্যথা থাকে। ⚡ কথা বলার সময় বা খাবার চিবানোর সময় ব্যথা বাড়ে। ঘায়ের কিনারাগুলো অনিয়মিত হয় এবং সহজেই রক্তপাত হয়।

✅ ​Nux Vomica (নাক্স ভূমিকা):

​লক্ষণ: পেট পরিষ্কার না হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক বা অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড ও মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে যদি মুখের ঘা হয়, তবে এটি সবচেয়ে উপকারী।

✅ ​Natrum Mur (নেট্রাম মিউর):

​লক্ষণ: জিভ, ঠোঁট বা মাড়িতে মুক্তোর মতো দেখতে ছোট ছোট ঘা। 🤍 মুখ খুব শুকনো লাগে এবং রোগীর নোনতা খাবার খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকে।

⚠️ সতর্কতা: ওপরের ওষুধগুলো সাধারণ লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক চিকিৎসা, ওষুধের মাত্রা (potency) এবং খাওয়ার নিয়মের জন্য ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মায়োপিয়া (Myopia) বা ক্ষীণদৃষ্টি সম্পর্কে জানুন 👁️@01987367955মায়োপিয়া (Myopia) বা ক্ষীণদৃষ্টি চোখের একটি সাধারণ সমস...
21/08/2026

মায়োপিয়া (Myopia) বা ক্ষীণদৃষ্টি সম্পর্কে জানুন 👁️
@01987367955

মায়োপিয়া (Myopia) বা ক্ষীণদৃষ্টি চোখের একটি সাধারণ সমস্যা, যেখানে কাছের জিনিসগুলো পরিষ্কার দেখা গেলেও দূরের জিনিসগুলো অস্পষ্ট বা ঘোলাটে দেখায়। 👁️

​মায়োপিয়া কী? 🤔

​স্বাভাবিক চোখে আলো প্রবেশ করার পর তা রেটিনার (চোখের পেছনের পর্দা) ওপর ফোকাস হয়। কিন্তু মায়োপিয়া আক্রান্ত চোখে আলো রেটিনার ওপর না পড়ে তার ঠিক সামনে মিলিত হয়। এর ফলেই দূরের বস্তু দেখতে সমস্যা হয়। 👀

​মায়োপিয়ার কারণ ⚠️

​মায়োপিয়া সাধারণত নিম্নলিখিত শারীরিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে হয়ে থাকে:

🔹 অক্ষিগোলকের আকার বড় হওয়া: চোখের বল বা আইবল (Eyeball) স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য লম্বাটে হয়ে গেলে আলো রেটিনা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না।

🔹 কর্নিয়ার বক্রতা বৃদ্ধি: চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশ বা কর্নিয়ার বক্রতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বাঁকা হলে এই ফোকাসিং সমস্যা তৈরি হয়।

🔹 বংশগত (জেনেটিক) কারণ: বাবা-মা বা পরিবারের কারও মায়োপিয়া থাকলে, সন্তানদেরও এটি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে।

🔹 জীবনযাত্রা ও পরিবেশ: দীর্ঘ সময় ধরে একটানা মোবাইল বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, খুব কাছ থেকে বই পড়া, কম আলোতে কাজ করা এবং বাইরে দিনের আলোতে কম সময় কাটানো। 📱💻📖

​মায়োপিয়ার হোমিওপ্যাথি ওষুধ ও লক্ষণ 💧

⚠️ সতর্কতা: হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে রোগীর নিজস্ব শারীরিক ও মানসিক লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। নিচে দেওয়া ওষুধগুলো কেবল সাধারণ তথ্যের জন্য। যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Ruta Graveolens (রুটা) 🌿
অতিরিক্ত পড়াশোনা, সেলাই বা কম্পিউটারে কাজ করার ফলে চোখের তীব্র ক্লান্তি। চোখের ভেতর বা চারপাশে ব্যথা এবং দূরের জিনিস ঝাপসা দেখা।

Physostigma (ফাইসোস্টিগমা) 🌿
মায়োপিয়া যখন খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। চোখের পেশিতে টান বা খিঁচুনি অনুভব হয় এবং দূরের দৃষ্টি ফোকাস করতে কষ্ট হয়।

Phosphorus (ফসফরাস) 🌿
চোখের সামনে কালো বিন্দু বা ধোঁয়াশা দেখা, চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া এবং অতিরিক্ত আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা।

Agaricus Muscarius (অ্যাগারিকাস) 🌿
চোখের পাতা ঘন ঘন কাঁপা বা লাফানো, বই পড়ার সময় অক্ষরগুলো চোখের সামনে নড়াচড়া করছে বলে মনে হওয়া।

👁️ আপনার কি বর্তমানে দূরের জিনিস দেখতে কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা বা চোখে অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব হচ্ছে? কমেন্টে জানান। 💬

❤️ পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার সেইসব বন্ধুদের পাঠিয়ে দিন যাদের এইরকম সমস্যা আছে।

ক্যান্সারের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।ক্যান্সার ...
20/08/2026

ক্যান্সারের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে আধুনিক চিকিৎসার (অপারেশন, রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপি) মাধ্যমেই তা নিরাময় সম্ভব। তাই এই অবস্থায় সময় নষ্ট না করে বিশেষজ্ঞ মডার্ন মেডিসিন চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়াই একমাত্র সঠিক পদক্ষেপ।
Homeopathic ঔষধে কোনো অবস্থাতেই ক্যান্সার আরোগ্য করা যায় না—এই সত্যটি সবার জানা উচিত।
তবে হোমিওপ্যাথির ভূমিকা কখন?

