শিশু চিকিৎসক ডাঃ মোঃ এস আর সজিব

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শিশু চিকিৎসক ডাঃ মোঃ এস আর সজিব

শিশু চিকিৎসক
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শিশু চিকিৎসক
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব, Doctor, Dhaka.

শিশু চিকিৎসক
ডাক্তার মোঃ সজিবুর রহমান সজিব
MBBS (DU)
DCH( Paediatrics )Course on BMU
MCGP ( Family medicine)
DMU (Ultra) DOC (Skin)
সাবেক এইচ এম ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ।

একসময় সার্জারিতে ক্যারিয়ার গড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছুরি, কাঁচি আর সেলাইয়ের সুতা পর্যন্ত কিনে ফেলেছিলাম...
22/06/2026

একসময় সার্জারিতে ক্যারিয়ার গড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছুরি, কাঁচি আর সেলাইয়ের সুতা পর্যন্ত কিনে ফেলেছিলাম। মানুষের পরিবর্তে কলা আর কমলাকে “অপারেশন” করতাম, তারপর যত্ন করে সেলাইও দিতাম! 😊
সময়ের পরিক্রমায় পথ বদলেছে। এখন আমার দিন কাটে ছোট্ট সোনামণিদের হাসি, কান্না আর সুস্থতার গল্পে। ❤️👶
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব
শিশুরোগ চিকিৎসক

🔵 আপনার শিশুর কি—✅ সব সময় নাক বন্ধ থাকে?✅ মুখ খুলে শ্বাস নেয়?✅ ঘুমের সময় নাক ডাকে?✅ ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় ...
20/06/2026

🔵 আপনার শিশুর কি—
✅ সব সময় নাক বন্ধ থাকে?
✅ মুখ খুলে শ্বাস নেয়?
✅ ঘুমের সময় নাক ডাকে?
✅ ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় (Sleep Apnea)?
✅ বারবার সর্দি-কাশি হয়?
✅ নাক দিয়ে কথা বলে (Nasal Voice)?
✅ কান বারবার পাকে বা কানে পানি জমে?
✅ শুনতে কম পায়?
✅ অস্থির ঘুম হয় এবং দিনের বেলা ক্লান্ত থাকে?
✅ পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে?
👉 তাহলে আপনার শিশুর Adenoid বড় হয়ে থাকতে পারে।
⚠️ দীর্ঘদিন চিকিৎসা না হলে শিশুর মুখমণ্ডলের স্বাভাবিক গঠন, ঘুমের মান, শ্রবণশক্তি এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
👨‍⚕️ এসব লক্ষণ থাকলে দ্রুত শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ বা ENT বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব
এমবিবিএস (ঢাকা)
ডি.সি.এইচ (শিশু রোগ) কোর্স
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
MCGP (BGHRI), DMU (আল্ট্রাসোনোগ্রাফি)

🏆⚽ ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের তালিকা (১৯৩০–২০২২) ⚽🏆📜 বিশ্বকাপের ইতিহাসে যারা শিরোপা জিতেছে:🏆 1930 – 🇺🇾 Uruguay🏆 1934 – ...
18/06/2026

🏆⚽ ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের তালিকা (১৯৩০–২০২২) ⚽🏆
📜 বিশ্বকাপের ইতিহাসে যারা শিরোপা জিতেছে:
🏆 1930 – 🇺🇾 Uruguay
🏆 1934 – 🇮🇹 Italy
🏆 1938 – 🇮🇹 Italy
🏆 1950 – 🇺🇾 Uruguay
🏆 1954 – 🇩🇪 Germany
🏆 1958 – 🇧🇷 Brazil
🏆 1962 – 🇧🇷 Brazil
🏆 1966 – 🏴 England
🏆 1970 – 🇧🇷 Brazil
🏆 1974 – 🇩🇪 Germany
🏆 1978 – 🇦🇷 Argentina
🏆 1982 – 🇮🇹 Italy
🏆 1986 – 🇦🇷 Argentina
🏆 1990 – 🇩🇪 Germany
🏆 1994 – 🇧🇷 Brazil
🏆 1998 – 🇫🇷 France
🏆 2002 – 🇧🇷 Brazil
🏆 2006 – 🇮🇹 Italy
🏆 2010 – 🇪🇸 Spain
🏆 2014 – 🇩🇪 Germany
🏆 2018 – 🇫🇷 France
🏆 2022 – 🇦🇷 Argentina
❓ 2026 – আপনার মতে কে হতে পারে?
🥇 সর্বাধিক বিশ্বকাপ জয়
🇧🇷 Brazil – ৫ বার
🇩🇪 Germany – ৪ বার
🇮🇹 Italy – ৪ বার
🇦🇷 Argentina – ৩ বার
🇫🇷 France – ২ বার
🇺🇾 Uruguay – ২ বার
🏴 England – ১ বার
🇪🇸 Spain – ১ বার
💬 ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আপনি কাকে দেখছেন? কমেন্টে জানান।
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব

