Dr. Muhit Iqram

Dr. Muhit Iqram Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Muhit Iqram, Medical and health, Dhaka.
(1)

চিকিৎসা বিজ্ঞান আবেগ বা সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে চলে না। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার লক্ষ্য-আপনার হাতে একদম সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত তথ্যটি পৌঁছে দেওয়া।
সত্য জানুন এবং নিজে সচেতন হয়ে চারপাশের মানুষকে সচেতন করুন।

— ডক্টর মুহিত ইকরাম
(Intern Doctor,JPMCH)

গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম ফ্যাটি লিভার কী। কিন্তু আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনার লিভারে চর্বি জমছে?​অসংখ্য মানুষের ক্ষেত্রে শ...
09/08/2026

গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম ফ্যাটি লিভার কী। কিন্তু আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনার লিভারে চর্বি জমছে?

​অসংখ্য মানুষের ক্ষেত্রে শুরুর দিকে কোনো স্পষ্ট লক্ষণই দেখা যায় না! তবে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন খেয়াল করা জরুরি:

​⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:

​পেটের ডানদিকের উপরিভাগে হালকা ব্যথা বা ভারি ভাব অনুভব করা

​অলসতা, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও দুর্বলতা

​হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়া বা হজমে সমস্যা

​দ্রুত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া (বিশেষ করে পেটে চর্বি জমা)

​💡 প্রতিরোধে আজই যা করবেন:

১. অতিরিক্ত তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

২. দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা শারীরিক ব্যায়াম করুন।

৩. মিষ্টি পানীয় ও অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার সীমিত করুন।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত হেলথ চেকআপ করান।

​নিজের ও প্রিয়জনের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন!
Dr. Muhit Iqram
(MBBS, SHMCJ)

আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি জমে যখন লিভারের স্বাভাবিক কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, তখন...
04/08/2026

আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি জমে যখন লিভারের স্বাভাবিক কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, তখনই দেখা দেয় ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ।
চিন্তার বিষয় হলো, প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। ফলে অগোচরেই এটি শরীরের ভেতর দানা বাঁধতে থাকে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে গড়ে প্রতি ৩ জন মানুষের মধ্যে একজনের ফ্যাটি লিভার পাওয়া যাচ্ছে!

🔍ফ্যাটি লিভার আসলে কী?
সহজ কথায়, লিভারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চর্বি বা ফ্যাট জমা হওয়াকেই ফ্যাটি লিভার বলে। লিভারের ওজনের ৫-১০% বা তার বেশি চর্বি জমে গেলেই তাকে ফ্যাটি লিভার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
প্রধানত এটি দুই ধরণের হয়:
১. নন আলকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিজ: মদ্যপান না করা সত্ত্বেও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস বা অলস জীবনযাপনের কারণে যা হয়।
২. আলকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিজ: অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে যা সৃষ্টি হয়।
⚠️ চিকিৎসা না করালে শেষ পরিণতি কী হতে পারে?
অনেকেই ফ্যাটি লিভারকে খুব সাধারণ সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন না করলে এটি মারাত্মক রূপ নিতে পারে:
১. হেপাটাইটিস: লিভারে চর্বি জমার পাশাপাশি প্রদাহ ও লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
২. ফাইব্রোসিস: প্রদাহের কারণে লিভারে ক্ষত বা স্কার টিস্যু তৈরি হতে থাকে, ফলে লিভার শক্ত হতে শুরু করে।
৩. লিভার সিরোসিস: এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক ধাপ। লিভার স্থায়ীভাবে তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং রক্তবমি, পেটে পানি আসা বা জন্ডিসের মতো গুরুতর জটিলতা দেখা দেয়।
৪. লিভার ফেইলিউর এবং লিভার ক্যান্সার : শেষ পরিণতি হিসেবে লিভার অকার্যকর হয়ে যাওয়া বা লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

আশার কথা হলো: প্রথম ধাপে ধরা পড়লে কেবল সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা ও সচেতনতার মাধ্যমেই ফ্যাটি লিভার পুরোপুরি রিভার্স বা নিরাময় করা সম্ভব!
পরবর্তী পর্বে আমরা আলোচনা করব—কাদের ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী?
স্বাস্থ্যবিষয়ক নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য পেজে লাইক ও ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন।
Dr. Muhit Iqram
(MBBS,JPMCH)

