DrFarzana Kamal Rupa

DrFarzana Kamal Rupa Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DrFarzana Kamal Rupa, Dhaka.

“শুভ জন্মদিন প্রিয় আম্মা”২১ শে ফেব্রুয়ারি আমার মায়ের জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আমার মা ঘর আলো করে এসেছিলেন মমত...
22/02/2026

“শুভ জন্মদিন প্রিয় আম্মা”

২১ শে ফেব্রুয়ারি আমার মায়ের জন্মদিন।
১৯৪৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আমার মা ঘর আলো করে এসেছিলেন মমতাজ এবং মান্নাফের কোলে। মাত্র ৫ বছর কাটতে না কাটতেই ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাভাষা ও দেশমাতৃকাকে ভালবেসে তৎকালীন পাকিস্তানি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার জন‍্য কারাগারে নিক্ষিপ্ত হোলেন শিশু খুকুর প্রিয় “আম্মা”। আর খুকুর ঠাঁই হোল মায়ের আঁচল হাড়িয়ে ফুফুদের আঁচল তলে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীর “রাজপাঠ মিয়া বাড়ি” নামক গ্রামটিতে। ৫২- এর ভাষা আন্দোলনের তিব্র স্রোতে ভেসে গেল মা-মেয়ের আদর-ভালবাসায় ভরা সুন্দর পৃথিবীটি।

ছোট্ট খুকুর মায়ের সাথে দেখা হয়েছিল দীর্ঘ ১০ বছর পর। এই দীর্ঘ ১০ বছরে একদিকে যেমন মা মমতাজ বেগম কাটিয়েছেন সন্তানের স্পর্শ বিহীন মরুময় এক জীবন, অন‍্যদিকে শিশু খুকুকে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই শৈশবের সমস্ত চন্চলতাকে হাড়িয়ে বধুবেশে ঘর করতে যেতে হয় ফরিদপুরের সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে মনিরুল ইসলামের সংসারে। যে সন্তানের মা এবং বাবা দুজন ই ছিলেন উচ্চ শিক্ষিত, সেই সন্তানকেই স্কুলের চৌহদ্দি পাড় হবার পূর্বেই সংসারের জোয়াল তুলে দেয়া হয় ছোট্ট ঘাড়টিতে। তবে সে ঘাড়টি ছিল বড়ই শক্তিশালী…হুম, আম্মা একে একে চারটি সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন, দিয়েছেন তাদের উচ্চশিক্ষা এবং নিজেও ছাড়িয়ে ছিলেন স্কুল-কলেজের গন্ডি।

আমার বাবা তথা মনিরুল ইসলাম ছিলেন বিশিষ্ট সনেট লেখক সুফি মোতাহার হোসেনের ভাস্তে এবং অত্যন্ত সজ্জ্বন পুরুষ। তিনি বিয়ের দিনই অনুভব করতে পারেন স্ত্রীর হৃদয়ের ক্রন্দন। তিনি একটুও সময় ক্ষেপন না করে ফরিদপুর থেকে স্ত্রী খুকুকে নিয়ে যান ঢাকায় তার মায়ের কাছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর মা ও মেয়ের পূনর্মিলন ঘটে….একজন মা হিসেবে আমি প্রতিটি মুহূর্তেই অনুভব করতে পারি সেই বিশেষ ক্ষণটিকে।

তারপর কেটে গিয়েছে বহু যূগ, আমার মা এবং আমার নানু-দুজনেই চলে গিয়েছেন সব দুঃখ, কষ্ট, ভালবাসাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে। আমার মা খুকু সবে যখন মায়ের স্নেহ-ভালবাসা পেতে শুরু করলো তখনই হাড়িয়ে ফেললো মাকে, তবে এবার চিরতরে। ফরিদপুরে বাবার ও শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল কিছুদিনের জন‍্য, কিন্তু এরই মাঝে অসুস্থ‍্য হয়ে পড়েন মা মমতাজ বেগম। হাসপাতালে ভর্তি হবার পর যখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানতে পারলো হাসপাতালের বিছানায় যিনি শুয়ে আছেন তিনি আর কেউ নয়, রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন‍্য লড়ে যাওয়া অসম সাহসী অকুতোভয় নারায়ণগন্জের মর্গান বালিকা বিদ্যালয়ের চাকুরীচ‍্যূত প্রধান শিক্ষিকা মমতাজ বেগম তখনই ঠিক করলো তার কণ‍্যাসহ কাওকেই জানানো যাবে না তাঁর অসুস্থতার কথা। তৎকালীন পাকিস্থান সরকার ভয় পেতেন অগ্নিকন্যা মমতাজ বেগম এবং তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের, যদি তাঁর অসুস্থতার জন‍্য সরকারকে দায়ী করে আবারো আগুন জ্বলে ওঠে-এবার ঢাকার রাস্তায়! হাসপাতালে ভর্তির মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই জীবন প্রদীপ নিভে যায় এই মহিয়সী নারীর, তথা খুকুর মায়ের আর আমাদের নানুর। নানুকে তৎকালিন সরকার অতীব গোপনীয়তার সঙ্গে রাতের অন্ধকারে আজিমপুর কবরস্থানে শায়িত করার পরই শুধু খুকুকে তাঁর মায়ের মৃত‍্যএ সংবাদ দেয়া হয়।

