InayaLife

InayaLife Ruqyah, Hijama & Counseling
Protection For The Body, Peace For The Soul
Sunnah Based Healing

18/06/2026

জিন,জাদু,নজর থেকে সুস্থতার মাধ্যম।

17/06/2026
16/06/2026

তাবিজ এবং জাদুর বস্তুগুলো নষ্ট করার পদ্ধতি।
#দোয়া #সূরা

আমাদের হয়তো অনেকেরই জানা নেই যে পবিত্র কুরআনের এই দুটি আয়াত কতটা অলৌকিক এবং শক্তিশালী! আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেকোনো ভয়-ভ...
09/06/2026

আমাদের হয়তো অনেকেরই জানা নেই যে পবিত্র কুরআনের এই দুটি আয়াত কতটা অলৌকিক এবং শক্তিশালী! আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেকোনো ভয়-ভীতি, জিন-ভূতের সমস্যা বা শরীরের অস্বাভাবিক জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে এই আমলটি অত্যন্ত কার্যকরী।
​যদি কখনো মনে হয় শরীরে জাদুর জিনের প্রভাব আছে, যেমন হঠাৎ শরীর গরম বা জ্বালাপোড়া অনুভব হয়—তবে পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে এই আয়াতগুলো পড়তে থাকুন। ইনশাআল্লাহ, সাথে সাথেই আল্লাহ তায়ালা নিরাময় দান করবেন।
​📖 আয়াত ও বাংলা অর্থ:
​১. প্রথম আয়াত:
​وَ قُلْ رَّبِّ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیْنِ
অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের কুমন্ত্রণা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৯৭)

​২. দ্বিতীয় আয়াত:
​وَ اَعُوْذُ بِكَ رَبِّ اَنْ یَّحْضُرُوْنِ
অর্থ: "আর আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, হে আমার প্রতিপালক! যাতে তারা আমার কাছে আসতে না পারে।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৯৮)

​📌 ছোট একটি নোট:
ইনশাআল্লাহ,​নিয়মিত এই দুইটি আয়াত পাঠ করলে আপনার আশেপাশে কোনো জিন বা খারাপ শক্তি আসতে পারবে না। নিজে নিয়মিত আমল করুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
​পছন্দ হলে পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদেরও আমলটি জানার সুযোগ করে দিন!

​ #ইসলামিক আমল #সূরা আল মুমিনুন #দোয়া

জিনের ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) নাকি নিজের মনের চিন্তা? কীভাবে বুঝবেন? ​অনেক সময় আমাদের মাথায় হুট করে এমন কিছু নেতিবাচক ব...
08/06/2026

জিনের ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) নাকি নিজের মনের চিন্তা? কীভাবে বুঝবেন?
​অনেক সময় আমাদের মাথায় হুট করে এমন কিছু নেতিবাচক বা অদ্ভুত চিন্তা আসে, যা আমাদের মানসিক শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটায়। তখন আমরা দ্বিধায় পড়ে যাই—এটা কি জিনের ওয়াসওয়াসা, নাকি আমার নিজেরই কোনো মানসিক চিন্তা বা শয়তানের ধোঁকা?
​ইসলামী জ্ঞান এবং মনস্তত্ত্বের আলোকে এই দুটির মধ্যে পার্থক্য বোঝার কিছু সহজ উপায় নিচে দেওয়া হলো:
​১. চিন্তার স্থায়িত্ব ও ধরণ (Consistency)
​নিজের চিন্তা/নফস: আপনার নিজের ভেতরের কোনো ইচ্ছা বা চিন্তা সাধারণত বারবার ঘুরেফিরে আসে। যতক্ষণ না আপনি সেই ইচ্ছা পূরণ করছেন বা কোনো সমাধান পাচ্ছেন, নফস বা মন বারবার ওটার দিকেই টানবে।

​ওয়াসওয়াসা (শয়তান বা জিন): এদের মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে বিভ্রান্ত করা বা গুনাহে লিপ্ত করা। এরা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্যর্থ হলে দ্রুত অন্য বিষয়ে কুমন্ত্রণা দেওয়া শুরু করে। কোনো বিশেষ গুনাহ করার চেয়ে আপনাকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ করা বা ইবাদত থেকে দূরে সরানোই এদের মূল লক্ষ্য।

