Dr. Md. Ashraf Uddin Ahmed, Medicine Specialist, Diabetologist

Dr. Md. Ashraf Uddin Ahmed, Medicine Specialist, Diabetologist Dr. Ashraf is a medicine and diabetes specialist as well as a geriatrician(doctor for older person).

সম্মানিত সহকর্মী ও সুধী, 🙏অতি সম্প্রতি আমার তৃতীয় বই,  প্রকাশিত হয়েছে—"বয়স্ক রোগীদের পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ: নিরাপদ ও সক্...
07/09/2026

সম্মানিত সহকর্মী ও সুধী, 🙏অতি সম্প্রতি আমার তৃতীয় বই, প্রকাশিত হয়েছে—"বয়স্ক রোগীদের পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ: নিরাপদ ও সক্রিয় জীবনের সহজ উপায়"।বার্ধক্যে বয়স্ক মানুষদের হাড়ের ক্ষয় ও শারীরিক ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাগুলো কীভাবে সহজে প্রতিরোধ করা যায়, সেই বিষয়ে বাস্তবসম্মত গাইডলাইন ও সচেতনতা নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে।
বইটির প্রাপ্তিস্থান:
১. কক্ষ নং ১২২ / ১৯০ (নিচ তলা), বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
২. ছায়াবীথি প্রকাশনী
৩. রকমারি ডটকম (অনলাইন লিংক: https://www.rokomari.com/book/571494/boyoskoder-pore-joua-protirod)
বইটি প্রবীণদের সুস্থতা ও সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আপনারা যারা বইটি ইতিমধ্যে সংগ্রহ করেছেন বা পড়েছেন, বইটির বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত ও ফিডব্যাক আশা করছি। আপনাদের পরামর্শ বইটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে।ধন্যবাদ। 🤝
এই বইয়ের বিক্রয়লব্ধ সমুদয় টাকা "বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটির " ফান্ডে যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

07/09/2026
✨ বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা: সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী দেখানোর নিয়ম ও সকল তথ্য ✨​আপনি কি জানেন? কোনো ধরন...
04/09/2026

✨ বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা: সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী দেখানোর নিয়ম ও সকল তথ্য ✨

​আপনি কি জানেন? কোনো ধরনের বিদেশ ভ্রমণ ছাড়াই এখন বাংলাদেশেই মিলছে আন্তর্জাতিক মানের সব বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা! ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল (Super Specialized Hospital) সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সেবা নিশ্চিত করছে।

​রোগী দেখানোর নিয়ম, খরচ ও বিশেষ সুবিধাগুলো একনজরে নিচে দেখে নিন:
​👨‍⚕️ ডাক্তারের ভিজিট / কনসালটেশন ফি
​এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন।

​সকালের শিফট (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:০০):
​অধ্যাপক: ৬০০ টাকা
​সহযোগী অধ্যাপক: ৪০০ টাকা
​সহকারী অধ্যাপক: ৩০০ টাকা
​বিকালের শিফট (বিকাল ৩:০০ - রাত ৮:০০):
​অধ্যাপক: ১,০০০ টাকা
​সহযোগী অধ্যাপক: ৭০০ টাকা
​সহকারী অধ্যাপক: ৫০০ টাকা
​🏥 বিভাগ ও সেন্টারসমূহ
​১. কার্ডিও অ্যান্ড সেহ্‌রেব্রো ভাস্কুলার সেন্টার (হৃদরোগ ও রক্তনালী)
২. হেপাটোবিলিয়ারি ও লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার
৩. কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট অ্যান্ড নেফ্রোলজি সেন্টার
৪. মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার
৫. ইমার্জেন্সি ও ট্রমা সেন্টার
৬. বহির্বিভাগ (নিউরোলজি, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, চর্ম ও যৌন, ইএনটি, চোখ ইত্যাদি)
​🧪 পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ (Diagnostic Charges)
​সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এখানে অনেক কম খরচে নিখুঁত পরীক্ষা করা যায়:
​রক্ত/প্রস্রাব পরীক্ষা: ২০০ – ১,০০০ টাকা
​এক্স-রে: ৪০০ – ৮০০ টাকা
​ইউএসজি: ১,০০০ – ২,৫০০ টাকা
​সিটি স্ক্যান: ৩,৫০০ – ৮,০০০ টাকা
​এমআরআই: ৬,০০০ – ১২,০০০ টাকা
​ইসিজি / ইকো: ৫০০ – ২,৫০০ টাকা
​🛏️ কেবিন ও আইসিইউ ভাড়া (অনুমানিক)
​সাধারণ কেবিন: ২,০০০ – ৩,০০০ টাকা/দিন
​ভিআইপি ও ডিলাক্স কেবিন: ৫,০০০ – ১০,০০০ টাকা/দিন
​ICU / CCU / HDU: সাপোর্ট অনুযায়ী নির্ধারিত
​📅 রোগী দেখাবেন কীভাবে? (সিরিয়াল ও আসার প্রক্রিয়া)

