Aachol Corporate Wellbeing

  • Home
  • Aachol Corporate Wellbeing

Aachol Corporate Wellbeing Our goal is to guide corporate individuals in all aspects of mental health

কর্পোরেট পেশাদারদের জন্য নানারকম প্রেশার বা কাজের চাপ খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন প্রেশার অতিরিক্ত হয...
25/11/2024

কর্পোরেট পেশাদারদের জন্য নানারকম প্রেশার বা কাজের চাপ খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন প্রেশার অতিরিক্ত হয়ে দাঁড়ায় এবং আপনি স্বাভাবিক কাজ করতে ব্যাহত হন। এ থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন একটি দৃঢ় মানসিক এবং শারীরিক শক্তির যা আপনাকে চ্যালেঞ্জের মুখে মানিয়ে নিতে এবং উন্নতি করতে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু অভ্যাস পরিবর্তন ও নতুন কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে একজন কর্পোরেট পেশাদার কার্যকরভাবে চাপ কন্ট্রোল করতে এবং প্রোডিকটিভি বজায় রাখতে সক্ষম হন।

কর্পোরেট পেশাদাররা কীভাবে স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করতে পারে তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

👉 মানসিক বুদ্ধিমত্তা: মানসিক চাপ পরিচালনা করতে এবং চাপের মধ্যে শান্ত থাকার জন্য আত্ম-সচেতনতা এবং মানসিক নিয়ন্ত্রণ বিকাশ অনুশীলন করতে হবে।

👉 বৃদ্ধির মানসিকতা: এমন একটি মানসিকতা গড়ে তুলুন যা চ্যালেঞ্জগুলিকে সুযোগ হিসাবে দেখে।পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

👉 স্ব-যত্ন এবং সুস্থতা: ব্যায়াম, সঠিক পুষ্টি এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে শারীরিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া মানসিক সুস্থতায় অবদান রাখে, যা স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়।

👉 স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট টেকনিক: প্রতিদিনের স্ট্রেস পরিচালনা করতে এবং বার্নআউট এড়াতে মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা জার্নালিংয়ের মতো কৌশলগুলি শিখুন।

👉 কর্ম-জীবনের ভারসাম্য: ব্যক্তিগত জীবন এবং কাজের দায়িত্বের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা বার্নআউট প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং টেকসই মানসিক শক্তি নিশ্চিত করে।

👉 বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ: পেশাদারদের উচিত অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা, ছোট জয় উদযাপন করা এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। এটি কৃতিত্বের অনুভূতিকে উৎসাহিত করে এবং চাপ কমায়।

কর্পোরেট ওয়েলবিং ওয়ার্কশপের ভূমিকা:

কর্পোরেট ওয়েলবিং কর্মশালাগুলি একটি কাঠামোগত এবং সহায়ক পরিবেশ প্রদান করে যেখানে পেশাদাররা তাদের স্থিতিস্থাপকতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করার কৌশলগুলি শিখতে পারে। এই ধরনের কর্মশালাগুলি কীভাবে নির্দেশিকা প্রদান করে তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

✅ মাইন্ডফুলনেস এবং মেডিটেশন সেশন: এই সেশনগুলি পেশাদারদের শেখায় কিভাবে উপস্থিত থাকতে হয়, উদ্বেগ পরিচালনা করতে হয় এবং মননশীলতা অনুশীলনের মাধ্যমে চাপ কমাতে হয়। মাইন্ডফুলনেস এবং মেডিটেশন টেকনিক ফোকাস এবং মানসিক নিয়ন্ত্রণ উন্নত করে।

✅ স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট কৌশল: কর্মশালায় প্রায়ই শিথিলকরণ কৌশল, জ্ঞানীয়-আচরণগত পদ্ধতি এবং সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতার মাধ্যমে স্ট্রেস পরিচালনার প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এগুলি উচ্চ-চাপের পরিস্থিতিতে কর্মীদের সংযম বজায় রাখতে সহায়তা করে।

✅ আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ: কর্পোরেট সুস্থতা প্রোগ্রাম পেশাদারদের কীভাবে আত্ম-সচেতনতা বাড়াতে, আবেগ পরিচালনা করতে এবং আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ উন্নত করতে পারে, যা স্থিতিস্থাপকতার মূল উপাদান।

✅ শারীরিক সুস্থতা প্রোগ্রাম: এই কর্মশালাগুলি ব্যায়াম, পুষ্টি, এবং সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতার প্রচারের উপর ফোকাস করতে পারে, যা মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্ট্রেস পরিচালনা করার ক্ষমতাতে সরাসরি অবদান রাখে।

