Dr. Tarana Tusnuba Bristy

Dr. Tarana Tusnuba Bristy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Tarana Tusnuba Bristy, Doctor, Ring Road, Dhaka.

11/07/2026

তুমি ঢাকা মেডিকেলের ইন্টার্ন।
উপমহাদেশের অন্যতম প্রথম মেডিকেল কলেজগুলার একটা।
তুমি যদি সত্যি সত্যি কাজ করে থাকো, ওয়ার্ডের রোগীদের কাছাকাছি থাকো,

তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার আগে তোমার মনে ভাসতো হামে আক্রান্ত তোমার মেডিকেলে ভর্তি শিশুদের কথা। কারণ তুমি ইন্টার্ন।
তুমি যেদিন পিএম-কে প্রশ্ন করতেসো - সেদিন দেশে ১০০০+ হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
তোমার মনে আসার কথা কেন Post measles pneumonia নিয়ে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে NICU এর অভাবে তোমার বাচ্চা রোগী মরে যায়।
তোমার অনুভব করার কথা কেন Noakhali Medical College Hospital করার পরও হামের রোগীকে ভয়ংকর শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকা আসতে হয়।

কেন জামালপুরে Jamalpur Medical college করার পরও ঢাকায় রোগী আসতে হয়।

তোমার জানার কথা রাত ২ টায় সব জায়গায় NICU না পেয়ে ঢাকা মেডিকেলেও NICU না পেয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ঘুরে বেড়ানো রিকশাওয়ালা বাবার কথা। মায়ের কথা।

আচ্ছা তুমি হামের কাজ করো নাই।
তোমার মাথায় আসার কথা Dengue Hemorrhagic fever বা Dengue Shock Syndrome-এ খারাপ হয়ে যাওয়া রোগীটার কথা।
আসন্ন ডেংগু সিজন তোমাকে ভাবনায় উদ্বেলিত করার কথা।

তোমার মনে আসার কথা সেই গরিব রোগীর কথা যে Brain Stroke করে আসছে। - কেন রাষ্ট্র দায়িত্ব নেয়ার পরও Emergency CT Scan আমরা সবার নাগালে আনতে পারিনি।
কেন সিটি স্ক্যানের ৪০০০ টাকার জন্য তোমার রোগী বলে - 'স্যার, সিটি ছাড়া চিকিৎসা হইব না?'

তাও বাদ দিলাম, তুমি ঢাকা মেডিকেলে।
তোমার মাথায় আসার কথা -
বিরল রোগে আক্রান্ত সেই গরিব হতভাগা রোগীর কথা - যে কিনা Aplastic Anemia বা তীব্র Hepatocellular Carcinoma তে ভুগছে। যার বউ কিনা Transplant এর খবর শুনে গগন চিরে চিৎকার করে কাঁদে।

হয়তো সেই কান্নাও তুমি দেখো নি-

তোমার জানার কথা তোমার মেডিকেলে Lymphoma আক্রান্ত রোগীর ভয়ংকর কষ্টের কথা।

তাও ধরলা না।
ভাবলাম ইন্সটিটিউশনাল প্রবলেম বলবে।
তোমার মনে আসে নাই - হোস্টেলের ভগ্ন দেয়াল, ইট খসে পড়া পিলার। ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য। ভগ্নস্বাস্থ্য ভোজনালয়ের কথা।

আরও শতসহস্র বিষয় তোমাকে আন্দোলিত করার কথা।

চিন্তার বিকলাঙ্গতা। আফসোস।
মেধার সাথে সাথে অনুভব থাকা জরুরি।
নাইলে তুমি ডাক্তার না।
তুমি কোনো উদাহরণ নও।