​১. অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট (সবচেয়ে সহজ):
হাসপাতালের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (ssh.bmu.ac.bd) থেকে ঘরে বসেই নির্দিষ্ট বিভাগের ডাক্তারের সময়সূচী দেখে সিরিয়াল বুক করতে পারবেন।

​২. সরাসরি টিকিট কেটে:
প্রতিদিন সকালে হাসপাতালের নির্দিষ্ট টিকিট কাউন্টার থেকেও সরাসরি টিকিট কেটে ডাক্তার দেখানো যায়।

​৩. জরুরি বিভাগ (Emergency):
২৪ ঘণ্টা কোনো পূর্ব সিরিয়াল ছাড়াই সরাসরি জরুরি চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।

​⭐ বিশেষ সুযোগ-সুবিধা
​ডিজিটাল ও পেপারলেস সিস্টেম: রোগীর সমস্ত রেকর্ড ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকে, কাগজের ফাইলের কোনো ঝামেলা নেই।
​মডুলার ওটি (OT): রোবোটিক ও হাই-টেক প্রযুক্তিসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের ওটি।
​ওয়ান-স্টপ সেবা: একই ছাদের নিচে টেস্ট, ডাক্তার, ওষুধ ও ভর্তি সুবিধা।

​ট্রান্সপ্লান্ট সুবিধা: লিভার, কিডনি ও বোন মারো ট্রান্সপ্লান্টের বিশেষ ব্যবস্থা।
​পরিচ্ছন্ন পরিবেশ: ইনফেকশন-ফ্রি ও সম্পূর্ণ বিশ্বমানের হাসপাতাল পরিবেশ।

​📍 ঠিকানা: শাহবাগ, ঢাকা (বারডেম হাসপাতালের পাশে)।

​📢 জরুরি অনুরোধ: তথ্যগুলো অনেক রোগীর উপকারে আসতে পারে!

আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো রোগীকে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাসেবা পেতে সাহায্য করবে।
তাই পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। 💙
কালেক্টেড

 #জনস্বার্থে বাচতে হলে জানতে হবে
04/09/2026

#জনস্বার্থে
বাচতে হলে জানতে হবে

এবার ডেঙ্গু জ্বরের ধরণ পাল্টেছে | ডা. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ | হেলথ জার...

বর্তমানের জ্বর সম্পর্কে জানুন ভালো থাকুন। আমার লেখা আজকের পত্রিকায়  #জনস্বার্থে
02/09/2026

বর্তমানের জ্বর সম্পর্কে জানুন ভালো থাকুন। আমার লেখা আজকের পত্রিকায়
#জনস্বার্থে

অনিয়ন্ত্রিত এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন তো বিপদে পড়বেন
31/08/2026

অনিয়ন্ত্রিত এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন তো বিপদে পড়বেন

কারণে অকারণে এন্টিবায়োটিক খেলে কী হয়? | ডা. মো. আশরাফ উদ্দিন আহমে...