আমার মা তথা মমতাজ বেগমের একমাত্র কণ‍্যা কোনদিনই তাঁর মায়ের কবর খুজে পাননি, শুধু জানতেন মা তাঁর শুয়ে আছে আজিমপুরে হাজারো কবরের মাঝে কোন একটিতে। এখানে আরো উল্লেখযোগ্য ঢাকায় এসে মায়ের বাসায় যেয়ে স্তম্ভিত খুকু দেখেছিলেন লন্ড-ভন্ড হয়ে যাওয়া মায়ের সংসার। নানুর ঘরের প্রতিটি কাগজ যেন একটি একটি করে ছিড়ে ফেলে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল, বাদ যায়নি মায়ের প্রিয় বইগুলোও। খুকু শুধু খুঁজে পেয়েছিল ঘরের এক কোণে পড়ে থাকা মায়ের একটি এ‍্যালবাম যার মধ‍্যে ছিল মায়ের কিছু সার্টিফিকেট এবং ছবি। এই এ্যালবামটিকেই আমার আম্মা তথা মমতাজ বেগমের একমাত্র কণ‍্যা খুকু আজীবন আগলে রেখেছেন যক্ষের ধনের মতন। সেই এ‍্যালবামে সংরক্ষিত একটি ছবিই হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে পোষ্ট করা আমার নানুর ছবি।

জিবৎদশায় আমার নানু তথা খুকুর মা তাঁর আপোষহীন রাজনীতির জন‍্য হয়েছিলেন অত‍্যাচারিত, পরবর্তীতেও তিনি হাড়িয়ে গিয়েছিলেন ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মহাণ ইতিহাসের পাতা থেকে। কিন্তু আমার মা, মমতাজ বেগমের একমাত্র কণ‍্যা খুকু একজন বাংলাদেশি হিসেবে তাঁর মায়ের ঋণ শোধ করার জন‍্য জীবন বাজি ধরেছিলেন। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে তিনি খুঁজে বের করেছেন ৫২ এবং ৫২ পরবর্তীতে রাজনীতির সঙ্গে/ভাষা আন্দলনের সাথে যুক্ত মহান ব্যক্তিত্বদের, জেনেছেন মায়ের কথা, পুরোনো কাগজ আর ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ঐতিহাসিক বইগুলোর পাতা উল্টে উল্টে খুঁজে বের করেছেন মায়ের নাম ও তাঁর সমঝোতাহীন লড়াইয়ের কাহিনী। কিছুটা হলেও হাড়িয়ে যাওয়া মমতাজ বেগমকে ফিরিয়ে এনেছেন ইতিহাসের পাতায়-মমতাজ বেগম থেকে ভাষা সংগ্রামী মমতাজ বেগম হিসেবে পূণরজন্ম দিয়েছেন মমতাজ বেগমের ই সেই ছোট্ট শিশু কন্যা “খুকু” যে কিনা মায়ের স্নেহ থেকে বন্চিত হয়েছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তাঁর পন্চম জন্মবার্ষিকীতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে।

প্রিয় আম্মা, আমি আমার নানু ভাষা সৈনিক একুশে পদক জয়ী (মরোনোত্তর) অগ্নিকন‍্যা মমতাজ বেগমের নাতনী হোতে পেরে যেমন গর্বিত, ঠিক তেমনি তোমার মতন কখনো হেড়ে না যাওয়া এবং নিজ গন্তব্যের প্রতি অবিচল থাকা এক কণ‍্যার ঔড়ষে জন্ম গ্রহণ করে ধন‍্য ও কৃতজ্ঞত।

পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে তোমার শুভ জন্মদিনে আমি মহান আল্লাহ্ পাকের কাছে দোয়া করি তিঁনি যেন তোমাকে এবং তোমায় জন্মদানকারী আমার নানুকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। আমিন।

ছবিতে আমরা “চার প্রজন্ম”

“একুশের অগ্নিকন্যা ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগম: ইতিহাস তুমি, উত্তরাধিকার আমি”আমার অতি প্রিয় নানু, ভাষা সৈনিক, একুশে পদক বিজয়...
20/02/2026

“একুশের অগ্নিকন্যা ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগম: ইতিহাস তুমি, উত্তরাধিকার আমি”

আমার অতি প্রিয় নানু, ভাষা সৈনিক, একুশে পদক বিজয়ী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মমতাজ বেগম, তোমার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।
১৯৫২ সালের সেই উত্তাল সময়ে, যখন রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সমগ্র বাংলার আকাশ প্রতিবাদের বজ্রধ্বনিতে মুখরিত, তখন তুমি সাহসী কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলে বাংলার ন্যায্য অধিকার। ২১শে ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা ইতিহাস, শহীদদের আত্মদান, রাজপথে জ্বলে ওঠা প্রতিবাদের অগ্নিশিখা- এসব কিছুর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে তোমার দৃঢ় উপস্থিতি। একজন নারী হয়ে সেই সময়ের সামাজিক বাধা, ভয় আর দমননীতিকে অগ্রাহ্য করে মাতৃভাষার জন্য রাজপথে নামা ছিল এক অনন্য ঐতিহাসিক সাহসের দৃষ্টান্ত।

১৯৫২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ থেকে তৎকালীন পাকিস্তানি সরকার তোমাকে গ্রেফতার করে তোমার অগ্নি-কন্ঠকে রোধ করে দেবার জন‍্য।তারপর পৌনে দুই বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার কুঠুরীতে দিন কাটিয়েছ তুমি। অমানবিক নিঃসঙ্গতা, অনিশ্চয়তা ও কঠোর বন্দিজীবনের মধ্যেও তুমি অবিচল থেকেছ নিজের আদর্শে। পাকিস্তানি সরকারের প্রলোভন সত্ত্বেও বন্ডে স্বাক্ষর করে মুক্তি গ্রহণ করোনি; আত্মসম্মান ও মাতৃভাষার মর্যাদার প্রশ্নে তুমি আপস করোনি এক চুলও। তোমার নীরব দৃঢ়তা ছিল বজ্রের মতো অটল।
দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদার জন্য তুমি নিজের সংসারকে বলিদান দিয়েছিলে। হারিয়েছিলে একমাত্র কন্যা পাঁচ বছরের ছোট্ট খুকুর সান্নিধ্য। একজন মায়ের হৃদয়ে এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কী হতে পারে? মাতৃভাষার অধিকারের জন্য তুমি নিজের মাতৃত্বের উষ্ণতাকেও বিসর্জন দিয়েছিলে। ইতিহাসের পৃষ্ঠায় এ এক বিরল, মহিমান্বিত আত্মত্যাগের অধ্যায় যেখানে ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ম্লান হয়ে যায় জাতির সম্মানের কাছে।
তোমার সংগ্রাম শুধু ভাষার স্বীকৃতির জন্য ছিল না; তা ছিল আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। ভাষা আন্দোলনের সেই অগ্নিস্ফুলিঙ্গ থেকেই জন্ম নিয়েছিল স্বাধীনতার চেতনা। সেই মহৎ ধারার একজন গর্বিত অংশীদার তুমি। একুশে পদকে ভূষিত হয়ে জাতি তোমার অবদানকে যে স্বীকৃতি দিয়েছে, তা ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

শিক্ষাবিদ হিসেবে তুমি নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে দেশাত্মবোধ, নৈতিকতা ও জ্ঞানচর্চার যে আলো জ্বালিয়েছো, তা আজও আমাদের পথ দেখায়। তোমার একমাত্র সন্তান হিসেবে আমার মা যেমন গর্বে মাথা উঁচু করে তোমার আদর্শ ধারণ করেছেন, তোমার নাতনি হিসেবে আমিও তেমনি গভীর গর্ব অনুভব করি, কারণ আমার শিরায় বইছে সেই সংগ্রামী উত্তরাধিকার, যে উত্তরাধিকার মাথা নত করতে শেখায় না।

