সুমাইয়া তাসনিম

সুমাইয়া তাসনিম Clinical Psychologist
Trauma Therapist
M.Phil Researcher

Chamber: Monon Psychiatric Hospital. More about me: https://sumaya.framer.website/

Address: 20/20, tajmohol road, block- C (Opposite of Mohammadpur krishi market kacha bazar).

চাইল্ড সাইকোলজি বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই প্রয়োজনীয় হলেও এতে দক্ষ পেশাদারের অভাব যেমন রয়েছে, যথাযথ ট্রেইনিং ছাড়াই চিকিৎসা...
07/05/2026

চাইল্ড সাইকোলজি বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই প্রয়োজনীয় হলেও এতে দক্ষ পেশাদারের অভাব যেমন রয়েছে, যথাযথ ট্রেইনিং ছাড়াই চিকিৎসা দেওয়ার ফলে নতুন বিড়ম্বনার ঘটনাও ঘটে অহরহ। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে নতুন নতুন জেনারেশনের চ্যালেঞ্জ ও জটিলতা ততই নতুন নতুন পথ উন্মুক্ত করছে। যা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখা ছাড়া তাদের সাথে কাজ করা খুবই কঠিন।

নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার গুলোর বাইরে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ODD বা Conduct disorder প্রাইমারিলি বেশি আসলেও, পরবর্তীতে সেগুলো অনেকক্ষেত্রে ADHD, personality disorder, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে psychopathy বা sociopathy পর্যন্ত ডেভেলপ করতে পারে।

যেসব বাচ্চারা ভায়োলেন্ট হয়ে যায়, রেবেল করে, এটা যে কেবল তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, এমনটা মোটেই নয়।
হঠাৎ চুপচাপ হয়ে যাওয়া বাচ্চাটার মধ্যে কেবল ডিপ্রেশন নয়, ডিপ্রেশন থেকে তৈরি হওয়া অসহায়ত্ব, সেখান থেকে ক্ষোভ, ক্রোধ ও পর্যায়ক্রমে নিষ্ঠুরতাকে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট রেসপন্স হিসাবে দেখার মত পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

তিনজন বাচ্চাকে নিয়ে কাজ করছি বর্তমানে। যাদের তিনজনেরই ভিন্ন ভিন্ন ফর্মে প্যারেন্টাল অ্যাটাচমেন্টে ডিপ্রাইভেশন আছে। কিন্তু তিনজনের আচরণ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
যে তিনজন বাচ্চার কথা বলছি তারা ১৩-১৫ এর মধ্যে। এদের প্যারেন্টাল অ্যাটাচমেন্ট কিভাবে তাদের বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি ও মেইনটেইন করছে, আজকে সেটিই কিছুটা দেখার চেষ্টা করি।

প্রথমজনের সিবিলিংদের মধ্যে একজন সাইকোটিক ডিসঅর্ডারে ভুগছেন। ফলে বাবা-মা স্বাভাবিকভাবেই সে সন্তানটিকে অধিক সময় দিতে হয়েছে চিকিৎসা, ম্যানেজমেন্ট ও অন্যান্য ক্ষেত্রে। পাশাপাশি তারা দুজনেই যেহেতু কর্মজীবী, তাই যে বাচ্চাটি অতি ভদ্র, মেধাবী ও অনুগত, তাকে খুব একটা অ্যাটেনশন, অ্যাপ্রিসিয়েশন কিংবা এইজ অ্যাপ্রোপ্রিয়েট অ্যাক্টিভিটি’র পরিবর্তে প্রচুর পড়াশোনা ও অসুস্থ বড় সন্তানটির অড বিহেভিয়ার সহ্য করা, তার সাথে মানিয়ে চলা ও তাকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখতেই বলা হয়েছে। সে সেটি করেছেও এতদিন।
কিন্তু এই সবকিছু করেও সে যে অ্যাক্সেপ্ট্যান্স, সিন ফিল করা বা অ্যাপ্রিসিয়েশন পেয়েছে, তা কিন্তু নয়। তার শখ হয়ে গিয়েছিল সময় নষ্ট এবং পড়াশোনায় তার সর্বোচ্চ চেষ্টা কখনোই প্যারেন্টকে সন্তুষ্ট করতে যথেষ্ট হয়নি।
ফলে একদিন খুব সভ্য-ভব্য সন্তানটির আচরণে একে একে যুক্ত হল অবাধ্যতা, অশালীন ভাষার ব্যবহার, বখে যাওয়া সমবয়সীদের সাথে সময় কাটানো, পড়াশোনা পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া, স্কুল চেঞ্জ না করলে আত্মহত্যার হুমকি দেওয়া ও বাবা-মায়ের গায়ে হাত তোলা ও ডিম্যান্ডিং বিহেভিয়ার।

