Al Afnan

Al Afnan আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
(1)

29/07/2025

সময় অমূল্য সম্পদ।

পু*ড়ে যাওয়া এই শিক্ষার্থীর প্যান্ট এতটাই পু*ড়ে গেছে যে পশ্চা*ৎদেশ দেখা যাচ্ছে। তাকে গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সে...
22/07/2025

পু*ড়ে যাওয়া এই শিক্ষার্থীর প্যান্ট এতটাই পু*ড়ে গেছে যে পশ্চা*ৎদেশ দেখা যাচ্ছে। তাকে গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে এতগুলো মানুষ কেউ ছেলেটাকে ধরতে এগিয়ে আসছে না। ছেলেটা একাই দিক বিদিক হয়ে ইমারজেন্সির দিকে যাচ্ছে!
যেখানে বিমান বি'ধ্বস্ত হয়েছে তার খানিকটা সামনেই পু*ড়ে যাওয়া এক শিশু সাহায্যের জন্য দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ, মাথার চুল, চোখের পাঁপড়ি, কান পুড়ে বিকৃত হয়ে গেছে। চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এতগুলো মানুষ কিন্তু কোথাও শিশুটির মা নেই। কোথাও বাবা নেই যে তাকে বুকের মধ্যে নিয়ে হাসপাতালের দিকে দৌড় দিবে।
তোরা আল্লাহর ওয়াস্তে মোবাইলটা পকেটে রেখে বাচ্চাগুলারে ধর!
মনে রাখিস, এই বাচ্চাগুলো সামান্য উষ্ঠা খেয়ে পড়ে গেলে মায়েদের কলিজা ছিঁড়ে যেত।
এই বাচ্চাগুলো কোথাও একটু ব্যথা পেলে বাবাদের চোখ ভিজে যেত।
এই বাচ্চাগুলারে তোরা ম'রতে দিস না, এদের লা'শের ভার বাবা মা বইতে পারবে না... 🙏

মর্গে রাখা মানিকধন(একজন মায়ের হৃদয়বিদারক আর্তনাদ)আমার কলিজার টুকরো, আমার ধন, আমার জীবন... আমার আরাফাত। 🥹প্রতিদিন স্কুল শ...
22/07/2025

মর্গে রাখা মানিকধন
(একজন মায়ের হৃদয়বিদারক আর্তনাদ)

আমার কলিজার টুকরো, আমার ধন, আমার জীবন... আমার আরাফাত। 🥹
প্রতিদিন স্কুল শেষে আমার ছেলেটা ছুটে আসে আমার কোলে। আর প্রতিদিনই তার বাবাই তাকে স্কুলে দিয়ে আসে এবং আবার কোলে করে নিয়ে আসে। চারজনের ছোট্ট কিন্তু সুন্দর পরিবার — শ্বশুর, স্বামী, আমি আর আমার আদরের মানিকধন আরাফাত। 🏠💓

🔸 সে পড়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে, ক্লাস ফাইভে।
প্রতিদিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলাম। কিন্তু আজকের সকালটা কেমন জানি অন্যরকম লাগছিলো... মৃদু বাতাস, কোলাহলমুক্ত চারপাশ, মনে হচ্ছিলো আজকের দিনটা খুব স্পেশাল। 🌤️

আরাফাতকে নিয়ে ছাদে গেলাম। কবুতরকে নিজের হাতে খাবার দেওয়া তার দারুণ একটা অভ্যাস, সেটা করল সে। 🕊️ এরপর একটু রাইটিং প্র্যাকটিস করলো, বেশ মনোযোগীভাবেশেষমেশ নাস্তা করে, হাতে পিঠাভর্তি টিফিন বক্স নিয়ে, বাবার সঙ্গে স্কুলে বেরিয়ে গেলো।

