Mithila Khandaker

Website

Mithila Khandaker | Psychologist | Content Creator |

হাসব‍্যান্ড এর করা পরকীয়ায় , বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে আমার এক ক্লায়েন্ট ইমোশনালি একদম ভেঙে পড়েছেন! ঘুম নেই, খাওয়া নেই,...
23/09/2026

হাসব‍্যান্ড এর করা পরকীয়ায় , বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে আমার এক ক্লায়েন্ট ইমোশনালি একদম ভেঙে পড়েছেন! ঘুম নেই, খাওয়া নেই, দু তিনবার সুইসাইড অ‍্যাটেম্প্ট ও করেছেন! যে কারনে তাকে তার ফ‍্যামিলি কাউন্সেলিং এর জন‍্যে নিয়ে আসেন! এখন তার ঔষধ চলে, Self Harm কমানোর জন‍্য আর ইমোশনাল ব‍্যালেন্স আনার জন‍্য কাউন্সেলিং সেশন ও চলছে! কিন্তু সব সেশন এই , একই কথা ঘুরেফিরে বলে যাচ্ছেন- “ও কিভাবে পারলো আমার সাথে এমন করতে? আমি না ওকে বিশ্বাস করেছিলাম আপু”?

এই জায়গায় এসে আমার গলার স্বর ও একটু আটকে যায়!

ফেসবুকে দেখা একটা লাইভ ভিডিও থেকে ভাবলাম পুরনো এই বিষয়টি নিয়েই বলি!

ওই যে কথায় বলে না? “আমি বোকা ছিলাম না! আমি বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তুমি আমাকে বোকা বানাতে পেরেছ”!

কথাটা খুব সত‍্যি!

কিন্তু এখন আমার কাছে কোনটা বেশি চ‍্যালেন্জিং লাগছে জানেন? এই মেয়ে গুলো, যাদের সাথে এমনটা হয়েছে, সবার Psychological Resilience কিন্তু এক রকম না! সবার support system ও একরকম না! কেউ কেউ কিছু দিন কান্নাকাটি করে, কোন না কোন ভাবে যুক্তি সঙ্গত একটা ডিসিশন নিয়ে কামব‍্যাক করবে!
কিন্তু বাকি রা?

আমি তো দেখছি, মেয়েটা যেহেতু ঔষধ খায়, মেয়েটা যেহেতু কাউন্সেলিং নেয়, আর মাঝে মাঝেই যেহেতু সে Healed না, পুরো ব্যাপারটা মনে পড়লে এলোমেলো হয়ে গিয়ে, যখনই Husband কে দোষারোপ করছে, আঙুল তখন মেয়েটার দিকেই উঠছে!

“আরে ওর সব কথা নিবেন না! পাগল টাইপ ! দেখেন না কেমন আচরন করতেছে!”

মানে তাকে মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন প্রমাণ করে, নিজের রাস্তা ক্লিয়ার করা আর কি!

হতাশ লাগে মাঝে মাঝে! কোনদিকে আগাচ্ছি আমরা!
মজার ব্যাপার কি বলেন তো? পরকীয়া কে আমরা সামাজিক ব‍্যাধি বলছি ঠিকই, কিন্তু ঘটনা ঘটার পর চিকিৎসা নিচ্ছেন মেয়েরা ( যারা পরকীয়ার শিকার/ Victim) !

কেউ কি Husband কে বলেছেন? “তোমার সমস্যা সমাধানে, তোমাকে Treatment নিতে হবে?”

না বলেননি! 😊



আজকাল অনেক parent-এর একই অভিযোগ—“আমার বাচ্চা সারাক্ষণ mobile নিয়ে থাকে!”খেতে বসে mobile,পড়তে বসে mobile,ঘুমানোর আগে mobi...
22/09/2026

আজকাল অনেক parent-এর একই অভিযোগ—

“আমার বাচ্চা সারাক্ষণ mobile নিয়ে থাকে!”

খেতে বসে mobile,
পড়তে বসে mobile,
ঘুমানোর আগে mobile,
আর mobile না দিলেই রাগ, কান্না, tantrums !