Cutest বাঙালি জাতি ❤️😇 সরকারি হাসপাতালে আসছে চিকিৎসা নিতে, তো হাসের বাচ্চা গুলা কই রেখে আসবে, সেইগুলিকে সাথে করে নিয়ে আ...
18/06/2026

Cutest বাঙালি জাতি ❤️😇
সরকারি হাসপাতালে আসছে চিকিৎসা নিতে, তো হাসের বাচ্চা গুলা কই রেখে আসবে, সেইগুলিকে সাথে করে নিয়ে আসছে, আসছে তো আসছে তাদের আবার ঘুরতে ও বের করে দিছে! টোটাল ফ্যামিলি পিকনিক 🤩🤩

Dr. Hafsa K Akhi

16/06/2026

জ্বরের কিছু সাধারণ তথ্যঃ

জ্বর নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবো আজ। উত্তরগুলো সবার বাচ্চার জন্যই, এমন না যে একেক বাচ্চার জন্য নিয়ম একেক রকম। আশা করি যার যা জানার ছিল, এখানে সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পারে। কাজেই জ্বর শুরু হওয়ার পরেরবেলাতেই বা পরের দিন জ্বর কেনো কমছে না, অস্থির হওয়া যাবে না।

২. একদিনে জ্বর কমিয়ে দেয়ার কোনো মেডিসিন বা ম্যাজিক ডাক্তারদের জানা নাই। ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে লাগে না যদি না কোন ইনফেকশনের সোর্স পাওয়া যায় যা অনেকসময় প্রকাশ পেতে ৩দিনও লেগে যায়।

৩. জ্বর হলে বাচ্চা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিবে, বড়রাও দেয়। এই অরুচি প্রাথমিক কোনো চিকিৎসা নাই। সবার মতো আপনাকেও বুঝিয়ে শুনিয়ে অল্প অল্প করে পানি তরল জাউ স্যুপ শরবত বা বাচ্চা যেটা খেতে চায় ( এমন কিছু দিবেন না যা আবার বমি, পাতলা পায়খানা ঘটায়) তাই খাওয়াবেন। পেশাব যেন অন্তত ৪ বার হয়। মুখে একদমই খেতে না পারলে, পেশাব কমে গেলে, বমি বন্ধ না হলে বা খিচুনি হলে বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

৪. হালকা জ্বরে ( ১০০ থেকে ১০২°) গা মুছে দিবেন, মুখে ঔষধ খাওয়াবেন। একবার ঔষধ খাওয়ানোর পর আবার সিরাপ দিতে অন্তত ৪/৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আর সাপোসিটারী দিতে হলে অন্তত ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।

৫. বেশী জ্বরে ( ১০২° F এর উপরে গেলে) তাড়াতাড়ি জ্বর কমানোর প্রয়োজন হলে সাপোসিটার ব্যবহার করতে পারেন (যদিও এটা বাচ্চাদের জন্য অস্বস্তিকর), এতে জ্বর হয়তো সাময়িকভাবে ১০২ এর নিচে নামতে পারে তবে পুরোপুরি যাওয়ার সম্ভাবনা কমই ১ম তিনদিনে । জেনে রাখুন, একটা সাপোসিটারী দেয়ার ৮ ঘন্টার মধ্যে আরেকটা সাপোসিটারী দিতে পারবেন না। তবে ৪/৬ ঘন্টা পর সিরাপ দিতে পারেন।

৫. জ্বরের ঔষধ ডাবল ডোজে বা ঘন ঘন খাওয়ালে, এন্টিবায়োটিক দিলেই জ্বর ভালো হয়ে যাবে এমন না। ভাইরাসের পরিমানের উপর, কতদিন এরা এক্টিভ থাকে তার উপর জ্বরের স্থায়ীত্ব নির্ভর করে।

