Dr. Famim Ahmed Emon

Dr. Famim Ahmed Emon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Famim Ahmed Emon, Doctor, Dhanmondi-27, Dhaka.

MBBS (Dhaka), CMU (Ultra)
MCGP (Family Medicine)
Advance Trained in Acute Medicine & Emergency Medicine
BIHS Hospital
PGT- Medicine (DMC)
Trainee, Medical Officer
Department of Medicine
Dhaka Medical College & Hospital

OT-র পর পেশেন্টকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ২ টা এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেছেন, Linezolid আর Metronidazole (যে রোগের-যে রোগীর জ...
30/08/2026

OT-র পর পেশেন্টকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ২ টা এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেছেন, Linezolid আর Metronidazole (যে রোগের-যে রোগীর জন্য যে চিকিৎসা প্রযোজ্য)

হাসপাতাল থেকে ছুটির ৩ দিন পর পেশেন্ট এসেছে আমার চেম্বারে তার অন্য সমস্যা নিয়ে।

আগের হাসপাতালের Discharge Paper (ছুটির কাগজ) দেখে Drug History নেয়ার সময় জিজ্ঞেস করলাম, প্রথম ওষুধটা (Linezolide) খাচ্ছেন নিয়মিত?
বলে, স্যার খাইতেছি ঠিক মতোই।
জিজ্ঞেস করলাম, দ্বিতীয় ওষুধ এই Metronidazole?
রোগীর উত্তর, স্যার, ফার্মেসি থেকে বলছে আমার তো পেটে সমস্যা নাই, পাতলা পায়খানা নাই। এইটা খাওয়া লাগবো না। তাই একটাও খাই নাই।

মনে মনে বললাম, ধরণী তুমি ফা-ক হও, আমি টুপ করে ভেতরে ঢুকে যাই।

-
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যেখানে জেনে বুঝে-প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেছে, সেখানে ফার্মেসি দোকানদার মাতব্বরি করেছে, মেট্রোনিডাজল পাতলা পায়খানার ওষুধ, পেট খারাপের ওষুধ - এইটা খাওয়া লাগবে না।
অত:পর কয়দিন পর হয়তো পেশেন্ট ইনফেকশন নিয়ে আসবে।

-

আবার কখনো অন্য কোন পেশেন্ট ২ দিনের জ্বর, কিংবা মাথা ব্যাথা, গলা ব্যাথা, পেট ব্যাথা নিয়ে ফার্মেসি দোকানদারের কথায় যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক খেয়ে আসবে। তারপর দেখা যাবে, রোগীর এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট।

অবশ্য বাইরের কথা কি বলবো, আমার পরিচিত আশেপাশের মানুষজনই ১/২ দিনের জ্বরে আমি এন্টিবায়োটিক সাজেস্ট না করলেও ফার্মেসির দোকানদারের কাছে শুনে নিজের মন মতোই এন্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করে। কারণ এন্টিবায়োটিক না খেলে নাকি দ্রুত সুস্থ হবে না।

আবার কাউকে এন্টিবায়োটিক সাজেস্ট করলে অর্ধেক কোর্সে গিয়েই এন্টিবায়োটিক অফ করে দেয়। তাদের ব্যাখ্যা, সুস্থ হয়ে গেছি তো, আর খাওয়ার দরকার নেই।

কিন্তু লং-টার্মে গিয়ে যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে - সেটা যতোই বুঝাতে চাই, লাভ নাই।

আমার রোগীদের কাউন্সেলিং করলে তারা বুঝে, কিন্তু ফ্যামিলি মেম্বাররা বুঝে না।
এটা আমার ব্যর্থতা অবশ্যই।

-

হাসপাতালের ইমার্জেন্সির ২০০/৩০০ টাকার,
ডাক্তারের চেম্বারের ৪০০/৫০০/১০০০ টাকার ভিজিট বাচিঁয়ে দোকানদারের কথায় ওষুধ খেয়ে অনেক লাভ করলেন, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য যে লাখ টাকার ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে - টেরই পাচ্ছেন না।

-

আরো খান ডাক্তারের ভিজিটের টাকা বাঁচিয়ে ফার্মেসির দোকানদারের কথায় ওষুধ।

একসময় হয়তো গিয়ে বড় কোন ইন্টার্নাল ইনফেকশন দিনের পর দিন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিবেন, হয়তো এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয়ে শেষে কোন ওষুধে কাজ না করে বিনা ওষুধে মৃত্যুর প্রহর গুণবেন।
লাভ গুণবে হাসপাতাল, আর রোগীর এরকম অবস্থা দেখে আফসোস করবে হতাশ হবে আপনার ডাক্তার।

তাতে কার কি???

