Helfact

Helfact Your Health Our Success

HELFACT একটি প্রফেশনাল স্বাস্থ্য পরামর্শ দাতা প্রতিষ্ঠান, যা 2024 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করা।

আমরা বিশ্বাস করি যে সঠিক তথ্য ও সমর্থনের মাধ্যমে, প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য এবং জীবন উন্নত করতে পারে। আমাদের টিমে রয়েছে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য পরামর্শক, যারা রোগী ও ক্লায়েন্টদের জন্য উপযুক্

ত পরামর্শ প্রদান করেন।

আমাদের বিশেষত্ব:
•ব্যক্তিগতকৃত স্বাস্থ্য পরিকল্পনা: আমরা প্রতিটি ক্লায়েন্টের জন্য তাদের স্বাস্থ্য লক্ষ্যের ভিত্তিতে কাস্টমাইজড স্বাস্থ্য পরিকল্পনা প্রস্তুত করি।

•সততায়ন ও শিক্ষা: আমাদের সেশনগুলোতে আমরা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, ফিটনেস এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করি।

•অনলাইন পরামর্শ: স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শের জন্য আমরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সুবিধা প্রদান করি, যাতে ক্লায়েন্টরা যেকোনো স্থান থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

•স্বাস্থ্য মূল্যায়ন: আপনার স্বাস্থ্য অবস্থান বোঝার জন্য বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন।

•স্বাস্থ্য পরিকল্পনা: আপনার লক্ষ্যের ভিত্তিতে কাস্টমাইজড খাদ্য এবং ফিটনেস পরিকল্পনা।

•সততায়ন ও শিক্ষা: স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তথ্য ও প্রশিক্ষণ।

আমাদের পরামর্শগুলি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের উন্নতি নয়, বরং একটি সুখী ও সফল জীবন যাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যোগাযোগের জন্য:
📞 ফোন: 01723557734
📧 ইমেল: [email protected]
🌐 ওয়েবসাইট: https://www.facebook.com/helfact

আমরা আপনার স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

স্তন ক্যানসার সেরে গেলেও আবার ফিরে আসতে পারেনারীদের স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর অক্টোবর মাসকে বিশ্বব্যাপী...
23/10/2024

স্তন ক্যানসার সেরে গেলেও আবার ফিরে আসতে পারে

নারীদের স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর অক্টোবর মাসকে বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালন করা হয়। গবেষণা বলছে, দেশে নারীদের ১৯ শতাংশ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার আইএআরসির সর্বশেষ গবেষণা অনুসারে, প্রতিবছর ১২ হাজার ৭৬৪ নারী ক্যানসারে আক্রান্ত হন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ধাপে ধরা পড়লে এবং সময়মতো সঠিক ও পূর্ণ চিকিৎসা নিলে ৯০ শতাংশ ক্যানসার রোগীর সুস্থ হওয়া সম্ভব।

সমস্যা হলো, অনেক সময় স্তন ক্যানসার সেরে যাওয়ার পাঁচ-সাত বছর পর আবার ফিরে আসতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে ‘মেটাস্ট্যাটিক ডেভেলপমেট’ বলা হয়। ক্যানসার ফিরে আসা অনেকটাই নির্ভর করে পারিবারিক ইতিহাসের ওপর। সাধারণত তিন রকম জায়গায় ক্যানসার ফিরে আসার শঙ্কা থাকে। প্রথমত, আগের জায়গায় আবার হতে পারে। আবার আগের জায়গার আশপাশে দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া রক্তের মাধ্যমে ক্যানসার কোষ বাহিত হয়ে দেহের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কেন হয় পুনরাবৃত্তি
সেরে ওঠার পর আবার আক্রান্ত হওয়ার কারণ দেহে ক্যানসার কোষের উপস্থিতি বা রয়ে যাওয়া; যা সিটি স্ক্যান বা ম্যামোগ্রাফির মতো পরীক্ষায়ও সহজে ধরা পড়ে না। রোগীর বুঝতে বুঝতে অনেকটা দেরি হয়ে যায়। সাধারণত প্রথমবার ক্যানসার থেকে সেরে ওঠার পর তিন-চার বছরের মধ্যেই আবার তা ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে। কারও ক্ষেত্রে এই সময়রেখা ১০-১২ বছর।

কী করে বুঝবেন
হঠাৎ স্তনে ব্যথা অনুভব হলে সাবধান হওয়া উচিত। ক্যানসার ফিরে আসার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ এটি। বুক, পিঠ, পাঁজরের হাড়ের ভেতর তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা হতে পারে। স্তনের আকারে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে সাবধান হতে হবে। এ ছাড়া নিজের হাতের স্পর্শে মাঝেমধ্যে খেয়াল করুন, স্তনে কোনো ফোলা বা গোটা বা পিণ্ড রয়েছে কি না। তেমন হলে বুঝতে হবে, ক্যানসার ফিরে আসছে।