জানুন
18/08/2026

জানুন

সতর্কতার বার্তা: স্ক্যাবিস যখন মহামারীর রূপ নেয়বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে স্ক্যাবিস রোগটি উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এ...
15/06/2025

সতর্কতার বার্তা: স্ক্যাবিস যখন মহামারীর রূপ নেয়
বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে স্ক্যাবিস রোগটি উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এই সময়ে আমাদের প্রত্যেকের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। তাই নিজেরা সতর্ক হই এবং অন্যদেরও সতর্ক করি। আপনার সন্তানের ত্বকে যদি চুলকানি বা স্ক্যাবিসের লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে এই লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং এর মর্মার্থ বোঝার চেষ্টা করুন।
স্ক্যাবিস: একটি সংক্রামক চর্মরোগ
স্ক্যাবিস (Scabies) হলো সারকোপ্টেস স্ক্যাবিআই (Sarcoptes Scabiei) নামক এক প্রকার ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (Mite) দ্বারা সৃষ্ট একটি তীব্র সংক্রামক চর্মরোগ। এর প্রধান উপসর্গ হলো অসহনীয় চুলকানি।
স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা
১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এর তীব্র চুলকানি, যা বিশেষত রাতে বৃদ্ধি পায় এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক শিশু চুলকাতে চুলকাতে ঘুম থেকে জেগে ওঠে এবং যন্ত্রণায় কান্নাকাটি করে।
২. ত্বকে ফুসকুড়ি ও ক্ষত: চুলকানি এবং ঘর্ষণের ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, ঘা এবং সংক্রমণ হতে পারে। কখনো কখনো ত্বকের নিচে পুঁজও জমতে দেখা যায়।
৩. পরিবারে দ্রুত বিস্তার: এই রোগ অত্যন্ত ছোঁয়াচে। পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে আসা অন্য সদস্যরাও সহজেই আক্রান্ত হতে পারেন।
৪. দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা: যদি স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হয়, তবে এটি ত্বকে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, সেলুলাইটিস এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রে কিডনি সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময়মতো সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।
৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও শারীরিক অস্বস্তি শিশুর মনে চাপ এবং অস্থিরতা তৈরি করে।
স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়
১. চিকিৎসা:
* পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত এই ক্রিম ভালোভাবে লাগিয়ে ১০-১২ ঘণ্টা রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে সামান্য ভুল করলেও স্ক্যাবিস শরীর থেকে যাবে না এবং মাসাধিক কাল ধরে এর অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হতে পারে। শরীরের এক ইঞ্চি জায়গাও যেন বাদ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। রাতে যদি ওয়াশরুমে যান এবং ওষুধ ধুয়ে যায়, তবে পুনরায় প্রয়োগ করুন। যদি প্রথমবারে নিরাময় না হয়, তবে ৭ দিন পর একই নিয়মে পুনরায় ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পরদিন সকালে পরিধেয় পোশাক, বিছানার চাদর, বালিশের কভার—সবকিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজেও গরম পানি ও বডি ওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে শরীর ঘষে গোসল করুন।
* অন্যান্য ক্রিম ও সলিউশন: আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর তার পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।
* আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু জটিল বা বারবার সংক্রমিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ আপনার শিশুকে খাওয়ার আইভারমেকটিন ওষুধ দিতে পারেন।
* অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট/সিরাপ: চুলকানি কমাতে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কার্যকর। শিশুদের জন্য সিরাপ এবং বড়দের জন্য ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়।
২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
* আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে।
* রোগ সৃষ্টিকারী মাইট ২-৩ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, তাই আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ৩ দিন পর্যন্ত অন্য সবার থেকে দূরে রাখতে হবে।
৩. একসাথে চিকিৎসা:
* পরিবারের সকল সদস্যের, এমনকি যাদের উপসর্গ নেই তাদেরও, একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি রোগ নির্মূলে খুব সহায়ক।
৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখা:
* বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। এতে পুনরায় সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে যায়।
বিশেষ সতর্কতা
শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক, কারণ কিছু ঔষধ শিশু ও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
স্ক্যাবিসকে সাধারণ রোগ ভাবা ভুল। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই এ বিষয়ে সবসময় সচেতন থাকুন। যারা একবার আক্রান্ত হয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন, তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমেথ্রিন ৫% ক্রিম ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোশাক ও বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন। সাস্থ্য বিষয়ক আরো কিছু জানতে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন আমাদের হেলথ চ্যানেল

