Rashed Akhand - রাশেদ আখন্দ

Rashed Akhand - রাশেদ আখন্দ I like to write about friends & family, relatives and the wisdom I get from experiencing them. Keep in touch.

পিকু মুভির কোনো একটা সিনে দীপিকা ইরফানকে বলে, "একটা সময়ের পর বাবা মা নিজে নিজে বেঁচে থাকতে পারেনা। ওদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে ...
14/04/2026

পিকু মুভির কোনো একটা সিনে দীপিকা ইরফানকে বলে, "একটা সময়ের পর বাবা মা নিজে নিজে বেঁচে থাকতে পারেনা। ওদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। আর এই দায়িত্বটা সন্তানদেরই।"

ইরফান তখন হেসে দিয়ে বলে, "তার মানে কেউ যদি তোমাকে এখন বিয়ে করতে চায় তাহলে তোমার নব্বই বছরের বাচ্চাকেও এডপ্ট করতে হবে?"
দীপিকা বলে, "বিলকুল! তো বাতাও? কারোগে মুঝসে শাদি?"
ইরফান তখন আবারও হাসতে হাসতে বলে, "মাথা খারাপ নেহি হুয়া হ্যায় মেরা।"

সময়ে অসময়ে পিকু মুভির এই দৃশ্যের সাথে আমি অনেকবার রিলেট করি। আমাকে অনেকে বলে "কমিউনিকেট করে দেখেছো? বুঝিয়ে বলে দেখেছো? কাট অফ করে দেখেছো?"

কোনোকিছুই আসলে আমার কাছে সমাধান মনে হয়না। একটা নয় বছরের বাচ্চাকে হয়তো ধমক দিয়ে শান্ত করে রাখা যায়, কিন্তু একটা নব্বই বছরের বাচ্চাকে শান্ত করার জন্য বোবা হয়ে যাওয়া ছাড়া, সবর করা ছাড়া, নিজের গায়ের চামড়া মোটা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আল্লাহ বলেছেন, বাবা- মা কে বৃদ্ধ অবস্থায় পেয়েও যদি কেউ জান্নাত কনফার্ম করতে না পারে তবে তার থেকে অধম কেউ নেই।
যেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিশ্চিত জান্নাতের ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পরীক্ষার প্রশ্ন সহজ হবে, সেটা আশা করিই বা কি করে?

লেখা: Shamsun Nahar Priya

14/04/2026

লিমিটের ভিতর চলতে শেখা, একটা জরুরী শিক্ষা। যা আপনি পরিবার ও বাচ্চাদের দিতে পারেন।

কিভাবে?

খেয়াল করে দেখুন, আপনার স্কুল মাস্টার বাবা-মায়েরা ৪-৫টা বাচ্চাকে কিভাবে বড় করেছেন?
তারা বাচ্চাদের লিমিটের ভিতর থাকা শিখিয়েছিলেন।

এদিকে এক দুইটা বাচ্চা নিয়ে আপনার সংসারের টানাটানি ফুরায়ই না। কেন?

কারণ, আমরা কোন লিমিট নিয়ে চলি না। আনলিমিটেড মানেই ওয়েস্টেজ, অপচয়, ধ্বংস, নষ্ট।

মনে করে দেখুন, আপনার বাবা-মায়েদের সময় একটা মুরগী রান্না হলো, বাড়িতে ৫ ভাই বোন, কাজের লোক সহ মোট সদস্য ৮ জন। আপনার মা সবার জন্যে বাটি সিস্টেম করে রেখেছেন। তার হিসাব অনুযায়ী একটা মুরগি তিনি আলু দিয়ে মোটামুটি এক কড়াই করে তরকারি করে ফেলতেন।

এই এক মুরগিতে আপনারা ৮ জন মানুষ দুপুরে এবং রাতে খাবেন। সেইভাবে বাটি সিস্টেম হতো। দুপুরে এক পিস গোস্ত, ঝোল, আলু। রাতের বেলায় হাড় গোড় থেকে এক পিস, সাথে ভাজি, ডাল এরকম। এটা খুব জরুরী শিক্ষা।

