Dr Nazmul Hasan Neurologist

Website

Dr Nazmul Hasan Neurologist This is medical page for general population about health awareness and health tips….

08/09/2026

ডায়াবেটিস নেই—তবুও কি আপনার ব্লাড সুগার হঠাৎ কমে যায়? 😳

#মাথাঘোরা #কাঁপুনি #দুর্বলতা #লোব্লাডসুগার #হাইপোগ্লাইসেমিয়া #স্বাস্থ্যসচেতনতা

“Stroke”….. to know everyone
30/08/2026

“Stroke”….. to know everyone

বিজয় টিভির স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান 'স্বাস্থ্য পরামর্শ'আলোচনার বি...

30/08/2026

স্ট্রোক শুধু একজন মানুষকে নয়—একটি পুরো পরিবারকে বদলে দিতে পারে।

তাই হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, এক হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়াকে কখনোই অবহেলা করবেন না।

🚨 মনে রাখুন: FAST

F — Face: মুখ বেঁকে যাওয়া
A — Arm: এক হাত দুর্বল/অবশ
S — Speech: কথা জড়িয়ে যাওয়া
T — Time: সময় নষ্ট নয়—দ্রুত হাসপাতালে যান।

স্ট্রোকে অপেক্ষা নয়, দ্রুত চিকিৎসাই জীবন ও মস্তিষ্ক বাঁচাতে পারে।

🔹chember@

1.. আয়াত মেডিকেল সেন্টার

আঞ্জুমান কমপ্লেক্স (২য় তলা) ,হাতিমারা চৌরাস্তা, রামপাল, মুন্সীগঞ্জ।
ফোন: ০২ ৯৯৬৮৪ ৭১৭২, মোবাইল: ০১৯৫১ ৪৪০ ৮০০, ০১৩২২ ৫১৬ ১২১
* প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার

2. সুমনা হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ৩, ৪, পাটুয়াটুলী, সদরঘাট, ঢাকা ১১০০
ফোন: ০২ ৯৫৬১ ৭৮৬, ০২৪৭১১ ৫৫৩১
হট-লাইন: ০১৯৭৭ ৭৮৭ ০৩৩, ০১৯৭৭ ৭৮৭০৪৪

3. ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ১২/৩ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭
হট-লাইন: ০২ ৪৮৩২ ২১২১, ০১৯২৭ ৩৩৩ ০০০

#স্ট্রোক #প্যারালাইসিস #নিউরোলজি #নিউরোলজিস্ট #ডাঃ_মোঃ_নাজমুল_হাসান

#স্ট্রোক #স্ট্রোকসচেতনতা #স্ট্রোকপ্রতিরোধ #মস্তিষ্কেরস্বাস্থ্য #প্যারালাইসিস #নিউরোলজি

28/08/2026

🦟 ডেঙ্গুতে জ্বর কমেছে—বিপদ কি সত্যিই কেটে গেছে?

“ডাক্তার সাহেব, জ্বর তো কমে গেছে—তাহলে এখন কি রোগী ভালো?”

এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু রোগীর পরিবারের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায়।

কিন্তু ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ—

⚠️ জ্বর কমে যাওয়া মানেই সবসময় রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়া নয়।

ডেঙ্গুর প্রথম কয়েকদিন সাধারণত রোগীর জ্বর থাকে। এরপর অসুস্থতার প্রায় ৩–৭ দিনের মধ্যে জ্বর কমতে শুরু করে। এই সময় কিছু রোগী Critical Phase-এ প্রবেশ করতে পারেন।

এই পর্যায়ে শরীরের রক্তনালীর ভেতর থেকে তরল বেরিয়ে যেতে পারে, যাকে বলা হয় Plasma Leakage।

ফলে রক্তের কার্যকর পরিমাণ কমে গিয়ে রক্তচাপ কমে যেতে পারে, শক হতে পারে, এমনকি গুরুতর ক্ষেত্রে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকারিতাও ব্যাহত হতে পারে।

তাই—

“Fever Down ≠ Risk Over”

অর্থাৎ জ্বর কমেছে মানেই বিপদ কেটে গেছে—এমনটা ভাবা যাবে না।

🚨 কোন লক্ষণগুলো দেখলে দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?

