Ahsan Aziz Sarkar

Ahsan Aziz Sarkar Psychiatrist. Researcher. Love to read. Personal growth, optimal functioning and well-being depend on self-knowledge (Know thyself!). Listen!
(2)

I will cast light on some of the paths.

প্রতিবছর ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশের মানসিক রোগের চিকিৎসকদের সংগঠন ব...
28/08/2026

প্রতিবছর ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশের মানসিক রোগের চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস-এর উদ্যোগে এবারও দিবসটি উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নানা কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলে ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন। এর নাম দেওয়া হয়েছে 'রান ফর লাইফ'। যাঁরা দৌড়াদৌড়ি করেন, ব্যায়াম করেন, সাইকেল চালান অথবা স্বাস্থ্য সচেতন, তাঁরা চাইলে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে এখানে যোগ দিতে পারেন। যাঁরা এগুলো করেন না, তাঁরাও দেখার জন্য আসতে পারেন। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ৩ সেপ্টেম্বর। আগ্রহীদের জন্য নিচে লিংক দিয়ে দিলাম।

https://register.runbangladesh.com/run-for-life-26/

31/07/2026

মোটামুটি বোধশক্তি বিকশিত হয়েছে এরকম মানুষ জীবন যাপনের জন্য নিচের চারটি পদ্ধতির মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। পদ্ধতিগুলোতে যাওয়ার আগে ভয় সম্পর্কে কিছু কথা বলা দরকার।

ভয়

ভয় সবসময় কোনো বাস্তব কিছুর দিকে নির্দেশ করে। রাস্তার কুকুর, অস্ত্রধারী মানুষ, রোগ, আগুন — এসবের প্রতি ভয় নিবদ্ধ হয়। ভয় জানে তার প্রতিপক্ষ কে। দুশ্চিন্তা ভিন্ন। সেখানে প্রতিপক্ষের মুখ দেখা যায় না। কেবল এক ধরনের অনিশ্চয়তা, এক অজ্ঞাত আশঙ্কা, যা মনের ভেতরেই জন্ম নেয়। ভয় আসে বাইরের জগত থেকে; দুশ্চিন্তা জন্ম নেয় ভেতরের জগতে। কোনো বিশ্বাস, কোনো কল্পনা, কোনো সম্ভাবনাকে মন যখন হুমকি হিসেবে গ্রহণ করে, তখন দুশ্চিন্তার জন্ম হয়। একজন ব্যক্তি যখন জ্বলন্ত ভবনে আটকে পড়ে তখন সে মৃত্যুকে ভয় পায়। একজন ব্যক্তি যখন ভাবতে থাকে, যদি হঠাৎ আমার ক্যান্সার হয়, আমি যদি ঘুমের মধ্যে মারা যাই, মৃত্যুর পরে কী হবে – তখন সে দুশ্চিন্তা করছে।

ভয় বা দুশ্চিন্তার মুখোমুখি হলে মানুষ সাধারণত তিনটি পথের একটিতে যায় — থমকে যায়, লড়াই করে, অথবা এড়িয়ে চলে। কুকুরকে ভয় পাওয়া মানুষ কুকুর দেখে থমকে যেতে পারে, কুকুরকে আঘাত করতে পারে, কিংবা পালাতে পারে। এই তিনটি প্রতিক্রিয়াই শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকার কৌশল।

সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে মৃত্যু ভয়। প্রতিটি মানুষ জানে, একদিন সে আর থাকবে না। শুধু একদিন নয় — পরের মুহূর্তেও নাও থাকতে পারে। এই জ্ঞান মানুষের চেতনার গভীরে এমন এক সত্য, যাকে পুরোপুরি ভুলে থাকা যায় না, আবার সারাক্ষণ মনে রেখে বাঁচাও যায় না।

বেঁচে থাকার প্রবৃত্তি সকল জীবের সবচেয়ে মৌলিক তাড়না। কিন্তু মৃত্যুর কাছে এই তাড়না পরাজিত। কারণ মৃত্যু এমন এক প্রতিপক্ষ, যার বিরুদ্ধে কোনো বিজয় সম্ভব নয়। তাই মানুষ মৃত্যুকে জয় করার চেষ্টা করে না; বরং এমনভাবে বাঁচতে শেখে যেন মৃত্যু সাময়িকভাবে অনুপস্থিত। জীবন আসলে মৃত্যুকে ভুলে থাকার শিল্প। এই ভুলে থাকার জন্য মানুষ নানা জীবনব্যবস্থা নির্মাণ করে।