https://youtube.com/?si=HVDcaZI4Kufaq5Oa

ডা মো আশরাফ উদ্দিন আহমেদ
সহযোগী অধ্যাপক (মেডিসিন), জেরিয়াট্রিশিয়ান, প্যালিয়েটিভ কেয়ার স্পেশালিষ্ট
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
Email: [email protected]

ডা: মোঃ আশরাফ উদ্দিন আহমেদ এম বি বি এস, এফ সি পি এস (মেডিসিন) ট্রেইনড ইন জেরিয়াট্রিক মেডিসিন (ইউ কে) মেডিসিন ও ডায়াবেট.....

11/06/2025

-স্যার আমার ডাইরিয়া হইসে, ভালো হইতেসে না।
-ঔষধ খেয়েছেন কোন?
-জ্বি স্যার, ফিলমেট খাইসি..
-আর?
-এমোডিস ও খাইসি..
-আর?
-জিম্যাক্স খাইসি..
-আর?
-জক্স ও খাইসিলাম একটা..
-আর?
-ইমোটিল নিয়া আসছি, এখনো খাই নাই, তবে কাল রাইতে রস্টিল ট্যাবলেট খাইসিলাম একটা..
- মাশাল্লাহ.. আর কিছু?
- না স্যার আর কিছু না। তয় শইলডা দুর্বল হই গেছে। এট্টু ভিটামিন খাওয়া লাগতে পারে মনে হইতেসে..

-বাহ, ভেরী গুড আইডিয়া। তা কয়দিন হইলো ডাইরিয়া???

-গতকাল দুপুর থেকে শুরু হইসে, আজ সন্ধ্যা পার হইয়ে যাইতেসে। এখনো কমতেসে না। ৮-৯ বার টয়লেট গেছি। স্যার এখন কি করবো?

- এখন বাসায় যাবেন, এরপর সব ঔষধ জানালা দিয়ে ফেলে দিবেন বাইরে।

-হ্যা স্যার?? কি কইলেন সার?

-জ্বী, সব ফেলে দেন। আর আমি চিকিৎসা বলে দিচ্ছি এখন, মন দিয়ে শুনুন।

এরপর তাকে চিকিৎসা দেওয়া হলো।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

যারা কষ্ট করে এই লেখা পড়ছেন তাদের কেউ কেউ হয়ত জানতে চাচ্ছেন যে চিকিৎসাটা আসলে কি দিয়েছিলাম?
তার আগে বলতে চাই,
উনার মত আপনারাও যদি জেনে থাকেন যে ফিলমেট, ফ্লাজিল, এমোডিস, মেট্রো, জক্স, ইমোটিল এগুলো যত পারেন তত খাওয়াটাই ডাইরিয়ার ক্ষেত্রে আসল করনীয়,
তাইলে সেটা ভুল জানেন।

সঠিক কি করনীয় তা বলে দিচ্ছি আমি, কিন্তু তার আগে আপনাদের জন্য,

" বলুন তো?
কোন সেই পৃথিবীর সেরা হাসপাতাল যেখানে ডাইরিয়ার চিকিৎসা খুব ভালো হয়? যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিদেশী চিকিৎসক রা এসে এসে চিকিৎসা শিখেন? রিসার্চ করেন?"

গর্ব সহকারে উত্তরটা দিয়ে দেই,
সেই সেরা যায়গাটা আমাদের দেশে। জায়গার নাম ICDDR'B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh)..
অর্থাৎ আমাদের বিখ্যাত "মহাখালী কলেরা হাসপাতাল.."

