Dr.Md.Shahin Reza

Dr.Md.Shahin Reza Dr.Md.Shahin Reza
MBBS MS FACS
Pediatric Endo Laparoscopic Surgeon and Pediatric Urologist,DMCH.

হাইপস্পেডিয়াস জন্মগত ত্রুটি যা অপারেশনই সমাধান ।1. Hypospadias হলো ছেলেশিশুদের একটি জন্মগত অস্বাভাবিকতা।2. এ রোগে মূত্র...
21/06/2026

হাইপস্পেডিয়াস জন্মগত ত্রুটি যা অপারেশনই সমাধান ।

1. Hypospadias হলো ছেলেশিশুদের একটি জন্মগত অস্বাভাবিকতা।
2. এ রোগে মূত্রনালীর মুখ (meatus) লিঙ্গের অগ্রভাগে না থেকে নিচের দিকে অবস্থান করে।
3. এটি প্রতি ২০০–৩০০ জন ছেলেশিশুর মধ্যে একজনের হতে পারে।
4. Hypospadias-এর কারণ সম্পূর্ণ জানা না গেলেও জেনেটিক ও হরমোনজনিত কারণ ভূমিকা রাখে।
5. রোগীর লিঙ্গ নিচের দিকে বাঁকা (Chordee) থাকতে পারে।
6. অনেক ক্ষেত্রে লিঙ্গের সামনের চামড়া অসম্পূর্ণ থাকে এবং হুডের মতো দেখা যায়।
7. প্রস্রাবের ধারা নিচের দিকে বা ছিটকে যেতে পারে।
8. গুরুতর ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে অসুবিধা হয়।
9. Hypospadias anterior, middle ও posterior—এই তিন ধরনের হতে পারে।
10. রোগ নির্ণয় সাধারণত জন্মের পর শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়।
11. Hypospadias থাকলে খৎনা (circumcision) আগে করা উচিত নয়।
12. কারণ অপারেশনের সময় অগ্রচর্ম (prepuce) ব্যবহার করা লাগতে পারে।
13. চিকিৎসার প্রধান উপায় হলো অস্ত্রোপচার (Hypospadias Repair)।
14. সাধারণত ৬–১৮ মাস বয়সে অপারেশন করানো সবচেয়ে উপযোগী।
15. সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর স্বাভাবিক প্রস্রাব, সোজা লিঙ্গ এবং ভালো কসমেটিক ফলাফল অর্জন করা যায়।

হার্নিয়ার একমাত্র চিকিৎসা অপারেশন আর কোনো বিকল্প চিকিৎসা নেই ।Follow up সেলফি ।* ইনগুইনাল হার্নিয়া (Inguinal Hernia) হ...
20/06/2026

হার্নিয়ার একমাত্র চিকিৎসা অপারেশন আর কোনো বিকল্প চিকিৎসা নেই ।
Follow up সেলফি ।

* ইনগুইনাল হার্নিয়া (Inguinal Hernia) হলো পেটের ভেতরের অঙ্গ বা চর্বি কুঁচকির (inguinal canal) দুর্বল অংশ দিয়ে বাইরে চলে আসা।
* এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের মধ্যেই দেখা যায়, তবে পুরুষদের মধ্যে বেশি হয়।
* শিশুদের ক্ষেত্রে অধিকাংশই জন্মগত (congenital) কারণে হয়ে থাকে।
* কুঁচকিতে বা অণ্ডকোষের দিকে ফুলে যাওয়া প্রধান উপসর্গ।
* কান্না, কাশি বা জোরে চাপ দিলে ফোলা আরও স্পষ্ট দেখা যায়।
* শুয়ে পড়লে বা হাত দিয়ে চাপ দিলে ফোলা অনেক সময় ভেতরে চলে যায়।
* কিছু রোগীর কুঁচকিতে অস্বস্তি, ভারী অনুভূতি বা ব্যথা হতে পারে।
* ডান পাশে বেশি দেখা গেলেও বাম বা উভয় পাশেও হতে পারে।
* শারীরিক পরীক্ষা সাধারণত রোগ নির্ণয়ের জন্য যথেষ্ট।
* সন্দেহজনক ক্ষেত্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা যেতে পারে।
* চিকিৎসা না করলে হার্নিয়া আটকে যেতে পারে (incarceration)।
* রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে strangulated hernia হতে পারে, যা জরুরি অবস্থা।
* শিশুদের ইনগুইনাল হার্নিয়া নিজে নিজে ভালো হয় না।
* এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা হলো অপারেশন (herniotomy/hernia repair)।
* সময়মতো অপারেশন করলে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনযাপন করতে পারে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:“হে মুমিনগণ! জুমুআর দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ...
19/06/2026