৬. জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর চেয়ে বাচ্চার যত্ন নিন, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন, গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন, সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাকে বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন, ঘুমের মধ্যে জ্বর থাকলেও তাকে ঘুম ভাঙিয়ে জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর দরকার নাই।

৭. থার্মোমিটার দিয়ে মেপে জ্বর ১০০ বা বেশী পেলেই জ্বরের ঔষধ খাওয়াবেন। গায়ে হাত দিয়ে গরম লাগা, জ্বর ৯৮, ৯৯° ; জ্বরের আগে শীত শীতভাব, অস্থির করা জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর কোন কারণ হতে পারে না।

৮. বাচ্চাদের এসিডিটি কম হয়, তাই একদম সম্ভব না হলে, খালিপেটে জ্বরের ঔষধ দিতে পারবেন।

৯. জ্বর হলে বাচ্চা এক আধটু বমি হতে পারে, কিছু জ্বরের ঔষধেও বাচ্চাদের বমি হয়। এসব ক্ষেত্রে বমির ঔষধ লাগে না, প্রয়োজনে জ্বরের ঔষধ পাল্টান।

ডেঙ্গু সিজন এখন। পাশাপাশি করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে।কাজেই সন্দেহ হলেই আশেপাশে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে টেস্ট করে নিবেন। আপনার শিশুকে সাবধানে রাখুন ও সবাই সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ!

ডাঃ লুনা পারভীন

রংপুর মেডিকেলে মায়ের লাশ আটকে রেখে ছেলেকে কান ধরে উঠবস করিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারপর আবার তারাই স্ট্রাইকে চলে গেছে। ...
15/06/2026