✅ মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা: অনেক কর্মশালা কাউন্সেলিং পরিষেবা বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অ্যাক্সেস প্রদান করে যারা কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলি পরিচালনা, বার্নআউট পরিচালনা এবং স্থিতিস্থাপকতা বিকাশের বিষয়ে গাইড করে।

✅ লক্ষ্য-নির্ধারণ এবং সময় ব্যবস্থাপনা: পেশাদারদের বাস্তবসম্মত, অর্জনযোগ্য লক্ষ্য সেট করতে এবং তাদের সময় কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করা এবং একটি স্বাস্থ্যকর কর্ম-জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করা এই ওয়ার্কশপের অন্যতম একটি লক্ষ্য।

✅ একটি ইতিবাচক কাজের সংস্কৃতি তৈরি করা: কর্মশালাগুলি প্রায়ই একটি সহায়ক এবং ইতিবাচক কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি তৈরি করার গুরুত্বের উপর জোর দেয় যেখানে কর্মীরা মূল্যবান এবং অনুপ্রাণিত বোধ করে। একটি ইতিবাচক পরিবেশ মানসিক স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং চাপ কমায়।

এই পদ্ধতিগুলিকে একীভূত করার মাধ্যমে, কর্পোরেট সুস্থতা কর্মশালাগুলি পেশাদারদের একটি স্বাস্থ্যকর মানসিকতা বজায় রাখতে এবং চাহিদাপূর্ণ পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে ক্ষমতায়ন করে।

কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করার সময় ভুল যোগাযোগ (মিসকমিউনিকেশন) একটি সাধারণ সমস্যা, যা কাজের পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পা...
12/11/2024

কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করার সময় ভুল যোগাযোগ (মিসকমিউনিকেশন) একটি সাধারণ সমস্যা, যা কাজের পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। এটি শুধু কাজের গতি ধীর করে না, বরং কর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। তবে, কিছু কৌশল প্রয়োগ করে আপনি কাজের পরিবেশে শান্তি বজায় রাখতে এবং ভুল যোগাযোগের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

১. স্পষ্ট ও সঠিকভাবে যোগাযোগ করুনঃ
কর্পোরেট সেক্টরে যোগাযোগের সময় স্পষ্ট ও সঠিকভাবে তথ্য উপস্থাপন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মেসেজ বা ইমেইল পাঠানোর আগে, বার্তাটি সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন যাতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয়। একই সাথে, প্রতিটি তথ্য যাচাই করে পাঠানো উচিত, যাতে প্রয়োজনীয় বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছে যায়।

২. সক্রিয় শ্রোতা হয়ে উঠুনঃ
অনেক সময় আমরা শুধু বলার দিকে মনোযোগ দিই, শোনার দিকে নয়। কিন্তু, সঠিক যোগাযোগের জন্য একজন সক্রিয় শ্রোতা হওয়া অপরিহার্য। সহকর্মীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মাধ্যমে আপনি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারবেন এবং ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে পারবেন।

৩. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুনঃ
অফিসের কাজের চাপ এবং ভুল যোগাযোগ থেকে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ সহজেই আপনার আবেগকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা এবং পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। হঠাৎ রেগে যাওয়া বা আবেগপ্রবণ হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করুনঃ
বর্তমান কর্পোরেট সেক্টরে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, এই প্রযুক্তি যেমন সুবিধাজনক, তেমনই ভুল ব্যবহারের ফলে মিসকমিউনিকেশনও হতে পারে। তাই ইমেইল, চ্যাট, বা অন্যান্য মেসেজিং টুল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং তথ্য সঠিকভাবে বিনিময় করুন।

৫. সহমর্মিতা প্রদর্শন করুনঃ
সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করলে যোগাযোগ আরও উন্নত হয়। কেউ ভুল করলে তাদের প্রতি কঠোর হওয়ার বদলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করুন এবং তাদেরকে সহযোগিতা করুন। এতে কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকবে।

৬. যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ঃ
যদি কোনো ভুল যোগাযোগ ঘটে, তাহলে সমস্যার দিকে বেশি মনোযোগ না দিয়ে সমাধানের দিকে মনোযোগ দিন। প্রয়োজনে আলোচনা করে, ভুল বোঝাবুঝি দূর করার জন্য সচেষ্ট হোন। এতে দলগতভাবে কাজের পরিবেশ উন্নত হয় এবং মানসিক শান্তি বজায় থাকে।

৭. সময়মত বিরতি নিনঃ
কর্পোরেট সেক্টরে কাজের চাপ প্রায়শই মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই, মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে মাঝে মাঝে কাজের ফাঁকে বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার মস্তিষ্ককে তরতাজা করবে এবং নতুন উদ্যমে কাজ করতে সাহায্য করবে।