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“হে মুমিনগণ! জুমুআর দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ কর। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।”

— Al-Qur’an

Abu Hurairah (রা.) থেকে বর্ণিত, Muhammad (সা.) বলেছেন—

“যে দিনে সূর্য উদিত হয়, তার মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো শুক্রবার। এ দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। আর কিয়ামতও শুক্রবারেই সংঘটিত হবে।”

— Sahih Muslim

শিক্ষা: শুক্রবার মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এ দিনে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা, সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা এবং সময়মতো জুমুআর নামাজ আদায় করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল।

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:* ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়।* ডেঙ্গু হলে পর্...
19/06/2026

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

* ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়।
* ডেঙ্গু হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
* প্রচুর পরিমাণে পানি, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল পান করতে হবে।
* জ্বর কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল সেবন করা যায়।
* অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন বা ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
* রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণ, রক্তচাপ ও শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
* সতর্কতামূলক লক্ষণ (পেটব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট, রক্তক্ষরণ) দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
* গুরুতর ডেঙ্গু হলে হাসপাতালে ভর্তি করে শিরায় তরল (IV fluid) দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
* ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা।
* ফুলের টব, টায়ার, ড্রাম ও অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে।
* ঘরের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
* দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করা উচিত।
* ফুলহাতা জামা ও লম্বা প্যান্ট পরলে মশার কামড়ের ঝুঁকি কমে।
* মশা নিরোধক ক্রিম, স্প্রে বা কয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে।
* ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের উপকারিতা:ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাদ্য। এতে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং স্বাস্থ্যকর চ...
18/06/2026

ডিমের উপকারিতা:

ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাদ্য। এতে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে।

ডিমের প্রধান উপকারিতা:

* উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস – শরীরের বৃদ্ধি, টিস্যু মেরামত ও পেশী গঠনে সাহায্য করে।
* মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক – ডিমের কুসুমে থাকা কোলিন (Choline) স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
* চোখের জন্য উপকারী – লুটেইন (Lutein) ও জিয়াজ্যানথিন (Zeaxanthin) নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ছানি ও বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
* হাড় ও দাঁত মজবুত করে – ভিটামিন D, ফসফরাস ও প্রোটিন হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে – ভিটামিন A, B12, সেলেনিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
* ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে – ডিম দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।
* রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়ক – ডিমে আয়রন ও ভিটামিন B12 থাকে।
* ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী – বায়োটিন ও প্রোটিন চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যে সহায়তা করে।
* গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারী – ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে কোলিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
* শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক – সহজে হজমযোগ্য পুষ্টিকর খাদ্য।

দিনে কয়টি ডিম খাওয়া যায়?

সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য:

* সাধারণত প্রতিদিন ১–২টি ডিম নিরাপদ ও উপকারী।
* অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে সুস্থ ব্যক্তি প্রতিদিন ১টি ডিম বা তারও বেশি খেতে পারেন, যদি সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস সুষম হয়।

শিশুদের জন্য:

* ১ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের প্রতিদিন ১টি ডিম দেওয়া যেতে পারে।
* বড় শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে ১–২টি ডিম উপকারী।

খেলোয়াড় বা বেশি শারীরিক পরিশ্রম করেন যারা

* প্রোটিনের চাহিদা অনুযায়ী ২–৩টি বা তার বেশি ডিম খাওয়া যেতে পারে, তবে মোট ক্যালোরি ও চর্বির ভারসাম্য বিবেচনা করতে হবে।

ডিমের কোনো অপকারিতা আছে কি?