এদিকে আমাদের এখন কি হয়?
তরকারি রান্না হলে, পুরোটা একসাথে টেবিলে নিয়ে আসা হয়।

বাচ্চাকে আগেই রান থানের পিস দিয়ে একাকার অবস্থা। রান বাদে মুরগীতে আর যে কিছু আছে, অনেকের বাচ্চারা জানেও না বোধহয়। একটা মুরগী রান্না করলে একবেলা থেকে দুইবেলায়ও যায় না।

আপনার আম্মার সংসারে যেখানে ছিলো বাটি সিস্টেম, সেখানে তরকারি কম পড়লে একটু অভিযোগ করলে, খেয়াল করে দেখুন, আপনার আম্মা হয়তো, তার ভাগ থেকে এক পিস গোস্ত আপনাকে এক্সট্রা দিয়েছেন, তিনি খান নাই। একসময় আপনিও আবদার করা ছেড়ে দিয়েছেন।

এখান থেকে বাবা-মায়ের সাথে আরেকটা বন্ডিং স্ট্রং হয়েছে। আপনার বাবা-মা আপনার জন্যে ত্যাগ করেছেন, মানে আপনিও সেটা শিখলেন।

এখন ত্যাগের তো কিছু নাই, সবই তো অপরিমাণ। বাবা-মা লোন করে হলেও আনছে তো। লোন করে ঘি তো খাচ্ছি, কাজেই বাবা-মায়ের কোন স্ট্রাগল বা কোন কষ্ট তো বাচ্চার চোখে পড়ে না। তারাও ধরে নেয়, লোনের এই ঘিটাই গ্রান্টেড। তাদের ভেতরেও এতো ফিলিংস এখন আর কাজ করে না। ব্যাপারটা মিলিয়ে দেখতে পারেন।

© নির্বাচিত কলাম থেকে সংগৃহীত

14/04/2026

১৫ বছর আগের কথা। ২০০৭ সালে এলাম বিটিআরসিতে। সেনাবাহিনী থেকে প্রথম পাবলিক ফেসিং অ্যাসাইনমেন্ট। শুরুতেই ওপেন ডোর পলিসি, একসেসেবল টু এভরিওয়ান। মোবাইল নাম্বার দিয়ে দিলাম বিটিআরসি সাইটে। জনসেবা ১০১। সেনাবাহিনীতে দেশরক্ষা ঠিক আছে, কিন্তু জনসেবা করার সুযোগ হাতেনাতে পেয়ে হারাতে চাইলাম না। এই সুযোগ তো সামনে আর আসবে না।

অনেক কিছু করতে চাই, মাথায় একগাদা আইডিয়া, কিন্তু কিছুতেই কিছু ঠিকঠাক হচ্ছিল না। একটা কাজ শুরু করি, মাঝপথে থেমে যাই। দিনশেষে দেখি, কিছুই শেষ করতে পারছি না, বরং অজস্র টু-ডু লিস্ট লিখে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি। বিশাল ঝামেলা, ঠিক না? কিন্তু সমাধান তো করতে হবে। ওয়ান ম্যান আর্মি দিয়ে তো সম্ভব নয়। কাছে পেলাম বিটিআরসির দুর্দান্ত টিম। তাহলে সমস্যা কোথায়?

মনোযোগের বারোটা বেজে যাচ্ছে—একবার ফোন, একবার মেইল, হাজারো এসএমএস, আবার হঠাৎ নতুন একটা আইডিয়ার পিছু ছোটা। ঠিক তখনই একদিন কানে এল এক লাইনে বলা কথা: “Creativity মানে শুধু ইন্সপিরেশন না, রুটিনের (নিয়মের) ভিতরেই লুকিয়ে থাকে এর আসল শক্তি।” আর আমি তো রুটিনের লোক। তখনই খুঁজে পেলাম বইটা, একটা ইউএস ট্রিপে—Manage Your Day-to-Day। পড়া শুরু করতেই মাথায় ইলুমিনেশন শুরু হয়ে গেল। এই বইটা শুধু প্রোডাক্টিভিটির কথা বলে না, বলে সময়, মনোযোগ আর এনার্জিকে কীভাবে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে হয়।