পর্ব ২হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা, গ্যাস/ ব্যথার ওষুধ খেয়ে কোনো কাজ হচ্ছে না, রুমে এসি চলা সত্ত্বেও কপালে শীতল ঘামের ফোঁটা।সচ...
02/08/2026

পর্ব ২
হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা, গ্যাস/ ব্যথার ওষুধ খেয়ে কোনো কাজ হচ্ছে না, রুমে এসি চলা সত্ত্বেও কপালে শীতল ঘামের ফোঁটা।

সচেতন মানুষেরা অলরেডি বুঝে যায় এটা কিসের লক্ষণ,আপনি অথবা আপনার প্রিয়জনের মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট এ্যাটাক) হয়েছে কিন্তু এই মুহূর্তে ঠিক কী করা উচিত?
দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে এটা সবাই জানে, কিন্তু এরকম মুহূর্তে ছোট কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ আপনার অথবা আপনার প্রিয়জনের জীবন মরণের হিসাব বদলে দিতে পারে।
এই মুহূর্তে আপনার করণীয়-
১. অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে পারবে এরকম একটি এম্বুলেন্স কল করা ।
২. Aspirin 75+ Clopidogrel 75 কম্বিনেশন ট্যাবলেটের ৪ টা ট্যাবলেট কেনা ।
৩. Atorvastatin 20mg ৪টা ট্যাবলেট কেনা।
৪. একটি GTN Spray কেনা ।
এগুলো আপনার আশেপাশের ফার্মেসি তেই আভাইলেবল।
জিহ্বার নিচে জিটিএন স্প্রে এর দুটি পাফ দিতে হবে এবং Aspirin Clopidogrel কম্বিনেশন ট্যাবলেট ৪টা এবং atorvastatin ট্যাবলেট ৪টা একসাথে খাইয়ে দিতে হবে।
প্রশ্ন আসতে পারে যদি হার্ট অ্যাটাক না হয়ে থাকে, এই ওষুধগুলো কোনো ক্ষতি করতে পারে কিনা?
উত্তর হচ্ছে - তেমন কোনো ক্ষতি হবে না,তবে হার্ট অ্যাটাক এর মৃত্যুঝুঁকি কমাতে ওষুধগুলো খুবই কার্যকর!
বিঃদ্রঃ যদি বাসায় প্রেশার মাপার যন্ত্র থাকে, তবে GTN স্প্রে দেয়ার আগে ব্লাড প্রেশার মেপে দেখতে হবে, প্রেশার যদি 90/60 mmhg এর কম হয়(যেকোনো একটা কম হলেই), তাহলে GTN স্প্রে টা এভয়েড করতে হবে।
এই মেডিসিন গুলা এপ্লাই করে হাই ফ্লো অক্সিজেন দিয়ে এম্বুলেন্স এ করে হাসপাতাল নিয়ে গেলে রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি ৯০ শতাংশ কমে যায়!

নিজে সচেতন হোন, আপনার প্রিয়জনদের মাঝেও সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।
Dr. Muhit Iqram
(Intern Doctor ,MBBS, JPMCH)

বুকের বা পাশে কিংবা একবারে মাঝখানে হঠাৎ একটা মোচড় দিয়ে ওঠা ব্যথা। ভারী কিছু যেন চেপে বসেছে বুকের ওপর, নিশ্বাস নিতে কষ্...
31/07/2026