৫৮ বছর পুরানো সেই প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন শত শত ডাইরিয়ার রোগী যায়।

যদি কখনো সেখানে রোগী হয়ে বা রোগী নিয়ে যান,
তাহলে দেখবেন তারা তাদের এত এত রোগীদের সাধারনত ঐসব ফিলমেট, মেট্রো, এমোডিস, ইমোটিল ইত্যাদির কোনটাই দেয় না।
শুধু তাই ই না, সচরাচর তারা এন্টিবায়োটিক-ই দেয় না। এন্টিবায়োটিক ছাড়াই হাজার হাজার ডাইরিয়ার রোগী তারা ভালো করছে এবং সুনামের সাথেই করছে।

আমার ফ্রেন্ড এর কাকা ওখানে ভর্তি হয়ে ঝগড়া করে এসেছে। ভর্তির দ্বিতীয় দিন ওদের সাথে বিশাল হইচই করে বলেছেন,
" হুমুন্দির ফুতেরা কি চিকিৎসা দেয়? হাগতে হাগতে শেষ হইলাম, আমাকে একটাও এন্টিবায়োটিক দিলো না, হ্যাতেরা কোন চিকিৎসা জানে নি??"

আমার কপাল খারাপ যে ঠিক ঐ সময় আমি উনাকে দেখতে গিয়েছিলাম। উনি হুবহু উপরের কথাগুলোই বলেছিলেন। লজ্জায় মাথা কাটা যায় এমন অবস্থা..

আপনাদের কি মনে হয়? উনারা বেকুব?
ICDDR'B এর ডাক্তার রা চিকিৎসা জানেন না?

যেখানে আপনার বাসার সামনে ফার্মেসী তে গিয়ে ডাইরিয়া হয়েছে বলার আগেই একটা ফিলমেট/ফ্লাজিল বা ইমোটিল গিলায় দেয়, সেখানে এতবড় প্রতিষ্ঠান, দেশ বিদেশের সবাই এক নাম এ চিনে, সেখানে ওরা সেই সব ঔষধ পারতপক্ষে দেয়ই না কেন??
নিশ্চই যুক্তি আছে।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

যাক,
অনেক ভ্যান ভ্যান করেছি। এবার ডাইরিয়া হলে সঠিক ক্ষেত্রে করনীয় কি সেটা বলে দিচ্ছি..

সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষ আপনি।
একদিন মনের অজান্তে বাইরের খাবার বা জীবানুযুক্ত খাবার বা পানি খেয়েছেন,
আপনার পেটে ভুটভাট শুরু হয়েছে..
কিছুক্ষন পর শুরু হলো ডাইরিয়া.. পানির মত পায়খানা.. ডাইরেক্ট লাইন..সাথে বমি..সাথে জ্বর জ্বর ভাব।

এই রোগটিকে আমরা আমাদের ভাষায় বলি "গ্যাসট্রোএনটেরাইটিস"..

এই ডাইরিয়াটাই আপনাদের বেশী হয় এবং আপনারা অস্থির হয়ে যান বস্তা বস্তা এন্টিবায়োটিক খেয়ে ডাইরিয়া কে "যায়গামত ব্রেক কষাতে"..

আসলে যেটা আপনাদের বুঝতে হবে, এটাকে ব্রেক কষানো টা মূল চিকিৎসা না।
এ সময়ে মূল চিকিৎসা হলো শরীরের পানি ঠিক রাখা।
আবার বলি,
এ সময় মূল চিকিৎসা হলো শরীরের পানি ঠিক রাখা।

ডাইরিয়ার তীব্রতা ১-৫ দিনের মাঝে সাধারনত নিজে থেকেই কমে যাবে। আপনি শুধু শরীরে পানি ঠিক রাখেন।

আপনার যা যা করতে হবে তা হলো,

১.ওরাল স্যালাইন খাবেন, প্রতিবার পায়খানা হবার পর ১ গ্লাস করে।
২. ঘরের বাইরে বানানো কিছু খাবেন না
৩.দুধ এবং দুধের তৈরী কিছু খাবেন না।
৪.ফল ও ফলের রস খাবেন না।
৫.যদি কোন ধরনের ভিটামিন জাতীয় ঔষধ খেতে থাকেন, সেটা বন্ধ করে দিবেন।
৬. ডাইরিয়া ব্রেক কষানোর জন্য কখনোই ইমোটিল জাতীয় ঔষধ (গ্রুপ - লোপেরামাইড) খাবেন না। সাবধান।
৭. ভাত মাছ রেগুলার সব খাবার স্বাভাবিক যেমন খেতেন তেমনই খাবেন।