চার জীবনব্যবস্থা

১. এড়িয়ে চলা

সবচেয়ে সহজ উপায় হলো মৃত্যুকে জীবনের বাইরে সরিয়ে রাখা। জীবনের সবচেয়ে বড় ভয় নিয়ে কথা না বলা। মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয় এমন জিনিস থেকে দূরে থাকা। ছোটদের সামনে মৃত্যু নিয়ে আলোচনা না করা, সিনেমায় মৃত্যুর দৃশ্য আসলে টেনে দেয়া, কাপড় দিয়ে মৃতদেহ ঢেকে দেয়া, দ্রুত দাফন করা, পুড়িয়ে ফেলা, লোকচক্ষুর আড়ালে যেমন হাসপাতালে মৃত্যুর ব্যবস্থা করা – এসব কিছু করা হয় মৃত্যুকে এড়িয়ে চলার জন্য। এই সবকিছুর পেছনে একটি নীতি কাজ করে — যা চোখের সামনে কম থাকবে, তা মনের ভেতরও কম জায়গা নেবে। আমরা মৃত্যুকে সরাই না; কেবল তাকে দৃষ্টির বাইরে রাখার চেষ্টা করি।

২. অ্যাটাচমেন্ট

মৃত্যুকে ভুলে থাকার দ্বিতীয় উপায় হলো কোনো কিছুকে গভীরভাবে আঁকড়ে ধরা। কেউ অতল সমুদ্রে ভাসছে। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। কোনো তীর নেই, নিচে মাটি নেই, দিক নেই। এমন অবস্থায় হাতের কাছে ভেসে আসা একটি কাঠের টুকরোও জীবন হয়ে ওঠে। মানুষের অস্তিত্বও অনেকটা তেমন। এই বিশাল, উদাসীন মহাবিশ্বে সে ভেসে আছে। তাই সে কিছু একটা আঁকড়ে ধরে। এই একটা কিছু ক্যারিয়ার হতে পারে, সফল মানুষ হওয়া হতে পারে, ভালো পিতা-মাতা হওয়ার চেষ্টা হতে পারে, ভালো মানুষ হওয়ায় চেষ্টা হতে পারে। এটা হতে পারে নিষ্ঠার সাথে ধর্ম পালন করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা, আইন মেনে চলা। এটা হতে পারে বাড়ি, গাড়ি, অর্থ-সম্পদ অর্জন নিয়ে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করা।

এগুলো মানুষকে অস্তিত্বের অতল শূন্যতার মুখোমুখি দাঁড়ানো থেকে রক্ষা করে। এসবকে ভালোবাসে এসব মূল্যবান নয় বলে, এসবকে মূল্যবান বানানো হয়েছে; ভালোবাসে কারণ এসব ছাড়া ভেসে থাকার আর কোনো উপায় নেই। অ্যাটাচমেন্ট যত গভীর হয়, স্বাধীনতা তত সংকুচিত হয়। অ্যাটাচমেন্ট পরিবর্তন হলে বা অর্জন সম্ভব না হলে বিষণ্ণতা ধরে, অর্থহীন মনে হয়, আত্মঘাতী হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা দেয়।

৩. ডাইভারশন

মন দীর্ঘ সময় শূন্যতার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে না। তাই মানুষ নিজেকে ব্যস্ত রাখে।

নতুন খাবার, নতুন শহর, নতুন সম্পর্ক, নতুন গান, নতুন চলচ্চিত্র, নতুন বিনোদন, নতুন পার্টি, নতুন অভিজ্ঞতা – এসব চোখ ও মনকে ভরিয়ে রাখে, ফলে সেখানে নিস্তব্ধতার কোনো অবকাশ থাকে না। নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা, আরও একটা স্কিল অর্জনের চেষ্টা, প্রোডাক্টিভিটি হ্যাকস, কন্টিনিউয়াস লারনিং, লাইফ লং ডেভেলপমেন্ট। পরবর্তী ডিগ্রি, পরবর্তী পদোন্নতি, পরবর্তী প্রকল্প, পরবর্তী লক্ষ্য, পরবর্তী জীবন, মৃত্যুর পরের জীবন, পুনর্জীবন। পরবর্তী কিছু থাকলে বর্তমানের শূন্যতা অনুভূত হয় না।