রংপুর মেডিকেলে মায়ের লাশ আটকে রেখে ছেলেকে কান ধরে উঠবস করিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারপর আবার তারাই স্ট্রাইকে চলে গেছে। এমন নিউজ প্রতিনিয়ত নিউজফিডে দেখতেছেন? কিন্তু আপনি বুঝতেছেন না কেন কিভাবে কি হল?
তাহলে চলুন আপনাদের ঘুরিয়ে আনি সেই মুহূর্তগুলো থেকে। আজকের পোস্টে সবার না জানা সেই ঘটনাপ্রবাহ ইন ডিটেইলসে তুলে ধরব যেন আপনাদের আর ডাউট না থাকে।
রাত ৩:৩৫ মিনিটে রংপুর মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে মরণাপন্ন অবস্থায় একজন মহিলা রোগী আসেন। ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার তাকে দেখে হৃদরোগ বিভাগে পাঠান।
হৃদরোগ বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি রোগীর বর্তমান সঠিক অবস্থা অনুধাবনের জন্য ইসিজি করে ভর্তি করা হয়। সেই ইসিজি করা হয় রাত ৩:৪৬ মিনিটে। তারপর ডিউটি ডক্টর তাকে পরিক্ষা করে ৩:৫০ মিনিটে তার ট্রিটমেন্ট শিট লিখে দেয়। রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৫৬% তাই দ্রুত অক্সিজেন দেয়া প্রয়োজন। রোগীর আত্মীয়দের অক্সিজেন মাস্ক সহ অন্যান্য জরুরি ওষুধ আনতে পাঠানো হয়। (মেডিকেলে অক্সিজেন লাইন থাকলেও মাস্ক সাপ্লাই নাই। তাই রোগীর লোকদেরই মাস্ক কিনে আনতে হয়) রোগীর হিস্ট্রি নিয়ে জানা যায় ২ দিন আগে থেকে বুকে ব্যাথা, হার্ট এট্যাক সে ২ দিন আগেই করছে এখন পরিস্থিতি খুব খারাপ তাই হাসপাতালে আনা হইছে। এই পরিস্থিতিতে হার্ট এট্যাকের যে ইমার্জেন্সি মেডিসিনগুলো দেয়া হয় তার কিছুই প্রয়োগ করা সম্ভব না কারণ যতটুকু সময়ের মধ্যে দিলে তা কাজ করে সেই সময় ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে। তার পরেও হাই ফ্লো অক্সিজেন এবং সিপিআর দেয়ার জন্য রোগীকে ৪:০৫ মিনিটে সিসিইউ তে পাঠানো হয়। ততক্ষণে সে কার্ডিয়াক এরেস্টে। সেখানে ২ জন চিকিৎসক লাগাতার তাকে লাগাতার সিপিআর দিয়ে শেষ রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু সম্ভব হয়না। রাত ৪:২০ নাগাদ রোগীর ইসিজি ফ্লাট লাইন হয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর কিছুক্ষণ পর রোগীর ছোট ছেলে ফিরে আসেন। মা মারা গেছে শুনে কোনো রকম কথা ছাড়াই তিনি হঠাৎ সিসিইউ তে অবস্থান করা ২ জন চিকিৎসকের ওপর পেছন থেকে অতর্কিত হামলা করেন এবং নার্সদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
(সিসিটিভি ফুটেজ আছে। আপনারা চেক করে দেখতে পারেন। অনেক নিউজ চ্যানেল বলছে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে হাতাহাতির রূপ নেয়। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ ক্লিয়ারলি শো করে সেখানে কোনো কথাই হয়নি। রোগীর ছোট ছেলে অতর্কিতে পেছন থেকে আঘাত করলে ২ জন ডাক্তার ভয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন। হাতাহাতি বলতে ২ পক্ষই হাতের ব্যবহার করবে এমন কিছু সেখানে হয়নি)
আচ্ছা এবার আসেন তারপর কি হল। একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক ঘাড়ের পেছনের অংশে আঘাত পান(ঘুশি)
তারপর তিনি বমি করা শুরু করেন। আপনারা যারা ক্রিকেট খেলা দেখেন তারা অবশ্যই মাথা বা ঘাড়ে আঘাত, কনকাশন ইনজুরি ব্যাপারগুলো বোঝেন। সুতরাং আমরা সময় নষ্ট না করে সেই ইন্টার্ন চিকিৎসককে নিউরোসার্জারি বিভাগে হেড ইঞ্জুরির জন্য ভর্তি করাই।
এই সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তি ডাক্তারের গায়ে হাত তোরে সে সেখান থেকে মায়ের লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। সকাল ৬ টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দাবি করতে থাকে একজন মানুষ সিসিইউ তে ঢুকে ডাক্তারের গায়ে হাত তুলে এভাবে পালিয়ে যেতে পারে না। তাকে আসতে হবে ক্ষমা চেয়ে লাশ নিয়ে যেতে হবে।