ঠান্ডার সমস্যা না থাকার পরও শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা বুকে চাপ অনুভব হলে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, স্তন ক্যানসার সেরে ওঠার পর তা ফুসফুসে ছড়িয়ে যেতে পারে। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের ফলে অনেকে ক্লান্ত থাকেন। এর জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। বিশ্রাম নেওয়ার পরও ক্লান্তি বা দুর্বল অনুভব করলে সেটা স্বাভাবিক নয়।

বাংলাদেশের নারীদের যে ক্যানসার বেশি হয়
মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। তেমনটা হলে স্নায়ুজনিত সমস্যা হতে পারে। কোনো ঘটনা ভুলে যাওয়া, মাথাব্যথা করা, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কী করবেন
প্রথম কথা হলো, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্তন ক্যানসারের পূর্ণ চিকিৎসা করতে হবে। অনেকে মাঝপথে চিকিৎসা ছেড়ে দেন, এটা ভয়ংকর। দ্বিতীয়ত, পুরোপুরি সেরে ওঠার পরও বা সুস্থ হওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময় পরপর চিকিৎসকের চেকআপে থাকতে হবে।

অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা




সকালে খালি পেটে দারুচিনি-পানি খেলে কত উপকার, জানেন?‘খালি পেটে জল’—এই দাওয়াই তো আমাদের দাদি-নানিরা অনেক আগে থেকেই দিয়ে আস...
22/10/2024

সকালে খালি পেটে দারুচিনি-পানি খেলে কত উপকার, জানেন?

‘খালি পেটে জল’—এই দাওয়াই তো আমাদের দাদি-নানিরা অনেক আগে থেকেই দিয়ে আসছেন।

এবার এই জলের সঙ্গে যদি এক চিমটি দারুচিনিগুঁড়া মেশানো যায়? অনেকেরই সকালটা চনমনে করে দেয় ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা অথবা কফি।

এই চা, কফিতেও যদি এক চিমটি দারুচিনিগুঁড়া মেশানো যায়? তখন যে তা দারুণ এক পানীয়তে পরিণত হবে, তা কি অনুমান করতে পারেন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস দারুচিনি-পানি আপনার দিনটাই স্বাস্থ্যকর করে দিতে পারে

আমাদের এই উপমহাদেশে দাদি-নানিদের মসলার বয়ামগুলোকে বলা যায় জাদুর কৌটা। এসব কৌটার প্রায় সব মসলাতেই পাবেন নানা ভেষজ গুণ। এর মধ্যে একটি এই দারুচিনি। এই সুগন্ধি মসলার ব্যবহার মূলত তরকারি, মিষ্টান্ন থেকে সালাদে। কিন্তু আপনি কি জানেন, পানির সঙ্গে দারুচিনির গুঁড়া মেশালে তা অন্য এক জাদু দেখাবে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস দারুচিনি-পানি আপনার দিনটাই স্বাস্থ্যকর করে দিতে পারে। সকালে আপনার প্রথম পানির গ্লাসে যদি দারুচিনির গুঁড়া মেশান, তা আপনার শরীরকে নানাভাবে উপকৃত করবে।

দারুচিনি মেশানো পানি হজমশক্তি বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, বিপাকক্রিয়া উন্নত করে, প্রদাহ কমায় এবং হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে। এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ পানীয়টি পান করলে ওজন কমে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে এবং ত্বক ভালো থাকে।

কীভাবে বানাবেন দারুচিনি-পানি
এক গ্লাস ফোটানো পানিতে এক চিমটি দারুচিনিগুঁড়া মেশান। এরপর ১৫-২০ মিনিট সময় নিন। চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে নেড়ে গুলিয়ে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল দারুচিনি-পানি। এই পানি গরম–গরম খেয়ে নিতে পারেন, অথবা হালকা ঠান্ডা করেও চুমুকে চালান করে দিতে পারেন পেটে।

কী উপকার এই পানীয়র

১. হজমশক্তি বাড়ায়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দারুচিনি-পানি দেহের হজমকারক এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। ফলে এই পানি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। বদহজম, পেটফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যাও কমায়।

২. বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়ায়
বিশেষজ্ঞদের মতে, দারুচিনি বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়ায়। দারুচিনি মেশানো পানি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন হ্রাসে সাহায্য করে। বলা হয়, দারুচিনি-পানি খেলে খাবারের অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়িয়ে বিপাকক্রিয়ার গতি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৩. প্রদাহ কমায়
দারুচিনিতে আছে প্রদাহরোধী উপাদান। তাই এই পানি খেলে শরীরের ভেতরের জ্বালা-যন্ত্রণা ও ব্যথা কমে। আর্থ্রাইটিসের মতো রোগসহ শরীরের বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তিও কমায়।

৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ
দারুচিনি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ মসলা। বলা হয়, এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ঠাসা। এই মসলা মেশানো পানি খেলে মানসিক অবসাদ দূর হয়। শরীরের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। বলা হয়, এই পানীয় বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী (ক্রনিক) রোগ উপশম করে সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৫. হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে
নিয়মিত দারুচিনি মেশানো পানি খেলে খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডস (শরীরে জমা হওয়া অতিরিক্ত চর্বি) কমায়। একইভাবে এটি শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এটা প্রমাণিত যে এই পানীয় হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৬. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
দারুচিনিতে জীবাণুনাশক উপাদান আছে। শরীরে ইনফেকশন বা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করে। বলা হয়, খালি পেটে দারুচিনি মেশানো পানি খেলে শরীরকে নানা ‘রোগবালাইয়ের ঘর’ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৭. মস্তিষ্ক ভালো রাখে
দারুচিনি মস্তিষ্কের বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যকারিতা বাড়ায়। এটি স্নায়ুক্ষয়জনিত নানা রোগ, যেমন আলঝেইমার ডিজিজ প্রতিরোধ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত দারুচিনি মেশানো পানি খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

৮. ওজন কমায়
এটা প্রমাণিত যে দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ক্ষুধা কমায়। এ কারণে দারুচিনি-পানি ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি গলাতেও সাহায্য করে।

৯. ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
বিশেষজ্ঞদের মতে, দারুচিনির প্রদাহরোধী ও জীবাণুনাশক উপাদান ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই দুটি উপাদানের কারণে ত্বকে ব্রণ উঠতে বাধা দেয়, বিভিন্ন ইনফেকশন বা সংক্রমণ হতে দেয় না। বলা হয়, দারুচিনি মেশানো পানি ত্বককে পরিষ্কারও রাখে।

১০. মাসিকের ব্যথা কমায়
বিশেষজ্ঞদের মতে, দারুচিনি নারীদের মাসিকের সময় ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে এটি নারীদের প্রজনন ও হরমোনজনিত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের বিভিন্ন লক্ষণ কমিয়ে আনে।

১১. মেজাজ ভালো করে
দারুচিনির সুগন্ধ যে কারও মেজাজ মুহূর্তে ভালো করে দিতে পারে। এই পানীয় মানসিক অবসাদ কমিয়ে শরীরকে চনমনে করতে পারে দ্রুত।

১২. জীবাণুনাশক উপাদান
দারুচিনিতে জীবাণুনাশক উপাদান আছে বলে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এ ছাড়া মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও এটি উপকারী। শ্বাসপ্রশ্বাস ভালো রাখতেও কার্যকর।

সতর্কতা
কারও জন্য এই দারুণ পানীয়টি অ্যালার্জির কারণও হতে পারে। ফলে এই পানীয় খেলে ত্বকে জ্বালাপোড়া, এমনকি শ্বাসপ্রশ্বাসেও কষ্ট হতে পারে। আবার অতিরিক্ত দারুচিনি কারও পেটের গন্ডগোল, বমি ভাব ও ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। এ ছাড়া দারুচিনি রক্তচাপ কমায়, তাই ডায়াবেটিক রোগীরা এই পানীয় খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।



ভিটামিন ই কেন দরকারিভিটামিন ই ত্বককে মসৃণ ও টানটান রাখে। কিন্তু ক্যাপসুল বা বড়ি হিসেবে মুখে খাওয়া বা ত্বকে লাগানো ঠিক হব...
21/10/2024

ভিটামিন ই কেন দরকারি

ভিটামিন ই ত্বককে মসৃণ ও টানটান রাখে। কিন্তু ক্যাপসুল বা বড়ি হিসেবে মুখে খাওয়া বা ত্বকে লাগানো ঠিক হবে কি? আগে জানা যাক ভিটামিন ই কেন ত্বকের জন্য উপকারী।

বাদাম ভিটামিন ই—এর সবচেয়ে ভালো উৎস

১. আর্দ্রতা বজায় রাখা: ভিটামিন ই অ্যামোলিয়েন্ট বা ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে নরম রাখে।

২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ফ্রি র‍্যাডিকেলস নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে। ফলে পরিবেশ দূষণ ও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