আপনি কিভাবে এত কাজ ডেলিভারি করেন? এত কাজ কিভাবে প্রসেসে ফেলে শেষ করেন? শুরু করলে কি শেষ করতে পারেন? এই প্রশ্নগুলো প্রায় পাই আমি। তাই এই বই এবং আমার নিজ থেকে কিছু টিপস:

১. সময় পাওয়া যায় না, সময় বানাতে হয়

এই বইয়ের সবচেয়ে বড় লেসনগুলোর একটা ছিল—“সময় খুঁজতে চাইলে, কোনোদিনই সেটা পাবেন না।” কারণ আনএক্সপেক্টেড কাজ, নোটিফিকেশন, বাড়তি রিকোয়েস্ট সবসময় আসবেই। যারা নিজের কাজকে সিরিয়াসলি নেয়, তারা কিন্তু সময়কে ঠিকই প্রোটেক্ট করে—প্রায়োরিটি ঠিক করে নেয়, সঙ্গে একটা রুটিন বানিয়ে নেয় যাতে জরুরি জিনিসগুলো ঠিকমতো জায়গা পায়। আমার কথা হচ্ছে, যেটা শুরু করব সেটাকে শেষ করতেই হবে।

২. রুটিন না, বরং রুটিনেই থাকে ক্রিয়েটিভিটির স্পেস

আগে ভাবতাম রুটিন, (সেনাবাহিনীতে প্রতিটা জায়গায় নিয়ম) মানেই একঘেয়েমি, কিন্তু এই বইটা উল্টে দিয়ে বলল—রুটিন মানে মাথার ঝামেলা কমানো। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় নিজের গভীর কাজের জন্য রাখলে, মনের মধ্যে খালি জায়গা তৈরি হয়, যেখানে চিন্তা, আইডিয়া, ইনোভেশন সহজে ভেসে আসে। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে অথবা হুমায়ুন আহমেদ, সবারই জীবনে রুটিনই আসল।

৩. দিন শুরু করতে হয় নিজের মতো করে, ফোনের স্ক্রল দিয়ে নয়

অনেকদিন ধরে আমার সকাল শুরু হতো ফোন চেক করে। একবার ফেসবুক, একবার ইনবক্স, তারপর কার কী পোস্ট। বইটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিল, আমার দিন তো আমি চালাব—এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়টাই সকাল। যারা সিরিয়াসলি প্রোডাক্টিভ, তারা সকালে নিজের মতো সময় নেয়—চুপচাপ বসে, হয়তো একটু মেডিটেশন, অথবা সোজা ঢুকে পড়ে ডিপ ওয়ার্কে। বাইরের কোলাহল ঢোকার আগেই নিজের কাজ এগিয়ে নেয়াটাই মুন্সিয়ানা।

৪. মাল্টিটাস্কিং নয়, সিঙ্গেলটাস্কই আসল শক্তি

ভাবতাম, মাল্টিটাস্কিং মানে একসাথে অনেক কিছু করা যায়। কিন্তু রিয়েলিটি হচ্ছে, প্রতিটা কাজ একটার পর একটা করলে মান ও সময়—দুটোই বাঁচে। যখন একটার ফোকাস ছেড়ে অন্যটায় যাই, তখন সময় শুধু নষ্টই হয় না, ভুলও হয় বেশি। কাজটা যদি পুরো মনোযোগ দিয়ে করা যায়, তখন রেজাল্টও আসে অন্যরকম। আমার সব বইগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন, ফিলোসফিক্যাল আলাপ রয়েছে পরতে পরতে।