বিদায়ের আগে এসে বলল,
“মাম্মাহ, আসি।” 🧒🏻
আমাকে জড়িয়ে ধরল — তার কোমল স্পর্শে বুকটা জুড়িয়ে গেলো।
সেও হাসল, আমিও হাসলাম। মনে হলো, আমার জীবনটা ভরে গেছে।

📦 ওর জন্য বানানো পান্তুয়া পিঠা — ওর প্রিয়। আজ খুব যত্ন করে দিয়েছি ওর বক্সে।
যখন স্কুলে থাকে, আমার মন কেমন কেমন করে... অজান্তে বারবার ওর কথা মনে পড়ে। আল্লাহর কাছে ওকে সুরক্ষিত রাখার দোয়া করি। আজ অদ্ভুতভাবে ওর কথা আরও বেশি করে মনে পড়ছে।

আমি আর থাকতে না পেরে ওর বাবাকে ফোন করলাম। উনি আশ্বস্ত করলেন, “ছুটি হলে আমি ওকে নিয়ে আসছি। চিন্তা কোরো না।”

আমি তাড়াতাড়ি দুপুরের খাবার প্রস্তুত করলাম — ইলিশ আর পুঁইশাকের ঝোল, আরাফাতের পছন্দ। আজ খাবো একসাথে বসে, মায়ের হাতের খাবারে ওর মুখ ভরে উঠবে। 🍛🥬

ছুটির সময় ঘনিয়ে এল।
📞 আবার ফোন করলাম ওর বাবাকে। উনি বললেন, রওনা হয়েছেন।
মনটা কেমন যেন অস্থির!
ঠিক তখনই আমার শ্বশুর ভয়ভীত কণ্ঠে ডাকলেন।
গিয়ে দেখি টিভিতে "স্কুল ভবনে অগ্নিকাণ্ড" — আমি হতবিহ্বল! 😱

মাত্র কয়েক সেকেন্ড, অথচ মনে হলো কয়েক যুগ পেরিয়ে গেছে...
আমি দৌঁড়ে বের হয়ে গেলাম।
চোখের পানি থামানো যাচ্ছে না। আরাফাত! আমার আরাফাত কোথায়!

🔥 ছোটবেলায় একবার আগুনে তার বাম হাতের কব্জি পুড়ে গিয়েছিলো। সেই থেকে ও আগুনকে ভীষণ ভয় পায়।
যদিও দাদু তাকে পানির ভয় কাটিয়ে সাঁতার শিখিয়েছিলেন, আগুন নিয়ে ভয় আজও কাটেনি।

🚒 স্কুলে পৌঁছাতেই দেখি আগুন আর ধোঁয়ার রাজত্ব! বাচ্চাগুলো একের পর এক বেরিয়ে আসছে — কেউ অর্ধপোড়া, কেউ পুরোপুরি।
চিৎকার, কান্না, আর্তনাদে স্কুল চত্বর কাপছে।
আমি ছুটে যাচ্ছি, “আমার আরাফাত কোথায়? প্লিজ কেউ বলুন...” 😭
কেউ উত্তর দেয় না।
আরাফাতের বাবা থরথর কাঁপছে, হাউমাউ করে কাঁদছে।

হঠাৎ দেখি একজন উদ্ধারকর্মী পুড়ে যাওয়া এক শিশুকে কোলে করে বেরিয়ে আসছেন। শিশুটির শরীর পুড়ে চেনার উপায় নেই।
তবু তার কাঁধে ছিল একটা ব্যাগ — সেই ব্যাগটা নিচে রেখে বললেন,
“এই ছিল শেষ উদ্ধার হওয়া শিশুটি।”

🎒 ব্যাগটা খুলে দেখি — ভেতরে আধপোড়া খাতা, আর একটি বেঁচে থাকা পান্তুয়া পিঠা...
আমার বুকটা যেন ছিঁড়ে গেলো।
“না আল্লাহ! এটা হতেই পারে না!”
আরাফাতের বাবা নিশ্চিত করলো — এই সেই ব্যাগ, এই আমাদের আরাফাত!
আমার জ্ঞান হারিয়ে গেলো...