দ্বিতীয় বাচ্চাটি মায়ের সঙ্গে থাকে। বাবার মৃত্যুর পর থেকে বাবার অভাবজনিত একটি সুক্ষ কষ্ট তার আছে, তবে তার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে তার উশৃংখল আচরণ। তার সোশ্যাল ক্লাস ও বয়সে মেয়েদের মধ্যে সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা কম দেখা গেলেও তার এই আচরণটি ছাড়াও বিপরীত লিঙ্গের অনুকরণে পোশাক পরা, ভিনদেশীদের অনুকরণে চুলের কাটিং, হাত ভর্তি কাটাকুটি ও কথা বলতে গিয়ে তীব্র অসহায়ত্ব আর অভিমানে ফুলে ফুলে ওঠা নাকের পাটায় ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে আসে এক্সিস্ট্যানশিয়াল ক্রাইসিস।
মায়ের সাথে তার বনেনা ভালো। থাকতেও চায় না তার সাথে, তাই তার পয়সা চুরি করে যে বন্ধুদের কাছে রেখেছিল তারাও আবার সেটি বেমালুম গায়েব করে ফেলেছে। জীবনে যতবারই কাউকে ভরসা করেছে, তারা হয় মারা গিয়েছে অথবা তাকে অপছন্দ করতে শুরু করেছে। ফলে কাউকে বিশ্বাস করা কিংবা ভরসা করার ক্ষেত্রে শক্ত রেজিস্ট্যান্স তার আছে।
মাকে যে বড় অপছন্দ এমন কিছু নয়। কিন্তু মা যে তাকে ভালোবাসে না এতটুকু তার বদ্ধমূল ধারণা। কেননা তার জীবনের অসহায়বোধ করার সময়ে মা তার কাচজে ছিলেন না।
এছাড়া, হাসপাতালে থাকার সময়টিতে অন্য বাচ্চাদের মা খাইয়ে দেয়, যত্ন করে, সেসব দেখে তার ঈর্ষা হয়। অভিমানও হয়, কেন এইসব ভালোবাসা আমি পেতে পারি না। তাহলেই তো চুরি করা, ঘর পালানো, উশৃংখল আচরণ কিংবা নিজেকে আঘাত বা আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনের ক্ষত ভুলানোর প্রয়োজন হতো না।

মায়ের মনটাও আবার অন্যরকম। সন্তানের বাবার সাথে বরাবরই ঝামেলা ছিল। সেই মানুষটা মরে গেলেও বাচ্চাটি তো তারই আদল। চাইলেও সব সময় অত আদর আসে না তাই। তবে ভালো যে বাসেন না তা নয়। অতগুলো দিন বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে পড়ে আছেন, ভালো না বাসলে কি ভাবতেন ওসব?
কিন্তু বাচ্চার সাব-কনশাস মাইন্ড ঠিকই পড়ে ফেলে জড়তাটুকু।

তৃতীয় বাচ্চাটি নিশ্চুপ চেয়ে থাকে। ডাক্তারদের সাথে তো কথাই বললো না। বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ স্বাভাবিক, অন্য কোন রোগের লক্ষণও নেই, স্রেফ কথা বলবেনা। নজরটা শূন্য, বোকা বোকা চাহনি, ভেতরে চাপা একটা কষ্ট। একটাই ঘটনা। ভুলতে পারছেনা কিছুতেই। একাকী বসার পর দীর্ঘ সময় পেরুলে মুখ ফুটে বলে, "যারা আমাকে অপমান করেছে তাদেরকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে ইচ্ছা করে"। বিষন্নতা এমনভাবে গ্রাস করেছে যে, এর মধ্যে ১৫ বারের বেশি আত্মহত্যার চেষ্টা করা হয়ে গেছে৷ বর্তমানে, ক্লাসে ফার্স্ট হওয়া বাচ্চাটি চুপচাপ বিছানায় শুয়ে থাকে।
ছোটবেলা থেকেই যথাযথ সোশ্যালাইজেশনের ঘাটতি ও সম্পর্ক তৈরির স্কিল সীমাবদ্ধ হওয়ায় রিজেকশন ও ডিস্ট্রেস টলারেট করতে পারার ক্যাপাসিটি কিছুটা কম। ফলে নিজেকে আঘাত করা বা মরে যাওয়ার চিন্তাটা অতিক্রম করতে পারেনা যখন তাকে কষ্ট দেওয়া মানুষদের সে শাস্তি দিতে পারার মত শক্তিশালী নয় বলে অসহায় বোধ করে।
তীব্র মিসট্রাস্ট ও সবাইকে খারাপ মানুষ মনে করা তার জন্য পৃথিবীকে একটা ভয়ংকর জায়গা করে তুলেছে যেখান থেকে সে পালাতে চায়।