৮. ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুনঃ
নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকে নিজেকে দূরে রেখে সবসময় ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখা কর্পোরেট সেক্টরে শান্তি বজায় রাখার একটি প্রধান উপায়। বিশ্বাস রাখুন যে, প্রতিটি সমস্যা সমাধানযোগ্য এবং আপনি নিজের যোগ্যতা দিয়ে সেটি সমাধান করতে পারবেন।

কর্পোরেট সেক্টরে ভুল যোগাযোগ একটি অস্বাভাবিক বিষয় নয়, তবে সঠিক কৌশলের মাধ্যমে এটি সামলানো সম্ভব। নিয়মিত সক্রিয়ভাবে শোনা, স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করা এবং মানসিক শান্তি বজায় রেখে সহানুভূতিশীল আচরণ করলে, কাজের পরিবেশ উন্নত করা সম্ভব।

বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে, কর্পোরেট ওয়েলবিং প্রোগ্রামগুলো চাকুরীজীবি দের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপ...
22/10/2024

বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে, কর্পোরেট ওয়েলবিং প্রোগ্রামগুলো চাকুরীজীবি দের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কর্মক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ওয়েলবিং প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে কর্মীদের অসুস্থতার হার প্রায় ২৫% হ্রাস পায়, যার ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর চিকিৎসা খরচ কমে যায় প্রায় ৩০% পর্যন্ত(Bureau of Labor Statistics)।

এছাড়াও, এক গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মীদের জন্য ওয়েলবিং প্রোগ্রাম পরিচালনার ফলে সংস্থাগুলোতে কর্মী ধরে রাখার হার ৫০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এর প্রধান কারণ হলো, ওয়েলবিং প্রোগ্রামগুলো কর্মীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি এক ধরণের আস্থার জন্ম দেয়, যা তাদের কাজের প্রতি আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করে(DOL)

ওয়েলবিং প্রোগ্রামগুলো শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতাই নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও কার্যকর। যেমন, কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা অন্যান্য মানসিক সমস্যা মোকাবেলায় এমন প্রোগ্রামগুলো কর্মীদের মানসিক স্থিতিশীলতা ও কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সাহায্য করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যারা নিয়মিত ওয়েলবিং প্রোগ্রামে অংশ নেয় তাদের প্রায় ৪০% কম মানসিক চাপ এবং কাজের মান বৃদ্ধি পায়। (U.S. Office of Personnel Management)

এই পরিসংখ্যানগুলো থেকে স্পষ্ট যে, ওয়েলনেস প্রোগ্রাম চালু করা শুধু কর্মীদের জন্য নয়, বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্যই একটি লাভজনক বিনিয়োগ। তাই, কর্পোরেট পর্যায়ে কর্মীদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া, তাদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তৈরি করা এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ওয়েলবিং প্রোগ্রামের গুরুত্ব অপরিসীম।

How Aachol Corporate Wellbeing can help your cooperate life

আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং এর ভিশন: ভবিষ্যতে এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্যকে কর্মক্ষমতা এবং কর্মীদের সন্তুষ্টির একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যার ফলে সুস্থ প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সুস্থ কমিউনিটি গড়ে উঠবে।

কর্পোরেট সেক্টরে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সহায়তার সংস্কৃতি তৈরি করা, যা কর্মীদেরকে আরও আনন্দিত, সুস্থ, এবং উৎপাদনশীল কর্মী হিসেবে গড়ে তুলবে।

আমাদের প্রোগ্রামগুলো সবসময়
Mental Health Support
Physical Health Initiative.
Work-Life Balance Initiatives
Financial Wellbeing
Social Wellbeing and Team Building
Mindfulness and Resilience Training
এই বিষয় গুলোর দিকে নজর দিয়ে থাকে
যা কর্পোরেট সেক্টরে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সহায়তা করবে, যা আপনাকে আরও আনন্দিত, সুস্থ, এবং উৎপাদনশীল কর্মী হিসেবে গড়ে তুলবে।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -

Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2nd November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Bishwa Sahitya Kendro, banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668
ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch

For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

কর্মক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কীভাবে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে উন্নতি আনে এবং প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায়কখনো খেয়াল করেছেন, একটা...
15/10/2024

কর্মক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কীভাবে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে উন্নতি আনে এবং প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায়