​২. হঠাৎ পরিবর্তন (Sudden Changes)
​নিজের চিন্তা: এটি সাধারণত কোনো কারণ ছাড়া হঠাৎ করে তীব্র রূপ নেয় না। এর পেছনে অতীত কোনো অভিজ্ঞতা, ক্লান্তি বা মানসিক চাপ থাকে।

​ওয়াসওয়াসা: আপনি হয়তো খুব ভালো মুডে আছেন, হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই তীব্র ভীতি, সন্দেহ (যেমন: অজু হয়েছে কি না, নামাজে কয় রাকাত হলো) বা আল্লাহর প্রতি কোনো বাজে চিন্তা মাথায় চলে আসলো। এটা জিনের বা শয়তানের ওয়াসওয়াসা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

​৩. পাপের প্রতি আকর্ষণ বনাম সংশয়
​নফসের তাড়না: নিজের মন সাধারণত ভোগ-বিলাস, অলসতা বা দুনিয়াবি লোভের দিকে বেশি টানে।

​জিনের ওয়াসওয়াসা: এটি মানুষের মনে বেশি সংশয়, অতি-সতর্কতা (Obsession) বা চরম হতাশা তৈরি করে। যেমন: "আমার তওবা বোধহয় কবুল হবে না" কিংবা "আমি মনে হয় ঈমান হারিয়ে ফেলেছি"—এ জাতীয় নেতিবাচক চিন্তা জিনের ওয়াসওয়াসার লক্ষণ।

​🛡️ বাঁচার উপায় কী?
​রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের মনের ওয়াসওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা সে অনুযায়ী কাজ করে বা মুখে উচ্চারণ করে।" (সহীহ বুখারী)

​কোনো খারাপ চিন্তা মাথায় আসলেই আপনি গুনাহগার হয়ে যাচ্ছেন না। এটা থেকে বাঁচতে:
১. চিন্তাগুলোকে একদম পাত্তা দেবেন না (Ignore করুন)।
২. বেশি বেশি "আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম" পড়ুন।
৩. সকাল-সন্ধ্যার আজকার এবং ঘুমানোর আগের সুন্নাতগুলো নিয়মিত আমল করুন।
৪. নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
৫. শরীয়তের বিধান পালন করার ক্ষেত্রে সুন্নতের নির্দিষ্ট পরিমাণ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকুন।
৬. মানসিক চাপ বেশি মনে হলে একজন থেরাপিস্ট বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নিন।
​আপনার কি কখনো এমন দ্বিধা হয়েছে? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা বা মতামত শেয়ার করতে পারেন।
​🔄 পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও জানার সুযোগ করে দিন। জাজাকাল্লাহু খাইরান!
​ #ইসলামীজীবন

এক শব্দে উত্তর দিন!এই মুহূর্তে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী?▪️ অস্থিরতা? ▪️ ভয়? ▪️ ঘুমের সমস্যা? ▪️ পারিবারিক অশা...
06/06/2026

এক শব্দে উত্তর দিন!

এই মুহূর্তে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী?
▪️ অস্থিরতা? ▪️ ভয়? ▪️ ঘুমের সমস্যা? ▪️ পারিবারিক অশান্তি? ▪️ অন্য কিছু?

কমেন্টে শুধু এক শব্দে লিখুন।

🤲 আল্লাহ আমাদের সকল সমস্যার সহজ সমাধান দান করুন।

রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে একজন মুমিনের করণীয়!ইসলামের যে কোন সমস্যার সমাধান রয়েছে যার অন্নতম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রুক...
04/06/2026

রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে একজন মুমিনের করণীয়!

ইসলামের যে কোন সমস্যার সমাধান রয়েছে যার অন্নতম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রুকইয়াহ শারইয়াহ(কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে চিকিৎসা)।
মাঝরাতে হুট করে ঘুম ভেঙে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা তারপর আর ঘুম না আসা—এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমাদের কমবেশি সবাইকে যেতে হয়। ইসলাম ও রুকইয়াহ শরইয়াহর দৃষ্টিতে এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের বিশেষ কিছু আমল শিখিয়েছেন, যা মনকে শান্ত করে এবং শয়তানের সব ধরনের কুপ্রভাব থেকে হেফাজত করে।

​পরের বার রাতে হুট করে ঘুম ভেঙে গেলে অস্থির না হয়ে সুন্নাহ ও রুকইয়াহর এই ৪টি ধাপ অনুসরণ করুন:

​১. এই বিশেষ দোয়াটি পাঠ করুন (শ্রেষ্ঠ আমল)
​রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রাতে যার ঘুম ভেঙে যায় সে যেন বলে:
​"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। সুবহানাল্লাহি,ওয়ালহামদুলিল্লাহি, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুব্বাতা ইল্লা বিল্লাহ।"
​(অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সব বিষয়ে ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আল্লাহ মহান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া গুনাহ থেকে বাঁচার এবং ইবাদত করার কোনো শক্তি কারো নেই।)

​হাদিসে বলা হয়েছে, এই দোয়া পড়ার পর ব্যক্তি যদি বলে "আল্লাহুম্মাগফিরলী" (হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন) অথবা অন্য কোনো দোয়া করে, তবে তার দোয়া কবুল করা হয়। আর সে যদি অজু করে নামাজ পড়ে, তবে তার নামাজ কবুল হয়। (বুখারী হাদিস ১১০৩)

​২. বাম দিকে তিনবার থুতু ফেলুন ও আশ্রয় চান 🛡️
​যদি কোনো খারাপ স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যায় বা মনের ভেতর হুট করে ভয় বা অস্থিরতা কাজ করে, তবে তা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। এমতাবস্থায় সুন্নাহ হলো—বাম দিকে (হালকা ফুঁ দেওয়ার মতো করে) তিনবার থুতু ফেলা এবং এই দোয়া পড়া:
​"আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম" (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি)। এরপর পাশ ফিরে শুতে হবে।

​৩. আয়াতুল কুরসি ও শেষ তিন সূরা পাঠ করুন 📖
​যদি কোনোভাবেই আর ঘুম না আসে এবং শরীর ও মন ভারী মনে হয়, তবে বিছানায় বসেই দুরুদ শরিফ, আয়াতুল কুরসি এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস (৩ বার করে) পড়ে নিজের দুই হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিন (সেলফ রুকইয়াহ)। এটি সমস্ত অনিষ্ট ও জিন-শয়তানের কুপ্রভাব থেকে শরীরকে সুরক্ষিত করে।

​৪. অজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ুন
​বিছানায় এপাশ-ওপাশ করে সময় নষ্ট না করে অলসতা ঝেড়ে উঠে পড়ুন। অজু করে জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যান। তাহাজ্জুদের এই সময়টি আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময়। নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে নিজের মানসিক প্রশান্তি ও অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য দেল থেকে দুআ করুন।

​মনোবিজ্ঞান ও রুকইয়াহর সমন্বয়: বিজ্ঞান বলে, রাতে ঘুম ভাঙলে ফোনের স্ক্রিন বা ঘড়ি দেখা যাবে না। আর রুকইয়াহ বলে, এই সময় আল্লাহর জিকিরে মন মশগুল করতে হবে। যখন আপনি ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থেকে আল্লাহর স্মরণে মন দেবেন, আপনার হৃদয় এমনিতেই শান্ত হয়ে আসবে এবং ইনশাআল্লাহ আবার চমৎকার ঘুম চলে আসবে।

​আল্লাহ তাআলা আমাদের রাতগুলোকে শান্তিময় করুন এবং শয়তানের সমস্ত উপদ্রব থেকে আমাদের হেফাজত করুন। আমীন।👇
আপনি কি কখনো এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন? আপনার এমন অভিজ্ঞতা কমেন্ট করুন।
​আপনার পরিচিতদের উপকারের জন্য পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন।
রুকইয়াহ সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে পরামর্শের জন্য অভিজ্ঞ রাকির সাথে যোগাযোগ করুন 📞01349500889 inayalife

সুস্থ ও সতেজ জীবনের জন্য 'হিজামা' (কাপিং থেরাপি)​শরীরকে বিষাক্ত টক্সিনমুক্ত করতে এবং প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ রাখতে হিজামা বা...
01/06/2026

সুস্থ ও সতেজ জীবনের জন্য 'হিজামা' (কাপিং থেরাপি)
​শরীরকে বিষাক্ত টক্সিনমুক্ত করতে এবং প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ রাখতে হিজামা বা কাপিং থেরাপি একটি চমৎকার সমাধান। এটি কেবল একটি প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতিই নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত।
​ হিজামা কী?
​হিজামা হলো এমন একটি থেরাপি, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে ভ্যাকুয়াম কাপ বসিয়ে চামড়ার নিচে জমে থাকা দূষিত বা টক্সিনযুক্ত রক্ত (যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়) হালকা আঁচড়ের মাধ্যমে বের করে আনা হয়।
​ হিজামার প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাসমূহ:
​শরীর টক্সিনমুক্ত করে: রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং শরীরের ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।

