27/07/2026
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে শরীরের কোষগুলো ইনসুলিন হরমোনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা ও ইনসুলিনের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মূল কারণ।
প্রধান কারণসমূহ
অতিরিক্ত ওজন: পেটে বা অন্ত্রের চারপাশে জমে থাকা চর্বি (ভিসারাল ফ্যাট) এর মূল ঝুঁকি বাড়ায়।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব: নিয়মিত নড়াচড়া বা ব্যায়াম না করলে পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায়।
অস্বাস্থ্যকর খাবার: অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়া।
অন্যান্য কারণ: অপর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ এবং বংশগত বা হরমোনজনিত সমস্যা।
সাধারণ লক্ষণ
লক্ষণহীন শুরু: প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
ত্বকের পরিবর্তন: ঘাড়ের পেছনে, বগলে বা কুঁচকিতে চামড়া কালচে ও খসখসে হয়ে যাওয়া (অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকানস)।
ক্লান্তি ও ক্ষুধা: খাওয়ার পরপরই মিষ্টি বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং সবসময় ক্লান্ত বোধ করা।
ওজন বৃদ্ধি: বিশেষ করে পেটের মেদ সহজে না কমা।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স সরাসরি নিখুঁতভাবে পরিমাপের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা হলো - HOMA-IR (ফাস্টিং গ্লুকোজ ও ফাস্টিং ইনসুলিন একসাথে হিসাব করে)। এছাড়াও চিকিৎসকরা অবস্থা মূল্যায়নের জন্য ফাস্টিং ব্লাড গ্লুকোজ, HbA1c, লিপিড প্যানেল এবং প্রয়োজনে ওরাল গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (OGTT) করার পরামর্শ দিয়ে থাকি।