একটা কথা তো আমরা খুব সহজেই বলি—

“ও mobile-এ addicted হয়ে গেছে।”

কিন্তু একটু গভীর ভাবে ভেবে দেখুন তো?

Mobile দেখা কি শুধু ওর entertainment ?
নাকি এটা কোন boredom-এর escape, stress থেকে distraction, loneliness-এর compensation, অথবা instant reward-এর কোন source?
একটু গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখুন ।

ওর mobile টা জোড় করে কেড়ে নিলে particular কোন behaviour কিছুদিনের জন্য কমতে পারে—কিন্তু underlying need টা যদি থেকেই যায়, অন্য কোনো জায়গায় এই একই pattern দেখা দিতে পারে। কাজ টা খুব Enjoy করে করবে তা না, Frustration টা Avoid করার জন্য হয়তো করবে।

তাহলে কী করা যেতে পারে?

১. হঠাৎ করে mobile completely বন্ধ করবেন না।

আগে দেখুন—সে দিনে কতক্ষণ ব্যবহার করছে এবং কী জন্য ব্যবহার করছে।

Gaming?
YouTube?
Social media?
বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ?
নাকি শুধু boredom?

কারণ problematic use-এর ধরন বুঝে intervention করতে হয়।

২. Clear screen-time boundaries তৈরি করুন।

“কম mobile চালাবে”—এটা খুব vague rule। যেটা ওর জন্য বোঝা খুব কঠিন!

তার বদলে Specifically বলুন,

“Homework শেষ করার আগে gaming নয়।”
“খাওয়ার সময় phone নয়।”
“ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে screen off।”

Rule যেন predictable হয় এবং parent নিজেও সেটা consistently follow করেন।

৩. শুধু mobile কমাবেন না—alternative-ও দেবেন।

একটা শিশুকে বললেন—

“Mobile চালাবে না।”

কিন্তু তার বিকল্পে যদি থাকে—

“পড়ো।”

তাহলে mobile-ই তার কাছে সবচেয়ে attractive option থাকবে।

তাই sports, outdoor play, drawing, music, books, family activities, friends-এর সঙ্গে face-to-face interaction—এসবের জায়গা তৈরি করতে হবে।
মোটকথা আপনি নিজে শারীরিক ভাবে উপস্থিত থেকে বাচ্চাকে সময় দিন! বিশ্বাস করুন, বাচ্চা মোবাইল এর দিকে তাকিয়েও দেখবে না! আমরা নিজেরাই বা কতটুকু মোবাইল থেকে দূরে! প্রশ্ন টা নিজেকে করেছেন কি?

৪. Mobile কে “reward” বা “bribe” হিসেবে অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না।

“ভালো করে পড়লে mobile দেব।”

এভাবে mobile-এর value আরও বাড়িয়ে দেই আমরা।

বরং বাচ্চা কে শেখান—

screen is one part of life, not the centre of life.

৫. আপনার নিজের screen habit-ও দেখুন।

আমরা যদি বলি—

“Phone রাখো!”

আর নিজের হাতে সারাক্ষণ phone থাকে,
তাহলে বাচ্চার কাছে message টা confusing লাগতেই পারে তাই না?

বাচ্চা পা শুধু আমাদের কথা শোনে না—
আমাদের behaviour observe ও করে।

শেষে একটা কথা মনে রাখুন—

Mobile কেড়ে নেওয়া সহজ।
কিন্তু mobile-এর জায়গায় এমন একটা জীবন তৈরি করা, যেখানে শিশুর real world-টাও rewarding—সেটাই parenting-এর মূল challenge।

তাই প্রশ্নটা শুধু—

“আমার বাচ্চা এত mobile কেন চালায়?” এটা না হোক!

বরং এর পাশাপাশি প্রশ্ন করুন—

“Mobile-এর বাইরে আমার বাচ্চার পৃথিবীটা কতটা interesting, connected এবং emotionally fulfilling?”




21/09/2026

রাগ নিয়ন্ত্রণ এর ম‍্যাজিক ফর্মূলা

17/09/2026

আপনার Performance কমছে কেন?