​ব্যথা উপশম: দীর্ঘদিনের পিঠ, কোমর, ঘাড়, হাঁটু বা মাংসপেশির ব্যথা দূর করতে এটি দারুণ কার্যকরী।

​মাইগ্রেন ও মাথাব্যথা: যারা দীর্ঘদিন ধরে মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য হিজামা অত্যন্ত উপকারী।
​মানসিক প্রশান্তি: রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় মানসিক চাপ, ক্লান্তি এবং অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়।
​ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: রক্ত পরিষ্কার হওয়ার কারণে ব্রণ ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

​ সতর্কতা: হিজামা একটি সংবেদনশীল চিকিৎসাপদ্ধতি। তাই সবসময় অভিজ্ঞ,এবং দক্ষ হিজামা থেরাপিস্টের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হাইজেনিক পরিবেশে হিজামা করানো উচিত।

আজই আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন এবং প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ থাকুন!

inayalife
📞 01349500889

রুকইয়াহ শরইয়াহ: কুরআন ও সুন্নাহর আলোতে আত্মিক ও শারীরিক নিরাময়আজকাল আমরা অনেকেই মানসিক অবসাদ, অজানা ভয়, পারিবারিক অশা...
31/05/2026

রুকইয়াহ শরইয়াহ: কুরআন ও সুন্নাহর আলোতে আত্মিক ও শারীরিক নিরাময়

আজকাল আমরা অনেকেই মানসিক অবসাদ, অজানা ভয়, পারিবারিক অশান্তি কিংবা এমন কিছু শারীরিক অসুস্থতায় ভুগি, যার সঠিক কারণ ডাক্তাররাও ধরতে পারেন না। ইসলামে এই ধরনের সমস্যা, বিশেষ করে—বদনজর, জাদু-টোনা এবং জিনের উপদ্রব থেকে বেঁচে থাকার জন্য একটি চমৎকার ও সম্পূর্ণ বৈধ চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুকইয়াহ শরইয়াহ’।
​ রুকইয়াহ শরইয়াহ কী?
​সহজ কথায়, রুকইয়াহ হলো কুরআন মাজিদের আয়াত, আল্লাহর নাম এবং হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে রুকইয়াহ করেছেন এবং সাহাবিদেরও করার অনুমতি দিয়েছেন।
​⚠️ রুকইয়াহ সঠিক হওয়ার জন্য ৩টি শর্ত:
​১. এতে আল্লাহর কালাম (কুরআন), আল্লাহর নাম বা গুণের ব্যবহার হতে হবে।
২. ভাষা অবশ্যই স্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ হতে হবে (কোনো কুফরি কালাম বা অবোধ্য মন্ত্র থাকা যাবে না)।
৩. এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, রুকইয়াহ নিজে কোনো আরোগ্য দেয় না, শিফা বা নিরাময় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে।
​📖 রুকইয়াহ-এর প্রধান কিছু আয়াত ও সূরা:
​আপনি চাইলে নিজেই নিজের ওপর রুকইয়াহ করতে পারেন (যাকে সেলফ-রুকইয়াহ বলা হয়)। এর জন্য নিয়মিত এই আয়াত ও সূরাগুলো তিলাওয়াত করে নিজের শরীরে ফুঁ দিতে পারেন অথবা পানিতে ফুঁ দিয়ে তা পান করতে পারেন:
​সূরা আল-ফাতিহা (এটি রুকইয়াহ-এর মূল সূরা এবং অন্যতম প্রধান শিফা)
​আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৫)
​সূরা আল-বাকারাহ-এর শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)
​সূরা আল-কাফিরুন
​ইখলাস, সূরা আল-ফালাক এবং সূরা আন-নাস (৩ কুল)
​🚫 কুসংস্কার ও শিরক থেকে সাবধান!
​বর্তমানে রুকইয়াহ-এর নামে বাজারে অনেক ভণ্ডামি ও শিরকি কর্মকাণ্ড চলছে। মনে রাখবেন:
​কোনো তাবিয-কবজ ব্যবহার করা যাবে না।
​জিনের সাথে যোগাযোগ করে বা জিনের সাহায্য নিয়ে চিকিৎসা করা সম্পূর্ণ হারাম।
​রোগীর নাম, মায়ের নাম বা ব্যবহৃত কাপড় চাওয়া ভণ্ড কবিরাজ ও জাদুকরদের লক্ষণ। এদের থেকে দূরে থাকুন।
​রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"যতক্ষণ পর্যন্ত ঝাড়ফুঁকের মধ্যে শিরক না থাকে, ততক্ষণ ঝাড়ফুঁক করায় কোনো দোষ নেই।" (সহীহ মুসলিম: ২২০০)

