Let's Talk

Let's Talk Let’s Talk is a growing mental wellness platform offering professional psychological services and evidence-based coaching.

We provide a supportive space where individuals can heal, grow, develop emotional resilience, and lead more fulfilling lives.

অনেকেই ডিপ্রেশনকে শুধু “মন খারাপ” বা “দুর্বল মানসিকতা” বলে মনে করেন। কিন্তু এটি একটি জটিল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মা...
26/06/2026

অনেকেই ডিপ্রেশনকে শুধু “মন খারাপ” বা “দুর্বল মানসিকতা” বলে মনে করেন। কিন্তু এটি একটি জটিল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ, শারীরিক শক্তি এবং দৈনন্দিন কার্যক্ষমতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

ডিপ্রেশনের কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনিও কি এই ধরনের সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন কিনা, যেমন.....

🔹 দীর্ঘস্থায়ী দুঃখবোধ বা আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
আগে যেসব কাজ আনন্দ দিত, সেগুলো আর ভালো না লাগা। অনেকেই বলেন আগে বাগান করতে ভালো লাগতো আনন্দ ,প্রশান্তি পেতাম কিন্তু এখন আর ভালো লাগেনা।

🔹 মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা
পড়াশোনা, দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া।বই সামনে নিয়ে বসে আছে কিন্তু কি পড়ছে মনে রাখতে না পারা।

🔹 ঘুমের পরিবর্তন
অনিদ্রা, খুব ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়া অথবা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘুমানো।

🔹 শারীরিক ক্লান্তি ও শক্তিহীনতা
পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও সারাদিন অলসতা অনুভব করা।শুয়ে বসে ফোন স্ক্রল করে সময় পার করা।

🔹 খাদ্যাভ্যাস ও ওজনের পরিবর্তন
ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া এবং এর ফলে ওজনের পরিবর্তন।

🔹 নিজেকে মূল্যহীন মনে হওয়া
অতিরিক্ত অপরাধবোধ, আত্মসমালোচনা বা নিজেকে অন্যদের জন্য বোঝা মনে হওয়া।

🔹 অস্থিরতা বা ধীরগতির আচরণ
কেউ অতিরিক্ত অস্থির হয়ে যেতে পারেন, আবার কেউ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক ধীর হয়ে যেতে পারেন।

🔹 মৃত্যু বা জীবন নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা
জীবন অর্থহীন মনে হওয়া বা বারবার মৃত্যু নিয়ে চিন্তা আসা।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই লক্ষণগুলোর মধ্যে এক-দুটি থাকলেই বলা যাবে না ডিপ্রেশনে আছি।সাধারণত একাধিক লক্ষণ কমপক্ষে দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে উপস্থিত থাকলে এবং সেগুলো ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন, কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করলে একজন প্রফেশনালের সাহায্য নিতে হবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডিপ্রেশন চিকিৎসাযোগ্য। সঠিক সময়ে সাইকোথেরাপি, সামাজিক সমর্থন, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবন-যাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

✒️ মুন হীরা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

Express appreciation regularly.
26/06/2026

Express appreciation regularly.

আপনিও কি কথায় কথায় রেগে যান! যেকোন ছোট বিষয়েও অনেক বেশি রাগ করে ফেলেন! রাগের পরবর্তী সময়ে কি নিজেকে Lethargic মনে হয়? কো...
25/06/2026

আপনিও কি কথায় কথায় রেগে যান! যেকোন ছোট বিষয়েও অনেক বেশি রাগ করে ফেলেন! রাগের পরবর্তী সময়ে কি নিজেকে Lethargic মনে হয়? কোন কাজ করার Energy পান না। যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে লেখাটা পড়ে জেনে নিতে পারেন কেনো ঘনঘন রাগ করলে শরীরেও বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

রাগ শুধু একটি আবেগের প্রতিক্রিয়া নয়, বরং এটি শরীরেরও একটি প্রতিক্রিয়া।

আমরা সবাই জীবনে কখনো না কখনো রাগের অনুভূতি অনুভব করেছি। কিন্তু যখন রাগ খুব ঘন ঘন, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায়, তখন তা শুধুমাত্র মানসিক শান্তিকেই নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, রাগ বা তীব্র মানসিক উত্তেজনার সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন নামক স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। স্বল্প সময়ের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও, বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে এমন হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাও সাময়িকভাবে দুর্বল হতে পারে এবং প্রদাহজনিত (inflammatory) প্রতিক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে।