Corporate world-এ confidence আর narcissism-কে অনেক সময়ই গুলিয়ে ফেলা হয়! আমরা আসলে জানিই না এর দুটোর মধ্যে পার্থক্য কোথ...
17/09/2026

Corporate world-এ confidence আর narcissism-কে অনেক সময়ই গুলিয়ে ফেলা হয়! আমরা আসলে জানিই না এর দুটোর মধ্যে পার্থক্য কোথায়। দুটোই বাইরে থেকে দেখতে অনেকটা একই রকম, কিন্তু গভীর আচরণগত প্রভাব? পুরো উল্টো ।

মানুষটা আপনার idea প্রথমে reject করলেন। কিন্তু কিছুদিন পর সেই idea-টাই নিজের বলে presentation-এ চালিয়ে দিলেন! পরিচিত লাগছে?

Office politics সবসময় চুপিচুপি হয় না। কখনো কখনো সেটি আসে charm, confidence আর success-এর অভিনব সব packaging এ ।

চলুন দেখে নেই এক নজরে,

Corporate Narcissist-এর Common Patterns:

১. Grandiose self-belief
তাদের নিজের intelligence, talent বা importance সম্পর্কে অতিরঞ্জিত ধারণা থাকবে।
এই যেমন, “এই project টা আমার জন্যই সফল হয়েছে—team শুধু support করেছে। আসল গেইম চেঞ্জার তো আমি!”

২. Excessive need for recognition
নিজের contribution-এর জন্য constant praise ও recognition চান।
যেমন, অন্য কেউ প্রশংসা পেলে conversation ঘুরিয়ে নিজের achievement-এর কথা বলা।

৩. Credit টা নেওয়া, blame অন্যের ওপর দেওয়া
সাফল্য নিজের, কিন্তু failure হলে responsibility অন্যের।
যেমন ধরুন, কোন লক্ষ‍্য পূরণে সফল বা ব্যর্থ হলে, “Target achieve হয়েছে আমার strategy-র কারণে।” কিন্তু target miss হলে—“Team ঠিকমতো কাজ করেনি।”

৪. Criticism tolerate না করা
সামান্য feedback-ও personal attack হিসেবে নিয়ে ফেলেন। একটি ভুলের কথা বলতেই defensive বা angry হয়ে যান।

৫. Lack of empathy
অন্যের stress, workload বা feelings-এর প্রতি genuine consideration কম থাকে এদের।
Employee অসুস্থ হলেও বলা—“Personal problem office performance-এ আনবেন না।” In fact, একজন Narcissist মানুষ, তার সহকর্মীর কষ্টের কথা মন দিয়ে শুনবেন কখনও, এটা আশাই করা যায়না ।

৬. অন্যের success-এ threatened হওয়া
যোগ্য colleague-এর recognition বা promotion সহজে নিতে পারেন না এরা।
বলবেন, ওর promotionটা শুধু manager-এর favourite হওয়ার কারণে হয়েছে, যোগ্যতা বলে নয় ।

৭. Manipulation & Gaslighting
নিজের behaviour-এর responsibility এড়িয়ে অন্যকে confused বা guilty feel করাতে এরা অত্যন্ত পটু।
এই যেমন, “আমি তো কখনো এটা এভাবে মিন করে বলিনি—তুমি unnecessarily sensitive হয়ে যাচ্ছ।”

৮. Power & control-এর প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ
অন‍্যদের ওপর সব সময় একটা controlling influence ধরে রাখতে চান।Team member দের কেউ নিজের জায়গা থেকে independently ভালো decision নিলে সেটিকে undermine করেন।

তাহলে উপায়? কাজ তো করতেই হবে! মানসিকভাবে সুস্থ ও থাকতে হবে! বলছি বেসিক কিছু কথাঃ

Corporate Narcissist Handle করার ৫টি Basic Way

১. Clear Boundaries রাখুন
কোন behaviour acceptable আর কোনটা নয়—শান্তভাবে স্পষ্ট করুন। এই জায়গায় কোন Compromise করা মানে নিজের ভালো থাকার চাবিকাঠি তার হাতে তুলে দিলেন।