বুকের বা পাশে কিংবা একবারে মাঝখানে হঠাৎ একটা মোচড় দিয়ে ওঠা ব্যথা। ভারী কিছু যেন চেপে বসেছে বুকের ওপর, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, কপালে জমে উঠছে একফোঁটা ঠান্ডা ঘাম...
ঠিক এই মুহূর্তে আপনি কী ভাববেন? "ধুর! দুপুরে একটু বেশি তেল-মসলা খেয়ে ফেলেছিলাম বোধহয়, অ্যাসিডিটির গ্যাস উঠেছে!"
আর ঠিক এই সিদ্ধান্তটাই কিন্তু হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে মারাত্মক ভুল।
আমাদের সমাজে একটা নীরব ঘাতক ঘুরে বেড়ায়, যার নাম 'Silent Ischemia' বা অলক্ষ্যে হওয়া হার্ট অ্যাটাক। অনেক সময় কোনো তীব্র চিৎকার করার মতো ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। সামান্য গ্যাস্ট্রিকের জ্বালাপোড়া, পিঠের দিকে চেপে আসা ব্যথা, চোয়ালে অস্বস্তি কিংবা কারণ ছাড়াই হঠাৎ ক্লান্ত লাগা—এগুলোই হতে পারে হৃদপিণ্ডের শেষ সতর্কবার্তা।
কিন্তু আম বাঙালি হিসেবে আমরা কী করি? একটা অ্যান্টাসিড খেয়ে বা মুখে একটু গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ফেলে দিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ি। অথচ ওদিকে আপনার হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে মিনিট পার হচ্ছে, আর তার প্রতিটি সেকেন্ডে একেকটি কার্ডিয়াক সেল নীরবে মারা যাচ্ছে!
কীভাবে বুঝবেন এটি সাধারণ গ্যাস্ট্রিক নাকি জরুরি অবস্থা?
১. চাপের অনুভূতি: গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সাধারণত জ্বালাপোড়া করে, কিন্তু হার্টের ব্যথায় মনে হবে বুকের ওপর বিশ-ত্রিশ কেজির একটা পাথর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
২. ব্যথার ছড়িয়ে পড়া: এই ব্যথা শুধু বুকে আটকে থাকে না; বাম হাত, চোয়াল, পিঠ বা ঘাড়ের দিকে ছড়াতে শুরু করে।
৩. অকারণ ঘাম: ফ্যান বা এসি চলার পরও যদি শরীর ঠান্ডা ঘামে ভিজে যায়, তবে সেটি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ নয়!
শরীরের ইঙ্গিতকে কখনোই অবহেলা করবেন না। একটি ভুল ধারণা বা কয়েক মিনিটের অবহেলা কেড়ে নিতে পারে একটি পুরো জীবন। বুক ব্যথাকে সাধারণ 'গ্যাস' ভেবে উড়িয়ে দেওয়ার আগে একবার ভাবুন—আপনার শরীর কি আপনাকে কোনো বড় বিপদের ভয়াবহ সংকেত দিচ্ছে না তো?
পরবর্তী পর্বে থাকছে হার্ট এ্যাটাক হলে তৎক্ষণাৎ
কি ব্যবস্থা নিবেন।
ডাঃ মুহিত ইকরাম
(লাইক ও শেয়ার করে তথ্যটি প্রিয়জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন)

খাবারের টেবিলে রাখা চকচকে সয়াবিন তেলের বোতলটার দিকে তাকান। আপাতদৃষ্টিতে একদম স্বচ্ছ, নির্দোষ মনে হচ্ছে, তাই তো?কিন্তু আয়...
30/07/2026

খাবারের টেবিলে রাখা চকচকে সয়াবিন তেলের বোতলটার দিকে তাকান। আপাতদৃষ্টিতে একদম স্বচ্ছ, নির্দোষ মনে হচ্ছে, তাই তো?
কিন্তু আয়না বা খালি চোখে যা দেখা যায় না, মাইক্রোস্কোপের নিচে তা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। সম্প্রতি জানা গেছে, প্রতি এক লিটার সয়াবিন তেলে লুকিয়ে আছে প্রায় ৫৪,০০০ ক্ষুদ্র অদৃশ্য দানা—যা আসলে প্লাস্টিকের টুকরো!
টুথপেস্টের পর এবার আমাদের প্রতিদিনের রান্নার তেল... অদৃশ্য এই শত্রুরা খুব নীরবে আমাদের শরীরে ঢুকে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—এরা শরীরের ভেতরে গিয়ে ঠিক কী ঘটাচ্ছে?
বিজ্ঞান বলছে, এই মাইক্রো-পার্টিকেলগুলো সহজে শরীর থেকে বের হয় না। এরা জমতে থাকে। অদৃশ্য এক জাল বুনতে থাকে ভেতরের অঙ্গগুলোতে।
তাহলে কি আমরা নিজেদের অজান্তেই প্রতিদিনের খাবারের সাথে বিষাক্ত কিছু শরীরে ঢুকিয়ে নিচ্ছি? সমাধান কি একদম সহজ, নাকি আমাদের রান্নার অভ্যাস পুরোটাই বদলে ফেলার সময় এসেছে?
উত্তরটা হয়তো আমাদের খাদ্যতালিকার এক আমূল পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে আছে...
গভীরভাবে ভাবুন। সতর্ক হন।
— ডাঃ মুহিত ইকরাম

অদৃশ্য বিষ থেকে বাঁচার উপায়: প্লাস্টিকের বিকল্প নাকি জীবনযাত্রার পরিবর্তন?​গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম কীভাবে প্রতিদিন প্লাস...
29/07/2026

অদৃশ্য বিষ থেকে বাঁচার উপায়: প্লাস্টিকের বিকল্প নাকি জীবনযাত্রার পরিবর্তন?

​গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম কীভাবে প্রতিদিন প্লাস্টিকের কাপের গরম চা কিংবা পলিথিনের গরম খাবার আমাদের শরীরে "Endocrine Disruptor" হিসেবে হরমোনের বারোটা বাজাচ্ছে এবং নীরবে ইনফার্টিলিটির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

​অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন— "তাহলে আমরা উপায় কী? সারাদিনের ব্যস্ততায় বাইরে তো এগুলোই সহজলভ্য!"

​বাস্তবতা হলো, পুরো বিশ্বকে রাতারাতি প্লাস্টিকমুক্ত করা আপনার হাতে নেই, কিন্তু নিজের ও পরিবারের শরীরকে রক্ষা করার নিয়ন্ত্রণ শতভাগ আপনার হাতে!

​আজ জেনে নিন সহজ ৪টি বৈজ্ঞানিক ও ব্যবহারিক অভ্যাস, যা আপনাকে এই হরমোনাল বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে:

​১. চায়ের কাপে আসুক ঐতিহ্য:

বাইরে চা খাওয়ার সময় প্লাস্টিক বা থার্মোকলের কাপকে সরাসরি "না" বলুন। কাঁচের কাপ বা মাটির ভাঁড় (যেটি মাটির তৈরি) ব্যবহার করুন। যদি নিয়মিত বাইরে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকে, নিজের সাথে একটি ছোট ট্রাভেল স্টিল মগ রাখতে পারেন—এটি মোটেই লজ্জার নয়, বরং আপনার সচেতনতার পরিচয়।

​২. পলিথিনে গরম খাবার একদমই নয়:

গরম সিঙ্গারা, পরোটা বা স্যুপ কখনোই পলিথিনের ব্যাগে নেবেন না। পলিথিন উচ্চ তাপে গলতে শুরু করে এবং ফ্যাথেলেটস (Phthalates) নামের হরমোন ধ্বংসকারী কেমিক্যাল সরাসরি খাবারে মিশে যায়। কাগজের ব্যাগ বা স্টিলের টিফিন ক্যারিয়ার ব্যবহার করুন।

​৩. ঘরে মাইক্রোওয়েভ ও প্লাস্টিক বোতল সচেতনতা:

প্লাস্টিকের টিফিন বক্সে খাবার রেখে তা মাইক্রোওয়েভে গরম করা বন্ধ করুন, তা সেটিতে "Microwave Safe" লেখা থাকলেও! প্লাস্টিক সামান্য উত্তপ্ত হলেই মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারে ছড়ায়। কাঁচ বা সিরামিকের পাত্র ব্যবহার করুন। আর ফ্রিজে ঠান্ডা পানির জন্য কাঁচ বা স্টিলের বোতলই সবচেয়ে নিরাপদ।

​৪. শরীরকে ডিটক্স করার অভ্যাস:

যে কেমিক্যালগুলো ইতিমধ্যে রক্তে বা টিস্যুতে প্রবেশ করেছে, তা শরীর থেকে বের করতে প্রচুর পানি পান করুন। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার—যেমন সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, এবং লেবু পানি নিয়মিত খেলে লিভারের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফিকেশন প্রসেস ত্বরান্বিত হয়।

​মনে রাখবেন:

সমস্যাটা একদিনে তৈরি হয়নি, সমাধানও একদিনে হবে না। কিন্তু আজকের একটা ছোট অভ্যাস পরিবর্তন আপনার ভবিষ্যতের বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সন্তানহীনতার মতো হাহাকার থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে।

​আজ থেকেই কি প্লাস্টিকের কাপকে 'না' বলছেন? আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে প্রিয়জনকে সচেতন করুন!