Safwan Rahman

23/06/2026

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হওয়ার আগে চেম্বারে আমার ভিজিট ছিল ২০০ টাকা। তখন আপনারা চিকিৎসা নিতে আসেন নাই। পরামর্শ নিতেও আসেন নাই। কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে আব্বা আর ছোট ভাইকে নিয়ে একটি মেডিকেল সেন্টার তৈরি করেছিলাম আমার নিজের এলাকায়। আমার সেন্টারের সামনের পল্লী চিকিৎসকের দোকান থেকে আমার এলাকার মানুষজন পরামর্শ নিত কিন্তু আমার কাছে আসতো না। তখন বিনামূল্যে পরামর্শ দিতে চাইলেও কেউ আমার কাছে আসতে চাইত না। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রথমে পল্লী চিকিৎসক এরপরে কাজ না হলে সরাসরি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর মাঝখানে আমি তখন সিম্পল এমিবিবিএস আমার কোন মূল্য তাদের কাছে ছিল না।
২০২০ সালে আব্বা মারা যাওয়ার পর আমার মেডিকেল সেন্টার বন্ধ হয়ে যায়। যেহেতু আপনাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারই লাগবে তখন আমি চাকরি চেম্বার সব বাদ দিয়ে পড়াশোনা শুরু করলাম। পরিবারের বড় ছেলে চাকরি বাদ দিলে তার টাকার কি পরিমান কষ্ট হতে পারে একবার চিন্তা করে দেখেন। সত্য গোপন করবো না, ৩ বেলা খাবার খাব সেই টাকা আমার পকেটে ছিল না এমন অনেক দিন গেছে আমি দুই বেলা খাবার খেয়েছি টাকার অভাবে আর মুখে বলতাম ডায়েট করতেছি । আমার সাথে এই কষ্ট আমার মা ছোট ভাই আমার স্ত্রী সবাই করেছে। মেডিকেলের কিছু টেক্সট বই আছে যেগুলোর অনেক দাম তখন মনে হইত কেউ যদি এসে বলত যে তোমাকে বইটা কিনে দিতেছি তুমি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হয়ে আমাদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ দিও তবু একটু স্বস্তি বোধ করতাম। সেই ট্রেনিং পিরিয়ডে টানা দুই দিন- তিন দিন পর্যন্ত হসপিটাল এর ইনডোরে বিনা বেতনে ডিউটি করেছি। বিশেষজ্ঞ হওয়ার বিভিন্ন পরীক্ষা এবং কোর্সে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। এই নির্ঘুম ডিউটি শেষে বাসায় এসে না ঘুমিয়ে পড়তে বসছি কারণ সামনে আবার পরীক্ষা।
এই ঘটনাগুলো আমার এমবিবিএস পাস করারও তিন বছর পরের। যখন কারো কোন সাপোর্ট ছিল না লোকাল বাসে স্টুডেন্ট ভাড়া দিতাম তখন আমি নিয়ত করেছিলাম তাদেরকে আমি সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে চিকিৎসা করার চেষ্টা করব। আমার সেই কষ্টের দিনগুলোতে এই লোকাল বাস ছাড়া আর কেউ আমাকে সাপোর্ট করে নাই।
সত্যি বলতে সেই ট্রেনিং পিরিয়ডের কষ্টের দিনগুলোর অনেকটাই ভুলে গেছি। যদি সেগুলো মনে রেখে ভিজিট এর বিষয়ে আরো কঠোর আচরণ করতাম তাহলে আমার বর্তমান মাসিক ইনকাম আরো লাখখানেক টাকা বেশি হইত।
এর চেয়ে আরো বেশি কষ্টের সময় পার করে এসেছে অনেক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তারপরেও বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এখনো মানবিক হবার চেষ্টা করে দিনে কয়েকজন রোগী হলেও ফ্রি দেখে। ভালো কাজে উৎসাহ পেলে আরো ভালো কাজ করার আগ্রহ পাওয়া যায়। যে সকল ডাক্তার ভিজিটের বিষয়ে কঠোর আচরণ করে বলে আপনাদের কষ্ট হয় তাদের ২/১ জনের সাথে আমি কথা বলে দেখেছি তারা তাদের অতীতের কষ্ট ভুলতে পারে নাই।
আপনার আশেপাশে কোন মেডিকেল শিক্ষার্থী থাকলে ডেকে মাঝে মাঝে নাস্তা করাবেন, নিতে চাইবে না তবু জোর করেই একটা বই কিনে দিবেন। সে একদিন আপনার এই উপকার বহুগুণ বৃদ্ধি করে আপনাকে ফেরত দিবে।