তীব্র রাগ বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যকে কিছু সময়ের জন্য প্রভাবিত করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

তাই রাগকে দমন নয়, নিয়ন্ত্রণ করতে শেখা গুরুত্বপূর্ণ।

রাগ অনুভব করা স্বাভাবিক, কিন্তু কীভাবে আমরা সেই রাগ প্রকাশ করি এবং পরিচালনা করি, সেটিই আমাদের সুস্থতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মানসিক সুস্থতা মানে রাগ না হওয়া নয় বরং রাগের মধ্যেও সচেতন ও নিয়ন্ত্রিত থাকা।

✒️ মুন হীরা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

25/06/2026

সন্তানের মনোযোগ কমে যাচ্ছে? সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপই বদলে দিতে পারে তার ভবিষ্যৎ

সাইকোলজিস্ট আপনাকে বিচার করবেন— এই একটি ভুল ধারণাই হাজারো মানুষকে সাহায্য নেওয়া থেকে দূরে রাখছে। কেউ কেউ ভাবেন, সাইকোলজ...
25/06/2026

সাইকোলজিস্ট আপনাকে বিচার করবেন— এই একটি ভুল ধারণাই হাজারো মানুষকে সাহায্য নেওয়া থেকে দূরে রাখছে।

কেউ কেউ ভাবেন, সাইকোলজিস্ট বা থেরাপিস্ট হয়ত তাকে বিচার করবেন। কেউ মনে করেন তাকে কী করতে হবে তার একটা তালিকা দিয়ে দেওয়া হবে। আবার কেউ আশা করেন কয়েকটি সেশনেই সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

কিন্তু সফল থেরাপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো therapeutic relationship— অর্থাৎ ক্লায়েন্ট ও থেরাপিস্টের মধ্যে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক এবং বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক।

একজন ভালো সাইকোলজিস্ট সাধারণত—

☘️ আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন, বিচার করবেন না
☘️ আপনার অনুভূতি ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেবেন, যদিও তিনি সবকিছুর সাথে একমত নাও হতে পারেন।
☘️ আপনার গতি (pace) ও ব্যক্তিগত সীমারেখা (boundaries) সম্মান করবেন।
☘️ প্রয়োজন হলে আপনাকে চ্যালেঞ্জ করবেন, তবে সমালোচনা বা চাপ দিয়ে নয়।
☘️ আপনাকে নিজের শক্তি, মূল্যবোধ ও সমাধানগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন।
☘️ আপনার মতামত ও ফিডব্যাক গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকবেন।
☘️ আপনার ছোট-বড় অগ্রগতিগুলোকে স্বীকৃতি দেবেন।
☘️ কঠিন সত্যগুলোও সহানুভূতির সাথে আলোচনা করবেন।

থেরাপি হলো এমন একটি নিরাপদ জায়গা, যেখানে আপনি নিজের অভিজ্ঞতা, আবেগ ও চিন্তাগুলোকে বুঝতে শেখেন, নতুন দক্ষতা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের জীবনের দিকে আরও সচেতনভাবে এগিয়ে যেতে পারেন।

সঠিক সাইকোলজিস্ট বা থেরাপিস্ট মানেই এমন একজন মানুষ নন যিনি সব উত্তর জানেন, বরং এমন একজন, যিনি আপনার পাশে থেকে আপনাকে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে সাহায্য করেন।

নিরাময় (healing) সবসময় দ্রুত ঘটে না। কিন্তু যখন আপনি নিজেকে নিরাপদ, সম্মানিত এবং বুঝতে শুরু করেন, তখন পরিবর্তনের পথ অনেক সহজ হয়ে যায়।

✒️ মুন হীরা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

২০২৪ সালে Oxford University Press-এর Word of the Year হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে Brain Rot। শব্দটি শুনতে নাটকীয় মনে হলেও এ...
24/06/2026

২০২৪ সালে Oxford University Press-এর Word of the Year হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে Brain Rot। শব্দটি শুনতে নাটকীয় মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা।

বর্তমানে TikTok, Instagram Reels বা YouTube Shorts এর মতো শর্ট-ফর্ম ভিডিও আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু সমস্যা ভিডিওতে নয়, বরং সমস্যা হলো অতিরিক্ত ও নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারে।