যখন রোগের শেষ পর্যায়ে অপারেশন সম্ভব হয় না, ক্যান্সার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং কেমোথেরাপিতেও আর কাজ হয় না—অর্থাৎ মডার্ন মেডিসিনে আর কোনো উপায় থাকে না, ঠিক তখনই। এ সময় চিকিৎসার মূল লক্ষ্য থাকে:
* রোগীর আয়ু কিছুটা বাড়াতে সাহায্য করা।
* তীব্র ব্যথা-যন্ত্রণা কমিয়ে রোগীকে কিছুটা স্বস্তিতে রাখা।
* জীবনের শেষ দিনগুলোতে যেন তিনি শান্তিতে থাকতে পারেন, সেই চেষ্টা করা।

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই পারে একটি মূল্যবান জীবন বাঁচাতে। সচেতন হন, সঠিক সময়ে আধুনিক চিকিৎসার শরণাপন্ন হন।
Dr.Sumon kr Biswas MD(Hom); MPH; BHMS

ট্রিগার ফিঙ্গার (Trigger Finger) কী? 👆😟01987-367955ট্রিগার ফিঙ্গার (Trigger Finger) হলো হাতের এমন একটি সমস্যা, যার ফলে আ...
17/08/2026

ট্রিগার ফিঙ্গার (Trigger Finger) কী? 👆😟
01987-367955

ট্রিগার ফিঙ্গার (Trigger Finger) হলো হাতের এমন একটি সমস্যা, যার ফলে আঙুল বাঁকানোর পর তা সোজা করতে গেলে আটকে যায় বা লকিং (Locking) হয়ে যায়। 😟 অনেক সময় আঙুলটি জোর করে সোজা করার সময় স্প্রিং বা ট্রিগার টানার মতো সামান্য শব্দ বা ঝাঁকুনি দিয়ে সোজা হয়। ⚡👆

​আমাদের আঙুলে টেন্ডন (Tendon) থাকে যা পেশির সাথে হাড় যুক্ত করে এবং আঙুল নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। এই টেন্ডনগুলোর ওপর একটি সুরক্ষামূলক খাপ বা শিথ (Sheath) থাকে। কোনো কারণে টেন্ডনে প্রদাহ (Inflammation) হলে বা সেখানে ছোট গুটি (Nodule) তৈরি হলে, টেন্ডনটি শিথের ভেতর দিয়ে সহজে চলাচল করতে পারে না। ফলে আঙুল আটকে যায়। 😟 এটি সাধারণত বৃদ্ধাঙ্গুলি (Thumb) বা অনামিকায় (Ring Finger) বেশি দেখা যায়। 👍💍

ট্রিগার ফিঙ্গারের ব্যথা ও লকিংয়ের সমস্যা কমাতে এবং আঙুলের নমনীয়তা ফিরিয়ে আনতে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় ও স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ নিয়মিত করা যেতে পারে। 🏠🤲 তবে মনে রাখবেন, তীব্র ব্যথা থাকাকালীন জবরদস্তি কোনো এক্সারসাইজ করবেন না। ⚠️

​🏠 ঘরোয়া উপায় (Home Remedies)

1️⃣ কুসুম গরম জলের শেক (Warm Water Soak) ♨️

2️⃣ বিশ্রাম এবং স্প্লিন্ট (Rest & Splinting) 🖐️

3️⃣ ম্যাসেজ (Gentle Massage) 🤲

💪 কার্যকরী এক্সারসাইজ (Exercises)

1️⃣ আঙুল প্রসারিত করা (Finger Extension) ☝️

2️⃣ মুষ্টিবদ্ধ করা ও খোলা (Passive Flexion & Extension) ✊

3️⃣ বল স্কুইজিং (Soft Ball Squeezing) 🟠

🩺 Trigger Finger: ১০টি প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক remedy picture

Remedy
Characteristic symptom-picture
Modalities / বিশেষ বৈশিষ্ট্য

Ruta graveolens 🌿
Tendon, ligament ও periosteum-এ strain-এর পর ব্যথা ও stiffness
অতিরিক্ত ব্যবহার, repetitive hand work-এর পর বেশি

Rhus toxicodendron 🌿
Tendon-এ stiffness ও aching; বিশ্রামের পর বেশি শক্ত
প্রথম নড়াচড়ায় খারাপ, ধীরে ধীরে movement করলে আরাম

Arnica montana 🌿
আঘাত বা overuse-এর পর soreness, যেন থেঁতলে গেছে
চাপ/স্পর্শে অস্বস্তি; injury history থাকলে বেশি characteristic

Causticum 🌿
Tendon ও joint-এর stiffness, contracture-এর প্রবণতা
দীর্ঘস্থায়ী stiffness ও movement restriction-এর picture

Guaiacum 🌿
Tendon/joint-এ contraction, stiffness ও pain
আক্রান্ত অংশ শক্ত/টানটান অনুভূত হতে পারে

Calcarea fluorica 🌿
দীর্ঘস্থায়ী শক্ত, fibrous বা indurated tissue-এর picture
Chronic সমস্যা ও tissue hardness-এর ক্ষেত্রে materia medica-তে বিবেচিত

Actaea spicata 🌿
হাতের ছোট joint-এ pain ও tenderness
বিশেষত ছোট joint আক্রান্ত হলে

Ledum palustre 🌿
আঘাতের পর joint/tendon অঞ্চলে pain ও tenderness
ঠান্ডা application-এ আরাম পাওয়ার picture

Symphytum 🌿
Trauma-এর পর tendon/bone অঞ্চলে persistent pain
পুরনো injury-এর পর lingering pain-এর ক্ষেত্রে materia medica-তে ব্যবহৃত

Hypericum perforatum 🌿
Nerve-rich অংশে injury-এর পর shooting/tingling pain
nerve involvement-এর মতো ব্যথা থাকলে বেশি characteristic

📋 Trigger Finger Case-Taking Format

১. প্রধান অভিযোগ
কোন আঙুল আক্রান্ত?
ডান হাত, বাম হাত, নাকি দুটো?
কতদিন ধরে?
হঠাৎ শুরু নাকি ধীরে ধীরে?

২. Triggering / Locking
আঙুল ভাঁজ করলে কি আটকে যায়?
সোজা করতে গেলে কি হঠাৎ “click” করে?
সকালে বেশি হয়?
ঘুম থেকে ওঠার পর কতক্ষণ stiffness থাকে?
নিজে নিজে খুলে যায়, নাকি অন্য হাত দিয়ে সোজা করতে হয়?

৩. ব্যথার প্রকৃতি
ব্যথা কোথায়? আঙুলের গোড়ায়, palm-এ, নাকি পুরো আঙুলে?
চাপ দিলে ব্যথা বাড়ে?
টান ধরার মতো, জ্বালা, stabbing, aching, নাকি bruised sensation?
ব্যথা কতটা, ০–১০ স্কেলে?