​Dr. Muhit Iqram
(Intern Doctor,JPMCH)

একটু ভাবুন তো...আজ সকালে যে প্লাস্টিকের কিংবা টি-কাপে গরম ধোঁয়া ওঠা চা-টা খেলেন, কিংবা পলিথিনের ব্যাগে করে গরম সিঙ্গারা-...
29/07/2026

একটু ভাবুন তো...
আজ সকালে যে প্লাস্টিকের কিংবা টি-কাপে গরম ধোঁয়া ওঠা চা-টা খেলেন, কিংবা পলিথিনের ব্যাগে করে গরম সিঙ্গারা-সমুচা নিয়ে এলেন—আপনি কি নিশ্চিত যে শুধু চা বা খাবারই খাচ্ছেন?
নাকি নিজের অজান্তেই শরীরে ঢালছেন এক অদৃশ্য স্লো-পয়জন?
আমাদের চারপাশের অতি পরিচিত এই প্লাস্টিক আর পলিথিনের ভেতরে লুকিয়ে আছে এমন এক অদৃশ্য শত্রু, যা শান্তভাবে, নিঃশব্দে আপনার শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল সিস্টেমটিকে আক্রমণ করছে। বিজ্ঞান যাকে বলছে "Endocrine Disruptor" বা হরমোনের নীরব ধ্বংসকারী!
গরম চা যখন ওই প্লাস্টিকের কাপে পড়ে, তখন তৈরি হয় কোটি কোটি অদৃশ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং বিষাক্ত রাসায়নিক (যেমন BPA, Phthalates)। এগুলো দেখতে পাওয়া যায় না, স্বাদ পরিবর্তন করে না—কিন্তু রক্তে মিশে গিয়ে একদম আপনার হরমোন নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেয়।
সবচেয়ে ভীতিকর বিষয় কী জানেন?
এই বিষাক্ত উপাদানগুলো শরীরে প্রবেশ করে হরমোনের ছদ্মবেশ ধারণ করে। শরীর তখন কোনটা আসল হরমোন আর কোনটা এই বিষাক্ত প্লাস্টিকের কেমিক্যাল, তা আলাদা করতে পারে না।
ফলাফল?
১. পুরুষ ও নারী—উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টাক্টালিটিতে নীরবে ধস নামা।
২. হরমোনাল ইমব্যালেন্স, অকাল ক্লান্তি, থাইরয়েডের সমস্যা।
৩. কম বয়সেই ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্বের মতো জটিল সংকট, যার সঠিক কারণ অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না।
আমরা ভাবি সমস্যাটা হঠাৎ করেই তৈরি হলো... কিন্তু না! সমস্যাটা ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে প্রতিদিনের ওই একটা ছোট্ট অভ্যাসে।
যে চা বা কফি আপনার ক্লান্তি মেটানোর কথা ছিল, সেটাই যদি আপনার ভবিষ্যৎ আর পরিবার গঠনের স্বপ্নকে নীরবে গ্রাস করে ফেলে—তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই।
তাহলে উপায় কী?
প্লাস্টিক আর পলিথিনের এই অদৃশ্য ফাঁদ থেকে কীভাবে নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে রক্ষা করবেন? সমাধান খুব কঠিন কিছু নয়, শুধু প্রয়োজন সচেতনতা আর অভ্যাস বদলানো।
(পরবর্তী পর্বে থাকছে এর থেকে বাঁচতে প্রতিদিনের সহজ কিছু বিকল্প ও বৈজ্ঞানিক সমাধান)
Dr. Muhit Iqram
(Intern Doctor,JPMCH)

সাদা চিনি বাদ দিয়ে হাজার টাকার "অর্গানিক" গুড় কিনছেন? সাধারণ লবণের বদলে দামী "পিংক সল্ট" খেয়ে ভাবছেন খুব স্বাস্থ্যকর?🛑 স...
28/07/2026

