Dr. Syeda Mukti Islam

Dr. Syeda Mukti Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Syeda Mukti Islam, Surgeon, Dhaka.

Leaning by sharing
Alhamdulillah for Everything

MBBS (RMC)
BCS (Health)
FCPS Part 1(General Surgery)
MS Phase A (Colorectal Surgery)
Bangladesh Medical University

হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬বাংলাদেশে শিশুদের হাম (Measles) ও রুবেলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে দেশব্যাপী হাম–রুবেলা টিকা...
20/04/2026

হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬

বাংলাদেশে শিশুদের হাম (Measles) ও রুবেলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে দেশব্যাপী হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ শুরু হয়েছে।

📅 সময়কাল: ২০ এপ্রিল ২০২৬ – ১০ মে ২০২৬

✅ কারা অন্তর্ভুক্ত হবে
১। ৬ মাসের বেশি বয়সী শিশু
২।সর্বোচ্চ ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়স পর্যন্ত সকল শিশু

📍 কোথায় টিকা দেওয়া হবে
১।নিকটস্থ EPI টিকাকেন্দ্র

📝 কীভাবে টিকা নিবেন

👉 Vaxepi.gov.bd এ রেজিস্ট্রেশন করে টিকা কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
👉 সরাসরি টিকাকেন্দ্রে গিয়ে টিকা কার্ড নিয়ে টিকা নিতে পারবেন

❌ কারা টিকা নিতে পারবে না
১। ক্যাম্পেইনের শেষ তারিখ (১০ মে) অনুযায়ী বয়স ৬ মাস পূর্ণ না হলে
২।বয়স ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিনের বেশি হলে
৩। অসুস্থ থাকলে (পরবর্তীতে সুস্থ হলে ১০ মে এর নিতে পারবে)
৪।পূর্বের টিকা নেওয়ার ২৮ দিন পূর্ণ না হলে

হাম ও রুবেলা ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এই রোগ ও এর জটিলতার হাত থেকে বাঁচার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হচ্ছে সঠিক সময়ে শিশুকে হাম রুবেলা টিকা দিয়ে সুরক্ষিত করা।

14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩❤️

05/04/2026

হাম বা Measles টিকা দেয়া শুরু হবে আগামিকাল মানে ৫ তারিখ থেকে।

হাম বা মিজেলস ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর ,এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন প্রশ্ন ও উত্তরগুলো

১) কবে থেকে শুরু হবে ক্যাম্পেইন?

-আগামী ৫ এপ্রিল রোববার থেকে ।

২) ভ্যাকসিন কোন শিশুরা পাবে?

-আগে টিকা দেয়া, না দেয়া বা এক ডোজ দেয়া ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সের সব শিশু এই টিকার আওতায় আসবে।

৩) বাচ্চার বয়স ৫ মাস .. দিন টিকা পাবে?

-ছয় মাস পূর্ণ না হলে পাবে না। অপেক্ষা করুন। শিশুর যত্ম নিন পুষ্টিকর খাবার দিন।

৪) বাচ্চার বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে (১৬-২৪.মাস থেকে ১০ বছর ) টিকা পাবে?

-এই প্রশ্ন করা হচ্ছে কারণ বাবা-মা কনফিউজড। দেখুন একটি টিকা দিলে ৯৫% এবং ২টি ডোজ দেয়ার পর ৯৭% ইম্যুনিটি ডেভেলপড হয়!
আমার মতামত টিকা দিন বুস্টার হিসাবে কাজে আসবে। ক্ষতির তো সম্ভবনা নেই ( immunocompromised হলে ভিন্ন কথা)।

৫) MR এর এক ডোজের পর MMR দিয়েছি এখন কি করবো? বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে?

-টিকা দিন।

৬) দুই ডোজ ইপিআই দেয়ার যারা টিকা দেয়া লাগবে কেন?

-আপনি আসলে বাচ্চাকে টিকা দিতে চাচ্ছেন না। আপনার বাচ্চার Measles IgG titre করুন এবং সিদ্ধান্তে নিন।

৭) বাচ্চা ৯ মাসের ইপিআই ডোজ পেয়েছে. ... দিন আগে মানে ২৮ দিন এখনো (টিকা দেওয়ার দিন পর্যন্ত) হয় নি কি করবো?

ইপিআই ফলো করুন।

৮) ইপিআই এর প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে এবং সেকেন্ড ডোজ দেয়ার ডেট দিয়েছে ( ২৮ দিনের মধ্যে) কি করবো?