সাধারণত পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া নিরাপদ। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে—

* ডিমে অ্যালার্জি থাকলে খাওয়া যাবে না।
* কাঁচা বা আধাসেদ্ধ ডিম খেলে সালমোনেলা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে।
* যাদের পারিবারিক হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া বা বিশেষ ধরনের উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিমের কুসুম সীমিত করতে হতে পারে।
* অতিরিক্ত তেল বা মাখনে ভাজা ডিম নিয়মিত খেলে ক্যালোরি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেড়ে যায়।
* ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের রোগীদের ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকার সামগ্রিক গঠন বিবেচনা করা উচিত।

সংক্ষেপে:

* ডিম একটি সুপারফুড-এর মতো পুষ্টিকর খাবার।
* সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন ১–২টি ডিম সাধারণত নিরাপদ ও উপকারী।
* শিশু, গর্ভবতী মা, বয়স্ক ব্যক্তি এবং খেলোয়াড়—সবার জন্যই ডিম উপকারী।
* কাঁচা ডিম এড়িয়ে চলা এবং সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে ডিম খাওয়াই সর্বোত্তম।

• হাইপোস্পাডিয়াস (Hypospadias) হলো ছেলেশিশুদের একটি জন্মগত সমস্যা, যেখানে প্রস্রাবের ছিদ্র (মূত্রনালীর খোলার অংশ) স্বাভ...
18/06/2026

• হাইপোস্পাডিয়াস (Hypospadias) হলো ছেলেশিশুদের একটি জন্মগত সমস্যা, যেখানে প্রস্রাবের ছিদ্র (মূত্রনালীর খোলার অংশ) স্বাভাবিক অবস্থানের পরিবর্তে লিঙ্গের নিচের দিকে থাকে

• এটি মানবের জন্মগত অস্বাভাবিকতার মধ্যে দ্বিতীয় সাধারণ রোগ, প্রতি ২৫০ জন পুরুষ শিশুর মধ্যে ১জনে হয়ে থাকে ।

• মূত্রনালীর খোলার অংশ লিঙ্গের ডগায় না হয়ে গ্ল্যান্সের নিচের দিকে, লিঙ্গের খাদে, বা এমনকি লিঙ্গ ও অণ্ডকোষের সংযোগস্থলেও হতে পারে।

• হাইপোস্পাডিয়াসের জন্য লিঙ্গ বাঁকা হতে পারে, যা চর্ডে (chordee) নামক অস্বাভাবিক ক্যুভচার তৈরি করে ।

• লিঙ্গের উপরের অংশে শুধু ত্বক থাকায় এটি “হুডেড” (hooded) বা চোপাটে দেখায়, নিচের অংশে ত্বক কম থাকে ।

• প্রস্রাবের ছিদ্রের অবস্থানঅনুসারে সাবকোরোনাল, মিডশ্যাফ্ট, এবং পেনোস্ক্রোটাল হাইপোস্পাডিয়াস তিনটি প্রকার থাকে ।

• প্রস্রাবের সময় প্রস্রাব ছিটকে পড়া বা স্প্রে হওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন হতে পারে ।

• রোগের প্রকৃত কারণ অজানা, তবে জেনেটিক্স, এন্ডোক্রাইন ও পরিবেশগত কিছু উপাদান সংশ্লিষ্ট ।

• পরিবারে একজনে এ রোগ থাকলে অন্যদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ২০% ।

• হাইপোস্পাডিয়াস শুধুমাত্র ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা (চিকিৎসকের দৃশ্যপরিশ্ররীক্ষা) মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় ।
• এই অবস্থার চিকিৎসার জন্য সার্জারিই একমাত্র উপায়; কোনো প্রাকৃতিকভাবে স্বাভাবিক হওয়া যায় না ।
• লিঙ্গের আকারের উপর নির্ভর করে সাধারণত ৯ মাস বয়সের পরে অস্ত্রোপচার করা উচিত (৬–১৮ মাসের মধ্যেও করা হয়) ।

• সার্জারিতে লিঙ্গের ত্বক বা প্রেপুস ব্যবহার করে নতুন মূত্রনালী টিউব তৈরি করে খোলার অংশ লিঙ্গের ডগায় নিয়ে আসা হয় ।

• কিছু ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে দুইবার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে ।

• সফল চিকিৎসার পর প্রস্রাব স্বাভাবিকভাবে বের হয় এবং শুক্রাণু নির্গমনে কোনো বাধা থাকে না, ফলে মূল্যবানতা সম্পর্কে সমস্যা হয় না ।

• চিকিৎসা না করলে লিঙ্গের অস্বাভাবিক চেহারা, টয়লেট ব্যবহারে সমস্যা, লিঙ্গ ক্যুভচার, এবং ইউটিআই হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে ।

Address

Insaf Baraka Kidney And General Hospital 11, Shaheed Tajuddin Ahmed Sarani Moghbazar
Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Shahin Reza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category