প্রশ্ন হচ্ছে, এই বাচ্চাটির ক্ষেত্রে প্যারেন্টাল অ্যাটাচমেন্ট কিভাবে ভূমিকা রেখেছে?

শিশুর একটি মৌলিক চাহিদা হল সিকিউর বেস। যেখানে সে নিরাপদ এবং আন-কন্ডিশনালি অ্যাক্সেপ্টেড ফিল করবে। এই সিকিউর বেসটা তৈরি হয় অ্যাটাচমেন্ট ফিগার হিসাবে শিশুর জীবনে প্রাথমিক পর্যায়ে যে মানুষগুলো থাকেন তাদের কাছে সেইফ, অ্যাক্সেপ্টেড, প্রোটেক্টেড এবং লাভড ফিল করার মাধ্যমে।

কোন কারণে যদি বাচ্চার এই সেন্স অফ সিকিউরিটি তৈরি না হয়, তবে একেক বাচ্চা একেকভাবে নিজের চারপাশে একটি প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করতে চেষ্টা করে, যার মাধ্যমে সে নিজেকে ভবিষ্যৎ স্ট্রেস আর কষ্ট থেকে রক্ষা করবে। এই ক্ষেত্রে কেউ কেউ সবার প্রতি খুবই আক্রমনাত্মক হয়ে উঠতে পারে, কেউ কেউ নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নিতে পারে, এবং কেউ কেউ আত্মহত্যাপ্রবণও হয়ে উঠতে পারে যদি সে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম নয় বলে মনে করে।
কেননা একদিকে অতীত অভিজ্ঞতা ও অন্যদিকে নিরাপদ ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তার বর্তমান জীবনকে দূর্বিষহ করে তোলে।

প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট, গার্ডিয়ান, কেয়ারগিভার বা অ্যাটাচমেন্ট ফিগাররা তাদের কথা ও আচরণের মাধ্যমে তাকে যে মেসেজগুলো দেয় এবং সেগুলোকে সে যেভাবে ইন্টারপ্রেট করে, সেগুলো ব্যবহার করেই শিশু পরবর্তী করনীয় নির্ধারণ করে।

এই সময়ে এসে পিতামাতার জন্য হেলথি ও পজিটিভ প্যারেন্টিং শেখা কেন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় কিভাবে শিশুর মনোজগতে বিরাট সব পরিবর্তন আনে ও তার গোটা জীবনকে প্রভাবিত করে তার কিছুটা ধারণা দেওয়ার জন্যেই আজকের আলোচনা।

আমার প্যাশন মুলত ছিল স্মৃতি নিয়ে পড়াশোনা করা। স্মৃতিরোগ না কিন্তু। হিউম্যান ব্রেইন কিভাবে মেমোরি ক্রিয়েট করে, প্রসেস করে...
29/04/2026