- ডা. ফামীম আহমেদ

প্রখ্যাত এআই গবেষক রোমান ইয়ামপোলস্কি একটি পডকাস্টে বলেছেন―আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মানুষের চেয়ে লাখ গুণ বুদ্ধিমান এআই...
29/08/2026

প্রখ্যাত এআই গবেষক রোমান ইয়ামপোলস্কি একটি পডকাস্টে বলেছেন―আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মানুষের চেয়ে লাখ গুণ বুদ্ধিমান এআই আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই প্রযুক্তিগুলো ইতিমধ্যেই মিথ্যা বলা এবং হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা শুরু করেছে, তাই সুপার ইন্টেলিজেন্স তৈরি হলে তারা আমাদের সাথে রাস্তা পার হওয়া মশা বা পিঁপড়ার মতো আচরণ করবে এবং সিমুলেশন থিওরির ভয়াবহ বাস্তবতায় আমাদের বন্দি করে ফেলবে।

চাকরি হারানোর মতো ঠুনকো বিষয় নিয়ে মূর্খের মতো মেতে না থেকে আগামী ১৫ বছরে মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ।

এই আত্মঘাতী ধ্বংসলীলা থেকে মানবজাতিকে বাঁচাতে হলে যেকোনো মূল্যে জেনারেল সুপার ইন্টেলিজেন্স তৈরি করা থেকে আমাদের অবিলম্বে বিরত হতে হবে। এর বদলে রোগব্যাধি নিরাময় বা নিরাপদ গাড়ি তৈরির মতো সুনির্দিষ্ট কাজে শুধুমাত্র 'ন্যারো এআই' বা সাধারণ টুল ব্যবহার করতে হবে।

পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তির মতো বিশ্বের শীর্ষ নেতা ও কোম্পানিগুলোকে এখনই একটি কঠোর আন্তর্জাতিক এআই নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে, অন্যথায় এটি হবে পারস্পরিক নিশ্চিত ধ্বংসের সবচেয়ে ভয়ানক হাতিয়ার।

Courtesy: Shahriar Akash

একটা সময় ছিল, যখন বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো হতো শুধুই শুক্রবারে। গায়ে হলুদে চিকন দড়িতে আঠা দিয়ে লাগানো রঙ্গিন কাগজ দিয়ে পুরো বা...
28/08/2026

একটা সময় ছিল, যখন বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো হতো শুধুই শুক্রবারে।

গায়ে হলুদে চিকন দড়িতে আঠা দিয়ে লাগানো রঙ্গিন কাগজ দিয়ে পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলা হতো।
গ্রাম, এমনকি মফস্বলেও বিয়ের গেট করা হতো দুইপাশে কলাগাছ দিয়ে।
তারপর লাল-নীল রঙ্গিন কাগজ পেঁচিয়ে সাজানো হতো দুইপাশের কলাগাছগুলোকে।
রঙ্গিন করে সাজানো দুই কলাগাছের মাথায় রঙ্গিন কাগজ আটকানো রশি বেঁধে মাঝে আটকে দেয়া হতো "শুভ বিবাহ" লেখা কাগজ।
গেটে একটা টেবিল রেখে তাতে রাখা হতো শরবত,
একটা প্লেটে চামুচসহ মিষ্টি, আর একটা প্লেটে পান-সুপারি-জর্দা।

বর্ষার দিনে বিয়ে হলে প্রায়ই দেখা যেত বরযাত্রী আসতো সাজানো নৌকায় করে, মুখে রুমাল চেপে সাদা পাঞ্জাবী পড়ে মুরুব্বিদের সাথে আসতো বর।
বর আসার সময় হৈ-হুলোড় পরে যেত।
কলাগাছের গেটে দাঁড়িয়ে যেত বাড়ির ছোট ছেলে-মেয়েরা।