আজকে দিনটা বোরিং, কিছু ভালো লাগছে না, দেখার কিছু নেই, শোনার কিছু নেই, যাওয়ার কোন জায়গা নেই, কাজ পাগল মানুষের হাতে কাজ নেই – ডাইভারশন প্রয়োজন। মন মৃত্যুকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়, তার ব্যস্ত থাকার জন্য কিছু দরকার, এমন কিছু যা নতুন, তার ডাইভারশন দরকার।

মানুষ তাই ক্রমাগত নতুন কিছুর সন্ধান করে। নতুন অভিজ্ঞতার ক্ষুধা জীবনের প্রতি ভালোবাসা নয়; মৃত্যুকে, অর্থহীনতাকে ভুলে থাকার প্রয়োজন।

৪. সাবলিমেশন

অনেকে মৃত্যুকে এড়িয়ে চলে না। তারা তাকে জীবনের উপাদান বানিয়ে ফেলে। ভয়কে শক্তিতে, সৃজনে রূপান্তর করে।

কেউ পাহাড়ে ওঠে, কেউ আকাশ থেকে ঝাঁপ দেয়, কেউ সমুদ্রের গভীরে নামে। বিপদের সঙ্গে খেলা করে। মৃত্যু এখনো আমাকে নিতে পারেনি – মৃত্যুকে জয় করেছি।

মৃতকে বীর বানানো, অমরত্ব দান করা। মৃত্যুকে অস্বীকার করা। পিরামিড থেকে শিখা অনির্বাণ, শহিদ মিনার থেকে স্মৃতিসৌধ – সব কিছুই চোখের সামনে রাখা হয়েছে মানুষকে সাহস দেয়ার জন্য – মৃত্যুর পরেও তুমি টিকে থাকবে। তুমি মারা যেতে পারো, কিন্তু নাম বেঁচে থাকবে। এমন কিছু করো যেন তোমার নাম টিকে থাকে, তুমি বেঁচে থাকো। মৃত্যুর ভেতর থেকেই অমরত্ব নির্মাণের চেষ্টা।

পথ চারটি ভিন্ন হলেও শুরু হয়েছে একই জায়গা থেকে। আপনি কোনটি বেছে নিয়েছেন?

#দা লাস্ট মেসিয়াহ

20/07/2026

এক

চার বছর পরপর যখন বিশ্বকাপ আসে তখন বাংলাদেশীদের দীনতা, সমাজ মানসিকতা ও আত্মপরিচয়ের সঙ্কট প্রকটভাবে ফুটে উঠে। জন্মের পর থেকে, পঞ্চান্ন বছর হয়ে গেল, এই অবস্থা পরিবর্তনের কোন লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় ভরা, অন্য জাতির জার্সি পরা, বড় পর্দায় নিমগ্ন, হাজার হাজার শিক্ষিত তরুণের রাত জাগা জান্তব চিৎকার ও নর্তন কুর্দন আমাদেরকে কী বার্তা দেয়?

আর্জেন্টিনার কোচ বললেন - বাংলাদেশ থেকে যে অসাধারণ সমর্থন আসে, তা আমাদের সত্যিই বিস্মিত করে। এত দূরের একটি দেশের মানুষ আমাদের জার্সি পরে দলকে সমর্থন করে, এটি খুবই সুন্দর একটি বিষয়। কেন দূরদেশের কোচরা আমাদের এসব আচরণে বিস্মিত হন?

দুই

বাংলাদেশে মানুষ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে অন্য জাতির পতাকা টাঙিয়ে। অন্য জাতির জার্সি গায়ে লাগিয়ে। অন্য জাতির রঙে বাড়িঘর ও রাস্তা সাজিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোফাইল ছবি বদল করে। ম্যাচের আগে-পরে জয়-পরাজয় নিয়ে পোস্ট ও ট্রল করে। প্রিয় দলের খেলোয়াড়দের সাফল্যে আনন্দ-উল্লাস করে, পরাজয়ে হতাশ হয়ে। বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে রাত জেগে একসঙ্গে খেলা দেখে। রাস্তা ও চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাড়ার আড্ডায় অন্য দেশের ফুটবল নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা চলে। তারা অন্য জাতিকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করে। অন্য জাতিকে নিয়ে মারামারি করে। অন্য জাতির জন্য প্রাণ দেয়। তারা মরক্কো, মিশর, ইরান, তুরানের বিজয় দেখতে চায়, বাস করতে চায় আবার ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়। নেইমারের জার্সি পরা সেলুন কর্মী থেকে রোনালদোর হাসি দেয়া বিনোদন তারকা – সবাই এভাবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। নিজের জাতির প্রতিনিধি না থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে তাদের এত সক্রিয় অংশগ্রহণ কেন?