৪. Modalities বিশেষভাবে জিজ্ঞাসা করুন:
Rest-এর পর বেশি?
নড়াচড়া শুরু করলে বেশি?
কিছুক্ষণ নড়াচড়া করলে কমে?
অতিরিক্ত হাতের কাজ করলে বাড়ে?
ঠান্ডায় বাড়ে?
গরমে আরাম?
ঠান্ডা পানিতে/ঠান্ডা application-এ আরাম?
এখানেই Rhus tox বনাম Ruta-এর মতো differential symptom-picture আলাদা করার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

৫. কারণ ও অতিরিক্ত ব্যবহার
সাম্প্রতিক কোনো injury হয়েছিল?
দীর্ঘ সময় typing/mobile use?
gardening, sewing, cooking, tools বা repetitive gripping?
ভারী জিনিস তোলা?
একই movement বারবার করতে হয় এমন কাজ?

৬. Local examination-এর তথ্য
আঙুলের গোড়ায় tenderness আছে?
ছোট কোনো nodule/গুটি অনুভূত হয়?
swelling আছে?
palm-এর দিকে tendon-এর পথে চাপ দিলে ব্যথা?
active ও passive movement-এর মধ্যে পার্থক্য আছে?
আঙুল পুরোপুরি extend করা যায়?

৭. অন্যান্য তথ্য
অন্য আঙুলেও একই সমস্যা আছে?
হাতের অন্য joint-এ stiffness আছে?
আগেও একই সমস্যা হয়েছিল?
diabetes বা অন্য কোনো দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা আছে কি না, তা চিকিৎসকের কাছে জানানো গুরুত্বপূর্ণ।🩺

🌿🌱আগামী ২২ আগস্ট, ২০২৬ (শনিবার) 'প্রাকৃত সমাজ'-এর ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত 'সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ভব...
13/08/2026

🌿🌱
আগামী ২২ আগস্ট, ২০২৬ (শনিবার) 'প্রাকৃত সমাজ'-এর ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত 'সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ভবন'-এ দিনব্যাপী এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উক্ত অনুষ্ঠানের ২য় সেশনে একজন আলোচক (বক্তা) হিসেবে আমি উপস্থিত থাকব।

🎙️ আমার সেশনের বিস্তারিত:
* সেশন: প্রাকৃত সমাজের আলাপ (২য় সেশন)
* সময়: দুপুর ১২:০০ টা - দুপুর ১:৩০ টা
* বিষয়: সকল প্রাণের মঙ্গলজনক চিকিৎসা পদ্ধতি ও ব্যবস্থা
* আলোচক: ডা: সুমন কে বিশ্বাস [এম.ডি (হোমিওপ্যাথি) (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত), এম.পি.এইচ, বি.এইচ.এম.এস (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি, কলকাতা)]

* সঞ্চালক: আয়ুর্বেদাচার্য দেবজ্যোতি দত্ত
প্রকৃতি, পরিবেশ এবং সকল প্রাণের জন্য সহনশীল ও মঙ্গলজনক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার এই আয়োজনে আপনার উপস্থিতি অত্যন্ত কাম্য।

📍 স্থান: সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ভবন, ১/ই/১, পরিবাগ, ঢাকা।
🗓️ তারিখ: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ (৭ ভাদ্র ১৪৩৩)
দেখা হচ্ছে পরিবাগে!

#প্রাকৃতসমাজ #স্বাস্থ্যওচিকিৎসা #হোমিওপ্যাথি

🌿 প্রোস্টেটের সমস্যা কেনো হয়? 🤔01987-367955👇 ​প্রোস্টেটের সমস্যা সাধারণত পুরুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে হরমোনের পরিবর্তন এব...
11/08/2026

🌿 প্রোস্টেটের সমস্যা কেনো হয়? 🤔
01987-367955
👇 ​প্রোস্টেটের সমস্যা সাধারণত পুরুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে হরমোনের পরিবর্তন এবং গ্রন্থিটির আকারের বৃদ্ধির কারণে ঘটে। নিচে প্রোস্টেটের সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণ এবং লক্ষণ অনুযায়ী প্রচলিত কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধের তালিকা দেওয়া হলো: 👇
​প্রোস্টেট বৃদ্ধির প্রধান কারণসমূহ 🔍
​• হরমোনের পরিবর্তন: বয়স ৫০ পার হলে পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন কমে যায় এবং ডিহাইড্রোটোস্টেস্টেরন (DHT) হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে প্রোস্টেট গ্রন্থির কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। ⚠️
​• বয়স বৃদ্ধি: বয়স বৃদ্ধির সাথে প্রোস্টেট সমস্যা বা BPH (Benign Prostatic Hyperplasia)-এর ঝুঁকি প্রাকৃতিকভাবেই বাড়ে। ⏳
​• পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে পিতা বা ভাইয়ের প্রোস্টেটের সমস্যা থাকলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 🧬
​• শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন এবং শরীরচর্চার অভাব প্রোস্টেটের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। 🚶‍♂️⚡
​• প্রোস্টেটাইটিস (Infection): ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন বা অন্য কোনো কারণে প্রোস্টেট গ্রন্থিতে প্রদাহ (Inflammation) হলেও সমস্যা তৈরি হয়। 🩸
​লক্ষণ অনুযায়ী প্রধান কয়েকটি হোমিওপ্যাথি ওষুধ 🌿🩺
​হোমিওপ্যাথিতে প্রতিটি রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ বিচার করে একক ওষুধ (Constitutional Medicine) নির্বাচন করা হয়। তবে প্রোস্টেটের সমস্যায় সাধারণ কিছু ওষুধ বেশি ব্যবহৃত হয়:
💧 ​১. Sabal Serrulata (সাবেল স্যালুলাটা)
• উপযুক্ত লক্ষণ: এটি প্রোস্টেট বৃদ্ধির সবচেয়ে পরিচিত ওষুধ। ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ (বিশেষ করে রাতে), প্রস্রাব ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া, প্রস্রাব শুরু হতে দেরি হওয়া এবং প্রস্রাব করার সময় মনে হওয়া যেন মূত্রাশয় পুরোপুরি খালি হয়নি—এমন ক্ষেত্রে কাজ করে।
💧 ​২. Conium Maculatum (কোনিয়াম)
• উপযুক্ত লক্ষণ: বয়স্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থি শক্ত হয়ে গেলে এটি বেশ কার্যকর। প্রস্রাব একবারে না হয়ে কেটে কেটে বা থেমে থেমে হওয়া (Intermittent stream) এবং প্রস্রাব করার পর গ্রন্থিতে শক্তভাব অনুভব করা এর প্রধান লক্ষণ।
💧 ​৩. Thuja Occidentalis (থুজা)
• উপযুক্ত লক্ষণ: বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া, প্রস্রাবের পর মূত্রনালীতে তীব্র জ্বালাপোড়া বা কাটাবোধা অনুভূতি থাকা এবং প্রোস্টেটের গ্রন্থি অতিরিক্ত বড় হয়ে যাওয়ার চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়।
💧 ​৪. Baryta Carbonica (ব্যারাইটা কার্ব)
• উপযুক্ত লক্ষণ: বয়স্ক ব্যক্তিদের প্রোস্টেট গ্রন্থির জটিলতায়, বিশেষ করে যাদের প্রস্রাব করার সময় খুব বেশি কোঁথ দিতে হয় বা চাপ দিতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে এটি উপযুক্ত।
💧 ​৫. Pulsatilla (পালসেটিলা)
• উপযুক্ত লক্ষণ: প্রস্রাব করার সময় তীব্র ব্যথা বা অস্বস্তি, শুয়ে থাকলে বা রাতে প্রস্রাবের বেগ বেশি হওয়া এবং মেজাজ পরিবর্তনশীল হলে এই ওষুধটি বিবেচিত হয়।
💧 ​৬. Chimaphila Umbellata (চিমাফিলা)
• উপযুক্ত লক্ষণ: রোগী সোজা হয়ে বসে প্রস্রাব করতে পারেন না, পা ছড়িয়ে বা সামনে ঝুঁকে প্রস্রাব করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রস্রাবের সাথে রথ বা ঘন শ্লেষ্মা নির্গত হতে পারে।
​🛑 জরুরি পরামর্শ: যেকোনো হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবনের পূর্বে একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে সঠিক মাত্রা (Potency) নির্ধারণ করা উচিত। যদি প্রস্রাব সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে রক্ত আসে বা তীব্র জ্বর ও ব্যথা থাকে, তবে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বা ইউরোলজিস্টের (Urologist) শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। 🏥🚑

