নারুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ

নারুয়া  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ Official Facebook

কিছুদিনের মধ্যেই আপনাকে এভাবে হাসিখুশি দেখতে চায় বাংলার ১৮ কোটি মানুষর
24/04/2025

কিছুদিনের মধ্যেই আপনাকে এভাবে হাসিখুশি দেখতে চায় বাংলার ১৮ কোটি মানুষর

ঘরে বসে থাকার সময় নেই — নেত্রী আসবেই ইনশাআল্লাহ!আগামী ১০ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মশাল মিছিল।এই কর্মসূচিকে সফল করার জন্য ...
24/04/2025

ঘরে বসে থাকার সময় নেই — নেত্রী আসবেই ইনশাআল্লাহ!

আগামী ১০ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মশাল মিছিল।
এই কর্মসূচিকে সফল করার জন্য বালিয়াকান্দি উপজেলার সকল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

স্থান: নারুয়া আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস (পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ ভবন)।
সময়মতো উপস্থিত হয়ে দলে দলে যোগ দিন এবং প্রোগ্রামকে সফল করুন।
যোগাযোগ: মোবাইল নম্বর 01965008304

"রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ ও তার কুত্তা তুহিনুর রহমান—সদস্য সচিব, স্বেচ্ছাসেবক দল রাজবাড়...
24/04/2025

"রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ ও তার কুত্তা তুহিনুর রহমান—সদস্য সচিব, স্বেচ্ছাসেবক দল রাজবাড়ী জেলা—যেভাবে বাবুল কুমার সাহা-কে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র করে জড়িয়েছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সত্যের জয় হবেই!"

নারুয়াতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ধ্বংসের মূল কারিগর গনী ও জহুরুল
26/12/2024

নারুয়াতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ধ্বংসের মূল কারিগর গনী ও জহুরুল

নারুয়ার মানুষ সতর্ক হোন!মহাসিন মেম্বার ও সাবেক চেয়ারম্যান চুন্নু — পরিচয়ের আড়ালে এক ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ!নারুয়...
26/12/2024

নারুয়ার মানুষ সতর্ক হোন!
মহাসিন মেম্বার ও সাবেক চেয়ারম্যান চুন্নু — পরিচয়ের আড়ালে এক ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ!
নারুয়ার পবিত্র ভূমিকে যারা লুটেপুটে খেতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।
ভূমি রক্ষা, সম্মান রক্ষা — চুন্নু ও তার মতো দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।

#নারুয়া_বাঁচাও #ভূমিদস্যু_চুন্নুর_বিরুদ্ধে

মুক্তিযুদ্ধ একদিকে যেমন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, তেমনই কেড়ে নিয়েছে বহু বুদ্ধিজীবী, আত্মার আত্মীয়দের৷ বহু নারী হয়েছেন স্বাম...
26/12/2024

মুক্তিযুদ্ধ একদিকে যেমন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, তেমনই কেড়ে নিয়েছে বহু বুদ্ধিজীবী, আত্মার আত্মীয়দের৷ বহু নারী হয়েছেন স্বামী, সন্তান হারা৷ অনেকের কাছেই যুদ্ধের স্মৃতি হয়ে উঠেছে এক তমসাচ্ছন্ন রাত্রি৷

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাস ছিল উত্তাল ঘটনাবহুল মাস। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ হঠাৎ এক হটকারী সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলার আপামর অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর ২৫ মার্চ পর্যন্ত নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন রূপ নেয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে।

২৬শে মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস৷ ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চের মধ্যরাতে ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ সেই রাতেই গড়ে ওঠে প্রতিরোধ, শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তি সংগ্রামে ৩০ লাখ শহিদ আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর।

বাঙালির ওপর ‘অপারেশন সার্চ লাইট' নামের ঐ নিধনযজ্ঞের পরিকল্পনা হয়েছিল একাত্তরের মার্চের শুরুতেই। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ হঠাৎ করে ইয়াহিয়া খানের ঘোষণায় ৩ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত করা হলো। আপামর জনতা বিদ্রোহ-ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসমাবেশে পতাকা উত্তোলন। ৩ মার্চ ঘোষণা হলো পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার, জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’। বহুপ্রতীক্ষিত ৭ মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। অসহযোগ আন্দোলন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা বাংলাদেশে।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ। পাকিস্তানি জেনারেল ইয়াহিয়া খান সেদিন গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন। এর দশ দিন আগে তিনি এসেছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের এই রাজধানী। পাকিস্তানি শাসকরা ভেবেছিল যে সবাইকে বুঝি ধোঁকা দেওয়া গেছে।কিন্তু সেই সময়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা সিদ্দিক সালিক তার বই 'উইটনেস টু সারেন্ডার' এ লিখেছেন: "মুজিবের গোয়েন্দারা গোটা খেলাটা বুঝে গিয়েছিলেন। ইয়াহিয়া খানের নিরাপত্তা টিমে কর্মরত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ আর চৌধুরী দেখে ফেলেছিলেন যে একটা ডজ গাড়িতে ইয়াহিয়া খানের মালপত্র বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। তিনি সেটা শেখ মুজিবের কাছে জানিয়ে দিয়েছিলেন। সন্ধ্যে সাতটার সময়ে ইয়াহিয়া খান যখন বিমানে চড়ার জন্য এয়ারফোর্স গেট দিয়ে ঢুকছেন, তখন নিজের দপ্তরে বসে গোটা দৃশ্যটা দেখছিলেন উইং কমান্ডার এ কে খন্দকার। ফোন করে শেখ মুজিবকে খবরটা জানিয়ে দেন তিনি।"মি. সালিক আরও লিখছেন, "ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল থেকে এক বিদেশী সাংবাদিক আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন যে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ছেড়ে চলে গেছেন, এই খবরটা আমি নিশ্চিত করতে পারি কী না!"রাত তখন বেশ গভীর। কে জানত যে ওই রাত এতোটা লম্বা হবে!