এক্ষেত্রে আপনি ক্যাম্পেইন এর টিকা দিন। ইপিআই দিতে চাইলে ক্যাম্পেইনের টিকা দেয়ার পর কমপক্ষে ২৮ দিন পর দিবেন। না দিলেও সমস্যা নেই!

৯) ভ্যাকসিন এতো তাড়াতাড়ি কোথা থেকে আসছে কার্যকরী হবে তো?

সরকার গাভী জ্বি গরু নয় GAVI থেকে ধার নিচ্ছে। পরে কিনে ধার শোধ করবে। কাজেই কার্যকর নয় এমন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত করবেন না।

১০) বাচ্চার‌ একটিভ ইনফেকশন জ্বর ঠান্ডা কাশি আছে টিকা দিবো কি?

এ মুহূর্তে না। আগে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডাঃ আফরোজা আকবর সুইটি
সহযোগী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

02/04/2026



আগে জেনে নিই-
Animal bite /Scratch কে ৩ টা ক্যাটেগরিতে ভাগ করা হয়-

Category -1
শুধু rabid Animal এর টাচ লাগলো, No swelling or no bleeding :
করনীয় - কেবল জায়গাটা সাবান /Antiseptic দিয়ে ধুয়ে নিন, আর কিছু করার দরকার নাই-

Category -2
বিড়াল কিংবা কুকুর আঁচড় দিলো কিংবা কামড় দিলো, জায়গা টা ফুলে গেলো, কিন্ত কোনো ব্লিডিং হয়নাই-
এই ক্ষেত্রে হিস্ট্রি নেন-- বিড়াল /কুকুর গৃহপালিত কিনা?
রিসেন্ট ২-৩ মাসে তাদের মধ্যে কোনো aggressive আচরণ দেখেছেন কিনা, drooling of saliva or পায়ে সমস্যা আছে কিনা? যদি গৃহপালিত হয়, আর বিড়াল/কুকুর সুস্থ হয়, তাহলে কিছুই করা লাগবেনা, antiseptic দিয়ে ওয়াশ করে ফেলুন- কিন্ত যদি কুকুর /বিড়ালের পরিস্থিতি জানেন না,
তাহলে সেইক্ষেত্রে ভ্যাক্সিন লাগবে- তবে কোনো Immunoglobulin লাগবেনা--

No bleeding মানে No Immunoglobulin

Category -3
বিড়াল /কুকুরের আঁচড়ে ফুলে গেলো, কিংবা কোথাও skin break হলো, মানে কোথাও রক্ত বের হওয়ার উপক্রম হলো,
তাহলে এইটাকে ক্যাটাগরি -৩ তে রাখা হবে-
Bleeding or bleeding mark = Category -3
এই ক্ষেত্রে ভ্যাক্সিন + immunoglobulin ২ টাই লাগবে-
(Immunoglobulin one single dose)

র‍্যাবিস ভ্যাক্সিনের সর্বশেষ আপডেট-
আগে ১ মাসে ৫ টা ডোজ দেওয়া হতো-
এখন WHO I/M দিলে ৪ টা ডোজ দিতে বলেছে-
আর intra dermal দিলে ৩ টা ডোজ- তবে প্রতি ডোজে ২ হাতেই দিতে হবে-- সেইক্ষেত্রে ডোজ ৩ টা হলেও দুই হাতে দেওয়ার কারণে ৬ বার ইঞ্জেকশন পুশ করা লাগতেছে, তাই এইটা সাধারণত কম দেওয়া হয়, ( I/D dose : 0.1 ml করে দুই সাইটে প্রতি ডোজ)

আর I/M ৪ টা ডোজ ৪ বার ইনজেকশন পুশ করা লাগে, তাই এখনো পর্যন্ত first choice I/M

Update Vaccine Dose:
Day:0
Day-3
Day-7
Day-14

ডেল্টয়েড পেশিতে দেওয়া হবে I/M
কামড়/কিংবা আঁচড়ের পর যত দ্রুত সম্ভব দিয়ে দিবে-
কামড়ের প্রথম ২৪ ঘন্টায় দিলে ম্যাক্সিমাম কার্যকরিতা দেখায়, ২৪ ঘন্টায় দেওয়া না গেলে অবশ্যই ৭২ ঘন্টার মধ্যে দিয়ে দিবেন--

Inj- Rabix VC 1 ml
Day -0 যেদিন প্রথম ডোজ দেওয়া হয় সেদিন কে বুঝায়

এবার আসি -immunoglobulin এর ডোজে
immunoglobulin 40 IU/kg dose এ দেওয়া হয়-
একটা ভায়ালে 5 ml এর মধ্যে 1000 IU থাকে
1 ml =200 IU

