Dr. Md. Masudul Hassan

Call Website Contact the practice

Dr. Md. Masudul Hassan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Masudul Hassan, Family doctor, 381/A, West Rampura, DIT Raod, Dhaka.

Rheumatologist & Medicine consultant, Assistant Professor, BSMMU (Ex-PG)
FCPS(Rheumatology), FCPS, MD (Medicine), Consultant Rheumatology & Medicine, Popular diagnostic Shantinagar, Delta Rampura.

22/09/2026
ভারতের নিউজ। এমন ভাবে করছে যেন বাংলাদেশে। হারামীপনার সীমা থাকা দরকার।
30/08/2026

ভারতের নিউজ। এমন ভাবে করছে যেন বাংলাদেশে। হারামীপনার সীমা থাকা দরকার।

13/08/2026
লাল মাংশ গিলা কলিজা কম খাওয়া উচিত। এগুলো ইউরিক এসিড সমৃদ্ধ।
02/02/2026

লাল মাংশ গিলা কলিজা কম খাওয়া উচিত। এগুলো ইউরিক এসিড সমৃদ্ধ।

Hinged knee brace not a knee cap for knee support
28/01/2026

Hinged knee brace not a knee cap for knee support

হিল কুশন (সিলিকন) গোড়ালির ব্যাথায় ব্যাবহার বিজ্ঞান সম্মত।
25/01/2026

হিল কুশন (সিলিকন) গোড়ালির ব্যাথায় ব্যাবহার বিজ্ঞান সম্মত।

নিছক হাম নয়। এক ধরনের বিশেষ বাতের লক্ষনের শুরু। একে সাধারণ ভাবে পারপুরা বলে।
24/01/2026