২. সবকিছু Document করুন
Important instructions, decisions, deadlines ও communication লিখিত রাখুন। এতে unnecessary blame এড়ানো সহজ হয়।

৩. Emotionally React না করে Assertive থাকুন
Provocation-এর জবাবে defensive না হয়ে short, factual এবং professional response দিন।

৪. Approval-এর ওপর নির্ভর করবেন না
তাদের praise বা criticism-কে নিজের competence বা self-worth-এর measure বানাবেন না। আমরা এখানেই ধরা টা খাই।

৫. প্রয়োজন হলে Support নিন
Repeated manipulation, bullying বা unfair treatment হলে trusted senior, HR বা appropriate organisational channel ব্যবহার করুন।

মনে রাখবেন, আপনার লক্ষ্য তাকে “ঠিক করা” নয়—বরং নিজের professional boundaries, dignity এবং psychological safety protect করেই আপনি সামনে এগিয়ে যাবেন, কোন নার্সিসিস্ট কে নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষমতা না দিয়েই!




14/09/2026


PTSD: Trauma শেষ হয়ে যাওয়ার পরও Brain কেন Danger Mode-এ থাকে?প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অনেক সৈনিক যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে আস...
13/09/2026

PTSD: Trauma শেষ হয়ে যাওয়ার পরও Brain কেন Danger Mode-এ থাকে?

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অনেক সৈনিক যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে আসছিলেন! যুদ্ধ তারা শেষ করে ফেলেছেন—কিন্তু যুদ্ধ যেন তাদের ভেতর থেকে শেষ হচ্ছিল না!

তাদের কেউ কেউ প্রচণ্ড জোরে কাঁপতেন বা Shivering হতো, কেউ না ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিতেন রাতের পর রাত, হঠাৎ দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে উঠতেন , হঠাৎ শব্দে চমকে উঠতেন, কেউ আবার অকারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন।

তখন এই অবস্থাটার নাম দেওয়া হয়েছিল “Shell Shock.”

প্রথমে মনে করা হয়েছিল, যুদ্ধের বিস্ফোরণের সময় হওয়া physical impact-এর কারণে তাদের brain হয়তো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু পরে দেখা গেল—অনেক সৈনিকের একই ধরনের symptoms ছিল, যদিও বা তারা সরাসরি কোনো explosion-এর কাছাকাছি ছিলেনই না।

তারও অনেক বছর পর, Vietnam War veterans-দের অভিজ্ঞতা ও trauma research-এর মাধ্যমে আমরা একটু একটু করে বুঝতে শুরু করি—কখনও কখনও সত‍্যিকারের যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও brain-এর যুদ্ধ শেষ হয় না।

আর তারপর তো ১৯৮০ সালে Post-Traumatic Stress Disorder (PTSD) আনুষ্ঠানিকভাবে DSM-III-তে diagnostic category হিসেবে যুক্ত হলো!

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

Trauma তো শেষ। তাহলে brain এখনও danger খুঁজছে কেন?

কারণ PTSD-তে brain-এর threat detection এর যে system আছে, সেটা অতীতের বিপদকে বর্তমানের বিপদ হিসেবে treat করতে থাকে। সহজ করে বললে,

ধরুন একটি traumatic incident ঘটে গেল! brain-এর তখন প্রধান লক্ষ্য কি থাকে?

“বাঁচতে হবে।”

তখন Amygdala ( মস্তিষ্কের ভেতরের অংশ, যা মূলত emotion ও threat detection-এর সঙ্গে জড়িত) খুব দ্রুত potential danger detect করে এবং শরীরকে fight, flight, freeze বা other defensive responses-এর জন্য প্রস্তুত করে।

এই পর্যন্ত ঠিক আছে, কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন trauma-এর পরেও এই alarm system যথাযথভাবে “off” হতে পারে না।

ফলে আজকে আপনি নিরাপদ ঘরে বসে আছেন—

কিন্তু জাস্ট একটি শব্দ, একটি smell, একটি জায়গা, একটি মুখ, এমনকি কোনো একটি sentence—

Brain এর কাছে পুরোনো danger-এর trigger হয়ে যেতে পারে।

শরীরও তখন Brain এর কথা শুনবে! ভাববে,

“Danger is here again.”

