Dr. Nur E Mehbuba

Dr. Nur E Mehbuba Dr. Nur E Mehbuba
B.H.M.S (D.U)
DGHS Reg. No: H-1825
Consultant (Homeopathy)
Imperial Homeopathy Clinic

29/07/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় বাড়ছে মানুষের আস্থা।
দেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীদের ব্যাপক উপস্থিতি। মাত্র ১০ টাকার টিকিটেই মিলছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবা। সেবার মানোন্নয়নে আরো জনবলের দাবি জানাই।

ভিডিও : একাত্তর টিভি

29/07/2026

একাত্তরের প্রতিবেদন প্রচারের পর: হোমিও চিকিৎসায় বাড়ছে আস্থা, হাসপাতালে রোগীর চাপ

জীবনে কোনোদিন মাথাব্যথা হয়নি এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। অনেকেই প্রায়ই মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। মাঝেমধ্য...
04/02/2026

জীবনে কোনোদিন মাথাব্যথা হয়নি এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। অনেকেই প্রায়ই মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। মাঝেমধ্যেই মাথার বাম পাশে কিংবা মাথার পিছন দিকটায় ব্যাথা করতে পারে। মাথা ব্যাথার একটা বড় কারণ হলো মাইগ্রেন। তবে এটি কোনো সাধারণ মাথা ব্যাথা নয়। আসুন জেনে নিই,,,

🔷💠 মাইগ্রেন কী?
মাইগ্রেন হলো মাথার একপাশে কম্পন দিয়ে মাঝারি বা তীব্র ধরনের ব্যথা। কখনো কখনো এই ব্যথা মাথার একপাশে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো স্থান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আবার মাইগ্রেনের সমস্যায় কখনো কখনো ব্যাথার সঙ্গে দৃষ্টি বিভ্রম বা বমি বমি ভাবও থাকতে পারে।
মাইগ্রেন হওয়ার আগে শরীর আমাদের কিছু সতর্কবার্তা দেয়, তার মধ্যে একটি হলো চোখে হঠাৎ করে আলোর ঝলকানির মতো দেখা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাইগ্রেনের কোনো পূর্ব লক্ষণ থাকে না। এ ধরনের মাইগ্রেনই বেশি দেখা যায়।
আবার আরেক ধরনের মাইগ্রেন আছে, যাকে বলা হয় সাইলেন্ট মাইগ্রেন। এ ধরনের মাইগ্রেনের আবার পূর্ব লক্ষণ থাকলেও কোনো মাথা ব্যথা থাকে না।

🔷💠 মাইগ্রেনের লক্ষণ কি কি?
📌মাইগ্রেনের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে মাথার যেকোনো একপাশে মাঝারি থেকে তীব্র ধরনের ব্যথা।
📌 বমি বমি ভাব
📌অতিরিক্ত ঘাম,
📌মনোযোগহীনতা,
📌অনেক বেশি গরম বা অনেক বেশি ঠান্ডা অনুভব হওয়া,
📌পেট ব্যাথা বা ডায়রিয়া।

🔷💠 মাইগ্রেন কেন হয়?
মাইগ্রেন কেন হয় তার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু বিষয়কে মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। যেমন-
📌মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক কার্যক্রম: যখন স্নায়ু ব্যবস্থা, শরীরের রাসায়নিক উপাদান এবং রক্তনালিকে আক্রান্ত করে ফেলে, তখনই এই ধরনের তীব্র ব্যথা মাথার একপাশে অনুভূত হয়। মনে করা হয়, মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক কার্যক্রম মাইগ্রেন হওয়ার বড় কারণ।
📌হরমোনজনিত পরিবর্তন: চিকিৎসকদের মতে ঋতুচক্রের সময় নারীরা বেশি মাইগ্রেনে ভোগেন। আবেগ বা অন্যান্য কারণ ও মাইগ্রেনের পেছনে ভূমিকা রাখে। যেমন: মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, হঠাৎ পাওয়া আঘাত ইত্যাদি।
📌শারীরিক কারণ: যেমন: ঘুম কম হওয়া বা রাতে ঘুম না হওয়া, হঠাৎ করে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা ইত্যাদি।