প্রতি ৫ কেজির জন্য 1 ml
তার মানে ২৫ কেজি ওজন হলে একটা ভায়াল দিলেই হবে,

৪০ কেজি হলে একটা ভায়াল পুরোপুরি, আরেকটা ভায়াল থেকে 3 ml নিয়ে দিতে হবে-

৫০ কেজি হলে ২ টা ভায়াল, এইভাবে হিসাব করে দিবেন-

কিভাবে দিবেন?
Rabis vaccine 1 ampule এ মাত্র 1 ml থাকে, অর্থাৎ ভ্যাক্সিন পরিমানে কম থাকে, তাই deltoid এ সহজে দিয়ে দেওয়া যায়,

কিন্ত immunoglobulin এক ampule এ 5 ml থাকে, ৭০ কেজি ওজন হলে প্রায় 3 টা ampule লাগবে, যেখানে প্রায় 15 ml, এই 15 ml কিভাবে দিবেন?

প্রথমে Wound টা ভালোভাবে antiseptic দিয়ে wash করে নিবেন, তারপর 15 ml থেকে যতবেশি সম্ভব হয়, wound border e intradermally or S/C দিয়ে দিবেন যতটুকু দেওয়া যায়-
আর বাকি টা Deltoid এ দিবেন--কিংবা Glut eal region এ দিবেন-

অনেকে শুধু একটা immunoglobulin ampule দিয়ে দেয়
এইটা ভুল, সর্বোচ্চ 25 kg পর্যন্ত একটা ampule. (প্রতি 5 kg তে 1 ml or 0.2 ml/Kg)

এই চিকিৎসার সাথে সাথে পেশেন্ট কে antibiotics দিয়ে দিবেন-

moxaclav 625 mg TDS for 7 days..
Pain থাকলে এনালজেসিক-

Re-Exposure:
ভ্যাক্সিন পাওয়ার ৩ মাসের মধ্যে কামড় দিলে আবার ভ্যাক্সিন নেওয়া লাগবেনা- ৩ মাস পরে হলে দুইটা Booster dose নিবে,
Day-0, Day-3

অতীতে একবার immunoglobulin পেয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কখনো immunoglobulin লাগবেনা, শুধু ভ্যাক্সিন দুই ডোজ দিলেই হবে,

আর অতীতে immunoglobulin না পেয়ে থাকলে ভ্যাক্সিন ডোজ কমপ্লিট কিনা, মানে previous exposure এ ৪ টা ভ্যাক্সিন নিয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করবে, যদি ভ্যাক্সিন ডোজ কমপ্লিট থাকে, তাহলে এখন শুধু ২ টা ভ্যাক্সিন দিলেই হবে, category -3 wound হলে+ অতীতে ভ্যাক্সিন ডোজ ইনকমপ্লিট থাকলে immunoglobulin + ৪ টা ভ্যাক্সিন ডোজ লাগবে-

সাথে TT দেওয়া লাগবে কিনা, এইটা ডিপেন্ড করবে wound category এর উপর, তবে tetanus prone wound হলে As per TT vax গাইড লাইন একটা টিটেনাস ভ্যাক্সিন ও দিবে-
যদি সর্বশেষ টিটিনাস ভ্যাক্সিন এর মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হয়-

#প্রেগন্যান্সিতে র‍্যাবিস ভ্যাক্সিন সেফ- দেওয়া যাবে,
একই প্রটোকলে, immunoglobulin লাগলে সেটাও দেওয়া যাবে-

Dr Ismail Azhari

21/03/2026

Eid Mubarak Everyone ❤️

মার্চ মাস কলোরেক্টাল ক্যান্সার সচেতনতার মাস।মার্চ ২০২৬ র অঙ্গীকার :কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য,আগেভাগে শনাক্তযোগ্...
06/03/2026

মার্চ মাস কলোরেক্টাল ক্যান্সার সচেতনতার মাস।

মার্চ ২০২৬ র অঙ্গীকার :
কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য,আগেভাগে শনাক্তযোগ্য,যথাসময়ে চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য।
সময় এখনই,সচেতন হই,স্ক্রিনিং করি,জীবন বাঁচাই।

কোলন,রেক্টাম (পায়ুপথ) র ক্যান্সার বিশ্বের ২য় কমন ক্যান্সার।বর্তমানে বাংলাদেশেও এটার পার্সেন্টেজ অনেক বাড়ছে।

অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস,প্রসেসড ফুডের উপর নির্ভরশীলতা,শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা - অন্যতম কারণ।

পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়াকে পাইলস বলে ধরে অনেক রোগীরা ডাক্তার দেখান না,,,,ওষুধ খেতে থাকেন বিভিন্ন দিক থেকে নিয়ে।
ফলে প্রথমদিকে অল্প মাত্রার ক্যান্সার থাকলেও এটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে পুরো শরীরে।