যদিও বাস্তবে কোন danger সেখানে নেই।

PTSD er common কিছু symptoms এর মধ্যে দেখা যায়ঃ

• Flashbacks — মনে হতে পারে ঘটনাটি আবার ঘটছে ( হুবহু একই ভাবে)।
• Nightmares — trauma-related disturbing dreams বা দুঃস্বপ্ন ।
• Hypervigilance — সবসময় আশেপাশে danger খোঁজা বা সবসময় তটস্থ থাকা ।
• Exaggerated startle response — সামান্য শব্দেও অতিরিক্ত চমকে ওঠা!
• Avoidance — trauma-এর কথা মনে করিয়ে দেয় এমন মানুষ, জায়গা বা পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা! ( মানে কোন Car accident নিয়ে ট্রমা থাকলে, টেলিভিশন এও Car accident এর নিউজ দেখতে না পারা)। আর সেই সাথে
• Sleep disturbance
• Emotional numbness
• Negative changes in beliefs and emotions এগুলোও থাকতে পারে।

অর্থাৎ PTSD শুধু “পুরোনো ঘটনা মনে পড়া” নয়।
এটি এমন একটি অবস্থাও যেখানে brain, body এবং nervous system এখনও survival mode-এ আটকে আছে ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার—

PTSD মানে আপনার রেসপন্স সিস্টেম দুর্বল নয়!

বরং অনেক ক্ষেত্রে আপনার brain যে একসময় আপনাকে বাঁচানোর জন্য survival response টা তৈরি করেছিল, সেটিই পরে আপনার দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা তৈরি করতে শুরু করেছে।

তাই PTSD-কে শুধু “একটি পুরোনো ঘটনা ভুলতে না পারা” হিসেবে আমরা দেখবো না।

Trauma-এর পর brain-এর কাজ হলো আপনাকে আবার নিরাপত্তার অনুভূতিতে ফিরিয়ে আনা। আর সেই journey টা সবার জন্য একই রকম দীর্ঘ হয় না।

কখনও কখনও মানুষটি জানেন যে “আমি এখন নিরাপদ”, কিন্তু তার nervous system হয়তো এখনও সেই নিরাপত্তার সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেনি। হতে পারে না এরকম?

শুধুমাত্র এই Acknowledgment এর মাধ্যমেই শুরু হয় healing!

মনে রাখবেন, Trauma recovery-এর লক্ষ্য অতীতকে মুছে ফেলা নয়।লক্ষ্য হলো—অতীতের স্মৃতি যেন আর বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ না করে এটা নিশ্চিত করা।

ধীরে ধীরে brain ও body-কে শেখানো—

“ঘটনাটি ঘটেছিল।
কিন্তু ঘটনাটি এখন ঘটছে না।
এবং আমি এখন নিরাপদ।”

তাই যখন trauma-related symptoms দীর্ঘস্থায়ী হয়, দৈনন্দিন জীবন, relationship, sleep বা functioning-এ প্রভাব ফেলে, তখন professional assessment ও evidence-based treatment নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ trauma আপনার জীবনের একটি অধ্যায় হতে পারে, পুরো একটা জীবন হতে পারে না!

আর Healing এর এই জার্নি তে সবসময়ই
পাশে আছি 🙏





12/09/2026

Mindful আছি তো?

The fault, dear Brutus, is not in our stars, but in ourselves…”— William Shakespeareশেক্সপিয়ারের এই কথাটি কয়েকশো বছর আগে...
11/09/2026

The fault, dear Brutus, is not in our stars, but in ourselves…”
— William Shakespeare

শেক্সপিয়ারের এই কথাটি কয়েকশো বছর আগের হলেও এর মনোবৈজ্ঞানিক অর্থ কিন্তু অনেক গভীর—আমাদের জীবনে যা ঘটছে, তার সবকিছুর জন্য আমরা দায়ী নই; কিন্তু কোন অংশটুকুর জন্য আমরা দায়ী, সেটুকু স্বীকার করার ক্ষমতাই emotional maturity-এর একটি বড় চিহ্ন।

আমাদের ব্যক্তিগত জীবনেও একই psychological principle কাজ করে।এবং এই ঘটনাবহুল জীবনের একটা বড় অংশ আমরা অন‍্যকে দোষারোপ করে আর নিজের Accountability এড়িয়ে পাড় করে দেই!

