SHISU

SHISU প্রতিটি শিশুর শেখা হোক আনন্দের।
মা-বাবার বিশ্বস্ত প্যারেন্টিং সঙ্গী।
ফ্রি গাইড | বাস্তব পরামর্শ | শিক্ষামূলক পণ্য

09/09/2026

সেই মাশাআল্লাহ ✨

আজকের ছোট্ট অভ্যাস, আগামীর বড় মানুষ | পর্ব–১আপনি কি ভালোবেসে আপনার সন্তানের অনেক কিছু করে দিচ্ছেন?জুতার ফিতা আপনি বেঁধে...
05/09/2026

আজকের ছোট্ট অভ্যাস, আগামীর বড় মানুষ | পর্ব–১

আপনি কি ভালোবেসে আপনার সন্তানের অনেক কিছু করে দিচ্ছেন?

জুতার ফিতা আপনি বেঁধে দিচ্ছেন।

খেলনা আপনি গুছিয়ে দিচ্ছেন।

খাবার আপনি মুখে তুলে দিচ্ছেন।

জামা আপনি পরিয়ে দিচ্ছেন।

ব্যাগটাও আপনি গুছিয়ে দিচ্ছেন।

কারণ আপনার মনে হয়—

“ও তো এখনও ছোট, আমি করে দিই।”

ভালোবাসা থেকেই আমরা এগুলো করি।

কিন্তু একটা সময় পর আমাদের নিজেদেরই একটা প্রশ্ন করা দরকার—

আমি কি ওকে সাহায্য করছি, নাকি অজান্তেই ওর নিজের কাজ শেখার সুযোগটা কেড়ে নিচ্ছি?

---

শিশুকে সবসময় সাহায্য না করে, কখনো কখনো সুযোগ দিন

ধরুন, আপনার ৩ বছরের সন্তান নিজে জুতা পরার চেষ্টা করছে।

সে পারছে না।

আপনার হাতে সময় কম।

স্বাভাবিকভাবেই আপনি বললেন,

“দাও, আমি পরিয়ে দিচ্ছি।”

কাজটা হয়ে গেল।

কিন্তু যদি আপনি একটু সময় নিয়ে বলেন,

“তুমি চেষ্টা করো, দরকার হলে আমি সাহায্য করব।”

তাহলে সে শুধু জুতা পরা শিখছে না।

সে একই সঙ্গে শিখছে—

চেষ্টা করা।
ভুল করা।
আবার চেষ্টা করা।
সমস্যা সমাধান করা।
নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা।

এই ছোট ছোট অভিজ্ঞতাগুলোই ধীরে ধীরে শিশুর স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

UNICEF-এর শিশু বিকাশ বিষয়ক তথ্যেও দেখা যায়, বয়স উপযোগী দৈনন্দিন কাজে শিশুকে যুক্ত করা independence ও self-esteem গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

---

তাহলে কি সন্তানকে একা ছেড়ে দেবেন?

একদমই না।

লক্ষ্য হলো শিশুকে একা ফেলে দেওয়া নয়।

লক্ষ্য হলো—

“আমি তোমার হয়ে কাজটা করে দেব না, কিন্তু তুমি চেষ্টা করার সময় আমি তোমার পাশে আছি।”

এটাই পার্থক্য।

শিশু যখন কোনো সমস্যায় পড়ে, সঙ্গে সঙ্গে সমাধান বলে না দিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন—

“তুমি কীভাবে করলে এটা ঠিক হতে পারে?”

“আরেকবার চেষ্টা করবে?”

“তোমার কী মনে হয়, এখন কী করা যায়?”