৩. বার্ধক্য প্রতিরোধে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে ভিটামিন ই ত্বকের বলিরেখা ও সূক্ষ্ম রেখাগুলো কমাতে সহায্য করে। এটি ত্বকের পুনর্গঠন এবং মেরামত প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে। যা ত্বককে তরুণ দেখাতে সাহায্য করে।

৪. মাতৃত্বকালীন দাগ নিরাময়: ভিটামিন ই দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। পক্সের দাগ নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের ভেতর মিশ্র মতামত রয়েছে।

৫. উজ্জ্বলতা বাড়ানো: ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে ।

৬. প্রদাহ কমানো: ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে একজিমা বা রোদে পোড়া ত্বকের ক্ষেত্রে।

৭. ঠোঁটের দাগ: ঠোঁটের কালো দাগ দূরীকরণেও কার্যকরী।

বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার থেকে পাবেন ভিটামিন ই
বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার থেকে পাবেন ভিটামিন ইছবি: পেক্সেলস
নিয়মিত খাদ্য তালিকায় কী থাকলে ভিটামিন ই–এর ঘাটতি পূরণ করা যায়, আসুন দেখে নিই:

১. বাদাম: আমন্ড, আখরোট ও চিনাবাদাম
২. বীজজাতীয় খাবার: সূর্যমুখীবীজ, কুমড়ার বীজ
৩. সবুজ শাকসবজি: পালংশাক, ব্রকোলি
৪. তেল: সূর্যমুখী তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম তেল
৫. ফল: অ্যাভোকাডো, কিউই, পেঁপে
৬. মাছ: স্যামন, ট্রাউট মাছ
৭. শস্যদানা: গমের বীজ ও ভুট্টা

ডা. সিনথিয়া আলম, কনসালট্যান্ট, ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজি বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল, ঢাকা।

মানুষ হঠাৎ অচেতন কেন হয়, এমন পরিস্থিতিতে কী করবেনহঠাৎ অচেতন বা অজ্ঞান হয়ে পড়ার ঘটনা মেডিকেলের ভাষায় সিনকোপি নামে পরিচিত।...
20/10/2024

মানুষ হঠাৎ অচেতন কেন হয়, এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন

হঠাৎ অচেতন বা অজ্ঞান হয়ে পড়ার ঘটনা মেডিকেলের ভাষায় সিনকোপি নামে পরিচিত। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি জটিল কোনো রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। তাই এমনটি ঘটলে সেটা হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। সিনকোপির প্রাথমিক কারণ হল মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ সাময়িক সময়ের জন্য কমে যাওয়া। রক্ত ​​প্রবাহ বিঘ্নিত হয়, এ রকম বিভিন্ন কারণে এটি হতে পারে। ভাগ্যক্রমে, এটি স্বল্প সময়ের জন্য হয়। তবে, এটি একটি অন্তর্নিহিত রোগের ইঙ্গিত করে, যা জীবনের ক্ষেত্রে ঝুকিপূর্ণ হতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গ
অজ্ঞান হওয়ার সঙ্গে যুক্ত সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গের মধ্যে আছে—
● ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
● বমি ভাব বা বমি হওয়া
● মাথা হালকা লাগা, মাথা ঝিঁঝিঁ করা
● হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন, বুক ধড়ফড়
● ঝাপসা দৃষ্টি অথবা দেখতে অসুবিধা হওয়া
● জ্বর
● হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া

কোন কোন রোগে সিনকোপি হতে পারে
যেহেতু সিনকোপি হওয়ার প্রধান কারণ হলো মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হওয়া। এই রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হতে পারে বেশ কিছু কারণে—

● হার্ট অ্যাটাক
● স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোক
● যেকোনো ধরনের শক (ডায়রিয়া, বমি থেকে শরীরে পানিশূন্যতা ইত্যাদি)
● হৃদস্পন্দনের বিভিন্ন রোগ ও সমস্যা
● প্রেশার অনেক কমে গেলে

সিনকোপি হওয়ার সাধারণ কিছু কারণও আছে। যেমন—
প্রচণ্ড তাপ বা দাবদাহ থেকে
● অত্যধিক মানসিক চাপ বা ভয় পেলে
● রক্তশূন্যতা
● খিঁচুনি
● অতিরিক্ত মদ্যপান
● হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস, ডায়াবেটিক রোগীদের ইনসুলিন নেওয়ার পর না খেয়ে থাকলে অনেক সময় এ রকম হয়।
● হরমোনজনিত বিভিন্ন রোগ (থাইরয়েড ও স্টেরয়েড হরমোনের রোগ)
● রক্তে লবণের ঘাটতি