k Biswas

🌿  শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা কষা পায়খানা (Constipation) একটি অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা। @01987367955এর পেছনে মূলত খাদ্যাভ্যাস,...
02/08/2026

🌿 শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা কষা পায়খানা (Constipation) একটি অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা। @01987367955
এর পেছনে মূলত খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা এবং শারীরিক কিছু কারণ জড়িয়ে থাকে।
​শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার প্রধান কারণসমূহ 🍼👶
​ডায়েটে ফাইবার বা আঁশের অভাব: খাবারে ফলমূল, শাকসবজি এবং আস্ত শস্যদানা কম থাকলে মল শক্ত হয়ে যায়। 🥦🍎
​তরল পদার্থের স্বল্পতা: পর্যাপ্ত পরিমাণে জল বা পানি না খেলে অন্ত্র শরীর থেকে অতিরিক্ত জল শোষণ করে নেয়, ফলে পায়খানা শক্ত হয়। 💧
​স্তন্যপান বা ফর্মুলা মিল্ক পরিবর্তন: ফর্মুলা দুধ ঠিকমতো হজম না হলে কিংবা বুকের দুধ খাওয়া শিশুর মায়েরা খাবার পরিবর্তন করলে এমন হতে পারে। 🍼
​পায়খানা চেপে রাখার অভ্যাস: অনেক সময় শিশুরা খেলাধুলার ব্যস্ততায় বা স্কুলে যাওয়ার ভয়ে পায়খানা চেপে রাখে, যা পরবর্তীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সৃষ্টি করে। 🏃‍♂️
​দৈনিক রুটিনের পরিবর্তন: ভ্রমণ, আবহাওয়া পরিবর্তন বা নতুন পরিবেশে গেলে অনেক শিশুর পেটের হজম প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়ে। 🌍
​শারীরিক সমস্যা: অন্ত্রের গঠনগত কোনো সমস্যা বা হজম সংক্রান্ত জটিলতা (যদিও এটি বেশ বিরল)। 🩺
​কোষ্ঠকাঠিন্যের কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও লক্ষণ (Symptoms) 🌿
​হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক লক্ষণ ও মানসিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত কিছু ওষুধ লক্ষণসহ নিচে দেওয়া হলো:
✅ ​১. ব্রায়োনিয়া অ্যালবা (Bryonia Alba)
​মূল লক্ষণ: পায়খানা অত্যন্ত শক্ত, শুষ্ক এবং মনে হবে যেন কাঠকয়লা বা পোড়া ইটের মতো শক্ত হয়ে আটকে আছে। পায়খানার সাথে অনেক সময় মলদ্বার দিয়ে রক্ত যেতে পারে। শিশু মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যথায় কাঁদে। 😭
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশুর প্রচণ্ড তৃষ্ণা থাকে এবং সে একবারে অনেকখানি জল পান করতে চায়। নড়াচড়া করলে তার কষ্ট বাড়ে এবং সে চুপচাপ শুয়ে থাকতে পছন্দ করে। 🛏️
✅ ​২. নাক্স ভমিকা (Nux Vomica)
​মূল লক্ষণ: শিশুর পায়খানার বেগ হয়, কিন্তু টয়লেটে বসার পর সামান্য মল বেরিয়েই আটকে যায় এবং বারবার পায়খানায় যাওয়ার ইচ্ছা হয় (Ineffectual urging)। পেট সবসময় ভরা ভরা বা ফাপা মনে হয়। 🎈
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু যদি বেশি ফাস্টফুড, প্রসেসড খাবার বা অতিরিক্ত মিষ্টি খায় এবং খিটখিটে মেজাজের হয়, তবে এই ওষুধটি দারুণ কাজ করে। 🍫
✅ ​৩. অ্যালুমিনা (Alumina)
​মূল লক্ষণ: মলদ্বার একদম নিষ্ক্রিয় বা অসাড় মনে হয়। মল নরম কিংবা আধা-নরম হলেও তা বের করতে শিশুর প্রচণ্ড জোর দিতে হয় এবং অনেক সময় নরম মল বেরও হতে দীর্ঘ সময় ও কষ্ট হয়। ⏳
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু যদি শুষ্ক খাবার বেশি পছন্দ করে এবং তার শরীরে পানির অভাব দেখা দেয়। 🍞
✅ ​৪. সাইলিসিয়া (Silicea)
​মূল লক্ষণ: মল মলদ্বারে আসার পরেও পেটের পেশির জোরের অভাবে বা মলের আলস্যের কারণে মলদ্বার থেকে আবার ভেতরে ফিরে যায় (Bashful stool)। মলদ্বার অত্যন্ত সংকুচিত মনে হয়।
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু যদি সহজে ঠাণ্ডা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়, তার মাথা ঘামে বেশি এবং শরীর দুর্বল প্রকৃতির হয়। 🤧
✅ ​৫. সালফার (Sulphur)
​মূল লক্ষণ: মলদ্বার লালচে হয়ে থাকে এবং সেখানে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া করে। সকালের দিকে ঘুম থেকে উঠেই পায়খানার বেগ হওয়া এই ওষুধের একটি বিশেষ লক্ষণ। 🌅
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু সাধারণত গরমকাতুরে হয়, গায়ে দুর্গন্ধ থাকতে পারে এবং সে পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করে না। ☀️
✅ ​৬. ওপিয়াম (O***m)
​মূল লক্ষণ: মলের কোনো বেগ বা অনুভূতিই থাকে না (Lack of urging)। মনে হয় যেন মলের রাস্তা একদম বন্ধ বা অবশ হয়ে আছে। পায়খানা ছোট ছোট, গোল এবং কালো বলের মতো (শীতের ছাগলের মল বা আফিমের নেশাগ্রস্তদের মলের মতো) শক্ত হয়ে বের হয়। 🪨
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু অত্যন্ত ঘুমকাতুরে বা নিস্তেজ প্রকৃতির হতে পারে। পেটে প্রচুর গ্যাস জমে পেট ফুলে থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে তীব্র কোঁথ দেওয়ার প্রবণতা থাকে কিন্তু মল সহজে বের হতে চায় না। 😴
✅ ​৭. থুজা অক্সিমেন্টালিস (Thuja Occidentalis)
​মূল লক্ষণ: পায়খানা শক্ত এবং মলদ্বারে তীব্র ব্যথা ও মোচড়ানোর মতো অনুভূতি হয়। মলদ্বারের আশপাশে কোনো আঁচিল (Warts), ফুসকুড়ি বা সংবেদনশীলতা থাকলে এই ওষুধটি দারুণ কাজ করে। পায়খানা করার সময় শিশু ব্যথায় খুব জোরে কাঁদে। 💔
​অন্যান্য লক্ষণ: শিশু যদি জন্মগতভাবে বা টিকাদানের (Vaccination) পর থেকেই পেটের সমস্যায় বা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগে থাকে, তবে সেটির চিকিৎসায় থুজা একটি অন্যতম প্রধান ওষুধ। 💉
​⚠️ সতর্কতা: শিশুদের যেকোনো ওষুধ সেবনের পূর্বে একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পটেন্সি (Potency) ও মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।