আমার প্যাশন মুলত ছিল স্মৃতি নিয়ে পড়াশোনা করা। স্মৃতিরোগ না কিন্তু। হিউম্যান ব্রেইন কিভাবে মেমোরি ক্রিয়েট করে, প্রসেস করে, স্টোর করে, এইসব আরকি। পরে ক্লিনিক্যালে এসে ডিজঅর্ডারের দিকে ঝুঁকতে হল৷ এই দেশে পড়াশোনা এত ফ্যান্সি ব্যাপার এখনো হয়নাই যে, স্রেফ কৌতুহল থেকে দু-চারটা ডিগ্রি নেওয়া যাবে। অন্তত মেয়েদের জন্য৷
যাহোক, ক্লিনিক্যাল প্র‍্যাকটিসে এসে এবং আসার আগের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমার ট্রমা মেমোরি এবং ট্রমা রেসপন্স নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়। কিন্তু বাস্তবতা হল, সাইকোলজিক্যাল ট্রমা খুবই কমপ্লেক্স ব্যাপার এবং ট্রমা ফিগার আউট করতে পারাটাও বিশেষ দক্ষতা রিকোয়ার করে। ট্রমা রেসপন্সকে অন্যান্য রেসপন্স থেকে আলাদা করা, সেসবের ডিপ রুটেড ব্যাপার গুলো খুঁজে বের করা এবং এই ভিন্ন ধরনের আচরণ গুলোকে ব্যাখ্যা করে তার অন্তর্হিত অর্থ ক্লায়েন্টের সামনে উপস্থাপন করা, করার আগে তাকে প্রিপেয়ার করা, এবং করার পর তার অবস্থা অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট কোন মাত্রায় কখন শুরু করা যাবে, কি ধরনের থেরাপিউটিক মেথড ব্যবহার করাটা তার জন্য যথাযথ হবে এসবই ক্লিনিশিয়ানের ক্লিনিক্যাল দক্ষতার জায়গা। একই ট্রমার ক্ষেত্রেও কিন্তু সবার জন্য একই ট্রিটমেন্ট প্রযোজ্য নয়। কেননা, সবার সহ্য সীমা, পারসোনাল রিসোর্স, মেন্টাল স্টেট এক হয় না।
ট্রমা এতটাই জটিল ব্যাপার যে, ট্রমা নিয়ে যারা কাজ করেন তাদেরকে নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর পর ট্রমা ক্লায়েন্ট দেখা থেকে বিরত থাকতে হয়। নাহলে নিজেদের মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক রাখা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। আরেকটা রিস্ক হচ্ছে,মানুষের ভেতর গভীর ভাবে প্রেথিত অবস্থায় বিভিন্ন ট্রমা থাকতে পারে। যারা ক্রমাগত এসব ব্যাপার নিয়ে কাজ করতে থাকেন, কোন সার্টেইন ট্রমা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের নিজেদের অজ্ঞাত সেসব ট্রমা উন্মুক্ত হয়ে তাদেরকেই ভার্নারেবল করে ফেলতে পারে। তাই ট্রমা থেরাপিস্টদের নিজেদেরকেও বিশেষ ভাবে সুপারভিশনে থাকতে হয়।

ট্রমা কেন এত জটিল?
মানসিক অসুখ সবই কমবেশি জটিল। গভীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব প্রায় সব মানসিক রোগেই উপস্থিত থাকে। কিন্তু সব মানসিক রোগ মানুষকে ট্রমাটাইজড করে ফেলে না। ট্রমার ফলে মানুষ মুলত তার ব্যক্তিত্ব, আচরণ, চিন্তার ধরণ, স্মৃতি, ঘুম, আবেগের প্রকাশ সবকিছুতেই লক্ষণীয় পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায়।
অর্থাৎ, এই জগতের মানুষের কাছে সে একজন অন্য মানুষ হয়ে ওঠে, তার কাছেও জগতটাকে সুস্থ অবস্থায় জানা জগত থেকে ভিন্ন মনে হয়।
আর এই জটিলতা বাড়ে কারণ ট্রমা মানুষের স্মৃতিকে এলোমেলো করে দেয়। ক্রিটিক্যাল থিংকিং, অ্যানালাইসিস করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, যথাযথ শব্দচয়ন বা ভাষাগত দক্ষতাও কমে আসে। ফলে ব্যক্তি আদতে নিজেকে সঠিক ভাবে এক্সপ্রেস করতে পারেন না।

ট্রমার চিকিৎসায় সাধারণ মানসিক রোগের চেয়ে বেশি সময় প্রয়োজন হয়, এবং প্রয়োজন হয় বিশেষজ্ঞ ট্রমা থেরাপিস্টের। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে অভিজ্ঞ ট্রমা এক্সপার্ট নেই। হাতেগোনা কয়েকজন সাইকোথেরাপিস্ট দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় ট্রমা ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করায় দক্ষ হয়ে উঠলেও তাদেরকে খুঁজে পাওয়া মানুষের জন্য কঠিন। কিন্তু প্যানডেমিক, জুলাই, রাজনৈতিক সহিংসতা, প্লেন ক্র‍্যাশ, অগ্নি-দুর্ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা, ধর্ষণ সহ প্রতিনিয়ত ঘটে চলা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো এত বিশাল সংখ্যক ট্রমায় ভুগতে থাকা জনসংখ্যা রেখে গেছে যে এদের ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ভাবতে গেলে দিশেহারা লাগে। আরো অস্থির লাগে যখন দেখি মিনিমাম ট্রেনিং বা পড়াশোনা ছাড়া অনেকে এসব ট্রমায় ভুগতে থাকা মানুষদের সেবা দিতে পারবেন বলে মনে করেন।