তিন

সাধারণকে খেলা দেখানো হয় দুই কারণে। খেলা সাধারণকে ব্যস্ত রাখে। সমস্যা থেকে মন অন্য দিকে সরিয়ে রাখে। সমস্যাপূর্ণ জীবনে আনন্দ দেয়। কেউ যখন দাসদের মতো জীবনযাপন করে, মেশিনের মত উঠে, কাজ করে, ঘুমায়, তখন খেলা তাদের জীবনে সাময়িক আনন্দ নিয়ে আসে। কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা দেয়। তাদের একঘেয়েমি জীবন, ব্যর্থতা, হতাশা ভুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। বাংলাদেশীদের গড় বুদ্ধিমত্তা কম হওয়ায় সহজে উপভোগ করা যায় এমন সব খেলা, বিনোদন বা বিষয় নিয়ে তারা ব্যস্ত থাকে।

আরেকটি দিক হচ্ছে - সমর্থন ব্যক্তিকে সমষ্টির অংশ করে তোলে। পরিচয়হীন ব্যক্তিকে পরিচয় দেয়। বাংলাদেশীরা আগ্রহ নিয়ে বিশ্বের সাথে যুক্ত হতে চায়। কিন্তু তারতো যুক্ত হওয়ার মতো কোন অর্জন নেই, পরিচয় নেই। একজন বাংলাদেশি যখন বলে আমি অমুক দলের সমর্থক। সে শুধু দল নির্বাচন করছে না। সে একটি পরিচয় গ্রহণ করছে, যেটিকে পৃথিবী ইতোমধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে। সমগ্র বিশ্ব যে আয়োজনের অংশ, সেটিতে তার অংশ নেয়ার উপায় হচ্ছে সমর্থন দেয়া। সে নিজেকে বিশ্ব দরবারে সবচেয়ে বড় সমর্থক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে চায়। তাই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পতাকা ব্রাজিলে না বাংলাদেশে উড়ে। এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন সম্ভবত একজন বাংলাদেশি সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলনে অন্যদেরকে পরাস্ত করে প্রশ্ন করার সুযোগ পাওয়া। সম্মিলিত ভালোবাসার যে স্বীকৃতি এভাবে পাওয়া যায় তা সমগ্র জাতিকে কয়েকদিনের জন্য তার সমস্যা ভুলিয়ে রাখে।

যে ব্যক্তি নিজে সৃষ্টি করতে পারে না, সে অন্যের সৃষ্টিকে পূজা করতে শুরু করে। শক্তিশালী মানুষ নিজের মূল্যবোধ সৃষ্টি করে। দুর্বল মানুষ অন্যের মূল্যবোধ গ্রহণ করে। যদি কেউ নিজের জীবনে গর্ব করার মতো কিছু না পায়, তাহলে সে অন্যের গৌরবকে নিজের গৌরব বানায়। সেলিব্রিটি পূজা, ব্যক্তিপূজা - সব একই মানসিক প্রক্রিয়া। যে জাতির নিজস্ব কোন বিশ্বস্বীকৃত গৌরবগাঁথা নেই, সে জাতি অন্যের গৌরবকে নিজের গৌরব বানায়।

চার

বাংলাদেশ সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেটি কখনো অলিম্পিকে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পায়নি। ভুখা-নাঙ্গা আরও অনেক দেশ অনেক আগেই স্বর্ণ পর্যন্ত জয় করে ফেলেছে কিন্তু বাংলাদেশীরা এখনো অংশগ্রহণ করার মতো দক্ষতাই অর্জন করতে পারেনি – সেরা হওয়া তো অনেক দূরের কথা।

