Cancer Specialist Dr. Md. Arif Hossain

Cancer Specialist Dr. Md. Arif Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cancer Specialist Dr. Md. Arif Hossain, Oncologist, Dhaka.

ডা. মো: আরিফ হোসেন
এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট (ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)
সহকারী অধ্যাপক
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

For any query: 01915452609 (WhatsApp)

08/06/2026

"Cancer Prevention Tips"
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কী করবেন?

ক্যান্সার শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া Hepatitis B ও HPV টিকা গ্রহণ, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা এবং বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যান্সার দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

04/06/2026

আসসালামু আলাইকুম।

আগামীকাল শুক্রবার (০৫/০৬/২০২৬) খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রুম নং-৪০৭) এ জুম্মার নামাজের পর থেকে রোগী দেখবো ইনশাআল্লাহ।

সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায়।

03/06/2026

ভিডিওতে যে মেশিনটি রোগীর চারপাশে ঘুরছে, সেটিই আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসার অন্যতম শক্তিশালী প্রযুক্তিঃ রেডিওথেরাপি 🎗️

রেডিওথেরাপি আসলে কীভাবে দেওয়া হয়?

অনেকের ধারণা, রেডিওথেরাপি মানেই খুব কষ্টদায়ক বা ভয়ংকর কোনো চিকিৎসা। বাস্তবে আধুনিক রেডিওথেরাপি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন, নন-ইনভেসিভ এবং অত্যন্ত নিখুঁত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে VMAT (Volumetric Modulated Arc Therapy) পদ্ধতিতে রেডিওথেরাপি দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসার সময় মেশিনের যে অংশ থেকে রশ্মি (Radiation) নির্গত হয়, সেটি রোগীর চারপাশে ঘুরে ঘুরে পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী রেডিয়েশন প্রদান করে। এর ফলে—

✅ টিউমারে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সর্বোচ্চ নির্ভুলতার সঙ্গে রেডিয়েশন দেওয়া যায়
✅ আশেপাশের স্বাভাবিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে তুলনামূলকভাবে বেশি সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়
✅ চিকিৎসার সময় কম লাগে
✅ রোগীর আরাম ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়

রেডিওথেরাপি দেওয়ার সময় রোগী কেবল নির্দিষ্ট অবস্থানে শান্তভাবে শুয়ে থাকেন। কোনো ব্যথা, ঝাঁকুনি বা পোড়া অনুভূতি হয় না। চিকিৎসা চলাকালে ক্যান্সার চিকিৎসক, মেডিকেল ফিজিসিস্ট এবং রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্টরা কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক রোগীকে পর্যবেক্ষণ করেন।

ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর অস্ত্র। তবে কোন রোগীর ক্ষেত্রে কী ধরনের রেডিওথেরাপি প্রয়োজন হবে, তা রোগের ধরন, স্টেজ এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞ ক্যান্সার চিকিৎসক (ক্লিনিক্যাল/রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট) নির্ধারণ করেন।

🎗️ রেডিওথেরাপি নিয়ে অযথা ভয় নয়—সঠিক তথ্য জানুন, সচেতন হোন।

ডা. মোঃ আরিফ হোসেন
এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
সহকারী অধ্যাপক, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।







24/05/2026

ক্যান্সার এর লক্ষণগুলি কেমন? কিভাবে বুঝতে পারবো?

#ক্যান্সার

 #ক্যান্সার_গল্প ৯“গ্যাস” নাকি অন্য কিছু?ওভেরিয়ান ক্যান্সারের উপসর্গকে অবহেলা করছেন না তো?আমাদের দেশে পেটের যেকোনো সমস্...
23/05/2026

#ক্যান্সার_গল্প ৯

“গ্যাস” নাকি অন্য কিছু?
ওভেরিয়ান ক্যান্সারের উপসর্গকে অবহেলা করছেন না তো?