কখনো খেয়াল করেছেন, একটা "ধন্যবাদ" আপনার মন কেমন ভালো করে দেয়? শুধু মন ভালো না, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কিন্তু আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে বুস্ট আনে এবং প্রোডাক্টিভিটিও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ব্যস্ত এই কর্মজীবনে আমরা প্রায়ই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ব্যাপারটা ভুলে যাই। কিন্তু ছোট এই অভ্যাসটা আপনার কাজ এবং মুডে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব:
কৃতজ্ঞতা মানে শুধু সৌজন্যতা নয়, বরং এটা এমন এক মানসিকতা, যা আপনাকে কি নেই সেটা থেকে সরিয়ে, কি আছে সেটার দিকে মনোযোগী করে তোলে। এটা আপনাকে আপনার কাজ, সহকর্মী এবং ছোট-বড় সাফল্যগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ থাকতে শেখায়। এতে করে কাজের প্রতি আপনার সন্তুষ্টি এবং মনোযোগও বেড়ে যায়।

উদাহরণ: যখন আপনার সহকর্মী আপনার কাজের প্রশংসা করে, তখন কি আপনি বেশি অনুপ্রাণিত বোধ করেন? কৃতজ্ঞতার এটাই শক্তি!

আসুন মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কৃতজ্ঞতার উপকারীতাগুলো জেনে নেই।
কৃতজ্ঞ থাকা মানসিক চাপ কমাতে বেশ কার্যকরী। যখন আপনি ইতিবাচক জিনিসগুলোর প্রতি মনোযোগ দেন, তখন স্ট্রেস, হতাশা কমতে শুরু করে।

স্ট্রেস কমায়: কৃতজ্ঞতা আমাদের শরীরের স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে প্রেশারের সময়ও মন শান্ত থাকে।

মুড ভালো করে: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে আমাদের ব্রেনে আনন্দ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে।

সহনশীলতা বাড়ায়: যখন কোনো সমস্যা আসে, কৃতজ্ঞ মানুষ দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে, কারণ তারা ইতিবাচক দিকগুলোতে ফোকাস করে।

👉চেষ্টা করুন: প্রতিদিন অফিস শেষে তিনটা জিনিস লিখে রাখুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। হোক তা আপনার সহকর্মীর সাহায্য, একটা কাজ সময়মতো শেষ করা, অথবা ভালো একটা মিটিং। দেখবেন, আপনার মনের ওপর চাপ কমে আসবে।

এবার জেনে নেয়া যাক, কৃতজ্ঞতা কীভাবে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায়?
এটা শুধু ভালো অনুভব করার ব্যাপার নয়, কৃতজ্ঞতা সরাসরি আপনার কাজের দক্ষতায় প্রভাব ফেলে। যখন আপনি অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকেন, তখন কাজের পরিবেশও অনেক ইতিবাচক হয়ে ওঠে। এতে সবাই নিজেদের মূল্যবান মনে করে, যার ফলে কাজের গতি এবং মনোযোগ বেড়ে যায়।

দলগত কাজ উন্নত করে: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বিশ্বাস বাড়ায়। এতে কাজের মান বাড়ে এবং কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপও কমে।

মনোযোগ বাড়ায়: যারা কৃতজ্ঞ থাকে, তারা কাজের সময় কম বিভ্রান্ত হয়। অফিসের ছোটখাটো ঝামেলা বা চাপ তাদের কাজের ফোকাস নষ্ট করতে পারে না।

সৃজনশীলতা বাড়ায়: ভালো মুডে থাকলে নতুন আইডিয়া বা সৃজনশীল সমাধান বের করা সহজ হয়ে যায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সহজ উপায়গুলো কী কী? বলছি...
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মানেই বড় কিছু করা না। ছোট ছোট কাজেই বড় পরিবর্তন আসে।

"ধন্যবাদ" দিয়ে শুরু করুন: প্রতিদিন সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, মুখে হোক বা একটা ছোট নোটে। এতে আপনার সম্পর্কও ভালো থাকবে।

কৃতজ্ঞতার বিরতি নিন: দিনের মাঝে ৫ মিনিট সময় নিন আর ভেবে দেখুন আজকের দিনের ভালো দিকগুলো কী। বিশেষ করে চাপের সময় এটা মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

কৃতজ্ঞতার জার্নাল: একটা ছোট নোটবুকে কর্মক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ের জন্য কৃতজ্ঞ তা লিখে রাখুন। কিছুদিন পরেই দেখবেন, আপনার চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসছে।

যদি সারাংশ করে বলি তবে, ছোট ছোট জিনিসগুলোতে মনোযোগ দিন, সহকর্মীদের কাজের বা তাদের ভালো ব্যবহারের স্বীকৃতি দিন এবং নিজের ছোট ছোট সাফল্য উদযাপন করুন। এতে আপনি আরও কাজপাগল, সৃজনশীল এবং খুশি থাকবেন।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -

Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2nd November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Bishwa Sahitya Kendro, banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668
ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch

For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

29/09/2024

ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ~ আপনার জীবনের গেম চেঞ্জার। আবেগকে শক্তিতে পরিণত করে কীভাবে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্যের শিখরে উঠবেন, এই ভিডিওতে আবিষ্কার করুন মনের অদেখা ক্ষমতাগুলো।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -

Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2nd November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Bishwa Sahitya Kendro, banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668
ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch

For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

আরিফের জীবনে সবকিছুই যেন এখন খুব দ্রুত চলে। একটি কর্পোরেট অফিসের সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে আরিফ, সকাল থেকে সন্ধ্যা...
28/09/2024

আরিফের জীবনে সবকিছুই যেন এখন খুব দ্রুত চলে। একটি কর্পোরেট অফিসের সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে আরিফ, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্লায়েন্ট মিটিং, রিপোর্টস, টার্গেট পূরণ— সব কিছুতেই যেন সে আটকে থাকে। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরে বাসায় এসে একটা শান্তির নিঃশ্বাস ফেলারও সময় পায় না। সারা দিনের চাপ নিয়ে সোফায় বসে মোবাইল স্ক্রল করতে করতে কখন যে রাত হয়ে যায়, টেরই পায় না। অফিসের পর পরিবারের দিকে নজর দেওয়া তো দূরের কথা, নিজের জন্য একটু সময় বের করাই যেন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
আরিফের ফোকাস এখন শুধু কাজ আর কাজ। তবে মনটা যেন কোথাও গিয়ে আটকে আছে। কাজ করতে বসলে মনোযোগ থাকে না, একটানা কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। অফিসের বসের চাপ, টিম মিটিংয়ের চিন্তা আর বাড়তি ওয়ার্কলোড সব মিলিয়ে আরিফের মস্তিষ্ক যেন ঝিমিয়ে যাচ্ছে। আরিফ বুঝতে পারে, এভাবে চলতে থাকলে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কেমন একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রভাব
আমাদের আশেপাশের অনেক আরিফ আছেন, যাদের জীবন এই একই রুটিনে বাঁধা। অফিসের কাজ, বাড়ির টেনশন, ফ্যামিলি আর সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল জগতে নিজেকে হারিয়ে ফেলা এখনকার সময়ে খুব সাধারণ ব্যাপার। সারাক্ষণ এমন চাপ নিয়ে চলতে থাকলে মস্তিষ্ক ফোকাস হারিয়ে ফেলে, মানসিক চাপ বাড়ে এবং হতাশা এসে ভর করে।
আরিফ নিজেও খুব সহজে বুঝতে পারে, তার এই অসংগঠিত জীবনযাত্রা তার মেন্টাল হেলথের উপর কতটা প্রভাব ফেলছে। কাজে ফোকাস করতে পারছে না, ক্লায়েন্টের সাথে ঠিকমতো ইন্টারেকশন করতে গিয়ে ভুল হচ্ছে, এমনকি টার্গেট পূরণ না করতে পারার জন্য বসের বকা খাচ্ছে।

ফোকাস বাড়ানোর উপায়
আরিফের মতো যারা দিনের পর দিন এভাবে নিজেদের মানসিকভাবে ধ্বংস করে চলছেন, তাদের জন্য কিছু কৌশল মেনে চলা জরুরি:

1. কাজের সময় কাজ, বিশ্রামের সময় বিশ্রাম: কাজের মাঝে অল্প সময়ের বিরতি নিন। প্রতি ঘণ্টায় ৫-১০ মিনিটের ছোটো ব্রেক আপনাকে রিফ্রেশ করবে এবং কাজে ফোকাস আনতে সাহায্য করবে।
2. প্রায়োরিটি লিস্ট তৈরি করুন: প্রতিদিনের কাজগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী ভাগ করে নিন। কোন কাজটা আগে করতে হবে, কোনটা পরে করা যায়, সেটা বুঝে কাজ করুন।
3. মাল্টিটাস্কিং পরিহার করুন: একসাথে একাধিক কাজের চাপ মাথায় নিয়ে বসে থাকবেন না। এতে কাজের মান নষ্ট হয় এবং মস্তিষ্কের ফোকাস কমে যায়।
4. এক্সারসাইজ আর রিল্যাক্সেশন: অফিসের কাজের চাপের মাঝে ছোটোখাটো এক্সারসাইজ করে নিন। সকালে একটু হাঁটাহাঁটি বা রাতে হালকা স্ট্রেচিং আপনার মস্তিষ্ককে রিল্যাক্স করবে।
5. অফলাইন টাইম তৈরি করুন: কাজের বাইরে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন কিছু সময়। পরিবার বা নিজের সাথে সময় কাটান, যা আপনাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখবে।
6. মেডিটেশন ও স্লিপ রুটিন ঠিক করুন: প্রতিদিনের কাজের শেষে এক-দুই মিনিটের মেডিটেশন আপনার মনকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করুন এবং সেটা ফলো করুন।