ডাঃ আহমেদ রহমান শুভ
এমবিবিএস, ডিসিএইচ
শিশু বিশেষজ্ঞ

22/06/2026

ঐক্যবদ্ধ হোন, এখনও সময় আছে।
আজ বিসিপিএস এ গিয়েছিলাম মিড টার্ম পরীক্ষা নিতে।
পরীক্ষা শেষে আমরা অবরুদ্ধ।
এফসিপিএস পার্ট ওয়ান পাশ করে ট্রেনিং পোস্ট না পেয়ে আন্দোলনে নেমেছে এই চিকিৎসকরা ।
গতকাল কর্তৃপক্ষ কথা শোনেনি, অনেকটা ফাঁকি দিয়ে চলে গেছে। ‌ আজ কেউ অফিসে আসেনি।

পশ্চিম ও উত্তর দিকের দুটো গেটেই প্রচুর পুলিশ জড়ো করেছে কর্তৃপক্ষ।
সিনিয়র জুনিয়র অনেক পরীক্ষক এই আটকা পড়ার তালিকায় আছে। সাথে আছে কেবলমাত্র যারা পরীক্ষা শেষ করেছে সেই শিক্ষার্থীরা।
এগিয়ে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বললাম। আগে থেকেই যেহেতু জানি - পুরোটা বুঝে ফেললাম। বিসিপিএস এর নব দায়িত্বপ্রাপ্ত সেক্রেটারি প্রফেসর কোহিনুর ম্যাডামকে অনেকবার কল করেও তাকে পাওয়া গেল না।

এদিকে পুলিশ গেট ভাঙ্গার জন্য প্রস্তুত। আমাদের মাঝে দু একজন পরীক্ষক এবং বিসিপিএস এর কর্মচারীরা গেট ভাঙ্গার জন্য সায় দিল।
আমি অনেকটা বিচলিত হয়ে পড়লাম , অনুরোধ করে ঠেকালাম।

এখানে গেট ভাঙ্গা অথবা আমাদের বের হয়ে চলে যাওয়া কোন সমাধান নয়। গেট ভাঙ্গলে স্বাভাবিকভাবেই বাহিরে অবস্থানরত পরিচিত অপরিচিত ছেলে মেয়েগুলো আরো কষ্ট পেয়ে বিক্ষুব্ধ হবে এবং যার পরিনাম ভালো হবে না।
পুলিশ না বুঝেই তাদের স্বভাবজাত অভ্যাস অনুযায়ী পেটানো শুরু করবে দুই একজনকে এরেস্ট করবে যেটা হবে খুবই সুইসাইডাল। অনুরোধে পুলিশ থামল।

বিকেলে কোহিনুর ম্যাডামের সাথে চেম্বারে দেখা করার জন্য নিজেকে ভলান্টিয়ার করলাম।‌ আমার নাম্বারটা দিয়ে দিলাম এবং ওদের নাম্বার নিলাম।
ওরা কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। অসহায়ের মত কেউ গেট ধরে দাঁড়িয়ে আছে কেউ বাচ্চা কোলে নিয়ে গেটে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছে মাথায় ওড়না টেনে।

" আমাদের যদি ট্রেনিং করাতে না পারেন তাহলে পরীক্ষার আগে বলতেন আমরা অন্য পথ বেছে নিতাম, এফসিপিএস দিতাম না। আপনারাও আমাদের কষ্ট বুঝেন না স্যার।"

পৃথিবীতে সব সময় সমস্যা থাকবে এবং এর যথাযথ সমাধানও আছে। সমস্যাকে মোকাবেলা না করে এড়িয়ে চলা, ফোন বন্ধ করে রাখা বা প্রশাসন ডেকে শক্তি প্রয়োগ করা কোন সমাধান নয়। এগুলো সমস্যা আরও বাড়ায়।

বিসিপিএস কর্তৃপক্ষের, ড্যাব - এনডিএফ নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনারা সমস্যার সমাধানের জন্য পার্ট ওয়ান পাশ করা এইসব ছেলেমেয়েদের সাথে বসুন।
ওদের কথা শুনুন, দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করুন।