আমাদের মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই নতুন, দ্রুত এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত (rewarding) তথ্যের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। শর্ট ভিডিওগুলো কয়েক সেকেন্ড পরপর নতুন উদ্দীপনা (stimulation) দেয়, যা ডোপামিন নির্ভর রিওয়ার্ড সিস্টেমকে বারবার সক্রিয় করে। ফলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক দ্রুত উত্তেজনামূলক কনটেন্টে অভ্যস্ত হয়ে পড়তে পারে।

গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত শর্ট-ফর্ম ভিডিও ব্যবহারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে.....

🔹মনোযোগ ধরে রাখার অসুবিধা
🔹আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা
🔹কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা (Procrastination)
🔹উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি
🔹একাকীত্বের অনুভূতি
🔹ঘুমের ব্যাঘাত
🔹শিক্ষাগত ও কর্মক্ষমতার অবনতি

তবে সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ক্ষতিকর নয়। অনেক মানুষ এগুলোর মাধ্যমে নতুন দক্ষতা শেখেন, শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন,মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন কিংবা সহায়ক কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।

সমস্যা প্রযুক্তি ব্যবহারে নয় বরং অপব্যবহারে। প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারের ফলে যে সমস্যা গুলো হয়ে থাকে.....

🔹বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলো দুর্বল হতে থাকে
🔹কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়
🔹ঘুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়
🔹একা থাকলেই ফোন ধরার তাগিদ তৈরি হয়
🔹কয়েক মিনিটও স্ক্রিন ছাড়া অস্বস্তি লাগে

তাই সচেতনভাবে স্ক্রিন টাইম সীমিত করা, দীর্ঘ সময় মনোযোগ প্রয়োজন এমন কাজ করা (যেমন বই পড়া), পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক ব্যায়াম এবং বাস্তব জীবনের সামাজিক সংযোগ বজায় রাখা আমাদের মনোযোগ ও মানসিক সুস্থতা পুনর্গঠনে সাহায্য করতে পারে।

✒️ মুন হীরা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

জীবনে সবকিছু আমাদের মনের মতো হয় না। আমরা যতই ক্ষতিকারক ও কষ্টদায়ক মানুষদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি না কেন, তারা কোনো না কো...
24/06/2026

জীবনে সবকিছু আমাদের মনের মতো হয় না। আমরা যতই ক্ষতিকারক ও কষ্টদায়ক মানুষদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি না কেন, তারা কোনো না কোনোভাবে আমাদের সামনে চলেই আসে।

​এটি সত্যিই দুঃখজনক, হতাশাজনক এবং এমনকি... মন খারাপ করে দেওয়ার মতো।

​এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বিষয় কোনটি জানেন?

​অন্যদের দেওয়া কষ্টের জন্য আপনি নিজেকেই দায়ী করতে শুরু করেন।

​আপনি বছরের পর বছর ধরে সেই আবেগের বোঝা বয়ে বেড়ান, যতক্ষণ না আপনি নিজে আস্তে আস্তে ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ছেন। তাদের সেই কষ্টদায়ক কথা আর আচরণ আপনার মাথায় ঘুরপাক খেতেই থাকে, ঠিক যেন একটা ভাঙা রেকর্ডের মতো বারবার বাজতে থাকে।

আপনি নিজেকে প্রশ্ন করেন, কেন মানুষ আপনার সাথে এমন আচরণ করে? আর শেষমেশ নিজের ভাগ্যকেই দোষ দিতে দিতে রাতে কান্না করে ঘুমান।

​"আমি যদি এমন না হতাম, তবে হয়তো তারা আমার সাথে আরও ভালো ব্যবহার করত..."
​কিন্তু না, তারা যদি নিজেরা মানসিকভাবে সুস্থ বা নিরাপদ বোধ করত, তবে তারা কখনোই আপনাকে এভাবে কষ্ট দিত না। বরং, তারা আপনাকে বোঝার চেষ্টা করত এবং আপনার সাথে সুন্দর কিছু স্মৃতি তৈরি করত।

