Dr.Era

Dr.Era আমি ডা.নিশাত তাসনিম ইরা
এমবিবিএস,পিজিটি(গাইনি&অবস)
ডিওসি(ডার্মাটোলজি&ভিডি)
জিপিওসি(জিপি)
এস.এম.ও
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

18/05/2026

ভুলের গল্প
-----------
প্রিয় কায়সার হামিদ,
যে মানুষটার পায়ে বল এলে আনন্দে কেঁপে উঠত লাল সবুজের গ্যালারি সে মানুষটা আজ কাঁদছে। আপনার এই শোকের মাঝেও কালবেলাকে দেয়া সাক্ষাৎকার...অসুস্থ অবস্থায় চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া সাক্ষাৎকারসহ অনেক মতামত আমাদের নজরে এসেছে।
আপনি...
১. অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়ান ডাক্তারের ভাষ্যমতে কোন কোন না কোনভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে (সূত্র: কালবেলা, সময় টিভি)
২. আক্ষেপ করেছেন বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না, এটা জানতেন না।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৩. ফ্যাটি লিভারের কারণে তিনি লিভার ফেইল্যর এ আক্তান্ত হয়েছেন।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৪. ভুল অ্যান্টিবায়োটিক বা সিডেটিভ দেয়া হয়েছে।

সত্যি বলতে ভুল তো হয়েছে। একটা না একাধিক। আপনি যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়, জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব সেহেতু আপনার কথার গুরুত্ব আছে। প্রতিটা কথা সমাজে মেসেজ সরবরাহ করছে।
একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে আমি সেই ভুলগুলো আপনাকে ধরিয়ে দিতে চাই।
১.
প্রথম ভুল, জ্বর ও জন্ডিস থাকার পরেও এক সপ্তাহের অধিক আপনি পাত্তাই দেন নাই। দশ এগারো দিন বাসাতে রেখেছেন (সুত্র: চ্যানেল আই)। হতে পারে টুকটাক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, জ্বরে কি প্যারাসিটামল দিয়েছিলেন?
দিয়ে থাকলেই মহাবিপদ। যে মানুষটা হেপাটাইটিস-এ এবং ই তে আক্তান্ত হয়ে লিভার ফেইল্যর এর দিকে যাচ্ছে তার জন্যে সামান্য প্যারাসিটামলও কিন্তু অনেক ভয়ংকর!
২.
দ্বিতীয়ত লিভার ফেইল্যর হলে প্রথমেই দেহ থেকে টক্সিন বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়...আক্তান্ত হয় মস্তিস্ক...শুরু হয় DIC নামক মহা জটিলতা...আক্রান্ত হয় ফুসফুস...খুব দ্রুত একে একে সব অর্গান আক্রান্ত হয়।
তাই ফুসফুস আক্তান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।

লাইফ সাপোর্ট কাকে বলে জানেন?
ফুসফুস যখন কাজ করেনা তখন কৃত্রিম ফুসফুস দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। এটাকেই ভেন্টিলেটর বা লাইফ সাপোর্ট বলে।
৩.
বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না। এটাও ভুল। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যে ওটিতে আমি অপারেশন করি সেখানেই অতীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। অধ্যাপক মো. আলীর তত্ত্বাবধানে এটি হয়েছিল। পিজিতেও হয়েছে।
কিন্তু নিয়মিত হয় না। কারণ এটা ব্যায়বহুল। এত টাকা দিয়ে রোগীরা দেশে অপারেশন করতে চায় না।
৪.
উন্নত বিশ্বে যেখানে লিভার আইসিইউ আছে সেখানেও এ রোগে মৃত্যুর হার ৯০% এর বেশি। কেন জানেন? ঐ যে ফালমিনেন্ট হেপাটিক ফেইল্যর হওয়ার সাথে সাথে রোগীর নানা জটিলতা শুরু হয়...তাই চাইলেও দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট আয়োজন করা যায় না। যেটা ইন্ডিয়াও পারে নাই।
৫. ফ্যাটি লিভারের কারনে এমন হয়েছে এই স্টেটমেন্টও ভুল। এতে করে যারা প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত তারা আতংকে আছেন। এই কদিন এসব রোগীর ভীড় চেম্বারে বেড়ে গেছে।
এটা ঠিক যে ফ্যাটি লিভার এডভান্স হলে...অল্পতেই কাবু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার নিয়ম মেনে একদম ভাল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
৬. সিডেটিভ বা অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক চিকিৎসারই অংশ। আর ওনাকে প্রাথমিক নয়, টারশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বাবা হিসেবে অনিচ্ছাসত্ত্বেও আপনার কিছু ভুল হয়েছে। মেয়েকে ফিট রাখার চেষ্টা হয়ত করেছেন, পারেননি। এলোমেলো খাবার থেকে বিরত রাখতে পারেন নি।
যথাসময়ে মেয়েকে হাসপাতালে নেননি। বাসায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্যারাসিটামল খাইয়েছেন।
দ্বিতীয় ভুল, সিংগাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও ওনাকে ইন্ডিয়ায় নিয়ে গেছেন। এয়ারএ্যাম্বুলেন্স এর ভাড়া দিয়েছেন ৫৫ লাখ, নিশ্চয়ই ইন্ডিয়াতেও ৩০/৪০ লাখ যাবে। বাবার মন, তাই হয়ত মিরাকলের আশায় গেছেন। যেকোন সামর্থবান পিতাই এটা করবে। সেজন্যে এটাকে ভুল বলার জন্যে আমি দু:খিত।
আরো একটা কারণ এ কাজটা ভাল হয়েছে। দেশের হাসপাতালে মারা গেলে আরো অনেক বেশি অভিযোগ আসত। উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাওয়ার খবর যতবেশি মার্কেট পায়। উন্নত কফিনে বিদেশ থেকে ফিরে আসার খবর গুলো ততটা পায় না।

