Dr Duo Insights

Dr Duo Insights We are Dr. Tarikul Islam Shahin & Dr. Lamia Akter Riya — a doctor couple sharing health tips, medical insights, and life in white coats with the world....
(2)

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই দেখা যায় চিকিৎসাবিজ্ঞান, আইন কিংবা ফিন্যান্সের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়ে একদল তথাকথিত 'ইনফ...
12/05/2026

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই দেখা যায় চিকিৎসাবিজ্ঞান, আইন কিংবা ফিন্যান্সের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়ে একদল তথাকথিত 'ইনফ্লুয়েন্সার' পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো, এদের অনেকেরই ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা গভীর জ্ঞান নেই। চিকিৎসার মতো একটা জটিল বিষয়কেও এখন ভিউ আর লাইকের নেশায় সস্তা বিনোদনের পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে।

অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেন অমুক সোশ্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটির কাছে অমুক জটিল রোগের অপারেশন বা চিকিৎসা করানো যাবে কি না। অথচ সেই ব্যক্তি হয়তো ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে স্পেশালিস্টই নন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার জোরালো প্রচারণায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। মানুষ বিশ্বাস করে বসে আছেন যে ইন্টারনেটে যাকে বেশি দেখা যাচ্ছে, তিনিই হয়তো সেরা চিকিৎসক। বাস্তবতা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন।

চীন সরকারের একটি সাম্প্রতিক উদ্যোগ এক্ষেত্রে সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা নিয়ম করেছে যে ফিন্যান্স, আইন বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে কন্টেন্ট বানাতে হলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপযুক্ত ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

চিকিৎসা কোনো শখের বিষয় নয় যে কেউ মোবাইল হাতে নিয়ে ভিডিও বানিয়ে দিলেই বিশেষজ্ঞ হয়ে যাবেন। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ডিগ্রি অর্জনের পেছনে থাকে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম আর হাজার হাজার রোগীর ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমানে 'ইনফ্লুয়েন্সার' হওয়ার নেশায় যে যার মতো চিকিৎসাবিষয়ক টিপস দিচ্ছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট ঝুঁকি।

সঠিক মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়া এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে কন্টেন্ট বানানো শুধু অনুচিত নয়, বরং অনৈতিক। ভিউ-এর প্রতিযোগিতায় এই তথাকথিত 'জ্ঞানের আবর্জনা' বন্ধ হওয়া দরকার। জনস্বার্থ রক্ষায় আমাদের সবারই সচেতন হওয়া উচিত যে আমরা কার পরামর্শ নিচ্ছি এবং কাকে বিশেষজ্ঞ ভাবছি।

সবাই সুস্থ থাকুন, সঠিক তথ্যের সাথে থাকুন

পুরুষের প্রেগনেন্সি টেস্ট কি সত্যিই পজিটিভ হতে পারে?শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও উত্তর হলো, হ্যাঁ কিছু ক্ষেত্রে একজন পুরুষের...
12/05/2026

পুরুষের প্রেগনেন্সি টেস্ট কি সত্যিই পজিটিভ হতে পারে?

শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও উত্তর হলো, হ্যাঁ কিছু ক্ষেত্রে একজন পুরুষের প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ আসতে পারে। তবে এর মানে এই না যে তিনি গর্ভবতী।

প্রেগনেন্সি টেস্ট আসলে শরীরে hCG নামের একটি হরমোন খুঁজে দেখে। সাধারণত গর্ভাবস্থায় নারীদের শরীরে এই হরমোন তৈরি হয়। কিন্তু কিছু বিশেষ রোগের কারণেও শরীরে hCG বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে কিছু Testicular tumor বা অণ্ডকোষের টিউমারে এই হরমোন তৈরি হতে পারে। তখন একজন পুরুষের urine pregnancy test positive আসতে পারে। অনেক সময় এটি শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ warning sign হিসেবেও কাজ করে।

এছাড়াও খুব বিরল কিছু ক্যান্সার, কিছু hormonal treatment বা fertility injection এর কারণেও এমনটা দেখা যেতে পারে।

তবে একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু pregnancy test positive মানেই cancer এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কারণ test kit error, laboratory issue বা অন্য কারণেও ভুল result আসতে পারে। তাই এ ধরনের রিপোর্ট এলে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

যদি কারও অণ্ডকোষে গুটি, অস্বাভাবিক ফোলা, ভারী অনুভব হওয়া, বা unexplained pain থাকে তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়টা নিয়ে অনেক মজা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে এটি কখনও কখনও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ রোগের ইঙ্গিতও হতে পারে।