তাই পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া,এমনকি রক্তশুন্যতা,ওজন কমে যাওয়া অযাচিত কারণে, মলত্যাগের পর ও অসম্পূর্ণতার অনুভূতি এগুলো দেখা দিলে ডাক্তার বিশেষ করে কলোরেক্টাল সার্জনকে দেখান।

প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ৯০% ক্ষেত্রে নিরাময় সম্ভব।

জীবন আপনার, সিদ্ধান্ত আপনার।
নিজে সুস্থ থাকুন,অন্যকেও সুস্থ থাকার পরামর্শ দিন।

ডাঃ সৈয়দা মুক্তি ইসলাম
এমবিবিএস (রামেক)
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস পার্ট ২(জেনারেল সার্জারি)
এম এস ফেজ এ(কলোরেক্টাল সার্জারি)

1st Duty as Assistant Surgeon at লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 🌿
22/02/2026

1st Duty as Assistant Surgeon at লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 🌿

18/02/2026

ডায়াবেটিস এবং রমজান:
রমজান মাসে রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিধান। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা এবং খাদ্যাভ্যাসের আকস্মিক পরিবর্তন বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করলে অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগী নিরাপদে রোজা রাখতে পারেন।

কারা রোজা রাখতে পারবেন না-
১। টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগী যাদের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল
২। রমজানের আগের তিন মাসে গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া (শর্করা কমে যাওয়া) হয়েছে
৩। যাদের ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিসের ইতিহাস আছে
৪। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস (HbA1c > 9%)
৫। গর্ভবতী ডায়াবেটিক মহিলা
৬। যাদের কিডনি (ইস্টেজ ৩-৪), হৃদরোগ বা অন্যান্য জটিলতা আছে

শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম:
১। দিনের বেলা ভারী শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন
২। অতিরিক্ত গরম এবং সূর্যালোকে বাইরে যাওয়া কমিয়ে দিন
৩। প্রয়োজনীয় কাজ সকাল বা সন্ধ্যায় করুন
৪। বিশ্রাম নিন, বিশেষ করে দুপুরে
৫। ইফতারের ১-২ ঘণ্টা পর মাঝারি মাত্রার ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটা বা হালকা যোগব্যায়াম উপকারী, (তারাবির নামাজ নিজেই একটি ভালো ব্যায়াম)
সেহরির পর: ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন, হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি থাকে

পানি পান:
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ছড়িয়ে ছড়িয়ে পর্যাপ্ত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন, ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় কম পান করুন (মূত্রবর্ধক), সেহরিতে বেশি পানি পান করুন

খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ
খাবারের সাধারণ নির্দেশনা: ৩ বার খাবার: সেহরি, ইফতার এবং রাতের খাবার, প্রতিবার পরিমিত পরিমাণে খান, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান (হজম ধীর হয়, দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়)
ফল ও সবজি প্রচুর পরিমাণে রাখুন, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন

সেহরির সময়ের খাবার
জটিল শর্করা (লাল আটার রুটি, লাল চাল, ওটস)
প্রোটিন (ডিম, দুধ, ডাল, মাছ)
স্বাস্থ্যকর চর্বি (বাদাম, অলিভ অয়েল)
আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল)
উদাহরণ মেনু:
লাল আটার রুটি (২-৩টি) + ডিম সেদ্ধ (১-২টি) + সবজি, ওটস + দুধ + বাদাম + ১টি মাঝারি ফল
অথবা লাল চালের ভাত (১ কাপ) + মাছ + ডাল + সবজি, দই,

সেহরিতে‌ খাবেন না:
ভাজা-পোড়া খাবার
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার
সাদা ভাত বা ময়দার রুটি বেশি পরিমাণে, অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার

ইফতারের খাবার হতে পারে:
রোজা খোলার সাথে সাথে- ১-২টি খেজুর + পানি, তাজা ফলের রস (চিনি ছাড়া), হালকা স্যুপ, দই বা লাচ্ছি (চিনি কম)
মূল খাবার (১৫-২০ মিনিট পর):
শর্করা + প্রোটিন + সবজি
লাল আটার রুটি বা ভাত, মাছ, মুরগি বা ডাল, প্রচুর সবজি, সালাদ

ইফতারের এড়িয়ে চলুন:
বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ ইত্যাদি ভাজা খাবার বেশি
অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার (জিলাপি, রসগোল্লা), কোমল পানীয় একবারে বেশি পরিমাণ খাওয়া।