একটা দেশ সব কিছুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু বাস্তবতা থাকে। এই যেমন, বাংলাদেশের একমাত্র ফাইলেরিয়া হাসপাতাল সৈয়দপুরে, ঢাকায় না কিন্তু। খোদ আমেরিকাতেও ফাইলেরিয়া ডেডিকেটেড হাসপাতাল নেই।

আপনি তো উন্নতমানের ফুটবলার।তবুও ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান কত আমরা কিন্তু সে প্রশ্ন করছিনা। কারণ কিছু সীমাবদ্ধতা, বাস্তবতা মেনে নিতে হয়।

তাই মানসিক স্বান্তনার জন্যে মনগড়া অভিযোগ না তুলে প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবস্থা নিন। বিশেষজ্ঞ এর সাহায্য নিয়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনুন।

পিতা হিসেবে আজ আপনি আহত। চিকিৎসক হিসেবে আমরাও আহত। এক একজন পিতা হিসেবে, দুই ভুল চিকিৎসার মনগড়া অভিযোগের কারণে।
তবে আপনি কিছু ভুল তুলে আনতেই পারতেন।
যেমন খাদ্যে ভেজাল, দুষিত পানি কিংবা স্বাস্থ্য অসচেতন প্রজন্মের ভুল জীবন যাপন নিয়ে।

পরকালে মেয়ের সাথে আবারও দেখা হোক। বেহেস্তী বাগানের কোন এক নদীর ধারে। এক জীবনের আফসোসগুলো না হয় সেসময় মিটিয়ে নিলেন।
আমিন।
©©Dr Saklayan Rasel

18/05/2026
বাংলাদেশে জনপ্রিয় বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদে...
14/05/2026

বাংলাদেশে জনপ্রিয় বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, চিপস, চানাচুর, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, আচার, স্যুপ ও লবণাক্ত বিস্কুটের মতো খাবার নিয়মিত খাওয়ার কারণে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

বিশ্ব লবণ সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বুধবার আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ গ্রাম লবণ গ্রহণ করেন। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশ অনুযায়ী দৈনিক ৫ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ বেশিরভাগ মানুষ প্রয়োজনের প্রায় দ্বিগুণ লবণ খাচ্ছেন।

বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত লবণ শরীরে উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে, যা পরে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি জটিলতা এমনকি পাকস্থলির ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ায়। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট মৃত্যুর বড় একটি অংশই এখন অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়।

এছাড়া বিশেষজ্ঞরা 'লুকায়িত লবণ' নিয়েও সতর্ক করেন। তাদের ভাষ্য, অনেক খাবার দেখতে মিষ্টি বা সাধারণ মনে হলেও তাতেও উচ্চমাত্রার সোডিয়াম থাকে। ফলে মানুষ বুঝতে না পেরেই প্রতিদিন অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করছে। সেমিনারে খাদ্যপণ্যের মোড়কে স্পষ্ট সতর্কবার্তা যুক্ত করা, প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।

PCOS- এর নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করে 𝗣𝗠𝗢𝗦 (𝗣𝗼𝗹𝘆𝗲𝗻𝗱𝗼𝗰𝗿𝗶𝗻𝗲 𝗠𝗲𝘁𝗮𝗯𝗼𝗹𝗶𝗰 𝗢𝘃𝗮𝗿𝗶𝗮𝗻 𝗦𝘆𝗻𝗱𝗿𝗼𝗺𝗲) করা হয়েছে, বহু বছরের মেডিকেল বিতর্ক...
13/05/2026

PCOS- এর নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করে 𝗣𝗠𝗢𝗦 (𝗣𝗼𝗹𝘆𝗲𝗻𝗱𝗼𝗰𝗿𝗶𝗻𝗲 𝗠𝗲𝘁𝗮𝗯𝗼𝗹𝗶𝗰 𝗢𝘃𝗮𝗿𝗶𝗮𝗻 𝗦𝘆𝗻𝗱𝗿𝗼𝗺𝗲) করা হয়েছে, বহু বছরের মেডিকেল বিতর্কের পর। PCOS (Polycystic Ovarian Syndrome) এই নামের মধ্যে বেশ সমস্যা ছিলো।