………………………………………………………………..
Dr. Sumon Kr Biswas
M.D (Homeopathy-Gold medalist) (Govt. Homeopathic Medical College, Hyderabad)
BHMS; National Institute of Homeopathy, (Kolkata)
MPH (Epidemiology); Tata Institute, Mumbai.
Ex-House Physician Saltlake Homeopathy Hospital, Kolkata.
ICCR-AYUSH Scholar; Govt. of India.

যাশোর চেম্বার: সততা হোমিও ফার্মাসি
আশ্রম মোড়, রেল রোড, সি এন্ড বি মসজিদের পাশে, যাশোর
(সপ্তাহের প্রত্যেক রবিবার থেকে বুধবার বিকাল ৩:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত )

ঢাকা চেম্বার : হোলি হার্ব হোমিওপ্যাথি
বাড়ি নং: ০৩ (দ্বিতীয় তলা), মেইন রোড, ব্লক #এইচ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯, ঢাকা ( সপ্তাহের প্রত্যেক শুক্রবার ও শনিবার)

কলকাতা চেম্বার : HP হোমিওপ্যাথি ইন্টারন্যাশনাল
প্লাটফর্ম নং 5, মা সারদা রোড, বারাসাত,

📞📱: +8801987367955 (হোয়াটস্যাপ)
+919547689391(ইন্ডিয়া)


🩺 অ্যাডেনয়েড (Adenoid) বনাম টনসিলাইটিস (Tonsillitis) – পার্থক্য এবং এর প্রতিকার 🤒 01987-367955​অ্যাডেনয়েড এবং টনসিল দুটি...
30/07/2026