শুক্রবার নামাজের পর লাল-নীল-সবুজ-হলুদ সামিয়ানার নিচে প্রথমেই খাবার খেতে বসে যেত বরপক্ষ আর সদ্য মসজিদ ফেরত মুরুব্বীয়ান।
চুলা থেকে মাত্রই নামানো প্রচন্ড গরম ধোঁয়া উঠা পোলাও আর ঝাল মাংসের তরকারি, খেতে বসে পুরো মুখ-কপাল ঘেমে চোখ দিয়ে পর্যন্ত পানি ঝরতো কখনো সখনো।
সন্ধ্যার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বউ নিয়ে চলে যেত বর,
আর বউয়ের সাথে যেত দাদী-নানি ধরনের কেউ।

-
এ রকম কোন অনুষ্ঠান হতে পারে, বর্তমান জেন-জি রা হয়তো কল্পনাও করতে পারবে না।

আধুনিকতার উৎকর্ষে বিয়েটা এখন হয়ে গেছে অনেকটা লোক দেখানো সামাজিকতা। বড় হল রুমে মডেলের মতো সেজে বর-কনে আর অতিথীদের আগমন, তারপর রোস্ট-কাচ্চি বিরিয়ানি-খাশির কোরমা খেয়ে কয়েকশ মোবাইল-ক্যামেরার হাজারো ফ্লাশে রোবোটিক ফটোশ্যুট।

খাওয়া শেষে পান কিংবা জর্দা/ফিরনী চিবুতে চিবুতে রোস্টের লবণ, রেজালার মশলার কম-বেশি নিয়ে আলোচনার সাথে বউয়ের সাজ-উচ্চতা-গায়ের রঙ, বরের মাথার চুল-পেট নিয়ে কিছু গুণ(!)কীর্তন।

অতঃপর বাড়ি ফেরা।

প্রযুক্তি আর আধুনিকতার এই যুগে আগের সেই আন্তরিকতার ছিটেফোঁটাটাও আর নেই এখন...

-

রঙ্গিন সামিয়ানার নিচে কাঠের চেয়ার টেবিলে বসে ঘর্মাক্ত কপাল-মুখ মুছতে মুছুতে ধোঁয়া উঠা তপ্ত-ঝাল খাবার,
কতোদিন এমন একটা বিয়ের দাওয়াত খাই না...

এমন দাওয়াত কেউ পেলে জানায়েন।

 : আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - ...
27/08/2026

:

আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর ভিতর ৫ বছর বেশী গুরুত্বপূর্ণ!

ফলে এই সময়ে সবচেয়ে careful থাকা উচিৎ! এই গঠন বলতে বুঝায় - ব্রেইনের connection তৈরী হওয়া।

যার যত connection তৈরী হবে, সে তত ব্রিলিয়ান্ট হবে!

এই connection তৈরীতে রঙিন খেলনা, পুষ্টিকর খাবার, বাচ্চার সাথে খেলা করা, গল্প বলা - এমনই অনেক কিছু নির্ভরশীল!

কিন্তু আমাদের দেশে - বাচ্চা কথা বলা শেখার আগেই - সবাই লাঠি নিয়ে বসে - ঠিকমত পড়ালেখা শিখছে তো?

#খাবারঃ

একসময় এদেশে মায়েদের বাচ্চার খাবারই ছিল - বার্লি আর সাগু!

তখন বার্লি Face বলে, একটা অপুষ্টির লক্ষ্মণ দেখা যেত। বাচ্চা হতো মোটাতাজা, মা মনে করতো - বেশ ভাল স্বাস্থ্য হয়েছে!

আজ সেই জায়গাটা নিয়েছে, সুজি! সুজি হয় চালের গুড়া, নাহলে গমের।

আবার এর সাথে কোন না কোন দুধ মিশ্রিত করে, সাথে থাকে চিনি। অথচ এর সবগুলোই অপুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

কারণ গরীব হলে, গরুর দুধ মিশ্রিত করে - আর টাকা থাকলে infant formula. অথচ দুটোই বাচ্চার জন্য ক্ষতিকারক!

Infant formula'তে কোন কিছু মিশানো নিষেধ। আবার কোন চিকিৎসক লিখে দিলে - শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমরা জানি সবসময়ই সুষম খাবার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে খিচুড়ি হলো, বাচ্চার সুষম খাবার।

অথচ মা'দের বুঝানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাথে যোগ হয়েছে - দাদা/দাদি, নানা/নানি।

মুরুব্বিদের ধারণা - তারাও তো বাচ্চা মানুষ করেছে, কখনো তো সমস্যা হয় নাই!