আমাদের দেশে পেটের যেকোনো সমস্যারই যেন একটা জনপ্রিয় নাম আছে — “গ্যাস”।
পেট ফাঁপছে? গ্যাস।
অল্প খেলেই পেট ভরে যাচ্ছে? গ্যাস।
বুক জ্বালাপোড়া? গ্যাস।
পেটব্যথা? সেটাও গ্যাস!

সমস্যা হলো, এই “গ্যাস” ভেবে অবহেলা করতে গিয়েই অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়ে যায়। বিশেষ করে ওভেরিয়ান ক্যান্সারের ক্ষেত্রে।

ওভেরিয়ান ক্যান্সারকে অনেক সময় “Silent Killer” বলা হয়। কারণ রোগটি শুরুতে খুব নিরীহ ও সাধারণ কিছু উপসর্গ নিয়ে আসে। যেমন—

• পেট ফাঁপা বা bloating
• হজমের সমস্যা
• ক্ষুধামন্দা
• অল্প খেলেই পেট ভরে যাওয়া
• তলপেটে ভারী অনুভূতি
• ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ
• দীর্ঘদিনের অস্বস্তি বা অজানা ক্লান্তি

এই উপসর্গগুলো এতটাই সাধারণ যে অধিকাংশ মানুষ প্রথমে এগুলোকে গ্যাস্ট্রিক বা বদহজম ভেবে এড়িয়ে যান। কেউ কেউ মাসের পর মাস অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধ খেতে থাকেন। কিন্তু সমস্যাটা যদি বারবার হয়, দীর্ঘদিন থাকে, বা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে — তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

মনে রাখতে হবে, সব গ্যাসের সমস্যা ক্যান্সার নয়। তবে দীর্ঘদিনের একই ধরনের উপসর্গকে “সাধারণ গ্যাস” বলে উড়িয়ে দেওয়াও ঠিক নয়।

ওভেরিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি কিছু ক্ষেত্রে বেশি হতে পারে—
• বয়স বাড়ার সাথে
• পরিবারে ব্রেস্ট বা ওভেরিয়ান ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে
• BRCA mutation-এর মতো কিছু জেনেটিক পরিবর্তন থাকলে

ভয়ের বিষয় হলো, অনেক সময় রোগটি দেরিতে ধরা পড়ে। কারণ প্রথমদিকে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যান না। অথচ শুরুতেই ধরা পড়লে চিকিৎসা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

বর্তমানে ওভেরিয়ান ক্যান্সারের চিকিৎসায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সার্জারি, কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং জেনেটিক-ভিত্তিক চিকিৎসার কারণে অনেক রোগী দীর্ঘদিন ভালো থাকছেন।

তাই শরীরের বার্তা শুনুন।
বারবার একই সমস্যা হলে শুধু “গ্যাস” ভেবে থেমে যাবেন না।
প্রয়োজনে পরীক্ষা করুন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কারণ সচেতনতা অনেক সময় জীবন বাঁচাতে পারে।

ডাঃ মোঃ আরিফ হোসেন
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট







21/05/2026

"দেশে ক্যান্সার এর চিকিৎসা কোন পর্যায়ে?"

বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সারের চিকিৎসায় অনেক আধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে। Chemotherapy, Radiotherapy, Targeted Therapy, Immunotherapy, Hormone Therapy ও Cancer Surgery এখন দেশের বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালে করা হচ্ছে।

এছাড়া PET Scan, MRI, CT Scan, Biopsy ও Molecular Test-এর মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে। ক্যান্সার যত দ্রুত শনাক্ত হয়, চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনাও তত বাড়ে। তাই লক্ষণ অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

#ক্যান্সার_চিকিৎসা

 #ক্যান্সার_গল্প ৮হার টু পজিটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সার: চিকিৎসায় বদলে যাচ্ছে পুরো চিত্রএকটা সময় ছিল, হার টু পজিটিভ ব্রেস্ট ...
18/05/2026