🩺 অ্যাডেনয়েড (Adenoid) বনাম টনসিলাইটিস (Tonsillitis) – পার্থক্য এবং এর প্রতিকার 🤒 01987-367955
​অ্যাডেনয়েড এবং টনসিল দুটিই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ (লিম্ফয়েড টিস্যু), যা গলার ভেতরে বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর জীবাণু প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তবে এদের অবস্থান এবং শরীর ওপর প্রভাবের মধ্যে কিছু স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
​নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
​🔍 অ্যাডেনয়েড ও টনসিলাইটিস এর মূল পার্থক্য
👇 অ্যাডেনয়েড (Adenoied )
অবস্থান: নাকের ঠিক পেছনে এবং গলার উপরের অংশে (নাসাপথের শেষ প্রান্তে), যা বাইরে থেকে দেখা যায় না।
Tonsil এর অবস্থান: মুখের ভেতরে গলার দুই পাশে ডান ও বাম দিকে অবস্থিত, যা মুখ হাঁ করলে খুব সহজেই দেখা যায়।
⚠️ প্রধান সমস্যা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, নাক ডাকা এবং কানে কম শোনা।গলায় তীব্র ব্যথা, খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া, জ্বর এবং টনসিল ফুলে লাল হয়ে যাওয়া।
👶 আক্রান্তের বয়সসাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে (৩ থেকে ১০ বছর বয়স) বেশি দেখা যায় এবং বয়সের সাথে এটি আপনা আপনি ছোট হয়ে যায়।যেকোনো বয়সের মানুষেরই হতে পারে, তবে শিশু ও তরুণদের মধ্যে এটি বেশি দেখলক্ষণ ।।
🚨 অ্যাডেনয়েড বেড়ে গেলে কী কী সমস্যা হয়?
​অ্যাডেনয়েড গ্রন্থিটি কোনো কারণে সংক্রামিত বা ফুলে বড় হয়ে গেলে নিচের মারাত্মক সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:
​💨 নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সমস্যা: নাক সবসময় বন্ধ থাকে, ফলে শিশু বা রোগী বাধ্য হয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়।
​😴 নাক ডাকা ও ঘুমের ব্যাঘাত: ঘুমের মধ্যে প্রচণ্ড নাক ডাকা এবং অনেক সময় ঘুমের মধ্যে শ্বাস সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা (Sleep Apnea) দেখা দেয়।
​👂 কানের সমস্যা: অ্যাডেনয়েড ফুলে গিয়ে কানের মধ্যবর্তী নালি (Eustachian tube) বন্ধ করে দিতে পারে। এর ফলে কানে কম শোনা, কানে তীব্র ব্যথা বা কানের ইনফেকশন (Otitis Media) হতে পারে।
​👦 মুখ ও মুখের গঠনের পরিবর্তন (Adenoid Face): দীর্ঘদিন মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে শিশুদের দাঁতের পাটি উঁচু হয়ে যাওয়া, ওপরের চোয়ালের গঠন পরিবর্তন হওয়া এবং মুখের অভিব্যক্তি বোকাটে হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
​🗣️ গলার স্বর পরিবর্তন: কথা বলার সময় নাক দিয়ে কথা বলছে মনে হয় (Nasal voice) এবং ঘন ঘন সর্দি-কাশি লেগেই থাকে।
​🌿 অ্যাডেনয়েডের কার্যকরী হোমিওপ্যাথি ওষুধ ও লক্ষণ ।
💦 ​হোমিওপ্যাথিতে সার্জারি ছাড়াই অ্যাডেনয়েডের সমস্যায় বেশ চমৎকার ফল পাওয়া যায়। তবে ওষুধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে রোগীর নির্দিষ্ট লক্ষণগুলো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ:
💧​ Baryta Carbonica (বারিটা কার্ব):
​লক্ষণ: শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকরী। শিশুটি যদি শারীরিকভাবে দুর্বল, ঠান্ডা লাগার প্রবণতায় ভোগে এবং টনসিল বা অ্যাডেনয়েড ফুলে যাওয়ার কারণে ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে। তাদের মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি কিছুটা ধীরগতির হতে পারে।
​💧 Calcarea Carbonica (ক্যালকারিয়া কার্ব):
​লক্ষণ: যেসব শিশু অতিরিক্ত মোটা-সোটা, থলথলে এবং সামান্য পরিশ্রমেই মাথায় ও গায়ে প্রচুর ঘাম হয় (বিশেষ করে ঘুমের সময় বালিশ ভিজে যায়), তাদের অ্যাডেনয়েডের সমস্যায় এটি খুব ভালো কাজ করে। এদের ঠান্ডা লাগার ধাত খুব বেশি থাকে।
​💧 Lemna Minor (লেমনা মাইনর):
​লক্ষণ: এটি নাক ও অ্যাডেনয়েডের বৃদ্ধিতে একটি অত্যন্ত বিশেষ ওষুধ। নাক বন্ধ থাকা, গন্ধ নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া, এবং বর্ষাকালে বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় উপসর্গ বেড়ে গেলে এটি দারুণ কাজ করে।
​💧 Tuberculinum (টিউবারকুলিনাম):
​লক্ষণ: রোগীর যদি বংশে যক্ষ্মা বা শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগের ইতিহাস থাকে, ঘন ঘন সর্দি-কাশি ও অ্যাডেনয়েড বড় হওয়ার সমস্যা লেগেই থাকে এবং কোনো ওষুধেই স্থায়ী উপশম হয় না, তবে এই ওষুধটি মূল ধাতুগত চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
​💧 Agraphus Nutans (আগ্রাফাস নাটান্স):
​লক্ষণ: নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, কানের বধির ভাব বা কানে কম শোনার সমস্যা থাকলে এবং অ্যাডেনয়েড ফুলে যাওয়ার সাথে যদি গলা বা কানের দিকে কোনো অস্বস্তি থাকে, তবে এই ওষুধটি খুবই উপযোগী।
​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: হোমিওপ্যাথি ওষুধ সর্বদা রোগীর শারীরিক গঠন, মানসিক লক্ষণ ও সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্বাচন করতে হয়। তাই নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
………………………………………………………………..
Dr. Sumon Kr Biswas
M.D (Homeopathy-Gold medalist) (Govt. Homeopathic Medical College, Hyderabad)
BHMS; National Institute of Homeopathy, (Kolkata)
MPH (Epidemiology); Tata Institute, Mumbai.
Ex-House Physician Saltlake Homeopathy Hospital, Kolkata.
ICCR-AYUSH Scholar; Govt. of India.

যাশোর চেম্বার: সততা হোমিও ফার্মাসি
আশ্রম মোড়, রেল রোড, সি এন্ড বি মসজিদের পাশে, যাশোর
(সপ্তাহের প্রত্যেক রবিবার থেকে বুধবার বিকাল ৩:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত )

ঢাকা চেম্বার : হোলি হার্ব হোমিওপ্যাথি
বাড়ি নং: ০৩ (দ্বিতীয় তলা), মেইন রোড, ব্লক #এইচ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯, ঢাকা ( সপ্তাহের প্রত্যেক শুক্রবার ও শনিবার)

কলকাতা চেম্বার : HP হোমিওপ্যাথি ইন্টারন্যাশনাল
প্লাটফর্ম নং 5, মা সারদা রোড, বারাসাত,

📞📱: +8801987367955 (হোয়াটস্যাপ)
+919547689391(ইন্ডিয়া)




গলায় বা বগলে ছোট ছোট মাংসপিণ্ড বা স্কিন ট্যাগ নিয়ে কি চিন্তায় আছেন?  জেনে নিন এগুলো কেন হয় এবং এর কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ...
29/07/2026