ট্রমা কেস ডিল করার ক্ষেত্রে কেবল মাত্র অ্যাকাডেমিক নলেজই যথেষ্ট নয়, যথাযথ ট্রেইনিং, ও পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল জাজমেন্ট এবং অভিজ্ঞতার সাথে কানেক্ট করাটাও জরুরী।

সতেরোতম সেশনে একজন ক্লায়েন্টের সাথে বসলাম মাস দেড়েক পর। আনস্ট্রাকচারড একটা সেশন। স্বপ্রণোদিত হয়েই ক্লায়েন্ট গল্প করলেন ত...
09/04/2026

সতেরোতম সেশনে একজন ক্লায়েন্টের সাথে বসলাম মাস দেড়েক পর। আনস্ট্রাকচারড একটা সেশন। স্বপ্রণোদিত হয়েই ক্লায়েন্ট গল্প করলেন তার জীবনের সুন্দর সব স্মৃতি নিয়ে, যেসব মানুষ তাকে জীবন জুড়ে ভালোবাসা দিয়েছে তাদের নিয়ে, কিভাবে এই ভালোবাসাটা একটা দ্বিপাক্ষিক ব্যাপার ছিল, জীবনে পাওয়া সম্মান আর প্রশংসা গুলো নিয়ে। পুরো সময়ে আমি খুব একটা ইন্টারাপ্ট করলাম না। কেবল দু-এক জায়গায় ছোট করে অ্যাড করলাম এসবের পেছনে থাকা তার ভূমিকাটুকু।

সময় শেষ হয়ে আসলে খোঁজ নিলাম প্রথম সেশনের তুলনায় এখন নেগেটিভ থট আসা, আসলে ম্যানেজ করার টাইম ডিউরেশন, করতে পারার আত্মবিশ্বাস কেমন। কিভাবে ম্যানেজ করছেন রোজকার স্ট্রেস ও অতীত অসুবিধা গুলো।

এই ক্লায়েন্ট শিক্ষার্থী হিসাবে চমৎকার। গুছিয়ে উত্তর দিলেন।

এই যে সিম্পল হিস্ট্রি, কেস হিসাবে শুরুতে তিনি এত সিম্পল ছিলেন না। প্রায় চল্লিশ বছর ধরে একটা অনগোয়িং ট্রমার মধ্যে বসবাস করার ফলে বিভিন্ন জটিলতা ওনার ছিল। জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোকে মোকাবিলা করার ক্যাপাসিটি অর্জন ও এত বছর পর সেন্স অফ সেল্ফকে রিক্লেইম করা বা নিজেকে খুঁজে পাওয়ার মত দুটো জরুরী টাস্ক আমাদের সামনে ছিল৷
প্রথম কয়েক সেশন ক্যাথারসিস আর খুলে বসা ক্ষতদের ম্যানেজ করতেই চলে গিয়েছিল৷ এখানে বলা উচিত, আমি অনারড যে, প্রচন্ড হেল্পলেস অবস্থায় তিনি আমার মত পেশাগত দিক থেকে তরুণ বয়সী প্রফেশনালের উপর আস্থা রেখেছিলেন।

এই থেরাপিউটিক জার্নিতে আমরা একাধিক রিল্যাপ্স এবং ইম্প্রুভমেন্টের ফেজ পার করেছি। আমিও অনেক কিছু শিখেছি। একটা বয়সের পর কতটুকু ইম্প্রুভ করা সম্ভব এই দ্বিধাটা ছিল এই ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে। সুতরাং ওনার ইম্প্রুভমেন্ট এল্ডারলি ক্লায়েন্ট ডিল করার ক্ষেত্রে আমার দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বুস্ট করেছে।

প্রফেশনাল হিসাবে সাইকোলজিক্যাল ট্রমা এবং ব্যক্তিত্বের সমস্যা ডিল করা প্রচুর ধৈর্য্য, আত্মবিশ্বাস আর প্রিপারেশনের ব্যাপার।
এই দুটো ক্ষেত্রে কাজ করতে করতে এখন যখন কিছুটা কমপোজড ফিল হয়, মনে হয়, hard work pays off.