রাতের খাবার হতে পারে (তারাবির পর): হালকা খাবার, ফল, বাদাম, দই
হালকা স্যান্ডউইচ বা সালাদ, প্রয়োজনে হালকা ভাত ও তরকারি

ওষুধের সমন্বয়:
মেটফরমিন: সাধারণত ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই,
সাধারণ নিয়ম: দিনে ২ বার নিবেন - সেহরি ও ইফতারের সাথে,
দিনে ১ বার নিলে: ইফতারের সাথে

সালফনাইলইউরিয়া (যেমন: গ্লিক্লাজাইড, গ্লিমেপিরাইড, ডায়ামাইক্রোন এমআর): সাবধানতা: হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি
সকালের ডোজ ইফতারে এবং সন্ধ্যার ডোজ সেহরিতে নিতে হবে
ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে (বিশেষ করে সেহরিতে)
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ৫০% পর্যন্ত কমানো যেতে পারে

DPP-4 ইনহিবিটর (যেমন: সিটাগ্লিপটিন, ভিলডাগ্লিপটিন,‌ লিনাগ্লিপটিন ): সাধারণত ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না ।

SGLT2 ইনহিবিটর (যেমন: ডাপাগ্লিফ্লোজিন, এমপাগ্লিফ্লোজিন):
সাবধানতা: পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ায়
তাই পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করতে হবে

GLP-1 এগোনিস্ট ( লিরাগ্লুটাইড, সেমাগ্লুটাইড, ওরসেমা): সাধারণত ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই,

ইনসুলিন থেরাপি:
নিয়ম- ব্লাড গ্লুকোজ ৫-৭ মিলিমল এর মধ্যে আছে বা নিয়ন্ত্রণে আছে তাদের ইনসুলিন কমাতে হবে।
আর যাদের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ নেই তাদের ইনসুলিনের ডোজ কমানোর প্রয়োজন নেই।

বেসাল ইনসুলিন (যেমন: ল্যান্টাস, লেভেমির, ভাইব্রেনটা): সকালের ডোজ ইফতারের সময়ে স্থানান্তর করুন, যাদের সুগার নিয়ন্ত্রণ আছে ডোজ ১৫-৩০% কমবে।

রেপিড ইনসুলিন (যেমন: নোভোরেপিড, হিউমালগ): সকালের ডোজ ইফতারে,
রাতের ডোজ ডোজ সেহরিতে (৫০% কমিয়ে), আর দুপুরের ডোজ অফ হবে

মিক্সড ইনসুলিন:( মিক্সটার্ড, ম্যাক্সুলিন, ৩০/৭০, ৫০/৫০)-
সকালের ডোজ ইফতারের সময় ডোজ একই থাকবে কিন্তু রাতের ডোজ সেহরির সময় ২৫ থেকে ৫০% কমাতে হবে।

গ্লুকোজ মনিটরিং:
সেহরির আগে, সেহরির ২ ঘণ্টা পর
দুপুরে (বিশেষ করে প্রথম সপ্তাহে)
ইফতারের আগে, ইফতারের ২ ঘণ্টা পর
ঘুমাতে যাওয়ার আগে, অসুস্থ বোধ করলে যেকোনো সময়

লক্ষ্যমাত্রা:
ইফতারের আগে: ৫.০-৭.০ mmol/L (৯০-১৪৪ mg/dl)
খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর: ৫.০-১০.০ mmol/L (৯০-১৮০ mg/dl)

জরুরি অবস্থা:
অবিলম্বে রোজা ভাঙুন যদি:
১. হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করা < ৩.৯ mmol/L (৭০ mg/dl) এর নিচে নেমে যায়।
লক্ষণ: ঘাম হওয়া, কাঁপুনি, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড়, ক্ষুধা
করণীয়: তাৎক্ষণিক ১৫-২০ গ্রাম গ্লুকোজ/চিনি নিন
২. হাইপারগ্লাইসেমিয়া (শর্করা বেশি):
রক্তে শর্করা > ১৬.৭ mmol/L (৩০০ mg/dl)
লক্ষণ: অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা
৩. পানিশূন্যতা: তীব্র তৃষ্ণা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা
৪. অসুস্থতা:জ্বর, বমি, ডায়রিয়া

পরিশেষে রমজানের আগে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ নিন এবং তাঁর নির্দেশনা মেনে চলুন।

(Ref: Bangladesh Endocrine Society, international Diabetes Federation and DAR alliance)

Abu Shahin Sir

11/02/2026

Alhamdulillah 1st Posting as Assistant Surgeon in
Laksham,Cumilla.

Keep me in your prayers. ❤️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Syeda Mukti Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category