সাদা চিনি বাদ দিয়ে হাজার টাকার "অর্গানিক" গুড় কিনছেন?
সাধারণ লবণের বদলে দামী "পিংক সল্ট" খেয়ে ভাবছেন খুব স্বাস্থ্যকর?
🛑 সাবধান! আপনি কি দামী "অর্গানিক গিমিক" বা মার্কেটিং সিন্ডিকেটের শিকার?
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডক্টর মুহিত ইকরাম।
আমাদের সবার মধ্যেই এখন স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ছে, যা খুব ভালো কথা। আমরা 'সাদা চিনি' বা 'রিফাইন লবণ' এড়িয়ে চলি। কিন্তু এই সচেতনতার সুযোগ নিয়ে ফুড কোম্পানিগুলো আমাদের সামনে কী পরিবেশন করছে, তা কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি?
আজকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই দামী 'অর্গানিক' পণ্যের পেছনের আসল সত্যটা একদম সহজ বাংলায় জেনে নেওয়া যাক।
১. গুড় বনাম চিনি: মেটাবলিজমের আসল সত্য
আমরা অনেকেই ভাবি গুড় একদম ন্যাচারাল, তাই যত ইচ্ছা খাওয়া যাবে। কিন্তু সত্যটা হলো—রাসায়নিকভাবে আপনার শরীর গুড় এবং চিনি—দুটোকেই প্রায় একইভাবে প্রসেস করে।
আখের গুড়ে চিনির তুলনায় অল্প কিছু ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম বা আয়রন বেশি থাকতে পারে, যা ভালো। কিন্তু দিনশেষে গুড়ের সিংহভাগ উপাদানই সুক্রোজ। তাই ডায়াবেটিস রোগী বা ওজন কমাতে চাওয়া মানুষের জন্য গুড়ও চিনির মতোই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। কেবল 'অর্গানিক' লেবেল দেখে গুড়কে সীমাহীন স্বাস্থ্যকর মনে করাটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
২. পিংক সল্ট: হিমালয়ান পিংক সল্ট দেখতে আকর্ষণীয় এবং কোম্পানিগুলো দাবি করে এতে ৮৪ রকমের মিনারেল বা খনিজ আছে।
কিন্তু নিউট্রিশনাল সায়েন্স কী বলে? আপনি পিংক সল্ট খান বা সাধারণ সমুদ্রের লবণ খান—দুটোরই ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ মূল উপাদান হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। মাত্র ১ থেকে ৩ শতাংশ অতি সূক্ষ্ম মিনারেলের জন্য আপনি সাধারণ লবণের চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশি দাম দিচ্ছেন। উচ্চ রক্তচাপ বা প্রেশারের রোগীদের জন্য সব ধরণের লবণই সোডিয়াম ধারণ করে এবং প্রেশার বাড়ায়। পিংক সল্ট খেলেই প্রেশার বাড়বে না—এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
৩. আপনি কীভাবে "অর্গানিক সিন্ডিকেটে" পা দিচ্ছেন?
কোম্পানিগুলো আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে বিশাল একটি বিপণন কৌশল তৈরি করেছে।
'অর্গানিক', 'ন্যাচারাল', বা 'ডায়াবেটিক-ফ্রেন্ডলি'—এই আকর্ষণীয় শব্দগুলো প্যাকেটের গায়ে বসিয়ে সাধারণ উপাদানকেই অত্যন্ত প্রিমিয়াম এবং দামী হিসেবে আমাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। দামী জার আর চকচকে বিজ্ঞাপন দেখে আমরা মনে করি খুব স্বাস্থ্যকর কিছু কিনছি, অথচ ভেতরকার নিউট্রিশনাল পজিশন প্রায় একই থাকে।
৪. আমাদের এখন করণীয় কী?
১. শব্দে ভুলবেন না: 'অর্গানিক' বা দামী প্যাকেটে ভরা থাকলেই তা ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। পেছনের নিউট্রিশনাল ফ্যাক্টস (পুষ্টিগুণ) নিজে দেখার অভ্যাস করুন।
২. পরিমাণে সচেতন হোন: চিনি, গুড় কিংবা যে কোনো ধরনের লবণ—সবই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
৩. ভুল বার্তা ছড়াবেন না: ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের বিকল্প হিসেবে অতিরিক্ত গুড় বা পিংক সল্ট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া বন্ধ করুন।
চিকিৎসা বিজ্ঞান আবেগ বা চটকদার বিজ্ঞাপনে চলে না; এটি চলে প্রমাণ এবং প্রমানিত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে।
পাশে থাকুন, সত্য জানুন এবং নিজে সচেতন হয়ে চারপাশের মানুষকে সচেতন করুন।
— ডক্টর মুহিত ইকরাম
(Inter Doctor, JPMCH)

আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে সুপারবাগ নামের এক মহাদানব !💊 নাপা বা এসিডিটির ওষুধের মতো অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন?⚠️ নিঃশব্দ...
27/07/2026

আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে সুপারবাগ নামের এক মহাদানব !