এখন আমি আমার মূল বক্তব্যটায় আসি।
পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে-
** যখন বেসরকারি পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেইনীদের ভাতা বৃদ্ধি আন্দোলন চলে তখন বিসিএস করা সরকারি চিকিৎসকরা এর সাথে অংশগ্রহণ করে না, অনেকেই টিপনি কাটে।
** যখন বয়স ৩৪ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করার আন্দোলন হয় তখন এর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয় এদের কোন একটা বিবৃতি পাওয়া যায় না অথবা এর পক্ষে কোথাও সুপারিশ করতে দেখা যায় না।
** যখন জুনিয়ররা ডিউটিরত অবস্থায় সম্পূর্ণ অন্যয়ভাবে পাবলিকের হাতে মার খায় তখন এ নিয়ে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া সিনিয়র চিকিৎসকদের কোন বক্তব্য আসেনা, প্রতিবাদ করে না বা তাদের বিচলিত হতে দেখা যায় না। ‌
একইভাবে ----
**যখন কোন সিনিয়র প্রফেসর জুলুমের শিকার হন এবং বিএমডিসি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেন তখন জুনিয়রদের মধ্যে এ নিয়ে কোন আলাপ হয় না।
** মানহীন মেডিকেল কলেজ গুলো নিয়ে জোরালো কোন বক্তব্য আমরা রাখি না।
** মেডিকেল কলেজের অবৈজ্ঞানিক ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে
আমাদের কোন মাথা ব্যথা নেই।
** বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষকদের বেতন কাঠামো নিয়ে অন্যরা সবসময় উদাসীন।।
আরো অজস্র উদাহরণ এমন দেয়া যাবে যেখানে যারা শুধু ভুক্তগুলি তারাই আন্দোলন করে অন্যরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমায়।

আজ এফসিপিএস পার্ট ওয়ান উত্তীর্ণ ছেলেমেয়েদের ন্যায্য দাবির সাথে অন্যরা যদি আন্দোলিত না হয়, কথা না বলে চুপ করে থাকে যে এটা আমাদের সমস্যা নয় এমন এক সময় আসবে যে আপনি আপনার সমস্যার সময় অন্যদের কাছে পাবেন না।

অতএব চিকিৎসকদের যেকোনো ন্যায্য দাবির সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আপনাকে সম্পৃক্ত হতে হবে। তাহলে আপনি আশা করতে পারেন আপনার বিপদের সময়ও চিকিৎসক সমাজ পাশে থাকবে। আর পেশার এ সমস্ত সমস্যার সময়ে তথাকথিত রাজনীতিকে হাজারো মাইল দূরে ঠেলে রাখতে হবে।

চিকিৎসকদের যে সংগঠনটির মাধ্যমে তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে একটা সময় কাজ করা হতো সেই বিএমএ এখন একটা নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করবো যদি মানসম্মান নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে চান তাহলে বিএমএর নির্বাচনটা দেয়ার ব্যবস্থা করুন। বিএমএ জীবিত হয়ে উঠলে চিকিৎসকদের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে মুভ করা সহজ হবে।

নিজের স্বার্থেই সবাই সজাগ হোন।
কষ্ট করে লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

প্রফেসর ডা. মেজর আব্দুল ওহাব মিনার (অব.)
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।
শেবাচিম একাদশ।

Cutest বাঙালি জাতি ❤️😇 সরকারি হাসপাতালে আসছে চিকিৎসা নিতে, তো হাসের বাচ্চা গুলা কই রেখে আসবে, সেইগুলিকে সাথে করে নিয়ে আ...
18/06/2026

Cutest বাঙালি জাতি ❤️😇
সরকারি হাসপাতালে আসছে চিকিৎসা নিতে, তো হাসের বাচ্চা গুলা কই রেখে আসবে, সেইগুলিকে সাথে করে নিয়ে আসছে, আসছে তো আসছে তাদের আবার ঘুরতে ও বের করে দিছে! টোটাল ফ্যামিলি পিকনিক 🤩🤩

~হাফসা

লাইফ কোনদিন সেট হয়না!সেকেন্ড টাইম মেডিকেল এডমিশনের দিন পনেরো আগে দূর্গা পূজা ছিলো। কোচিং থেকে বললো এবার পূজা দেখে সময় নষ...
17/06/2026

লাইফ কোনদিন সেট হয়না!