চিকিৎসা কী
সিনকোপি হলো বিভিন্ন রোগের সাধারণ উপসর্গ। অজ্ঞানের সময় বা পরবর্তীতে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে, চিকিৎসক রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সিনকোপির সম্ভাব্য কারণ সনাক্ত করবেন। শরীরের যথাযথ কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য রোগীকে নির্দিষ্ট পরীক্ষা করতে পরামর্শ দিতে পারেন। যেমন– হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকলাপ পরীক্ষা করতে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম/ইসিজি, বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষা, প্রয়োজনে মাথার সিটি স্ক্যান করানো লাগতে পারে।

যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অজ্ঞান হওয়া কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী হতে পারে। কিন্তু অবহেলা না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। অজ্ঞান হওয়ার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই কারণে তাড়াতাড়ি কারণ নির্ণয় করা জরুরি। অনেক সময় এটি ক্ষণস্থায়ী হয় বলে এটিকে অগ্রাহ্য করার প্রবণতা দেখা যায়। যা তাকে পরবর্তীতে বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ কারণে এ রকম ঘটনা ঘটলে অবহেলা না করে, মেডিসিন–বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডা. সাইফ হোসেন খান, মেডিসিন কনসালট্যান্ট, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি।




ভিমরুল কামড়ালে কী করবেনখবরটা ভীষণ মর্মান্তিক। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ভিমরুলের কামড়ে বাবা ও বোনের পর সাড়ে তিন বছর বয়সী সিফাত...
15/10/2024

ভিমরুল কামড়ালে কী করবেন
খবরটা ভীষণ মর্মান্তিক। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ভিমরুলের কামড়ে বাবা ও বোনের পর সাড়ে তিন বছর বয়সী সিফাত উল্লাহ মারা গেছে। গত ১২ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পোকামাকড়ের কামড় আগে খুব একটা গুরুত্ব পেত না, তবে ইদানীং এ ধরনের ঘটনা গুরুত্ব পাচ্ছে এমন প্রাণহানির কারণে। জেনে রাখুন, ভিমরুল কামড়ালে কী করবেন।

ভিমরুলের বিষ আদতে কী
এটা একধরনের অ্যালক্যালাইন পদার্থ। এসিটাইলকোলিন ও হিস্টামিনের সঙ্গে আরও কিছু রাসায়নিক দিয়ে এই বিষ সৃষ্টি হয়। একটা ভিমরুল প্রতিবার হুল ফোটালে ২-৫ মিলিগ্রাম বিষ ছাড়ে। বয়সভেদে প্রতি কেজিতে ৫-১০ মিলিগ্রাম বিষ শরীরে ঢুকলে নির্ঘাত মৃত্যু। মানে কারও শরীরে ভিমরুল ১৫ বারের বেশি কামড়ালে তার জীবন সংকটাপন্ন হয়ে যেতে পারে। ১০০-১৫০ গ্রামের বেশি বিষ শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকেজো করে ফেলতে পারে। আরেকটা ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, একটা মৌমাছি একবারই হুল ফোটাতে পারলেও একটা ভিমরুল কয়েকবার হুল ফোটাতে পারে।

ভিমরুল কামড়ালে কী হয়
1. আক্রান্ত স্থান ফুলে যায়, লাল হয়, ফুসকুড়ি ওঠে, দাগ হয়, ব্যথা হয়— এসব হচ্ছে প্রাথমিক লক্ষণ। তবে বিপজ্জনক লক্ষণগুলো হলো—
2. ঘুম ঘুম ভাব হওয়া
3. মাথা ঝিমঝিম করা
4. সারা শরীরে চুলকানি
6. শরীরে জ্বালাপোড়া
7. সারা শরীরে বড় বড় বা ছোট ছোট লাল লাল চাকার মতো হওয়া
8. চোখ লাল হওয়া
9. বেশি বেশি ঘাম হওয়া
10. ঠোঁট-জিব ফুলে যাওয়া
11. শ্বাসকষ্ট
12. ডায়রিয়া

আবার বিষের কারণে তীব্র অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় অ্যানাফাইলেকটিক শকও হতে পারে, তখন নিচের জরুরি লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়—

1. রক্তচাপ আকস্মিক কমে যাওয়া
2. দ্রুত হৃৎস্পন্দন
3. পেটে-বুকে-মাথায় ব্যথা
4. জ্ঞান হারিয়ে ফেলা

কী করতে হবে

1. আক্রান্ত স্থানে হুল থাকলে তা খুব সাবধানে উঠিয়ে ফেলতে হবে
2. জীবাণুনাশক সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে
3. জ্বালা কমানোর জন্য ঠান্ডা সেঁক দেওয়া যেতে পারে
4. জীবাণুনাশক ক্রিম লাগিয়ে রাখতে হবে