অনেক মহিলা আছে, যারা বছরের পর বছর শুনেছেন: “ওজন কমান” “বার্থ কন্ট্রোল নিন” “এত ভাবার কিছু নেই”, কিন্তু একই সাথে প্রতিনিয়ত লড়ে যাচ্ছেন- ক্লান্তি, ব্রণ, চুল পড়া, অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা বা ক্রেভিংস, মুড সুইং, অনিয়মিত পিরিয়ড, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, পেট ফোলা আর এমন ওজন বাড়া যা নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন- এসব নিয়ে।

অথচ “Polycystic Ovarian Syndrome” শুনলে মনে হতো এটা শুধু ডিম্বাশয়ের সিস্টের সমস্যা। কিন্তু আসলে তো এটা পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে, একটা মেয়ের হরমোন, মেটাবলিজম, ত্বক, মানসিক স্বাস্থ্য, এনার্জি, ফার্টিলিটি, ইনফ্ল্যামেশন- সবকিছু।

তাই এই নাম পরিবর্তনে আমি খুব খুশি।

আপনাকে স্বীকার করতে হবে যে, পিসিওএস এর মহিলাদের অলসতা বা মুড সুইংস আসলে তাদের চরিত্রগত কোনো সমস্যা না, তারা সত্যিকারের শারীরিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যান, যেখানে হরমোন নীরবে শরীরের বিরুদ্ধে কাজ করে।

নাম বদলালেই কি রাতারাতি চিকিৎসা ব্যবস্থা বদলে যাবে? না। এখনও অনেকেই হয়তো বলবেন “ওজন কমান” সব ঠিক হয়ে যাবে। তবুও এই পরিবর্তন সচেতনতা বাড়াতে, দ্রুত রোগ শনাক্ত করতে, ভালো চিকিৎসা দিতে এবং নারীদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিতে সাহায্য করবে ইন শা আল্লাহ।

আগের নামে কি সমস্যা ছিলো?
• অনেক নারীর কখনও ovarian cyst ছিল না
• এটা শুধু fertility-এর সমস্যা নয়
• Insulin resistance অনেক ক্ষেত্রে মূল কারণ
• পুরোনো নাম আসল সমস্যার একটা বড় অংশই তুলে ধরেনি।

আগে PCOS বললে ফোকাস থাকত- পিরিয়ড, ওভারিস, ফার্টিলিটি এসব নিয়ে। কিন্তু পিসিওএস মহিলারা লড়ে যাচ্ছেন ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ওজন দ্রুত বেড়ে যাওয়া, ফ্যাটি লিভার, কোলেস্টেরলের সমস্যা, অ্যাংজাইটি ডিপ্রেশন, শরীরের ভেতরে ইনফ্লামেশন, ব্লাড সুগার ইমব্যালেন্স এসব নিয়ে। বিশেষ করে সাউথ এশিয়ান মহিলাদের মধ্যে ইনসুলিন রেজিস্টেন্স বেশি, ডায়াবেটিস হওয়ার রিস্ক বেশি। কম BMI হলেও visceral fat বেশি জমে, metabolic সমস্যা দ্রুত দেখা দেয়।

আসল সমস্যাই হলো- Metabolic Dysfunction, যা পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে। আর মাথায় রাখবেন, এর প্রধান ট্রিটমেন্ট হল ডায়েট এন্ড লাইফস্টাইল কারেকশন, গোড়া থেকে সমস্যা ঠিক করতে ডায়েট এন্ড লাইফস্টাইল নিয়ে কাজ করার কোন বিকল্প নেই।

তাই এখন থেকে PCOS না, PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome)।

13/05/2026

মাত্র ৩০ দিন নিজের সাথে এই চ্যালেঞ্জটা নিন। তারপর নিজেকেই চিনতে পারবেন না।

১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷
২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷

৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন।
৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷
৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান।

৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে।

৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে।

৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷

৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়।

৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না।

৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর।
খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে।

১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন।

১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷

১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো।

১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷

১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷

এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন ।

ডা নিশাত তাসনিম ইরা

✅ ভেজা ত্বকে সাথে সাথে moisturiser লাগান—এতে স্কিনে আর্দ্রতা লক হয়.✅ ফেসওয়াশ করার পর ৩০–৬০ সেকেন্ডের মধ্যে স্কিনে প্রোডা...
07/05/2026

✅ ভেজা ত্বকে সাথে সাথে moisturiser লাগান—এতে স্কিনে আর্দ্রতা লক হয়.
✅ ফেসওয়াশ করার পর ৩০–৬০ সেকেন্ডের মধ্যে স্কিনে প্রোডাক্ট দিন—better absorption হয়.
✅ গরমে heavy cream বাদ দিয়ে gel-based moisturiser use করুন.
✅ বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে মুখ ধুয়ে নিন—sweat + dirt জমতে দেবেন না.
✅ sunscreen শুধু বাইরে না—ঘরেও apply করুন.
✅ ঘাম হলে tissue দিয়ে ঘষবেন না—blot করুন.
✅ সপ্তাহে ১–২ দিন mild exfoliation—dead cell remove করে glow আনে.
✅ রাতে skincare skip করবেন না—even if tired.
✅ ঠান্ডা পানির splash দিন—instant fresh look দিবে।

Dr Nishat Tasnim Era

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Era posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category