#ক্যান্সার_গল্প ৮

হার টু পজিটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সার: চিকিৎসায় বদলে যাচ্ছে পুরো চিত্র

একটা সময় ছিল, হার টু পজিটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সারের নাম শুনলেই রোগী ও চিকিৎসক—দু’পক্ষের মধ্যেই একটা বাড়তি উদ্বেগ কাজ করত। কারণ এই ধরনের ক্যান্সার সাধারণত দ্রুত বৃদ্ধি পেত এবং অনেক ক্ষেত্রেই শরীরের অন্য অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বেশি ছিল। কিন্তু আধুনিক অনকোলজির অগ্রগতিতে আজ সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।

এই পরিবর্তনের সূচনা হয় ট্রাস্টুজুম্যাব নামের ওষুধ দিয়ে। হার টু নামের একটি বিশেষ প্রোটিনকে লক্ষ্য করে এটি কাজ করে। সহজভাবে বলতে গেলে, ক্যান্সার কোষের গায়ে থাকা একটি নির্দিষ্ট “সিগন্যাল রিসিভার” বন্ধ করে দিয়ে ক্যান্সারের বৃদ্ধিকে ধীর করে দেয়। এই ওষুধ চালু হওয়ার পর থেকেই হার টু পজিটিভ রোগীদের চিকিৎসার ফলাফলে বড় ধরনের উন্নতি দেখা যায়।

এরপর চিকিৎসায় যুক্ত হয় পার্টুজুম্যাব। এটি ট্রাস্টুজুম্যাবের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে হার টু সিগন্যালকে আরও কার্যকরভাবে ব্লক করে। বর্তমানে অনেক রোগীকেই কেমোথেরাপির পাশাপাশি এই দুটি ওষুধ একত্রে দেওয়া হয় এবং বিশেষ করে অ্যাডভান্সড রোগে এর সুফল উল্লেখযোগ্য।

পরবর্তী বড় অগ্রগতি এসেছে ADC বা Antibody Drug Conjugate প্রযুক্তির মাধ্যমে। এই প্রযুক্তির ওষুধগুলো অনেকটা “টার্গেটেড স্মার্ট থেরাপি”-র মতো কাজ করে। ট্রাস্টুজুম্যাব এমট্যানসিন (T-DM1) হার টু পজিটিভ ক্যান্সার কোষকে শনাক্ত করে সরাসরি তার ভেতরে কেমোথেরাপি পৌঁছে দেয়। ফলে তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্টভাবে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা সম্ভব হয়।

বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ওষুধগুলোর একটি হলো ট্রাস্টুজুম্যাব ডেরুক্সটেকান। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত ভালো রেসপন্স দিচ্ছে, এমনকি পূর্বের একাধিক চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার পরও। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হয়, কারণ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ফুসফুসে প্রদাহ বা Interstitial Lung Disease দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে টুকাটিনিব বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ব্রেন মেটাস্টেসিস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে। কারণ অনেক ওষুধ মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত মাত্রায় পৌঁছাতে পারে না, কিন্তু টুকাটিনিব সেই সীমাবদ্ধতা আংশিকভাবে কাটিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

তবে আধুনিক চিকিৎসার এই অগ্রগতির পাশাপাশি বাস্তব দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ। সব রোগীর পক্ষে অত্যাধুনিক ওষুধ গ্রহণ করা সবসময় সম্ভব হয় না। তাই লাপাটিনিব ও ক্যাপেসিটাবিনের মতো তুলনামূলক পুরনো কিন্তু কার্যকর চিকিৎসাগুলো এখনও অনেক ক্ষেত্রে মূল্যবান ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যেখানে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে এসব চিকিৎসা রোগীর জন্য বাস্তবসম্মত বিকল্প হতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, হার টু পজিটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা এখন আর আগের অবস্থায় নেই। টার্গেটেড থেরাপি, নতুন প্রজন্মের ADC এবং আধুনিক কম্বিনেশন চিকিৎসার কারণে আজ অনেক রোগী দীর্ঘদিন ভালো জীবনযাপন করতে পারছেন। ক্যান্সার চিকিৎসা প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় দিক হলো—রোগীদের জন্য বাড়ছে আশার আলো।