সেকেন্ড টাইম মেডিকেল এডমিশনের দিন পনেরো আগে দূর্গা পূজা ছিলো। কোচিং থেকে বললো এবার পূজা দেখে সময় নষ্ট করোনা। একবার চান্স পেয়ে গেলেই তো লাইফ সেট।

চান্স পেলাম। দেখলাম সরস্বতী পূজার পরদিন পরীক্ষা থাকে, লক্ষী পূজার দিন পরীক্ষা থাকে, দূর্গা পূজার পরপর পরীক্ষা থাকে। লাইফ ক্যামনে সেট বুঝলাম না।

পাশ করলাম। ইন্টার্নশিপ শেষ করলাম। দেখলাম সারাদিন কুত্তার মত খেটেও ত্রিশ - পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা রোজগার হয় না। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। ছোট থেকে শুনেছি ডাক্তার হলেই লাইফ সেট। বাবাকে আর খাটতে হবে না। অথচ পাশ করে দেখি দশ হাজার টাকা বাসায় দিতেই দম ফুরিয়ে যাচ্ছে।

বুঝলাম বিসিএস হতেই হবে। বিসিএস এর আগে পোস্ট গ্র‍্যাড টার্গেট করার অপশনই নেই। প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট রেসিডেন্সি তে ভর্তি হতে কিছু ইন্সটিটিউশনে লাখখানেক টাকাও লাগে। কই পাবো? এফসিপিএস এর অনারারি ট্রেনিং এ কিভাবে চলবো? আমার তো মাস শেষে একটা ফিক্সড এমাউন্টের টাকা লাগবেই। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বিসিএস হলোও। বেতন কত? ৩৭০০০ টাকা। একটা ডিগ্রির পরীক্ষা দিতেই লাগে ১১০০০ টাকা, ৭০০০ টাকা। চান্স পেলে ভর্তির ফি, পরীক্ষা দিতে পরীক্ষার ফি।

গ্রামে থেকে পড়াশোনার সাথে সম্পর্ক গেলো হারিয়ে। আমি তো এম্নেই ফাঁকিবাজ। কোনমতে একটা পার্ট ওয়ান হলো এত্ত বছর পরে! ট্রেনিং এ জীবনে ঢুকতে পারবো কিনা তাও জানিনা। নাকি পার্ট ওয়ান পাশের সার্টিফিকেট দেয়ালে টানিয়ে সেটা দেখতে দেখতেই মরে যেতে হবে।

লাইব্রেরিতে বসে হঠাৎ এটা চোখে পড়লো। এমন কান্না পেলো হঠাৎ। ডাক্তার হলে লাইফ সেট, বিসিএস হলে লাইফ সেট, পোস্ট গ্র‍্যাডে চান্স পেলে লাইফ সেট। আমাদের লাইফটা আসলে সেট হবে কখন?

এক বছর আগের স্মৃতি। জানিনা লেখাটা যে লিখেছিলো তার মনের আশা পূরণ হয়েছে কিনা।

লেখা Tumpa Das

মাত্র ২ ইঞ্চি পানিও একটি শিশুর জীবন কেড়ে নিতে পারে!ধরুন, বাচ্চাটা খেলছে, আপনি একটু অন্যমনস্ক, ফোনে ব্যস্ত বা হাতের কাজ ...
10/06/2026

মাত্র ২ ইঞ্চি পানিও একটি শিশুর জীবন কেড়ে নিতে পারে!
ধরুন, বাচ্চাটা খেলছে, আপনি একটু অন্যমনস্ক, ফোনে ব্যস্ত বা হাতের কাজ করছেন, ভাবছেন ওয়াশরুমে তো মাত্র একটা বালতি এতটুকু পানি নিয়ে খেলতেছে কি আর হবে!!!