ওপরে দেওয়া লক্ষণের যেকোনো একটি দেখা দিলে বা শিশু, বৃদ্ধ ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের বেলায় একটি ভিমরুল কামড়ালেও হাসপাতালে নেওয়া বাধ্যতামূলক

ভিমরুল ১-২ বার কামড়ালে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাড়িতে চিকিৎসা নিলেই ঠিক হয়ে যায়। তবে তিন বা তার বেশিবার কামড়ালে হাসপাতালে নেওয়া জরুরি। কারণ, বোলতা, মৌমাছি, ভিমরুল বা এ-জাতীয় পতঙ্গের মধ্যে ভিমরুলের বিষ সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। এসব ক্ষেত্রে কোনো ঝাড়ফুঁক কিংবা কোনো ওঝা-কবিরাজের কাছে গিয়ে সময় নষ্ট না করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।

ডা. হিমেল বিশ্বাস, নিউরোলজি বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, পান্থপথ, ঢাকা





Rosuvastatin (Rosu, Atova, Crestor, Lipitor, Rosuva)Side effect  1. Muscle pain or weakness: Myopathy or rhabdomyolysis ...
14/10/2024

Rosuvastatin (Rosu, Atova, Crestor, Lipitor, Rosuva)

Side effect
1. Muscle pain or weakness: Myopathy or rhabdomyolysis (rare but serious).
2. Gastrointestinal issues**: Nausea, diarrhea, or constipation.
3. Headache: Some users report frequent headaches.
4. Liver enzyme changes: Elevated liver enzymes may occur.
5. Increased blood sugar levels: May lead to a higher risk of diabetes in some individuals.
6. Allergic reactions: Rarely, skin rashes or swelling can occur.

Precaution
1. Liver Function: Check liver enzymes before starting treatment and periodically during use, especially if you have a history of liver disease.

2. Muscle Issues: Inform your doctor if you have a history of muscle disorders, as rosuvastatin can increase the risk of muscle-related side effects.

3. Kidney Function: Patients with kidney impairment should use rosuvastatin cautiously, as dosage adjustments may be necessary.

4. Diabetes Risk: Discuss any personal or family history of diabetes, as statins can slightly increase blood sugar levels.

5. Drug Interactions: Inform your healthcare provider about all medications, supplements, and herbal products you are taking, as certain drugs can interact with rosuvastatin.

6. Alcohol Use: Limit alcohol intake, as it can increase the risk of liver damage.

7. Pregnancy and Breastfeeding: Avoid using rosuvastatin during pregnancy or breastfeeding unless your doctor advises.

Interaction of Rosuvastatin
• CYP3A4 Inhibitors: Strong inhibitors (e.g., ketoconazole, ritonavir) can increase rosuvastatin levels, raising the risk of side effects like muscle pain.

• Antacids: Aluminum- or magnesium-containing antacids can reduce the absorption of rosuvastatin. It's best to space them out (take antacids at least 2 hours before or 2 hours after).

• Warfarin: Rosuvastatin may enhance the anticoagulant effects of warfarin, increasing bleeding risk. Monitor INR closely.

• Fibrates: Combining with fibrates (like gemfibrozil) can increase the risk of myopathy and rhabdomyolysis.

• Cyclosporine: Concomitant use can significantly increase rosuvastatin levels, necessitating dosage adjustments.

• Niacin: High doses of niacin can increase the risk of muscle-related side effects when taken with rosuvastatin.

Interaction of Food
1. Grapefruit Juice: Unlike some other statins, rosuvastatin is less affected by grapefruit juice. However, it's still advisable to consume it in moderation, as it can affect other medications.

2. High-Fat Meals: While rosuvastatin can be taken with or without food, high-fat meals might slightly reduce its absorption.

3. Alcohol: Limit alcohol intake, as excessive consumption can increase the risk of liver damage when taking rosuvastatin.

Overdose of Rosuvastatin

Symptoms of Overdose:
• Muscle pain or weakness (risk of myopathy or rhabdomyolysis)
• Nausea and vomiting
• Abdominal pain
• Elevated liver enzymes (potential liver damage)
• General fatigue or weakness

What to Do:
• Seek immediate medical attention if an overdose is suspected.
• Treatment may involve supportive care and monitoring of liver function and muscle symptoms.

Missed Dose of Rosuvastatin

What to Do:
• If you miss a dose, take it as soon as you remember.
• If it's almost time for your next dose, skip the missed dose—do not double up to make up for a missed one.
• Maintain a consistent schedule for taking the medication.