📌পরিবেশগত কারণ: হঠাৎ করে গরম থেকে ঠান্ডা বা ঠান্ডা থেকে গরম পরিবেশে গেলে হঠাৎ করে মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হতে পারে৷
📌খাবার: আমাদের খাদ্যাভ্যাসও অনেক সময় মাইগ্রেন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। খাবারে অনিয়ম করা, পানিশূন্যতায় ভোগা, মদ্যপান করা, অতিরিক্ত চা বা কফি পান করা এসব নানা ধরনের অনিয়ম মাইগ্রেন হওয়ার পেছনে বেশ বড় ভূমিকা পালন করে।

🔷💠 মাইগ্রেনের চিকিৎসা কি?
এক কথায় বলতে গেলে মাইগ্রেনের আসলে সে ধরনের কোনো চিকিৎসা নেই। তবে চিকিৎসকের পরামর্শে থেকে নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপন মাইগ্রেনকে এড়িয়ে চলতে অনেকাংশে সাহায্য
✅ প্রতিদিন একই সময় ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে
✅ প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পরিমিত ঘুম হতে হবে
✅ অতিরিক্ত বেশি আলো বা অতিরিক্ত কম আলোতে কাজ করা যাবে না
✅ তীব্র ঠান্ডায় অথবা অতিরিক্ত রোদে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
✅ স্বাভাবিক শব্দের চেয়ে বেশি শব্দ অথবা অতিরিক্ত কোলাহল পূর্ণ এলাকা পরিহার করতে হবে
✅ স্ক্রীনের সামনে বেশি সময় থাকা যাবে না

এরপরেও মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রচুর পানি পান করতে হবে এবং মাথায় ঠান্ডা কাপড় জড়িয়ে রাখুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়। তাই মাইগ্রেন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

শীতকালে শুষ্ক বাতাস ত্বক থেকে তরল পদার্থ শুষে নেয় তাই ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় এবং ত্বক সবচেয়ে বেশি নাজুক হয়ে পড়ে। ত্বকের ধরন ...
02/02/2026

শীতকালে শুষ্ক বাতাস ত্বক থেকে তরল পদার্থ শুষে নেয় তাই ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় এবং ত্বক সবচেয়ে বেশি নাজুক হয়ে পড়ে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী তখন নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা বেশি হয়। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি এবং তেলগ্রন্থি ত্বকের জন্য উপযোগী প্রাকৃতিক তেল উৎপাদন করতে পারে না।
ফলশ্রুতিতে ত্বক অনেক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ফাটল দেখা দেয়। পর্যাপ্ত পরিচর্যা না নিলে ত্বকে জ্বালাপোড়া ও ফাটল থেকে রক্ত ঝরার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

শুষ্ক ত্বকে নানাবিধ চর্মরোগও হয়। যেমন-
হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি, একজিমা, সোরিয়াসিস, স্ক্যাবিস, ডার্মাটাইটিস, খুশকি, ঠোঁট ফাটা, ক্র্যাক হিল বা পা ফাটা সহ নানা রকম চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

এক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক প্রস্তুতি রাখতে হবে প্রতিরোধে যা করবেন-
📌 শীতের সময় ত্বকে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।
📌 শীতে ধারাবাহিকভাবে চুল শ্যাম্পু করুন। চুলের ময়েশ্চার ধরে রাখুন।
📌 সবুজ শাকসবজি ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান
📌 ত্বক ধোয়ার সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।
📌 শীতে ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখতে পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন বা অন্যান্য ঘরোয়া উপকরণ ব্যাবহার করুন।
📌 কড়া আগুনের সামনে তাপ পোহাবেন না।
📌 বেশিক্ষণ কড়া রোদেও থাকবেন না।
📌 শীতকালেও অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন।
📌 ত্বকের অবস্থা বেশি খারাপ হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

২৭০ তম জন্মদিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনকক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ছিলেন ...
10/04/2025