প্রতিটা রোগী ভর্তির সময় রোগীর সাথে আসা একজন এটেন্ডেন্টের নাম্বার রাখা হয়। সেখানে ঐ লোকের নাম্বার ছিল। তাকে ফোন দিয়ে জানানো হয় হাসপাতালে আসেন। মায়ের লাশ ফেলে চলে গেছেন কেন। লাশ নিয়ে যান। এটুকু শুনেই সে ফোন কেটে দেয়।
ঘটনার এই অংশে আগমন ঘটে রোগীর বড় ছেলের। সে এসে দাবি করে তার ছোট ভাই ভুল করছে। সে পালায়ে গেছে। এখন মায়ের লাশের কি হবে... লাশ যেন আমরা তাকে দেই। ছোট ভাই এসে ক্ষমা চাইবে।
ইন্টার্নরা বলে নাহ যে লোক তার মা কে নিয়ে রাত সাড়ে ৩ টায় হাসপাতালে আসতে পারছে মায়ের মৃত্যুর পর ডাক্তারের গায়ে হাত তুলতে পারছে সে এসে ক্ষমা চেয়ে লাশও নিয়ে যেতে পারবে। তার ফোন তো এখনো খোলা। আমরাই কথা বললাম তার সাথে। সে এসে ডাক্তারের গায়ে হাত তোলার জন্য ক্ষমা চাইবে তবেই লাশ দিব।
এবার রোগীর বড় ছেলেরা স্থানীয় নেতা, সিটি করপোরেশনের মেয়র সহ অনেকের মাধ্যমে ডিরেক্টর ও প্রিন্সিপালকে ফোন দেয়াতে থাকে লাশ ছাড়ানোর জন্য।
ডিরেক্টর রুমে আমরা যাই। ডিরেক্টর স্যার আমাদের অনড় অবস্থান দেখে অপরাধীর নাম্বারে কল দেন। তখন ১০ টা থেকে ১১ টা বাজে। তার ফোন তখনও খোলা। ছেলেটি ফোন ধরে, ডিরেক্টর স্যার তাকে পরিস্থিতি বোঝানোর পর সে বলে স্যার আমি আসব মায়ের লাশ নিতে কিন্তু আমার ভাইয়েরা আমাকে হারাগাছে আমার খালার বাসায় তালা মেরে রেখে হাসপাতালে গেছে। বলছে তুই ওখানে গেলে তোরে মারতে পারে তাই তোরে নেয়া যাবেনা। ওদেরকে লাশ দিয়ে দেন আমি পরে এসে মাফ চেয়ে যাব।
ইন্টার্নরা এই প্রস্তাবে রাজি হয়না, মায়ের লাশ নিতেই।যেই ছেলে আসতেছে না সে সব শেষ হওয়ার পর মেডিকেলে আসবে, এসে বলবে সরি স্যার ওইদিন ভুল করে মেরে দিছিলাম আজকে সরি বলতে আসছি এসব ছেলেভুলানো গল্প দিয়ে ইন্টার্নদের ভুলাতে পারবেন না।
ডিরেক্টর স্যারের সাথে কথা বলে ইন্টার্নরা সিদ্ধান্ত নেয় যেহেতু মৃত ব্যক্তির কোনো দোষ নাই তার লাশের যেন কোনো ক্ষতি না হয় তাই লাশটা মর্গে স্থানান্তর করা হোক। সেই অনুযায়ী লাশ মর্গে আনা হয়।
এদিকে রোগীর ভাইয়েরা তখন বাইরে মিডিয়ার সামনে বক্তব্য দিচ্ছে যে "আমার ছোট ভাইয়ের সাথে নাকি কোনো ঝামেলা হইছে, ও নাকি বেয়াদবি করছে,আমরা শুনছি। এখন তো সে পালাইছে। লাশ টা আমাদের দিচ্ছে না ডাক্তাররা এটা কি ধরণের ব্যবহার? আমার ভাই অপরাধী হলে তার বিচার কইরেন আমরা সহযোগীতা করব"
তখন ইন্টার্নরা ক্ষেপে যায়... মানে কি? কি বলতে চান? বেয়াদবি করছে মানে? সে ডাক্তারের গায়ে হাত তুলছে তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখেন নাই? সে যে ডিরেক্টরকে বলল আমাকে যদি মারে সেই জন্য আমাকে হারাগাছে খালার বাসায় তালা মেরে রেখে গেছে সেটা শোনেন নাই? নিজেরা ওকে আটকে রেখে আবার ক্যামেরার সামনে বলেন ও পালাইছে, ওর বিচার করেন আমরা সাহায্য করব, ফাইজলামি পাইছেন...
ততক্ষণে আমাদের সাথে যোগ দেয় কলেজের সকল ব্যাচের ছাত্ররা।
আমরা ডিরেক্টরের কাছে দাবি করি তাকে পুলিশি প্রোটেকশনে খালার বাসা থেকে নিয়ে আসা হোক এবং যাদের গায়ে হাত তুলছে তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হোক। তার গায়ে একটা আঘাতও লাগবেনা সেই দায়িত্বও ইন্টার্নরা নেয়। কিন্তু ডিরেক্টর স্যার তা না করে স্থানীয় নেতাদের চাপে ছাত্রদের বিরুদ্ধে গিয়ে এম্বুলেন্স ডেকে লাশ তুলে দেয়ার চেষ্টা করে।
এই পর্যায়ে এসে উপস্থিত ছাত্র ও ইন্টার্নরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং ডিরেক্টরের সাথে পর্যন্ত হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায় পরিস্থিতি। ডিরেক্টর সামলাতে না পেরে তার রুমে চলে যায়। ছাত্ররা "অথর্ব প্রশাসন, মানিনা মানব না" স্লোগান দিতে থাকে। ছাত্রদের এক অংশ ইমার্জেন্সি
রোগীর লোকজন এবার যায় মহাসড়ক অবরোধ করতে। সেখানে তারা অভিযোগ করে হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় রোগী মরে গেছে। তাও ডাক্তাররা লাশ আটকে রেখে রাজনীতির করতেছে। কিন্তু আমরা বারবারই বলি, আমাদের দাবি একটাই। যে ডাক্তারের গায়ে হাত তুলছে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন, ক্ষমা চাইতে বলেন, লাশ নিয়ে যান।