 #ক্যান্সার_গল্প ৭🚨 ক্যান্সারের “গ্রেড” আর “স্টেজ” — পার্থক্যটা আসলে কী?অনেকেই ভাবেন, ক্যান্সারের “গ্রেড” আর “স্টেজ” একই...
16/05/2026

#ক্যান্সার_গল্প ৭

🚨 ক্যান্সারের “গ্রেড” আর “স্টেজ” — পার্থক্যটা আসলে কী?

অনেকেই ভাবেন, ক্যান্সারের “গ্রেড” আর “স্টেজ” একই জিনিস। আসলে দুটো ভিন্ন বিষয়। সহজভাবে ভাবুন—

ধরুন, একটি আগুন লেগেছে।
🔹 **গ্রেড** হলো আগুনের “স্বভাব” —
আগুনটা ধীরে জ্বলছে, নাকি খুব দ্রুত ও ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে পড়ছে?
অর্থাৎ ক্যান্সার কোষ কতটা আক্রমণাত্মক বা দ্রুত বাড়ে, সেটাই গ্রেড।

🔹 আর **স্টেজ** হলো আগুন কতদূর ছড়িয়েছে —
শুধু একটি ঘরে আছে, নাকি পুরো বাড়ি বা পাশের বাড়িতেও ছড়িয়ে গেছে?
অর্থাৎ ক্যান্সার শরীরের কতটুকু জায়গায় ছড়িয়েছে, সেটাই স্টেজ।

তাই,
একটি ক্যান্সারের গ্রেড বেশি হতে পারে কিন্তু স্টেজ প্রথম দিকে থাকতে পারে।
আবার গ্রেড কম হলেও স্টেজ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।

সঠিক চিকিৎসার জন্য তাই ডাক্তাররা দুটো বিষয়ই দেখেন—
👉 ক্যান্সারের স্বভাব কেমন
👉 আর কতদূর ছড়িয়েছে

সচেতন হোন, ভয় নয় — সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

ডা. মোঃ আরিফ হোসেন
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট

টিউমার মানে-ই কি ক্যান্সার?না, টিউমার মানেই ক্যান্সার নয়।টিউমার বলতে শরীরের কোনো স্থানে অস্বাভাবিকভাবে কোষের বৃদ্ধি বা ...
14/05/2026

টিউমার মানে-ই কি ক্যান্সার?

না, টিউমার মানেই ক্যান্সার নয়।
টিউমার বলতে শরীরের কোনো স্থানে অস্বাভাবিকভাবে কোষের বৃদ্ধি বা গাঁট/চাকা/মাংসপিণ্ড তৈরি হওয়াকে বোঝায়। এটি দুই ধরনের হতে পারে—

১/ সাধারণ বা Benign টিউমার – ক্যান্সার নয়।
২/ Malignant টিউমার – এটিই ক্যান্সার।

সাধারণ টিউমার ও ক্যান্সারের পার্থক্যঃ
সাধারণ টিউমার সাধারণত ধীরে বাড়ে, শরীরের অন্য স্থানে ছড়ায় না এবং অনেক সময় অপারেশনের পর পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়।

ক্যান্সার টিউমার দ্রুত বাড়তে পারে, আশেপাশের টিস্যু নষ্ট করতে পারে এবং শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে যেতে পারে (Metastasis)।

কিভাবে বুঝব?
শুধু দেখে বা হাত দিয়ে সব সময় নিশ্চিত হওয়া যায় না। কিছু সতর্ক লক্ষণ হলো—