এর উত্তরে অনেক সময় বলি, দেশ যে ব্রিলিয়ান্ট জনসংখ্যার সংকটে ভুগছে, তা আপনাদের দান!

জাপানে প্রাইমারি স্কুলে কোন পরীক্ষা নেয় না! ওরা এই early childhood development এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

আর তাই সেরা ব্রিলিয়ান্ট ঐদেশে তৈরী হয়। আমাদের মত লাঠি হাতে নিয়ে শিক্ষা দেয় না।

#কেন_খিচুড়ি_সেরা?

আমরা সবাই বা অনেকেই জানি essential amino acid বলে, একটা শব্দ আছে। যা শরীর তৈরী করতে পারে না। ফলে বাহিরের খাবার খেয়ে সেই অভাব পূরণ করতে হয়।

একমাত্র খিচুড়িতেই সবগুলো পাওয়া সম্ভব (চালে আটটি আর বাকিগুলো ডালে থাকে)। ফলে চাল-ডাল একসাথে থাকলেই শুধু সবগুলো essential amino acid পাওয়া সম্ভব!

এছাড়াও ডিমে এইসবগুলো essential amino acid থাকে।

#ফলে_বাচ্চার_খাবার_হওয়া_উচিৎঃ

১) মায়ের বুকের দুধ ২ বছর পর্যন্ত, এর বাহিরে আর কোন দুধ নয়।

২) খিচুড়ি (চাল+ডাল+সয়াবিন/অলিভ ওয়েল+সবজি)

৩) ডিম

৪) মা যখন যা খাবেন - সেখান থেকে মাছ/মাংস/সবজি বাচ্চাকে দিবেন। (ফ্রেশ হতে হবে)

৫) সারাদিনে একবার ফল খাবে। #আঙ্গুর বাদে। বাচ্চা সকাল/দুপুর/রাত, প্রচুর ফল খায় - এটাও ভাল লক্ষ্মণ নয়। কারণ পেট ভরা থাকায়, অন্য প্রয়োজনীয় খাবার খাবে না।

সবশেষে মা'দের বলি - আপনার সন্তান যদি পড়ালেখা নাও করে - Early Childhood Development ঠিক থাকলে, রিক্সা চালক হলে - সেরা রিক্সা চালক হবে। বা চোর হলেও সেরা চোর হবে!

তাই সবাই Early Childhood Development এর উপর সময় দিন। সঠিক খাবার নিশ্চিত করুন! সুজি/গরু/ছাগলের (২ বছর বয়স পর্যন্ত) দূধ খাওয়ানো বন্ধ করুন।

বি.দ্র. ছাগলের দূধে অতিরিক্ত অসুবিধা, এক ধরনের রক্তশূন্যতা রোগ হয়।

ডা. নেয়ামত হোসাইন
BMDC reg. 28258
সহযোগী অধ্যাপক (নিওনেটোলজী)

কুকুর, বিড়াল,  শিয়াল, বেঁজি, বানর, বাঁদুর - এই ধরনের প্রাণি কামড় দিলে বা ন্যুনতম খাঁমচি দিলেও দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল অথব...
27/08/2026

কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেঁজি, বানর, বাঁদুর - এই ধরনের প্রাণি কামড় দিলে বা ন্যুনতম খাঁমচি দিলেও দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল অথবা রেজিস্টার্ড এমবিবিএস ডাক্তারের সাথে সরাসরি, স্বশরীরে যোগাযোগ করুন।

ডাক্তার আপনার ক্ষতের অবস্থা (Wound Category) দেখে আপনাকে সু-পরামর্শ দিবেন এবং জানাবেন ভ্যাক্সিন লাগবে কি না।
ক্ষতের অবস্থা বুঝে ডাক্তার র‍্যাবিসের ভ্যাক্সিন সাজেস্ট করলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবশ্যই ভ্যাক্সিন নিন এবং শিডিউল অনুযায়ী প্রতিটি ভ্যাক্সিন সঠিক ভাবে সম্পন্ন করুন।