গলায় বা বগলে ছোট ছোট মাংসপিণ্ড বা স্কিন ট্যাগ নিয়ে কি চিন্তায় আছেন? জেনে নিন এগুলো কেন হয় এবং এর কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক সমাধান!
Skin Tag (স্কিন ট্যাগ) কী?
Skin Tag (চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে Acrochordon বলা হয়) হলো ত্বকের একটি সাধারণ, ছোট এবং অটুট (benign বা অ-ক্যান্সারযুক্ত) বৃদ্ধি। এটি সাধারণত ত্বকের একটি ছোট কুঁড়ির মতো ঝুলে থাকে এবং একটি সরু ডাঁটা বা stalk-এর মাধ্যমে মূল ত্বকের সাথে সংযুক্ত থাকে।
কোথায় বেশি হয়: শরীরের যেসকল জায়গায় ত্বক ভাঁজ হয়ে ঘষা লাগে, যেমন—গলা, বগল, কুঁচকি, স্তনের নিচে, চোখের পাতা এবং বুকের ওপর।
লক্ষণ: এটি সাধারণত ব্যথাযুক্ত বা ক্ষতিকর নয়। তবে কাপড়ের সাথে ঘষা লেগে অনেক সময় জ্বালাপোড়া বা রক্তপাত হতে পারে।
স্কিন ট্যাগ কেন হয়?
স্কিন ট্যাগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সবসময় পরিষ্কার নয়, তবে প্রধান কারণ এবং ঝুঁকির কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ত্বকের ঘর্ষণ: ত্বক ত্বকের সাথে বা কাপড়ের সাথে বারবার ঘষা খেলে এটি হতে পারে।
বংশগত কারণ (Genetics): পরিবারে বা পিতামাতার স্কিন ট্যাগ থাকলে সন্তানদেরও এটি হওয়ার প্রবণতা থাকে।
হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের কারণে অনেকের স্কিন ট্যাগ দেখা দেয়।
স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন: অতিরিক্ত ওজনের কারণে শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে ঘর্ষণ বৃদ্ধি পায়, যা স্কিন ট্যাগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ডায়াবেটিস: টাইপ-২ ডায়াবেটিস বা মেটাবলিক সিন্ড্রোমের সাথে স্কিন ট্যাগের গভীর যোগসূত্র রয়েছে।
বয়স বৃদ্ধি: বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে এ ধরনের ছোট গ্রোথ বা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও লক্ষণ (Symptom-wise Remedies)
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় যেকোনো টিউমার বা ত্বকের অতিরিক্ত বৃদ্ধিতে (Growths) শরীরের সামগ্রিক লক্ষণ ও গঠন বিবেচনা করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিচে প্রধান কয়েকটি ওষুধের নাম ও লক্ষণ দেওয়া হলো:
১. Thuja Occidentalis (থুজা অক্সিডেন্টালিস)
প্রধান লক্ষণ: এটি স্কিন ট্যাগ এবং যেকোনো ধরনের আঁচিল (Warts) দূর করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ।
বৈশিষ্ট্য: শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড, ছোট ছোট টিউমার বা ট্যাগ দেখা দিলে এবং রোগীর যদি সাইকোটিক মিয়াজম (Sycotic Miasm) বা এ ধরনের গ্রোথ বারবার হওয়ার প্রবণতা থাকে, তবে থুজা অত্যন্ত উপযোগী।
২. Nitric Acidum (নাইট্রিক অ্যাসিড)
প্রধান লক্ষণ: স্কিন ট্যাগ বা আঁচিল যদি খুব সহজে রক্তপাতপ্রবণ (Bleed easily) হয় এবং সেগুলোতে যদি সূচ ফোটানোর মতো ব্যথা বা চুলকানি থাকে।
বৈশিষ্ট্য: রোগীর শরীর থেকে নির্গত স্রাব (যেমন ঘাম বা প্রস্রাব) যদি খুব ঝাঁঝালো বা দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তবে এই ওষুধটি নির্দেশিত হয়।
৩. Causticum (কষ্টিকাম)
প্রধান লক্ষণ: মুখমণ্ডল, বিশেষ করে চোখের পাতা, নাক বা গলার চারপাশে যদি ছোট ছোট স্কিন ট্যাগ বা আঁচিল দেখা দেয়।
বৈশিষ্ট্য: পুরানো এবং শক্ত ধরনের আঁচিল বা ট্যাগের ক্ষেত্রে এবং যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাদের জন্য এটি কার্যকরী।
৪. Staphysagria (স্ট্যাফেগ্রিয়া)
প্রধান লক্ষণ: শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুব নরম এবং সংবেদনশীল ছোট ছোট মাংসপিণ্ড বা ট্যাগ জন্ম নিলে।
বৈশিষ্ট্য: বিশেষ করে যারা মানসিকভাবে খুব সংবেদনশীল বা অতীতে কোনো গভীর মানসিক আঘাত বা Suppressed emotions-এ ভুগেছেন।
সতর্কতা: হোমিওপ্যাথি ওষুধ সর্বদা একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিত। নিজে নিজে ওষুধ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শারীরিক লক্ষণ মিলিয়ে সঠিক শক্তি (Potency) ও মাত্রা জেনে নেওয়া শ্রেয়।
………………………………………………………………..
Dr. Sumon Kr Biswas
M.D (Homeopathy-Gold medalist) (Govt. Homeopathic Medical College, Hyderabad)
BHMS; National Institute of Homeopathy, (Kolkata)
MPH (Epidemiology); Tata Institute, Mumbai.
Ex-House Physician Saltlake Homeopathy Hospital, Kolkata.
ICCR-AYUSH Scholar; Govt. of India.

যাশোর চেম্বার: সততা হোমিও ফার্মাসি
আশ্রম মোড়, রেল রোড, সি এন্ড বি মসজিদের পাশে, যাশোর
(সপ্তাহের প্রত্যেক রবিবার থেকে বুধবার বিকাল ৩:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত )

ঢাকা চেম্বার : হোলি হার্ব হোমিওপ্যাথি
বাড়ি নং: ০৩ (দ্বিতীয় তলা), মেইন রোড, ব্লক #এইচ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯, ঢাকা ( সপ্তাহের প্রত্যেক শুক্রবার ও শনিবার)

কলকাতা চেম্বার : HP হোমিওপ্যাথি ইন্টারন্যাশনাল
প্লাটফর্ম নং 5, মা সারদা রোড, বারাসাত,
: +8801987367955 (হোয়াটস্যাপ)
+919547689391(ইন্ডিয়া)


#যশোর #বাংলাদেশ #হোমিওপ্যাথি #অ্যালার্জি #অ্যালার্জি_চিকিৎসা #প্রাকৃতিক_চিকিৎসা

🌿  বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি বা অ্যালার্জি থেকে আরাম পেতে কার্যকরী কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধ ও তার লক্ষণ 01987-36...
28/07/2026