জ্বর কমার সময় যদি রোগীর—

* তীব্র পেট ব্যথা বা পেটে চাপ দিলে ব্যথা
* বারবার বমি
* নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্তপাত
* রক্তবমি বা কালো পায়খানা
* অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্থিরতা
* অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব
* শ্বাসকষ্ট
* হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
* প্রস্রাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া

—এসবের কোনোটি দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা—

🩸 শুধু Platelet দেখে ডেঙ্গুর অবস্থা বিচার করা ঠিক নয়।

রোগীর শারীরিক অবস্থা, রক্তচাপ, pulse, urine output, hematocrit এবং warning signs—সবকিছু মিলিয়ে চিকিৎসক রোগীর ঝুঁকি মূল্যায়ন করেন।

❤️ শেষ কথা

ডেঙ্গুতে জ্বর থাকাকালীন যেমন সতর্ক থাকতে হবে, জ্বর কমে যাওয়ার পরও অন্তত পরবর্তী সময়টা খুব মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

জ্বর কমেছে—এটা ভালো খবর হতে পারে।
কিন্তু জ্বর কমার সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা কমিয়ে দেওয়া যাবে না।

🦟 ডেঙ্গুতে সচেতন থাকুন, Warning Sign চিনুন, প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

#ডেঙ্গু #ডেঙ্গু_সচেতনতা

22/08/2026

🧠 পার্কিনসন রোগ: কাঁপুনি মানেই কি পার্কিনসন?

হাত কাঁপছে, হাঁটার গতি কমে গেছে, শরীর শক্ত লাগছে—এগুলোকে অনেকেই শুধু “বয়সের সমস্যা” মনে করেন। কিন্তু এগুলো Parkinson’s disease-এর লক্ষণও হতে পারে।

🔹 হাত বা শরীর কাঁপা
🔹 চলাফেরা ধীর হয়ে যাওয়া
🔹 শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া
🔹 হাঁটার সময় ভারসাম্য কমে যাওয়া
🔹 ছোট ছোট পা ফেলে হাঁটা

তবে মনে রাখবেন, সব হাত কাঁপা Parkinson’s নয়, আবার Parkinson’s হলেও সবার হাত কাঁপবে—এমন নয়।

সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা, নিয়মিত ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রোগীর জীবনযাত্রা অনেকটাই ভালো রাখা সম্ভব।

❤️ পার্কিনসনকে ভয় নয়—সচেতনভাবে মোকাবিলা করুন।

অস্বাভাবিক কাঁপুনি বা চলাফেরার পরিবর্তন হলে অবহেলা না করে Neurologist-এর পরামর্শ নিন।

16/08/2026

ডেঙ্গুতে ফ্লুইড খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে জ্বরের সময় ও জ্বর কমার পরের ২৪–৪৮ ঘণ্টায়।

কী কী ফ্লুইড খাবেন?

* 💧 পানি — অল্প অল্প করে বারবার
* 🧂 ওরস্যালাইন (ORS) — ডিহাইড্রেশন থাকলে বিশেষভাবে উপকারী
* 🥥 ডাবের পানি
* 🍲 স্যুপ/পাতলা ঝোল
* 🥛 দুধ সহ্য হলে দুধ
* 🍋 লেবু পানি বা অন্যান্য তরল
* ফলের রস খাওয়া যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত মিষ্টি জুসের বদলে পানি/ORS বেশি ভালো

একবারে অনেকটা না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার পান করুন। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে, প্রচণ্ড দুর্বলতা/মাথা ঘোরা, পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

ডাঃ মোঃ নাজমুল হাসান
এমবিবিএস, এমডি (নিউরোলজি)
সিসিডি (বারডেম)

(সহযোগী অধ্যাপক, নিউরোলজি বিভাগ),
ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল লিঃ