এতে শিশুর মস্তিষ্ক শুধু উত্তর মুখস্থ করে না; বরং ভাবতে শেখে।

---

আজ থেকেই একটি ছোট্ট পরিবর্তন করুন

আপনার সন্তানকে প্রতিদিন অন্তত একটি বয়স-উপযোগী কাজ নিজে করার সুযোগ দিন।

যেমন—

• নিজের খেলনা গুছিয়ে রাখা
• নিজের জুতা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
• কাপড় বাছাই করতে সাহায্য করা
• নিজের বই ব্যাগে রাখা
• খাবারের পর নিজের প্লেট নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
• গাছের পানি দেওয়া
• খেলতে গিয়ে কোনো সমস্যা হলে আগে নিজে সমাধান করার চেষ্টা করা

কাজটি নিখুঁত না হলেও সমস্যা নেই।

কারণ শিশুর জন্য সবকিছু নিখুঁতভাবে করা শেখার চেয়ে, চেষ্টা করা শেখাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

---

একটা কথা মনে রাখবেন

আজ আপনার সন্তান যখন নিজে নিজের খেলনা গুছিয়ে রাখছে, হয়তো সেটা খুব ছোট একটা ব্যাপার।

কিন্তু আগামীকাল যখন আপনাকে ছাড়াই কোনো সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে বলবে—

“আমি চেষ্টা করে দেখি।”

সেদিন হয়তো বুঝবেন,

সেই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই তাকে বড় হতে সাহায্য করেছে।

শিশুকে শুধু ভালো স্কুলে পড়ানোই যথেষ্ট নয়।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—

একজন ভালো শিক্ষার্থী নয়, একজন আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও জীবন মোকাবিলা করতে সক্ষম মানুষ তৈরি করা।

---

SHISU-এর এই সিরিজে আমরা ধীরে ধীরে এমন ১০টি ছোট অভ্যাস নিয়ে কথা বলব, যেগুলো আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবনকে আরও সুন্দর ও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

পরের পর্বে থাকছে—

“সন্তান ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে ঠিক করে দেবেন, নাকি ভুল থেকে শিখতে দেবেন?”

আপনার সন্তানের বয়স লিখে কমেন্ট করুন।
বয়স অনুযায়ী কোন কোন কাজ তাকে নিজে করতে দেওয়া যায়—সেটাও আমরা পরবর্তী পোস্টগুলোতে শেয়ার করব।

SHISU — শিশুর আজকে সুন্দর হোক, ভবিষ্যৎ আরও সুন্দর হোক।

29/08/2026

এই আনন্দ কি টাকায় পাওয়া যায়!
আপনার সোনামনির আনন্দময় শৈশব ফিরিয়ে দিন 💖

28/08/2026

বাচ্চাদের একঘেয়েমি জীবন থেকে আনন্দময় শৈশব উপহার দিন।
এই প্রজেক্টর খেলনা কার টি এতোটাই কিউট, আপনার বাবু যখন এটি পাবে, মোবাইলের কথা একদম ভুলে যাবে!

বিস্তারিত জানতে এখনই ইনবক্স করুন অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

26/08/2026

শহরের বাবুদের জীবন কতো টা অসহায়!
যারা গ্রামে বড়ো হয়েছেন তাঁরাই বুঝবেন।
তাই তাদের শৈশব কে আনন্দ মুখর করতে আমাদের এই Baby Cycle টি একটি বেস্ট চয়েস।

এখনি মেসেজ করুন।
📞01787810175

06/08/2026

এরকম বাবু কার কার স্বপ্ন?🔥

Credit: Samad

আমরা যে প্যারেন্টিং বইটি গিফট করবো সেখান থেকে একটু পড়ে দেখুন...অধ্যায় ০৩কেন আজকের শিশুরা পড়াশোনায় আগ্রহ হারাচ্ছে?সমস...
05/08/2026

আমরা যে প্যারেন্টিং বইটি গিফট করবো সেখান থেকে একটু পড়ে দেখুন...

অধ্যায় ০৩
কেন আজকের শিশুরা পড়াশোনায় আগ্রহ হারাচ্ছে?
সমস্যাটা কি সত্যিই সন্তানের, নাকি আমরা পুরো ছবিটা দেখছি না?
"প্রতিটি আচরণের পেছনে একটি কারণ থাকে। শিশুরাও এর ব্যতিক্রম নয়।"
এক সন্ধ্যার গল্প...
সন্ধ্যা ৭টা।
অফিস থেকে ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফিরলেন একজন বাবা।
ঘরে ঢুকেই দেখলেন, তার ৬ বছরের ছেলে আরিব সোফায় বসে মোবাইলে কার্টুন দেখছে।
টেবিলের ওপর খোলা পড়ে আছে বাংলা বই।
বইয়ের প্রথম পাতাতেই থেমে আছে।
বাবা রেগে গিয়ে বললেন,
— "সারাদিন মোবাইল! বই খুলে বসতে পারো না?"
আরিব ভয় পেয়ে মোবাইলটা রেখে দিল।
কিন্তু বই খুলল না।
মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
বাবা আরও রেগে গেলেন।
— "তোমার ভবিষ্যৎ কি হবে?"
মা এসে বললেন,
— "আজও এক লাইন পড়েনি।"
রাগে বাবা মোবাইল নিয়ে নিলেন।
আরিব কান্না শুরু করল।