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাম্মেল স্যার একটা কথা পোস্ট করলেন। "মুক্তজীবনের নেশা তরুণ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে মা...
06/03/2026

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাম্মেল স্যার একটা কথা পোস্ট করলেন।
"মুক্তজীবনের নেশা তরুণ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক নেশা।"

এটা পড়ে এত রিলেটেবল লাগলো যে ভাবলাম আমার চিন্তাগুলোও একটু লিখি।

আমার অভিজ্ঞতায় এটা সম্প্রতি খুবই প্রচলিত কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেল্ফ ডেস্ট্রাক্টিভ একটা ট্রেন্ড। মানুষ সেন্স অফ রেসপন্সিবিলিটি থেকে দূরে সরে ইন্ডিভিজুয়ালিস্টিক একটা অ্যাপ্রোচ অ্যাডাপ্ট করছে সাময়িক কমফোর্টের চিন্তা থেকে। আদতে যা মানুষের সোশ্যাল, স্পিরিচুয়াল আর ইন্ডিভিজুয়াল গ্রোথকে বাধাগ্রস্ত করে।

মনে হতে পারে, এত এত নেতিবাচক অভ্যাস, নেশা আর স্বভাবের মধ্যে এটা তো খুবই হার্মলেস একটা চর্চা। কারো সাতে-পাঁচে না থেকে, গসিপ না করে, পর্ন, গেমস কিংবা ড্রাগসে আসক্ত না হয়ে নিজের জীবনকে নিজের মত উপভোগ করায় কি ক্ষতি হতে পারে?

পারিবারিক ও সামাজিক নানা জটিলতাও এক্ষেত্রে ফুয়েল হিসাবে কাজ করেছে।

এবার আসি বর্তমানে ইয়াং অ্যাডাল্ট থেকে লেট অ্যাডাল্টদের ভোগাচ্ছে এমন কিছু অসুবিধায়।
শূন্যতা, একাকীত্ব, ডিসোসিয়েশন, মানসিক ক্লান্তি, উদ্দেশ্যহীনতা, আউটকাস্ট ফিল করা, মেলাংকলিয়া, ডিসথাইমিয়া, হেল্পলেসনেস, ওভারথিংকিং, এগজিস্টেনশিয়াল ক্রাইসিস সহ আরো অনেক কিছু।
যা উল্লেখ করলাম, ভেবে দেখুন এর মধ্যে কোনোটা আপনার নিজের সাথে মিলছে কিনা?

অসুবিধা গুলো সুক্ষ, এমন কিছু মনে হয় না যার জন্য প্রফেশনাল হেল্প চাওয়া যায়। কিন্তু আদতে ভোগায় অনেক।

মানুষ প্রকৃতিগত ভাবে গ্রোথ ফোকাসড বিয়িং। কমফোর্ট ফোকাসড না।
এই গ্রোথের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল লার্নিং। একদম গর্ভকালীন সময় থেকেই মানব শিশুর শেখার জার্নিটা শুরু হয়। আমরা শুরু করি ভাষা, সম্পর্ক, পরিবেশের নানা উপাদানের সাথে একাত্ম হওয়ার মাধ্যমে। বুকিশ কথাবার্তা, তবে এইসবই সামাজীকিকরণের অংশ হিসাবে আমরা গোটা জীবনজুড়েই চর্চা করতে থাকি। এই প্রক্রিয়াটা ব্যাহত হলে কি হয়? আমাদের ব্রেইন গ্রো করা বন্ধ করে। আক্ষরিক এবং তাত্বিক উভয় অর্থেই। আমাদের ব্রেইনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ফাংশন হল নিউরোপ্লাস্টিসিটি। মানুষ যত শেখে, তত নতুন নতুন ব্রেইন সেল রিজেনারেট হতে থাকে। তত বেশি নিউরাল কানেকশন তৈরি হয়, তত বেশি আমরা আমাদের জগৎ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগণিত উপকরণের সাথে এ্যালাইনমেন্ট তৈরি করতে পারি।

কি হয় যদি এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়?
ধরুন একটা জ্যান্ত গাছ, একদিন সিদ্ধান্ত নিলো সে আর শেকড় ছড়াবেনা। এটা কি সম্ভব? তার বেঁচে থাকার প্রক্রিয়াটাই এমন যে, সে যতদিন বেঁচে আছে, ততদিন তার পরিবর্তন, পরিবর্ধন ঘটবে এবং এটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হল গাছটা মারা যাচ্ছে।

