Dr. Md. Shayedat Ullah

Dr. Md. Shayedat Ullah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Shayedat Ullah, Doctor, Dhaka.

MBBS, BCS, MD (Endocrinology, Diabetes & Metabolism) Bangladesh Medical University
MACP, MACE(USA), Diabetes, Thyroid, Hormone, Obesity, Infertility & Metabolic disease specialist

Not PCOS, it's PMOS সচেতনতা মাস – সেপ্টেম্বর ২০২৬"PMOS: More Than Cysts, Understanding the Full Picture"বহু বছরের গবেষণা...
01/09/2026

Not PCOS, it's PMOS সচেতনতা মাস – সেপ্টেম্বর ২০২৬
"PMOS: More Than Cysts, Understanding the Full Picture"

বহু বছরের গবেষণা ও হাজার মানুষের প্রচেষ্টায় PCOS রোগের নাম পরিবর্তন করে PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome) রাখা হয়েছে। এটি কেবল ডিম্বাশয়ের সমস্যা নয়, বরং হরমোন ও মেটাবলিক জটিলতাযুক্ত একটি রোগ।

💡 কেন PMOS নামটি সামঞ্জস্যপূর্ণ?
❌ PCOS নামটিতে যা অস্পষ্ট ছিল:
* ধারণা করা হতো শুধু ওভারিতে সিস্ট থাকে।
* কেবল ওভারির সমস্যা হিসেবে গণ্য করা হতো।
* শুধু প্রজননক্ষম মেয়েদের সমস্যা মনে করা হতো।

✅ PMOS বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক কারণ:
* 'সিস্ট' আসলে অপরিণত ডিম্বাণু, তাই সিস্ট শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
* এতে 'হরমোন ও মেটাবলিক জটিলতা' বিষয়গুলো সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে।
* রোগটি যে "সারাজীবনের হরমোনজনিত সমস্যা" — তা সহজে অনুধাবন করা যায়।

🧬 PMOS-এর বিভিন্ন লক্ষণ ও প্রভাব:
* P (পলিএন্ডোক্রাইন / হরমোনের অমিল): টেস্টোস্টেরন, ইস্টোজেন, ইনসুলিন, প্রোল্যাকটিন, থাইরয়েড, এলএইচ, এফএসএইচ ইত্যাদি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।
* M (মেটাবলিক / বিপাকজনিত সমস্যা): স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রাক-ডায়াবেটিস ও ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, রক্তে চর্বির আধিক্য, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি।
* O (ওভারিয়ান / ডিম্বাশয়ের সমস্যা): অনিয়মিত মাসিক, ত্বকে কালো ভাজ, অবাঞ্ছিত লোম, চুল পড়া, ব্রণ ও বন্ধ্যাত্ব।

⚠️ মিথ্য ও ভুল তথ্য সম্বলিত অবৈজ্ঞানিক বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকুন। PMOS প্রতিরোধ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য অভিজ্ঞ হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের (Endocrinologist) পরামর্শ নিন।
>
🏥 চেম্বার ও সাক্ষাতের সময়সূচী (Chamber Location & Visiting Hours):
1️⃣ গ্রীন লাইফ হাসপাতাল লিমিটেড
📍 গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা
📅 শনিবার – বুধবার
⏰ সন্ধ্যা ৭:০০ টা – রাত ১০:০০ টা
📞 বুকিং/যোগাযোগ: 01987851666

2️⃣ ইনসাফ বারাকাহ কিডনি ও জেনারেল হাসপাতাল
📍 মগবাজার, ঢাকা
📅 শনিবার – বুধবার
⏰ বিকাল ৪:০০ টা – সন্ধ্যা ৭:০০ টা
📞 হটলাইন: 09613445544

3️⃣ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার
📍 টমছম ব্রীজ, কুমিল্লা
📅 বৃহস্পতিবার: বিকাল ৪:০০ টা – রাত ১০:০০ টা
📅 শুক্রবার: সকাল ৯:০০ টা – রাত ৮:০০ টা
📞 হটলাইন: 09610009620

📌 বিশেষ অনুরোধ: চেম্বারে আসার আগে সংশ্লিষ্ট নম্বরে কল করে আপনার সিরিয়াল ও সময় নিশ্চিত করে নিন।

মহা পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন সফল হউক
25/08/2026

মহা পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন সফল হউক

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কী?গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes) হলো এমন এক ধরণের ডায়াবেটিস যা পূর্বে কখনো ছিল না, ক...
11/08/2026

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কী?