২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট'-এর নামে একযোগে ভারী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ঢাকায়।পাকিস্থানি বাহিনীর অতর্কিত সেই হামলায় মৃত্যুপুরী হয়ে ওঠে সমগ্র ঢাকা শহর। পৃথিবীবাসী অবাক হয়ে দেখেছে ধর্মের নামে বর্বর হানাদার বাহিনী কিভাবে একরাতে প্রায় অর্ধলক্ষ ঘুমন্ত বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক সাইমন ড্রিং-এর বর্ণনায় জানা যায়, ২৫ মার্চ ৭১-এ রাত দশটার দিকে শুরু হয় সেই পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ। যদিও পরিকল্পনা অনুযায়ী জিরো আওয়ার বা আক্রমণের নির্ধারিত সময় ছিল রাত একটা। মধ্যরাতে ঢাকার পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশলাইন, নীলক্ষেত এলাকায় আক্রমণ চালায় হানাদাররা। ঢাকার ইপিআর সদর দপ্তর পিলখানার বাঙালি সৈনিকদের নিরস্ত্র করে এবং ইপিআর দফতরের ওয়্যারলেস ব্যবস্থা দখল করে নেয় ২২তম বেলুচ রেজিমেন্ট।

অন্যদিকে ১৮ নং পাঞ্জাব, ৩২ নং পাঞ্জাব ও ২২ নং বেলুচ রেজিমেন্ট ট্যাংক ও মর্টার হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। হানাদার বাহিনীর মেশিনগানের গুলি, ট্যাংক-মর্টারের গোলা আর আগুনের লেলিহান শিখায় নগরীর রাত হয়ে ওঠে বিভীষিকাময়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ঘটে নৃশংসতম হত্যার সব থেকে বড় ঘটনাটি।তারা গোলা নিক্ষেপ করে মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রাবাসে, হামলা চালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্তি এলাকায়৷ ইতিহাসের এই নির্মম নিধনযজ্ঞ আর তা রাতেই ছড়িয়ে পরে পুরো শহরে৷ ঘুমন্ত মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হায়নারা৷ সেই রাতেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকে প্রতিরোধ শুরু হয়৷ ইপিআর সদস্যরাও প্রতিরোধের চেষ্টা করে জীবন দেন৷ তারপর নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ৷ মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নিধনে সামনের সারিতে ছিলেন পাকিস্তানি জেনারেল টিক্কা খান৷ আর ছিল তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটি।হত্যাযজ্ঞ চলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত।২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু এক রাতের হত্যাকাণ্ডই ছিল না, এটা ছিল মূলত বিশ্বসভ্যতার জন্য এক কলংকজনক, জঘন্যতম গণহত্যার সূচনামাত্র। পরবর্তী ৯ মাসে ৩০ লক্ষ নিরাপরাধ নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলার মাটিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনি তার দোসর জামায়াতে ইসলামী ও তার ছাত্র সংগঠনসহ রাজাকার-আলবদর-আলশামস্ বিভিন্নভাবে বাংলার মাটিতে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল। পাকিস্তানিদের সাথে ব্যাপক গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, সীমাহীন লুটপাটে যুক্ত হয়েছিল তারা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা সৃষ্টি করেছিল সেই বর্বর ইতিহাস, নিষ্ঠুরতা ও সংখ্যার দিক দিয়ে (ইহুদি হলোকাস্ট ১৯৩৩-৪৫) বা রুয়ান্ডার গণহত্যা (১৯৪৪) কেও অতিক্রম করে গেছে।

মধ্যরাতেই ঢাকা তখন লাশের শহর। দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায় পাকিস্থানি সামরিক জান্তা। পাইকারি এই গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেই রয়েছে। পাকিস্তান সরকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল তাতে বলা হয়- ‘১৯৭১ সালের ১লা মার্চ থেকে ২৫শে মার্চ রাত পর্যন্ত এক লাখেরও বেশি মানুষের জীবননাশ হয়েছিল।’ চারিদিকে রক্ত আর রক্ত, শহীদদের সারি সারি লাশ। অপারেশন সার্চলাইটকে নিছক বাঙ্গালীর জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনের একটি সামরিক চেষ্টা মনে করার কোন কারণ নেই।আসলে এটা ছিল এক ভয়াল গুণহত্যার নীলনকশা, গোপনে গোপনে যার প্রস্তুতি চলছিল অনেক আগে থেকেই। পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের মনে বাঙালি সব সময়ই ছিল নিচু শ্রেণির, আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি থেকে জীবনাচরণ-সবই ছিল অপাকিস্তানি। অখণ্ড পাকিস্তানের নামে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সেই অপকিস্তানিদের শুদ্ধ করার জন্য অপারেশন সার্চলাইট শুরু করেছিলো। যার ফলে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যা সংঘটিত হয় বাংলাদেশে।