নিউরাল নেটওয়ার্কের মতই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক মানুষের অন্যতম সার্ভাইবাল টুল। সাধারণ মানুষ প্রপার হিউম্যান কানেকশন ছাড়া বাঁচতে পারেনা। এই নেটওয়ার্ক বলতে অবশ্যই ভার্চুয়াল সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বুঝাচ্ছিনা। এখানে বাস্তবে, সোশ্যাল, মেন্টাল, ইমোশনাল, স্পিরিচুয়াল কানেকশন বুঝাচ্ছি।

তো, মুক্ত স্বাধীন এক জীবন, যেখানে আমার জীবনটা অন্য কারো কাছে বাধা না, কোন সম্পর্কের কাছে নত না, কোন পিছুটানে আঁটকে নেই, এই জীবনে কি ভালো থাকা যায় না?

এইখানে বুঝার জায়গা হল, ভালো থাকাটা খুবই সাবজেক্টিভ একটা ঘটনা। এবং খুবই আপেক্ষিক। একই কাপড়ের দাম ফুটপাথে আর শপিংমলে ভিন্ন এবং তা কেনার অভিজ্ঞতা ও ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও ভিন্ন।
একই ঘটনা এক সময় তীব্র আনন্দ ও অন্য একটি সময়ে তীব্র বেদনার জন্ম দিতে পারে।

আমরা যদি শর্ট টার্ম কমফোর্ট ফোকাসড হয়ে জীবনের দূরদৃষ্টি ব্যবহারের দক্ষতা হারিয়ে ফেলি এবং সাময়িক ডোপামিন ও অ্যাড্রিনালিন সেক্রেশনকেই আল্টিমেট হ্যাপিনেস হিসাবে রিড করি, তা আদতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ডিজাপয়েন্টমেন্টের দিকে নিয়ে যায়।

ইন্ডিভিজিয়ালিজম খুব লুক্রেটিভ। কিন্তু লং টার্মে সাস্টেইনেবল না।

সেদিন এত রাশ ছিল যে, অনলাইন আর চেম্বার দুটোতেই ক্লায়েন্ট শিডিউল ছিল। সেই তাড়ার মধ্যে একজন খুবই রিকোয়েস্ট করে একসাথে দুটো...
22/01/2026

সেদিন এত রাশ ছিল যে, অনলাইন আর চেম্বার দুটোতেই ক্লায়েন্ট শিডিউল ছিল। সেই তাড়ার মধ্যে একজন খুবই রিকোয়েস্ট করে একসাথে দুটো স্লট নিলেন। আমি যেহেতু সেশনের পরে পেমেন্ট করতে বলি, তাই ভাবলাম তাড়াহুড়োর মধ্যে বুঝাতে না গিয়ে সেশনে বুঝিয়ে বলব যে, একসাথে দুটো স্লট লাগেনা। প্রয়োজন হলে এক্সট্রা টাইম কথা বলা যাবে।
অন্য ক্লায়েন্টের সেশনের জন্য চেম্বারে ঢুকতে ঢুকতে দেখি এই ক্লায়েন্ট পেমেন্টও করে বসে আছে দুই সেশনের। "ভারি জ্বালা হল তো" ভাবতে ভাবতে চেম্বারের কাজ সেরে বাসায় ফিরে ওনার সাথে সেশনে বসলাম।
উনি বললেন, আমি প্রথমে আপনার সাথে একটা সেশন আলাপ করতে চাই। তারপরের সেশনে আমার মা কথা বলবেন, আমি ওনাকে অ্যাড করে দিব। উনিই মুলত আপনার ক্লায়েন্ট হবেন।

সাধারণত আমরা ক্লায়েন্টের সাথে আগে কথা বলি। পরে প্রয়োজনে পরিবারের অন্য কেউ বা কেয়ারগিভারের সাথে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সেটা আর করা যাচ্ছিলো না। আমার ইন্সটিংক্ট বলছিল ব্যাপারটা রেগুলার কেস থেকে আলাদা হবে।
কথা বলে বুঝতে পারলাম ভদ্রমহিলা বেশ খোঁজ-খবর নিয়েই আমার কাছে এসেছেন। আমার সাথে ট্রমা রিলেটেড কিছু অ্যাকাডেমিক আলাপ করলেন, পারিবারিক অবস্থা সম্পর্কে একটা প্রপার ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলেন এবং আমার এক্সপার্টাইজ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করলেন। যেহেতু খুব স্পর্শকাতর ইস্যু, তাই ওনার দৃষ্টিতে ওনার মায়ের জন্য যেকোনো থেরাপিস্ট হলে হবেনা। এবং চমৎকার ব্যাপার হল, পুরো সময়টা তিনি ভীষণ আন্তরিক এবং রেসপেক্টফুল ছিলেন।