আজই যোগাযোগ করে সিরিয়াল বুক করুন। সুস্থ জীবনের দিকে এগিয়ে যান আত্মবিশ্বাসের সাথে।

🔹chember@

1.. আয়াত মেডিকেল সেন্টার

আঞ্জুমান কমপ্লেক্স (২য় তলা) ,হাতিমারা চৌরাস্তা, রামপাল, মুন্সীগঞ্জ।
ফোন: ০২ ৯৯৬৮৪ ৭১৭২, মোবাইল: ০১৯৫১ ৪৪০ ৮০০, ০১৩২২ ৫১৬ ১২১
* প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার

2. সুমনা হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ৩, ৪, পাটুয়াটুলী, সদরঘাট, ঢাকা ১১০০
ফোন: ০২ ৯৫৬১ ৭৮৬, ০২৪৭১১ ৫৫৩১
হট-লাইন: ০১৯৭৭ ৭৮৭ ০৩৩, ০১৯৭৭ ৭৮৭০৪৪

3. ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ১২/৩ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭
হট-লাইন: ০২ ৪৮৩২ ২১২১, ০১৯২৭ ৩৩৩ ০০০

#ডেঙ্গু #ডেঙ্গুজ্বর #ডেঙ্গুসচেতনতা #ডেঙ্গুপ্রতিরোধ

15/08/2026

🎙️ ডেঙ্গু নিয়ে আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারভিউ।
আশা করি, ভিডিওটি আপনাদের ডেঙ্গু সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে এবং সচেতন হতে সাহায্য করবে।

ডেঙ্গু-----
ডেঙ্গুর সময় দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া ও শরীরের পানিশূন্যতা ঠেকানো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

💧 প্রচুর তরল পান করুন—পানি, ওআরএস, স্যুপ, ডাবের পানি ইত্যাদি।

🍲 হালকা পুষ্টিকর খাবার খান; খেতে পারলে স্বাভাবিক খাবার চালিয়ে যান।

🌡️ জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

❌ অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক/NSAID এড়িয়ে চলুন—রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

🩸 চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী CBC/প্লেটলেটসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করুন। শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা নয়, রোগীর সামগ্রিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।জরুরি হাসপাতালে যান যদি পেটের তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, নাক/মাড়ি দিয়ে রক্ত, রক্তবমি বা কালো পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বল/অস্থির বা ঘুমঘুম ভাব, ঠান্ডা-ফ্যাকাশে ত্বক, অথবা প্রস্রাব খুব কমে যায়।বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার পরের ২৪–৪৮ ঘণ্টা সতর্ক থাকা জরুরি—এই সময়েও ডেঙ্গুর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

👉🏿ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের টিপস

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে মশার এক্সপোজার এবং বংশবৃদ্ধি হ্রাস করা জড়িত:

• মশার প্রজনন স্থানগুলি নির্মূল করুন: নিয়মিত খালি এবং পরিষ্কার পাত্র যা জল ধরে রাখতে পারে, যেমন বালতি, ফুলের পাত্র এবং পাখির স্নান।

• মশা নিরোধক ব্যবহার করুন: উন্মুক্ত ত্বকে ডিইইটি, পিকারিডিন বা লেবু ইউক্যালিপটাসের তেল যুক্ত মশা নিরোধক প্রয়োগ করুন।

• প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরুন: লম্বা হাতা এবং প্যান্ট মশার কামড় কমাতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে মশার কার্যকলাপের সময় (ভোর এবং সন্ধ্যা)।

• স্ক্রিন ইনস্টল করুন: আপনার ঘর থেকে মশা দূরে রাখতে জানালা এবং দরজার পর্দা ব্যবহার করুন।

• মশারি ব্যবহার করুন:
মশারি ব্যবহার করুন, যাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়াতে না পারে।

Courtesy: News71.TV


#ডেঙ্গু #ডেঙ্গুজ্বর #ডেঙ্গুসচেতনতা #ডেঙ্গুপ্রতিরোধ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #জনসচেতনতা