নিছক হাম নয়। এক ধরনের বিশেষ বাতের লক্ষনের শুরু। একে সাধারণ ভাবে পারপুরা বলে।

19/01/2026

Found on Google from magic-vacation.com

23/12/2025

সংগৃহিত:---
পবিত্র কুরআনের নির্দেশনার আলোকে কোনো অমুসলিম ব্যক্তি যদি মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি বা গালি প্রদান করে, তবে তার প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে ইসলামে সুনির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত ধৈর্যশীল কিছু মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে। কুরআন প্রধানত ধৈর্য (সবর) এবং উপেক্ষা করার ওপর জোর দিয়েছে।
​নিচে কুরআনের আলোকে এর বিধান ও নির্দেশনাসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:
​১. ধৈর্য ধারণ ও উপেক্ষা করা
​কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, নবীগণ অতীতেও উপহাসের শিকার হয়েছেন। মুমিনদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা এতে বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধরেন।
​"অবশ্যই তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন সম্পর্কে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে এবং তোমরা তোমাদের আগে যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের কাছে ও মুশরিকদের কাছে অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনবে। কিন্তু তোমরা যদি ধৈর্য ধরো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে তা হবে দৃঢ় সংকল্পের কাজ।" (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৮৬)
​২. বিতর্ক এড়িয়ে চলা
​আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন যে, যখন ইসলামের নিদর্শন বা নবীকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়, তখন সেই স্থান ত্যাগ করা বা আলোচনা এড়িয়ে চলাই হলো কুরআনিক পদ্ধতি।
​"আর যখন তুমি তাদেরকে দেখ যারা আমার আয়াতসমূহ নিয়ে উপহাস করে, তখন তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয়..." (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ৬৮)
​৩. উত্তম পন্থায় জবাব দেওয়া
​কুরআন কোনো মন্দ কাজের জবাবে মন্দ কিছু করতে উৎসাহিত করে না, বরং উত্তম আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বলে।
​"মন্দের মোকাবিলা করুন তা দিয়ে যা উত্তম। তারা যা বলে সে সম্পর্কে আমি সবিশেষ অবগত।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৯৬)
​৪. গালির বদলে গালি না দেওয়া
​অমুসলিমরা যদি ইসলাম বা নবীকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলে, তবে পাল্টা তাদের উপাস্যদের গালি দিতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ এতে ঘৃণা আরও বৃদ্ধি পায়।
​"আল্লাহকে ছেড়ে তারা যাদের ডাকে তোমরা তাদের গালি দিও না। ফলে তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে..." (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১০৮)
​৫. বিচারের ভার আল্লাহর ওপর
​কুরআনে বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, তাদের বিচারের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। পরকালে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির কথা উল্লেখ থাকলেও পৃথিবীতে সাধারণ মানুষকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
​"নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখেরাতে লানত করেন এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাকর শাস্তি।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত: ৫৭)
​মূল নির্যাস:
​কুরআনের আলোকে কোনো অমুসলিম নবী (সা.)-কে গালি দিলে একজন মুসলিমের করণীয় হলো:
​চরম ধৈর্য ধারণ করা।
​উসকানিতে পা না দেওয়া।
​তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে চলা।
​ব্যক্তিগতভাবে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া।
​ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এই ধরনের কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় আইন থাকতে পারে, কিন্তু সাধারণ নাগরিক হিসেবে কুরআন আমাদের শিক্ষা দেয় উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে।পবিত্র কুরআনের নির্দেশনার আলোকে কোনো অমুসলিম ব্যক্তি যদি মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি বা গালি প্রদান করে, তবে তার প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে ইসলামে সুনির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত ধৈর্যশীল কিছু মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে। কুরআন প্রধানত ধৈর্য (সবর) এবং উপেক্ষা করার ওপর জোর দিয়েছে।
​নিচে কুরআনের আলোকে এর বিধান ও নির্দেশনাসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:
​১. ধৈর্য ধারণ ও উপেক্ষা করা
​কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, নবীগণ অতীতেও উপহাসের শিকার হয়েছেন। মুমিনদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা এতে বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধরেন।
​"অবশ্যই তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন সম্পর্কে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে এবং তোমরা তোমাদের আগে যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের কাছে ও মুশরিকদের কাছে অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনবে। কিন্তু তোমরা যদি ধৈর্য ধরো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে তা হবে দৃঢ় সংকল্পের কাজ।" (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৮৬)
​২. বিতর্ক এড়িয়ে চলা
​আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন যে, যখন ইসলামের নিদর্শন বা নবীকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়, তখন সেই স্থান ত্যাগ করা বা আলোচনা এড়িয়ে চলাই হলো কুরআনিক পদ্ধতি।
​"আর যখন তুমি তাদেরকে দেখ যারা আমার আয়াতসমূহ নিয়ে উপহাস করে, তখন তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয়..." (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ৬৮)
​৩. উত্তম পন্থায় জবাব দেওয়া
​কুরআন কোনো মন্দ কাজের জবাবে মন্দ কিছু করতে উৎসাহিত করে না, বরং উত্তম আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বলে।
​"মন্দের মোকাবিলা করুন তা দিয়ে যা উত্তম। তারা যা বলে সে সম্পর্কে আমি সবিশেষ অবগত।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৯৬)
​৪. গালির বদলে গালি না দেওয়া
​অমুসলিমরা যদি ইসলাম বা নবীকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলে, তবে পাল্টা তাদের উপাস্যদের গালি দিতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ এতে ঘৃণা আরও বৃদ্ধি পায়।
​"আল্লাহকে ছেড়ে তারা যাদের ডাকে তোমরা তাদের গালি দিও না। ফলে তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে..." (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১০৮)
​৫. বিচারের ভার আল্লাহর ওপর
​কুরআনে বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, তাদের বিচারের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। পরকালে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির কথা উল্লেখ থাকলেও পৃথিবীতে সাধারণ মানুষকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
​"নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখেরাতে লানত করেন এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাকর শাস্তি।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত: ৫৭)
​মূল নির্যাস:
​কুরআনের আলোকে কোনো অমুসলিম নবী (সা.)-কে গালি দিলে একজন মুসলিমের করণীয় হলো:
​চরম ধৈর্য ধারণ করা।
​উসকানিতে পা না দেওয়া।
​তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে চলা।
​ব্যক্তিগতভাবে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া।
​ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এই ধরনের কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় আইন থাকতে পারে, কিন্তু সাধারণ নাগরিক হিসেবে কুরআন আমাদের শিক্ষা দেয় উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে।

Address

381/A, West Rampura, DIT Raod
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Masudul Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Masudul Hassan:

Shortcuts

Share