Dr. GK Obaidur

Dr. GK Obaidur Homoeopathic Doctor

ডায়াবেটিস Type 1 (Non Insulin Dependent) কমাতে খেতে পারেন হাতের কাছের সহজলভ্য জাম বীজ (Syzugium Jambolanum) ও তেলাকুচা প...
01/05/2026

ডায়াবেটিস Type 1 (Non Insulin Dependent) কমাতে খেতে পারেন হাতের কাছের সহজলভ্য জাম বীজ (Syzugium Jambolanum) ও তেলাকুচা পাতা(Cephalendra Indica)
**খাবার নিয়ম :
★জাম বীজ (Syzugium Jambolanum)
পরিষ্কার জামের বীজ রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানিতে ১ চা-চামচ মিশিয়ে পান করতে পারেন।
★তেলাকুচা পাতা (Cephalendra Indica)
তেলাকুচা উদ্ভিদের কান্ডসহ পাতা ছেঁচে আধা কাপ পরিমাণ রস তৈরি করে প্রতিদিন সকাল বা বিকালে ভরা পেটে নিয়ম করে খেতে পারেন। তেলাকুচা পাতা শাক হিসেবে তরকারি রান্না করে খেতে পারেন। এ ছাড়া এর পাতা দিয়ে ভর্তা তৈরি করেও খেতে পারেন।
বি:দ্র: আপনার শরীরে এসব উপাদান এ এলার্জি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক সেবন করুন।
❤️❤️Stay Safe,
Be Healthy❤️❤️
Dr. G.K. Obaidur B.H.M.S (Dhaka University)
D.G Health Reg. No: H-1521(Homoeo)

"Healing Beyond Borders", Happy World Homeopathy Day 2026 ❤️❤️World Homeopathy Day is celebrated every year on April 10t...
10/04/2026

"Healing Beyond Borders",
Happy World Homeopathy Day 2026 ❤️❤️
World Homeopathy Day is celebrated every year on April 10th to mark Dr. C.F Samuel Hahnemann's birthday (the father of Homoeopathy)..

হাম সংক্রমণ প্রতিরোধে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। সম্প্রতি অনেক অভিভাবক তাদের শিশুর জ্বর ও শরীরে র‍্যাশ নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র...
04/04/2026

হাম সংক্রমণ প্রতিরোধে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। সম্প্রতি অনেক অভিভাবক তাদের শিশুর জ্বর ও শরীরে র‍্যাশ নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা হাসপাতালে ভিড় করছেন। এই শিশুদের অনেকেরই হাম শনাক্ত হচ্ছে।
★হাম কি?
হাম বা রুবিওলা বা মিজেলস একটি অত্যন্ত ছোয়াঁচে ও ভাইরাসঘটিত রোগ। এই ভাইরাস বাতাস বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি প্রথমে আক্রান্ত ব্যাক্তির শ্বাসনালিতে সংক্রমিত হয়, এরপর রক্তের মাধ্যমে দেহের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
★হামে কী কী লক্ষণ দেখা যায়?
👉 শুরুতে (প্রথম ৩–৫ দিন)
• হঠাৎ জ্বর (১০২–১০৪°F)
• কাশি, সর্দি
• চোখ লাল হয়ে যাওয়া
• আলো সহ্য করতে না পারা
👉 বিশেষ লক্ষণ
• মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (ডাক্তারি ভাষায় একে Koplik spot বলে)
👉 এরপর
• মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে
• জ্বর আরও বেড়ে যেতে পারে
• শিশু খুব দুর্বল হয়ে পড়ে
⚠️ কখন বেশি চিন্তার?
• শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
• খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দিলে
• খিঁচুনি হলে
• বারবার বমি হলে
👉 এসব লক্ষন দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত আপনার শিশুকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসক এর পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা দিন।
★ হাম প্রতিরোধ
হাম প্রতিরোধের একমাত্র ব্যাবস্থা হল হামের টিকা প্রদান। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের দুবার‘এমআর’ (মিজলস রুবেলা) টিকা দেওয়া হয়। একবার ৯ মাস বয়সে আর দ্বিতীয়টি ১৫ মাস বয়সে। আপনার শিশুকে টিকা না দিয়ে থাকলে দ্রুত ভ্যাক্সিন দেওয়ার ব্যাবস্থা করুন।
★ শিশু হামে আক্রান্ত হলে অভিভাবকের করণীয়:
• বর্তমান সময়ে কোনো শিশুর জ্বর এবং শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে তা হাম হোক বা না হোক, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• শিশুর শরীরে র‍্যাশ দেখা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত পাঁচ দিন শিশুকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাওয়াতে হবে।
• পরিচ্ছন্নতা
নিয়মিত কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে বা গোসল করাতে হবে।
★ হামের জটিলতা
• অন্ধত্ব
• এনসেফালাইটিস (একটি সংক্রমণ যা মস্তিষ্কে ফোলাভাব এবং সম্ভাব্য মস্তিষ্কের ক্ষতি ঘটায়)
• তীব্র ডায়রিয়া এবং এর ফলে পানিশূন্যতা
• কানের সংক্রমণ
• নিউমোনিয়াসহ গুরুতর শ্বাসকষ্ট।
★ হামে আক্রান্ত শিশুর খাবার কী হওয়া উচিত
• রোগের শুরুতে ক্ষুধামান্দ্য থাকায় কমলা বা লেবু খাওয়াতে পারেন।
• পর্যাপ্ত তরল খাবার:
পানিশূন্যতা রোধে শিশুকে বেশি করে পানি, স্যুপ, ফলের রস ও কুসুম গরম তরল খাবার দিতে হবে।
• ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার : হামের তীব্রতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজর, মিষ্টি আলু, পালংশাক ও ব্রকলি খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।
• প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: শরীরের পুনরুদ্ধারের জন্য প্রোটিন জরুরি। এজন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন।
• জিংকসমৃদ্ধ খাবার: রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিংক কার্যকর। লাল মাংস, মুরগি, শিম, বাদাম ও পূর্ণ শস্য এ ক্ষেত্রে উপকারী।
• ভিটামিন ‘সি’: ভিটামিন ‘সি’ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। লেবুজাতীয় ফল, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম ও কিউই খাওয়াতে পারেন।
★ হাম রোধে ভেষজ উদ্ভিদ
তুলসী, যষ্টিমধু, জয়ফল, অশ্বগন্ধা এসব ভেষজ উদ্ভিদ মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আপনার শিশুর ইমিউন সিস্টেম বাড়াতে এবং অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে এসব ভেষজ।

❤️❤️Stay Safe,
Be Healthy❤️❤️
Dr. GK Obaidur
B.H.M.S (Dhaka University)
D.G Health Reg. No: H-1521(Homoeo)

Address

Konapara, Demra
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. GK Obaidur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share