💊 নাপা বা এসিডিটির ওষুধের মতো অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন?
⚠️ নিঃশব্দে নিজের ঘরেই ডেকে আনছেন না তো এক ভয়ংকর 'সুপারবাগ'?
🛑 সাবধান! চিকিৎসা বিজ্ঞান এক মহাবিপদের মুখোমুখি!
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডক্টর মুহিত ইকরাম।
আজকে এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলব, যা শুনলে হয়তো আপনার অবাক লাগবে, কিন্তু এটা আমাদের সবার ভবিষ্যতের জন্য জীবন-মরণ সমস্যা।
আমরা অনেকেই আছি, একটু জ্বর বা কাশিতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাই। মনে করি, "তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাব।" কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অভ্যাস দিয়ে আপনি নিজের শরীরের ভেতর একটা "দানব" তৈরি করছেন?
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। চলুন, একদম সহজ বাংলায় বিষয়টার ভয়াবহতা বুঝি।
১. রেজিস্ট্যান্স মানে কী? সহজ উপমা
মনে করুন, অ্যান্টিবায়োটিক হলো আপনার শরীরের "পুলিশ", আর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা হলো "সন্ত্রাসী"। যখন আপনি অপ্রয়োজনে বা নিয়ম না মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খান, তখন ব্যাকটেরিয়ারা পুলিশের অ্যাকশন দেখে ফেলে।
তারা তখন নিজেদের "আপগ্রেড" করে। পুলিশের গুলি (ওষুধ) কীভাবে এড়ানো যায়, সেই কৌশল শিখে ফেলে। একসময় তারা এতো শক্তিশালী হয়ে যায় যে, আগের কোনো ওষুধ আর তাদের মারতে পারে না।
এটাই হলো রেজিস্ট্যান্স। ব্যাকটেরিয়ারা ওষুধকে আর ভয় পায় না।
২. 'সুপারবাগ' কী?
ওষুধের ক্ষমতাকে হার মানিয়ে যে ব্যাকটেরিয়াগুলো জন্ম নেয়, তাদেরই আমরা বলি "সুপারবাগ" (Superbug)।
এটা আপনার শরীরের ভেতর নিঃশব্দে বংশবৃদ্ধি করে। যখন আপনি সত্যি কোনো বড় অসুখে পড়বেন, তখন ডাক্তাররা আপনাকে দামি আর শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও বাঁচাতে পারবে না। কারণ, সুপারবাগ সেই ওষুধকেও হাসিমুখে হজম করে ফেলবে!
ভয়াবহ তথ্য: যদি আমরা এখন সচেতন না হই, তবে ২০৫০ সালের মধ্যে সাধারণ কাঁটাছেঁড়া বা সামান্য জ্বরেও লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে, কারণ তখন কোনো অ্যান্টিবায়োটিকই আর কাজ করবে না!
৩. আমরা কীভাবে এই মহাবিপদ ডাকছি?
আমরা আমাদের অজান্তেই সুপারবাগ তৈরির ফ্যাক্টরি হয়ে উঠছি। কীভাবে?
অপ্রয়োজনে সেবন: সাধারণ জ্বর বা কাশি বেশিরভাগ সময় ভাইরাসের কারণে হয়, যার ওপর অ্যান্টিবায়োটিক কাজই করে না। অথচ আমরা মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাই।
কোর্স অসম্পূর্ণ রাখা: ডাক্তার ৫ দিনের কোর্স দিলে আমরা ২ দিন পর ভালো বোধ করলে ওষুধ ছেড়ে দেই। এতে শরীরের বাকি ব্যাকটেরিয়ারা মরে না, বরং রেজিস্ট্যান্স হয়ে ফিরে আসে।
কোয়াক বা ভুল পরামর্শ: রেজিস্টার্ড ডাক্তার ছাড়া অন্য কারো কথায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া।
৪. আমাদের এখন করণীয় কী? (জীবন বাঁচানোর টিপস)
আপনার একটি সঠিক সিদ্ধান্ত এই পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারে:
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনই অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।
ডাক্তার যতক্ষণ পর্যন্ত ওষুধ দিয়েছেন (৫ দিন বা ১০ দিন), পুরোপুরি শেষ করুন। ভালো বোধ করলেও কোর্স মাঝপথে ছাড়বেন না।
ভাইরাস জ্বর, কাশি বা ঠান্ডায় অ্যান্টিবায়োটিক চেয়ে ডাক্তারকে জোর করবেন না।
চিকিৎসা বিজ্ঞান আবেগ বা সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে চলে না; এটি চলে প্রমাণ এবং গবেষণার ওপর ভিত্তি করে। আসুন, আমরা নিজে সচেতন হই, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটা সুপারবাগ-মুক্ত পৃথিবী উপহার দেই।
পাশে থাকুন, সত্য জানুন এবং নিজে সচেতন হয়ে চারপাশের মানুষকে সচেতন করুন।
— ডক্টর মুহিত ইকরাম
( ইন্টার্ন ডক্টর, JPMCH )