তাই গুজব নয়, সঠিক তথ্য জানুন এবং অন্যকেও জানান।

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা: একটি সময়োপযোগী ও মানবিক সিদ্ধান্তআজকের একটি বিশেষ খবর সবার নজ...
11/05/2026

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা: একটি সময়োপযোগী ও মানবিক সিদ্ধান্ত

আজকের একটি বিশেষ খবর সবার নজরে এসেছে-গর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না বলে হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন। একজন সচেতন নাগরিক এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ করা মানুষ হিসেবে এই সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, সন্তানের লিঙ্গ জানলে সমস্যা কোথায়? কেন এই গোপনীয়তা জরুরি? এর পেছনে বেশ কিছু গভীর সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে:

১. লিঙ্গ বৈষম্য রোধ: আমাদের সমাজের একটি বড় অংশে এখনো পুত্রসন্তানের প্রতি বিশেষ ঝোঁক দেখা যায়। লিঙ্গ পরিচয় আগেভাগে জানা গেলে কন্যাসন্তানদের ক্ষেত্রে অবহেলা বা বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই রায় সেই প্রাচীন মানসিকতার দেওয়ালে একটি বড় ধাক্কা।

২. মায়েদের মানসিক সুরক্ষা: অনেক সময় লিঙ্গ পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে গর্ভবতী মায়ের ওপর পারিবারিক বা সামাজিক চাপ তৈরি করা হয়। বিশেষ করে কাঙ্ক্ষিত লিঙ্গের সন্তান না হলে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা গর্ভাবস্থায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

৩. **ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি হ্রাস:** অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অনেক সময় লিঙ্গ জানার পর অনাকাঙ্ক্ষিত লিঙ্গের ভ্রূণ নষ্ট করার মতো গর্হিত কাজ করা হয়। আইনের এই কঠোরতা অনাগত প্রতিটি প্রাণকে নিরাপদ রাখবে।

৪. চিকিৎসা বিজ্ঞানের নৈতিক ব্যবহার: আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা অন্যান্য পরীক্ষা করা হয় মূলত শিশুর স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য। একে কেবল লিঙ্গ নির্ধারণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চিকিৎসা বিজ্ঞানের নৈতিকতার পরিপন্থী।

৫. সারপ্রাইজ বা উপহারের আনন্দ: সন্তান মহান সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে একটি শ্রেষ্ঠ উপহার। ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে সেই উপহারটি কী হবে, তা রহস্য হিসেবে থাকাই কি সুন্দর নয়? সেই চমকটি মা-বাবা এবং পরিবারের জন্য এক অনন্য আনন্দ বয়ে আনে।

আসুন, আমরা লিঙ্গ পরিচয়কে গুরুত্ব না দিয়ে আগত নতুন প্রাণের সুস্থতা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে বেশি মনোযোগ দিই। ছেলে হোক বা মেয়ে, প্রতিটি শিশুই যেন পৃথিবীতে আসার সমান অধিকার এবং ভালোবাসা পায়।

নিরাপদ থাকুক প্রতিটি মা, সুস্থ থাকুক প্রতিটি শিশু।

** **

"জনগণের টাকায় আমি ডাক্তার হয়েছি"—এই সস্তা বুলি যারা আওড়ান, তাদের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের বিবেককে একবার প্রশ্ন করা উচ...
10/05/2026

"জনগণের টাকায় আমি ডাক্তার হয়েছি"—এই সস্তা বুলি যারা আওড়ান, তাদের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের বিবেককে একবার প্রশ্ন করা উচিত। জনগণের টাকা কাউকে ডাক্তার বানিয়ে দেয় না, ডাক্তার হতে গেলে যে পরিমাণ মেধা আর কলিজার জোর লাগে সেটা সবার থাকে না।
তার পাশাপাশি আমার বাপ দাদাও এই দেশের নাগরিক তারাও কিন্তু ভ্যাট ট্যাক্স দিয়েই দেশে বাস করেন, তাদের ট্যাক্সাই কিন্তু আপনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান! সেই কথা তো কখনো উল্লেখ করতে দেখি না!

পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি আর এইচএসসি(ফ্রম নটর ডেম কলেজ যেখানে কলেজে ভর্তির সবথেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে চান্স পেতে হয়) প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়ার পাশাপাশি আমি সরকারি বৃত্তি পেয়েছি। যখন আপনারা বিকেলে মাঠে আড্ডা দিয়েছেন কিংবা রাতে নাক ডেকে ঘুমিয়েছেন, আমি তখন দিনরাত এক করে পড়ার টেবিলে নিজেকে বন্দি করে রেখেছি। আমার রঙিন শৈশব আর কৈশোর আমি বিসর্জন দিয়েছি শুধু এই একটা স্বপ্নের জন্য। কারো দয়ায় নয়, বরং সারা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মেধাবীর সাথে লড়াই করে নিজের যোগ্যতায় আমি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। কেউ আমাকে কোলে করে এনে এখানে ভর্তি করে দিয়ে যায়নি।

এখন ইন্টার্নশিপ করছি, রেগুলার ডিউটির পাশাপাশি মাঝে মাঝেই দিনে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা টানা ডিউটি করতে হয়। দিন আর রাতের কোনো পার্থক্য আমার কাছে নেই। আপনাদের যখন ছুটির আমেজ চলে, আমি তখন হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগীর সেবায় ঘাম ঝরাই। এই যে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে সৎ পথে টাকা উপার্জন করছি, এর পেছনে শুধুই আমার নিজের শ্রম আর ঘাম মিশে আছে। কারো অধিকার আমি ছিনিয়ে নেইনি, সুযোগ সবার জন্যই সমান ছিল। আপনি পরিশ্রম করতে পারেন নি, জীবনকে উপভোগ করেছেন আর আজ ডাক্তারদের হিংসা করছেন, আপনারও সুযোগ ছিল ডাক্তারিতে চান্স পেয়ে ডাক্তার হওয়ার।

সহজ কথা বলে দিই, মেধা আর পরিশ্রম দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলে সস্তা ত্যানা প্যাঁচানো বন্ধ করুন। আর ডাক্তারদের দেখে যদি কারো খুব বেশি জ্বলে, তবে দেরি না করে বরফ লাগান। আর যদি চুলকায়, তবে ভালো মানের মলম ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

পাশাপাশি জেনে রাখুন,
সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টাই ডাক্তার ডিউটিতে থাকেন। জরুরি বিভাগ, ওয়ার্ড, ICU—সব জায়গাতেই চিকিৎসকরা পালাক্রমে কাজ করেন। বাস্তবতা না জেনে “ডাক্তার পাওয়া যায় না” বলে পুরো সিস্টেমকে দোষ দেওয়া অন্যায়!

আর একজন ডাক্তার তার প্রাইভেট চেম্বারে কত ভিজিট নেবেন, সেটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সিদ্ধান্ত। বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, পড়াশোনা আর প্রশিক্ষণের পর তিনি সেই জায়গায় পৌঁছেছেন। কারো যদি সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য বা ইচ্ছা না থাকে, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা তো আছেই।

ধরেন, গভীর রাতে কেউ নিজের বাইকে অন্য কারও নাম্বার প্লেট লাগিয়ে রাস্তায় বের হলো।হেলমেট পরে থাকায় মুখ চেনা গেল না, কিন্তু ...
10/05/2026

ধরেন, গভীর রাতে কেউ নিজের বাইকে অন্য কারও নাম্বার প্লেট লাগিয়ে রাস্তায় বের হলো।
হেলমেট পরে থাকায় মুখ চেনা গেল না, কিন্তু AI ক্যামেরা পুরো সময় শুধু নাম্বারটাই রেকর্ড করলো।

তাহলে প্রশ্ন হলো
মামলা যাবে কার নামে?
যার আসল নাম্বার প্লেট, তার নামেই তো!

এখন আসল চিন্তার জায়গাটা অন্যখানে

AI কি সত্যিই বুঝতে পারে,
নাম্বার প্লেটটা ওই বাইকের আসল কিনা,
নাকি অন্য কারও প্লেট এনে লাগানো হয়েছে?

শুধু ক্যামেরা আর নাম্বার রিড করলেই কি যথেষ্ট?
নাকি ভবিষ্যতে Vehicle Model, Color, Chassis Database, GPS Pattern এসব মিলিয়েও Verification দরকার হবে?

প্রযুক্তি যত স্মার্ট হচ্ছে,
Fraud এর ধরনও তত বদলাচ্ছে।
তাই Blind Automation এর পাশাপাশি Human Verification-ও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের রোগীদের কমন একটা অভিযোগ,সরকারী হাসপাতালে ডাক্তাররা টাইম দেয় না।আজকে ফিটোম্যাটার্নাল আউটডোরে বসলাম। ডাক্তার  ৩...
09/05/2026

বাংলাদেশের রোগীদের কমন একটা অভিযোগ,সরকারী হাসপাতালে ডাক্তাররা টাইম দেয় না।

আজকে ফিটোম্যাটার্নাল আউটডোরে বসলাম। ডাক্তার ৩জন,কাজ করার স্কোপ ২ জনের৷ অর্থাৎ,আমি একপ্রকার বেকার। ভাবলাম বেকার একটা কাজ করি।