সেদিন রাতে সবাই ভাবল...
"ছেলেটা খুব জেদি।"
কিন্তু কেউ একটা প্রশ্ন করল না—
"সে পড়তে চাইছে না কেন?"
সমস্যা সব সময় যেটা দেখা যায়, সেটা নয়।
আমরা যখন জ্বরে আক্রান্ত হই, ডাক্তার শুধু জ্বর কমানোর ওষুধ দেন না।
তিনি খুঁজে বের করেন—
জ্বরের কারণ কী?
কারণ না জেনে চিকিৎসা করলে রোগ বারবার ফিরে আসে।

শিশুর ক্ষেত্রেও ঠিক তাই।
পড়তে না চাওয়া আসল সমস্যা নয়।
এটা অনেক সময় অন্য একটি সমস্যার লক্ষণ মাত্র।
শিশু জন্মগতভাবে শেখতে ভালোবাসে।
এটা শুনে হয়তো অবাক লাগছে।
কিন্তু একটু ভাবুন...
এক বছরের একটি শিশু কি কেউ শেখায়—
কীভাবে হাঁটতে হবে?
সে নিজেই বারবার পড়ে যায়।
আবার উঠে দাঁড়ায়।
আবার হাঁটার চেষ্টা করে।
কেউ তাকে নম্বর দেয় না।
কেউ বকেও না।
তবুও সে শেখে।
কেন?
কারণ শেখা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি।

তাহলে ৫–৬ বছর বয়সে এসে হঠাৎ কেন সে পড়াশোনা অপছন্দ করতে শুরু করে?
উত্তরটা এখানেই লুকিয়ে আছে।
কারণ ১: পড়াশোনা তার কাছে আনন্দ নয়, দায়িত্ব হয়ে গেছে।
অনেক পরিবারে একটি দৃশ্য খুব পরিচিত।
মা বললেন—
"পড়তে বসো।"
বাচ্চা বলল—
"আর পাঁচ মিনিট খেলি?"
মা বললেন—
"না। এখনই বসো।"
শিশুটি তখন কী শিখল?
সে শিখল—
খেলা মানে আনন্দ।
বই মানে আনন্দ শেষ।
ধীরে ধীরে তার মস্তিষ্ক বইকে "শাস্তি" হিসেবে চিনতে শুরু করে।

একটি ছোট্ট উদাহরণ
ধরুন...
আপনাকে প্রতিদিন বলা হলো—
"এখন থেকে আপনার প্রিয় খাবার খেতে চাইলে আগে দুই ঘণ্টা কঠিন অঙ্ক করতে হবে।"
কয়েকদিন পর হয়তো সেই প্রিয় খাবারের প্রতিও আগ্রহ কমে যাবে।
কারণ মস্তিষ্ক আনন্দের আগে কষ্টকে মনে রাখে।
শিশুরাও ঠিক এভাবেই শেখে।"

(আমাদের লেখা বইয়ের কিছু অংশ দিলাম একটু পড়ে দেখতে পারেন..)

05/08/2026

আহ সোনামণিরা যে কি পেয়েছে! চাইনিজ রা যা করল!
সোনামণিদের বোরিং লেখাপড়াকে এখন আনন্দময় করে তুলেছে এই ইন্টেলিজেন্স টকিং বুক এর মাধ্যমে। 💖
আপনাদের কাছে কেমন লাগলো ভিডিওটা কমেন্টটা জানান।
আর আমাদের লেখা প্যারেন্টিং গাইড ই-বুকটা তো অবশ্যই গিফট থাকবেই। 🎁

Address

SHISU, House 123/A, Road 7, Gulshan-2

1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHISU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed clinic?

Share