কিন্তু এ বাচ্চাটিকে দেখুন,
খেলতে খেলতে, অজান্তে, পানিভর্তি একটি বালতির কাছে চলে গিয়েছিল সে।এরপর মাত্র কয়েক মিনিটই একটি পরিবারের হাসি চিরতরে কেড়ে নিয়েছে।

ছোট শিশুদের জন্য কয়েক ইঞ্চি পানিও প্রাণঘাতী হতে পারে। তারা ভারসাম্য হারিয়ে মাথা নিচের দিকে পড়ে গেলে নিজেরা উঠে দাঁড়াতে পারে না।

আমার ভাতিজা ইমরানকেও আমরা এভাবে হারাইছি, ওকে মা বালতির পানিতে বসিয়ে ঘরে গিয়েছিল! অল্প পানি ছিল যা গোসল করানোর জন্য নেওয়া, এরপর ৩-৪ মিনিট পর এসে দেখে বাচ্চাটা মারা গেছে! 💔

এই ঈদে আমার এলাকাতেও এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, কালকেও দেখলাম দুইটা বাচ্চা গফরগাঁওয়ে খেলতে খেলতে রাস্তার পাশের নালা তে পড়ে মারা গেছে!!
আপনার এত কষ্টের সন্তান, যার জন্য শত শত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, তাঁকে এভাবে একটু খামখেয়ালিতে হারিয়ে যেতে দিবেন না প্লিজ!!

১/ শিশুদের কখনো পানির কাছে একা রাখবেন না।

২/বালতি, টব, ড্রাম ব্যবহার শেষে খালি করুন অথবা ঢেকে রাখুন।

৩/বাথরুমের দরজা সবসময় বন্ধ রাখুন।

৪/ "এক মিনিটের জন্য" বলেও শিশুকে নজরের বাইরে রাখবেন না।

তার এই মৃত্যু হয়তো অন্য কোনো শিশুর জীবন বাঁচানোর কারণ হতে পারে।

এক মুহূর্তের অসাবধানতা, সারাজীবনের অনুশোচনা।

পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটি শেয়ার কোনো পরিবারের কান্না থামিয়ে দিতে পারে।

~Dr. Abdur Rahman

দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে আসলে কি লিখবো বুঝতেছি না। শব্দও যেন হারিয়ে ফেলছি।সেন্ট্রাল রোস্টারে কোরবানির ঈদের ডিউটি করতেছি...
31/05/2026

দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে আসলে কি লিখবো বুঝতেছি না। শব্দও যেন হারিয়ে ফেলছি।

সেন্ট্রাল রোস্টারে কোরবানির ঈদের ডিউটি করতেছি। গতকাল নাইট ডিউটি ছিল।

সার্জারিতে সাধারণত খুব বেশি পেশেন্ট মারা যায় না। যেসব পেশেন্ট মারা যায়, তাদের অবস্থা শুরু থেকেই খুবই ক্রিটিক্যাল থাকে। একটা পেশেন্ট ছিল—acute abdomen নিয়ে ভর্তি। পেট ব্যথা, sub acute intestinal obstruction এর কারণে।

তার আগে থেকেই হার্টের সমস্যা ছিল,বয়স:৭১ বছর।

ওই রোগীর ট্রিটমেন্ট চলছিল, মোটামুটি স্টেবল ছিল। রোগীর লোকজন দুই-তিনবার ডাকছিল, আমি প্রত্যেকবারই অ্যাটেন্ড করেছি। দ্বিতীয়বার রোগীর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল, দেখে oxygen saturation চেক করেছি—স‍্যাচুরেশন ৯৮%।মোটামুটি স্টেবল মনে হচ্ছিল।

Admission Unit,হাসপাতালে তখন রোগীর চাপ অনেক বেশি ছিল, তাই continuous monitoring সব সময় করা কঠিন ছিল।

একটু পরেই আবার ডাক দিল রোগীর লোকজন—রোগী কেমন যেন করছে। আমি আর আমার সার্জারির ম্যাম মিতু দেবনাথ ম্যাম দ্রুত গিয়ে দেখি রোগী পুরো ঘামছে, শ্বাস নিচ্ছে না।