গত একমাসে প্রচুর আওয়াজ কানে এসেছে। যেটি কানে আসেনি সেটি হচ্ছে – কেন বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই? কেন অন্যরা পারে আমরা পারিনা? কেন আমরা সবার নিচে থাকি? এসব প্রশ্ন করার ও সমাধান করার জন্য যে বুদ্ধিমত্তা, সক্ষমতা ও সহনশীলতা প্রয়োজন তার কোনটিই বাংলাদেশে নেই। সমাজ কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন মানুষ এসব নিয়ে চিন্তা করতে না পারে। তাই সবকিছুর তলানিতে থাকছি আমরা।

নিজের জীবনে যে নায়ক হতে পারেনি, সে অন্যের কৃতিত্বে আশ্রয় নেয়। তাই বাংলাদেশীরা অন্যের বিজয়ে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পায়। একজন বাংলাদেশি যখন আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙায়, সে কি শুধু ফুটবল সমর্থন করছে? না কি সে প্রতীকীভাবে আরেকটি জাতীয় পরিচয়ে কয়েক সপ্তাহের জন্য আশ্রয় নিচ্ছে? বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে থাকত, তাহলে কি তারা অন্য দেশের পতাকা টাঙাতো?

পাঁচ

রুডইয়ার্ড কিপলিং এর দা হোয়াইট ম্যানস বারডেন বলে একটা কবিতা আছে। সেখানে তিনি হোয়াইটদের ত্যাগ স্বীকার করে হলেও উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে বলেন। কারণ হিসেবে বলেন উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে মানবতার সেবা; উপনিবেশ অন্ধকারে বাস করা অর্ধ নরাধম অর্ধ শিশুতুল্য অসভ্যদের আলো দিবে, সভ্য করে তুলবে। এরপর পোস্ট কলোনিয়াল, ওরিয়েন্টাল অনেক লেখক নোবেলজয়ী কিপলিং এর এই ঔপনিবেশিক মানসিকতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাংলা সম্পর্কে কিপলিং এর একটা মন্তব্য আছে যার ভাবার্থ হচ্ছে – বাংলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এখানে বাঙালিরা বাস করে।

কোন বৈশিষ্ট্য বাঙালিকে পৃথিবীর অন্য সব জাতি থেকে আলাদা করেছে? বাংলাদেশীরা কেন পৃথিবীর জন্য বোঝা নয়? সস্তা শ্রম দিতে দিতে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া বিশ্ব সভ্যতায় তাদের আর কোন অবদান আছে কি?

ছয়

জার্সি, পতাকা, রং — এসবের ব্যবহার কেবল ব্যবহারিক না; এগুলো প্রতীক।

মানুষ আসলে জার্সি বা পতাকা কিনছে না; একটা পরিচয় কিনছে।

03/04/2026

এর আগে ভিডিওতে আবেগ সৃষ্টির চারটি ধাপ নিয়ে কথা বলেছি। এই চারটি ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা ব্যাখ্যা করেছি। আজকের ভিডিওতে আমরা পজিটিভ সাইকোলজি, ভাষাগত ও ধারণাগত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় - তা বুঝার চেষ্টা করব।

27/03/2026

আবেগ নিয়ন্ত্রণ বলতে আবেগ প্রতিরোধ, হ্রাস, পরিবর্তন বা রূপান্তরকে বুঝানো হয়ে থাকে। আবেগ তৈরি হওয়ার চারটি ধাপ হচ্ছে – পরিস্থিতি/ঘটনা, মনোযোগ, উপলব্ধি এবং প্রকাশ। আজকে আমরা দেখার চেষ্টা করব কীভাবে এই চারটি ধাপকে নিয়ন্ত্রণ করে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

27/03/2026

আমার আজকের আলোচনা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দেয়ার জন্য।