আরিফের মতো যারা কাজ আর মানসিক চাপে আটকে আছেন, তাদের জন্য ফোকাস ধরে রাখাটা একটু কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এই ছোট ছোট স্ট্র্যাটেজিগুলো যদি কাজে লাগানো যায়, তবে ফোকাস ফিরে আসবে এবং অফিসের কাজের পাশাপাশি নিজেদের মানসিক শান্তিও ফিরে পাওয়া যাবে।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -

Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2nd November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Bishwa Sahitya Kendro, banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668
ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch

For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

জনাব ওয়াহিদুজ্জামান মাত্র কয়েক মাস আগে ক্রমাগত ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন। তিনি কাজের চাপের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সংগ্রাম করতেন...
21/09/2024

জনাব ওয়াহিদুজ্জামান মাত্র কয়েক মাস আগে ক্রমাগত ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন। তিনি কাজের চাপের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সংগ্রাম করতেন এবং প্রতিদিন অভিভূত বোধ করতেন। তার শক্তির ব্যবস্থাপনার অভাব তার কার্যক্ষম এবং সুস্থতার উপরে প্রভাব ফেলছিল।

উনার সাধারণ দিনটি খুব তাড়াহুড়োর মধ্য দিয়ে শুরু হতো। যেমন: সকালের খাবার এড়িয়ে যাওয়া, কফি পান করা এবং কোনো প্রকার বিরতি না নিয়েই সরাসরি কাজে লেগে পরা যেখানে বিকেলটাও এর ব্যতিক্রম নয়। চাপ ও ক্লান্তি তার জন্য ক্রমাগতই বেড়ে চলেছিলো ফলপ্রসূত বিশ্রাম নেওয়া কিংবা পরিবারের সাথে সময় কাটানো তার জন্য কঠিন হতে গিয়েছিলো।

একদিন কাজ সঠিক সময়ে শেষ করতে না পারায় ও সময়সীমা অতিক্রম হওয়ায় তিনি সিন্ধান্ত নেন যে তার শক্তির মাত্রার নিয়ন্ত্রণ দরকার। সেক্ষেত্রে তিনি যেভাবে কাজগুলো গুছিয়েছেন তা হলো:

১.ঘুমের প্রাধান্যতা: জনাব ওয়াহিদুজ্জামান একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সময়সীমাতে ৭-৮ ঘন্টা মানসম্মত ঘুম নিশ্চিত করেছেন। এই পরিবর্তনটি তার শক্তির স্তরে একটি বিশাল পরিবর্তন এনেছে।

২.স্বাস্থকর খাবার: সকালের খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে তিনি এখন সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলেছেন যা তার দৈনিক শারীরিক চাদিহা পুরণ ও পুষ্টির যোগান দেয়।

৩.নিয়মিত ব্যায়াম: দৈনিক রুটিনে ৩০ মিনিটের হাটা কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এটি কেবল তার শারীরিক শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে না বরং মেজাজ ও ফোকাসেরও উন্নতি সাধন করে।

৪.নির্ধারিত বিরতি: পোমোডোরো টেকনিক ব্যবহার করে ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ মিনিটের জন্য কাজ ও ৫ মিনিটের জন্য বিরতি নেন।এই বিরতিগুলো তাকে পুনরায় কাজ করতে সাহায্য করে।

৫.মাইন্ডফুলনেস প্রাক্টিস: মাইন্ডফুলনেস ও মেডিটেশন অনুশীলন করেন দিনে ১০ মিনিটের জন্য হলেও।এটি তাকে চাপ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিত থাকতে সাহায্য করে।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -

Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2 November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Bishwa Sahitya Kendro, banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668
ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch
For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

আরিফের জীবনে সবকিছুই যেন এখন খুব দ্রুত চলে। একটি কর্পোরেট অফিসের সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে আরিফ, সকাল থেকে সন্ধ্যা...
13/09/2024