মধ্যরাতে পরিচালিত হয় পাকবাহিনীর স্পর্শকাতর অভিযান ‘অপারেশন বিগবার্ড’। গ্রেফতার করা হয় বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, বাঙালির শতবর্ষের দাসত্বমুক্তির অগ্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে। ঐ দিন পাকিস্তানিরা আমাদের শুধু হত্যাই করতে চায়নি, আমাদের বাঙালি জাতিসত্তাকে ধংস করার ষড়যন্ত্র নিয়ে তারা অপারেশনে নেমেছিল। জাতিসংঘের ঘোষণায় ‘জেনোসাইড’ বা গণহত্যার যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বাস্তবায়ন হয়েছে সেদিন বাঙালির ওপর। ২৬ মার্চ এর প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েছিল। এই সাংবিধানিক ঘোষণা জানালেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু পিপিআরের ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে প্রেরিত বার্তায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন। তিনি প্রতি ইঞ্চি জমি পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করার আহ্বান জানালেন। নিরস্ত্র জনগণের গণঅভ্যূত্থান সশস্ত্র গণঅভ্যূত্থানে পরিচালিত হবার সূচনাক্ষণও ছিল এই ২৫ মার্চ। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন-প্রতিরোধের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পাকসেনাদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসে সেনা ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যরাও। ওই সময়েই বাঙালির প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়, শুরু হয় স্বাধীনতাযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

সেই সময়ের একটি বিশ্বাসঘাতক অংশ সেদিন পাকিস্তানের পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাদের উত্তরসূরীরা আজও সেই ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তাদের ভাষায় হানাদার বাহিনি বাঙালির উপর আক্রমণ চালিয়েছিল। তারা ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনি’ বলতে নারাজ। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে দুঃখ প্রকাশ করে,আর তাদের দোসর পাকিস্তানিরা নিন্দা জানায়। বাঙালির শত্রুরা ইতিহাসকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বারবার চেষ্টা করে। পেয়ারে পাকিস্তানের গুণগ্রাহীরা এখনো সদা তৎপর বাংলাদেশে। জাতির ইতিহাস পাল্টে ফেলতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা তাদের নেই। সঠিক ইতিহাস পাল্টে ফেলার অনেক ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের খাতায়। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে তাই এখনো চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

২৫ শে মার্চ আমাদের সবচেয়ে বড় আত্মত্যাগ গুলোর একটি। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্ব। এই একটি শব্দে জাতি খুঁজে পায় তার শেকড়ের সন্ধান। বাংলাদেশের ইতিহাস স্মরণ করতে গেলে হাজার বছরের স্বাধীনতার সংগ্রামের বিভিন্ন খণ্ডিত ইতিহাস আমাদের কাছে স্মরণযোগ্য। এই সব কিছু ছাপিয়ে ’৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ মূর্ত করেছে আমাদের প্রকৃত স্বাধীনতা। আর এই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গড়ে উঠেছে আমাদের ভাষার অধিকার ও স্বাধীন স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন থেকে।

২৩ বছরের পাকিস্তানি শাসন থেকে এই দেশকে মুক্ত করতে অনেক রক্ত ঝরেছে। অনেক আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে এক একটি স্মরণীয় মূহুর্ত।

১৫ইংআগস্ট  বাঙালির কান্না আর ব্যথার কথা কবিতা গানে তুলে ধরেছেন এদেশের অনেক কবি ও গীতিকার। যেমন: কবি নির্মলেন্দু গুণ লিখে...
16/12/2024

১৫ইংআগস্ট
বাঙালির কান্না আর ব্যথার কথা কবিতা গানে তুলে ধরেছেন এদেশের অনেক কবি ও গীতিকার। যেমন: কবি নির্মলেন্দু গুণ লিখেছেন, ‘সমবেত সকলের মতো/আমিও গোলাপ ফুল খুব ভালোবাসি/রেসকোর্স পার হয়ে যেতে সেসব গোলাপের একটি গোলাপ/ গতকাল আমাকে বলেছে/আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি/আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে দেশে শুরু হয় হত্যা, ক্যু-পাল্টাক্যু ও অপরাজনীতি। ১৯৭৬ সালে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের রক্তচক্ষুর পরোয়া না করে কবি নির্মলেন্দু গুণ সাহসিকতার সঙ্গে কবিতায় বঙ্গবন্ধুর কথা বলেছিলেন। লিখেছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদস্বরূপ কবিতা। কবি বলেন, ‘জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রথম কবিতা লিখেছিলাম আমি।

Address

নারুয়া রাজবাড়ী
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নারুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share