সাফল্যের সব সূত্রের সাথে আমেরিকার বইয়ের বাজারের বেস্ট সেলার লিস্টের একটা রহস্যময় যোগাযোগ আছে। নব্বইয়ের দশকে সেভেন হ্যাবিটস অব হাইলি ইফেকটিভ পিপল বের হওয়ার পরে দেখা গেল এই সাতটা অভ্যাস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। মনে হল—এই সাতটা অভ্যাস ঠিকমতো করলেই জীবন সেট। ২০০৬ সালে দি সিক্রেট যখন বেস্ট সেলার হল তখন সব মোটিভেশন গুরু বলতে শুরু করলেন — ল অফ অ্যাট্রাকশন আর মনের পর্দায় কল্পনা করাই নাকি সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকেই তখন চোখ বন্ধ করে বিলাসবহুল গাড়ি আর সমুদ্রের ধারে বাড়ি কল্পনা করতে লাগলেন। ২০১৬ সালে ডিপ ওয়ার্ক বিখ্যাত হওয়ার পরে মনে হল — মনোযোগ দিতে পারলেই সাফল্য আমার হাতে ধরা দেবে। ২০১৮ সালে অ্যাটমিক হ্যাবিট বের হওয়ার পরে গুরুরা আবার ছোট ছোট অভ্যাসের গুরুত্ব শোনাতে লাগলেন। একদিনে এক শতাংশ উন্নতি করলেই নাকি সব ঠিক হয়ে যাবে। কখনো চলছে রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড আর সাইকোলজি অব মানি নিয়ে মাতামাতি — তখন মনে হয় টাকার ব্যাপারে সঠিক মানসিকতা হলেই সাফল্য নিশ্চিত। আবার কখনো কার্নেগীর হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল — মনে হয় মানুষের সাথে ঠিকমতো কথা বলতে পারলেই সব দরজা খুলে যাবে। কখনো প্রচার করা হচ্ছে ফোর আওয়ার ওয়ার্ক উইক হলেই ভাল — সপ্তাহে চার ঘণ্টা কাজ করলেই জীবন সুন্দর। আবার কখনো বলা হচ্ছে সাটল আর্ট অব নট গিভিং… — জীবনে কিছুই পাত্তা না দিলেই নাকি শান্তি।

চল্লিশের দশকে চিন্তা পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (থিঙ্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ), সোশ্যাল স্কিল বাড়াতে বলা হচ্ছে (হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল), ষাটের দশকে আশাবাদী হতে বলা হচ্ছে (পাওয়ার অব পজিটিভ থিংকিং), নব্বইয়ের দশকে অভ্যাস পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (সেভেন হ্যাবিটস), একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কল্পনা শক্তি বাড়াতে বলা হচ্ছে (দি সিক্রেট), আর গত দশক থেকে বলা হচ্ছে — মনোযোগ (ডিপ ওয়ার্ক) আর ছোট অভ্যাস (অ্যাটমিক হ্যাবিট)। সব মিলিয়ে অবস্থা অনেকটা রবার্ট গ্রিনের ফরটি এইট লজ অব পাওয়ার এর মত — একটার সূত্রের সাথে আরেকটার তেমন কোনো সামঞ্জস্য নেই - আর সবগুলো একসাথে মিলে ঠিক কী বলতে চায় বোঝা কঠিন। এভাবে বেস্ট সেলার লিস্ট পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের সূত্র আপডেট হয়ে যাচ্ছে।

এটা ঠিক যে অর্থনৈতিক কাঠামো নির্ণয় করে দেয় কখন কোন বৈশিষ্ট্য বেশি দরকার হবে। সাফল্যের সূত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে যে জিনিসদুটি টিকে আছে তা হল মেধা ও পরিশ্রম। কেউ সফল হওয়ার জন্য মেধাবী হওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কেউ বা পরিশ্রমী। যারা বেশি মোটিভেটেড তারা মনে করছে মেধা দরকার, তবে মেধা কাজে লাগানোর জন্য পরিশ্রম করতে হবে, তাহলেই সাফল্য ধরা দিবে। এর পাশাপাশি আছে ভাগ্যবাদীরা – কার হাতে সাফল্য ধরা দিবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত – আসলেই তাই? আবার কেউ মনে করে বিশেষ কোন ঘটনা কারও কারও জীবনে ঘটে যা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

আপনি কী মনে করেন? সফলতার জন্য কোন জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