09/08/2026

হাঁটতে গেলেই পায়ে ব্যথা হয়? কিছুক্ষণ হাঁটার পর থেমে গেলে ব্যথা কমে যায়? তাহলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না।”

বাংলাদেশে আমরা অনেক সময় এই ব্যথাকে বয়সের সমস্যা, বাতের ব্যথা বা দুর্বলতা মনে করি। কিন্তু এর পেছনে থাকতে পারে Peripheral Vascular Disease—অর্থাৎ পায়ের রক্তনালীর রোগ।
















#স্বাস্থ্যসচেতনতা
#ডায়াবেটিস
#পায়েব্যথা
#রক্তনালী
#বাংলাদেশ

06/08/2026

একটি মানুষ, একটি পরীক্ষা, একটি সিদ্ধান্ত—বাঁচাতে পারে একটি জীবন

যে মানুষটি আজ সম্পূর্ণ সুস্থ মনে করছেন, তার শরীরে হয়তো হেপাটাইটিস বি আছে—কিন্তু তিনি জানেন না।

আর যদি অনেক বছর পর জানা যায় যে সেই ভাইরাস ইতোমধ্যে লিভারে সিরোসিস তৈরি করেছে, তখন চিকিৎসার সুযোগ অনেক সীমিত হয়ে যেতে পারে।

তাই—

“লক্ষণ হওয়ার অপেক্ষা নয়, প্রয়োজন হলে পরীক্ষা করুন।”

হেপাটাইটিস বি শনাক্ত করুন।
প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন।
লিভারকে সুরক্ষিত রাখুন।
আর সম্ভব হলে টিকা নিয়ে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত করুন।

কারণ হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধযোগ্য, শনাক্তযোগ্য এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি রোগ—কিন্তু অবহেলা করলে এর পরিণতি হতে পারে লিভার সিরোসিস, লিভার ফেইলিউর ও লিভার ক্যান্সার।

"

#লিভার #হেপাটাইটিসবি #সচেতনতা

02/08/2026

🧠 মৃগী রোগ: খিঁচুনি মানেই কি মৃগী?

হঠাৎ একজন মানুষ মাটিতে পড়ে গেলেন, হাত-পা শক্ত হয়ে কাঁপছে, মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে—দৃশ্যটি দেখে অনেকেই ভয় পেয়ে যান। কেউ বলেন “ভূতে ধরেছে”, কেউ আবার ভাবেন এটি পাগলামির লক্ষণ।

আসলে এটি অনেক সময় মৃগী রোগের (Epilepsy) খিঁচুনি হতে পারে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—মৃগী একটি চিকিৎসাযোগ্য স্নায়ুরোগ।

🔹 মৃগী রোগ কী?

মস্তিষ্কের কোষগুলোর বৈদ্যুতিক কার্যকলাপে অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত পরিবর্তনের কারণে বারবার খিঁচুনি হলে তাকে মৃগী রোগ বলা হয়।

তবে একবার খিঁচুনি হলেই মৃগী হয়েছে—এমন নয়। জ্বর, রক্তে শর্করা বা সোডিয়াম কমে যাওয়া, কিছু ওষুধ/বিষক্রিয়া, ঘুমের অভাবসহ বিভিন্ন কারণেও একবার খিঁচুনি হতে পারে।

🔹 খিঁচুনির লক্ষণ কী হতে পারে?

সব খিঁচুনিতে হাত-পা কাঁপবে এমন নয়।

কেউ হঠাৎ—

* অচেতন হয়ে যেতে পারেন
* হাত-পা শক্ত হয়ে কাঁপতে পারেন
* কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থির হয়ে তাকিয়ে থাকতে পারেন
* অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারেন
* বারবার একই ধরনের নড়াচড়া করতে পারেন
* খিঁচুনির পর কিছু সময় বিভ্রান্ত বা ঘুমঘুম থাকতে পারেন

🚨 খিঁচুনি হলে কী করবেন?