ম্যাম তখনই সন্দেহ করলেন cardiac arrest হয়েছে। কোনো drug reaction বা ইনজেকশনের কারণে না—পুরো ট্রিটমেন্টই আগে থেকে চলছিল।

আমরা দ্রুত oxygen লাগাই, pulse check করি—কোনো pulse পাওয়া যাচ্ছিল না। CPR এর জন্য consent নিয়ে CPR শুরু করি। আমি নিজে ৩–৪ বার CPR দেই।

এই পুরো সময়টায় মিতু দেবনাথ ম্যাম আমার সাথে প্রায় ১০–১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। রোগীর লোকজনকে কাউন্সেলিং করেছেন, বুঝিয়েছেন, শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন, অসাধারণভাবে পুরো situation handle করেছেন।

কিন্তু সব চেষ্টা সত্ত্বেও রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এরপরই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে যায়।

রোগীর স্ত্রী এসে আমাদের ওপর অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন, তুই-তুকারি ধাক্কাধাক্কি করেন—দুই-তিনবার ধাক্কাও দেন ম‍্যাম কে। এরপরও ম্যাম সম্পূর্ণ শান্ত থেকে situation control করার চেষ্টা করেন।

এরপর রোগীর বড় ছেলে এসে আরও লোকজন জড়ো করে। প্রায় ২০–২৫ জন মানুষ আমাদের ঘিরে ফেলে, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে(ওগুলা শোনার মত না) এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে।

বড় ছেলে বারবার বলে “আমি আর আমার বাবা মা*র্ডা**র কে*সের আ*সা**মী।তোদের দেইখা নিব"-এমন আবেগপ্রবণ ও উত্তেজিত অবস্থায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এক পর্যায়ে আনসার,পুলিশরা আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে কিছুক্ষণের জন‍্য বাইরে পাঠিয়ে দেয়।হাসপাতালের নিচে লোক জড়োও করে রোগীর লোকজন।

সব চেষ্টা, সর্বোচ্চ effort, CPR—সবকিছুর পরেও যখন এমন পরিস্থিতি, তখন সত্যি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।এত এত লোক >৯৫%) সুস্থ হইয়া বাসায় যায়,কেউ তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে আসে না,নিউজও হয় না।

বউরে বললাম,"এই দেশে ডাক্তারি না কইরা যদি রাস্তায়ও থাকা লাগে তবে তা-ই থাকব।পরের জন‍্য নিজের বলি দিবনা,মূর্খদের জন‍্য তো কোনোভাবেই না।অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি আর কত?।"বউ বলল,"সবাই তো আর মূর্খ না,হতাশ হইয়ো না।"

যাইহোক,ঈদ মুবারক❤️

লেখা সুদীপ্ত দাস

30/05/2026

Help post

আমার ছোট বোনের জন্য একটি এন্টি ডি ইনজেকশন লাগে। কোনো দোকানে খুঁজে পাচ্ছি না। কেউ কি অরিজিনালটার সন্ধান দিতে পারবেন? খুবই জরুরী দরকার। দোকাদার বলছে- এটা কেনা বেচা নাকি অপরাধ। বিদেশি একটা পাওয়া যায় সেটা ইমপোর্ট বন্ধ। দেশের কোনো ফার্মেসিউটিক্যাল কোম্পানি নাকি এটা বানায় না। সরকারিভাবেও নাকি সরবরাহ নাই। তাহলে আমরা রোগীদের এন্টি ডি ইনজেকশন লাগলে কোথা থেকে আনতে বলবো?
কোম্পানিগুলো বানায় না কেন?
ইমপোর্ট নিষেধ কেন?
সরকার দোকানে রাখতে দিচ্ছে না বিদেশিটা। কিন্তু দেশীয় প্রডাক্ট বানাতে পদক্ষেপ নেয় না কেন?

Address

Ring Road
Dhaka

Telephone

+8801616401180

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tarana Tusnuba Bristy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Tarana Tusnuba Bristy:

Shortcuts

Share

Category