আর বাসায় পেট (Pet) থাকলে ভেটেরিনারি ডাক্তার কিংবা ভেট-সেন্টার থেকে তাদের নিয়মিত ভ্যাক্সিনেশন মেইনটেইন করুন।

নিজেরাও নিরাপদ থাকুন, অন্যদেরও নিরাপদ রাখুন।

ডা. ফামীম আহমেদ ইমন
এমবিবিএস (ঢাকা), এমসিজিপি (ফ্যামিলি মেডিসিন)
এডভান্স ট্রেইন্ড ইন ইমার্জেন্সি মেডিসিন
পোস্ট গ্রাজুয়েশন ট্রেইনি & অনারারী মেডিক্যাল অফিসার
মেডিসিন বিভাগ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

চেম্বার:
Dhanmondi Diagnostic & Consultation Center
ধানমণ্ডি -২৭
[বাংলাদেশ আই হাসপাতালের পাশে]

রোগী দেখার দিন এবং সময়:
প্রতি মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যা ০৬ টা থেকে রাত ০৯ টা
যোগাযোগ: 01774-080049
-
আল শিফা ফার্মেসি
চানখাঁরপুল, ঢাকা
[ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় বার্ণ & প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের উল্টো পাশে]

রোগী দেখার দিন এবং সময়:
প্রতি শনি, রবি, সোম এবং বুধবার
সন্ধ্যা ০৬ টা থেকে রাত ০৯ টা
যোগাযোগ: 01818-443680

গতকাল ছিলো, মঙ্গলবার। ছিলাম ধানমণ্ডি চেম্বারে। এদিকে কুমিল্লা থেকে আসা এক পেশেন্ট গতকাল থেকে পুরান ঢাকায় ওয়েট করছে আমাকে...
26/08/2026

গতকাল ছিলো, মঙ্গলবার। ছিলাম ধানমণ্ডি চেম্বারে।
এদিকে কুমিল্লা থেকে আসা এক পেশেন্ট গতকাল থেকে পুরান ঢাকায় ওয়েট করছে আমাকে দেখানোর জন্য।
কিন্তু ধানমন্ডি এতো দূরে আসা পসিবল হয় নি তাদের। রোগী আছে পুরান ঢাকার এক বাসাতে। তাই দেখাতে চায় আমার পুরান ঢাকার চেম্বারেই।

আজ বুধবার, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটি। ভেবেছিলাম, আজ রেস্টে থাকবো।
এদিকে চেম্বার থেকে কল, স্যার পেশেন্ট আজকে আসতে চায়।
অগত্যা ছুটির দিনেও জ্যামের মধ্যে দেড় ঘন্টা সময় খরচ করে ধানমন্ডি থেকে চেম্বারে পৌঁছুতে পারলাম।

ঢুকে দেখি, পেশেন্ট পুরো ফ্যামিলি নিয়ে আমার আগেই এসে বসে আছে।

পেশেন্ট ফিমেল, বয়স মাত্র ১৮ বছর। সাথে হাজবেন্ড আর মা।
হিস্ট্রি নিয়ে যা পেলাম, সংক্ষেপ করলে দাঁড়ায় - সপ্তাহ খানেক আগে ঢাকা মেডিক্যালেই উনার LUCS (সিজার) হয়েছে। বিভিন্ন কম্পলিকেশন্স নিয়ে ৩২ সপ্তাহের প্রি-ম্যাচিউর বেবি ডেলিভারি হয়েছে। ডেলিভারির পর পেশেন্ট নিজেও ২ দিন ICU-তে ছিলো। বাচ্চা এখনো NICU-তে।
তো কম্পলিকেশন্স থাকায় ICU থেকে ডিসচার্জের সময় মেডিসিন ডাক্তারের কাছে ফলো-আপ করতে বলেছে। তাই আমার কাছে আসা।

আমার আবার একটা দোষ আছে, আমি একটু লম্বা সময় ধরে রোগীর কথা শুনি। রোগীর সাথে, রোগীর লোকের সাথে গল্পের ছলে সব সমস্যা শুনি। আবার কখনো কখনো পুলিশের মতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রিপিট প্রশ্ন করি, রোগের ব্যাপারে, সমস্যার ব্যাপারে, ওষুধ ঠিক মতোন খাচ্ছে কি না - সে সব ব্যাপারে।
তারপর সমস্যা অনুযায়ী, রোগ অনুযায়ী আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে যতোটা পারি - কাউন্সেলিং করি, ওষুধ বুঝিয়ে দেই, রিপোর্ট বুঝতে চাইলে তাও বুঝিয়ে দেই।