কোন রোগীকে কত সময় টাইম দেই,তা হিসাব করা শুরু করলাম।। রোগী আসতেছে,সিনিয়র রোগী দেখছেন,বেশিরভাগ রোগীকে একই কথা ডাবল বলা লাগতেছে।।

হিসাব করলাম,এভারেজে প্রতি প্যাশেন্ট ৮-১০ মিনিট
পাচ্ছে।। এক রোগী ১৫ মিনিটও পেয়েছে।

আউটডোরে এত সময় কিভাবে পাচ্ছে?
কারণ,প্যাশেন্ট কম। এখানে প্রতিদিন রোগী আসে এভারেজে ২৫ টা।

৬ ঘন্টায় ২৫ টা রোগী হলে প্যাশেন্টের জন্য সময় আর সময়। রোগীও খুশি,ডাক্তারও খুশি।

ওদিকে ডার্মার আউটডোরে রোগী ১০০+,সেখানে রোগীর সাথে পরীবারের খোশগল্প করার সময়তো মিলবেই না।

আসল কথা ,সরকারী হাসপাতালে ডাক্তার সময় দেয় না,এখানে যত না ডাক্তারের হাত আছে,তারচেয়ে বেশি ম্যানপাওয়ার আর সার্ভিসের অভাব দায়ী।

জেলা উপজেলা লেভেলে,বেশিরভাগ হাসপাতালে ডাক্তার থাকে ৫০%। রোগী থাকে ডাবল। তার উপর হাসমুরগীকে খাওয়ানোর জন্য গ্যাসের বড়ি,ক্যালসিয়ামের বড়ি নেয়ার লম্বা লাইন।।

সময় দিবে কিভাবে,আর শুনবে কিভাবে!

লেখা: Dr. Saifur Rahman Khan
May-09, 2026

09/05/2026

Rx. 10 ML distilled water I/M in each buttock --- stat & SOS

রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলো নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই সংকটের বড় কারণ চিকিৎ...
09/05/2026

রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলো নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই সংকটের বড় কারণ চিকিৎসক নয়, বরং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্বল প্রশাসন, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং সীমাহীন রোগীর চাপ।

একটি হাসপাতালের ধারণক্ষমতা যদি ৫০০ বা ১০০০ শয্যা হয়, সেখানে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসে কয়েক হাজার রোগী। একজন ডাক্তারকে কখনো কখনো একসঙ্গে এত রোগী দেখতে হয়, যা উন্নত কোনো স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কল্পনাও করা যায় না। তার ওপর প্রয়োজনীয় টেস্টের মেশিন নষ্ট, আইসিইউ বেড সীমিত, অপারেশন থিয়েটার কম, নার্স ও টেকনোলজিস্টের সংকট তো আছেই। এমন পরিস্থিতিতে শতভাগ মানসম্মত সেবা দেওয়া বাস্তবিকভাবেই কঠিন হয়ে পড়ে।

অনেকেই ভাবেন ডাক্তার ইচ্ছা করলেই সব করতে পারেন। কিন্তু একজন চিকিৎসক রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত দিলেও সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক সিস্টেম, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, ওষুধ, সাপোর্ট স্টাফ এবং কার্যকর প্রশাসনের। এমআরআই মেশিন নষ্ট, আইসিইউ খালি নেই, অপারেশনের সিরিয়াল দীর্ঘ কিংবা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা হাসপাতালে না হলে একজন ডাক্তার চাইলেও রোগীকে দ্রুত সম্পূর্ণ সেবা দিতে পারেন না।

সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো, এই অতিরিক্ত চাপের মধ্যেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা দিনের পর দিন কাজ করে যাচ্ছেন। টানা ডিউটি, জরুরি বিভাগে অবিরাম রোগীর চাপ, সীমিত রিসোর্স আর মানসিক ক্লান্তির মাঝেও তারা চেষ্টা করছেন যতটা সম্ভব মানুষকে বাঁচাতে। অনেক সময় একজন ডাক্তারকে কয়েক মিনিটের মধ্যে একাধিক ক্রিটিক্যাল রোগীর সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত কঠিন।

তাই শুধু ডাক্তারদের দোষারোপ করে সমস্যার সমাধান হবে না। স্বাস্থ্যখাতের এই সংকট আসলে একটি ভেঙে পড়া সিস্টেমের প্রতিচ্ছবি। প্রয়োজন সঠিক প্রশাসনিক নজরদারি, আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত জনবল, দালালমুক্ত পরিবেশ এবং বাস্তবসম্মত স্বাস্থ্যনীতি। কারণ চিকিৎসক একা কোনো হাসপাতাল চালান না, পুরো সিস্টেম একসঙ্গে কাজ করলেই একজন রোগী প্রকৃত সেবা পান।