🛏️ জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে। আমি ছুটে গেলাম বার্ন ইউনিটে।
আরাফাত শুয়ে আছে — পুরো শরীরে ব্যান্ডেজ, নাকে মুখে অক্সিজেন পাইপ, চোখ বন্ধ।
তাকে দেখে বুক ফেটে কান্না আসছে, অথচ মুখ থেকে শব্দ বের হচ্ছে না। 😢

ডাক্তার বললেন, ওর রক্তের গ্রুপ A Negative — বিরল গ্রুপ।
আমার স্বামী — আরাফাতের বাবা — নিজেই দিলো রক্ত। ❤️‍🩹

হাসপাতালের বারান্দায় কান্নার রোল, রক্তের জন্য হাহাকার...
রোগীর স্বজনরা অনেকে হন্যে হয়ে A Negative খুঁজছে।
এই যেন আরেক যুদ্ধক্ষেত্র — জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে দোল খাচ্ছে সব মায়ের হৃদয়।

🌙 রাত হয়ে এল। আমি মিনতি করলাম, “একটু শুধু পাশে বসে থাকি... আমার ছেলের পাশে।”
ডাক্তার নার্স কেউ অনুমতি দিলো না।
ওকে নিয়ে যাওয়া হলো আইসিইউতে।

🕯️ নিস্তব্ধ সেই কক্ষ। একটিমাত্র মেশিনের শব্দ, “টিপ টপ” করে বেজে যাচ্ছে।
আরাফাত ঘুমিয়ে আছে। ওর বুকের উপর ছোট ছোট উঠানামা...
আমি মুখে মুখে ডেকেই যাচ্ছি:
"বাবা... একবার শুধু চোখটা খোল। মাম্মাহ এসেছে..."

মনে পড়ছে —
বিয়ের ৬ বছর পর কত সাধনায়, কত কষ্টে, কত দোয়ায় এই সন্তানকে পেয়েছি আমরা।

আজ সেই সন্তানকে... আমি শুধু দূর থেকে দেখতে পারি, স্পর্শও করতে পারি না।

🚑 সকাল হতেই এম্বুলেন্সে আরাফাতকে নেওয়া হলো —
কদমতলী গ্রামে, চিরনিদ্রায় শুইয়ে দেওয়ার জন্য।
তার স্কুলের সব বন্ধুরা কাঁদছে, শিক্ষকরা শোকাহত, প্রতিবেশীরা স্তব্ধ।

আজ আমার মানিকধন পেল এমন ছুটি —
যেখানে নেই সকাল, নেই স্কুল, নেই আর ফিরে আসা।
কেবল আছে চিরকালের ঘুম...
একটা অসমাপ্ত গল্প,
একটা পুড়ে যাওয়া ব্যাগ,
আর একটি মায়ের আজীবনের কান্না। 💔

— বাটপার জাতি —গতকাল ফিল্ডের কাজে বাইরে থাকাকালীন এক বাজারে ঢুকি সিঙ্গারা-পুরি খাওয়ার জন্য 🥟ছোট ছোট সিঙ্গারা-পুরি — সাধা...
15/07/2025

— বাটপার জাতি —
গতকাল ফিল্ডের কাজে বাইরে থাকাকালীন এক বাজারে ঢুকি সিঙ্গারা-পুরি খাওয়ার জন্য 🥟
ছোট ছোট সিঙ্গারা-পুরি — সাধারণত ৩ টাকা, কোথাও ৫ টাকা।
খাওয়ার পর বিল দেয়ার সময় দোকানি হিসাব করল ১০ টাকা করে 😳
ভাবলাম ভুলে বলছে... কিন্তু না, কয়েকবার জিজ্ঞেস করার পরও সে নিশ্চিতভাবে ১০ টাকা বলেই থাকল!