এখানে Accountability মানে কি নিজেকে দোষী বানানো? বা সব দোষ নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া? একেবারেই নয়।
Accountability মানে হলো-
“হ্যাঁ, এখানে আমার একটা ভূমিকা ছিল।”
“আমি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”
“আমি boundary set করিনি।”
“আমি red flag দেখেও ignore করেছি।”
“আমি যেভাবে react করেছি, সেটা আরও healthy হতে পারত।”

এই স্বীকারোক্তিগুলো প্রথমে uncomfortable লাগবে, কারণ আমরা Blame shifting এ অভ্যস্ত, দায়ভার এড়িয়ে যাওয়াটা আমাদের বেসিক Stress Coping Strategy! তাই শুরুর দিকে এই স্বীকারোক্তিতে আমাদের অস্বস্তি লাগা টা স্বাভাবিক ।

কিন্তু paradoxically, এগুলোই ধীরে ধীরে মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। কেন বলছি?

কারণ যখন আমরা accountability এড়িয়ে যাই, তখন আমাদের মন বারবার একটি প্রশ্নের -এর মধ্যে আটকে থাকে—

“আমার জীবনের এই পরিনতির জন্য কে দায়ী?”

তারপর শুরু হয় blame, resentment, justification এবং endless mental replay, যেটার শুরু আছে, শেষ নাই ।

“ও এমন না করলে…”
“ও আমাকে এভাবে treat না করলে…”
“আমার সঙ্গে এমনটা কেন হলো?”
“সবসময় আমার সাথেই কেন এমন হয়?”

এগুলো কিছু সময়ের জন্য emotional relief দিতে পারে হয়তো, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আমাদের মন কে এমন একটি অবস্থায় নিয়ে চলে যায় যেখানে নিজের জীবনের control অন্য মানুষের হাতে দিয়ে রাখা হয়, এবং সচেতন ভাবে আমরা সেটা বুঝতেও পারি না!

Psychologically, accountability আমাদের Agency ফিরিয়ে দেয়। Agency বলতে বোঝায়, নিজের সিদ্ধান্ত ও আচরণের ওপর প্রভাব রাখার সক্ষমতা টা!

কারণ আপনি যখন বলেন—

“আমি ওকে হয়তো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, কিন্তু আমি কীভাবে respond করব সেটা আমার হাতে।”

তখন না “Victimhood” থেকে “Agency” -তে একটি গুরুত্বপূর্ণ shift ঘটে।
এই শিফট টা আপনার মানসিক প্রশান্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নয়তো একটা Loop এর মধ‍্যে আপনি আটকে থাকবেন,
“ কেন এমন হলো ➡️ ও কেন এমন করলো ➡️ আমার সাথেই কেন হলো এটা”
আর এই সাইকেল এতটাই Chronic হয়ে যায় কখনো কখনও, আমরা বুঝি একটা লুপে আটকা পড়ে আছি, কিন্তু বের হওয়ার সাহস করতে পারি না! লুপটাই একটা কমফোর্ট জোন হয়ে যায় । আর problem এর শুরু এখানেই ।

যে বিষয়টি আমরা জানি না বা বুঝতে চাই না তা হলো-
Responsibility ≠ blame.

আপনার সঙ্গে কেউ প্রতারণা করলে তার প্রতারণার দায় আপনার নয়।
কেউ abuse করলে abuse-এর দায় আপনার নয়।
কেউ আপনাকে manipulate করলে manipulation-এর দায় আপনার নয়।

কিন্তু সেই experience-এর পরে আপনি নিজের healing-এর জন্য কী করবেন—সেটুকু আপনার responsibility।

আপনি কি একই pattern বারবার choose করবেন?
আপনি কি এবার একটা boundary তৈরি করবেন?
আপনি কি সাহায্য চাইবেন?
আপনি কি নিজের ভুল থেকে শিখবেন?