19/03/2026

সাফল্যের সব সূত্রের সাথে আমেরিকার বইয়ের বাজারের বেস্ট সেলার লিস্টের একটা রহস্যময় যোগাযোগ আছে। নব্বইয়ের দশকে সেভেন হ্যাবিটস অব হাইলি ইফেকটিভ পিপল বের হওয়ার পরে দেখা গেল এই সাতটা অভ্যাস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। মনে হল—এই সাতটা অভ্যাস ঠিকমতো করলেই জীবন সেট। ২০০৬ সালে রোণ্ডা বার্নের দি সিক্রেট যখন বেস্ট সেলার হল তখন সব মোটিভেশন গুরু বলতে শুরু করলো — ল অফ অ্যাট্রাকশন আর মনের পর্দায় কল্পনা করাই নাকি সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকেই তখন চোখ বন্ধ করে বিলাসবহুল গাড়ি আর সমুদ্রের ধারে বাড়ি কল্পনা করতে লাগলেন। ২০১৬ সালে ক্যাল নিউপোর্টের ডিপ ওয়ার্ক বিখ্যাত হওয়ার পরে মনে হল — ডিপ ফোকাস বা মনোযোগ দিতে পারলেই সাফল্য আমার হাতে ধরা দেবে। ২০১৮ সালে জেমস ক্লিয়ারের অ্যাটমিক হ্যাবিট বের হওয়ার পরে গুরুরা আবার ছোট ছোট অভ্যাসের গুরুত্ব শোনাতে লাগলেন। একদিনে এক শতাংশ উন্নতি করলেই নাকি সব ঠিক হয়ে যাবে। কখনো চলছে রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড আর সাইকোলজি অব মানি নিয়ে মাতামাতি — তখন মনে হয় টাকার ব্যাপারে সঠিক মানসিকতা হলেই সাফল্য নিশ্চিত। আবার কখনো কার্নেগীর হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল — মনে হয় মানুষের সাথে ঠিকমতো কথা বলতে পারলেই সব দরজা খুলে যাবে। কখনো প্রচার করা হচ্ছে ফোর আওয়ার ওয়ার্ক উইক হলেই ভাল — সপ্তাহে চার ঘণ্টা কাজ করলেই জীবন সুন্দর। আবার কখনো বলা হচ্ছে সাটল আর্ট অব নট গিভিং… — জীবনে কিছুই পাত্তা না দিলেই নাকি শান্তি। এখন আসছে ইকিগাই - জীবনের উদ্দেশ্যটা খুঁজে পেলেই সব সমস্যার সমাধান – যেন এতদিন জাপানিরা বাদে সবাই উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন করছিল।

চল্লিশের দশকে চিন্তা পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (থিঙ্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ), সোশ্যাল স্কিল বাড়াতে বলা হচ্ছে (হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল), ষাটের দশকে আশাবাদী হতে বলা হচ্ছে (পাওয়ার অব পজিটিভ থিংকিং), কষ্টকে মানে দিতে বলা হচ্ছে (ম্যানস সার্চ ফর মিনিং), নব্বইয়ের দশকে অভ্যাস পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে (সেভেন হ্যাবিটস), একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কল্পনা শক্তি বাড়াতে বলা হচ্ছে (দি সিক্রেট), আর গত দশক থেকে বলা হচ্ছে — মনোযোগ (ডিপ ওয়ার্ক), ছোট অভ্যাস (অ্যাটমিক হ্যাবিট) আর উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন (ইকিগাই)। সব মিলিয়ে অবস্থা অনেকটা রবার্ট গ্রিনের ফরটি এইট লজ অব পাওয়ার এর মত — একটার সূত্রের সাথে আরেকটার তেমন কোনো সামঞ্জস্য নেই - আর সবগুলো একসাথে মিলে ঠিক কী বলতে চায় বোঝা কঠিন। এভাবে বেস্ট সেলার লিস্ট পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের সূত্র আপডেট হয়ে যাচ্ছে।

এটা ঠিক যে অর্থনৈতিক কাঠামো নির্ণয় করে দেয় কখন কোন বৈশিষ্ট্য বেশি দরকার হবে। তবে সাফল্যের সূত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে যে জিনিসদুটি টিকে আছে তা হল মেধা ও পরিশ্রম। কেউ সফল হওয়ার জন্য মেধাবী হওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কেউ বা পরিশ্রমী। যারা বেশি মোটিভেটেড তারা মনে করছে মেধা দরকার, তবে মেধা কাজে লাগানোর জন্য পরিশ্রম করতে হবে, তাহলেই সাফল্য ধরা দিবে। এর পাশাপাশি আছে ভাগ্যবাদীরা – কার হাতে সাফল্য ধরা দিবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত – আসলেই তাই? আবার কেউ মনে করে বিশেষ কোন ঘটনা কারও কারও জীবনে ঘটে যা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