উপরে যেই ৭ টা কথা বললাম, ডাইরিয়ার চিকিৎসার মূল অংশ ঐটাই।
বাকি থাকে এন্টিবায়োটিক এর প্রসংগ।
সে ক্ষেত্রে সুজোগ করে একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। তিনি কোন এন্টিবায়োটিক যদি সাজেস্ট করে থাকেন, তাহলে সেটি ই খাবেন।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

ার্জেন্সী_হাসপাতালে_ভর্তি_লাগবে?

-যদি পর্যাপ্ত স্যলাইন খেতে না পারেন, বমি বেশী হয়..
-যদি আলাদা করে প্রস্রাব হওয়া বন্ধ হয়ে যায় (পায়খানার সময় তো প্রস্রাব হয় ই, আলাদা করে শুধু প্রস্রাব এর কথা বলেছি)
-যদি হাত পা ব্যথা বা কামড়ানো টাইপ কষ্ট শুরু হয়..
-প্রচন্ড নিস্তেজ হয়ে যায়।

উপরের বর্নিত জিনিসগুলো হলে হয়তো হাসপাতালে ভর্তি লাগতে পারে
(বিদ্রঃ মহাখালী কলেরা হাসপাতাল ২৪ ঘন্টা এ কাজে নিয়জিত।)

আর হ্যা, আপনি হয়তো জোয়ান তাগড়া মানুষ। ডাইরিয়া হলে স্যালাইন খেয়ে টেয়ে ম্যানেজ করে ২-৩ দিনের মাঝে হয়তো সুস্থ্য হলেন। ডাক্তার হয়তো দেখানোর প্রয়োজন হলো না।
কিন্তু যদি বাসার বৃদ্ধ এবং একেবারে শিশুদের যদি সামান্য ডাইরিয়াও হয়, সেটার জন্যেও একবার অন্তত ডাক্তার দেখাবেন।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

পরিশেষে,
এতবড় লেখায় আমার আসল মেসেজ বুঝতে পেরেছেন তো?
ছোট করে আবার বলি,

আপনার এবং আপনার আপনজনকে ডাইরিয়া হলে প্রথমে ঔষধের চাইতে স্যালাইন খেতে উৎসাহী করুন।
ডাইরিয়া হলে বস্তা বস্তা ঔষধ খেয়ে ওটাকে ব্রেক কষানোর জন্য অস্থির হবার দরকার নেই।
ভেতরের তৈরী দুষিত জিনিস বেরিয়ে যেতে দিন।
আপনি স্যালাইন খেয়ে শরীরে পানির পরিমান ঠিক রাখেন।
খাবারের নিয়মগুলো মানেন।
এইটুকু তেই আপনি ৮০% নিরাপদ।
এরপর ডাক্তার যদি মনে করেন যে এন্টিবায়োটিক লাগবে, সেটা যদি দেয়, তাইলে খাবেন। ----সংগৃহীত

https://www.facebook.com/share/p/1Fjoc1weoW/
09/06/2025

https://www.facebook.com/share/p/1Fjoc1weoW/

জরুরী সতর্কতা:
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

Address

Room No 122, Ground Floor, BIRDEM General Hospital, Shahbag
Dhaka
DHAKA-1000

Opening Hours

Monday 15:00 - 19:00
Tuesday 15:00 - 19:00
Wednesday 15:00 - 19:00
Thursday 15:00 - 19:00
Saturday 15:00 - 19:00
Sunday 15:00 - 19:00

Telephone

+8801795544148

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Ashraf Uddin Ahmed, Medicine Specialist, Diabetologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Ashraf Uddin Ahmed, Medicine Specialist, Diabetologist:

Shortcuts

Share

Category