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes) হলো এমন এক ধরণের ডায়াবেটিস যা পূর্বে কখনো ছিল না, কিন্তু গর্ভাবস্থায় প্রথমবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। সাধারণত গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে (দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে) এই সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়।

কখন বলব গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয়েছে:

গর্ভকালে (সাধারণত ২৪-২৮ সপ্তাহে ) রক্ত পরীক্ষার ( OGTT ) মাধ্যমে এটি সনাক্ত হয় । কেউ গর্ভকালীন ডায়বেটিসে আক্রান্ত হয়েছে বলা হবে যদি -

সকালে খালি পেটে ( ৮-১২ ঘণ্টা অভুক্ত থাকার পর) ব্লাড সুগার ৫.১ মিলিমোল/লিটার বা তার বেশি হয়
অথবা
৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ ২৫০-৩০০ মিলিলিটার স্বাভাবিক পানিতে মিশিয়ে খাবার এক ঘণ্টা পর ১০ মিলিমোল/ লিটার বা তার বেশী হয়
অথবা
৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ ২৫০-৩০০ মিলিলিটার স্বাভাবিক পানিতে মিশিয়ে খাবার দুই ঘণ্টা পর ৮.৫ মিলিমোল/ লিটার বা তার বেশি হয়

এটি কেন হয়?:

গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টা থেকে কিছু বিশেষ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মায়ের শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বা সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয় (ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স)। স্বাভাবিক অবস্থায় শরীর বাড়তি ইনসুলিন তৈরি করে এটি সামাল দেয়। কিন্তু মায়ের অগ্ন্যাশয় যখন এই বাড়তি চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, তখনই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গিয়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস দেখা দেয়।

বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলেই পরিচয়: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স দেখার জন্য HOMA IR, Fasting Insulin ও C peptide এর মতো ব্যয়বহুল টেস্ট প্রয়োজন নেই। অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড সুগার, অতিরিক্ত ওজন, ঘাড় বগল মখমলের মত কালো বাদামি হওয়া, স্কিন ট্যাগ ইত্যাদি যথেষ্ট। কারণ এতে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় কোনো পরিবর্তন হয় না বা বাড়তি কোন সুবিধা পাওয়া যায় না

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

অস্থায়ী প্রকৃতি:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান প্রসবের পর রক্তে শর্করার মাত্রা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে

লক্ষণহীনতা:

অনেক সময় এই রোগের স্পষ্ট কোনো বাহ্যিক লক্ষণ থাকে না, তাই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার (OGTT) মাধ্যমে এটি শনাক্ত করতে হয়।

ভবিষ্যৎ ঝুঁকি:

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলে পরবর্তীতে মায়ের টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা:

১.সঠিক পুষ্টিকর খাবার:
তিন বেলার খাবার অল্প অল্প করে সময় মত ও পরিমাণ মত পাঁচ থেকে ছয় বার ভাগ করে খাওয়া (তালিকা অনুযায়ী)।

২.নিয়মিত হালকা শারীরিক পরিশ্রম :
নাস্তা, লাঞ্চ ও ডিনার এর পর আধা ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে প্রতিবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটাচলা অর্থাৎ দৈনিক ৩০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম (অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতে)।

৩.পাশাপাশি হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এই ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের টার্গেট:
ব্লাড সুগার এর মাত্রা
খালি পেটে ৫.৩ মিলিমোল /লিটার এর কম এবং
খাবার শুরু করার দু'ঘণ্টা পর (নাস্তা, লাঞ্চ ও ডিনার) ৬.৭ মিলিমোল/ লিটার এর কম

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের পর ও ব্লাড সুগার কাঙ্খিত মাত্রায় নিয়ন্ত্রণে না আসলে ইনসুলিন প্রয়োগ করতে হয় এবং এটি নিরাপদ ও এর ব্যবহার সাময়িক, কেননা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান প্রসবের পর রক্তে শর্করার মাত্রা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

এমতাবস্থায় ইনসুলিন গ্রহণ না করলে গর্ভধারিণী মা ও গর্ভস্থ শিশুর জন্য জটিলতা বয়ে আনতে পারে।

স্মর্তব্য যে আগে থেকেই ডায়াবেটিস আছে এমন কোন ব্যক্তি যদি গর্ভধারণ করেন (Pre Gestational DM) অথবা আগে ধরা পড়ে নি কিন্তু গর্ভকালে ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেক বেশি (অর্থাৎ সকালে খালি পেটে ৭মিলিমোল /লিটার ও ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ পানি পান করার দু'ঘণ্টা পর ১১.১ মিলি মোল /লিটার বা তার বেশি) হলে (Diabetes In Pregnancy, DIP) সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই ইনসুলিন গ্রহণ করতে হবে কেননা এক্ষেত্রে ঝুঁকি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এর তুলনায় অনেক বেশি।

মনে রাখতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও প্রয়োজনে ওষুধ/ইনসুলিন সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ ।

মিথ্যা ও ভুল তথ্য সম্বলিত অবৈজ্ঞানিক বিজ্ঞাপন হতে সতর্ক থাকুন


#গর্ভকালীনডায়াবেটিস






আপনি কি মেটাবলিক সিনড্রোম এ ভুগছেন? তাহলে আজই একজন হরমোন ও মেটাবলিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
30/07/2026

আপনি কি মেটাবলিক সিনড্রোম এ ভুগছেন? তাহলে আজই একজন হরমোন ও মেটাবলিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন

01/07/2026
হিটস্ট্রোক কিহিটস্ট্রোক (Heat Stroke) হলো প্রচণ্ড গরমের কারণে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্যগত জরুরি অ...
04/06/2026