স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তি? মিথ বনাম বিজ্ঞান—আসল সত্য জানতে সাথে থাকুন!আসসালামু আলাইকুম। আমি ডক্টর মুহিত ইকরাম।প্রতিনিয়ত ...
26/07/2026

স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তি? মিথ বনাম বিজ্ঞান—আসল সত্য জানতে সাথে থাকুন!

আসসালামু আলাইকুম। আমি ডক্টর মুহিত ইকরাম।

প্রতিনিয়ত হাসপাতালে রোগী দেখতে গিয়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রেখে একটা বিষয় খুব স্পষ্টভাবে খেয়াল করি—আমরা স্বাস্থ্য সচেতন হতে চাই ঠিকই, কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে বারবার বিভ্রান্ত হচ্ছি।
ফেসবুক আর ইউটিউবে ভাইরাল হওয়া একের পর এক কুসংস্কার, অপচিকিৎসা, কবিরাজি টোটকা আর বড় বড় কোম্পানির "হেলদি" ট্যাগ দেওয়া ফুড প্রোডাক্টের আড়ালে আসল স্বাস্থ্যবিজ্ঞান কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

• ডা. জাহাঙ্গীর কবীর এর কিটোডায়েট আসলেই কতটুকু বিজ্ঞানসম্মত?
• ডায়াবেটিস এক মাসে গায়েব করার টোটকা?
• নাকি সোয়া, প্রসেসড অয়েল আর তথাকথিত "অর্গানিক" ফুড সিন্ডিকেটের আসল সত্য?

এসব বিভ্রান্তি দূর করতেই আমার এই প্ল্যাটফর্মের যাত্রা।

এই পেজে আপনারা নিয়মিত কী পাবেন?

১. মেডিকেল মিথ বা ভুল ধারণার অবসান (MythBusting): সমাজ বা পরিবারে প্রচলিত বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক কুসংস্কারের পেছনে আসল চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলে, তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা।

২. টোটকা বনাম প্রমাণভিত্তিক বিজ্ঞান: ঘরোয়া যেসব তোটকা সত্যিই বিজ্ঞানসম্মত সেগুলোকে তুলে ধরা, আর যেগুলো শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করা।

৩. ফুড ও নিউট্রিশন সিন্ডিকেট: বিভিন্ন খাদ্য ও সাপ্লিমেন্ট পণ্যের চটকদার মার্কেটিং গিমিক ও তার পেছনের আসল সত্য প্রকাশ করা।

৪. দৈনন্দিন লাইফস্টাইল ও সঠিক গাইডলাইন: জটিল মেডিকেল টার্ম এড়িয়ে একদম সহজ ভাষায় আপনার ও আপনার পরিবারের শারীরিক সুস্থতার সঠিক দিকনির্দেশনা।

চিকিৎসা বিজ্ঞান আবেগ বা সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে চলে না; এটি চলে প্রমাণ এবং গবেষণার ওপর ভিত্তি করে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার লক্ষ্য—আপনার হাতে একদম সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত তথ্যটি পৌঁছে দেওয়া, যেন আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

পাশে থাকুন, সত্য জানুন এবং নিজে সচেতন হয়ে চারপাশের মানুষকে সচেতন করুন।

— ডক্টর মুহিত ইকরাম
( ইন্টার্ন ডক্টর, JPMCH )

Address

Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Muhit Iqram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share