২৭০ তম জন্মদিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক
ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ছিলেন এমডি ডিগ্রিধারী একজন এলোপ্যাথি চিকিৎসক। ১৭৮৪ সালের দিকে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে দেবার পর হ্যানিম্যান লেখনী ও অনুবাদকের কাজ করে তার জীবন নির্বাহ করতেন এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ঔষধে বর্ণিত চিকিৎসাগত অসঙ্গতি বের করার কাজও করেন। উইলিয়াম কালেন[২৪] এর “এ ট্রিয়েট্রাইজ অন মেটেরিয়া মেডিকা” (A Treatise on the Materia Medica) বইটি অনুবাদ করার সময় হ্যানিম্যান পেরুভিয়ান বার্ক থেকে তৈরী ম্যালেরিয়া (malaria) জ্বরের জন্য “সিঙ্কোনা” (Cinchona) নামক গাছের ছালের কার্যকারিতা দেখতে পান। হ্যানিম্যান বিশ্বাস করলেন যে ম্যালেরিয়া জ্বরে সিঙ্কোনা’র মত অন্যান্য সহায়ক উপাদান (astringent substances) ততটা কার্যকরী নয় এবং তাই তিনি “সিঙ্কোনা” (Cinchona) গাছের বাকল এর কার্যকারীতা নিজদেহে পরীক্ষা করা শুরু করলেন, দেখলেন যে এটা ম্যালেরিয়ার মত তার দেহে [২৫] কম্পনজ্বর উৎপন্ন করছে এবং এটা যে কোন সুস্থ দেহেই করতে সক্ষম। এ বিষয়টি তাকে একটি মৌলিক নীতির দিকে ধাবিত করে “ যা একজন সুস্থ ব্যক্তির উপর প্রয়োগের ফলে বিভিন্ন লক্ষণ সমষ্টির উৎপন্ন করতে পারে, তা একই রকম লক্ষন সমষ্টি সমৃদ্ধ অসুস্থ দেহে প্রয়োগ করলে নিরাময় করতে সক্ষম” [২৬] এটাই “লাইক কিউর লাইক” (Like Cures Like) যা একটি নতুন ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির প্রচেষ্টা এবং তিনি এর নাম দেন "হোমিওপ্যাথি"।
সদৃশ সদৃশ্য আরোগ্য



পবিত্র মাহে রমজান মাসে মেডিকেল কেন্দ্রিক যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক - ❎❎ রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে  আপনার  রোজা ভাঙ্গবে...
01/03/2025

পবিত্র মাহে রমজান মাসে মেডিকেল কেন্দ্রিক যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক -
❎❎ রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে আপনার রোজা ভাঙ্গবে -
১. রোজা রেখে সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় দেওয়া ওষুধ) নিলে
২. রোজা রেখে স্যালাইন নিলে
৩. রক্ত গ্রহণ করলে/রক্ত নিলে
৪. এন্ডোস্কোপি করানো হলে/গলায় নল দিয়ে পরীক্ষা করলে
৫. নাকে খাবারের নল দিলে
৬. পায়খানার রাস্তায় পরীক্ষা যেমন কোলনস্কোপি/ প্রক্টোস্কোপি করলে
৭. ইনহেলার ব্যবহার করলে (এক্ষেত্রে দুই ধরণের বক্তব্য পাওয়া যায়, এক শ্রেণীর ফকীহ দের মতামত রোজা ভাঙবে না, আরেক শ্রেণী বলেছেন রোজা ভাঙ্গবে)
৮. নেবুলাইজেশন করলে
৯. নাকের ড্রপ দিলে
১০. কানের ড্রপ দিলে (যদি কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে)
১১. ডায়ালাইসিস করলে
১২. পায়খানার রাস্তায় e***a দিলে

✅✅ রোজা রেখে নিন্মের কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না :
১. রক্ত দিলে
২. রক্তের স্যাম্পল দিলে/রক্ত পরীক্ষা করলে
৩. মাংসপেশী/চামড়ায় কোনো ইনজেকশন দিলে, ইনসুলিন দিলে
৪. শিরায় ইনজেকশন দিলে ( ইনজেকশনে যদি ১০০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারে: Al Balagh Academy, UK এর মতামত, তাই অপ্রয়োজনে ইনজেকশন না নেওয়া বেটার)
৫. চোখের ড্রপ দিলে (তবে যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্বাদ অনুভূত হলে সেই ক্ষেত্রে সেটা থুতু দিয়ে বের করতে হবে, তাই অনেক আলেম বলেন চোখের ড্রপ অপ্রয়োজনে না নিতে)
৬. ক্যাথেটার করানো হলে
৭. ক্যানুলা করানো হলে
৮. ডায়াবেটিস পরীক্ষা করলে
৯. ভ্যাকসিন দিলে
১০. মাসিকের রাস্তায় কোনো ওষুধ দিলে (Al Balagh Academy)
১১. হিজামা করলে ( তবে হাম্বলী মাজহাব ও অন্যান্য কিছু আলেমদের মতে রোজা ভাঙ্গবে)

উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ এন্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (RAMFIT) এর ক্লাস ও বিভিন্ন অনলাইন ফিকহ ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা। কোনো ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে আলেমদের থেকে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

(সংগৃহীত)

13/02/2025

এপিলেপসি (Epilepsy)/ মৃগীরোগ একটি ভিন্নধর্মী সমস্যা, সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো কারণ থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়।
🔴🟥এপিলেপসির প্রাথমিক চিকিৎসা (Seizure First Aid)
যদি কারও এপিলেপটিক সিজার (Epileptic Seizure) হয় তাহলে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে:

✅ ব্যক্তিকে নিরাপদ করুন: আশপাশের বিপজ্জনক বস্তু সরিয়ে দিন।
✅ মাথা সুরক্ষিত করুন: নরম কিছু (বালিশ/কাপড়) মাথার নিচে দিন।
✅ কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না: মুখে কিছু ঢোকানোর দরকার নেই, এটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।
✅ আকস্মিকভাবে ধরে রাখবেন না: অর্থাৎ তাদের শরীরকে জোর করে থামানোর চেষ্টা করবেন না।
✅ সময় নোট করুন: যদি খিঁচুনি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় বা একাধিকবার হয় তাহলে এম্বুলেন্স ডাকুন (Emergency Help)।
✅ শরীর পাশ ফিরিয়ে দিন (Position Recovery): খিঁচুনি শেষ হলে, বমি বা শ্বাসকষ্ট এড়াতে পাশ ফিরিরে শুইয়ে দিন।

🔴🟥 যদি এপিলেপটিক অ্যাটাক ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে নিন।

🩺
27/01/2025

🩺

📌📌 সাধারণত রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করার সময় হোঁচট খেলে রিকশা বা বাস থেকে নামতে গিয়ে, সিঁড়ি থেকে নামার সময় ধাপে ঠিকমতো পা না ...
07/01/2025

📌📌 সাধারণত রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করার সময় হোঁচট খেলে রিকশা বা বাস থেকে নামতে গিয়ে, সিঁড়ি থেকে নামার সময় ধাপে ঠিকমতো পা না পড়লে, খেলাধুলার সময়, জুতার সমস্যার কারণে, এমনকি বিছানা থেকে উঠতে গিয়েও গোড়ালি মচকাতে পারে।
📌📍পা মচকে গেলে কি কি করণীয় তা জেনে নিই:
✅ পায়ের জুতা সাথে সাথে খুলে ফেলুন। সম্ভব হলে শুয়ে থাকুন এবং আহত পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা এমন উঁচুতে রাখুন, যেন তা হৃৎপিন্ডের লেভেল থেকে ওপরে থাকে।
✅ গোড়ালির জয়েন্টে একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে সেটা দিয়ে সেঁক দিন। আঘাত পাওয়ার (৪৮ - ৭২) ঘণ্টা পর্যন্ত অথবা ফোলা না কমা পর্যন্ত প্রতি ২/৩ ঘণ্টা পরপর ১০/১৫ মিনিট করে আইস প্যাক লাগান। সরাসরি বরফ লাগানো যাবে না।
✅ কোনো ধরনের তেল কিংবা হাত দিয়ে জায়গাটি ম্যাসাজ করা যাবে না।
✅ রোগীকে পায়ের ওপর দাঁড় করানো কিংবা হাঁটতে বলা যাবে না।
✅ যদি হাড় সরে যায়, তাহলে তা টেনে ঠিক করার চেষ্টা করা যাবে না।
✅ এমনভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান রোগীর যাতে করে হাঁটা না লাগে এবং গোড়ালিতে চাপ না পড়ে।
✅ বারবার একই জায়গায় পা মচকানো, যা পরে ওই সন্ধিতে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়জনিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই খেলাধুলা ও দ্রুত হাঁটাচলার সময় সাবধানে থাকুন,
✅ পায়ের পাতার ভারসাম্য বজায় থাকে এমন জুতা পরুন। সিঁড়িতে ওঠানামা করার সময় সাবধান হোন।


Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nur E Mehbuba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category