হিটস্ট্রোক কি

হিটস্ট্রোক (Heat Stroke) হলো প্রচণ্ড গরমের কারণে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা।

সহজ কথায়, যখন প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার কারণে আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে বাড়তে ১০৪° ফারেনহাইট (৪০° সেলসিয়াস) বা তার চেয়েও বেশি হয়ে যায়, তখন তাকে হিটস্ট্রোক বলা হয়।

এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। সময়মতো এর চিকিৎসা বা জরুরি পদক্ষেপ না নিলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে অথবা মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

১. প্রধান লক্ষণসমূহ:
শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়া (>১০৪∘ফা:)।

প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা।

বমি বমি ভাব হওয়া বা বারবার বমি হওয়া।

প্রথমে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং পরে হঠাৎ ঘাম হওয়া বন্ধ হয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

হৃদস্পন্দন বা পালস অত্যন্ত দ্রুত হওয়া।

পেশির খিঁচুনি হওয়া এবং তীব্র অবস্থায় রোগী অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

২. প্রতিরোধ করার উপায়:
তীব্র গরমে প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার পান করতে হবে।

রোদের তীব্রতা এড়াতে হবে এবং প্রয়োজনে ছায়ায় বা ঠান্ডা স্থানে বিশ্রাম নিতে হবে।

বাইরে বের হলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে এবং রোদচশমা (সানগ্লাস) ও টুপি ব্যবহার করতে হবে।

শরীরে লবণের ঘাটতি পূরণে খাবার স্যালাইন বা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত পানি পান করা যেতে পারে।

৩. জরুরি চিকিৎসা ও পদক্ষেপ :

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত কোনো ঠান্ডা বা ছায়াযুক্ত স্থানে নিয়ে যেতে হবে।

শীতল বা ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর ভালো করে মুছে দিতে হবে এবং মাথায় ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে।

ফ্যান বা বাতাসের ব্যবস্থা করে শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কোনো রকম স্ব-চিকিৎসা (ভুল ওষুধ খাওয়া) না করে অবিলম্বে জরুরি নম্বরে কল করতে হবে বা রোগীকে হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

হিট এক্সহশচন (Heat Exhaustion) কি?

হিট এক্সহশচন (Heat Exhaustion) বা তাপজনিত ক্লান্তি হলো প্রচণ্ড গরমে শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি হলে সৃষ্ট একটি শারীরিক অবস্থা। এটি মূলত হিটস্ট্রোকের ঠিক আগের ধাপ।

যখন আপনি দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র গরমে কাজ করেন বা চলাফেরা করেন এবং সেই তুলনায় শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে বেরিয়ে যাওয়া পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণ করেন না, তখন শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। হিটস্ট্রোকের মতো এটি সরাসরি জীবনঘাতী না হলেও, সময়মতো এর ব্যবস্থা না নিলে এটি দ্রুত মারাত্মক হিটস্ট্রোকে রূপ নিতে পারে।

হিট এক্সহশচনের প্রধান লক্ষণসমূহ:

প্রচণ্ড ক্লান্তি, দুর্বলতা ও অবসাদ লাগা।

অতিরিক্ত মাত্রায় ঘাম হওয়া।

মাথা ঘোরা, ঝিমঝিম করা বা হালকা মাথাব্যথা।

ত্বক ঠান্ডা, ফ্যাকাশে ও স্যাঁতসেঁতে (Clammy) হয়ে যাওয়া।

বমি বমি ভাব হওয়া বা অল্প মাত্রায় বমি হওয়া।

মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা বা খিঁচুনি (Heat Cramps)।

হৃদস্পন্দন বা পালস দ্রুত হওয়া, তবে শরীরের তাপমাত্রা সাধারণত সাধারণ থাকে বা কিছুটা বাড়ে (তবে তা ১০৪° ফারেনহাইটের নিচেই থাকে)।

হিট এক্সহশচন হলে করণীয় (প্রাথমিক চিকিৎসা):

১. ঠান্ডা জায়গায় যান: আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত রোদ থেকে সরিয়ে কোনো ছায়াযুক্ত, ঠান্ডা বা এসিযুক্ত ঘরে নিয়ে যান।

২. পানি ও তরল পান করুন: রোগীকে ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে প্রচুর পানি, ওরাল স্যালাইন (ORS) বা ডাবের পানি পান করান। (অজ্ঞান বা আচ্ছন্ন থাকলে মুখে কিছু দেবেন না)।
৩. পোশাক হালকা করুন: শরীরের টাইট বা অতিরিক্ত কাপড় খুলে দিন বা ঢিলেঢালা করে দিন।
৪. শরীর ঠান্ডা করুন: ভেজা কাপড় দিয়ে পুরো শরীর মুছে দিন অথবা ফ্যানের বাতাসে রাখুন।

মনে রাখবেন: যদি এই পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরও ১ ঘণ্টার মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হয়, রোগী ক্রমাগত বমি করতে থাকে অথবা অজ্ঞান হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে এটি হিটস্ট্রোকে রূপ নিচ্ছে। তখন কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

18/02/2026

Ramadan Mubarak

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Shayedat Ullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category