এরপর আন্দোলনের মুখে ডিরেক্টর রুম থেকে জানানো হয় অপরাধীকে নিয়ে আসা হচ্ছে তোমরা সবাই আসো। আমরা ইমার্জেন্সি খুলে দেই এবং সবাই ডিরেক্টর রুমের সামনে জড়ো হই।
আমাদের বলা হয় সে আমাদের সামনে আসবে, ক্ষমা চাইবে ও ৫০ বার কান ধরে উঠবস করবে কিন্তু তার গায়ে হাত দেয়া যাবেনা। এতুক্ষণের গড়িমসি, সেই সাথে নিউজ চ্যানেলের হলুদ সাংবাদিকতায় সবার মেজাজ ততক্ষণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অভিযুক্ত সামনে আসতেই সবাই তার দিকে তেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাই প্রশাশন তাকে দ্রুত সরিয়ে নেয়।
ডিরেক্টর রুমের ভেতর ডিরেক্টর, প্রিন্সিপাল ও মধ্যস্ততা করতে আসা পেশেন্ট পার্টির পক্ষের কিছু স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার সামনে তাকে মাফ চাওয়ানো ও ১০ বার কান ধরে উঠবস করানোর একটা ভিডিও করে মিডিয়া ও ছাত্রদের হাতে দিয়ে বলা হয় ও মাফ চাইছে এবার ক্ষমা করে দাও।
সবাই ক্ষোভে ফেটে পড়ে, আমাদের একজন কলিগের গায়ে হাত তুলছে বলে আমরা এতগুলা মানুষ এই রোদের মধ্যে ঘামে ভিজে চিল্লায়ে যাচ্ছি আর আপনারা এসি রুমে অপরাধীকে বসিয়ে একটা ক্ষমা চাওয়া আর ১০ বার কান ধরে উঠবস করার ভিডিও দিয়ে শেষ করে দিতে চান? আপনাদেরই প্রোপোজাল ছিল আমাদের সবার সামনে সে ৫০ বার কান ধরে উঠবস করবে। আমাদের কথা তো দূরের কথা আপনারা নিজেদের কথাও রাখলেন না।
তখন ডিরেক্টর বলেন পেশেন্ট পার্টির সিকিউরিটি সবার আগে। আমরা জানতে চাই আমাদের সিকিউরিটির কি হবে। তিনি বলেন আমাদের সিকিউরিটি দিতে তিনি ব্যর্থ, আমরা যেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাকে বদলির ব্যবস্থা করি। এখানে অনেক লোকাল প্রেশার, এখানে কাজ করে তিনি নিজেও সেফ না। একজন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ারের মুখে এমন কথা শুনে আমরা আশাহত হই।
প্রিন্সিপাল স্যার বোঝানোর চেষ্টা করেন সবার সামনে আসলে কেউ যদি ওর হাত তুলত, এতগুলা মানুষ ও তো মরে যাইতো। আর ৫০ বার উঠবস করবে বললেই করা যায় নাকি, শরীরের স্টাবিলিটি.....ব্লা ব্লা
এপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা প্রিন্সিপাল ও ডিরেক্টরের নামে ভুয়া স্লোগান দেয় এবং এমন নির্লজ্জ প্রশাশনের কাছে তারা কোনো বিচার আশা করেনা বলে জানায়। ইন্টার্নদের সিকিউরিটি যেহেতু তারা দিতে পারবে না তাহলে ইন্টার্নরাও আর হাসপাতালে আসবে না বলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়।

ইন ডিটেইলস এই ছিল সেদিনের ঘটনা।

Koushik mandal

13/06/2026

আপনার বাচ্চাকে যখন কৃমির ওষুধ খাওয়ান, তখন কি আপনার পুরো পরিবারের সবাই কৃমির ওষুধ খান, নাকি শুধু বাচ্চাই খায়?

04/06/2026

শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য নিজেই কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ায়। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ, নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্য পেতে আমাদের পেইজটি ফলো করুন।শিশুর স্বাস্থ্য, ...
03/06/2026

নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ, নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্য পেতে আমাদের পেইজটি ফলো করুন।
শিশুর স্বাস্থ্য, বৃদ্ধি, পুষ্টি, টিকাদান বা অন্যান্য যেকোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন অথবা ইনবক্সে জানান। আপনাদের সচেতনতা ও সঠিক তথ্যপ্রাপ্তিই আমাদের লক্ষ্য।
ধন্যবাদ। ❤️👶🩺
ডাঃ মোঃ এস আর সজিব
নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্য

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু চিকিৎসক ডাঃ মোঃ এস আর সজিব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category