দ্রুত আকার বৃদ্ধি
ব্যথাহীন গাঁট/চাকা
ওজন কমে যাওয়া
রক্তপাত বা দীর্ঘদিনের ক্ষত
দীর্ঘদিনের কাশি/কণ্ঠ ভাঙা ইত্যাদি।

তবে নিশ্চিতভাবে জানতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করতে হয়, বিশেষ করে "বায়োপসি"। কারণ অনেক সাধারণ টিউমারও দেখতে ভয়ঙ্কর মতো হতে পারে, আবার কিছু ক্যান্সার প্রথমে একদম সাধারণ মনে হতে পারে।

তাই শরীরে নতুন কোনো গাঁট/চাকা বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে ভয় না পেয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আরিফ হোসেন
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
সরকারী অধ্যাপক
রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

চেম্বারঃ মনোয়ারা হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড, ৫৪, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা।
(ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ এর বিপরীতে)

 #ক্যান্সার_গল্প-৬কেমো নিচ্ছেন?এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন ⚠️কেমোথেরাপির সময় শুধু ওষুধই নয়, খাবারের দিকেও বাড়তি সতর্কতা প্রয়...
07/05/2026

#ক্যান্সার_গল্প-৬

কেমো নিচ্ছেন?
এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন ⚠️

কেমোথেরাপির সময় শুধু ওষুধই নয়, খাবারের দিকেও বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। কারণ এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যেতে পারে, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমনকি সামান্য ইনফেকশনও অনেক সময় কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল দেরি করে দিতে পারে, ডোজ কমাতে হতে পারে, বা চিকিৎসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হতে পারে।

তাই এসময় খাবার নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🚫 যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেনঃ

🔸 কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ খাবার
হাফ-বয়েল ডিম, কাঁচা ডিম, আধা-সেদ্ধ মাংস বা মাছ, সুশি ইত্যাদিতে জীবাণু থাকার ঝুঁকি বেশি।

🔸 রাস্তার খোলা খাবার
ফুচকা, চটপটি, খোলা জুস বা দীর্ঘসময় বাইরে রাখা খাবার সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🔸 অপরিষ্কার ফল ও সবজি
ফল ও সবজি খুব ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন। সম্ভব হলে খোসা ছাড়িয়ে খান। বাইরে কাটা ফল ও কাঁচা সালাদ এড়িয়ে চলাই ভালো।

🔸 অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
এসব খাবার বমি, গ্যাস্ট্রিক, মুখে ঘা বা ডায়রিয়ার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

🔸 প্রসেসড ও দীর্ঘদিন সংরক্ষিত খাবার
অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভযুক্ত প্যাকেটজাত খাবার, পুরনো ক্যান ফুড বা প্রসেসড মাংস কম খাওয়াই নিরাপদ।

🔸 অপরিষ্কার পানি
সবসময় ফুটানো বা নিরাপদ ফিল্টার করা পানি পান করুন।

🍎 ফল খেতে পারবেন?
অবশ্যই পারবেন। তবে ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন। বাইরে কাটা ফল এড়িয়ে চলুন। খুব দ্রুত পচে যায় এমন ফল দীর্ঘসময় বাইরে রেখে খাবেন না।

✔️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ
• একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খান
• পর্যাপ্ত পানি পান করুন
• খাবার সবসময় টাটকা ও ঘরে ভালোভাবে রান্না করা হওয়া উচিত
• ফ্রিজে রাখা খাবার বারবার গরম করে না খাওয়াই ভালো
• জ্বর, ডায়রিয়া বা মুখে ঘা হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন

মনে রাখবেন—
কেমোথেরাপির সময় সঠিক খাবার শুধু শক্তিই দেয় না, চিকিৎসাকে নিরাপদ ও কার্যকর রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকার লড়াইয়ে পাশে থাকুন 💙

ডাঃ মোঃ আরিফ হোসেন
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট

Address

Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cancer Specialist Dr. Md. Arif Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category