এরপর এক অটোতে উঠি 🚖
অটোওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই এলাকার সিঙ্গারা-পুরি কি ১০ টাকা করে?”
সে বলল, “না স্যার, এগুলা ৫ টাকা পিস।”
নতুন মানুষ দেখে একটু ব্যবসা করে নিল 🫤

ভাড়া ঠিক হলো ১৫ টাকা করে, দুইজন ৩০ টাকা।
আমি ৪০ টাকা দিলাম, সে বলল “১০ টাকা বেশি দিলেন”।
তার সততায় মুগ্ধ হয়ে গেলাম ❤️
ভাবলাম, থাক… নিক ৪০ টাকা। অন্তত বলেছে তো।
পরে বুঝলাম — এই ভাড়াও ১০ টাকার বেশি না হওয়ার কথা 😶

এর আগে যখন কিশোরগঞ্জে নতুন ছিলাম, বহু রিকশাওয়ালা ১০-২০ টাকা বেশি নিয়েছে।
আর “ভাংতি নাই” বলে ১৫ টাকার ভাড়া ২০ টাকাও নিয়েছে বারবার 😐

একবার এক দোকানে ২ জন মিলে ৭০ টাকা খেয়ে ৫০০ টাকার নোট দেই।
তাড়াহুড়ায় চলে গিয়ে ১০ মিনিট পর ফিরে বললাম, “ভাই, বাকি টাকা নেইনি”।
সে একদম ডিরেক্ট অস্বীকার করে! 😤

৩–৪ দিন আগে এক ভিখারিনীকে ৫ টাকা দিতে গিয়ে ১০ টাকা দিয়ে বলি,
“২টা ৫ টাকার কয়েন দেন।”
সে বলে, “আমার কাছে আছে, আমি দিচ্ছি।”
দিলাম… সে টাকা নিয়ে বলল, “গরীব মানুষ, ৫ টাকা বেশি নিলাম।”
চুপ করে রইলাম — ৫ টাকার জন্য কথা বাড়িয়ে আর মান-ইজ্জত নষ্ট করতে চাইলাম না 😔

এক ক্লিনিক মালিক আছেন, চেনাজানা।
করোনায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর নামাজ, দাড়ি সব শুরু করলেন —
তারপর সে দোহাই দিয়ে কসম কেটে রোগীদের ঠকায় দিনরাত! 🤥
(এটা নিয়ে আলাদা পোস্ট দেওয়া লাগবে...)

এমন গল্প তো আরও অনেক বলা যাবে...

একটা জাতি, যার শিকড় থেকে শিখরে পর্যন্ত প্রায় সবাই কম-বেশি একই মানসিকতায় ভোগে —
তারা ভাবে তাদের মন্ত্রী, এমপি, চেয়ারম্যানরা আল্লাহর ওলী হবে?
সবাইরে বাড়ি গিয়ে টাকা দেবে? ১০ টাকা কেজির চাল খাওয়াবে? 🤷‍♂️

যেখানে এক ভিখারীও ঠকাতে দ্বিধা করে না,
সেখানে কেউ সৎ রাষ্ট্রনায়ক আশা করে—
এটা শুধু দুঃস্বপ্ন না, আত্মপ্রবঞ্চনা 😪

এ দেশ বিপ্লব ছাড়া কোনোদিন বদলাবে না।
না মনের, না সমাজের, না ব্যবস্থার।

03/06/2025

ছাত্রদের সাথে যখন চোর পুলিশ খেলতে হয়

এক খন্ড কালোমেঘ
03/06/2025

এক খন্ড কালোমেঘ

বৃষ্টির পানিতে ভেজা কচি আনারস মহারাজা।
28/05/2025

বৃষ্টির পানিতে ভেজা কচি আনারস মহারাজা।

Address

Ghatail, Tangail
Dhaka
1996

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Afnan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share