অস্থিসন্ধি সুস্থ রাখার উপায়আমাদের দেহে ২০৬টি হাড় রয়েছে। দুটি হাড় বা অস্থি যেখানে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকেই অস্থিসন...
14/10/2024

অস্থিসন্ধি সুস্থ রাখার উপায়

আমাদের দেহে ২০৬টি হাড় রয়েছে। দুটি হাড় বা অস্থি যেখানে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকেই অস্থিসন্ধি বলে। অস্থি, মাংসপেশি ও লিগামেন্ট দিয়ে অস্থিবন্ধনী তৈরি হয়। লিগামেন্ট কিছুটা স্থিতিস্থাপক, শক্ত, সাদা বর্ণের বিশেষ ধরনের মাংসপেশি। এটি হাড়ের গাঁথুনিতে শক্ত রশির মতো কাজ করে। লিগামেন্ট ও মাংসপেশির জন্যই অস্থিসন্ধিতে হাড় শক্তভাবে লেগে থাকে।

শরীরে অনেক অস্থিসন্ধি রয়েছে;

যেমন হাঁটু, ঘাড় ও কোমরের অস্থিসন্ধি। যেকোনো ধরনের নড়াচড়া, এমনকি শোয়া পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত হয় অস্থিসন্ধি দিয়ে। শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এ অস্থিসন্ধিগুলো সুস্থ রাখতে ছোটবেলা থেকেই যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

করণীয়
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। ওজন বাড়লে শরীরের ভার বহনকারী জয়েন্টগুলোতে চাপ পড়ে। ফলে জয়েন্ট ক্ষয় হতে থাকে। এতে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

নিয়মিত ব্যায়াম করলে অস্থিসন্ধির চারপাশের মাংসপেশি ও লিগামেন্ট শক্তিশালী হয় এবং ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। ব্যায়ামের ফলে ওজন কমে এবং অস্থির জয়েন্টের টান ও চাপ কমে।

শক্তিশালী পেশি জয়েন্টকে ভালো সাপোর্ট দিতে পারে।
ঊরুর পেশি শক্তিশালী হলে হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে। পেট ও পিঠের শক্তিশালী পেশি ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। ভারোত্তোলন পায়ের পেশি তৈরি করতে সাহায্য করে। পেশি ভালো রাখতে ইয়োগা উপকারী।

দাঁড়ানো, বসা বা শোয়ার সময় সঠিক দেহভঙ্গি বজায় রাখুন। সঠিক দেহভঙ্গি পেশি ও লিগামেন্টের চাপ কমায়। তিন ঘণ্টার বেশি সময় পায়ের ওপর পা তুলে বসলে কাঁধ, কোমর ও পিঠের জয়েন্টে পরিবর্তন এবং ব্যথা সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় উঁচু হিলযুক্ত জুতা পরা ঠিক নয়।

সুষম খাদ্যাভ্যাস জরুরি।
ওজন কমাতে হঠাৎ করে অতিরিক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণ হাড়ের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই স্থূলকায় ব্যক্তিরা ধীরে ধীরে খাবার নিয়ন্ত্রণ করুন।

নিয়মিত ক্যালসিয়াম, আয়রন, আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার খান। এগুলো হাড়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রসূতি মায়েরা প্রসবের পর দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকবেন না।
বিভিন্ন ধরনের মাছ ও মাছের তেল অস্থিসন্ধির ব্যথা দূর করতে কার্যকর। মাছের তেলে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যদি অস্থিসন্ধিতে ব্যথা থাকে, তবে খাদ্যতালিকায় মাছের তেলের ওপর গুরুত্ব দিন। অস্থিসন্ধির ব্যথায় অনেক সময় গ্লুকোসামাইন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়।

হলুদ
দেহের অস্থিসন্ধির ব্যথা দূর করতে কার্যকর। বাদামে আছে ম্যাগনেশিয়াম, আই-অ্যারজিনিন ও ভিটামিন ই; যা দেহের প্রদাহ দূর করতে কার্যকর। চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, অ্যামন্ড ও অন্যান্য বাদাম রাখুন খাদ্যতালিকায়।

ক্যালসিয়াম
দেহের হাড়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দুধ, দই ও পনিরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যাঁরা দুধজাতীয় খাবার খেতে পারেন না, তাঁরা যেসব সবজি ও বীজে ক্যালসিয়াম রয়েছে, সেসব খেতে পারেন।








আপনি কি উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খান? এই তথ্যগুলো আপনার জানা থাকা উচিতউচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে ওষুধ দিয়েই তাকে নিয়ন্ত্রিত রাখা...
12/10/2024

আপনি কি উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খান? এই তথ্যগুলো আপনার জানা থাকা উচিত

উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে ওষুধ দিয়েই তাকে নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি নীরব ঘাতক। চিকিৎসা না নিলে হৃদয়, যকৃৎ, চোখ, মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ফেইলর বা ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়া, এই মারাত্মক সমস্যাগুলোর পেছনের অপরাধী উচ্চ রক্তচাপ। তাই উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে জীবনধারার কিছু পরিবর্তনের সঙ্গে ওষুধও শুরু করতে হয়। অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ড্রাগ বা রক্তচাপের ওষুধ নিয়ে আছে নানা দ্বিধা, নানা প্রশ্ন। যেমন ওষুধ কখন খাব, সারা জীবন খাব, নাকি বাদ দেওয়া যাবে, খাবারের আগে বা পরে খাব, ভুলে গেলে কী করব ইত্যাদি। আসুন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার চেষ্টা করি।

উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ কখন শুরু করতে হয়
আগেই বলেছি উচ্চ রক্তচাপ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির কারণ। তাই শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি চিকিৎসক প্রেসস্ক্রাইব করেন, তবে ওষুধ শুরু করতে হবে। অনেকে চিকিৎসক দেওয়ার পরেও ভাবেন কদিন দেখে নিই, তারপর শুরু করব। অনেকে আবার রক্তচাপ মেপে বেশি থাকলে বা মাথা বা ঘাড়ব্যথা বা খারাপ লাগলে ফার্মেসিতে গিয়ে যেকোনো একটা ওষুধ খেয়ে নেন। এসব করা যাবে না। রক্তচাপের ওষুধ একেকজনের জন্য একেকরকম হয়। চিকিৎসক তাঁর উচ্চ রক্তচাপের কারণ, ইতিহাস, পারিবারিক অবস্থা ও অন্য কোনো রোগ আছে কি না, এমন অনেক কিছু দেখে তারপর ওষুধ নির্ণয় করেন। সুতরাং হঠাৎ করে না বুঝে ওষুধ খেলে সেটি বরং ক্ষতির কারণ হবে।

অনিয়মিত হলে বা ভুলে গেলে কী হবে
অনেকেই ওষুধ খেতে ভুলে যান। একবেলা ভুলে গেলে যখন মনে পড়বে, তখন খেতে হবে। তবে ভুলে গেলে চলবে না। নির্দিষ্ট সময় ওষুধ খেতে হবে। কারণ, রক্তচাপ কমা-বাড়া খারাপ। উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রতিদিন নিয়ম করে একই মাত্রায় একই সময়ে খেতে হবে।

সারা জীবন খেতে হবে কি না
হাইপারটেনশনের রোগীদের সবচেয়ে কমন প্রশ্ন হলো, সারা জীবন খেতে হবে কি না। অনেকেই এ কারণে ওষুধ শুরু করতে গড়িমসি করেন। উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে ওষুধ দিয়েই তাকে নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়। ওষুধের ডোজ বা মাত্রা কমানো বা বাড়ানো হয়। কখনোই রোগী নিজে এমনটি করবেন না। চিকিৎসক ঠিক করবেন ওষুধ বাড়াবেন না কমাবেন, বা বদল করবেন কিনা।

দিনের কোন সময় ওষুধ খাওয়ার জন্য ভালো
কিছু অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ আছে যেগুলো শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। এগুলো সকালে সেবন করা ভালো। আবার কিছু ওষুধ আছে যেগুলো ফার্স্ট ডোজ হাইপোটেনশন বা প্রেশার কমে যেতে পারে, এগুলো রাতে দেওয়া হয়।

খাবারের সঙ্গে সম্পর্ক
উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে খাবারের আগে পরের কোনো সম্পর্ক নেই। কেবল নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে হবে। কেউ যদি সন্ধ্যা সাতটায় ওষুধ খান, তাঁকে চেষ্টা করতে হবে সাতটার সময়ে খেতে।

ফলোআপ কখন করব
অনেকে একবার ওষুধ শুরু করার পর আর ফলোআপ করান না। কিন্তু অন্যান্য ক্রনিক রোগের মতো উচ্চ রক্তচাপের রোগীকেও সব সময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন, নতুন ওষুধ যোগ, ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কি না এগুলো দেখতে হবে। ভালো থাকলেও নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি জীবনধারার পরিবর্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম, অতিরিক্ত চিনি বা লবণ না খাওয়া, সিগারেট ও মদ্যপান পরিহার—এসব মেনে চললে ভালো থাকা যায়।

ডা. আফলাতুন আক্তার জাহান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড






Address

Dhaka Co-oporative Building Society, Savar

1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Helfact posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share