আমার এই লম্বা সময় নিয়ে রোগী দেখায় সম্ভবত চেম্বারের লোকেরা, চেম্বারের বাইরে অপেক্ষমাণ রোগীরাও বিরক্ত হয়।

মাঝে মাঝে আমার বউই বিরক্ত হয়ে যায়। তবে ভেতরে যখন যাকে দেখা হয় - সে অবশ্য মনে হয় খুশি থাকে।

আজকের পেশেন্ট যেহেতু ICU ঘুরে অনেক কম্পলিকেশন্স নিয়ে এসেছে, আজকে সময় নিলাম ৪০ মিনিটেরও বেশি।

পেশেন্ট দেখা শেষে NICU-তে থাকা পেশেন্টের বাচ্চার রিপোর্ট দেখে বাচ্চার ব্যাপার নিয়ে ডিসকাস করলাম।
পেশেন্টের মায়ের ঠান্ডা লেগেছে, তাকেও একটা কাগজে মেডিসিন লিখে দিলাম।

সব কিছু বুঝিয়ে দিয়ে যখন প্রেসক্রিপশন সাইন করছি, দেখি রোগীর মা আমার জন্য ফি বের করে টেবিলে রেখেছে, যা আমার রেগুলার ফি-র দেড়গুণ।
ওদিকে আমার পাশেই বসা পেশেন্টের হাজবেন্ড আর পেশেন্ট ফিসফিস করছে, স্যার অনেক টাইম নিয়ে দেখেছে। ভিজিট বাড়িয়ে দিতে। এবং প্রেসক্রিপশন বুঝিয়ে দেয়ার পর পেশেন্টের লোক আমার হাতে ফি তুলে দিয়েছে রেগুলার ফি-র ডাবল।

প্রেসক্রিপশনটা সুন্দর করে হাতে তুলে দেয়ার সময় রেগুলার ফি-র বাইরের অতিরিক্ত টাকাটা হাসতে হাসতে ফেরত দিলাম। উনারা প্রথমে অবাক হয়েছে, কম হলো কি না।

সুন্দর করে বুঝিয়ে বললাম, অতিরিক্ত ফি লাগবে না। আমার রেগুলার যা ফি, সেটাই নিবো। আর আমাদের ডাক্তারদের জন্য দোয়া করবেন।
সাথে পেশেন্টের কেয়ার নিন, NICU-তে বাচ্চা তার কেয়ার নিয়েন, আর ওষুধগুলোর একটাও মিস করবেন না।

পেশেন্ট, পেশেন্টের হাজবেন্ড, পেশেন্টের মা খুশি মনে বের হয়ে গেলো। আমিও খুশি যে পেশেন্ট এবং পেশেন্টের ফ্যামিলি মেন্টাল স্যাটিসফেকশন নিয়ে বের হয়েছে।

আমিও চেষ্টা করি, সময় বেশি লাগলেও আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে পেশেন্টকে আমার সাইড থেকে বেস্ট ট্রিটমেন্ট দিতে। যাতে পেশেন্ট সুস্থও হয়, আবার খুশিও থাকে।

এখন পেশেন্ট দ্রুত সুস্থ হলে আর তার ছোট্ট বাচ্চা দ্রুত সুস্থ মায়ের কোলে ফিরলেই আমি খুশি।
তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে অনেক অনেক দোয়া।

Mirror Hour? Or, Angel Number?
12/08/2026

Mirror Hour?
Or,
Angel Number?

11/08/2026

Switzerland Probashi β ওসমান গণি ভাইয়ের হোটেলের স্পেশাল Launched Item কামরুজ্জামান কামরুজ্জামান টি।

একজন হোটেল মালিক তার কর্মচারীকে কতোটা পছন্দ করলে কর্মচারীর চেহারা দিয়ে টি-পট বানিয়ে হোটেলে নতুন আইটেম আনতে পারে।

ভাবা যায়!

জুম্মা মোবারক
07/08/2026

জুম্মা মোবারক

Address

Dhanmondi-27
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Famim Ahmed Emon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category