আরিফের জীবনে সবকিছুই যেন এখন খুব দ্রুত চলে। একটি কর্পোরেট অফিসের সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে আরিফ, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্লায়েন্ট মিটিং, রিপোর্টস, টার্গেট পূরণ— সব কিছুতেই যেন সে আটকে থাকে। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরে বাসায় এসে একটা শান্তির নিঃশ্বাস ফেলারও সময় পায় না। সারা দিনের চাপ নিয়ে সোফায় বসে মোবাইল স্ক্রল করতে করতে কখন যে রাত হয়ে যায়, টেরই পায় না। অফিসের পর পরিবারের দিকে নজর দেওয়া তো দূরের কথা, নিজের জন্য একটু সময় বের করাই যেন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
আরিফের ফোকাস এখন শুধু কাজ আর কাজ। তবে মনটা যেন কোথাও গিয়ে আটকে আছে। কাজ করতে বসলে মনোযোগ থাকে না, একটানা কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। অফিসের বসের চাপ, টিম মিটিংয়ের চিন্তা আর বাড়তি ওয়ার্কলোড সব মিলিয়ে আরিফের মস্তিষ্ক যেন ঝিমিয়ে যাচ্ছে। আরিফ বুঝতে পারে, এভাবে চলতে থাকলে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কেমন একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রভাব
আমাদের আশেপাশের অনেক আরিফ আছেন, যাদের জীবন এই একই রুটিনে বাঁধা। অফিসের কাজ, বাড়ির টেনশন, ফ্যামিলি আর সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল জগতে নিজেকে হারিয়ে ফেলা এখনকার সময়ে খুব সাধারণ ব্যাপার। সারাক্ষণ এমন চাপ নিয়ে চলতে থাকলে মস্তিষ্ক ফোকাস হারিয়ে ফেলে, মানসিক চাপ বাড়ে এবং হতাশা এসে ভর করে।
আরিফ নিজেও খুব সহজে বুঝতে পারে, তার এই অসংগঠিত জীবনযাত্রা তার মেন্টাল হেলথের উপর কতটা প্রভাব ফেলছে। কাজে ফোকাস করতে পারছে না, ক্লায়েন্টের সাথে ঠিকমতো ইন্টারেকশন করতে গিয়ে ভুল হচ্ছে, এমনকি টার্গেট পূরণ না করতে পারার জন্য বসের বকা খাচ্ছে।

ফোকাস বাড়ানোর উপায়
আরিফের মতো যারা দিনের পর দিন এভাবে নিজেদের মানসিকভাবে ধ্বংস করে চলছেন, তাদের জন্য কিছু কৌশল মেনে চলা জরুরি:

1. কাজের সময় কাজ, বিশ্রামের সময় বিশ্রাম: কাজের মাঝে অল্প সময়ের বিরতি নিন। প্রতি ঘণ্টায় ৫-১০ মিনিটের ছোটো ব্রেক আপনাকে রিফ্রেশ করবে এবং কাজে ফোকাস আনতে সাহায্য করবে।
2. প্রায়োরিটি লিস্ট তৈরি করুন: প্রতিদিনের কাজগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী ভাগ করে নিন। কোন কাজটা আগে করতে হবে, কোনটা পরে করা যায়, সেটা বুঝে কাজ করুন।
3. মাল্টিটাস্কিং পরিহার করুন: একসাথে একাধিক কাজের চাপ মাথায় নিয়ে বসে থাকবেন না। এতে কাজের মান নষ্ট হয় এবং মস্তিষ্কের ফোকাস কমে যায়।
4. এক্সারসাইজ আর রিল্যাক্সেশন: অফিসের কাজের চাপের মাঝে ছোটোখাটো এক্সারসাইজ করে নিন। সকালে একটু হাঁটাহাঁটি বা রাতে হালকা স্ট্রেচিং আপনার মস্তিষ্ককে রিল্যাক্স করবে।
5. অফলাইন টাইম তৈরি করুন: কাজের বাইরে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন কিছু সময়। পরিবার বা নিজের সাথে সময় কাটান, যা আপনাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখবে।
6. মেডিটেশন ও স্লিপ রুটিন ঠিক করুন: প্রতিদিনের কাজের শেষে এক-দুই মিনিটের মেডিটেশন আপনার মনকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করুন এবং সেটা ফলো করুন।

আরিফের মতো যারা কাজ আর মানসিক চাপে আটকে আছেন, তাদের জন্য ফোকাস ধরে রাখাটা একটু কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এই ছোট ছোট স্ট্র্যাটেজিগুলো যদি কাজে লাগানো যায়, তবে ফোকাস ফিরে আসবে এবং অফিসের কাজের পাশাপাশি নিজেদের মানসিক শান্তিও ফিরে পাওয়াbranch

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -
Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2 November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue : Biswa sahitya kendra, Banglamotor, Dhaka

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668

ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Routing no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch
For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

আমরা সবাই প্রায়ই Emotional Intelligence শব্দটি শুনে থাকি। অনেক সময় এটিকে EI (Emotional Intelligence) বা EQ (Emotional ...
11/09/2024

আমরা সবাই প্রায়ই Emotional Intelligence শব্দটি শুনে থাকি। অনেক সময় এটিকে EI (Emotional Intelligence) বা EQ (Emotional Quotient) ও বলা হয়। এই Emotional Intelligence আসলে কি?