​ সুস্থ জীবনের জন্য দৈনন্দিন কিছু আমল:

​পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো আদায় করা।
​সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দোয়ার আমলগুলো কখনো বাদ না দেওয়া।
​ঘরে নিয়মিত সূরা আল-বাকারাহ তিলাওয়াত করা বা অডিও ছেড়ে রাখা (যে ঘরে এটি পড়া হয়, সেখান থেকে শয়তান পালিয়ে যায়)।
​ঘুমানোর আগের সুন্নতি আমলগুলো মেনে চলা।
​আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে যাবতীয় অনিষ্ট ও অসুস্থতা থেকে হেফাজত করুন এবং কুরআনকে আমাদের জন্য প্রকৃত শিফা বানিয়ে দিন। আমীন। 🤲

রুকইয়াহ বিষয়ে যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন-01349500889

​ #রুকইয়াহ

জাদুর প্রভাব ও কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার ৩টি শক্তিশালী কোরআনিক আমল!​আজকাল আমাদের চারপাশে হিংসা, কুদৃষ্টি বা জাদুর মতো নেতিবাচ...
30/05/2026

জাদুর প্রভাব ও কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার ৩টি শক্তিশালী কোরআনিক আমল!
​আজকাল আমাদের চারপাশে হিংসা, কুদৃষ্টি বা জাদুর মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো খুব বেশি দেখা যায়। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না কেন আমাদের কাজে বাধা আসছে বা পরিবারে অশান্তি হচ্ছে।
​রাসূলুল্লাহ (সা.) এই সমস্ত অনিষ্টতা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট কিছু সূরা ও আয়াত নিয়মিত পড়ার তাগিদ দিয়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই আমলগুলো:
​১. সূরা আল-ফালাক এবং সূরা আন-নাস (মুআউবিযাতাইন)
​জাদু ও শয়তানের শয্যাশায়ী প্রভাব থেকে বাঁচার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো এই দুটি সূরা।
​আমল: সকাল-সন্ধ্যায় এবং প্রতিবার ফরজ সালাতের পর এই দুটি সূরা পাঠ করুন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে দুই হাত একত্র করে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফু দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিন।

​২. আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৫৫)
​কোরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত। এটি পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক ফেরেশতা নিযুক্ত করা হয়।
​আমল: প্রতি ফরজ সালাতের পর এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত শয়তান আপনার ধারে-কাছেও ঘেঁষতে পারবে না।

​৩. সূরা আল-বাকারাহ-এর শেষ দুই আয়াত (আয়াত ২৮৫-২৮৬)
​হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি রাতে এই দুটি আয়াত তেলাওয়াত করবে, তা তার সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট হবে। এছাড়া পুরো সূরা বাকারাহ যে ঘরে তিলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায় এবং সেখানে কোনো জাদু কাজ করে না।
এসব আয়াত ও সূরা নিয়মিত তেলাওয়াতের পাশাপাশি সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো গুরুত্ব সহকারে আদায় করা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
​আপনার মূল্যবান মতামত নিচে কমেন্ট করে জানান। পোস্টটি ভালো লাগলে রিঅ্যাক্ট দিন এবং শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদেরকেও শয়তানের অনিষ্টতা থেকে সুরক্ষিত থাকার উপায়টি জানিয়ে দিন। জাজাকাল্লাহু খাইরান!
রুকইয়াহ বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ বা অভিজ্ঞ রাকিদের সিরিয়াল নিতে যোগাযোগ করুন
01349500889

Address

হযরত ওমর (রা. ) রোড, হুজুর পাড়া, কামরাঙ্গীরচর
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when InayaLife posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share