🌿 বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি বা অ্যালার্জি থেকে আরাম পেতে কার্যকরী কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধ ও তার লক্ষণ
01987-367955
​১. সর্দি ও ঠান্ডা লাগা 🤧
✅ ​অ্যাকোনাইট ন্যাপ (Aconite Napellus):
​লক্ষণ: বৃষ্টির জলে ভিজে হঠাৎ করে যদি জ্বর, প্রচণ্ড ঠান্ডা লাগা, ছটফটানি বা ভয় পাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয় এবং সমস্যা যদি ঠিক পরের মুহূর্তেই শুরু হয়, তবে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
✅ ​আর্সেনিক অ্যালবাম (Arsenicum Album):
​লক্ষণ: নাক দিয়ে জলবৎ পাতলা কিন্তু জ্বালাপোড়া করা স্রাব ঝরলে, ঘন ঘন হাঁচি হলে এবং সঙ্গে গলা ব্যথা ও কিছুটা দুর্বলতা বা অস্থিরতা থাকলে এটি ব্যবহার করা হয়। গরম পানীয় খেলে এক্ষেত্রে উপশম হয়। ☕
​২. জ্বর ও গা-ব্যথা 🤒
✅ ​ব্রায়োনিয়া অ্যালবা (Bryonia Alba):
​লক্ষণ: বৃষ্টির ঠান্ডা লাগার পর যদি গায়ে প্রচণ্ড ব্যথা হয় এবং নড়াচড়া করলে বা একটু নড়লেই যদি ব্যথা বা কষ্ট বৃদ্ধি পায়, রোগী সম্পূর্ণ স্থির থাকতে চায় এবং মুখ ও গলা শুকিয়ে যায় (অতিরিক্ত জল তেষ্টা), তবে এটি খুব ভালো কাজ করে।
✅ ​রাস টক্স (Rhus Toxicodendron):
​লক্ষণ: বৃষ্টির জলে ভেজার ফলে জ্বর এবং অস্থিসন্ধি বা পেশিতে ব্যথা শুরু হলে। এক্ষেত্রে ব্রায়োনিয়ার উল্টো লক্ষণ দেখা যায়—অর্থাৎ নড়াচড়া করলে প্রথমদিকে ব্যথা বাড়লেও, কিছুক্ষণ হাঁটাচলা বা নড়াচড়া করলে আরাম বোধ হয়। 🚶‍♂️
​৩. কাশি ও গলা ব্যথা 🗣️
✅ ​হেপার সালফ (Hepar Sulphur):
​লক্ষণ: ঠান্ডা লাগার পর গলা ব্যথা, শুষ্ক কাশি এবং গলা বা বুকে কাটার মতো ফোটার অনুভূতি হলে। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি সামান্য ঠান্ডা বাতাস বা ঠান্ডা জল লাগলেই খুব দ্রুত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।
✅ ​স্পঞ্জিয়া টোস্টা (Spongia Tosta):
​লক্ষণ: গলার ভেতরটা শুকিয়ে গিয়ে যদি কর্কশ ও ফাঁপা কাশির সমস্যা দেখা দেয়, তবে এটি উপযোগী।
​৪. অ্যালার্জি ও হাঁচি 🌿
✅ ​ডালকামারা (Dulcamara):
​লক্ষণ: আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বা বৃষ্টিতে ভিজে ঠান্ডা লেগে যাঁদের ত্বক ও শ্বাসনালীতে অ্যালার্জির সমস্যা (যেমন ঘন ঘন হাঁচি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ত্বকে চুলকানি) দেখা দেয়, তাঁদের জন্য এটি অন্যতম প্রধান ওষুধ।
✅ ​ন্যাট্রাম মিউর (Natrum Muriaticum):
​লক্ষণ: ঠান্ডা লাগার প্রাথমিক পর্যায়ে নাক ও চোখ দিয়ে অনবরত পরিষ্কার জলের মতো জল পড়া, মুখে অতিরিক্ত নোনতা স্বাদ বা রুচিহীনতা এবং রোদে গেলে সমস্যা বাড়লে এটি বিবেচনা করা যায়। ☀️
🩸 ​ন্যাট্রাম সালফ (Natrum Sulphuricum):
​লক্ষণ: বৃষ্টির জলে ভেজার ফলে বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় যাঁদের সর্দি, কাশি, হাঁপানি (Asthma) কিংবা বাতের ব্যথা বাড়ে, তাঁদের জন্য এটি অন্যতম সেরা ওষুধ। বিশেষ করে বৃষ্টির আবহাওয়া বা স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র পরিবেশ সহ্য হয় না এবং এর ফলে শারীরিক সমস্যাগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠনে ।
⚠️ সতর্কতা: হোমিওপ্যাথি ওষুধ সাধারণত ৩০ বা ২০০ শক্তিতে (Potency) দিনে ২-৩ বার লক্ষণ অনুযায়ী খাওয়া হয়ে থাকে। তবে সঠিক মাত্রা ও শক্তি নির্ধারণের জন্য কোনো অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ
………………………………………………………………..
Dr. Sumon Kr Biswas
M.D (Homeopathy-Gold medalist) (Govt. Homeopathic Medical College, Hyderabad)
BHMS; National Institute of Homeopathy, (Kolkata)
MPH (Epidemiology); Tata Institute, Mumbai.
Ex-House Physician Saltlake Homeopathy Hospital, Kolkata.
ICCR-AYUSH Scholar; Govt. of India.

যাশোর চেম্বার: সততা হোমিও ফার্মাসি
আশ্রম মোড়, রেল রোড, সি এন্ড বি মসজিদের পাশে, যাশোর
(সপ্তাহের প্রত্যেক রবিবার থেকে বুধবার বিকাল ৩:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত )

ঢাকা চেম্বার : হোলি হার্ব হোমিওপ্যাথি
বাড়ি নং: ০৩ (দ্বিতীয় তলা), মেইন রোড, ব্লক #এইচ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯, ঢাকা ( সপ্তাহের প্রত্যেক শুক্রবার ও শনিবার)

কলকাতা চেম্বার : HP হোমিওপ্যাথি ইন্টারন্যাশনাল
প্লাটফর্ম নং 5, মা সারদা রোড, বারাসাত,

📞📱: +8801987367955 (হোয়াটস্যাপ)
+919547689391(ইন্ডিয়া)



Address

সততা হোমিও ফার্মেসী, আশ্রম মোড়, যাশোর
Jessore

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801717006259

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health & Harmony With Homeopathy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health & Harmony With Homeopathy:

Shortcuts

Share