৫. শুধু সময় না, এনার্জিও গুরুত্বপূর্ণ

বইটা আরেকটা জিনিস চোখে আঙুল দিয়ে দেখালো—সময় তো আছেই, কিন্তু কাজের সময় যদি আপনার এনার্জি না থাকে, তাহলে সে সময়ও কাজে লাগবে না। কেউ সকালবেলা ঝরঝরে থাকে, কেউ দুপুরে, কেউ আবার রাতের দিকে। নিজের শরীর আর মনের এই রিদম বোঝা খুব দরকার, যাতে সেই এনার্জি-পিক টাইমে আপনি আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করতে পারেন। আমার জন্য এই সময়টা হচ্ছে সকাল। সকালেই লেখালেখি করি বেশি। আর ভিডিও রাতে।

৬. নিজের কাজের সময়টাকে প্রোটেক্ট করুন, ঠিক যেভাবে ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেয়

এইটা আমার একদম ফেভারিট লেসন। যারা সত্যিকারের ক্রিয়েটিভ, তারা কিন্তু তাদের কাজের সময়কে কোনোভাবেই স্যাক্রিফাইস করে না। “আজ একটু পরে করব”—এই জিনিস তারা জানেই না। তারা জানে, একবার যদি নিজের সেই ডিপ ওয়ার্ক টাইম নষ্ট হয়, তাহলে পুরো দিনটাই ভেস্তে যেতে পারে। তাই তারা আগে থেকে ব্লক করে রাখে—কোনো ফোন না, মিটিং না, ডিস্টার্বেন্স না—শুধু নিজের কাজ। স্বাতীর সাথে ঝামেলা হয় ঠিকই, কিন্তু আমি বেড়ালের মত তাকিয়ে থাকি তার দিকে।

৭. বিশ্রাম রিলাক্সেশন নয়, বরং দরকারি এলিমেন্ট

আগে ভাবতাম বেশি কাজ করলে বেশি রেজাল্ট পাব। কিন্তু বইটা বুঝিয়ে দিল, একটানা খেটে যাওয়ায় লাভ নেই। আমাদের ব্রেইনও রিফ্রেশ হওয়া দরকার। রেস্ট, স্লিপ আর ছোট ছোট ব্রেকগুলোই ব্রেইনকে নতুন করে ফোকাস করতে সাহায্য করে। না হলে, সব কিছু কেমন ঝাপসা লাগতে শুরু করে।

একটা উদাহরণ দিই—আমার এক বন্ধু, গ্রাফিক ডিজাইনার। দারুণ প্রতিভাবান, কিন্তু সবসময় ব্যস্ত, সবকিছু করতে চায় একসাথে। আমি তাকে বললাম এই বইটার কথা। এখন সে সকালবেলা এক ঘণ্টা শুধু নিজের আর্ট প্রজেক্ট নিয়ে বসে, তখন ফোন অফ রাখে, সোশ্যাল মিডিয়া দূরে রাখে। কয়েক মাসের মধ্যেই তার কাজে একদম অন্যরকম একটা ম্যাচুরিটি এসেছে। কারণ সে এখন জানে, প্রোডাক্টিভিটি মানে অনেক কিছু করা না, বরং ঠিক কাজটা ঠিক সময়ে করা।

ফাইনালি—এটা আমার কথা। নিজেকে গুছিয়ে রাখতে হলে শুধু সময় ম্যানেজ করলেই হবে না, মাথা আর মনকেও ঠিক রাখতে হবে। এই পোস্টে বলার চেষ্টা করেছি, কীভাবে নিজের উপর কন্ট্রোল নিতে হয়, কীভাবে নিজের দিনটা নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে হয়। আর দিন ঠিক হলে, জীবন তো এমনিতেই গুছিয়ে যায়।

পুনশ্চ: স্বাতীর কাছে আমি সবচেয়ে "ডিজ-অরগানাইজড" মানুষ। আমাকে ভালো হয়ে যেতে বলেছে। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।