Emotional Intelligence হলো এক ধরনের দক্ষতা যা আত্ম-সচেতনতা(self-awareness), আত্ম-নিয়ন্ত্রণ(self-regulation), সহমর্মিতা(empathy), সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ(social skills)- এই চার ধরনের দক্ষতার সমন্বয়ে গঠিত। সহজ ভাষায় Emotional Intelligence হলো নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা ও আশেপাশের মানুষজনের আবেগকে বুঝতে পারার দক্ষতা।

উদাহরণস্বরূপ আমরা অনেক সময় রাগের মাথায় কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি, এসব সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের পরে অনুশোচনা করতে হয়। অর্থাৎ ওই মুহূর্তে আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্তের উপর কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এটি আত্ম-নিয়ন্ত্রণ বা self-regulation এর একটি উদাহরণ।

আবার আমরা যখন কোনো মানুষের সাথে কথা বলতে পারছি না, ঠিকভাবে communicate করতে পারছি না। এটি সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ বা social skills এর একটি উদাহরণ।

আমাদের দৈনন্দিন জীবন বা কর্পোরেট জীবন সব জায়গাতেই Emotional Intelligence এর গুরুত্ব রয়েছে।

Emotional Intelligence এর উপকারিতা-

১৷ নিজের চিন্তা,চেতনা,আবেগ,অনুভূতি,কাজকর্ম সম্পর্কে সচেতন ও নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়।

২৷ সহমর্মিতা বৃদ্ধি পায়।

৩৷ Effective communication বৃদ্ধি পায়।

৪৷ Decision making ভালো হয়।

৫৷ কাজের স্ট্রেস বা চাপ কমে।

৬৷ সহকর্মীদের সাথে সম্পর্ক ভালো হয়।

৭৷ Leadership বা নেতৃত্বদানকারী দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

৮৷ দলগত কাজ বা teamwork আরো ভালো হয়।

৯৷ কাজের প্রতি প্রেষণা বা motivation বৃদ্ধি পায়।

Emotional Intelligence যেভাবে বৃদ্ধি করবেন-

১৷ আরো বেশি আত্ম-সচেতন বা self-aware হতে হবে।

২৷ অন্য মানুষ কি অনুভব করছে কিংবা কিভাবে প্রতিক্রিয়া করছে তা বুঝতে হবে।

৩৷ Active listening করতে হবে। অন্যজন কি বলছে, কি বোঝাতে চাচ্ছে তা ভালো করে শুনতে হবে।

৪৷ Open-minded বা খোলা মনের হতে হবে। নতুন কিছু গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

৫৷ সহানুভূতিশীল হতে হবে।

৬৷ স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করতে হবে।

৭৷ Positive বা ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখতে হবে। ইতিবাচক মানসিকতা ও কাজকর্ম যেমন নিজেকে সাহায্য করে ঠিক তেমনি আশপাশের মানুষজনকে সাহায্য করবে।

এধরনের নানান কৌশল সম্পর্কে জানতে আঁচল কর্পোরেট ওয়েলবিং আয়োজন করতে চলেছে "Reducing Stress & Ensuring a Balanced Corporate Life" কর্মশালার। যেই কর্মশালায় আমাদের কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের আরো অনেক বিষয়ে জানাতে উপস্থিত থাকবেন -
Guests :
1. Dr. Sayedul Islam Sayed
MBBS (DMC), BCS (Health)
MD(Psychiatry), Resident (Phase-B)
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.
2. MS Mahmuda
International MHPSS Expert & Founder of Living with Wellness

Date: 2 November, 2024
Time : 09:00 AM
Venue :Biswa Sahitya Kendra, Banglamotor, Dhaka

For Registration-
https://forms.gle/nkrUnNQqoNDZGq9JA

পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী-
মোবাইল ব্যাংকিং :
Bkash/nagad/rocket-
01969085668

ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য -
Bank name : Pubali Bank Ltd.
A/C name : Aachol Wellbeing Corner
A/C no. 1215901036620
Router no. 175090103
Branch- Bhola. Banglabazar sub branch

10/09/2024

আজ ১০ই সেপ্টেম্বর " আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস: আলো আছে, বাঁচার আশা আছে। "

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aachol Corporate Wellbeing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share