আপনি কী মনে করেন? সফলতার জন্য কোন জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

পরের ভিডিওতে এর জবাব দিব।

13/03/2026

আইকিউ এর সাথে যৌক্তিক চিন্তা করতে পারা, দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করতে পারা, ভবিষ্যৎমুখী চিন্তা করতে পারা, বিপরীতমুখী চিন্তা করতে পারা, বিমূর্ত চিন্তা করতে পারা, সৃজনশীল চিন্তা করতে পারা – এগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। যে জাতির গড় আইকিউ যত বেশি তারা এসকল বিষয়ে তত দক্ষ হয়ে থাকে। আইকিউ কম থাকার কারণে বাঙালী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে অক্ষম, অন্য জাতির সাথে প্রতিযোগিতায় পারে না, ও আবেগের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়। আজকের ভিডিওতে আমরা বাঙালী জাতির আইকিউ কেন কম হচ্ছে, আইকিউ কত কম এবং ফলে কি হচ্ছে তা বুঝার চেষ্টা করবো।

06/03/2026

মেধাবী হওয়ার উপায় কী ।। How can one become intelligent? ।। #83

একজন ব্যক্তি কীভাবে মেধাবী হয়ে উঠতে পারেন?
কোন কোন বৈশিষ্ট্য থাকলে আমরা একজনকে মেধাবী বলব?
বুদ্ধিমত্তা, প্রতিভা এবং মেধার মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে? এগুলো কী একই জিনিস না ভিন্ন ভিন্ন?
মেধা কি ব্যক্তি জন্মসূত্রে লাভ করে না কি অর্জন করা সম্ভব?

আমাদের আজকের আলোচনা মেধা নিয়ে। আমরা মেধার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করব।

আমার লেখা বই পড়ার আমন্ত্রণ সবাইকে – কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা জাতি হিসেবে এত নিম্নস্তরের? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন...
05/09/2025

আমার লেখা বই পড়ার আমন্ত্রণ সবাইকে –

কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা জাতি হিসেবে এত নিম্নস্তরের? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন জাতি হিসেবে আমাদের অবস্থান এত নিচে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বিশ্ব সভ্যতায় আমাদের কোন অবদান নেই? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন মানব সভ্যতার বিকাশে আমাদের কোন অবদান নেই? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন মহৎ কোন ব্যক্তি এই জাতিতে জন্মগ্রহণ করেনি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বিশ্ববিখ্যাত কোন দার্শনিক, বুদ্ধিজীবী, লেখক, শিল্পী বা খেলোয়াড় এই জাতিতে কখনো জন্মগ্রহণ করেনি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন এখানকার স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এত নিম্নমানের? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন বাইরে থেকে বৃটিশরা এসে আমাদের উপর রাজত্ব করে গেছে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা সবসময় শোষণের শিকার হয়েছি? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে দুর্নীতিতে আমরা শীর্ষে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ মেথর, ঝাড়ুদার, চাকর আর মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতে এই দেশ ছেড়ে চলে যায়? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কীভাবে কোটি কোটি স্ত্রী স্বামী ছাড়া বা বাচ্চারা বাবা ছাড়া বছরযাপন করে? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন অশিক্ষিত অল্পশিক্ষিত লুটেরা নিকৃষ্ট সব মানুষেরা আমাদের নেতা হয়? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আমরা কৃতদাসের জীবন যাপন করি?

এই বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘসময় চিন্তা-ভাবনা করেছি। বুঝার চেষ্টা করেছি এর পেছনের কারণগুলো কী কী, সমাধান কোন পথে। চিন্তা-ভাবনাগুলোকে গুছিয়ে বই আকারে রেখে দিলাম। মাথায় রাখবেন এটি মনোবিজ্ঞানের বই না। এটি রাজনৈতিক দর্শনের বই – বইয়ের বিষয়বস্তু রাষ্ট্র, দেশ, জাতি, মানুষ, মানবজীবন, জীবন, নৈতিকতা, আইন,দাসত্ব, বিপ্লব।

বইয়ের নাম দিয়েছি নীল বই। আপনাদেরকে নীল বই পড়ার আমন্ত্রণ।

দারাজ থেকে নীল বই সংগ্রহের লিংক

https://bit.ly/4lM443J

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahsan Aziz Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share