✅ রোগীকে নিরাপদ জায়গায় শুইয়ে দিন।
✅ সম্ভব হলে কাত করে দিন, যাতে মুখের লালা/বমি শ্বাসনালীতে না যায়।
✅ মাথার নিচে নরম কিছু দিন।
✅ আশপাশের শক্ত বা ধারালো জিনিস সরিয়ে দিন।
✅ খিঁচুনি কতক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে, সময় দেখুন।
✅ খিঁচুনি থামার পর রোগীকে শান্তভাবে বিশ্রাম নিতে দিন।

❌ যা কখনো করবেন না

🚫 মুখের মধ্যে চামচ, আঙুল বা কোনো বস্তু ঢোকাবেন না।
🚫 জোর করে হাত-পা চেপে ধরবেন না।
🚫 পানি, খাবার বা ওষুধ মুখে দেবেন না যতক্ষণ রোগী পুরোপুরি সচেতন না হন।
🚫 মুখে জুতা/স্যান্ডেল ধরবেন না—এতে কোনো চিকিৎসা হয় না।

🏥 কখন দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে?

যদি—

🔴 খিঁচুনি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়
🔴 পরপর খিঁচুনি হয় এবং মাঝখানে জ্ঞান না ফেরে
🔴 এটি জীবনের প্রথম খিঁচুনি হয়
🔴 খিঁচুনির সময় গুরুতর আঘাত লাগে
🔴 শ্বাস নিতে সমস্যা হয় বা খিঁচুনির পরও জ্ঞান না ফেরে
🔴 রোগী গর্ভবতী হন বা গুরুতর অন্য কোনো অসুস্থতা থাকে

তাহলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

💊 মৃগী কি ভালো হয়?

হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসায় অনেক রোগীর খিঁচুনি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

চিকিৎসক রোগীর বয়স, খিঁচুনির ধরন, কারণ ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী anti-seizure medication দিতে পারেন।

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

👉 নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ করা যাবে না।
👉 একটি ডোজ মিস করাও অনেক সময় খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
👉 পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ওষুধ এবং চিকিৎসকের ফলোআপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

মৃগী কোনো অভিশাপ নয়, ভূতে ধরাও নয় এবং এটি লজ্জার কোনো রোগ নয়।

মৃগী রোগীকে ভয় বা অবহেলা নয়—প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা, পরিবারের সহযোগিতা এবং সামাজিক সচেতনতা।

একটি খিঁচুনির সময় আপনার সঠিক পদক্ষেপ একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।

খিঁচুনি দেখলে ভয় পাবেন না—জানুন, বুঝুন এবং সঠিকভাবে সাহায্য করুন। 🧠❤️

ডাঃ মোঃ নাজমুল হাসান
এমবিবিএস, এমডি (নিউরোলজি)
সিসিডি (বারডেম)

(সহযোগী অধ্যাপক, নিউরোলজি বিভাগ), ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল লিঃ

🔹chember@

1.. আয়াত মেডিকেল সেন্টার

আঞ্জুমান কমপ্লেক্স (২য় তলা) ,হাতিমারা চৌরাস্তা, রামপাল, মুন্সীগঞ্জ।
ফোন: ০২ ৯৯৬৮৪ ৭১৭২, মোবাইল: ০১৯৫১ ৪৪০ ৮০০, ০১৩২২ ৫১৬ ১২১
* প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার

2. সুমনা হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ৩, ৪, পাটুয়াটুলী, সদরঘাট, ঢাকা ১১০০
ফোন: ০২ ৯৫৬১ ৭৮৬, ০২৪৭১১ ৫৫৩১
হট-লাইন: ০১৯৭৭ ৭৮৭ ০৩৩, ০১৯৭৭ ৭৮৭০৪৪

3. ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল লিঃ
ঠিকানা: ১২/৩ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭
হট-লাইন: ০২ ৪৮৩২ ২১২১, ০১৯২৭ ৩৩৩ ০০০

#মৃগীরোগ #খিঁচুনি #মৃগী_সচেতনতা

Address

3, 4 Patuatuly , Sadarghat
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Nazmul Hasan Neurologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category