ব্যাপারটা আমার বেশ ভালো লাগলো। আমরা আমাদের প্রিয় মানুষদের নিয়ে ভাবি, তাদের জন্য কিছু করতে চাই, কিন্তু কিভাবে সবচেয়ে ইফেক্টিভ উপায়ে কিছু করা যায় তা সব সময় বুঝে উঠতে পারিনা। কিংবা কি করলে তাঁরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।

যাহোক, পরের সেশনে ভীষণ ওয়েল ম্যানারড এবং ডিসেন্ট একজন আটপৌরে মায়ের সাথে কথা বললাম। জেরিয়াট্রিক কেসের ক্ষেত্রে গ্রোথ ফোকাসড কাজ করতে পারব কিনা, কতটুকু কোলাবোরেটিভ হবেন, কতটুকু লোড নিতে পারবেন এমন নানা চিন্তা থাকে। সেসব মাথায় নিয়েই অনেকটা চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমার সবচেয়ে বয়স্ক ক্লায়েন্টটির সাথে কাজ শুরু করলাম। প্রথম কিছু সেশন ক্যাথারসিস চললো। বেশ ক্রিটিক্যাল সব ঘটনাবহুল এক দীর্ঘ জীবন তিনি শেয়ার করলেন। সাথে জমে থাকা এক সমুদ্র কমপ্লেক্স ইমোশোন। এই কেসের একটা বড় জটিলতা ছিল, মাল্টিপল ট্রমাটিক এক্সপেরিয়েন্স তো ছিলোই, উপরন্তু সেই প্রতিকূল পরিস্থিতেই তাকে বসবাস করতে হবে। ট্রমার ট্রিগারের সাথে কো-এক্সিস্ট করা ও নিজেকে হিল করা খুবই ঝামেলার ব্যাপার।
কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও কয়েক সেশন ক্যাথারসিসের পর কিছু সাইকোএডুকেশনাল ইনপুটের পর তিনি চমৎকার প্রগ্রেস দেখাতে শুরু করলেন।
এগারো নম্বর সেশনে তিনি সেশন শেষ হলে বললেন, তিনি আমাকে একটা গান শোনাতে চান। আমি সম্মতি দিলাম। ভদ্রমহিলা গলা খুলে চমৎকার কন্ঠে গান গাইলেন। বার্ধক্যজনিত খানিকটা জড়তা থাকলেও হৃদয়ের প্রশান্তি তাতে স্পষ্ট টের পাওয়া গেল।
মনটা এত আদ্র হয়ে এলো!

এই ক্লায়েন্টের সবচেয়ে চমৎকার দিক হল, তিনি সেশনে নোট নিতেন। আমার যে কথাটা তাঁর ভালো লাগতো, দরকারি মনে হতো, তিনি লিখে রাখতেন। এবং পরবর্তীতে সেটা কখন কাজে লাগলো তাও আমাকে জানাতেন।

সাইকোথেরাপিউটিক সেশন কমফোর্ট ফোকাসড হতে পারে, গ্রোথ ফোকাসডও হতে পারে৷ কখনো কখনো দুটোই সেশনের পার্ট হতে পারে। কিন্তু ক্লায়েন্ট কোলাবোরেটিভ হলে সাইকোথেরাপির আউটকাম হয় চমৎকার।

আরেকটি ব্যাপার হল গুড র‍্যাপো। থেরাপিস্টের সাথে মন খুলে কথা বলার ক্ষেত্রে আপনার সেফ ফিল করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সেন্স অফ সেফটি প্রপারলি এনশিওর করা গেলে একজন অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের বয়স, জেন্ডার বা রিলিজিয়ন সেশনে কোন ইন্টারভেইনিং ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেনা।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ক্লায়েন্টের মেন্টাল প্রিপারেশন। যে সময়, শ্রম এবং অর্থ সেশনের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে, তা তখনই ফলপ্রসূ হবে যখন ক্লায়েন্ট থেরাপিউটিক প্রসেসে প্রপারলি ইনভলভ হবেন এবং থেরাপিস্টের উপর আস্থা রেখে ট্রিটমেন্ট প্রসেস ফলো করবেন।

On the way of growing old, you can still grow.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুমাইয়া তাসনিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share