​মনোবিজ্ঞান (Psychology) বলে মানুষের আচরণ আসলে তাদের নিজেদের ভেতরের রূপটাই ফুটিয়ে তোলে। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের ভেতরের লড়াই, মানসিক ক্ষত কিংবা অতীতে কোনো সমাধান না হওয়া যন্ত্রণার প্রতিফলনই হলো তাদের এই বিরূপ আচরণ।

​আপনি যেমন, ঠিক তেমনই আপনি ভালোবাসার যোগ্য এবং মূল্যবান।

​যদি কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই আপনার মন ভেঙে দেয়, তখন মনে রাখবেন সবকিছু আপনার জন্য বা আপনার দোষে ঘটে না। এটি আসলে সেই মানুষটির ভেতরের হতাশা বা কষ্টের প্রতিফলন হতে পারে। তাই নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন।

​নিজের মতো করে এগিয়ে যান এবং জীবনে আরও বিকশিত হোন।

​নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দিন যে, আপনি জীবনের সেরা জিনিসগুলো পাওয়ার যোগ্য।
​আমরা হয়তো সবার মনের মতো হতে পারব না, আর তার প্রয়োজনও নেই। অনেকগুলো toxic সম্পর্কের চেয়ে খাঁটি ও ছোট একটা বন্ধু মহল অনেক বেশি মূল্যবান।

✒️ সাজিন হোসেন
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

24/06/2026
অনেক মানুষ সাইকোলজিস্টের কাছ থেকে কাউন্সেলিং বা থেরাপি শুরু করতে দ্বিধা করেন, কারণ তারা জানেন না থেরাপির অভিজ্ঞতা আসলে ক...
23/06/2026

অনেক মানুষ সাইকোলজিস্টের কাছ থেকে কাউন্সেলিং বা থেরাপি শুরু করতে দ্বিধা করেন, কারণ তারা জানেন না থেরাপির অভিজ্ঞতা আসলে কেমন হতে পারে।

কেউ ভাবেন সাইকোলজিস্ট বা থেরাপিস্ট হয়তো তাকে বিচার করবেন। কেউ মনে করেন তাকে কী করতে হবে তার একটি তালিকা দিয়ে দেওয়া হবে। আবার কেউ আশা করেন কয়েকটি সেশনেই সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

কিন্তু সফল থেরাপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো therapeutic relationship—অর্থাৎ ক্লায়েন্ট ও থেরাপিস্টের মধ্যে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক এবং বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক।

একজন ভালো সাইকোলজিস্ট সাধারণত—

☘️ আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন, বিচার করবেন না।

☘️ আপনার অনুভূতি ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেবেন, যদিও তিনি সবকিছুর সাথে একমত নাও হতে পারেন।

☘️ আপনার গতি (pace) ও ব্যক্তিগত সীমারেখা (boundaries) সম্মান করবেন।

☘️ প্রয়োজন হলে আপনাকে চ্যালেঞ্জ করবেন, তবে সমালোচনা বা চাপ দিয়ে নয়।

☘️ আপনাকে নিজের শক্তি, মূল্যবোধ ও সমাধানগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন।

☘️ আপনার মতামত ও ফিডব্যাক গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকবেন।

☘️ আপনার ছোট-বড় অগ্রগতিগুলোকে স্বীকৃতি দেবেন।

☘️ কঠিন সত্যগুলোও সহানুভূতির সাথে আলোচনা করবেন।

থেরাপি হলো এমন একটি নিরাপদ জায়গা, যেখানে আপনি নিজের অভিজ্ঞতা, আবেগ ও চিন্তাগুলোকে বুঝতে শেখেন, নতুন দক্ষতা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের জীবনের দিকে আরও সচেতনভাবে এগিয়ে যেতে পারেন।

সঠিক সাইকোলজিস্ট বা থেরাপিস্ট মানেই এমন একজন মানুষ নন যিনি সব উত্তর জানেন; বরং এমন একজন, যিনি আপনার পাশে থেকে আপনাকে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে সাহায্য করেন।

নিরাময় (healing) সবসময় দ্রুত ঘটে না। কিন্তু যখন আপনি নিজেকে নিরাপদ, সম্মানিত এবং বুঝতে শুরু করেন, তখন পরিবর্তনের পথ অনেক সহজ হয়ে যায়।

✒️ মুন হীরা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
লেট'স টক
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01313-965511

Address

House 836, Road 12, Avenue 4, Mirpur DOHS
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Friday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's Talk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Let's Talk:

Shortcuts

Share