নানু, তুমি শুধু আমাদের পরিবারের নও, তুমি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের জীবন্ত প্রতীক, জাতির বিবেকের এক উজ্জ্বল আলোকস্তম্ভ। তোমার আদর্শ চিরজাগরুক থাকুক আমাদের হৃদয়ে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। তোমাকে ভালোবাসি বাংলার মাটি, ভাষা ও পতাকার মতোই গভীরভাবে।

তোমার দেশপ্রেম ও অটল সাহসকে বুকে ধারণ করে আমি সত্য, আত্মমর্যাদা ও দেশপ্রেমের পথে অবিচল থাকার অঙ্গীকার করি। আমি চাই যেন তোমার মতো অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে কখনও ভয় না পাই, নিজ স্বার্থে বেঁচে থাকার প্রলোভনে আপস না করি, এবং সবসময় আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে পারি।

ডা: ফারজানা ইসলাম রুপা
(এমডি, এমপিএইচ, পিএইচডি, পোষ্ট-ডক)
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)
ঢাকা, বাংলাদেশ।

“হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে, মনটা ভারাক্রান্ত……”
30/12/2025

“হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে, মনটা ভারাক্রান্ত……”

“Begum Khaleda Zia — A symbol of unwavering courage, sacrifice, and lifelong commitment to democracy in Bangladesh.”“Inn...
30/12/2025

“Begum Khaleda Zia — A symbol of unwavering courage, sacrifice, and lifelong commitment to democracy in Bangladesh.”

“Inna Lillahi Wa Inna Ilaihi Rajeun.
Indeed, we belong to Allah, and indeed, to Him we shall return.”
In the history of Bangladesh’s democratic movement, uncompromising national leader Begum Khaleda Zia stands as a name synonymous with unwavering courage, sacrifice, and struggle. Time and again, amid adversity, imprisonment, and illness, she never bowed her head; throughout her life she remained steadfast in defending democracy and the people’s right to vote. Serving three terms as Prime Minister, she placed the country’s independent thinking, multiparty politics, and democratic practice on a strong foundation. Under her leadership, the Bangladesh Nationalist Party became not merely a political party, but a symbol of the hopes and aspirations of millions. Above all, she is not only the mother of her own children—she is a fighting mother to all of us, to all of Bangladesh, whose sacrifice and love will remain forever indelible in the nation’s memory and in our hearts.

Dear All, Assalamualaikum and very good morning. I am pleased to share the publication of our ORIGINAL RESEARCH article ...
13/12/2025

Dear All,
Assalamualaikum and very good morning. I am pleased to share the publication of our ORIGINAL RESEARCH article in Frontiers in Global Women’s Health (Section: Quality of Life), released on 12 December 2025 (Volume 6, 2025; https://doi.org/10.3389/fgwh.2025.1684205).

Title of the article is “Visual inspection with acetic acid and colposcopy: screening of cervical cancer in resource-limited healthcare settings”

This work is part of a collaborative research initiative involving United International University (UIU), Alo Bhubon Trust (Alo-BT), Anhalt University of Applied Sciences (Germany), Mid Sweden University (Sweden), and North South University (NSU).
This cross-sectional study conducted in a remote rural health center in Bangladesh assessed the effectiveness of visual inspection with acetic acid (VIA) followed by colposcopy for cervical cancer screening among 384 married women aged 18–65 years. Due to limited access to Pap smear and HPV testing and shortages of specialists in rural areas, VIA was used as a low-cost screening tool, with colposcopy for VIA-positive cases. Overall, 5.2% of women tested VIA-positive, and 60% of these were confirmed by colposcopy, with multiple sexual exposures without condom use identified as a significant risk factor. All confirmed cases received appropriate treatment, including thermocoagulation or LEEP. The findings suggest that VIA followed by colposcopy is a feasible, affordable, and effective screening strategy for cervical cancer in rural Bangladesh and similar low- and middle-income settings, contributing to progress towards SDGs 3.7 and 3.8.

BackgroundThis study was conducted to assess the effectiveness of visual inspection with acetic acid (VIA) followed by colposcopy for cervical cancer screeni...

Address

Dhaka

Telephone

+8801726028636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DrFarzana Kamal Rupa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to DrFarzana Kamal Rupa:

Shortcuts

Share