এখানেই accountability আপনাকে powerless অবস্থান থেকে বের করে আনে। Learned Helplessness থেকে নিজের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায়।
“এই ঘটনার পর আমার কোন অংশটুকুর দায়িত্ব আমি নিজে নিতে পারি?”

হয়তো সেই প্রশ্নের উত্তরই আপনার মানসিক প্রশান্তির দিকে প্রথম পদক্ষেপ।

কিন্তু কীভাবে accountability বাড়ানো যায়? জাস্ট ৩ টা বেসিক স্টেপস!

১. “কে দোষী?” থেকে “আমার ভূমিকা কী ছিল?”-তে প্রশ্ন বদলান

কোনো সমস্যা হলে আমাদের মন স্বাভাবিকভাবেই blame খুঁজতে চায়।

“ও এটা করল কেন?”
“ও আমাকে এমন ভাবে treat করল কেন?”
“ওর জন্যই সব নষ্ট হয়েছে।”

কিন্তু প্রতিবার blame-এর দিকে না গিয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—

“এই পরিস্থিতিতে আমার control-এর মধ্যে কী ছিল?”

হয়তো আপনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
হয়তো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি tolerate করেছেন।
হয়তো নিজের boundary পরিষ্কার করেননি।
হয়তো নিজের emotion-এর বশে এমন কিছু বলেছেন, যা পরে regret করেছেন।

নিজের অংশটুকু দেখা মানে অন্যের wrongdoing-কে excuse করা নয়।

অন্যের দায় তার, আমার দায় আমার।
এই distinction accountability-এর ভিত্তি। পরিষ্কার?

২. নিজের ভুলকে Character-এর সমস্যা না বানিয়ে Behaviour হিসেবে দেখুন

অনেক মানুষ accountability নিতে পারেন না, কারণ তারা মনে করেন—

“আমি ভুল করেছি” = “আমি খারাপ মানুষ।”

এখান থেকেই defensiveness শুরু হয়।

তাই—

“আমি selfish” বলার পরিবর্তে বলুন,
“এই situation-এ আমি selfishly behave করেছি।”

“আমি terrible partner” নই,
“আমার communication এখানে healthy ছিল না।”

“আমি useless” নই,
“আমি এখানে একটা ভুল decision নিয়েছি।”

এতে shame কমে এবং learning বাড়ে।

Psychologically, guilt অনেক সময় behaviour correction-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে; কিন্তু toxic shame মানুষকে আত্মরক্ষামূলক ও avoidant করে তুলতে পারে।
তাই accountability-এর সঙ্গে self-compassion রাখাটাও জরুরী ।

নিজেকে excuse করবেন না—
কিন্তু নিজেকে destroy ও করবেন না।

৩. ভুল স্বীকার করার পর একটি “next action” ঠিক করুন

শুধু—

“হ্যাঁ, আমার ভুল হয়েছে”

বলা accountability-এর শেষ নয়।

তারপর প্রশ্ন করুন—

“এখন আমি কী differently করব যেটা আগে করতাম না?”

Boundary তৈরি করব?
ক্ষমা চাইব?
কোনো ক্ষতি repair করব?
কোনো unhealthy pattern stop করব?
প্রয়োজনে professional help নেব?
পরেরবার decision নেওয়ার আগে আরও সময় নেব?

কারণ accountability তখনই meaningful হয়, যখন insight → action-এ যায়।

নিজের ভুলকে শুধু regret হিসেবে রেখে দিলে সেটা guilt তৈরি করে।কিন্তু ভুল থেকে নতুন behaviour তৈরি করতে পারলে সেটাই growth।

So?

আপনি কতটা Accountable ? জানান কমেন্ট করে ।




Address

Level 6, House 26 And 28, Road-6/C, Quantum Tower (Opposite Sector 12 Masjid Graveyard), Sector 12, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mithila Khandaker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category