- সংগৃহীত

14/04/2026

আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তান-সন্ততির (অংশ) সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন, পুরুষ দুই নারীর অংশের সমান পাবে, তবে সন্তান-সন্ততি যদি শুধু দু’জন নারীর অধিক হয় তাহলে তাঁরা রেখে যাওয়া সম্পত্তির তিন ভাগের দু’ ভাগ পাবে, আর কেবল একটি কন্যা থাকলে সে অর্ধেক পাবে এবং তার পিতা-মাতা উভয়ের প্রত্যেকে রেখে যাওয়া সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে যদি তার সন্তান থাকে, আর যদি তার সন্তান না থাকে এবং তার ওয়ারিশ মাতা-পিতাই হয়, সে অবস্থায় তার মাতার জন্য এক তৃতীয়াংশ, কিন্তু তার ভাই-বোন থাকলে, তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ, (ঐসব বণ্টন হবে) তার কৃত ওয়াসীয়াত অথবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমরা জান না তোমাদের পিতা এবং সন্তানদের মধ্যে কে তোমাদের পক্ষে উপকারের দিক দিয়ে অধিকতর নিকটবর্তী। (এ বণ্টন) আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, নিশ্চয় আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাশীল।

- সূরা ৪:১১

14/04/2026

10 Brutal Ways to Make Any Woman Chase You

1. Level Up Your Value

A man who’s constantly improving himself is irresistible.

Hit the gym, chase your goals, and stack your money. When you’re climbing the ladder of success, she’ll be desperate to climb with you.

Weakness is a choice; strength is a decision.

2. Be Mysterious

Don’t lay all your cards on the table, bro. Keep her guessing. The less she knows, the more she’ll crave to figure you out.

Mystery is magnetic.

Simps overshare; strong men keep their power.

3. Control Your Attention

Stop giving her unlimited access to you. Attention is your most valuable resource, treat it like gold.

The less you give, the more she’ll want it. Don’t be the guy who’s always available.

Step up or step aside.

4. Master the Power of Silence

Sometimes, saying nothing is more powerful than words. When she expects a reaction, give her calm indifference.

It’ll drive her crazy trying to figure out what you’re thinking. Stay sharp, silence is a weapon.

5. Pass Her Tests Without Flinching

Women will test you to see if you’re the real deal.

Don’t get emotional, don’t overreact. Laugh it off, stay confident, and pass every test she throws your way.

Let the truth be told: Simps fail, kings conquer.

6. Walk Away When Necessary

The ultimate power move? Walking away.

When she knows you’re willing to leave if she disrespects you, she’ll fight to keep you.

If you disappoint, you’ll appear before the council of brotherhood, don’t let that happen.

7. Build Social Proof

When other women admire you, she’ll want you even more. It’s brutal, but women compete.

Be the man other women notice, and she’ll chase you just to prove she’s worthy.

8. Flirt Without Commitment

Flirt to build tension, but don’t rush to lock it down.

Keep it playful, keep it light, and let her wonder where she stands.

The chase is what excites her, so don’t make it easy.

9. Stay in Control of Your Emotions

Women chase men who are emotionally solid. Don’t let her words or actions shake you.

Stay grounded, stay focused, and never let her see you sweat.

Bro, get out of your feelings and into your focus.

10. Be a Man of Purpose

A man who’s on a mission is unstoppable. When you’re chasing something bigger than her, she’ll chase you just to be part of your world.

What you tolerate becomes your standard, set the bar high.

Bro, it’s not about playing games, it’s about mastering yourself. When you stay solid, improve daily, and hold your ground, she has no choice but to chase you.

If you disappoint, you must appear before the council of brotherhood and explain why you’ve decided to disgrace everybody.

Stay brutal 📌📌

14/04/2026

Story of Inspiration = অনুপ্রেরণার গল্প

এক ওভার বল করে কেউ বোলার হয় না। এক বেলা রান্না করে কেউ বাবুর্চি হয় না। একদিন ঘাস খেতে দিয়ে, গরুর কাছে সারা বছর দুধ আশা করা যায় না। অথচ তুমি একরাত পড়েই পাশ করে ফেলতে চাও? দিনে এক ঘন্টা সময় না দিয়েই, এক একটা সাবজেক্টের সবকিছু বুঝে ফেলতে চাও? সারা বছর ফাঁকিবাজি করেও ভালো ভার্সিটিতে চান্স পেতে চাও?