আজ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাইনি & অবস ডিপার্টমেন্টে এডমিশন ডিউটি ছিল। সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার হলেও ব্যস্ততা একট...
08/05/2026

আজ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাইনি & অবস ডিপার্টমেন্টে এডমিশন ডিউটি ছিল। সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার হলেও ব্যস্ততা একটুও কম ছিল না। আজকের ডিউটিতে ইমারজেন্সি অবস ম্যানেজমেন্ট, পোস্ট পার্টাম হেমোরেজ (PPH), রিটেইনড প্লাসেন্টা, এক্ল্যাম্পসিয়া, নরমাল ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন এবং ২টি রুটিন সেকেন্ডারি ক্লোজার ম্যানেজ করার সুযোগ হয়েছে।

আজকের এই ডিউটির মাধ্যমে ইন্টার্নশিপের গাইনি এডমিশন পোস্টিং শেষ হলো। সামনে গাইনি আউটডোর পোস্টিং শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

গাইনি & অবস সত্যিই খুব স্পেশাল একটা ডিপার্টমেন্ট। নতুন একটি প্রাণ পৃথিবীতে আসার মুহূর্ত দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ছোট ছোট নবজাতক, ইনফার্টিলিটি চিকিৎসা, গাইনোকোলজিক্যাল ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সবকিছুই খুব ভালো লেগেছে।

তবে এই ডিপার্টমেন্ট আমাকে সমাজের কিছু কঠিন বাস্তবতাও দেখিয়েছে। মেয়ে সন্তান হওয়ায় কিংবা মৃত সন্তান জন্ম নেওয়ার পর মাকে একা রেখে চলে যাওয়ার ঘটনাও দেখতে হয়েছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে এসব দৃশ্য সত্যিই খুব কষ্ট দেয়।

আজকের দিনটা আবার মনে করিয়ে দিল চিকিৎসা শুধু অপারেশন বা প্রেসক্রিপশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে মানবতা, সহানুভূতি আর মানুষের পাশে থাকার দায়িত্ব।

আলহামদুলিল্লাহ ইন্টার্নশিপ জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হলো।

রোগীকে প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের স্লিপ  দিলাম। সুন্দর করে প্রেসক্রিপশনটা ফেলে দিয়ে স্লিপ নিয়ে হাসপাতাল-ফার্মেসি থেকে ওষুধ উঠ...
08/05/2026

রোগীকে প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের স্লিপ দিলাম। সুন্দর করে প্রেসক্রিপশনটা ফেলে দিয়ে স্লিপ নিয়ে হাসপাতাল-ফার্মেসি থেকে ওষুধ উঠিয়ে চলে গেল।

এত যত্ন করে, ভালবাসা দিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখি। অথচ কত সহজেই এরা নষ্ট করে ফেলে । এই একটা প্রেসক্রিপশন যে একজন চিকিৎসকের কত-শত শ্রম, সাধনার ফসল, তা যদি এরা জানতো!!!

অবশ্য জানবেই বা কিভাবে?উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর ম্যাক্সিমাম রোগীর(কমপক্ষে ৭০-৮০%) উদ্দেশ্য ফ্রি-তে ওষুধ নেওয়া। রোগ থাকুক আর না থাকুক। মিথ্যা রোগের কথা বলে সরকারি ওষুধ নেওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। দরকার হইলে হাঁস-মুরগিকে খাওয়াবে, তাও ওষুধ নিবে! কল্পনা করতে পারেন!!!

গতকাল এক রোগীকে তার চাহিদামতো(যেটা রোগের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ) ওষুধ না দেওয়ায় আমার মুখের উপর ওষুধ ছুড়ে দিয়ে বকতে বকতে চলে গেল। তার নাকি গাড়ি ভাড়া দিয়ে হাসপাতালে আসা-ই লস হয়ে গেছে।

এরকম ফেইক রোগীদের কারণেই তৈরি হয় ওষুধের কৃত্রিম সংকট। ফলে যারা প্রকৃত রোগী, তারা ওষুধ পায় না। এই বৃহৎ অসভ্য জনগোষ্ঠীকে সঠিক পথে না এনে আপনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি চান কিভাবে!!!আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরবে না তো, সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভাঙবে?

~ Dr. Humayun Kabir

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Duo Insights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Duo Insights:

Shortcuts

Share

Category