শুনো, বৃষ্টি একদিন হলে তাকে বর্ষাকাল বলে না। অফিসে দুইদিন হাজিরা দিলে, সারা মাসের বেতন পাওয়া যায় না। বেতন পেতে হলে অফিসের কাজ প্রতিদিন করতে হবে। বোলার হতে হলে ম্যাচের পর ম্যাচ বলে করে যেতে হবে।

অথচ, আমরা বোলিং ছেড়ে দিয়ে, পিচের উপর দোষারোপ করি। ঘাস খেতে না দিয়ে, গরুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনি। ঠিক জায়গায় ময়লা না ফেলে, এলাকা নোংরা বলি। সেজন্যই বইখাতাকে চিমটি না কেটে- মনোযোগ আসে না, বুঝতে পারিনা, ভালো লাগে না, এসব অজুহাত পেশ করি। তারপর জ্যামে আটকা পড়ে, বিরক্ত হয়ে পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফেইসবুকিং করি কিন্তু ব্যাগ থেকে বই বের করে এক মিনিটও পড়ার ইচ্ছা করি না। পাঁচ মিনিট পর পর খেলার আপডেট বন্ধুকে জিজ্ঞেস করতে পারি, কিন্তু সূত্রের প্রমাণটা একটু বুঝিয়ে দিতে বলতে পারি না। ইউটিউবে সারাদিন গান শুনতে পারি কিন্তু খান একাডেমীর দুই-একটা ভিডিওতে ক্লিক করতে পারি না।

দিনে ২৫০বার মোবাইল চেক করার নেশা ধরিয়ে দিয়ে, গড়ে প্রতিদিন সাড়ে চার ঘন্টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যয় করিয়ে, ফ্রি নিউজ, মজার ট্রেলার দেখিয়ে তোমাকে আনন্দ দিচ্ছে না। তোমার সময় কেড়ে নিচ্ছে। তোমার স্বপ্নটা হাতছাড়া করে দিচ্ছে। ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথেই নোটিফিকেশন দিয়ে ওদের পথে ডেকে নিচ্ছে। একটা ভিডিও দেখলে আরো দশটা রিকমেন্ড দিচ্ছে। দিনে দিনে তথ্য-প্রযুক্তি যত সহজলভ্য হচ্ছে, মূল লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়া তত ইজি হচ্ছে। কানেক্টেড থাকার নাম করে, সময় নষ্ট করার নেশা ধরিয়ে দিয়ে, স্বপ্নগুলিকে গলা টিপে হত্যা করছে।

এখন টিকে থাকতে হলে- নেশা আর ইচ্ছার মধ্যে ছোট্ট একটা সংগ্রাম চালাতে হবে। ক্ল্যাশ অফ ক্লান্স, ফেইসবুকিং, খেলা দেখার নেশা যখন ডাক দিবে, তখন নেশাটাকে জোর করে পাঁচ মিনিট পিছিয়ে দিতে হবে। নেশা ছাড়বা না। জাস্ট পাঁচ মিনিট পিছিয়ে দিবা। তারপর সেই পাঁচ মিনিটে তোমার ইচ্ছা বা স্বপ্ন রিলেটেড কাজ করবা। এই রকম নেশা আর ইচ্ছার যুদ্ধ এক সপ্তাহ চালিয়ে যদি ৬০% সফল হতে পারলে, তোমার লাইফ আবার লাইনে আসা শুরু হবে...
©

14/04/2026

"নিজের পেছনে খরচ করতে শৌখিনতা লাগে। আর অন্যের পেছনে খরচ করতে আত্না বড় থাকা লাগে।"

Address

Rankin Street, Wari
Dhaka
1203

Telephone

+8801677786989

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rashed Akhand - রাশেদ আখন্দ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category